এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নরওয়ের আদালতের রায়ে জেল হল ভারতীয় দম্পতির - কী ভাবছেন এ বিষয়ে?

    se
    অন্যান্য | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ | ৬৬২৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • se | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ১৯:৪৪583242
  • মা ও বাবার শাস্তি যথাক্রমে ১৫ ও ১৮ মাসের কারাদণ্ড। অথচ শিশুরা রইল ভারতে। তাদের দেখভাল করবে কে? টিসিএস নামক সংস্থার কর্মী শিশুদুটির পিতা। জেল খেটে বেরিয়ে আসবার পর টিসিএস কি চাকরীতে বহাল রাখবেন (পুনর্বহাল করবেন)শ্রীযুক্ত চন্দ্রশেখরকে? নরওয়ের পুলিশ কি ওৎ পেতে অপেক্ষা করছিলেন চন্দ্রশেখর দম্পতির ফিরে আসার জন্যে?
    কিছুদিন আগে আরো একটি ভারতীয় দম্পতির ওপর অভিযোগ ওঠে শিশু নির্যাতনের। এমন ঘটনা কি আগেও ঘটেছে? অর্থাৎ দুতিন দশক আগে? তখন ও তো ভারতীয়রা নরওয়ে যেতেন। নাকি শিশু নির্যাতন বেড়ে চলেছে ভারতীয় দম্পতিদের মধ্যে?
  • se | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ১৯:৫৫583253
  • শারীরিক শাস্তি দিয়ে শিশুদের শাসন করবার পদ্ধতি ভারত ইউরোপ সর্বত্রই ছিলো। প্রিন্স চার্ল্স পর্যন্ত স্কুলে বদমায়েসীর জন্যে বেত খেয়েছেন। ভারতের সংবাদপত্রে সে খবর পেয়ে দেশের লোক কত গরম গরম আলোচনা করেছেন। রাণীর ছেলে - তাকে ধরে শিক্ষক বেত মারল! কী সাহস! কী ভালো দেশ, শিক্ষককে কেউ চাকরী থেকে তাড়িয়ে দিলো না। কতো সুবিচার।
    তখন মারধর করে শাসন চালু নিয়ম ছিলো। এখন নিয়ম করে মারধর বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের দেশে এখনো সে নিয়ম বহাল হয় নি। তাই বাবামা ধৈর্য্চ্যুতি ঘটিয়ে চড়চাপড় মারলে সেটা দণ্ডনীয় অপরাধ। দেশ থেকে বিদেশে ডেপুটেশনে লোক পাঠানোর সময়ে এগুলো জানিয়ে পাঠানো উচিৎ।
    আরব দেশগুলোতে পাঠানোর আগে যেমন কিছু বিধিনিষেধ আগেই থেকেই জানিয়ে দেওয়া হয়।
  • rimi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:০৩583264
  • জেল হয়ে আইনের প্রতি আনুগত্য বজায় রাখা হল। অপরাধের শাস্তি হল। কিন্তু বাচ্চাদের দিকটা ভেবে দেখলে তাদের যে সমস্যা ছিল সেটা রয়েই গেল।

    বাচ্চাদের, বিশেষ করে এক্ষেত্রে এডিএইচডি বাচ্চাদের, প্যারেন্টিং এর জন্যে বিশেষ ট্রেনিং দরকার। সেই দরকারী সাহায্য না দিয়ে শুধু বাবা মাকে জেলে ফেলে রাখলে বাচ্চাদের কি উপকার হবে?

    বাচ্চারা রইল ইন্ডিয়াতে। দাদু দিদার কাছে। বয়স্ক মানুষদের পক্ষে ADHD বাচ্চাকে সামলানো তো আরো কঠিন। বিশেষ করে এক্ষেত্রে বাবা যদি বেল্ট দিয়ে পিটিয়ে থাকে, তার মানে বাবাও নিজের বাবার কাছে পিটুনি খেয়ে বড় হয়েছে এবং পিটুনি দেওয়াটাই বাচ্চা মানুষ করার একমাত্র উপায় বলে জানে। তার মানে এই দাদুও বাচ্চাদের অধিকার বা তাদের শাসনপদ্ধতি সম্পর্কে ছেলের মতনই পুরোনো ধারণায় বিশ্বাসী।

    বাবা মা জেল থেকে বেরোলে কি বাচ্চাদের গায়ে হাত তোলা বন্ধ করবে? একেবারেই মনে হয় না। কারণ না পিটিয়ে না শাস্তি দিয়ে কি ভাবে বাচ্চা বড়ো করতে হয় সেটা এরা জানেই না। অন্যদিকে, বাচ্চার জন্যে জেল হল বলে বাচ্চার প্রতি আক্রোশ কি থাকবে না? বাচ্চার প্রতি যে সহানুভূতি আগে ছিল না, সেটা কি কয়েকমাস জেল খেটে জন্মাবে? নাকি উল্টোটা হবে? "আমাদের জন্যে বাবা মাকে কষ্ট পেতে হল" এই অপরাধবোধ নিয়ে বাচ্চাদুটো বড় হবে ভারতীয় সমাজে।

    জেলে না দিয়ে নরোয়ে সরকার যদি বাবা মাকে কয়েক মাস প্যারেন্টিং ট্রেনিং দিত তাহলে বাচ্চাদুটোর পক্ষে ভালো হত। জেলে রাখার যে খরচ তার থেকে কাউন্সেলিং এর খরচ আদৌ বেশি নয়।

    আইনের প্রতি এই অন্ধ আনুগত্য আর এইরকম টিট ফর ট্যাট আইন আমি একেবারেই সমর্থন করি না। বাবা মা বাচ্চার প্রতি যা আচরণ করেছে, নরোয়ে সরকারও ঠিক সেটাই করল - শক্তির প্রদর্শন। যে বেশি ক্ষমতাশালী সে শাস্তি দেবার অধিকারী।
  • pi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:১৩583275
  • ভাটে সেটাই লিখছিলাম আজ সকালে। বলা হচ্ছি, মা বাবাকে ধরে থার্ড ডিগ্রি অত্যাচার করলে তবে তারা সমঝাবে। যা নিয়ে আপত্তি, সেই একই পথে হেঁটে শাস্তি হয়তো হয়, সংশোধন হয় কি ? উদ্দেশ্যটা শাস্তিবিধান না সংশোধন ?
  • | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:১৯583286
  • হুঁ মারধোর শাস্তি দিয়ে যদি শুধরানো যেত তাহলে তো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই জিনিষ চলতই না।
  • se | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:২৭583297
  • অসলোর জেলখানাতে থার্ড কেন, কোনো ডিগ্রীই দেয় না। কেবল স্বামী স্ত্রী আটক থাকবে আলাদা আলাদা জেলে। জেল থেকে বেরিয়ে এরা আর নরওয়েতে থাকার অনুমতি পাবে না। সেটাই নিয়ম। তখন দেশে ফিরেই পুত্রদ্বয়ের ওপর খুব আদর দেখাবে সেটা আশা করা দুরাশামাত্র। কারণ চন্দ্রশেখরকে তখন জীবিকার সন্ধানে সংগ্রাম করতে হবে। আর সমস্ত রাগ গিয়ে পড়বে ঐ বাচ্চাদুটোর ওপরে। কেন সব বলে দিয়েছিলি? বিদেশ থেকে জেল খেটে বেরিয়ে আসা (মিডিয়া কভারেজ পাওয়া) লোকের পক্ষে চাকরী পাওয়া সহজ নয়। ডবল সমস্যা।
    এর চেয়ে নরওয়েতে ওদের আর ঢুকতে না দিলেই ল্যাঠা চুকে যেত।
  • PT | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:৩৮583308
  • ওদেশে থাকবে, সব রকম সুযোগ সুবিধে নেবে আর বাচ্চা মানুষ হবে দেশী কায়দায়-সে কি করে হয়?

    অনেক ভারতীয়ই রোজগার করে ডলারে আর বেগুন কিনতে গেলে টাকায় হিসেব করে বলেঃ "বাপরে কি দাম!!" ওদেশে বসে নিজের সন্তানকে ঠ্যাঙানো সেই অবুঝ সংস্কৃতিরই একটা প্রকট বহিঃপ্রকাশ!
  • aka | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:৪৩583319
  • ওনাদের নরওয়েতে ঢুকতে না দিলে ওনারা ভারতে ফিরে যেতেন এবং ADHD চাইল্ডকে কি করা উচিত বুঝতে না পেরে শাসন করার নাম করে গরম খুন্তি, বেল্ট ব্যবহার করেই যেতেন। এটা বলা অভিযোগ গুলো সত্যি ধরে নিয়ে। যেহেতু কোর্টে প্রমাণিত হয়েছে এবং আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা বলে ভারতীয় বাবা মার পক্ষে এটা খুবই সম্ভব তাই আমি সেটাকে সত্যি ধরে নিয়ে বক্তব্য রাখছি।

    এতটা নাইভ হলেই বা কি করা যাবে। টিসিএসে চাকরি করে, ইন্টারনেট স্যাভি, এদ্দিনে খুঁজে দেখতে পারে নি ADHD চাইল্ডদের নিয়ে কি করা উচিত।
  • rimi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২০:৪৯583330
  • এর মধ্যে এদেশ ওদেশের কিছুই নেই পিটিবাবু। খুবই স্বাভাবিকভাবে মানুষ নিজে যে পরিবেশে বড় হয় সেই পরিবেশের অধিকাংশ অভ্যেস, ধ্যান ধারণা ইত্যাদি নিজের জীবনে প্রয়োগ করে। সেইসব অভ্যেস ধারণা ইত্যাদি থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়,।

    দেশভাগের সময় শিশু অবস্থায় রিফিউজি হয়ে আসা একজনকে চিনি যিনি কলকাতাতে ব্যবসা করে বিরাট ধনী হয়েছিলেন। তিনি তাঁর ছেলে মেয়েদের মাটিতে মুড়ি পড়ে গেলে সেই মুড়ি কুড়িয়ে খেতে বাধ্য করতেন।

    বিদেশেও এরকম হয়। সেই জন্যেই, আইন করে মারধোর বন্ধ হবার পরেও এখনো, আমেরিকাতেই বহু বাবা মা বাড়িতে বাচ্চাকে পিটিয়ে সিধে করায় বিশ্বাস করে। আমার এক বন্ধুই তো এরকম। কিন্ডার্গার্টেনের টিচার, স্কুলে বাচ্চাদের গায়ে হাত তোলা বারণ। কিন্তু বাড়িতে নিজের মেয়েকে সে দিব্বি মারে। কারণ সে "ওল্ড স্কুলে" বিশ্বাসী।
  • sosen | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:০১583243
  • এই নিয়ে কি একটা কতা কইতে যাওয়ায় আমার এক বন্দুক বলল যা যা বে করিস নি, ছেলে মেয়ে মানুষ করিসনি তুই কি বুঝবি?
    :( তাই এ নিয়ে কোনো মূল্যবান মতামত দেবনা।
  • rimi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:০৩583244
  • ইন্টার্নেট পড়লেই কি আর একটা সমস্যাকে সঠিকভাবে বোঝা যায়? আমি তেলেগুদের সঙ্গে বহু বছর মিশেছি, তাই জানি যে এদের ট্র্যাডিশনে বিশ্বাস সাংঘাতিক। "বিদেশীরা কিছুই জানে না", "আমাদের সংস্কৃতির সব মহান" - এইরকম সব ধারণা।

    আর শুধু তেলেগুই বা কেন? পিটিবাবুর মতন কথাও কোথাও একটা পড়লাম। লোকটি টিসিএসে চাকরি করে, দেশেই তো দিব্বি রোজগার করতে পারত, তাহলে বিদেশে গেল কেন? লোভের দাম এভাবেই দিতে হয়। বিদেশীরা আমাদের সংস্কৃতির কি বুঝবে ইত্যাদি।

    আসল সমস্যাটা যে ছেলেদুটোর, সেটা কেউ ভেবে দেখছে না। দেশে থেকে দেশীয় পদ্ধতিতে মানুষ করলেই কি এই ADHD বাচ্চাটার ভালো হত? গরম খুন্তির ছ্যাঁকা খেয়ে, বেল্টের পিটুনি খেয়ে একটা বাচ্চা "দেশে" বড় হবে, এটাই কি সমাধান?
  • a x | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:১৩583245
  • তেলুগু। বাকি সব একমত।
  • aka | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:১৬583246
  • সে তো বোঝা গেল আসল সমস্যা ছেলেদুটোর। কি হলে সবথেকে ভালো হত?
  • se | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:১৬583247
  • আমার বক্তব্যটা ঠিক করে বোঝাতে পারছি না। এটা অনেকটা বদহজম গোছের লাগছে। এই দম্পতি যদি নরওয়েজিয়ান নাগরিক হতেন তবে জেলে পাঠিয়ে দেবার পরে বাচ্চাদুটো রাষ্ট্রের নিয়মে অন্য কোথাও মারধর ছাড়া পরিবেশে আশ্রয় পেত। তারপরে জেল খেটে ফিরে এলে যেমন নিয়ম তেমন ভাবে ব্যবস্থা নিত সরকার।
    কিন্তু এক্ষেত্রে বাচ্চাদুটো কোনো সুবিচার পেল তো না ই, বরং মাতামহ-মাতামহী-পিতামহ-পিতামহী সকলের আক্রোশ ওদের ওপর পড়তে বাধ্য। এখন মেরে পাট করে ফেললেও বাঁচাবার জন্যে কেউ আসবে না। পুরো ব্যাপারটাই ঘেঁটে গেছে। শুধু শারীরিক ই নয়- মা ব্ববাকে জেলে পাঠানোর কারণ তো ওরাই- ওদের ওপর মানসিক অত্যাচার চলবে না?
  • a x | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:১৭583249
  • আকা, সবচেয়ে আগে দরকার অ্যাওয়ার্নেস। বাবা-মা জানবে কী করে ADHD আছে? কেউ কখনও ভাবেনা, নিজের বাচ্চার কোনো এই ধরণের অসুখ আছে। ডিনায়াল একটা বড় ব্যাধি। বিশেষ করে ভারতীয় মানসিকতায় এইধরণের অসুখে। হয়ত জানতে জানতেই অনেক সময় চলে যায়। জেনে সেটাকে অ্যাক্সেপ্ট করে, তারপর তো অ্যাড্রেস করা। এই ক্ষেত্রে, এনারা সাহায্য চেয়েছিলেন বলে মহিলার উকিল (নরওয়ের উকিল) বলেছেন। কোনো সাহায্য পায়নি।
  • একক | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:২২583250
  • সেতো আমি এই গুরুতেই শুনেছি। কাচ্চা-বাচ্ছা নেই বলে বাচ্ছা নিয়ে মতামত দেওয়া যাবেনা। এরপর যখন বাচ্ছা হবে তখন ছেলে-মেয়ের বিয়ে নিয়ে মতামত দিতে গেলে শুনবো :থামুন মশাই। আপনার কি ছেলে মেয়ে বিবাহিত ? মতামত দেবেন না। এইভাবে স্টেপ বাই স্টেপ চলতেই থাকবে।

    অথচ এইসব বুদ্ধিমান রাই রাত্রদিন মানুষ মারানিয়ে কতরক মতামত দেন। আচ্ছা এনারা কি মৃত ?
  • a x | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:২৪583252
  • ১০ নম্বরটা হল প্রবলেম। আমরা মনে করি এইধরণের ডেভেলপমেন্টাল অসুখে, "কোচ" করে "স্বাভাবিক" করে দেওয়া যায়। ভদ্রমহিলা নিশ্চয়ই চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু সেই চেষ্টার জন্য কী ট্রেনিং পেয়েছিলেন?
  • প্পন | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:২৪583251
  • আর একটাই বক্তব্য রাখব এই টইতে। ঃ)

    যা বুঝলাম নরওয়ে অতি বালের দেশ। ইউকে হলে পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট আর ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে দু'মাস আগে যাওয়া অভিবাসী এই দুই ক্যাটেগরির মধ্যে এইরকম কোন ডিস্ক্রিমিনেশন করে না।
  • aka | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:২৭583255
  • সবই বুঝলাম, ছ্যাঁকা দেওয়া এবং মেরে দাগ করে দেওয়া মানতে পারছি না। ওটা ক্রুয়েলটি।
  • rimi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:২৭583254
  • অক্ষর সঙ্গে একমত। বাবা মার দরকার ছিল ট্রেনিং, মেডিকাল হেল্প। সমস্যাটাকে ভালো করে জানা, বোঝা। মারের কুফল কি সেটা জানা/ বোঝা।

    হ্যাঁ, ৪ নং পয়েন্ট নিয়েই এই কেসে অ্যাপীল লড়া হবে। নরওয়েতে যদি বাচ্চাদের অধিকার সম্পর্কে মানুষ এতই স্ট্রিক্ট, তাহলে সাহায্য পাবার এই অধিকার থেকে ওদের বঞ্চিত করা হল কেন? পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট নয় এই অপরাধে? আইনে তো বিরাট বড় ফাঁক।
  • aka | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:২৯583256
  • ঠিক ঐ ৪ নং পয়েন্ট নরওয়ে সরকারের গলতা কিন্তু তাতে ছ্যঁকা দেওয়া বা বেল্ট দিয়ে মারা যাস্টিফায়েড হয় না।
  • rimi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:৩২583257
  • ইয়ে আরেকটা কথা হল, আমেরিকাতে যা জানি, ADHD র প্রচুর ওভারডায়াগনোসিস হয়। অনেক সময় ডিফিকাল্ট টেমপারামেন্টের বাচ্চাদের ADHD বলে চিহ্নিত করা হয়।

    ADHD না হলেও, কোনো নর্মাল বাচ্চাকেও খুন্তির ছ্যাঁকা, বেল্ট দিয়ে পেটানো উচিত নয়। আমাদের দেশে এগুলো হামেশা হয়ে থাকে। সব ক্ষেত্রেই অ্যাওয়ারনেসটা জরুরী।
  • rimi | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:৩৩583258
  • আকা তো দেখছি সেই কার মতন যেন তক্ক করছে।
    ছ্যাঁকা দেওয়া বা বেল্ট মারাকে কে কোথায় এখানে জাস্টিফাই করেছে???
  • একক | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:৩৪583259
  • যা বুঝলুম নরওয়ে তে শাসন আছে -পালন নেই। ইভিল স্টেট।

    তবে বাপ-মা কে ট্রেনিং দিয়ে কিছু হত বলে বিশ্বাস করিনা। যারা বাচ্চাকে ছ্যাঁকা-পোড়া দেওয়াতে বিশ্বাসী তাদের প্যারেন্তিন্গ্ফিলোসফি আলাদা। ওখানে ট্রেনিং দিয়ে কিসসু হয়না। জেইল এ দিয়ে হতে পারে। সেটা হয়ে ভালই হয়েছে।
  • aka | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:৪১583260
  • সত্যি!!!!

    বললাম অ্যাপিল করে লাভ হবে না। কারণ সাহায্য পায় নি বলে ছ্যাঁকা দিয়েছে, বেল্ট দিয়ে মেরেছে মানে ওদের হোস্টাইল অ্যাটিটুডের জন্য নরওয়ে সরকারের সাহায্য না দেওয়া দায়ী এটা প্রমাণ করা গেলেই জেল হাজত কাটানো যাবে।

    জেল হয়েছে ADHD চাইল্ড কে কি করে হ্যাণ্ডেল করতে হবে জানে না বলে নয়, রিপিটেড চাইল্ড অ্যাবিউজের জন্য। নরওয়ে সরকার সাহায্য দিয়েছে কি দেয় নি সেটা আইনত মারাকে যাস্টিফাই করে না, এখানের 'সুতার্কিকদের' যাস্টিফিকেশনের কথা বলি নি।
  • একক | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২১:৫৬583261
  • বাচ্চা "মানুষ" করা নিয়ে কিছু বলবনা। তবে একটা বেসিক কথা না বল্লে অস্বস্তি চেপে রাখা দায়।

    এই "সংশোধন" ব্যাপারটা একটি বিশাল ধাপ্পা ! হোয়াট দ্য হেল ইস সংশোধন ?

    ১) মানুষ আজন্ম একটি লোভী এবং স্বার্থপর প্রাণী। তাকে সমাজে ধরে রাখতে গেলে জেল-জরিমানা-মারধর দিয়ে সায়েস্তারাখতে হবে। আলগা দিলেই কুত্তার ন্যাজ আগের আকার নেবে।

    ২) মানুষ আদতে ভালো। পরিস্থিতি তাকে নানান সমাজবিরোধী -গোষ্ঠী বিরোধী কাজ করায়। ভালো করে বোঝালে সে ওরকম করবেনা।

    ,,,,,,, এই দুটো স্কুল অব থট আছে। কেও ১ এ বিশ্বাস করে। কেও ২ এ। কিন্তু এর মধ্যে ঠিক-ভুল-ভালো-মন্দ বলে কিসসু হয়না এবং দুটোর পক্ষে এবং বিপক্ষে হাজার হাজার পাতা সওয়াল করেও তর্ক শেষ হবেনা।

    এবার কোনো রাষ্ট্র বলতে পারে আমরা বাচ্চা কে পেতানয় বিশ্বাস করিনা। বলতেই পারে। আবার কেও বলতে পারে যে বিশ্বাস করি। আমি যেখানে থাকবো সেখানকার নিয়ম খেয়াল রাখতে হবে। (আশা করি এখানে কেও সেই স্মোকার'স ফ্যালাসি আনবেন না যে শুদ্ আ নন্স্মকার ইস কম্পেল্ড টু স্মোক ইন আ স্মোকিং লাউঞ্জ ? বাচ্চা কে মারা প্যাসিভ নয়। সো স্টপ লেম অর্গুইং)। এর সঙ্গে সংশোধন আনার মানে কি ?
  • S | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২২:০৪583262
  • এখানে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে বাবা-মা কে জেলে দেবার ফলে বাচ্চা দুটির উপর আরো অত্যাচার বাড়বে। হয়ত সেটা সত্যি। কিন্তু সেটা নরওয়ে সরকার বা জুডিশিয়ারির সমস্যা নয়। কেউ নরওয়েতে থেকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করলে বিচারব্যাব্স্থার প্রয়োগ আর তারপর প্রপার শাস্তিবিধান - এইটুকুই নরওয়ের সরকারের কর্তব্য। সেটা তো পালন হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। কোনো ভারতীয় নরওয়ে গিয়ে যদি চুরি করে ধরা পড়েন আর আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হয় তাহলে কি তারা বাচ্চাদের কি হবে ভেবে দেখা হবে ? কোনো দেশে যখন একটা পলিসি ইম্প্লিমেন্ট করা হয় তখন গোটা বিশ্বের সব দেশের কালচারের কথা মনে রাখা হয় না। তাহলে ইন্ডিয়ান পেরেন্ট, চাইনিজ পেরেন্ট, মেক্সিকান পেরেন্ট এইরকম আলাদা আলাদা আইন বানাতে হত।
    মোদ্দা কথা হল এই ভারতীয় দম্পতি নরওয়ের আইনে অপরাধী এবং তার জন্যে তারা শস্তি পেয়েছেন। এর ফলে তার বাচ্চাদের অসুবিধা হলে তা দেখার দায়িত্ব সোস্যাল ওয়ার্কের।
    চার নম্বর পয়েন্টটি আমার ঠিক লাগছে না। মনে হয় কোনো রকম কনফিউশন হয়েছিল। অভিরূপ-ঐশ্বর্যার কেসে তো নরওয়ে সরকার ওদের ফস্টার কেয়ারে রেখেছিল, ওরা নাগরিক না হলেও। কাজেই বাচ্চাদের বিহেভিয়ারাল প্রবলেমে সরকারি সাহায্য পাওয়া যায় নি - এই ব্যাপারটায় খটকা আছে।
    আর 'নরওয়ে অতি বালের দেশ' বলার আগে UN এর হিউম্যান ডেভেলপমেণ্ট ইন্ডেক্সটা দেখে নিলে ভাল হয়। গত কয়েক বছর ধরে নরওয়ে নাম্বার ওয়ানে আছে।
  • aka | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২২:০৬583263
  • হিউম্যান ডেভলপমেন্ট ইন্ডেক্স এখানে আউট অফ সিলেবাস,ওটা পঃবঃয়ের তক্কের জন্য ইন। ঃ)
  • a x | ০৪ ডিসেম্বর ২০১২ ২২:৪৬583265
  • হ্যাঁ, একশোবার ছ্যাঁকা দেওয়া, বেল্ট দিয়ে মারা ইত্যাদি একেবারেই কেউ সমর্থন করবেনা। কিন্তু প্রথমে যে খবরটা এসেছিল - অর্থাৎ প্যান্টে হিসি করে ফেলার জন্য বাবা-মা বলেছে দেশে ফেরৎ নিয়ে যাবে, সেটাও একটা ADHDর বাচ্চাকে বললে হিতে বিপরীত হতে পারে কিনা, তার জন্য তো সাহায্য অবশ্যই দরকার। সরকার তো পিক অ্যান্ড চুস করে অ্যাড্রেস করতে পারেনা, বিশেষত যেখানে বাচ্চাদের সুরক্ষার জন্যই আইন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন