এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • পায়ের তলায় সর্ষে - টুক করে বিষ্ণুপুর

    Ben Arfa
    অন্যান্য | ২১ আগস্ট ২০১২ | ৬৬২৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১১:৩৭569186
  • সম্ভবতঃ বিষ্ণুপুর যায়নি এমন কেউ এখানে নেই (এদ্দিন আমিই ছিলুম) - তাও টইটা খুলে দিলুম পরে যদি কারো কখনো কাজে লাগে। গাড়ি নিয়ে বিষ্ণুপুর - রুটটা হল কলকাতা - ডানকুনি - আরামবাগ - কোতুলপুর - বিষ্ণুপুর, আর ফেরার সময় বিষ্ণুপুর - সোনামুখী - বর্ধমান - কলকাতা।

    আগে ছবির লিঙ্ক দিই -

    https://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151181185043524.503053.628108523&type=3

    পিকাসার লিঙ্ক একটু পরে দিচ্ছি।
  • ব্যাং | ২১ আগস্ট ২০১২ ১২:২২569197
  • আমিও যাই নি। কিন্তু যাব। গাড়িতে কোলকাতা থেকে যেতে কতক্ষণ লাগে?
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১২:৪১569219
  • গুচ-তে অনেকেই বলেছিলো যে রাস্তা খারাপ। কিন্তু ট্রেনে কোথাও যাওয়া, আর নিজে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার মধ্যে তফাত আছে - পরেরটা আমার খুব প্রিয়। তো সেই কারণে গাড়ি নিয়েই গেছিলুম - দুটো গাড়িতে আমাদের গুষ্টিশুদ্ধু সবাই - মানে আমরা চারজন, মা/বাবা, দিদিরা তিনজন।

    ১৯ তারিখ, মানে রোব্বার সকালে রওনা দিলুম। ছটায় বেরনোর প্ল্যান ছিলো, কিন্তু যা হয় - বেরোতে বেরোতে সাড়ে ছটা। ইচ্ছে যাওয়ার পথে আরো দু একটা জায়গা ঘুরে নেওয়া - যেমন আঁটপুর (এখানে বহু পুরনো একটা মন্দির আছে), গড় মান্দারন (সেই সেই গড় মান্দারন - তিলোত্তমার বাড়ি)...

    ডানকুনি থেকে বাঁদিকে চন্ডীতলার রাস্তা নিলুম, যেটা চাঁপাডাঙা হয়ে আরামবাগের দিকে যায়। ডানকুনিতে রেললাইনের ওপর ফ্লাইওভার তৈরী হচ্ছে (অনেকদিন ধরে, এখন কাজ প্রায় বন্ধ) - কাজেই ওই অংশটুকু খারাপ। ফ্লাইওভার যদ্দিন না হচ্ছে তদ্দিন রেলগেটে দশ থেকে পনেরো মিনিটও দাঁড়াতে হতে পারে - ঢিক ঢিক করে খান দুই মালগাড়ি পাস করালে আরো বেশি। এর পরের রাস্তাটাও খুব একটা ভালো নয়, মাঝে মাঝেই গর্ত রয়েছে, ভাঙা - এই কদিনের বৃষ্টিতে আরো হাল খারাপ।

    আমার বাবা একসময় আরামবাগে থাকতেন - ওই অঞ্চলে হিন্দুস্তান ফার্টিলাইজারের অনেক কাজ থাকতো চাষবাসের সাথে রিলেটেড, কাজেই ওই দিকগুলো বাবার চেনা। আর প্রায় পঞ্চাশ বছর পর ওই পথে যাওয়ার সময় বাবা মোটামুটি ঋকের বয়সী হয়ে গেসলো। তা, বাবার চেনানো রাস্তাতেই যাচ্ছিলুম, কিন্তু আঁটপুর যেতে হলে যে "গজার মোড়" থেকে ঘুরে "গুঁতোর মোড়" যেতে হয় সেটা বাবা ভুলে গেসলো - শুধু "গুঁতোর মোড়"-টাই মনে ছিলো। "গজার মোড়" তো দিব্যি পেরিয়ে গেলুম, কিন্তু "গুঁতোর মোড়"-এর দেখা নেই, বদলে আরেকটা কী যেন জায়গা এসে গেলো...তখন লোকজনকে জিগিয়ে জানা গেলো যে আমরা সেই জায়গা পেরিয়ে এসেছি। আর ঘুরে যাওয়া মানে সময় নষ্ট, কাজেই আঁটপুর বাদ গেলো।
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১২:৪৫569230
  • রাস্তার ওপর ডিপেন্ড করছে। আরামবাগ হয়ে গেলে দূরত্ব ১৫১ কিমি, কিন্তু রাস্তার অবস্থা বিশেষ ভালো নয়। ঘন্টা পাঁচেক লেগে যায়।

    আর দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে থেকে দুর্গাপুর অবধি গিয়ে ঘুরে আসা যায়, কিন্তু সেক্ষেত্রে দূরত্ব প্রায় ২৫০ কিমি হয়ে যায়। হরেদরে ওই একই সময় লাগে।
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৩:৪২569241
  • আরামবাগের একটু আগে পারুল বলে একটা ছোট জায়গায় খান দুই পুরনো টেরাকোটার মন্দির আছে - বাড়ির মন্দির। কিন্তু এখনো সেই অরিজিনাল টেরাকোটার কাজগুলো প্রায় অক্ষত রয়েছে। লোকে এই মন্দিরদুটোর কথা জানে না বল্লেই চলে। বাবা যখন আরামবাগে ছিলো, তখন এসেছিলো। সেই ছোট গলি, গলির মুখে সেই পঞ্চাশ বছর আগের ডিপ টিউবওয়েল। একটা মন্দির শুধু কোনো কারণে লালচে রঙ করে দিয়েছে বলে সৌন্দর্যটা মাটি হয়ে গেছে। অন্যটা এখনো বেশ সুন্দর।

    পরের স্টপ আরামবাগ। আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালের উল্টোদিকে কোন বাড়িতে বাবা-মা থাকতো সেটাও বাবা খুঁজে বের করলো। নস্টালজিয়া আর কারে কয়...

    তাপ্পর আরামবাগ বাইপাস ধরে বিষ্ণুপুরের দিকে। অনেক দেরী হয়ে গেছিলো বলে গড় মান্দারন কাটিয়ে দিতে হল - কারণ সেটা কামারপুকুরের রাস্তায়। পরে কখনো ঘুরে আসবো।
  • Blank | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৩:৪৩569252
  • আমিও যাইনি। ধারে কাছে পাহাড় নেই কোনো। জঙ্গল নেই। এমনকি কোনো সমুদ্দুর নেই।
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৩:৫৬569257
  • বিষ্ণুপুর পৌঁছতে পৌঁছতে বেলা দেড়টা। উঠলাম পঃবঃ ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের লজে। যা হয় - অসাধারণ লোকেশন, কিন্তু দেখাশোনা হয় না - ঘরে বাল্বের শেড থেকে ঝুল ঝুলে আছে, মেঝেতে দাগ, ভ্যাপসা গন্ধ। তবে বিভিন্ন সোর্স অনুযায়ী ওটাই ওই অঞ্চলে থাকার জন্যে সেরা জায়গা।

    আমার লম্বা ড্রাইভিং-এর অভ্যেস আছে বলে অসুবিধা হয়নি, কিন্তু বিমানদার অভ্যেস নেই একেবারেই, তাই খেয়েদেয়ে রেস্ট নিতে নিতে চারটে বেজে গেলো। চা খেয়ে বেরোতে বেরোতে পাঁচটা। একজন গাইডও জুটে গেলো - সঙ্গে ঘোরার জন্যে। পঃবঙ্গ ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্টের ট্যুরিস্ট লজের খুব কাছেই রাসমঞ্চ। সেখানে সব মন্দিরের জন্যে একসাথে টিকিট পাওয়া যায়।

    রাসমঞ্চে প্রায় ভুলভুলাইয়া গোছের কিছু অলিগলি আছে, কিন্তু অবশ্যই আসল ভুলভুলাইয়ার মত অত বড় নয়। আর এটার গায়ের কারুকাজও বিশেষ দর্শনীয় নয়। কিন্তু এটাই সবচেয়ে ভালোভাবে মেইন্টেইনড। এর পাশের রাস্তা দিয়ে অন্য মন্দিরগুলোর দিকে যেতে হয় - আর নামকরাগুলো (যেমন শ্যাম রায় মন্দির, জোড় বাংলা মন্দির ইত্যাদি) খুবই কাছে। রিক্সা নিয়েই সবকটা ঘোরা যায়, বা অটোও পাওয়া যায়।

    তবে সন্ধ্যে হয়ে আসছিলো বলে আমরা আগে চলে গেলাম মদনমোহন মন্দিরের দিকে - সেটা বিষ্ণুপুর টাউন থেকে বেরিয়ে বাঁকুড়ার রাস্তা ধরে কয়েক কিমি এগিয়ে আবার ভিতরে ঢুকে। মল্ল বংশের রাজা দুর্জন সিংহের আমলে তৈরী, ১৬৯৪ সাল নাগাদ। অসাধারণ টেরাকোটার কাজ - প্রধাণতঃ হিন্দু মাইথোলজি - কৃষ্ণের লীলা, দশাবতার ইত্যাদি, এবং যুদ্ধবিগ্রহের দৃশ্য। এখানে এখনো পুজো হয়, যদিও আসল মূর্তিটা এখানে এখন নেই।
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৩:৫৮569258
  • জঙ্গল আছে। বিষ্ণুপুরে ঢোকার আগে বেশ কয়েক কিলোমিটার ধরে শালের জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে সুন্দর রাস্তা। সেই সব জঙ্গলেই মাওবাদী থাকে;-)

    আর লেখা আছে চিতল হরিণ আছে ওই জঙ্গলে।
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৪:০৩569187
  • মদনমোহন মন্দির থেকে ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যে হয়ে গেলো। গলির মধ্যে গাড়ি নিয়ে, তখন আবার অন্য অনেক গাড়িই ওরকম ফিরছে - মোটামুটি লম্বা ট্রাফিক জ্যাম। কখনো এ একটু এগোয়, ও একটু পিছোয় - এই করে বেশ খানিকটা রাস্তা আসতে হল।

    তারপর পর পর পাবেন শ্যাম রায় মন্দির, জোড় বাংলা, রাধালালজীউ মন্দির, ছোট দরজা, বড় দরজা। শনি আর রবিবার আলো জ্বালানো হয় মন্দির চত্ত্বরে। কয়েকটা মন্দির - বিশেষ করে শ্যাম রায় মন্দির - সেই আলোতে অসাধারণ লাগে।
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৪:১০569188
  • পরের দিন সকালে ফের বেরিয়ে পড়লাম। ট্যুরিস্ট লজের গায়ের রাস্তা দিয়ে অল্প দূর গেলেই দলমাদল কামান। অনেক নাম শুনেছি, কিন্তু দেখে বিশেষ ভক্তি হল না। স্পেক্ট্যাকুলার কিছু নয়, নেহাতই মাঝারি সাইজের একটা কামান। দলমাদল থেকে আরেকটু এগিয়ে বাঁদিকে একটা লাল মাটির রাস্তার আশেপাশে আরো তিন চারটে ছোট মন্দির রয়েছে - প্রতিটার গায়ের কাজই বেশ সুন্দর। সেগুলো দেখে ফের চলে গেলাম আগের দিন সন্ধ্যের সময় দেখা মন্দিরগুলোর দিকে - মানে শ্যাম রায়, জোড় বাংলা ইত্যাদি। নতুন করে কিছু বলার নেই, কাজগুলো শুধু দেখার মত। কয়েকটা ক্ষেত্রে মন্দির স্ট্রাকচারে হিন্দু এবং মুসলিম আর্কিটেকচারের মিক্সও দেখার মত।

    সঙ্গে ছিলো "বালুচরী গ্যাং" (গ্যাং মেম্বারদের পরিচয় আর দেওয়ার কিছু নেই, খুব অবভিয়াস)। মন্দির দেখা শেষ করে লালবাঁধের পাশে কনিষ্কতে ঢোকা হল। সামনে দোকান, পিছনে বালুচরী তৈরী হচ্ছে। কারো আগ্রহ থাকলে সেটাও দেখে নিতে পারেন। সেই আদ্যিকালের কম্পিউটারের পাঞ্চকার্ডের মত বড় বড় কার্ডে ডিজাইন পাঞ্চ করা আছে - সেটা থেকেই পাড় আর আঁচল তৈরী হচ্ছে।

    (পাল্লিনকে বলেছিলাম সোনামুখী যাবো শাড়ি কিনতে, কিন্তু বাকিরা একটু কিন্তু কিন্তু করলো বলে আর পাল্লিনের বাড়ি ছানার পায়েস খেতে যাওয়া হয়নি।)
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৪:২৮569189
  • গোটা বিষ্ণুপুর ঘুরতে ঘন্টা তিনেকের বেশি লাগে না। তবে উইকেন্ডে গেলে রাতের আলোটা মিস্‌ করবেন না। দিনের বেলায় মন্দির সব ঘোরা হয়ে গেলেও, রাতের বেলায় আলোজ্বলা অবস্থায় মন্দিরগুলো দেখার মত।

    এর পর ফেরার পালা। আমরা যেদিন এলাম, সেদিন দুপুরের দিকেই ডিভিসি থেকে ছাড়া জল মুণ্ডেশ্বরী ভাসিয়েছিলো। ফলে মায়াপুর, খানাকুলের অনেকটা জায়গা ভেসে গেছিলো, আর খবরে সেই "গজার মোড়"-এর কথাও বল্ল। এমনিতেই আসার সময় দেখেছি রাস্তা বিশেষ ভালো নয়, তায় যদি আবার ভেসে গিয়ে থাকে তো আরো কেলো হবে। ভাবলুম আরো আগে, বর্ধমান থেকে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরে নেবো। বিষ্ণুপুর থেকে সোনামুখী হয়ে বর্ধমানের রাস্তা, ঘন্টা তিনেক লাগার কথা। মাঝে মাঝে ভাঙা হলেও, মোটের ওপর রাস্তা মোটামুটি দেখে বেশ মনের আনন্দেই আসছিলাম। পাত্রসায়র পেরোলাম, একটা মিষ্টির দোকানে মিষ্টি খেলাম - সেখানে বল্ল আরো দশ কিলোমিটারটাক এগিয়ে রাস্তা ভাঙা, ডানদিকে ঢুকে যাবেন - এগিয়ে গেলে আরামবাগ থেকে যে রাস্তাটা বর্ধমান আসছে সেটা পেয়ে যাবেন। তো প্রায় তেরো চোদ্দ কিলোমিটার এগিয়েও সেরকম ভাঙা রাস্তা কিছু পেলাম না আর ডানদিকের ওই রাস্তাও বুঝে উঠতে পারলাম না, কাজেই এগিয়ে গেলাম। খন্ডঘোষ ছাড়িয়ে সেই রাস্তা দেখা দিলো।

    উরি বাবা, সে কী রাস্তা। রাস্তা না বলে ধানক্ষেত বল্লেও কম বলা হবে। একটা কাদামাখা উঠোনে খান চারেক হাতি ছেড়ে দিলে যা হাল হবে তাকে কয়েকশোগুণ স্কেল-আপ করুন - তাহলে হয়তো কাছাকাছি যাবে। চেষ্টা করুন ভিজুয়ালাইজ করার...লাল সুড়কির অসংখ্য খোঁদল/গর্ত পর পর পড়ে রয়েছে - খুব কাছাকাছি। বা মনে করুন আপনাকে একটা কলাগাছের ভেলায় চড়িয়ে ঝড়ের রাতে কেপ অফ গুড হোপ-এ ছেড়ে দেওয়া হল - তখন যেমন "দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা" গাইতে গাইতে যাবেন - প্রায় সেরকমই হাল। অন্ততঃ পনেরো-বিশ কিলোমিটার লম্বা স্ট্রেচ জুড়ে। খণ্ডঘোষ থেকে বাঁকুড়া মোড় (আরামবাগ-বর্ধমান রোডের ওপর যে মোড় থেকে রাস্তা সুনামুখীর দিকে এসেছে) অবধি এভাবেই আসতে হল - এদিক ওদিক অন্য রাস্তা ধরার উপায় নেই। তাহলে আবার ওই রাস্তায় ফিরে গিয়ে সেই ডানদিকের রাস্তা খুঁজে বের করতে হত। অন্য কোনো গাড়ি ওই পথে নেই কয়েকটা ভ্যানো আর বাইক ছাড়া। তবে হ্যাঁ, ছাদের ওপর লোক চড়িয়ে বাস চলছিলো - হাতির মত দুলতে দুলতে।

    তিন ঘন্টার রাস্তা ওই ভাঙা রাস্তার দৌলতে পৌনে চার ঘন্টায় কভার করে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরলাম তখন পৌনে চারটে। হাতের তালুতে বেশ ব্যথা হয়ে গেছে চেপে স্টিয়ারিং ধরে থেকে, আর গাড়ির বাকিদের অবস্থার বর্ণনা না দেওয়াই ভালো।

    তার পরেরটুকু আনইভেন্টফুল। প্রথম একশো কিলোমিটার (বিষ্ণুপুর-বর্ধমান) পেরোতে লেগেছিলো পৌনে চার ঘন্টা। পরের একশো কিলোমিটার (বর্ধমান-কলকাতা) লাগলো দেড় ঘন্টারও কম।
  • de | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৪:৩৬569190
  • ছবিগুলোতে একটু ক্যাপশন থাকলে ভালো হতো!

    মন্দিরগুলোর ছবি খুব ভালো হয়েছে! গিরগিটি আর বাগটাও দারুণ!
  • Y | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৫:২১569191
  • খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারটা? ম্যাচা খেলে? পোস্তো?

    বালুচরীর দাম কিরম?
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৫:২৬569192
  • ট্যুরিস্ট লজে একটা ইঞ্চিখানেক ডায়ামিটারের পোস্তর বড়ার দাম তিরিশ টাকা। ওচ্চেয়ে ঢের বড় সাইজের বড়া আমরা বাড়িতেই খাই। আদারওয়াইজ, লজের রান্না মন্দ নয়।

    বালুচরী এখন মোটামুটি আড়াই থেকে শুরু। স্বর্ণচরী শুরু সাড়ে তিন থেকে। ওই জিনিস গড়িয়াহাটের ট্রেডার্স অ্যাসেমব্লিতে সাড়ে তিন থেকে চার মিনিমাম (বালুচরী, কলকাতায় স্বর্ণচরীর দাম জানি না)। কণিষ্ক বেশ বড় আর ভালো দোকান। সেটা ছাড়া দলমাদলের কাছে আছে অনুভব - অতটা বড় নয়, তবে লোকে ভিড় করে।
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৫:২৭569193
  • আর হ্যাঁ - লজে আলু পোস্তর ঝোলটা এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। যে কোনো বাড়িতে ওচ্চেয়ে ঢের ভালো আলুপোস্ত বানায়।
  • Y | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৫:৩২569194
  • শাড়ি কিনতে যাব।

    আর হ্যান্ডিক্রাফ্ট? ঘোড়া ছাড়া আর কি দেখলা? দশাবতার তাস?
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৫:৩৫569195
  • ঘোড়া, চাবির রিঙ, নানা রকম পুতুল, শাঁখ (সেও পোড়ামাটির), তাস, মিনিয়েচার দলমাদল, মুখোশ - মায় সাদা ভেনিসের মূর্তিও(;-))। অনেক কিছুই দেখেছি, কিছুই কিনিনি।
  • de | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৫:৪৪569196
  • আম্মো বাঁকুড়া-বিষ্ণুপুর ঘুরিনি -- এদ্দূর থেকে বাড়ি গিয়ে আর হয়ে ওঠে না-- আমার মূর্শিদাবাদ যাবারও খুব ইচ্ছে-
  • Rit | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৫:৪৭569198
  • বিষ্ণুপুর আমি বার দশেক গেছি। তার পরেও ভাল লাগে। মন্দির গুলোর কারুকার্য দেখলে মন ভরে যায়। আর পাহাড় সমুদ্র নেই ঠিকই, তবে ঐতিহাসিক জায়গার সৌন্দর্য্যও কিছু কম নয়। ঐ জোড়বাংলা বা মদনমোহনেই সারাদিন কাটিয়ে দেওয়া যায়।
    ASI এর বাইরেও কিছু মন্দির আছে। কিছু মাকড়া পাথরের মন্দির আছে। আকারে ছোট, কিন্তু নক্সাতে অপূর্ব। অজ্জিত দা গেছলে কি সেগুলোতে?
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৫:৫০569199
  • একটা রোড ট্রিপের প্ল্যান করছিলাম, কে কে ইচ্ছুক হাত তুলুন।

    কলকাতা থেকে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে কৃষ্ণনগর হল্ট। ভরপেট সরপুরিয়া/সরভাজা খান, ইস্কনের মন্দিরে রাতে থাকুন। কৃষ্ণনগর থেকে বহরমপুর গিয়ে ফের হল্ট। মুর্শিদাবাদ ঘুরে নিন, বহরমপুরের ছানাবড়া/রসকদম্ব খান। বহরমপুর থেকে মালদা পৌঁছে ফের এক রাত বা দুই রাত থাকুন, মালদা ঘুরে নিন। সেখান থেকে শিলিগুড়ি - কুচবিহার ঘুরে নিন, তারপর ডুয়ার্স। আরো যেতে চাইলে দাজ্জিলিং অবধিও যাওয়া যায়।

    মানে দিন পনেরোর সময় নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বড় জায়গাগুলো ঘুরে নেওয়া আর কি...
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৫:৫২569200
  • কয়েকটাতে গেছি। দলমাদল পেরিয়ে একটা গ্রাম আছে, সেটার বাইরে তিনটে মন্দির আছে - ASI-এর নয়। খুব উঁচুনীচু জমি, আর লোকজন প্রাতঃকৃত্য করতে যায় ওখানে...সেগুলো খেয়াল করে গেলেই হল...
  • 4z | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৬:৫৫569201
  • অজ্জিতদা, আমি হাত তুল্লাম। তবে একটু খাড়াও। জানুয়ারিতে আসছি, তখন প্ল্যান কর পিলিজ।
  • sosen | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৭:১৮569202
  • জানুয়ারী তে ডুয়ার্স?
    তবে আমি হাত তুললাম। বিভিন্ন জায়গায় খেতে যাওয়া, এই তো?
  • de | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৭:২২569203
  • আম্মো হাত তুল্লাম -- তবে পনেরো দিন!! অতো ছুটি কে দেবে?

    এইবার অজ্জিতবাউ হাত নামাবেন ঃ)))
  • Blank | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৭:২৩569204
  • ইস্কনে না থাকলে আমি আছি। ইস্কনে মদ্য মাংস কিস্যু মেলে না
  • Ben Arfa | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৭:২৯569205
  • আমি হাত নামাই নাই। কটা লোক আর কটা গাড়ি?
  • | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৭:৩২569206
  • আম্মো আছি। হাত তুলে রাখলাম, গাড়ী ও ড্রাইভারসহ।
  • 4z | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৭:৪৭569207
  • আম্মো গাড়ি আর ড্রাইভারসহ। খালি দিন পনেরোটাকে একটু কমিয়ে দিন দশেক কর।
  • Indra | ২১ আগস্ট ২০১২ ১৭:৫০569210
  • ওখানে টেরাকোটা কিছু ভলো কাজ আছে। যেমন কালীয় দমন, জটায়ু হরণ, বলী রাজার গল্প, রাব্ণ। পন্খের দারুন কাজ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন