এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বাঙ্গালি পুরুষ বনাম বঙ্গনারী

    Parolin
    অন্যান্য | ২১ জুলাই ২০০৬ | ৯৯৯৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • J | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৪:০৫632919
  • আবার ক্যানো পারো?
    দিলকে টুকড়ে হো গয়ে হাজারো... ও পারো!
  • Parolin | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৪:০৭632977
  • শুরু হোক যত কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি :-))
  • Paramita | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৪:১০632988
  • না গো যোদি, টই টা কেমন ম্যাদা মেরে গেছে কদিন হল। হোক একটু গা গরম।
    আমাদের ললিতলবঙ্গলতিকা বলা হয়েছে, এসো আমরা পোমান করে দি আমরা কত "মরুদে মেয়েছেলে" :-))
  • J | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৪:৫১632999
  • "শবনম মওসী"- সিনেমাটা দেখে একটা জিনিস জেনেছি। পুরুষে চুড়িয়া পরে না। পরে স্ত্রীলোকে ও হিজড়েয়। শুধু তাই নয়, হিজড়েরা নিজের্দের মধ্যে পরষপরকে স্ত্রীলিঙ্গে সম্বোধন করে থাকে, স্ত্রীলোকের মতো সাজপোশাক করে থাকে। এসব সিনেমা না দেখেও বলা যেত। কারণ সমাজবহির্ভূত কর্কশকন্ঠ হিজড়েদের ভারতীয় সমাজে বসে ছোটোবেলা থেকেই চিনে এসেছি, ভয় পেয়ে এসেছি কৌতুহল প্রকাশ করে এসেছি। এবং এ ও জেনে এসেছি, পৌরুষ এমন একটি পদার্থ যা শুধু পুরুষের থাকে, হিজড়ে ও স্ত্রীলোকের থাকে না, পৌরুষ খুব গর্ব ও অহংকারের বস্তু।
    বাঙ্গালী সমাজ এবং তার আশপাশের বাইরের জগৎ ১৮ বছর বয়েসের আগে আমি দেখিনি প্যারোলিন। আর ঐ বয়েস অবদি মনে যা গেঁথে যায়, তা পরবর্তী জীবণের অভিজ্ঞতা ও চেষ্টা দিয়ে সরিয়ে নেয়া টাফ।
    আমি জানতাম, পৌরুষ ভালো জিনিস, সেটা বীরত্বের জিনিস, অন দ্য কনট্রারী মেয়েলীপনা নেতানো মাল।
    কিন্তু পৌরুষ ব্যাপারটা কী? তার সঙ্গেই কি হ্যান্ডসামত্বের নিবিড় যোগ আছে?
    পৌরুষ মানে কি লোমশ বুক, হাতে মাসল, ভারী গলা, সবুজ গাল, বীর বীর ভাব?
    নাকি এর বাইরেও কিছু?
    পৌরুষ মানে কি আর্নল্ড শোয়ার্ৎসেনেগারের মতো উৎকট অবয়ব, টম ক্রুজের মতো মিচকে অহংকারী হাসি, অভিষেক বচ্চনের মতো ফাঁকা দৃষ্টি (ট্যারার সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নাই)?
    না: পারো, আমার বিচারে হ্যান্ডসামত্ব এগুলো নয়।
    হ্যান্ডসামত্ব আমার কাছে একটা চওড়া বুক, একাঅ চওড়া কাঁধ যেখানে মাথা রেখে কাঁদা যায়, উল্লাসে হুটোপুটিও করা যায়। সেই ছাতি ছব্বিশ ইঞ্চিও হতে পারে ছিয়াশি ইঞ্চিও হতে পারে।

    এখন প্রায় সকলেই জোরে বা মনে মনে চেঁচাবে যে সেরম হ্যান্ডসামত্ব যদি ভারতীয় চোঁড়াদের মধ্যে না থাকে, তবে বিলিতি ছেলে খুঁজলেই পারো? কে মাথার দিব্যি দিয়েছে আমাদের ভারতীয় ছেলেদের ঘাড়ে চড়তে?
    কেউ দেয় নি। তবু বলতে মন চাইল তাই বললাম।
    ঐ যে বললাম, কী যেন নেই! কীসের যেন অভাব।
    একটা জিনিসের অভাব খুব খুব দেখেছি পারো। সেটা হচ্ছে সাহসের অভাব। ভারতীয় ছেলেরা ইন জেনেরাল মারাত্মক ভীতু। মুখে মারি তো গন্ডার লুটি তো ভান্ডার প্রায় প্রত্যেকেই। কিন্তু কাজের বেলায় সাংঘাতিক ভীতু। একথাগুলো পড়ে অনেকেই অসন্তুষ্ট হচ্ছেন। স্বাভাবিক। ছেলেরাও হচ্ছেন, মেয়েরাও। নিজেদের বাপ স্বামী পুত্র ভাইরাও তখন ভীতু হয়ে যাচ্ছেন, সেটা মেয়েদের গায়ে লাগছে। কারু হয়ত রাগ নয়, "হাসি" পাচ্ছে, কিন্তু ইন জেনেরাল আমি দেখেছি এরা একজনও হ্যান্ডসাম নয়। ব্যক্তিত্বের অভাব। টাকা হয়ত আছে বা নেই, ফিগার আছে বা নেই, রং কালো বা ধনা, সে জিনিস নয়, হ্যান্ডসামত্ব আমার কাছে সততা, নির্ভীকতা আর ছদ্ম অহংকারহীনতা।
    এগুলো একদম নেই। একদম নেই।
    একথা সোজাসুজি বল্লে আমার চাকরি পেতে অসুবিধে হতে পারে, শত্রু বাড়তে পারে, কোনো কোনো সম্পাদক আমার লেখা ছপতে অস্বীকার করতে পারেন, কেউ কেউ ফু: যা: বলে আমার কথা ধুলিস্যাৎ করে দিতে পারেন, পাত্তা না দেবার ভঙ্গীও করতে পারেন কেউ কেউ। তাতে আমার কিছু যয় আসে, কিছু যায় আসে না।
  • Parolin | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৫:৩১633010
  • উ: যোদি এইটা সাংঘাতিক বলেছো। খুব খাঁটি কথা।
    চওড়া ছাতি ছাব্বিশ ও হতে পারে, ছিয়াশিও হতে পারে।
    মানে পৌরুষ শুধু ফিতের ব্যাপার একদম ই নয়।
    এর একটা ভালো সাবজেক্টিভ অ্যানালিসিস হতে পারে।
    জ্জিও জ্জিও।
  • vikram | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৫:৫০633021
  • জিও যোষিতাদি!

    বিক্রম
  • Parolin | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৬:০৭633032
  • আচ্ছা একটা সরল পোশ্নো-

    তোমাদের ও কি মনে হয় বাঙ্গালি মেয়েরা এট্টু ইয়ে, কি বলে, ডমিনেটিং হয় ?

    মালয়ালি আর তামিলরাও হয় অবশ্য।
    তেলেগু দের দেখো, গুজরাতিদের দেখো, কান্নডিগাদের দেখো, বেশিরভাগ মেয়েরা কেমন প্যানপ্যানে গৃহবধু-গৃহবধু টাইপ হয়।

    বাঙ্গালি আর মালয়ালী সমাজ ও আমার চোখে বেশ ম্যাট্রিয়ার্কি লাগে। অ্যাট লিস্ট নিজে যদ্দুর দেখেছি।
  • s | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৭:১৬633043
  • উশকিল, পার্টিতে কি অন্য কোথাও গিয়ে যদি কারোর সাথে আলাপ হয়, সে হ্যাণ্ডসাম কিনা এই ভাবতে গেলে প্রথমেই তার লুকস, সে কিভাবে নিজেকে ক্যারি করছে, তার কথা বলার ভঙ্গী ইন শর্ট তার ব্যক্তিত্ব, তাৎক্ষনিক ভাবে এগুলই ম্যাটার করে।
    সততা, নির্ভিকতা অহঙ্কারহীনতা এগুলো যাচাই করতে গেলে তো মানুষটাকে ক্লোসলি কিছুদিন দেখতে হবে, মিশতে হবে। প্রথম দর্শনেই তো আর এগুলো বুঝে ফেলা যায় না কিন্তু প্রথম দর্শনেই কাউকে হ্যাণ্ডসাম ভেবে ফেলা যায়, ভাবিও। তার সাথে সততা টততা ইত্যাদির কোনো যোগ আমার কাছে তো অন্তত নেই।
  • s | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৭:১৭633054
  • আগের চিঠিটায় মুশকিলের মু উড়িয়ে দিয়েছে মামুর সার্ভার।।এই তাই চারবারের চেষ্টায় গেল!!
  • J | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৭:৫২632920
  • সেতো বাইরে থেকে দেখে সেক্সুয়াল অ্যাট্রাকশানের জন্যে লম্বা চাওড়া এসব লাগেই। ছেলেরাও সেরম ভালো পাছা বুক ওয়ালা মেয়ে দেখেই অ্যাট্রাকটেড হয়।
    আমি সেগুলো বলতে চাইনি। ডেটিং এর জন্যে বা ওয়ান নাইট স্ট্যান্ডের পার্টনার নয়। আশে পাশে যাদের দেখি মিশি চিনি জানি, তাদের মধ্যে কে হ্যান্ডসাম সেই নিয়ে বলতে চেয়েছিলাম।
  • dd | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৮:৩৩632931
  • ট্যাকা। পোচুর ট্যাকা।
    পৌরুষত্বের ও হ্যান্ডসামত্বের এক স্মরনীয় বরনীয় উপাদান।

    সবাই জানে। কেউ কয় না।
  • J | ২১ জুলাই ২০০৬ ১৮:৩৭632942
  • DD,
    ট্যাহা আমার বিচারে হ্যান্ডসামত্বের মাপকাঠি নয়, কারণ আমি কখনো কারো ট্যাহার পরোয়া করিনি।
  • tan | ২১ জুলাই ২০০৬ ২০:৪৪632953
  • আর আরেকটা ব্যাপার, সেটা অবশ্য দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের জন্য।
    পারস্পরিক শ্রদ্ধা।পারস্পরিক বিশ্বাস ও গুণগ্রাহিতা।সত্যি সত্যি,শুধু বলার জন্য বলা তা নয়,সত্যিকার অনুভব।
    এইটার ও বেশ অভাব,বাঙালী নারী ও পুরুষে।
    স্ত্রী হিসাবে বাঙালি পুরুষও সেই ডাব্বা বাঁধা বৌ চায় মনে মনে।
    গৃহবধূ মহিলারাও গৃহকর্ম সন্তানপালন ব্যাপারটাকে নিজের রেখে স্বামীকে অন্য দিকে রাখার চেষ্টা করেন।
    পারস্পরিক মানসিক আদানপ্রদান ব্যাপারটা খুব রেয়ার।
    অনেকেই খুব বিরোধীতা করবেন,অনেক ব্যতিক্রম আছে তা বলবেন,অবশ্যই আছে।তা তো থাকবেই।
  • Ishan | ২১ জুলাই ২০০৬ ২১:১৯632964
  • ১। বঙ্গনারীরা প্রচন্ড ন্যাকা। খাবে-দাবে-ঘুরবে-ফিরবে, আর কাজের সময় বলবে, এম্মা, আমি তো তোমাকে পিসতুতো ভাইয়ের মতো দেখেছিলাম। গা পিত্তি জ্বলে যায়।

    ২। বঙ্গনারীরা জিলিপির প্যাঁচ। সহজ সত্য কখনও বলিবেনা। "মীনাদি, কি সুন্দর তোমার ঐ ল্যাম্পশেডটা, কোথা থেকে কিনলে গো ও ও ও' বলে গলে জল হয়ে যাবে। পরদিন মীনাদি না থাকলেই রমা অথবা শ্যামাকে "ম্যাগো, কি রুচি, একটা কটকটে হলদে কি জিনিস কিনেছে, আবার ডেকে ডেকে দেখাচ্ছে'। হা হা হি হি। এখানেই শেষ নয়, এর পরদিন মীনাদিকে রমা/শ্যামা বলবে "তোমার কাছে কত উব্‌গার পেলো মেয়েটা, কি সব কথা বলল জানো? আমি তো স্তম্ভিত'।

    এসবের পরে আবার তিনমূর্তি একদিন শপিং করতে যাবে।

    ৩। বঙ্গনারী করতে পারে না এমন অপকম্ম নেই। ক্লাসে টোকা-নোট নেবার জন্য প্রেমে করা-কম্ম মিটলেই লাথ মারা-ফোনে অন্যকে বেনামে গাল পাড়া ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু মুখটি সতত: নিষ্পাপ। চাইবে পয়সাওয়ালা হ্যান্ডু ছেলে, কিন্তু মুখে বলবে, "মনের সৌন্দর্যই হল আসল কথা'। মনের সৌন্দর্যই আসল, অতএব মুখে দু-পরত মেকাপ লাগিয়ে, আই-লাইনার, আই শ্যাডো-লিপস্টিক-হীরের গয়না-জমকালো বোমকাই পরে, "মনের সৌন্দর্য' বৃদ্ধি করে কার্যক্ষেত্রে তাঁরা বেবাড়ি যাবেন।

    এইসব গুণাবলী নিয়ে আবার নায়কোচিত বাঙালী ছেলে খোঁজা হচ্ছে। ভিতু বাঙালী ছেলেরাই আপনাদের জন্য ঠিক আছে মা জননীরা, এর চেয়ে বেশী কিছু হলে বেনাবনে মুকুতা ছড়ানো হয়ে যাবে।
  • tan | ২১ জুলাই ২০০৬ ২১:২৬632972
  • "কি রে তোর গালফেন্ডুর তো খুব নাম হয়ে গেলো রে ন্যালা,এই আইন আদালতের চক্করে পড়ে।ন্যায়ের পথে লড়াইতে নেমেছে। আর তুই তো সেই যে তিমিরে সে তিমিরে,বাপের হোটেলে খাচ্ছিস আর সিগ্রেট মারছিস মোড়ে এসে।"
    ন্যালা কয়,"সে তুই যাই বল প্যালা,বিছানায় ও কিন্তু এই ন্যালার তলায়।"

    এই তো বাঙালি পুরুষের চরিত্র আর সততা আর পেরেম!!!!
  • Ishan | ২১ জুলাই ২০০৬ ২১:৪৫632973
  • বেচারি ট্যানকে এগিয়ে দিয়ে সব্বাই কেটে পড়েছে। আবার। দ্যাখো ট্যান, চিনে নাও, কাদের হয়ে লড়ছ।
  • Parolin | ২১ জুলাই ২০০৬ ২১:৫৩632974
  • বঙ্গপুরুষ মেরুদন্ডহীন। বৌ কে তোষামোদ কত্তে নিজের বাপ-মার সাথে সম্পক্ক ত্যাগ করে। দুই সম্পক্কের ব্যালান্স রাখার ক্ষমতা নাই।

    বঙ্গপুরুষ বোকা। হামেশাই প্রেমে পড়ে।আর গুচ্ছ গুছ কাগজের দফা রফা করে অপাঠ্য-কুপাঠ্য কোবতে লেখে।

    বঙ্গপুরুষ কুটিল।আপিশে বসে বসে সবার পেছনে কাঠি দিয়ে নিজের পথ পরিষ্কার করে।

    বঙ্গপুরুষ আঁতেল। দু লাইন জীবনানন্দ, শান্তিনিকেতনি ঝোলা, ঝলঝলে শার্ট/পাঞ্জাবী, নন্দন চঙ্কÄর আর দু কলি ভীমসেন জোশি, আর ঠোঁটে সিগারেট ভাবে কি হনু।

    বঙ্গপুরুষ ন্যাকা। অন্যের বউদের সাথে কেবল ঢলাঢলি।

    বঙ্গপুরুষ পেটুক। খাওয়া ছাড়া জগতে কিছু জানে না।

    বঙ্গপুরুষ বহুরূপী। প্রেমের সময় এক আর বিয়ের পরে আর এক।
  • trq | ২১ জুলাই ২০০৬ ২২:০৫632975
  • ঈশানদাকে লাল সেলাম।

    পারোলিনের বঙ্গপুরুষ রবীন্দ্রযুগে বঙ্গসমাজে বিচরন করত, কিন্তু নি:সন্দেহে এখন তাদের বিবর্তিত এবং অবলুপ্ত জাতি।

    আর, পরের বউয়ের সাথে ঢলাঢলি - ওটা ন্যাকামি হলো কেমন করে?? উহাতো চারিত্রিক দৃঢ়তার প্রকাশ!
  • Ishan | ২১ জুলাই ২০০৬ ২২:২৪632976
  • বঙ্গনারীর বিশেষ গুণ:

    বঙ্গনারী টোটাল কনফিউসড। সকালে উঠে হারমোনিয়াম বাজিয়ে বেসুরো গলায় "কি গাব আমি কি শুনাব' গায়। আর "নিদ্রাহারা রাতের এ গান'। নিদ্রাহারা রাতের এ গান কোনো সুরে বাঁধবে খুঁজে পায়না বলে বেসুরো, আর কি গাইবে জানেনা বলে কি গাব আমি কি শুনাব।

    বঙ্গনারীর লক্ষ্য সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। কোন দিকে তাকাবে জানেনা। রাস্তায় বেরোলেই তাদের অক্ষিগোলক বনবন করে ঘুরতে থাকে -- কোথায় কোন ফুচকাওয়ালা বসেছে কেনা, কোন বাড়ির ছাদে কোন ছেলে আড়চোখে তাকাচ্ছে, কোন মেয়ের শাড়ি আর ব্লাউজ ম্যাচিং করেনি। এতো দেখতে গিয়ে সবকিছু গুলিয়ে ফেলে।

    বঙ্গনারী আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভোগে। উহারা মূলত: ক্রাইসিসে তরল পদার্থ ঝোলে লাউ অম্বলে কদু। বন্ধবীর কাছে স্মার্ট, পাড়ার বৌদির কাছে পরনিন্দার সাগরেদ, প্রেমিকের কাছে রায়বাঘিনী, ছেলেবন্ধুদের কাছে ন্যাকা, আর অপরিচিত পুরুষের কাছে মোহময়ী হবার চেষ্টা করে। তরল পদার্থের কোনো মেরুদন্ড থাকেনা, কোনো আকারও না। যে পাত্রে ঢালিবে সেই পাত্রের আকার ধারণ করিবে।

    অতএব, বঙ্গনারী লক্ষ্যহীন তরণী। ডুবন্ত টাইটানিকের কনফিউসড ক্যপ্টেন। বীর বঙ্গপুরুষ, একদা হেলায় লঙ্কা জয় করেছেন, আর এখন এই ডুবন্ত তরণীকে গাইড করার গুরুদায়িত্ব মাথায় তুলে নেন। নইলে যে মেয়েগুলোর কি হত, ভাবলেও শিউরে উঠতে হয়।
  • tan | ২১ জুলাই ২০০৬ ২২:৪৮632978
  • হে বঙ্গপুঙ্গব,এই ফ্লেক্সিবিলিটি যদি বঙ্গনারীর না থাকিতো, পিলেরোগে ভোগা খেকুড়েমার্কা চিকেনহার্টেড তোমাগণের যে কি হইতো আল্লাই জানেন।
  • tan | ২১ জুলাই ২০০৬ ২৩:০০632979
  • এমনিতেই তো বস বাপ মা বন্ধু আত্মীয় শত্রু পড়্‌শী ইত্যাদির সাঁড়াশী আক্রমণ সামলাইবার কোনো সামর্থ্যই বঙ্গপুঙ্গবের নাই,অসহায় হইয়া বঙ্গনারীর মুখের দিকে তাকাইয়া আছে নয়তো কাঁদিয়া ফেলিতেছে নয়তো রাগিয়া হার্টে অসুখ বাঁধাইতেছে।
    দশভুজা হইয়া ইহাকে তুষ্ট করিয়া উহাকে ধমকাইয়া তুতাইয়া পাতাইয়া সবদিক রক্ষা কে করিতেছে বঙ্গপুঙ্গব যেন ভাবিয়া দেখে।
  • Ishan | ২১ জুলাই ২০০৬ ২৩:০৯632981
  • ট্যান, কনফিউসড হোয়োনা। কি কি লিখবে সব ভেবে নিয়ে একবারে পোস্ট করো। হ্যাঁ পোস্ট করার আগে একবার রিভিশন দিয়ে নিতে ভুলোনা কিন্তু।
  • tan | ২১ জুলাই ২০০৬ ২৩:০৯632980
  • সেভেন ডেডলি সীন বঙ্গপুরুষ প্রত্যেকদিনই ঘটাইতেছে। মিথ্যাকথা,পরের পিছনে কাঠি দেওয়া,সামনে ঢলে পড়া, কাজের সময় ঝিমানো,অকারণ হ্যা হ্যা ব্যা ব্যা করা, ঔদরিকতা মানে পেটুকের মতন হ্যাংলার মতন খাওয়া,ক্লাবে বসে রাজাউজির মারা....
    আর বলেই বা কি হবে?
  • dri | ২১ জুলাই ২০০৬ ২৩:১০632982
  • স্কোর কত?
  • Paramita | ২১ জুলাই ২০০৬ ২৩:২১632983
  • অ্যাডভাইস আর সলিসিটিং-এর পুরোনো অব্যেস থেকে বাঙালী পুরুষকে দুর হস্তে থেকে শুধু নিজের খেলাটা খেলতে অনুরোধ করা যাইতেছে।
  • tania | ২১ জুলাই ২০০৬ ২৩:২৩632984
  • অর্থাৎ, ন্যাকা, পরনিন্দা পারদর্শী, indentity crisisএ ভোগা confused লক্ষ্যহীনা বঙ্গনারীর জন্যই ন্যাকা, বোকা, আঁতেল, পেটুক, মেরুদন্ডহীন বহুরূপী বঙ্গপুরুষ।

    ওপরওয়ালা হেব্বি সেয়ানা, কানা দেখে কানি গড়ে, রাজা দেখে রানি গড়ে :-)
  • Paramita | ২১ জুলাই ২০০৬ ২৩:২৭632985
  • হা হা, অতএব মন চলো নিজ নিকেতনে।
  • Ishan | ২১ জুলাই ২০০৬ ২৩:২৮632986
  • ঠিক ঠিক। যেন খাপে খাপ পঞ্চার বাপ।
  • dri | ২১ জুলাই ২০০৬ ২৩:৩৩632987
  • তার মানে কনক্লুশন হল আমরা ভাল নই। ছেলেরাও নই, মেয়েরাও নই। ভাল হল 'ওরা'।

    এই 'ওরা' কারা? এরাই কি আর্য্য? যাদের নম্বা নাক আর ছেনিকাটা মুখ আর ছব্বিশ থেকে ছিয়াশি বুক? (আর সোনালি চুল আর নীল চোখ, অফ কোর্স)।
  • Paramita | ২১ জুলাই ২০০৬ ২৩:৩৪632989
  • কিন্তু সকালে সবাই কষ্ট করে ঐ খাপে খাপ যারা নয় তাদের টেবিল বানালো যে, তার কি হবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে প্রতিক্রিয়া দিন