এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • গোর্খাল্যান্ড ???

    Ananyo
    অন্যান্য | ০৪ আগস্ট ২০১৩ | ৪০৫২৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ananyo | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ০২:৪১615796
  • ( এই প্রসঙ্গে আমার জ্ঞান খুবই অগভীর। এই নিয়ে একটা সুস্থ আলোচনার বাতাবরণ সৃষ্টি হওয়া প্রয়োজন বলেই বিভিন্ন জায়গায় অনেকের সাথে কথোপকথন করতে গিয়ে উঠে আসা তথ্যগুলো একসাথে করেছি মাত্র, কোনো একাডেমিক লেখা মনে করবেন না দয়া করে।একেবারেই সাধারণ স্তরের তথ্যগুলো যেগুলো জানি বা আন্দোলনকে কিছুটা সামনে থেকে দেখা ও সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আলোচনায় নিয়ে আসার জায়গা থেকেই এই লেখা। ভুলভ্রান্তি অবশ্যই হয়েছে, সেটাকে তথ্য দিয়ে ব্যাখ্যা করলে আমরা সবাই উপকৃত হই। )

    historical accounts mainly পর্যটকদের লেখা জার্নাল থেকে দেখা যাছে উত্তরবঙ্গ (দার্জিলিং- জলপাইগুড়ি এর অংশ শুধু) বলতে সাধারণত যেটা বোঝানো হয় পাহাড় সহ, সেই অঞ্চলের আদি বাসিন্দা holo লিম্বু, রাই, মঙ্গর, লেপচা () আর duars অঞ্চলে মেচ, রাভা, কোচ, টোটো। এর মধ্যে লিম্বু, রাই, মঙ্গর নিজেদের গোর্খা হিসেবেই relate করে। যদিও exactly যারা গোর্খা তারা 1780 সালে আরো অনেক উপজাতির সাথে এই অঞ্চলে আসে. পৃথিরাজ শাহ যখন সিকিম থেকে দার্জিলিং পাহাড়সহ তেরাই-এর বিস্তীর্ণ অঞ্চল অধিকার করে. এবং তারা এখানে বসবাস শুরু করে। এর ৪০ বছর পর 1816 তে সেগৌলি চুক্তি দিয়ে সীমানা নির্ধারিত হয় যে কালিম্পং পাহাড় সিকিম-এর under এ। বাকি অঞ্চল নেপাল রাজা ব্রিটিশদের অর্পণ করে কারণ ব্রিটিশদের এই অঞ্চল পছন্দ হয়েছিল আর কি।

    ততদিনে এই অঞ্চলে গোর্খাসহ আগের যেসব উপজাতিগুলো প্রথম থেকেই ছিল, .. মানে রাই, লিম্বু, মঙ্গরের সংমিশ্রনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।যদিও বলে রাখা ভালো পৃথিরাজ শাহ এ প্রথম এক নেপাল, এক নেপালি জাতির কল দিয়ে সার্বিক ভাবে নেপালি ভাসার চালু করেছিলেন নেপাল-এ। ফলে এখানে আসবার আগেই অন্য জাতিগুলো একই সংস্কৃতিক বৃত্তের মধ্যে চলে আসা শুধু হয়েই গেছিল যেটা এখানে আসবার পর ধারাবাহিকতা পেল নতুন কিছু চরিত্রের সাথে যেটা নেপাল এর গোর্খা জাতি গঠন থেকে এখানের পাহাড়ে জাতি গঠনকে একেবারে স্বতন্ত্র রূপ দেয় যার সাথে জুড়ে যায় এখানকার পুরনো উপজাতিগুলো। ১৮৩৬ -এ পাহাড়ে চা বাগান পত্তন হয় . সেইসময় যারা পূর্বে এখানে এসছিল south nepal এর একটা district থেকে অর্থাত ১৭৮০ তে আসা গোর্খা ও অন্যান উপজাতির মানুষেরা স্বাভাবিক ভাবেই তাদের আত্মীয়-বন্ধু বান্ধবদের এখানে ডেকে নেই কারণ এখানে জীবিকার সংস্থান হছিল চা বাগানে. এছাড়াও নেপালএ রানা পরিবারের রাজা হওয়া, জমি থেকে বহু মানুষকে সরিয়ে দিয়ে খাস জমিতে পরিনত করা (কাপট রীতির অবলুপ্ত করার প্রক্রিয়া) তখন থেকেই এই অঞ্চলে এই জাতি উপজাতির সংমিশ্রনের ফলে সার্বিকভাবে অনন্য একটি গোর্খাজাতির গঠন হলো যেটা নেপাল -এর গোর্খা বা সার্বিকভাবে নেপালের নেপালি থেকে এদের আলাদা করে দিল এমনকি ভাষা অনেকটা আলাদা।
    (ভুটিয়া এই অঞ্চলের আদি বাসিন্দা নন, তারা কালিম্পং পার্বত্ত্য অঞ্চল যেটা সিকিম রাজার অধীনে ছিল সেই অঞ্চলে তিব্বত থেকে migrate করেছিলেন, দার্জিলিং অঞ্চলে আসেন নি ও পরে সিক্কিমেই বাসা বাধেন। আলিপুরদুয়ার সংলঙ্গ এলাকাতেও ভুটিয়াদের দেখা যায় তবে ভুটিয়া মানে কিন্তু ভুটান এর লোক নয়। এদের ভাষা তিব্বতী বা জংকা (ভুটানেও ব্যবহৃত হয়)। আরো পরে তিব্বত রেফিউজি সমস্যার সময় থেকে আরো একটা বড় অংশ যারা বৌধিস্ট সিকিম, কালিম্পং ও শিলিগুড়ি সন্নিহিত অঞ্চলে আসেন এবং ভারত সরকার-এর বদান্যতায় এদের একটা বড় অংশ পাহাড়ের (including সিকিম) অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণ করে ও এখানকার এলিট সেকশন এ পরিনত। আমরা বেশিরভাগ সময় এ ভুটিয়া, সিকিমিস, নেপালিতে গুলিয়ে ফেলে সবাইকেই ধরে 'নেপালি' বানিয়ে দি। ঘটনাটা ভুল।)

    বাঙালিরা এখানে এলো ১৯৩০ সাল নাগাদ বাগানের ম্যানেজার হয়ে কিন্তু ১৯৫১ এর পর থেকে, মানে ব্রিটিশরা চলে যাওয়ার পর থেকে পাহাড়ের বাঙালিরা ছেড়ে চলে যাওয়া শুরু করলো, সেটা ১৯৫১ এর সেনসাস a স্পষ্ট। তখন কিন্তু অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টি এর নেতৃত্বে পাহাড়ে শ্রমিক আন্দোলন দানা বেধেছে যার সুচিমুখ অবশ্যই মালিক পক্ষ্যের দিকে ছিল. এছাড়াও ম্যানেজার হিসেবে টাকা পয়সা জমার পর, ব্রিটিশরা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর মালিকানার হাত বদল ঘটল কিন্তু বাঙালিরা কোনদিনই entrepreneurship এ উত্সাহী ছিল না যতোটা ছিল কেরানি বৃত্তিতে আর তার কারণ লর্ড মেকলের কেরানি তৈরির শিক্ষানীতি হোক বা বাঙালি মধ্যবিত্ত কেন্দ্রিক জাতি গঠনের প্রক্রিয়া। এছাড়া সবাই বহিরাগত, পাহাড়ের পরিবেশ, কষ্টসাধ্য জীবন স্থায়ীভাবে বাঙালির পোষায়নি. যে অল্প সংখ্যক ছিলেন তারা জলপাইগুরি অঞ্চলে বাড়ি করলেন সমতলে নেমে এসে, অনেকে ডুয়ার্স এ প্লান্টার হলেন। আদিবাসীদের আগমন ১৯১০-১৯২০ নাগাদ, কিন্তু অন্য অঞ্চলে।

    এবার তাহলে বলুন যে কে ভারতীয় আর কে নয় ? আসলে পাহাড়ের গোর্খারা (সম্মিলিতভাবে) অভারতীয় সেটা ১৯৫১ er indo-nepal treaty এর ফলাফল। india govt, নেপালের ওপর স্থায়ীভাবে সম্প্রসারণ চালাবার উদ্দ্যেশ্যে treaty sign করে যে নেপাল আর ভারতের বাসিন্দারা ব্যবসার খাতিরে একই জায়গা, একই করিডোর সমানভাবে ব্যবহার করতে পারবে।এর ফলে পাহাড়ের আদিবাসিন্দা যারা সেই আদ্যিকাল ধরে এখানে আছে. (মহাভারতে রাইদের কথা আছে, পাহাড়ের কিরাতরাজা, রাই উপজাতিই আসলে কিরাত), তাদের identity নিয়ে ভুলভাল allegation তুলে দেওয়ার সুযোগ উঠে গেল, তার আগে কিন্তু এই অভিযোগ ছিলনা কারণ এই demand প্রথম উঠেছিল 1947 এ আর তার প্রথম দাবি সনদ পেশ করেছিলেন cpi ও পরে CPM MP রতনলাল ব্রাহ্মণ..স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে- প্রস্তাবিত নাম ছিল 'গোর্খাস্থান।'

    বিষয়টা একটা ছোটো উদাহরণ দিয়েই বোঝানো যায়। আমরা বাঙালি- বাংলা নিবাস, বাংলায় কথা কই; পাঞ্জাবি পাঞ্জাবের অধিবাসী ও তার ভাষা পাঞ্জাবি। যেহেতু ভাষার ভিত্তিতে রাজ্য তৈরী হয়েছিল আমাদের দেশে। কিন্তু যারা পাহাড়ের নেপালি ভাষাভাষী মানুষ তাদের ক্ষেত্রে এটা খাটচেনা বরং উল্টে তাদের inferior করা হছে যেটা যথেষ্ট অপমানজনক। নেপালি বলছি আমরা, কিন্তু নেপালি মানে নেপালের অধিবাসী সাধারণ অর্থে অথচ এরাতো তা নন!!!

    GTA অন্তর্ভুক্ত অঞ্চল যেটা, সেটা তেরাই সমতলে শিলিগুড়ির উপকন্ঠে সুকনাতে এসে শেষ হয়েছে যার অন্তর্গত মূল ৩ টে sub division পাহাড়ের আর শিলিগুড়ি subdivision -এর কিছু অঞ্চল. সমতলে main demand center করে আছে ডুয়ার্স- এর ১৯৬ টা মৌজা আর তেরাই-এর ১৯৯ টা মৌজা নিয়ে মূল ডিসপিউট এবং এই অঞ্চলটা সত্যি বলতে একটা কঠিন ধাঁধা। এত জাতি উপজাতি আছে প্রায় হিসেব নেই আর কোনো মেজরিটি population এর হিসেব ধরলে সেভাবে মেরুকরণ করা অসম্ভব।

    বাস্তব প্রেক্ষিতে দেখতে গেলে তেরাই -dooars এর ৯ টা মৌজা 'গোর্খা' অধ্যুষিত অঞ্চল. যেটাকে GTA include করার proposal দিয়েছে shyamal sen commission যেটা আদিবাসী বিকাশ পরিষদ মেনে নিয়েছে... যদি সেইমত করা হয় তাহলে টেনশন mount করার কথা নয়।
    তবে একটা মজার ব্যাপার হলো ২০১১ তে আদিবাসী বিকাশ পরিষদ আর GJm jointly একটা move এ যাছিল .. গোর্খা আদিবাসী territorial administration (GATA ).. কোচবিহার-এর রাজবংশী অধ্যুষিত অঞ্চল তার মধ্যে পরেনা। কিন্তু সেটা অদ্ভূত ভাবে state govt. ঘেটে দিয়েছে।সেটা divide and rule policy হোক বা অন্য কিছু .
    অন্যদিকে কামতাপুর-এর demand এর basis নিয়েই প্রশ্ন আছে। যেটা age bollam.. জাতিসত্ত্বা বলা যায় কি যায় না সেটা একেবারেই অস্পষ্ট। আর demand তাও খুব একটা যে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে তাও নয়.. মেজরিটি রাজবংশী নিজেদের বাংলার সাথেই relate করেন কারণ সংস্কৃতি প্রায় এক, ভাষাও অনেকটা এক, লিপি এক। যেটার সাথে পাহাড়ের feature এর আমূল পার্থক্য আছে। (এই নিয়ে পরে বিশদে লেখা যেতে পারে)

    তেরাই ডুয়ার্স region এ সমস্যাটা under development এর, identity এর নয়. সেখান থেকে copy cat রাজ্যের demand আসছে পাহাড়ের দেখা দেখি.কিন্তু ABP (বিকাশ পরিষদ ) কোনদিনই রাজ্যের demand নিয়ে মুভ করেনি আর কামতাপুর আন্দোলন দানা বাধার তেমন possibility দেখা যাচ্ছেনা। ওখানে demand টা অর্থনৈতিক। চা বাগান গুলো একেবারে কলোনীর মত। পঞ্চায়েত নিয়ন্ত্রণ করে respective area এর tea কোম্পানি, NREGA তে কারা কাজ পাবে, কোথায় কোন কাজে টাকা sanction হবে সেটাও বাগানের ম্যানেজার ঠিক করে আর রাজবংশী অধ্যুষিত অঞ্চলে reverse land concentration দেখা যাছে। ছোট জোতের মালিকরা জমি লিজ দিয়ে ওই জমিতেই বর্গাদার হিসেবে খাটছে, বড় চাষীদের থেকে লোন নিয়ে সুদের ফাঁদে পরছে... এই ইসুগুলো রেইজ ও হছেনা। কারণ যারা করার কথা ছিল তারাতো অন্যখানে দাসখত লিখিয়ে নিলেন আর পরের জনের কথা তো ছেড়েই দিলাম।

    তবে যদি আমরা ভাবি যে GJM পুরো monopolize করেছে সেটা ভাবা অতিসরলীকরণ হবে। কারণ হারকাবাহাদুর ছেত্রী কল দিয়েছেন 'collective effort for the statehood' এর। তার মানে দাড়ায় যে নিজেরা পুরো জনগনকে represent করতে পারছেনা। GTA থেকে গুরুং -এর পদত্যাগ তাও অনিচ্ছাকৃত বাকিদের পদত্যাগ নিয়ে তো টালবাহানা করছে। কারণ AIGL,CPRM সহ আরো ৩ টে org মাইল Gorkhaland Task Force বানিয়েছিল. এরা প্রথম থেকেই GTA ছাড়ার দাবিতে campaign করে আসছিল। আর অন্যান্য ইসু সহ এই পদক্ষেপ mass এর মধ্যে GJM নিয়ে unrest তৈরী করেছে. সাথে GJM পাহাড়ের সমস্ত issue কেই ঠিক থাক address করতে না পারার কারণে TMC, GNLF foot hold পাচ্ছিল পাহাড়ে ইদানিং. এই ধাক্কায় সেটা আর থাকবেনা. আর সত্যি বলতে পাহাড়ের বুদ্ধিজীবীদের একটা বড় অংশ মনে করছে যে GJM movement কে sabotage করছে GNLF এর মতই.

    যদি class question arise করানো আর democratic aspiration ধরে বলি সেক্ষেত্রে আদিবাসীদের দুটো demand সামনে আসে. এক) চা বাগানের wage formulation দুই) forest land act...ওদের কোনো statehood er demand তেমন ভাবে সামনে আসেনি। এর অন্যতম কারণ ওদের মধ্যে middle class section খুব কম আর ন্যাশনালিটি কস্চেন সাধারণত এরাই arise করে। অন্যদিকে রাজবংশিরা কৃষি অর্থনীতিতে নির্ভরশীল ফলে দাবি গুলো তাকে কেন্দ্র করেই। সেদিক দিয়ে লেপচারা ২০১১ তে TMC govt আসবার আগে পর্যন্ত কোনো ধরনের ডিমান্ডকেই সামনে নিয়ে আসেনি তেমন ভাবে। শিলিগুড়ি অঞ্চলে লেপ্চাদের কোনো মিছিল মিটিং দেখেছে কেউ এমন কথাও তেমন দাবি করার নেই।

    অনেকে এটাকে উত্তরাখন্ড, ছত্তিসগড়, ঝাড়খন্ড-এর সাথে মিলিয়ে দিচ্ছেন; কিন্তু সেটা সঠিক ব্যখ্যা নয় বলে মনে হয়। তেলেঙ্গানা বাদে এই রাজ্যগুলোতে সেভাবে জাতির আত্মনিয়ন্ত্রনের দাবির ফলশ্রুতিতেই তৈরী বলা যায় না। তুলনামূলক ঝাড়খন্ড -এ movement ছিল কিন্তু তার সাথে class question, land question, রিসোর্সের নিয়ন্ত্রণ - এসব দাবিও জড়িত ছিল বড় ভাবে. যেটা mainstream politics এ প্রথম মনে হয় সামনে রেখেছিলেন ধানবাদের veteran trade union leader ও cpm এর এককালীন MP A K Roy যাকে পরে পার্টি থেকে বের করে দেওয়া হয় 'vote se nehi chot se lenge laalkhand' স্লোগান দেওয়ার কারণে. যার ধারাবাহিকতায় JMM এর জন্ম ও পরে শিবু সরেন এর মুভমেন্টকে back stab করা ও সেখান থেকে নতুন একটা ধারার বিকাশ যেটা তত্কালীন MCCI এর দিকে জনসমর্থন কে polarize করিয়েছিল একসময় ...যদিও পরে সেল্ফ ডিটারমিনেসন আন্দোলনের ধার কমে আসে। (লক্ষ্যনীয় যে উনি laalkhand বলেছিলেন এবং সেটা সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য স্লোগান হয়ে উঠে এসছিল.কারণ সেখানে নিম্নবর্গের সাথে সাথে কমিউনিটি এর এমপাওয়ারমেন্টকে একসূত্রে বাধার চেষ্টা হয়েছিল)

    self determination এর definition দেখলে “In the most general terms, the right to self-determination means the right of every historically-constituted people to determine their destiny and development based on their own wishes, free from forcible interference by other peoples. It is the sovereign right of a people to freely choose and develop their own socio- economic, political, and cultural systems. In a specifically political sense, the right to self-determination is the right of a people to constitute itself as an independent state or as a separate political entity if it so decides, enjoying the same rights as all other nation-states, or otherwise, to freely determine its mode of association with an existing state wherein it enjoys the same rights as the other constituent peoples of that state. In this sense, the right to self-determination covers a wide range of options that a people can choose from.''- (Cordillera People’s Alliance, a platform for protection of the democratic rights of the indigenous Cordillera nation in Philippines )

    জাতিসত্ত্বা কি, তার আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার বা কি সেটা নিয়ে মনে হয় সবচেয়ে ভালো কাজ সেই বুড়ো লোক লেনিন এর। একটু ঘেটে দেখা যেতে পারে শেষে।

    'The bourgeoisie, which naturally assumes the leadership at the start of every national movement, says that support for all national aspirations is practical. However, the proletariat’s policy in the national question (as in all others) supports the bourgeoisie only in a certain direction, but it never coincides with the bourgeoisie’s policy. The working class supports the bourgeoisie only in order to secure national peace (which the bourgeoisie cannot bring about completely and which can be achieved only with complete democracy), in order to secure equal rights and to create the best conditions for the class struggle. Therefore, it is in opposition to the practicality of the bourgeoisie that the proletarians advance their principles in the national question; they always give the bourgeoisie only conditional support...The bourgeoisie always places its national demands in the forefront, and does so in categorical fashion. With the proletariat, however, these demands are subordinated to the interests of the class struggle......... For the bourgeoisie it is important to hamper this development by pushing the aims of its “own” nation before those of the proletariat. That is why the proletariat confines itself, so to speak, to the negative demand for recognition of the right to self-determination, without giving guarantees to any nation, and without undertaking to give anything at the expense of another nation. This may not be “practical”, but it is in effect the best guarantee for the achievement of the most democratic of all possible solutions."

    ''No doubt, the political chicanery arising from all the relationships existing in capitalist society sometimes leads members of parliament and journalists to indulge in frivolous and even nonsensical twaddle about one or another nation seceding. But only reactionaries can allow themselves to be frightened (or pretend to be frightened) by such talk. Those who stand by democratic principles, i.e., who insist that questions of state be decided by the mass of the population, know very well that there is a “tremendous distance”between what the politicians prate about and what the people decide.From their daily experience the masses know perfectly well the value of geographical and economic ties and the advantages of a big market and a big state. They will, therefore, resort to secession only when national oppression and national friction make joint life absolutely intolerable and hinder any and all economic intercourse. In that case, the interests of capitalist development and of the freedom of the class struggle will be best served by secession.''- লেনিন

    ফলে একটা জিনিস স্পষ্ট যে জাতিসত্তার প্রশ্নের ক্ষেত্রে দুটো জিনিস উঠে আসছে। যারা একই জায়গায় ঐতিহাসিক সময় থেকে রয়েছে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে একসাথে আছে, নিজেদের একই ভাবে একই সংস্কৃতি ও ভাষাতে রিলেট করছে জাতিগতভাবে বা কোনো কারণে একটা এমন অঞ্চলে বাধা পরে গেছে যেখানে বাকি অংশের সাথে সংস্কৃতিক ও ভাষাগত সাদৃশ্য তো খুজেই পাচ্ছেনা উল্টে নিজেদের সত্বাকে পদদলিত মনে করছে তাদের ক্ষেত্রে জাতিসত্বার আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন উঠে আসছে এবং শ্রেণী সংগ্রামের প্রশ্নে দুটো জড়িত।আইডেন্টিটি যতক্ষণ না অর্জন করছে ততক্ষণ অন্য অংশের মেহনতি মানুষের সাথে সম্মিলনের সম্ভাবনাও সুদুরপরাহত হয়ে যায়। class question সরাসরি তখনি arise করানো যাবে যখন সেই অঞ্চলের পুজিবাদী উত্পাদন সম্পর্কের বিকাশ ঘটবে সামন্ততান্রিক উত্পাদন সম্পর্কের খর্ব হওয়ার সাথে সাথে। যেটা এগিয়ে আসবে সেখানে self-determination movement এর মধ্যে গণতান্ত্রিক উপাদানের বিকাশ, সহমর্মিতা ও জাতিসত্বার সাথে সাথে অন্যান্য দৈনন্দিন প্রশ্নগুলোর মেলানোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থেকেই। এটাই ইতিহাসের শিক্ষা।

    (পুনশ্চ : এই নিয়ে গভীরে কেউ পড়তে চাইলে সৌমেন নাগ-এর প্রসঙ্গ:গোর্খাল্যান্ড বইটা দেখা যেতে পারে, কুমার প্রধান এর Gorkha Conquest ; Never ending wait for homeland - Sonam B. Wangya ও দেখা যেতে পারে )
  • PM | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ১০:৩৭616129
  • এই প্রসংগে একটা কথা বলার আছে। গোর্ঘা লআন্ড আন্দোলনের সময়ে সিপিয়েম-এর যারা মাঠে ঘাটে লড়েছিলো GNLF এর বিরুদ্ধে, পরে চুক্তির সময় সিপিয়েম তাদের ডিস-ওন করেছে। আমার মতে এটা চুড়ান্ত রাজনৈতিক সুবিধাবাদ। ঘিসিং এর, দূর্নীতির জন্য (যা হবার-ই ছিলো) যে রাজনৈতিক শুন্যতা তৈরী হয়েছিলো, সেটা কে ব্যবহার করে গোর্খাদের মেন্স্ট্রিমে আনার যে সুযোগ ছিলো তা নেওয়া গেলো না- কারন তার জন্য প্রয়োজনীয় সংগঠন- ই ছিলো না, ছিলো না সুস্থ্য রাজনৈতিক বাতাবরন। এটা পুরোটাই রাজনৈতিক দূরদৃষ্টির অভাব আর সল্পকালীন সুবিধার প্রতি নেতাদের ঝোকের উদাহরন।
  • | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ১০:৫২616240
  • এইটে কাল ফেসবুকে খুব ঘুরছিল।

  • ananyo | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ১২:০১616351
  • এই নিয়ে এমনিতে উত্তরবঙ্গের বাঙালিদের মধ্যেই ক্ষোভ আছে; পাহাড়ের কথা তো বাদই দিলাম; রাজবংশীদের মধ্যে সুখবিলাস শর্মা বাদে কেউ তেমন রিকগনিশন পেয়েছেন কিনা জানা নেই
  • siki | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ১৫:১৯616462
  • লেখাটা ভালো লাগল।

    কালকের ঐ ফেবু পোস্টারটা নিয়ে প্রশ্ন, প্রাপ্য সম্মান তো অনেকেরই অনেক কারণ জোটে না, আমি বঙ্গশ্রী সম্মান পাচ্ছি না, ডিডিদা ভারতরত্ন পাচ্ছে না, কিন্তু গোর্খাল্যান্ড কেং কয়ে এর সল্যুশন হয়? মানে প্রাপ্য সম্মান পেলেই কি জীবনের সমস্ত অসুখ অভাব থেকে মুক্তি?
  • PT | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ১৫:২৫616573
  • ক্ষোভ ভারতের কোন জাতি-উপজাতির নেই?
  • ananyo | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ১৫:২৮616684
  • ওটা মনে হয় পোস্টকর্তা বাঙালি ছাড়া বাকি মাইনরিটি কমুনিটিকে সাংস্কৃতিকভাবে অদৃশ্য মনে করার ব্যাপারটা তুলে ধরতে করেছেন। কাঞ্চনজঙ্ঘা সিনেমায় সত্যজিত রায় অনবদ্যভাবে বাঙালি উচ্চ মধ্যবিত্তের দ্বন্দ তুলে ধরলেও, গত সিনেমাটা দার্জিলিং এ শুট করেও একবারের জন্যও স্থানীয় কমুনিটিকে দেখান নি; পাহাড়ের সোশ্যাল কন্ডিসন দেখালেন শুধু মিলিটারির মার্চ দিয়ে-- পুরো সিনেমাতে লোকাল চালচিত্র অনুপস্থিত যেন কিছু exist -ই করেনা- জাস্ট invisible
  • siki | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৩৫616795
  • এভাবে ভাবলে কিন্তু চাপ আছে। সিনেমার যাদি প্রয়োজন না হয় লোকাল মুখ দেখাবার, খামোকা দেখিয়েই বা কী হবে? শালবনীতে সিনেমার শুটিং হলে কি সাঁওতাল দেখাতেই হবে?
  • ananyo | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৩৯616906
  • তা নয়, তবে পরিচালকের নাম সত্যজিত রায় তো তাই :)
  • PT | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ১৬:১৮615797
  • কালো বা বাদামীদের দেশ ভারতে, অন্তর্দেশীয় বিমানে কতগুলো কালো চামড়ার বিমান সেবিকা দেখা যায়?
  • ananyo | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ১৯:৩৩615908
  • সবাই কি আর নন্দিত দাস ?
  • PT | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ২১:২৯616019
  • বোঝা গেল-মঙ্গোলিয়ান চলবে না। তাহলে দোষ শুধু একা সত্যজিৎ রায়ের নয় ?
  • Gautam | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ২১:৩২616052
  • From: Facebook
    অন্ধ্রপ্রদেশ ভাগ হয়ে পৃথক তেলেঙ্গনা রাজ্য গঠনের খবর প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারতের অন্যান্য জায়গাতেও বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে আরম্ভ করেছে। সেটা স্বাভাবিক। পশ্চিমবঙ্গেও তার অন্যথা হয়নি। দীর্ঘ আন্দোলনের পর ১৯৮৮তে সুবাস ঘিসিং-এর নেতৃত্বে গোর্খা ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট সমর্থ হয়েছিল দার্জিলিং গোর্খা হিল কাউন্সিল নামে একটি স্বশাসত পরিষদ গঠন করতে। কিন্তু পরিষদ গোর্খা জনগণের স্বপ্নপূরণে ব্যর্থ হওয়ায় সুবাস ঘিসিংকে সরে যেতে হয়। এর পর আবার নতুন করে আন্দোলন আরম্ভ হয়। এক পর্বে এসে নেতা হয়ে বসেন বিমল গুরুং। তাঁর নেতৃত্বে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ২০১১-এ রাজ্যের নতুন সরকারের কাছ থেকে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নামে আধা-সরকারি প্রশাসনিক ব্যবস্থা আদায় করতে সমর্থ হয়।

    এখন পৃথক তেলেঙ্গনা রাজ্য গঠনের খবরে আলাদা রাজ্য গোর্খাল্যন্ডের দাবি যে উঠবে তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই!
    কিন্তু সমস্যা হল, সম্প্রতি ফেসবুক-এ বাংলা ভাগ হতে দেব না, বঙ্গভঙ্গের চক্রান্ত রুখছি, রুখব... প্রভৃতি বিপ্লববাদের বুলি চোখে পড়ছে। আমার প্রশ্ন হল— ওই সব বঙ্গ-বিপ্লবীরা ভারতের বিভিন্ন রাজগুলি কী ভাবে গঠিত হয়েছে, ভারতের জাতিগত ঐক্যের ভিত্তি কী এসব তথ্য জানেন কি ?

    পশ্চিমবঙ্গ ভেঙে গোর্খাল্যান্ড হবে কি না সে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার ! রাজ্যবাসী হিসেবে আমরা আমাদের মতটুকু ব্যক্ত করতে পারি মাত্র, বিপ্লব নয় ! বিপ্লব যদি করতেই হয়, অনুরোধ, দার্জিলিঙে গিয়ে করুন, এখানে বসে রাজা-উজির মেরে কোনও লাভ নেই !
  • s | ০৪ আগস্ট ২০১৩ ২২:৪০616063
  • কোথায় পড়েছিলাম (আবাপ-তেই বোধহয়) যে GTAর (পড়ুন বিমল গুরুং-এর) বেশ কিছু অর্থনৈতিক দাবিদাওয়া রাজ্য সরকার মেনে নেয় নি। যার জন্য সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়েছিল।
    পাহাড়ে উন্নয়ন করতে চাইলে GTAর মধ্যে থেকেই অনেক কিছু করা সম্ভব। নয়ত মূলত পর্যটন শিল্পের উপর ভিত্তি করে যে অঞ্চল দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে পৃথক রাজ্য হলে নতুন করে কি তীর মারবে। হ্যাঁ কিছু বরাদ্দ বাড়তে পারে যার বেশিরভাগ বিমল ও তাঁর দলবলের পকেটে যাবে।
  • টাঙন | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ০০:৩৪616074
  • গোর্খল্যান্ড বিষয়ে সিপিএম ও টিএমসির অবস্থানের পার্থক্য কী? কেউ বল্তে পারেন?
  • ananyo | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ০১:১৫616085
  • আক্ষরিক অর্থে কিছুনা
  • PT | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ০৭:৫২616096
  • আক্ষরিক অর্থেই এই ফারাকটা কাঁচের মত পরিষ্কার - ঘোলা করার কোন স্কোপ নেইঃ

    The Darjeeling Gorkha Hill Council was the result of the signing of the Darjeeling Gorkha Hill Council Agreement between the Central Government of India, the West Bengal Government and the Gorkha National Liberation Front in Kolkata on August 22, 1988.......The signatories to this tripartite agreement were: C.G. Somaih, Union Home Secretary (on the behalf of the Central Government of India), R.N. Sengupta, the State Chief Secretary (on the behalf of the Government of West Bengal) and Subhash Ghisingh (on the behalf of Gorkha National Liberation Front as the representative of the people of Darjeeling District). The Union Home Minister, Buta Singh, and the West Bengal Chief Minister, Jyoti Basu, also put their signatures on the agreement.

    এই accord-এ লেখা ছিল যে GNLF গোর্খাল্যান্ডের দাবী বাতিল করছে। কাজেই বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার আগে পর্যন্ত এই চুক্তিই কার্যকর ছিল। সেই হিসেবে বুদ্ধবাবুর মুখের কথা আর চুক্তির কোন তফাৎ নেই।

    কিন্তু মমতা যে নতুন চুক্তি করেছেন তাতে গোর্খাল্যান্ডের অস্তিত্বকে মান্যতা দেওয়া হয়েছে। ডুয়ার্স তরাই ইত্যাদি জায়্গায় ভোটে জেতার জন্য মমতা গুরুঙ্গের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন। গুরুঙ্গ তাই ত্রিপাক্ষিক চুক্তি করে তার প্রাপ্য পৌন্দ ওফ ফ্লেশ (গোর্খাল্যান্ডের স্বীকৃতি) লিখিত ভাবে আদায় করেছে। মমতা মাওদের সঙ্গে তিনোদের ভ্ড়িয়ে দিয়েছিলেন-তারপরে খুন জখমে হাত-পাকানো লোকগুলো তিনোতে ফিরে এসেছে আর কিষেণজীকেও বিদেয় করা গেছে। কিন্তু জঙ্গলমহলের এই খেলাটা মমতা পাহাড়ে (এখনো) খেলতে পারেননি। তাঁর মুখের কথা এখন ফাঁকা আওয়াজ-কেননা তিনি লিখিত ভাবে গোর্খাল্যান্ডকে মেনে নিয়েছেন।
  • PT | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৩১616107
  • *পৌন্দ ওফ ফ্লেশ = pound of flesh
  • Marauder's Map | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ০৯:৫১616118
  • জিটিএ চুক্তির সময় সবে মধুচন্দ্রিমা শুরু হয়েছে, মিডিয়া আহ্লাদে উলুৎপ্লুত হয়েছিলো। তখন কিন্তু অনেক নিন্দুক এই ধরণের কিছু কথা বলেছিলো...কাল (নাকি পরশু) সুমন দে-র লেখায় দেখলুম তিনিও এই ফারাকটার কথা লিখে আক্ষেপ শুরু করেছেন।

    তখন আহ্লাদে গলে গেছিলেন, স্যার?
  • cm | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ০৯:৫৮616130
  • আর সকলপ্রকার নীতিহীনতাই টিএমসির অবস্থান এটি সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
  • Marauder's Map | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ১০:০০616141
  • গুরুং উবাচ - বুদ্ধদেবের সঙ্গে কথা বলা যেত, মমতা অন্য কারো কথা শুনতে চান না।
  • PT | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ১০:১৪616152
  • দোষ শুধু মমতার নয়-"সিপিএম যায় যে আসে আসুক"-এর অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক নীতিহীনতাও তিনোদের উজ্জীবিত করেছে।
  • dd | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ১২:০৭616163
  • পিটি স্যারকে একটি অযাচিতো সাজেস্সন। "দোষ শুধু মমতার নয়-"সিপিএম যায় যে আসে আসুক"-এর অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক নীতিহীনতাও তিনোদের উজ্জীবিত করেছে।" এরম আপ্তোবাক্যের একটা ছোটো ফর্ম বার করুন যেমতি "আর কদ্দিনই বা বাঁচবো (উইথ দীর্ঘশ্বাস) "এর সর্ট ফর্ম হচ্ছে আকবা। তেমতি "ডিম্পা" লিখে দ্যান। ব্যাস, তাইলেই হবে।

    একটি লেবার সেভিং ডিভাইস মাত্রো।
    রাগারাগির কিছু নেই।
  • PT | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ১২:৩৪616174
  • এখনই নয়। "৩৪ বছরের অপশাসন"-এর কোন ছোটো ফর্মঃ যেমন "চোব-অ" বা "চৌব-অ"-র ব্যবহার শুরু হলে আম্মো ছোট-খাটো কিছু একটা ভাবব।

    তবে স্ট্রিং থিওরির মত -"সিপিএম যায় যে আসে আসুক"-এর অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক নীতিহীনতা" দিয়ে এখনো পর্যন্ত অনেক কিছুই ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে।

    কিন্তু আপনি উপদেশ দিলে আমি রাগবো এমন ধৃষ্টতা আমার আছে সেকথা আপনি ভাবলেন কি করে?
  • pinaki | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ১২:৪১616185
  • কিন্তু সিপিএম যে গোর্খাল্যান্ড না চেয়ে মমতার হাত শক্ত করছে, যেভাবে আগে বিজেপির হাত শক্ত করার জন্য গোধরা ঘটে গেল এবং হাতের সেই রক্ত পিটিদা এখনো মুছে উঠতে পারেন নি - সেসবের কি হবে?
  • PT | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ১২:৪৫616196
  • আরে গোধরার জন্য তো সরাসরি মার্কস সাহেবকে দায়ী করে অনেক আগেই একটা পোস্টিং দিয়েছিলাম। মার্কস না থাকলে কি সিপিএমের জন্ম হত?

    মমতার হাত শক্ত করার কোন উপায় মমতা রাখেননি কেননা গোর্খাল্যন্ডের দাবীকে মান্যতা দিয়ে তিনি (বা তাঁর হয়ে অন্য কেউ) ত্রিপাক্ষিক চুক্তিতে সাক্ষর করেছেন। এর জন্য আর দয়া করে পিটির টিকি ধরে টানাটানি করবেন না।
  • dd | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ১২:৫২616207
  • অ্যাই অ্যাই। আমি কিন্তু খুব কাঁচুমাচু ভাবে কোনোক্রমে একটা সাজেসসন দিতি পারি। উপোদেশ কখনো দি' নাতো। মানে রেসিপি ছাড়া।

    আর চৌত্রিশ বছোরের অপশাসন আমি অ্যাটলিস্ট বলি না। আমি ফ্ল্যাট ২০% ডিস্কাউন্ট দি। এই ২৬-২৭ বছোরের অপশাসন বলি। চলবে?

    প্রথম তিন চার বছোর তো ভালই চলেছিলো, সেটা বাদ দি'। আর বাম ফ্রন্টের লাস দু বছোর মমতাই রাজ্য চালিয়েছিলো। একুনে ছ সাত বছোর। সেই বাবদে ২০% বাদ।
  • pinaki | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ১২:৫৩616218
  • কিন্তু এই পরিস্থিতিতে গোর্খাল্যান্ড না চাওয়া মানে তো মমতার পাশে দাঁড়ানো ই হল - তাই না? আর মার্ক্স তো গোধরার জন্য পরোক্ষে দায়ী কারণ সিপিএমের মত কুসন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন বলে, কিন্তু সেই কুসন্তান যারা কিনা বিজেপির মত দলকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করল, যার পরিণতিতে একসময় নাকি গোধরা ঘটল, এবং যে কুসন্তানকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আপনি সাপোর্ট দেন, মানে অন্ততঃ সিঙ্গুর ইস্যুতে, তাহলে আপনার স্থান কোথায় হবে, ভেবে দেখেছেন? বুজীদের মমতাকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, আর আপনার সিপিএমকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে? আগে কম্পেয়ার করুন। দেখবেন নরকে যদি বুজিদের ২০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস গরম তেলে ভাজা হয়, আপনাকে ৫০০ ডিগ্রীর তেলে ভাজা হবে।
  • T | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৪৩616229
  • আর জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস যারা ওড়াল তাদের জন্য কত ডিগ্রী বরাদ্দ?
  • kc | ০৫ আগস্ট ২০১৩ ১৪:৩০616241
  • মমতা যদি মুখ দিয়ে ভাত খায় তাইলে কমরেড পিনাকীর হিসেবে বিরোধিদের বোধ হয় পাছু দিয়ে খেতে হবে।

    আর জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস যারা ওড়াল তাদের জন্য আপাতত থার্ড ডিগ্রী বরাদ্দ হলেই ভাল। অবশ্য তা হলে আবার সংহতিতে কিছু বাইট খচ্চা হবে নিশ্চয়ই। তাইতো? কমরেড মিত্তির?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন