এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হাতে কুদর্শন জ্যোতিষ আংটি

    Su
    অন্যান্য | ২৯ জুলাই ২০০৬ | ২৫২৬৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Su | ২৯ জুলাই ২০০৬ ১৩:০৮631937
  • J বঙ্গপুরুষ বনাম বঙ্গনারী বিভাগে প্রশ্নটি তুলেছে। আমার মনে হল এ নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। তাই এই থ্রেড। অনেককেই দেখি হাতে কুদর্শন সব আংটি পরে, এমনকি বিজ্ঞান জানা পাবলিকও। গোমেদ, পোখরাজ, নীলা, আল, বাল, প্রভৃতি। তাও যদি সে সব আংটি সুন্দর দেখতে হত! অনেককে জিগ্যেস করেছি, প্রায় প্রত্যেকেই বলেছে, ''আসলে আমি বিশ্বাস করি না, মা বলল তাই।'' যারা আংটি পরো ব যারা পরো না তারা পক্ষে বিপক্ষে এই থ্রেডে জ্ঞান দাও প্লিজ।
    সু
  • dd | ২৯ জুলাই ২০০৬ ১৬:১৯632048
  • কুদর্শন সুদর্শন নিজের ব্যাপার।

    যে সব কুসংস্কার এমন কি নিছক হাঁদামি অন্যকে কষ্ট না দিয়ে ব্যতিব্যস্ত না করে করা যায় - সেটাতে কিছু দোষের দেখি না।
  • Su | ২৯ জুলাই ২০০৬ ১৬:৩৪632159
  • পয়েন্ট।
  • tan | ২৯ জুলাই ২০০৬ ১৯:৩৪632270
  • আংটি যারা বানায় তারা ভালো করে, সুন্দর করে বানালেই পারে!
    খরচ তো কম পড়ছে না!
  • dri | ২৯ জুলাই ২০০৬ ২২:১৬632381
  • মানুষের মন থেকে কুসংস্কার যাতে দুর হয় তার চেষ্টা করা উচিত। সেগুলো ছোট বয়েস থেকে। বড় মানুষের কুসংস্কার দুর করা খুব মুস্কিল। বিজ্ঞান জানলেই সংস্কার যায় না। অনেক কিছু জানাটানার পরও অনেকে বলেন ঐ তো, বিজ্ঞান ও তো কতকিছু ব্যাখ্যা করতে পারছে না। অতএব বিশ্বাসই হল রাস্তা। পাথরের আংটি হল নেক্সট স্টেপ।

    তবে একবার কুসংস্কারাচ্ছন্ন বড় মানুষ তৈরি হয়ে গেলে খেলা হাতের বাইরে। যে যা ধারণ করতে চাইবে তাকে দিতে হবে। কোনটা ভালো দেখতে কোনটা মন্দ সেই উপদেশ তো আর দেয়া যায় না কাউকে।

    এই আংটির ব্যাবসাতে জুয়েলারি বিক্রেতা এবং জ্যোতিষি এদের একটা চক্র আছে। মেয়েরা তো নানা রকম গয়নাগাঁটি এমনিতেই কেনেন। তাই মেয়েদের থেকে এদের ভালো ই বিজনেস হয়। প্রশ্ন হল ছেলেদের কি বিক্রি করা যায়? এখনকার দিনে ছেলেরা এমনিতে তো কোন গয়না পরে না। আগেকার দিনে তাও পরত। কর্ণ কি সুন্দর কুন্ডল পরতেন। কিন্তু এতে গয়না বিক্রেতাদের মুস্কিল। তাই বিশ্বাসের লাইনে খেলতে হবে। এরা হয়ত মার্কেট সার্ভে করে দেখেছে কেমন দেখতে লাগছে সেটা ছেলেদের কাছে অত ম্যাটার করে না। তাই ওরম গোদা দেখতে আংটি বানায়। আর গোদা আংটি বানাতে কম খরচ তাই মার্জিন ও হয়ত বেশী থাকে। পাথরে সূক্ষ কাট করা এক্সপেনসিভ।

    তবে সত্যি যারা সূক্ষ রুচির কুসংস্কারাচ্ছন্ন তাদের কথা ভাবেনি জুয়েলারি বিক্রেতারা।
  • tan | ২৯ জুলাই ২০০৬ ২৩:৪৮632492
  • কানে দুল হাতে অঙ্গদ গলায় হার এসব পরে পরে স্টার অভিএন্তারা বিজ্ঞাপণ দিলেই পারেন। আফসে আপ প্রথমে টীনে এজের ছেলেরা পরে আরেকটু বড়ো ছেলেরাও ধরে পে্‌গলবে গয়না।:-))
  • tan | ২৯ জুলাই ২০০৬ ২৩:৪৯632507
  • কারেকশান: ১।অভিনেতারা
    ২।ফেলবে।
  • kabli | ৩১ জুলাই ২০০৬ ০০:৩৪632518
  • আমি driএর মতে সাড়া দিতে পারলুম না। dri বোধহয় মনে করেন যে উনি যাতে বিশ্বাস করেন, সেগুলি সুসংস্কার আর যেগুলিতে করেন না সেগুলি কুসংস্কার। আমি scientist নই তবে scienceএর ছাত্র হিসেবে বুঝি যে science'yes' প্রমান না করতে পারলে 'no' ঠিক, এই লজিকে চলে না - 'no' যে ঠিক, সেটাকে প্রমান করতে হয়। আমি নিজে যদিও এই জ্যোতিষীদের দেওয়া পাথরে বিশ্বাস করি না এবং পুরো বুঝরুকি মনে করি, তবে ওতে যে কাজ হয় না তার কোন প্রমান পাইনি। তবে আমার নিজের সোনা সহ্য হয় না (বড়ই দু:খ, সারাজীবন সোনার ব্যবসায় কাটালুম) - সেই experience থেকে বলতে পারি যে যদি সোনা বা অন্য কোন ধাতু যদি একজন মানুষের শরীরে negative effect করতে পারে, তবে সেই ধাতু আর একজনের শরীরে positive effect করতে পারবে না কেন? আর যদি কোন ধাতু পারে তবে একটা পাথর কেন পারবে না? এই hypothesis যদি সত্যি ধরে নেওয়া যায়, তবে এই পাথরের ক্ষমতায় কোন neurological change আসা অসম্ভব না, যার ফলে একজন positive attitude develop করে সংসারে শান্তি, চাকরিতে উন্নতি ইত্যাদি achieve করতে পারে।

    সর্বনাশ, মনে হচ্ছে আমি নিজেই নিজেকে বিশ্বাস করতে শুরু করছি - যাই দেখি পাড়ার মোড়ের গয়নার দোকানে, যদি টাকে চুল গজানোর কোন আংটী পাওয়া যায় - এই তিনটে চুল আঁচড়াতে বড্ডো হিমসিম খাচ্চি রোজ।
  • dri | ৩১ জুলাই ২০০৬ ১০:০৬631938
  • একটা পাথর কেন শরীরে পজিটিভ পরিবর্তন আনতে পারবে না -- এর ভিত্তিতে কি পাথর কেনা উচিত? পাথর তখনই কেনা উচিত যখন আমরা নিশ্চিত যে পাথরের সুফল আছে। সুফল থাকতেও পারে হলে চলবে না। যিনি পাথর ধারন করতে দিচ্ছেন তিনি কি নিশ্চিত যে এতে সুফল হবে? কোন গবেষনার ভিত্তিতে?
  • dam | ৩১ জুলাই ২০০৬ ১০:২৪631949
  • সু প্রথমেই বলেছে যেটা 'আসলে আমি বিশ্বাস করি না, কিন্তু মা বলল তাই', এটাই সবচেয়ে সুবিধাবাদী অবস্থান। অনেকেই তো বলেন 'ভগবান মানি না, কিন্তু স্পিরিচুয়ালিজম মানি' অথবা 'জ্যোতিষ মানি না, কিন্তু ফেংশুই মানি'। আসলে এটা একইসাথে নিজেকে সংস্কারমুক্ত প্রগতিশীল হিসাবে দেখানোর চেষ্টা, আবার ঠাকুর বাকুর, গ্রহনক্ষত্র যাতে চটে না যায় তারও ব্যবস্থা করা। এই কুৎসিত দেখতে আংটি গুলোর সাথে আরেকটা কুৎসিৎ কুদর্শন বস্তু হল হাতে লালহলদেসাদা মোটামোটা সুতো বাঁধা। পুরো 'ম্যাগো' লিস্ট এ দেওয়া যায়।
  • Su | ৩১ জুলাই ২০০৬ ১০:২৯631960
  • দেব, ধন্যবাদ। কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মুক্ত মনা বলে এমন সাইট আছে জানতামই না। এরকম আরও সন্ধানে থাকলে জানাবেন প্লিজ।
    সু
  • Su | ৩১ জুলাই ২০০৬ ১০:৪৬631971
  • কাবলি, বিজ্ঞানের ছাত্র হওয়া সত্তেও বলে শুরু করে আপনি যা বলেছেন, মানে আপনার অবস্থান আমি ঠিক বুঝতে পারলুম না। বিজ্ঞানে বিশ্বাসের প্রশ্নটা আসছে কী করে? বিজ্ঞান তো ঠিক বিশ্বাস দিয়ে চলে না, চলে প্রমাণ দিয়ে। বিশ্বাস দিয়ে চলে ধর্ম, সংস্কার তা সে কু বা সু যাই হোক না কেন। হ্যাঁ, না-র মধ্যবর্তী অবস্থানকে agnostic বলে, তাতে কোনও আপত্তি নেই, কারও খোলা মন থাকতেই পারে। কিন্তু পাথর বা লাল সুতো নীল সুতো ঠিক বিজ্ঞানের আওতায় পড়ে না, সেটাকে বিজ্ঞানী হয়ে justify করটা ঠিক হবে না। পাথর পরা বিশ্বাস -- সুতরাং সেটা সংস্কার -- কু বা সু যাই হোক না কেন, বিজ্ঞান কোনওমতেই নয়। অনেক জায়গা আছে যেগুলো বিজ্ঞান স্রেফ যাকে বিজ্ঞানীরা বলেন intelligent guesswork দিয়ে নস্যাৎ করতে পারে, পাথর পরা অনেকটা তাই। যে কারণে astronomy বিজ্ঞান, astrology কোনওমতেই না। যাঁরা পাথর পরা বা astrologyতে বিশ্বাস করেন তাঁদের মনস্তত্ব অবিশ্যি বিজ্ঞানের আওতায় পড়ে।:-)

    সু
  • kabli | ৩১ জুলাই ২০০৬ ১২:৫৩631982
  • ভাই সু, তুমি আমার অবস্থানটা ঠিক বুঝতে না পারলেও আমি যা বলতে চেয়েছি তা খুব সুন্দর ভাবে গুছিয়ে লিখেছ। আমি দু:খিত যে আমি পরিস্কার করে আমার বক্তব্য টা রাখতে পারিনি। আমার মতে কোন প্রমান না থাকলে কারুর সংস্কার যে 'কু' (মানে খারাপ) ঘোষনা করা মনে হয় ঠিক না। এবং এই প্রমানের দায়িত্ব যে অন্য একজনের সংস্কারকে চ্যালেন্‌জ করে তার, সংস্কারাচ্ছন্ন মানুষটির নয় - সে তো শুধু নিজের পয়সা 'নষ্ট' করে নিজের বিশ্বাসের পেছনে। পৃথিবীতে বেশীর ভাগ যুদ্ধ হয়েছে নিজের বিশ্বাস ঠিক, অন্যের বিশ্বাস ভুল, এইটে establish করার চেষ্টায়।

    কোন জিনিস বা কারুর আচরণ ভালো না খারাপ, তা পুরো feelingsএর ব্যাপার, এখানে scienceএর কিছু করার নেই। তাই আমার যা কুৎসিত দেখতে লাগে, তা বলায় কোন সংকোচ করি না - সে ঐ আংটি হোক, শরীরের নানা অংশে দুল হোক বা বিদ্‌খুটে চুলের স্টাইল হোক।

    তুমি এটাও ঠিক বলেছ যে astrology science নয় - তেমনি political 'science', economics ও নয়। তবে astronomy science নয়, এটা কি ঠিক?
  • kabli | ৩১ জুলাই ২০০৬ ১৩:২৫631993
  • sorry সু, তুমি তো লিখেছো astronomy science, আমি প্রথমবার ভূল পড়েছি।

    dri, আমি তো অনেক কিছুই নিশ্চিত না হয়ে করি - পুরো বিশ্বাসের ওপর ভরসা করে - ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ খাই এই বিশ্বাসে যে ডাক্তার মন দিয়ে লেখাপড়া করেছে, ঐ ওষুধের পেছনে গবেষনা ঠিকমত হয়েছে। এ ব্যাপারটা ভেবে দেখ যে এখনো হোমিও, কবিরাজী, ইউনানী চিকিৎসাও চলছে সংস্কারমুক্ত লোকেদের মধ্যে - এই সবের research documents খুব একটা accessible নয়।

    আগেই লিখেছি, আমি নিজে এই সব আংটী, পাথরে বিশ্বাস করিনা, মনে হয় এই ফোরামে কেউ আছে যে করে। তাই আমি সেই unrepresented লোকগুলোর হয়ে debate করছি। এসাইডে কেউ এসো - ট্যান, তুমি তো 'সেম্‌সাইডে' expert, তোমার দিকে হাত বাড়ালুম - যা বিশ্বাস করি, তাকে সাপোর্ট করে তক্কো করা তো সোজা, কিন্তু উল্টোটা অনেক বেশী fun!!

    একটা declaration - আমি কিন্তু মাকালীর চরণামৃত খাই ভক্তিভরে - মনেপ্রাণে জানি এটা 'কুসংস্কার' - তাই অন্যকাউকে খেতে insist করি না।
  • tan | ৩১ জুলাই ২০০৬ ১৮:৪৫632004
  • ইয়েস প্রমাণ করতে না পারলে নো ঠিক,এইটা খুব কষ্টের জিনিস।কেউ মানে না।
    এই ডেখুন না এই যে ডাব্লু এম ডি খুঁজে খুঁজে পাওয়া যায় না যায় না,কিছুতে যায় না,তবু কেউ মানে না ডাব্লু এম ডি নেই,বলে নিশ্চয় আছে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না,ভালো করে খোঁজা হয় নি।
    কিন্তু পাওয়া গেলে সবাই মেনে নিতো হ্যাঁ আছে।
    আছে প্রমাণ করা যায়, কিন্তু নেই প্রমাণ করা খু উ উ ব শক্ত।
    এই নিয়ে অনেক গপ্পো আছে,নেতিবাদ ইতিবাদ এইসব। এখানের অনেকেই হয়তো ভালো বলতে পারবেন,তারা দয়া করে এসে এই নিয়ে ভালো করে বুঝিয়ে বলুন না!
  • Arjit | ৩১ জুলাই ২০০৬ ১৯:৩৩632015
  • "সোনা সহ্য হয় না" - মানে কি? অ্যালার্জী? হাতে সোনার আংটি পরলে কি অ্যালার্জী হয়? ভিতরে ঢুকলে হতে পারে - যেমন অনেকের সালফার ড্রাগে অ্যালার্জী থাকে। ডাক্তারে কি বলে? ডাক্তারি শাস্ত্রে যদি বলে যে হাতে সোনার আংটি কোনমতেই অ্যালার্জী বা অন্য উপসর্গ দেখাতে পারে না, তাইলে স্বয়ং যুধিষ্ঠির এসে "সোনায় অ্যালার্জী" বল্লেও আমি মানবো না।
  • Samik | ০১ আগস্ট ২০০৬ ০০:০৮632026
  • সোনা তো অতি মহৎ ধাতু, বাংলায় যাকে বলে নোব্‌ল মেটাল। তার আবার সহ্যাসহ্য কী? সেই পরশপাথরে পড়ো নি, সোনা হয়ে গেলে এমনকি ঘড়িও চলে না?

    অতি বাজে ধাতু, কেন যে এত দাম হয়!
  • a x | ০১ আগস্ট ২০০৬ ০০:১৫632037
  • অনেক অনেকদিন আগে, সেই আমরা যখন ছোট ছিলাম, কার্ল পপার বলে একজন ছিল, সে "science as falsification" বলে কিসব বলেছিল। তবে আজকাল কেউ সেসব মানেনা। আজকাল এইরকম শোনা যাচ্ছে যে সূর্যের ঠিক মাঝখানে নাকি একটা গরু বসে আছে। লোকে বলে সে আছেই, যতক্ষণ না প্রমান হচ্ছে সে নেই "science" নাকি বলে যে সে আছে।
  • dri | ০১ আগস্ট ২০০৬ ০১:০০632049
  • সত্যিকারের সংস্কারমুক্ত মানুষের তো ওষুধে অন্ধ বিশ্বাস থাকা উচিত না। একটা ওষুধ খেয়ে যদি আমার কাজ না হয় তবে কি আমার সেই ওষুধে আস্থা রাখা উচিত? হোমিও, ইউনানির কেসটা জানিনা। কিন্তু কবিরাজির ক্ষেত্রে ডেফিনিট সায়েন্টিফিক রিসার্চ হয়। সেই রিসার্চ বিজ্ঞানের প্যারাডাইম মেনেই হয়। মানে ধরুন নিমের অ্যান্টিসেপ্টিক প্রপার্টি আপনি পরীক্ষা করতে চান। ঠিক যেভাবে একটা নতুন ড্রাগের করবেন এটাও সেইভাবেই করবেন। এ ব্যাপারে আমি একজন আয়ুর্বেদের রিসার্চারের সাথে কথা বলেছিলাম। ওদের মেইন অসুবিধে হল টাকা। আয়ুর্বেদের রিসার্চে ফান্ডিং খুব সামান্য। অ্যালোপ্যাথিতে অনেক বেশী। তাই রিসার্চ তেমন স্পীডে এগোয় না। চাই পয়সাওয়ালা ব্যাকার। আবার আয়ুর্বেদের লোকেরা (যারা সিরিয়াস) এটাও স্বীকার করে নেয় যে তাদের অ্যান্টিবায়োটিকের কোন সাবস্টিটিউট নেই। কিন্তু আবার অনেক কিছু আছে যেগুলো সিস্টেমিক সমস্যাকে কিওর করে, যেমন ঠন্ডা লাগার ধাত, পেটের গোলমালের ধাত। এইসব ধাত সারানোয় অ্যালোপ্যাথি তেমন ভালো নয়। এনিওয়ে, যেটুকু হবে সেটুকু যেন এক্সপেরিমেন্ট, অবজার্ভেশন, আর টেস্টিং অব হাইপথেসিস মেনে হয়।

    পাথরের গুনের ওপর কোন সিরিয়াস সায়েন্টিফিক স্টাডি কি আছে? কিছু না শুধু এইরকম -- পাথর ধারন করে মানুষের কতটা উপকার হল সেটাকে কিছুটা অবজেক্টিভ ভাবে মাপা। মানে হাজার জনকে পাথর দেয়া হল আর হাজার জনকে দেয়া হল না। এদের ভাগ্যে কোন সিগনিফিকেন্ট তফাত পাওয়া গেছে? এর থেকে সাইকোলজিকাল পার্টটা বাদ দিতে চাইলে আরো হাজার জনকে ফেক পাথর দেয়া যেতে পারে যাতে সে ভাবে ওটা পাথর আসলে তা নয়।
  • dri | ০১ আগস্ট ২০০৬ ০১:১৮632060
  • আমার তো মনে হয়না কোন জ্যোতিষির এই ব্যাপারটাকে সায়েন্টিফিক ফ্রেমওয়ার্কের ওপর দাঁড় করানোর কোন ইচ্ছে আছে। তারা মানুষের বিশ্বাসকে ক্যাশ করিয়েই খুশী।

    তবে এটাও ঠিক আজকালকার দিনে অনেক বিজ্ঞানমনস্ক মানুষের কাছে বিজ্ঞান ক্রমশ একধরনের রিলিজিয়ান হয়ে উঠছে। আজকাল এমন অবস্থা হয়েছে যে নাসা বা এন আই এইচ বা হু এরা কিছু একটা বলেছে বলে কাগজে রিপোর্ট পড়লে অনেক লোকেই বেশ গোঁড়া ভাবে ব্যাপারটা বিশ্বাস করতে শুরু করে। কিসের ভিত্তিতে সেই কথা বলা হয়েছে সেগুলো যাচাই করার প্রয়োজন মনে করে না। আগেকার দিনে মন্দিরের হেড পুরোহিতের যে পাওয়ার ছিল বিজ্ঞান জানা মানুষের কাছে বড় বড় বৈজ্ঞানিক ইনস্টিটিউশনের সেই পাওয়ার আছে।
  • vikram | ০১ আগস্ট ২০০৬ ০১:৪৯632082
  • বিজ্ঞানকে রিলিজিয়ন বানানোয় দ্রিকে ডিটো দিলুম।

    বিক্রম
  • vikram | ০১ আগস্ট ২০০৬ ০১:৪৯632071
  • দ্রি, হাজার জনের ওপর হাপোথিসিস টেস্টিং কাজ করবে না। বোগাস কোরিলেশান বলে একটা জিনিস আছে। এক স্ট্যাটিসটিশিয়ান একবার অপারেটিং ডোমেনে দেখিয়েছিলেন বিলেতের মানুষ জন্মগ্রহনের সাথে ইমিগ্র্যান্ট স্টর্কের পপুলেশানের কি অদ্ভুত সম্পর্ক। স্ট্যাটিসটিক্স কে একটা ফিজিকাল তঙ্কেÄর বিষয়ে সাহয্যের জন্য বেশি ইউজ করা উচিত। কিন্তু হাইপোথিসিস ঠিক হলেই আমি তার মেকাঅনিস্টিক নেচার পেয়ে গেলাম, বা ভিতরের প্রসেস টা জানলাম তা ঠিক নয়। ইউনিক উত্তর পাওয়া খুব টাফ।
    তাই পাথরের ব্যাপার যদই দেখতে হয়, তা ভৌতবিজ্ঞনের মাধ্যমে দেখা শ্রেয়, সাংখ্যতঙ্কেÄর মাধ্যমে নয়।

    বিক্রম
  • Deb | ০১ আগস্ট ২০০৬ ০৪:৩৫632093
  • নবারুন এর কোনো লেখা আছে এই ভক্তি দর্শনিয় আঙি্‌টর সম্বন্ধে?
    Note :বিক্রম এর একটা লেখা খুজ ছি যেটা লেখা হয়েছিল নবারুনের লেখার উপোর।Admin কি মুছে দিলো নাকি ব্যন্ড করলো?
  • dri | ০১ আগস্ট ২০০৬ ০৭:৫৪632104
  • বিক্রম, ঠিকই বলেছেন। হাজার জনের হাইপথেসিস টেস্টিং কিছু প্রমাণ (আন্ডারলাইন) হবে না। তবু রেজাল্ট পজিটিভ এলে পাথরকে একটু বেশী সিরিয়াসলি নিতে হবে। হয়ত অন্য স্যাম্পলের কথা ভাবা যেতে পারে। স্যাম্পল সাইজ বাড়ানোর কথা ভাবা যেতে পারে। ফিজিকাল কারণ কি সেটা নিয়ে বেশী মাথা ঘামানো যেতে পারে। ফিজিকাল কারণ অনেক সময় আগে থাকতে বোঝা যায় না। ধরুন ল্যাবে ওষুধ বানানো হল। ওষুধ যে অসুখ সারায় সেটা এস্টাব্লিশ্‌ড হল ফার্মাকোলজিকালি। কিছু স্যাম্প্‌লের ওপর পরীক্ষা করে পজিটিভ রেজাল্ট পাওয়া গেল। এইবার ফিল্ড ট্রায়ালের সময় আপনি দেখলেন ওষুধ অসুখ সারাচ্ছে, সেসব ঠিকই আছে। কিন্তু যে স্যাম্প্‌লের ওপর আপনি পরীক্ষা চালাচ্ছেন (ধরুন হাজার জন) তাদের মধ্যে ক্যান্সারের কেস বাড়ছে। এই ডেটাকে সিরিয়াসলি নিতে হবে। আপনি হয়ত তখনো পর্য্যন্ত তার কারসিনোজেনিক এফেক্টের কোন ফার্মাকোলজিকাল ভিত্তি পান নি। তাও এটাকে বোগাস কোরিলেশন বলে উড়িয়ে দিলে চলবে না। বরং গিয়ে দেখতে হবে ফার্মাকোলজিকালি ব্যাপারটা এস্টাব্লিশ করা যায় কিনা। এবার ধরুন অনেক মাথা চুলকে আপনি পারলেন না। কিন্তু আরো আরো ফিল্ড ট্রায়াল কারসিনোজেন থিওরি সাপোর্ট করল। তখন কি করবেন? আরো মাথা চুলকোবেন।

    প্রমাণ কি? বিভিন্ন ডোমেইনে প্রমাণের রিগার বিভিন্ন রকম হয়। আইনে (একটি মেয়ে রেপ্‌ড হয়েছে কিনা), চিকিৎসায় (একটা ড্রাগের সাইড এফেক্ট আছে কিনা), পদার্থবিদ্যায় (মহাবিশ্ব অমুক সময় একটি বিন্দু থেকে আরম্ভ হয়েছিল কিনা) প্রমাণের রিকোয়ারমেন্টগুলো একটু আলাদা। একটা বেশ ফেমাস জোক আছে, হয়ত জানেন। তিন বন্ধু, এক অ্যাস্ট্রোনমার, এক ফিজিসিস্ট আর এক ম্যাথেমাটিশিয়ান ট্রেনে করে ইংল্যান্ডের কাϾট্রসাইড দিয়ে যাচ্ছেন। পাশে পাহাড়ের ঢালে দেখা গেল এক ভেড়া। অ্যাস্ট্রোনমার মহা উৎসাহে বললেন, এই অঞ্চলের ভেড়াগুলো তবে কালো। ফিজিসিস্ট বললেন উঁহু। তা কিকরে বলছ। বলো এই ভেড়াটা কালো। ম্যাথেমাটিশিয়ান মুচকি হাসলেন। বললেন শুধু এইটুকুই বলা যায় এই ভেড়াটার যে সাইডটা আমরা দেখলাম সেইটা কালো।

    ব্যাক টু দা পয়েন্ট। আমার কিন্তু নিজস্ব গেস হল একটা স্যম্পলে পরীক্ষা করলে ব্যাপার দুটো আনকোরিলেটেড বেরোবে। এ ধরনের পরীক্ষা জ্যোতিষিরা চাইবে না।
  • Ishan | ০১ আগস্ট ২০০৬ ০৯:৩৯632115
  • যেহেতু কার্ল পপারের কথা উঠল, তাই চাট্টি বাজে ভাট দিয়ে যাই।

    আমেরিকায় এখন সদ্যোজাত শিশুদের চিত করে শোয়ানোর নিয়ম। চিৎ করে না শোয়ালে প্রচুর বিপদের আশঙ্কা আছে। উপুড় করে শোয়ালে sudden infant death এর প্রোবাবিলিটি খুব বেড়ে যায়। এটা মেডিক্যাল সায়েন্সের ফতোয়া।

    মজার কথা হল, বিশ না তিরিশ বছর আগে ফতোয়াটা ঠিক উল্টো ছিল। তখন সদ্যোজাত বাচ্চাদের উপুড় করে শোয়ানো ই ছিল বিধান। নচেৎ, বলা হত, কি একটা যেন হয়না(এক্স্যাক্ট কারণটা ভুলে গেছি)।

    এবার "সদ্যোজাত শিশুদের উপুড় করে শোয়ানো ভালো' -- এটাকে আপনি কি বলবেন? সয়েন্টিফিক স্টেটমেন্ট, যাকে true/false বলে ক্যাটাগোরাইজ করা যায়? বিশ বা তিরিশ বছরে যে সত্যটি মিথ্যা হয়ে যায়, (এবং এরকম কোনো গ্যারান্টি নেই, যে, আবার দশ বছর পরে মিথ্যাটি সত্য হয়ে যাবে না), সেখানে পপারের মতবাদ কতটা গ্রহণযোগ্য?

    আমি এই আলোচনায় কোনো পক্ষে না থেকে, জাস্ট এই প্রশ্নটা রাখলাম। আরও চাট্টি পয়েন্ট কাল দেব। এখন ঘুনু কত্তে যাই।
  • vikram | ০১ আগস্ট ২০০৬ ১৪:৪২632126
  • দ্রি, ঠিক কথা। বহু মেডিকাল বস্তুই এভাবে করা হয়ে থাকে। তবে পাথরের জন্যই জিনিসটা হচ্ছে সেটা বলা খুব টাফ। কারন, স্ট্যাটিস্টিকালি করলেও অন্তত: কনট্রোলড একটা এক্সপেরিমেন্ট করতে হবে যেটা অন্তত: অ্যাভারেজ সেন্স এ রিপিটেবল। হ্যাঁ বা না বাচক জিনিস, বা যার মধ্যে ইনহেরেন্ট বায়াস আছে তাতে পাথরই লাগাই আর মাদুলি, ঐ ৫০ কি ৬০ শতাংশ সাকসেসে কনভার্জ করবে।

    বিক্রম
  • Samik | ০১ আগস্ট ২০০৬ ১৬:২৩632137
  • মামু, ওরকম আরও অনেক উদাহরণ আছে। আগে বলত শরীরের কোনও অংশ পুড়ে গেলে সেখানে জল লাগাতে নেই। এখন বলে, আগে জল ঢালো। আগে বলত জ্বর হলে ভাত খেতে নেই। এখন বলে, ভাত খাও। কেন বলত, কেন বলে, না ভেবেই আমরা ফতোয়া মেনে নিই, যেহেতু ফতোয়াগুলো আসে ডাক্তারদের থেকে। পেছনের কারণগুলো স্টাডি করার চেষ্টা করি না।

    এক ডাক্তারকে দেখালাম, আমার চোঁয়াঢেকুরার বদহজমের রোগ কিছুতেই সারছে না, আমি ভরসা হারিয়ে ফেললাম, 'সেকেন্ড ওপিনিয়ন' নেবার জন্য অ্যাপোলো গিয়ে সাড়ে ছশো টাকা ভিজিট দিয়ে এমব্যাসির বিলিতি রোগি দেখা ডাক্তারের কাছে গেলাম। তিনি আগের প্রেস্‌ক্রিপশন দেখে বেঁকা হাসলেন, নিজের বহুমূল্য এক্সিকিউটিভ বন্ড পেপারের প্রেস্‌ক্রিপশন বের করে তাতে আলাদা কিছু ওষুধের নাম লিখে দিলেন। ডোজ পাল্টে দিলেন। সামহাউ আমার বদহজম সেরে গেল। আমরা ভাবলাম আগের ডাক্তার ভুলভাল, এই ডাক্তারই ভালো, তাই এর পর থেকে বদহজম হলেই অ্যাপোলো যাওয়া শুরু করলাম। কিন্তু প্যাকেটের লিখন পড়ে দেখলেই বুঝতে পারতাম, কেবল ট্যাবলেটের কোম্পানির নাম আলাদা, বাকি ইনগ্রেডিয়েন্ট্‌স সমস্ত এক, তার IP মাপ আলাদা, আর ডাক্তারের ডোজের পরিমাপ আলাদা, বাকি কোনও তফাৎ নেই। প্রথম ডাক্তার কেবল ডোজ ঠিকঠাক নির্ধারণ করেন নি। আরেকবার গিয়ে দেখালেই তিনি বুঝতে পেরে পাল্টে দিতেন, একশো টাকায় মিটে যেত।

    জ্বর হলে এ দিলো ক্রোসিন তো ও দিল ক্যালপল। ক্রোসিনে সারে নি, ক্যালপলে সেরে গেল, আমি ভাবলাম ক্রোসিন ভুল মাল।

    আগে জন্ডিস হলে ন্যাবার মালা দেওয়া হত। সত্যি সত্যিই নাকি জন্ডিস সেরে যেত, আর সেরে গেলে মালা আপনাআপনি পা দিয়ে গলে বেরিয়ে যেত। তা, ন্যাবার মালায় যে জন্ডিস সারে না, আজ আমরা সবাই জানি। কেন মেনে নিলাম? কেন সক্কলে বুঝে গেলাম ন্যাবার মালা ঢপের জিনিস? কেন তা হলে 'রত্ন' 'পাথর' 'ধাতু' ঢপের জিনিস মেনে নিতে পারি না?

    এর নাম কনজিউমারিজ্‌ম। এর নাম বিপণন। ন্যাবার মালা যদি বেচতো পাগলাবাবা বারাণসী কি অমৃতলাল কি বাবা রামদেবের মত সেলিব্রিটি, সানিয়া মির্জাকে ন্যাবার মালা পরিয়ে ইটিভি বাংলায় প্রাইম টাইমে হাজির করানো যেত, কোন শালার হিম্মৎ আছে ন্যাবার মালাকে অস্বীকার করতো? বিগ বাজারে পজ্জন্ত ইজি ইএমআইতে ন্যাবার মালা বিকতো, সাথে সানিয়া মির্জার পোস্টার ফ্রি।
  • Arjit | ০১ আগস্ট ২০০৬ ১৬:৩৩632148
  • এখানে বিরাট বড় ফার্মাসী চেন - বুটস - অধিকাংশ লোকে সেখান থেকেই ওষুধ কেনে। সেখানে কিন্তু ওভার-দ্য-কাউন্টারে তামার বালা, ম্যাগনেটিক থেরাপি - এই সব মাল পাওয়া যায় - অলটারনেটিভ থেরাপি বলে:-))
  • Samik | ০১ আগস্ট ২০০৬ ১৬:৩৪632160
  • রত্ন পাথর ধাতু ওলা আংটি তাবিজ কবচ মাদুলি বাবাদুলি ঘুনসি কেন চলে? কারণ এদের ব্যবসার মূলধন হল 'ভাগ্য'। এই একটা জিনিস যাতে সক্কলে কাত। মুখে যত বারফাট্টাই করুক না কেন, 'হাত দেখতে জানি' বললে, 'আসলে ও সব বোগাস, আমি মানি না, তবু দেখি তুই কেমন বলিস' গোছের মুখভাব করে হাতটা বাড়িয়ে দেবে। দেবেই। কারণ, মনের ভেতর ঐ সুপ্ত ইচ্ছে, কি আছে আমার ভবিষ্যতে! সব কৌতূহলের সেরা কৌতূহল। আমি কি চাকরি পাবো? সুন্দরী বউ হবে? এটসেট্রা এটসেট্রা। অভিনেতা হলে আমার পরের ছবি কি হিট হবে? মল্লিকা শেরাওয়াতের সাথে কি আমার একটা সিন থাকবে? গায়ক হলে পরের অ্যালবাম কনসার্ণযোগ্য। ব্যবসায়ী হলে পরের ডিল, পরের মার্জার সফল হবে কিনা।

    অজানা, অচেনার প্রতি মানুষের চিরন্তন আকর্ষণ, চিরন্তন ভয়। যেহেতু ভবিষ্যৎ অজানা, তাই সমর্পণ 'তাঁর' পায়ে। জানার আকর্ষণে। 'তিনি' ইনজেক্ট করে দেন 'ভয়'। তোমার একটা মৃত্যুযোগ আছে হে খগেন। ওমুক সময়ে শুরু কালবেলা, তমুক সময়ে শেষ। প্রিয়জনের স্বাস্থ্যহানির আশংকা, ব্যবসায়ে সমূহ ক্ষতির সম্ভাবনা। এটা ধারণ করো। মন দিয়ে বছরে তিনবার যজ্ঞ করো। কুচিন্তা পরিত্যাগ করো, মনে ধর্মভাব আনো।

    'তাঁদের' একজন করে পোষা ভগবান থাকেন, জেনারেলি কালী জাতীয় দেবির আইসোটোপ। তিনি ক্লায়েন্টকে রক্ষা করবেন প্রসাদী জবাফুল দ্বারা, আর একখানি রত্ন দ্বারা। ধারক (মানে আংটি) যেখান থেকে খুশি কিনতে পারো, কিন্তু আগমার্কা মন্ত্রপূত রত্ন আমার কাছ থেকেই নিতে হবে।

    কোন শ্যালকের হিম্মৎ আছে তাকে ইগনোর করে নিজের ভবিষ্যৎকে জলাঞ্জলি দেয়? অতএব চলছে চলবে। আংটি তাগা তাবিজ ইত্যাদি, কুদর্শন কি সুদর্শন তাতে কি এসে গেছে? রাহুগ্রাস তো খন্ডাচ্ছে!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন