এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • স্বামী বিবেকানন্দ ই: নির্মোহ (তিন)

    Samik
    অন্যান্য | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ | ৬৪৯৩১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • siki | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:১৫513150
  • হয় সিপিয়েমের চক্কান্ত, নয় তো রামকিষেণজির অভিশাপ। কেন পোস্ট নিচ্ছে না আগের টইতে, জানি না।

    এখানে লিখুন।
  • name | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:২২513261
  • ১নং
    http://www.guruchandali.com/guruchandali.Controller?portletId=8&porletPage=2&contentType=content&uri=content1326597227378
    ২ নং
    http://www.guruchandali.com/guruchandali.Controller?portletId=8&porletPage=2&contentType=content&uri=content1327357010984
    আর তিনটি প্রতিবাদ, গতকাল লিখতে ভুলে গেসলাম, সেই দুটি লিপিবদ্ধ করে যাই --
    Name: Biplab Pal Mail: Country: United States
    IP Address : 69.250.67.136 Date:28 Jan 2012 -- 08:56 PM

    প্রথমত : আমি বার বার দেখেছি তথ্য বিকৃতির দোষ আছে আপনার। হররোজ লিখি এই টই-এ তবু মুখে প্রশ্ন বসিয়েছেন যা না কি আপনার মনে হল আমি অজান্তে করেছি। সেক্ষেত্রে সূপর্ণানন্দ স্বামী আর অশ্বত্থানন্দ স্বামীর নামে কিছু না লেখায় বাঞ্ছনীয়। বিশেষত, দ্বিতীয় জন দেহরক্ষা করেছেন যখন। আর প্রথম জন এই ফোরামে আসেননা, তাই আপনার মিথ্যেকে ডিফেন্ড করতেও পারবেন না। যদি দাবী করেন, যাহা বলিয়াছি সত্য, তবে আমাদের সাধ্যানুযায়ী ক্রস চেক করার জন্য উপযুক্ত রেফারেন্স দিন।

    দ্বিতীয়ত : হলিউডে সেন্টার প্রতিষ্ঠাতা মহারাজের নাম প্রভবানন্দ। প্লিজ নোট, নট প্রভানন্দ। নামটা ঠিক লেখার সৌজন্যটুকু আশা তো করতে পারি অন্তত আপনার কাছে!

    তৃতীয়ত : এই যে একটা কথা ছুঁড়ে দিলেন, সন্ন্যাসী গ্র্যাডুয়েশনের জন্য ৪২-টা কোর্স করতে হয়, এই কথাটা কোথা থেকে পেলেন? ৪১-টা নয়, ৪৩-টাও নয়, ঠিক ঠাক ৪২-টা। এই রকম কোনও "কোর্স" হয় না। যদি হয়, তবে, আমি এই কোর্সের বিষয়ে, সিলেবাসের বিষয়ে ডিটেলে জানতে আগ্রহী। ঘরে বসেই যাতে সেই সব পাঠক্রম শেষে সন্ন্যাসী হতে পারি। বেলুড়মঠ তো জানে না, তাই আপনিই একমাত্র ভরসা!
    আর, যদি এই তথ্যও মিথ্যা হয় ("যদি"-টা এখানে বাহুল্যমাত্র), তবে নিতান্ত দু-কান-কাটা না হলে শ্রীরামকৃষ্ণ, ওঁর নামস্পর্শিত সংস্থা বা সন্ন্যাসী-ব্রহ্মচারী-ভক্তদের সম্পর্কে ভবিষ্যতে কোথাও কোনওদিন "তথ্য" প্রকাশ করবেন না।
  • siki | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:২৫513372
  • আরিত্তারা! কোর্স করলে সন্ন্যাসী হওয়া যায়? কী ডিগ্রি দ্যায়? বি. স্যান? :-)))
  • aka | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:২৬513483
  • কত যে ডেটা পয়েন পাচ্ছি পরের টইয়ের জন্য।
  • lcm | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৩৬513705
  • আহা নেম ভাই,এত সিরিয়াসলি নিও না, কথায় কথায় বিপ্লব ওরকম বলে মাঝে মাঝে। এই দ্যাখো না, স্টিভ জব্‌স কে প্রায় বৌদ্ধ বানিয়ে দিয়েছিল। বয়সকালে স্টিভ সাহেব গ্যাঁজা খেতে ইন্ডিয়া গেছিলেন - সে যুগে ইয়াং সাহেবরা অনেকেই যেত। ওরেগন-এ থাকার সময় সাহেব কয়েক মাইল হেঁটে হরেকৃষ্ণ টেম্পেলে যেতেন ফ্রিতে খিচুরি খেতে। ব্যস্‌, হয়ে গেল।
  • dd | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৩৬513594
  • যদি এরকম ৪২টা মডিউল থাকে, তাইলেই বা ক্ষতি কি? আমার তো শুনে বেশ পছন্দ হোলো। আগে ছিলো না কিন্তু এখন বিভিন্ন প্রাচীন মার্শাল আর্টে রীতিমতন কোর্স করে ডিগ্রী (মানে বেল্ট ও ডান) করা হয়, একেবারে উপরের স্তরে অনেকগুলি মার্শাল আর্টে আর Zen ধ্যানে কোনো ফারাক থাকে না।

    রা কৃ মি তে এমনতরো কোর্স আছে কি নেই, লিং সহ প্রকাশের দায় বিপ্লবের,সেটা অন্য কথা।
  • lcm | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৩৭513784
  • বৌদ্ধ নয়, হিন্দু।
  • dd | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৩৯513806
  • কিন্তু স্রেফ গাঁজা খেতে ইন্ডিয়ায় এয়েছিলেন ক্যানো ?

    আম্রিগায় গাঁজা পাওয়া যেতো না? এতো যে গল্পো পড়েছি সেগুনো মিছে কথা?
  • lcm | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৩৯513795
  • টোট্যাল ৪২ ক্রেডিট-এর কোর্স। চার বছরে আন্ডারগ্র্যাড হয়ে যাবার কথা।
  • lcm | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৪১513151
  • ডিডিদা,
    সাধুসঙ্গে গ্যাঁজা, লালমাটির ছিলিমে।
  • dd | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৪৯513162
  • ঐত্তো,ঐত্তো। সাধু সংগ ! তব্বে ?

    তাইলে তো হিন্দু ধর্মের উপর একটা ইসে টাইপের ভাব ছিলই স্টিভ বাবুর।

    আমি আজীবন ইন্ডিয়াতে থেকে কতই তো ছিলিম টানলাম আর্লি ও লেট যৈবনে কিন্তু কোনোদিন সাধু টাধুর তো দর্কার পরে নি।

    সাধু সংগ = একটা ধর্ম টর্ম গোছের ভাব, এটা মানতেই হবে। গাঁজার জন্য ওটা আবশ্যিক নয়।
  • lcm | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১১:৫৯513173
  • ধুস্‌। আপনি কি ভাবছেন, গ্যাঁজাহীন সাধুদের কাছে সাহেবরা যেত নাকি।
    দ্যাখেন না সব ব্যাটা নেশাখোর রকস্টার গোলুর - সেকি ইন্ডিয়া, হিন্ডু হিন্ডু ধুম।
    এক নেশারু গাইয়ে বব মার্লে তো বোম ভোলেনাথ নামে এক পিস গানই গেয়ে ফেলল।
  • omnath | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ১৩:২৫513184
  • মুক্তমনায় ঢুকে যা বুঝলুম, ওটা অভিজিৎ রায়েরই সাইট, যদিও অন্য মডারেটরও আছেন। খুব কম সময়ে ভুল ও বুঝে থাকতে পারি। আর, ওঁর - স্ববিরোধী বিবেকানন্দ -লেখাটা নিয়ে আরো অন্য নানা জায়গায় বিরুদ্ধতা চলছে। বেশ কিছু জনতা বিরক্ত। উনি নিজের দেওয়া রেফারেন্সগুলো ডিফেন্ড করে আরো একটা পোস্ট নামিয়েছেন। সেটা এখনো এখানে দিপ্লববাবু দেননি দেখেই বরং খানিক অবাক হয়ে ফিরে এলাম। তবে মুক্তমনায় জনতার আশা দেখলাম ভবিষ্যতে এসব লেখা সংকলন করে বই হতে পারে। ফেসবুকেও এ নিয়ে তুলোধোনা চলছেই। নেট ফোরামের গুরুত্ব নিয়ে সিরিয়াস রিসার্চ ও সমাজতাত্বিক প্রবন্ধ লেখার দিন সমাগত। আপাতত সইত্যের খাতিরে মুক্তমনায় দ্বিতীয় লেখাটার লিংক দিয়ে যাই।
    http://mukto-mona.com/bangla_blog/?p=22258&cpage=1
  • amit | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ২২:০৯513195
  • বিষ্ণু দার নাম টা কে সকলে মিলে ""অশ্বত্থানন্দ "" লিখছেন কেন? ওনার নাম স্বামী অসক্তানন্দ (Swami Asaktananda)। অবশ্য অন্য কারো কথা বলছেন কিনা জানি না, মনে হল বিষ্ণুদার কথা, তাই জানালাম।
  • rimi | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ২৩:২৯513206
  • If parents select husbands and wives for their children, then this evil is minimised. The daughters of India are more practical than
    sentimental. But very little of poetry remains in their lives. Again, if people select their own husbands and wives, that does not seem to bring much happiness. The Indian woman is generally very happy; there are not many cases of quarrelling between husband and wife. On the other hand in the United States, where the greatest liberty obtains, the number of unhappy homes and marriages is large. Unhappiness is here, there, and everywhere. What does it show? That, after all, not much happiness has been gained by all these ideals.We all struggle for happiness and as soon as we get a little happiness on one side, on the other side there comes unhappiness.


    বিবেকানন্দের কমপ্লিট ওয়ার্ক্সের ভলিউম ২, পৃষ্ঠা ৮৯ -এ পেলাম এই লাইনগুলো। http://www.holybooks.com/wp-content/uploads/SWAMI-VIVEKANANDA-COMPLETE-WORKS-Vol-2.pdf

    ভারতীয় (অর্থাৎ হিন্দু?) মেয়েরা যে সাধারণত খুবই সুখী, এই ধারণা বিবেকানন্দের কেমন করে হল? তারা ঝগড়া করে না (বা করত না) সেইটা তাদের সুখের মাপকাঠি? এইভাবে ব্যাখ্যা করলে তো মুসলিম মেয়েরা (আফগানিস্তান, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আরব) হিন্দু মেয়েদের থেকে বেশি সুখী!!!

    বিবেকানন্দের কিছু লেখা ইতিমধ্যে পড়লাম। সেগুলোর মধ্যে কিছু লেখা যেমন খুবই সুন্দর যুক্তিপূর্ণ (মূলত জাতীয়তাবাদী লেখাগুলো), কিছু লেখা আবার তেমনই ভেগ এবং দুর্বোধ্য (ধর্ম সম্পর্কিত লেখাগুলো), আর কিছু লেখা সম্পূর্ণ যুক্তিহীন (যেমন এইটা)।
  • tatin | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ২৩:৩৪513217
  • ভারতীয় মেয়েরা মোটের উপর খুবই সুখী, পুরুষদের থেকে বেশিই সুখী, কারণ তাদের মোক্ষলাভের পথ সহজতর। পুরুষদের যেখানে স্বধর্ম পালনের মধ্য দিয়ে কর্মফলের চক্করে পড়ে যেতে হয়। পাপবিহীন কর্ম করে মোক্ষলাভের পথ দুরূহ, নারীরা কেবলমাত্র পতিসেবা করেই মোক্ষ পেতে পারেন।
  • Tim | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ২৩:৪০513228
  • :-))
  • rimi | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ২৩:৪৫513239
  • তাতিনের যুক্তিটা বিবুদার থেকে বেটার :-))
  • tatin | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ ২৩:৪৮513250
  • এইটা কেলে দ্বীপুদার উক্তি
  • nk | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০১:৫৯513262
  • সাধে কি আর কেলে দ্বীপুদার বাজার এত ভালো? একেবারে কালজয়ী বাজার। লোকটার লেখা নিয়ে আজও সোপ দেখালে টিভিতে লোকে হামলে পড়ে!
    :-)
  • Somnath | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২১:০২513273
  • আজ এই শুভদিনে ....:-)

    ""
    বিষয় : বুড়োদের কতা
    Name:rDate:02Jul2007 -- 02:14PM

    রামকৃষ্ণ মানে তিনজন রামকৃষ্ণ আছেন। একজন হলেন রামকৃষ্ণ মিশনের রামকৃষ্ণ যাঁকে স্বামী বিবেকানন্দের তীব্র জাতীয়তাবাদ, সমাজ ও ইতিহাসভাবনার শরিক হতে হয়েছে। এখনও রামকৃষ্ণ মিশনে যে পূজাপাঠের প্রচলন আছে বিবেকানন্দ তারও তীব্র বিরোধী ছিলেন। স্বামী রামকৃষ্ণানন্দকে এই পূজাপাঠ নিয়ে তিনি কঠোরভাষায় আক্রমণ করেন। সারদামণি তাঁর প্রভাব না খাটালে রিচুয়ালের দিক থেকে রামকৃষ্ণ মিশন কোথায় দাঁড়াত তা বলা মুশকিল। রামকৃষ্ণ মিশনের প্রভাব যে জায়গায় যতটুকু এই রামকৃষ্ণের প্রভাবও সেই জায়গায় ততটুকু। অর্থাত, শিষ্যদের হাত ধরে তাঁকে গৃহস্থঘরে ঢুকতে হয়েছে। দুই .......

    Name:rDate:02Jul2007 -- 03:25PM

    হিন্দুত্ব কথাটা ভুল, হিন্দুধর্ম হবে। রামকৃষ্ণের ভাষায় যদিও সেইভাবে হিন্দুধর্ম বলে আলাদা কিছুরও অস্তিত্ব নেই। হিন্দুত্ব আরও অনেক পরের ব্যাপার।

    Name:ddDate:02Jul2007 -- 08:38PM

    অ রংগন, বিবেকানন্দর " তীব্র জাতীয়তাবাদ " বলতে কি বুঝালে ? উন্নততর হিন্দু ধর্ম? স্বাদেশিকতা? সমাজ চেতনা ? না কি ?

    Name:rDate:03Jul2007 -- 05:07PM

    তীব্র জাতীয়তাবাদ মানে বীররসে পূর্ণ পুরুষালি জাতীয় চেতনা। যেখানে অন্তর্মুখী সমাজ সংগঠনের থেকে অনেক বেশি জোর পায় বহির্মুখী শ্রেষ্ঠত্বের প্রকাশ। এই জাতীয়তাবাদ পরবর্তীকালে বাংলার বিপ্লবীরা এবং আরও পরে সুভাষচন্দ্র গ্রহণ করবেন। জাতীয়তাবাদের এই মডেলের থেকে একদম আলাদা রবীন্দ্রনাথ বা গান্ধীর জাতীয়াতাবাদের মডেল। বিবেকানন্দ এবং রবীন্দ্রনাথ দুজনেই চান পাশ্চাত্যের প্রযুক্তি ও শিল্পের মাধ্যমে ভারতের অর্থনৈতিক মুক্তি যা গান্ধীভাবনার থেকে একেবারে আলাদা। আবার গান্ধী এবং রবীন্দ্রনাথ দুজনেই অহিংস পথে বিশ্বাসী যেখানে বিবেকানন্দ মৃত্যুপূজার আহ্বান করছেন। গান্ধী এবং বিবেকানন্দ দুজনেই ভাবেন ইংরাজ চলে গেলে ভারত আপনা আপনি নিজের বুঝ নিজেই বুঝে নেবে, কিন্তু রবীন্দ্রনাথ বারবার আমাদের জাতীয় সমাজ ও রাজনীতির অন্তর্বীক্ষণের কথা বলেন। বিবেকানন্দের একটি চিঠিতে জাতীয় কংগ্রেসের কাজকর্ম সম্পর্কে খুব মজার ভাবনা পাওয়া যায়। সেখানে বিবেকানন্দ বলছেন যে এই কেঁদেককিয়ে ভিক্ষে করে কোনো লাভ নেই, কংগ্রেসের উচিত আমেরিকান স্বাধীনতাযোদ্ধাদের মত ঘোষণা করা যে আজ থেকে ভারতবর্ষ স্বাধীন। এখান থেকে বিবেকানন্দের যুদ্ধং দেহি জাতীয়তাবাদের আভাস পাওয়া যায়। এই চিন্তাধারায় যা আছে:
    ১) ক্ষত্রিয় উগ্রতা, যে কোনো রকম "ন্যাকামি" পরিত্যাজ্য
    ২) দারিদ্‌র্‌যকে মূল সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা
    ৩) হিন্দুসমাজের জাতপাতের বিরুদ্ধে জেহাদ
    ৪) আধ্যাত্মিকতাকে ভারতের প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে ধরে নেওয়া
    ৫) উন্নততর আধ্যাত্মিকতা দিয়ে প্রতীচ্যবিজয়ের স্বপ্ন
    কাজেই বিবেকানন্দের আধ্যাত্মিকতা এবং জাতীয়তাবাদ একে অন্যের সাথে সম্পৃক্ত। ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিকতার একটা জায়গা সবসময়ি আছে কারণ সেই পথ ধরেই রামকৃষ্ণের কাছে যাওয়া। কিন্তু এই ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিকতা এবং সমাজ-রাজনীতির দোলাচল বিবেকানন্দের প্রতিটি কথাবার্তায়। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এই পরস্পরবিরোধিতার জায়গা থেকে তিনি বেরোতে পারেন নি। ব্যক্তিগত আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি বিবেকানন্দ পাশ্চাত্য ঔপনিবেশিক শক্তি এবং মিশনারীদের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য সামাজিক আধ্যাত্মিকতাকে বারবার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। যে বিবেকানন্দ একদিকে নিজের চিঠিপত্রে তত্‌কালীন হিন্দুসমাজ, তার রীতিনীতিপ্রথাপ্রচলনের বিরুদ্ধে রুদ্রমূর্তি ধারন করছেন, সেই বিবেকানন্দই পাশ্চাত্যসমাজের সামনে অজুহাতের অযোগ্যের জন্য অজুহাত খাড়া করছেন। যেনতেনপ্রকারেণ আমাদের সব কিছুকে আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করা চাই- এই হল বিবেকানন্দের জাতীয়তাবাদ যা মূলত: রক্ষণমূলক। এই জাঁতাকলের থেকে রবীন্দ্রনাথ বেরিয়ে আসবেন এবং জাতীয় চরিত্র নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের থেকে আমাদের অনেকটাই মুক্ত করবেন।

    Name:ddDate:03Jul2007 -- 08:30PM

    একটা পরাধীন দেশের জাতীয়তাবাদী অথচ স্বাধীনতর কোনো কথা নেই, ব্রিটীশদের বিরুদ্ধে কোনো কথা নেই - এ কেমন জাতীয়তাবাদ ?

    না, প্রচলিত অর্থে জাতীয়তাবাদী বল্লে বিবেকানন্দ জাতীয়তাবাদী ছিলেন না। হিন্দু রিফর্মার - ইয়েস। সমাজ সংস্কারক ইয়েস। আর তাঁর ভাষাটা উগ্র সেটাও মানি। আর কিছু না।

    Name: রঞ্জন (dear ) Date:04Jul2007 -- 01:05AM

    চিন্তাশীল ও পরিপার্শ্ব-সচেতন বাঙালি বরাবরই বীরপূজা বা তেজস্বী নায়ক চরিত্রের অনুগমনে অভ্যস্ত। সেক্ষেত্রে, বিবেকানন্দের যুক্তিপুর্ণ মুক্ত অথচ আবেগতাড়িত উদাত্ত আহ্বান, "উত্তিষ্ঠিত জাগ্রত:' ... তাঁর কর্মযোগের মন্ত্র--- এগুলিই তত্‌কালীন তরুণ / যুব সমাজকে উদ্বুদ্ধ করেছিল। ঠিক তার পরবর্তী প্রজন্ম তাঁরই প্রভাবে একটা "আদর্শ'কে পাথেয় করে জীবনের উদ্দেশ্য খুজে পেয়েছিল। এই সময় আমরা যে ক'জন দেশপ্রেমিক, "জাতীয়তাবাদী' তথা ইংরাজ-শাসক-বিরোধী তরুণ / যুবাকে দেখি এদের মননে এবং কর্ম-ভাবনায় বিবেকানন্দের প্রভাব স্পষ্টতই অপরিসীম।

    রংগন দা'র সঙ্গে এজন্যই সহমত। আপনারা যাদের সত্যিকারের জাতীয়তাবাদী (ইংরাজ-সরকার বিরোধী) বলছেন, তাঁরা কেন এই লোকটির কাছ থেকে এত অনুপ্রেরণা পেলেন। কারণ একটাই--- বিবেকানন্দই তরুণ সমাজের মনের মধ্যে সচেতনভাবে প্রশ্ন ঢুকিয়ে দিলেন .... আমরা কারা ? আমাদের উত্‌পত্তি কি/ কোথায় ? আমরা কোন "জাতি' ? আমরা কি দুর্বল? আমরা কি স্বাধীন? নই কেন? আমরা কেন দুর্বল ? আমরা কি বহুজাতি ! কেন এই জাতিভেদ ! নাকি আমরা একটাই জাতি--- শাসিত ও শোষিত ? ..... ইত্যাদি। এবং এর উত্তরও তাঁর লেখায় ও বক্তব্যে ছিল।

    এহেন পুরুষকার চরিত্রকে জাতীয়তাবাদী না ভেবে/বলে পারছি না। ..... একটা কথা এপ্রসঙ্গে মনে পড়ছে, --- যত মত তত পথ!এটা ঠিক তথাকথিত রাজবিরোধী পথে তিনি হাটেন নি। সম্ভবত, তিনি যুদ্ধে যাওয়ার আগে সেনা প্রশিক্ষণ কেই প্রাধান্য দিয়েছিলেন!

    Name:rDate:04Jul2007 -- 11:48AM

    এইটা দীপ্তেনদা একদম ভুলদিকে গেলেন। রামকৃষ্ণ আর রাজযোগ বাদে বিবেকানন্দ যদি আর কিছু নিয়ে কথা বলে থাকেন তা হল সুতীব্র ব্রিটিশবিরোধিতা। সেই ব্রিটিশবিরোধিতা এতটাই তীব্র মাঝে মাঝে তা অসহিষ্ণু অভদ্রতার পর্যায়ে উঠেছে। প্রতীচ্যভ্রমণের আগে বিবেকানন্দ ভারতের যাবতীয় দুর্দশার মূলে ব্রিটিশদের চিহ্নিত করেন এবং পাশ্চাত্য থেকে ন্যূনতম কিছু গ্রহণের বিরোধী ছিলেন। পাশ্চাত্যে ঘুরে আসার পরে বরঞ্চ বিবেকানন্দ প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মিলনের কথা বলছেন। এই মূহুর্তে আমি সেই ভূরি ভূরি লেখা উদ্ধৃত করতে পারছি না। কিন্তু দুটি বইয়ের নাম করছি যেখানে উনিশ শতকের জাতীয়তাবাদে বিবেকানন্দের ভূমিকার কথা বিস্তৃতভাবে আলোচিত। দুটি বইয়ের লেখক কেউই বিবেকানন্দভক্ত নন, এবং একজন ঘোর মার্ক্সবাদী, দ্বিতীয়জন বামপন্থী জাতীয়তাবাদী লিবারেল। প্রথম বইটি সুমিত সরকারের "রামকৃষ্ণ, কলিযুগ ও ভক্তি", যার মূল প্রতিপাদ্য রামকৃষ্ণ ও উনিশ শতকের মধ্যবিত্ত কেরানী সমাজ। কিন্তু বইয়ের শেষভাগে সুমিতবাবু রামকৃষ্ণের ভক্তিপরম্পরার বিপ্রতীপে বিবেকানন্দের জাতীয়তাবাদের বিস্তৃত আলোচনা করছেন, এইটা দেখাতে যে রামকৃষ্ণের ভাবধারা বিবেকানন্দের হাতে পড়ে একদম উল্টো মোড় নিচ্ছে। দ্বিতীয় বইটি, তপন রায়চৌধুরীর "ইউরোপ পুনর্দর্শন"। বইটির মূল বিষয় উনিশ শতকে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ যেভাবে গড়ে উঠছে এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতে তিনজন বাঙালী প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বিশ্লেষণে সেই জাতীয়তাবাদকে কিভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। এই তিন বাঙালী হলেন- ভূদেব মুখোপাধ্যায়, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও স্বামী বিবেকানন্দ। বিবেকানন্দের জাতীয়তাবাদী ভাবনার সুফল ও কুফল নিয়ে বহু বিতর্ক আছে, কিন্তু বিবেকানন্দ জাতীয়তাবাদী ছিলেন না এ কথা প্রায় কোনোধারার ঐতিহাসিক স্বীকার করবেন না। সেই তীব্র জাতীয়তাবাদের কন্টিনিউইটি দেখা যায় নিবেদিতার রাজনৈতিক কর্মকান্ডে, যা রবীন্দ্রনাথ কিছুতেই মেনে নিতে পারেন নি এবং যা নিয়ে রবীন্দ্রনাথ এবং নিবেদিতার মতান্তর ও মনান্তরের সূচনা। রবীন্দ্রনাথ এও মনে করতেন যে বিবেকানন্দের পাল্লায় পড়ে নিবেদিতার এই উগ্র জাতীয়তাবাদ।

    Name:rDate:04Jul2007 -- 02:16PM

    এতটাই যখন লিখলাম তখন আরও একটু লিখি। :-)

    প্রচলিত জাতীয়তাবাদ মানে কি? রাজনৈতিক স্বাধীনতার জন্য রাজনৈতিক আন্দোলন? পুরো উনিশ শতকে এই ধরনের রাজনৈতিক আন্দোলনের কোনো প্রচলন ছিল না। যা হয়েছে তা হল ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর বিদ্রোহ, যথা সাঁওতাল বিদ্রোহ, ওয়াহাবী বিদ্রোহ, নীল বিদ্রোহ এবং সর্বোপরি সিপাহী বিদ্রোহ। কিন্তু যেহেতু জাতিসত্তাকে নির্ণীত না করতে পারলে রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদ গড়ে ওঠে না, তাই এই সব বিদ্রোহে ভারতীয় জাতিসত্তার রাজনৈতিক স্বাধীনতার কোনো গল্পই ছিল না। ব্রিটিশ ইন্ডিয়া অ্যাসোসিয়েশন এবং তার উত্তরসূরী ১৮৮৫ সালে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসের মধ্যে দিয়ে রাজনৈতিক স্বাধীনতা আন্দোলনের অঙ্কুরোদ্‌গম হচ্ছে মাত্র। কিন্তু প্রচলিত অর্থেও জাতীয়তাবাদের এ হল একটি দিক। কিন্তু রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদের চালিকা হিসেবে কাজ করে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ। উনিশ শতকে বাঙালী বুদ্ধিজীবীরা প্রথম ভারতীয় জাতিসত্তার সংজ্ঞায়ন এবং পৃথকীকরণের কাজ শুরু করেছেন এবং সেই কাজে তাঁদের রেফারেন্স ফ্রেম হল পাশ্চাত্য সভ্যতা। এই সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের উত্তরাধিকারকে কর্নারস্টোন ধরে বিংশ শতাব্দীর রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের শুরু। উনিশ শতকের লোকেরা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য নিয়ে যত চাপ খাচ্ছেন, বিংশ শতাব্দীতে এসে এই আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন গৌণ হয়ে যাচ্ছে। বিবেকানন্দ ইংলন্ডের পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসির সমালোচনা করছেন, কারণ তাঁর মনে হচ্ছে শক্তিশালীদের প্রভুত্ববিস্তারের আর একটা উপায়। বিংশ শতাব্দীর রাজনৈতিক স্বাধীনতা আন্দোলনে পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি নিয়ে কোনো মৌলিক প্রশ্ন তোলা হচ্ছে না। কারণ ততদিনে ভারতীয় আত্মপরিচয়ের একটা মডেল আত্তীকৃত হয়ে গেছে, যে মডেলের মূল উদ্‌গাতা উনিশ শতকের জাতীয়তাবাদী চিন্তাবিদ্রা। যে কারণে বাংলার বিপ্লবী আন্দোলন এবং সুভাষচন্দ্রের রোল মডেল হলেন বিবেকানন্দ এবং আনন্দমঠের সন্ন্যাসী দল। জাতীয়তাবাদের এই ধারা রবীন্দ্রনাথ বা গান্ধীর জাতীয়তাবাদের থেকে একদম অন্যধাঁচের। উল্লেখ্য এই বিপ্লবী আন্দোলনের একটা বড়ো অংশ আরো পরে কমিউনিস্ট আন্দোলনের সূচনা করছেন। বিবেকানন্দের ছোটো ভাই ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত যাঁর প্রধান শরিকদের অন্যতম।

    Name:ddDate:04Jul2007 -- 06:41PM

    রংগন
    তুমি জাতীয়তাবাদ নিয়ে যা লিখলে সেটা মানলাম। ঠিকই তো, তখন ভারতীয় বোধটই দানা বাঁধে নি।

    তবে বিবেকানন্দের " সুতীব্র বৃটীশবিদ্বেষ " ইত্যাদি কোথায় পেলে ? আমি তো ওনার সমগ্র রচনাবলী পড়েছি। স্মরনে আসছে না কোথাও,কোথাও একটিও বৃটীশ বিরোধী শব্দ। তাইলে কি এতই মিস করে গেছি? অবাক কল্লে।

    লিখেছো যখন তখন সুত্রও তোমার জানা। রেফারেন্স দাও তো, আবার ঘেঁটে দেখি। কিন্তু বিবেকানন্দের রচনাবলী ছাড়া আর কোনো কিতাবের রেফারেন্স দিও না।

    Name:AbhyuDate:04Jul2007 -- 11:32PM

    dd,

    হাতের কাছে রচনাবলী নেই - তাই অন্য একটা বই থেকে টুকছি ... "স্বামীজীর ইংরেজী গ্রন্থাবলীর অষ্টম খণ্ডে "হিন্দুগণ ও খ্রীষ্টানগণ" নামে মুদ্রিত হইয়াছে ...

    "যদি গোটা ভারত উঠিয়া দাঁড়ায় এবং ভারত মহাসাগরের নীচে যত কাদা আছে সব তুলিয়া লইয়া পাশ্চাত্য দেশগুলির দিকে ছুঁড়িয়া মারে, তাহা হইলেও আপনারা আমাদের বিরুদ্ধে যাহা করিতেছেন, তাহার অতি সামান্য প্রতিশোধও হইবে না।'

    আরো কোথাও মনে হচ্ছে পড়েছিলাম যে অন্তত: পাশ্চাত্যে স্বামীজী ব্রিটিশদের উপরে বেশ খড়্‌গহস্ত ছিলেন। কোনো একটা বক্ততা দেওয়ার সময় উনি একজনকে জাস্ট কাঁদিয়ে ছাড়েন তাঁর স্বজাতির দুষ্কিতির কথা বলে।

    Name:ddDate:05Jul2007 -- 08:30PM

    অভ্যু
    হিন্দুগন ও খ্রীষ্টানগন নামের প্রবন্ধে ভারত (=হিন্দু) ও পাশ্চাত্য(=খ্রীষ্টান)যা বলা হয়েছে সেটা আদৌ ব্রিটীশ বিরোধিতা নয়।

    তবে এ ব্যাপারে রংগনের উপরে কথা নেই। সেই সময়ে ভারতচেতনাই তো শৈশবে, ব্রিটীশ বিরোধিতার আইডিয়া দানা বাঁধতে আরো সময় লাগবে।

    ""
  • Biplab Pal | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৯:২৩513284
  • । সেক্ষেত্রে সূপর্ণানন্দ স্বামী আর অশ্বত্থানন্দ স্বামীর নামে কিছু না লেখায় বাঞ্ছনীয়। বিশেষত, দ্বিতীয় জন দেহরক্ষা করেছেন যখন। আর প্রথম জন এই ফোরামে আসেননা, তাই আপনার মিথ্যেকে ডিফেন্ড করতেও পারবেন না। যদি দাবী করেন, যাহা বলিয়াছি সত্য, তবে আমাদের সাধ্যানুযায়ী ক্রস চেক করার জন্য উপযুক্ত রেফারেন্স দিন।
    &&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&
    আপনি বৃথা উত্তেজিত হচ্ছেন মি" নেমে, যা বালখিল্যতার নামান্ত্ব্রর।

    সত্যদা খুবই বাস্তববাদি এবং পন্ডিত লোক। বিবেকানন্দের ওপর শ্রদ্ধা অতটা না থাকলেও সত্যদার ওপর আছে। উনার মতন উদারমনা লোক খুব কম দেখেছি জীবনে।

    &&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&

    তৃতীয়ত : এই যে একটা কথা ছুঁড়ে দিলেন, সন্ন্যাসী গ্‌র্‌যাডুয়েশনের জন্য ৪২-টা কোর্স করতে হয়, এই কথাটা কোথা থেকে পেলেন? ৪১-টা নয়, ৪৩-টাও নয়, ঠিক ঠাক ৪২-টা। এই রকম কোনও "কোর্স" হয় না। যদি হয়, তবে, আমি এই কোর্সের বিষয়ে, সিলেবাসের বিষয়ে ডিটেলে জানতে আগ্রহী। ঘরে বসেই যাতে সেই সব পাঠক্রম শেষে সন্ন্যাসী হতে পারি। বেলুড়মঠ তো জানে না, তাই আপনিই একমাত্র ভরসা!

    &&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&
    ব্রহ্মচারী থেকে সন্নাসী হতে গেলে ব্রহ্মচারী শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী কোর্সের তারতম্য হয়- ৪২ টা কোর্স একটা সিম্বলিক অর্থে বলা। আমাকে যদ্দুর বলা হয়েছি সব কোর্সের সংখ্যা ৩০-৫০ এর মধ্যে থাকে-এটা ২০ বছর আগের ঘটনা। এখন আইন বদলালে জানি না। তবে এমন ও দেখেছি মিশনে ব্রহ্মচারীরা পাশ করা জন্যে আগের সন্নসীর চটি নোট মাগগআ মারছে।

    আপ নি শান্ত হোন-সাঙ্কিÄক, তাপরে নির্বিকল্প সমাধির লাইনে দাঁড়ানো লোকেদের এমন উত্তেজিত হতে নেয়।
  • name | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৯:৩০513295
  • দাদা, আমি কিন্তু সিলেবাস চেয়েছিলাম, উপদেশ নয়। ৩০ টা বা ৫০ টা যা হোক। আপনার মিথ্যে শুনে শুনে লোকে ক্লান্ত মশায়। তার মানে ঐ ৪২ সংখ্যাটাও গুল? তারপরেও কথা বলতে এসেছেন?
  • kd | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১০:৫২513306
  • আজকের বিশ্বভারতী দেখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিক্ষাপদ্ধতির সমালোচনা যেমন বাতুলতা, রামকৃষ্ণ মিশন দেখে স্বামী বিবেকানন্দের চিন্তাধারার সমালোচনা করা তার থেকে বেশী বই কম নয়।।
  • Biplab Pal | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৬:৩৪513317
  • দাদা, আমি কিন্তু সিলেবাস চেয়েছিলাম, উপদেশ নয়। ৩০ টা বা ৫০ টা যা হোক। আপনার মিথ্যে শুনে শুনে লোকে ক্লান্ত মশায়। তার মানে ঐ ৪২ সংখ্যাটাও গুল? তারপরেও কথা বলতে এসেছেন?

    &&&&&&&&&&&&&&&
    নেমে দেখছি নিতান্তই বাচ্চা ছেলে-ফিগার অব স্পিচ কাকে বলে জানো ভাই?
  • name | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২৩:৪১513328
  • সে আর বলতে, দাদা? বাচ্চা না হলে আপনার এই বাল ভাষিতং সিরিয়াসলি নিয়ে এত্ত বাইট খরচ করি? কেমন বাল ভাষিতং নিজেই দেখুন : "ব্রহ্মচারীরা পাশ করা জন্য আগের সন্নসীর চটি নোট মাগগআ মারছে।" বানানসহ উক্তি অপরিবর্তিত। হয়ত দেখেছেন (তাও তো প্যাঁচে পড়লেই কুড়ি বছর আগের দোহাই দিয়ে ছাড় চাইছেন) ব্রহ্মচারীরা কিছু শ্লোক পড়ছেন আর কনক্লুশন করেছেন এই। তো, কাকেও সঞ্চয়িতা থেকে জীবনানন্দ থেকে শঙ্খ ঘোষ থেকে মুণ্ডক উপনিষদ থেকে ভাগবত গীতা থেকে একই সঙ্গে মাগগা করতে দেখলে কি কনক্লুশন করবেন? সে বাংলা সাহিত্যের কোর্স পাশ দিতে চায় না কি সংস্কৃতের না কি সন্ন্যেসীর?
    যাগ্গে, আর এখানে ছড়াতে হবে নি। তাতিন ব্যবস্থা করে দিয়েছে, আপনি এবার সেখেনে ছড়ান। কিন্তু নিজের প্রিয় খাদ্যটা অপচয় করবেন না, কেমন?
  • aka | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৫:২৫513339
  • ধম্মের টইতে এই ফ্লো চার্টটা যায় ভালো।

    http://www.democraticunderground.com/12301877

    দেখে নিন আপনার ধম্ম কি?
  • Somnath | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৬:৩২513361
  • "আমি বিবেকানন্দ বলছি" - শংকর, পৃ: ১৭০

    "গতকাল ১৩ ডলার ডিয়ে একটা পাইপ কিনেছি - দোহাই ফাদার পোপকে [ মি: জর্জ হেল, যার জন্যে পাইপটি কেনা হয় ] কথাটি ব'লো না যেন। "

    এখানে "[ ] " এর মধ্যের কথাটি শংকরের। এসম্বন্ধে আরো জানার থাকলে তাকলে আমার কোনো বক্তব্য নেই। তবে তথ্যবিকৃতির দায় অভিজিৎ রায়কেই নিতে হবে।

    কোট বিষয়ে, ঐ একই পাতায় : ১লা মে ১৮৯৪ : - "প্রিয় ইসাবেল, আমার কোটের ঠিক কমলা রংটি এখানে খুঁজে বার করতে পারলাম না। সুতরাং তার কাছাকাছি ভাল রং যা মিললো - পীতাভ রক্তিম - তাতেই খুশী থাকতে হ'ল। কয়েকদিনের মধ্যেই কোটটি তৈরি হয়ে যাবে। সেদিন ওয়ালডর্ফের বক্তৃতা থেকে ৭০ ডলার পেয়েছি। ..... কোটের খরচ পড়বে ৩০ ডলার। ... আমি খেয়ে নিয়েছি এক্ষুনি, কারণ সন্ধ্যায় এক নিরামিষ ডিনারে বক্তৃতা দিতে যাচ্ছি।"

    এবার সেই সময়, যাঁকে নিভিন্ন সভায় / ভোজসভায় আমন্ত্রিত হয়ে অর্থের বিনিময়ে বক্তৃতা দিতে হচ্ছে, প্রচন্ড ঠান্ডায় হোক বা তা না হোক, অভিজাত মহলে সম্মান বজায় রাখতে ও প্রথম দর্শনে সম্মান জাগাতে, ৩০ ডলারের কোট সম্বন্ধে কারো কিছু বক্তব্য আছে? সেকালের টাকার ভ্যালু, বা অন্য জিনিসের তুলনামূলক দাম সম্বন্ধে কোনো ধারণা নেই। আবার কিছু স্পেশালাইজড জিনিসের দাম অদ্ভুত বেশি হতে পারে, যেমন কয়েক বছর আগে মোবাইলের দাম, ইত্যাদি। সে সব বাদেও, দু বছর আগে, আমার স্যুট (ঠান্ডার কোট নয়) কিনতে ৩০০০ টাকার কাছাকাছি পড়েছিল, ভারতে।

    তো, এখানে আমি বিদেষে বিবেকানন্দের বিলাস ব্যসনের বিশেষ কিছু পেলাম না। অভিজিৎ রায় পেতেই পারেন অবশ্যি।
  • Somnath | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১৬:৫৯513373
  • ও: আরো পাওয়া গেছে।
    * "Babies" and "Sister four" refer to Mary Hale, her sister Harriet Hale, and their two cousins Misses Isabelle and Harriet MacKindley.** "Mother" refers to Mary's mother, Belle Hale. ***"Father Pope" refers to Mary's father, George Hale.

    http://www.vivekananda.net/Poetry/InterestingCorrespondence.html

    আর ২৩শে জুলাই ১৮৯৪, মিসেস জি ডাব্লু হেল কে জিজ্ঞেস করেছেন "Has the meerschaum pipe reached Chicago?"

    The Swami had purchased this pipe in New York as a gift for Mr. Hale.)

    http://www.ramakrishnavivekananda.info/vivekananda/volume_9/letters_fifth_series/025_mother.htm

    মীরশ্যাম পাইপের আখ্যান ও কুৎসা কি এক্ষণে শেষ হল বলে মনে করা যায়?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন