এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ফিশ ট্যাংক, প্ল্যান্টেড ট্যাংক, সিসিলিড এবং বাকি সব

    Blank
    অন্যান্য | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ | ৬০২০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:১০640380
  • যা বুঝছি, আপাতত আমি আর একক দা আছে লেখার জন্য। বাকিরা কি বলে দেখি।
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:২৩640391
  • কেসি দা জানতে চাইছিলো প্ল্যান্টেড ট্যাংকের খরচা পাতি। প্ল্যান্টেড ট্যাংক বা অ্যাকোয়াস্কেপ খুব পুরনো আইডিয়া নয়। আজকাল এটা বেশী উঠেছে চারদিকে। আগে কোলকাতায় এর ইকুইপমেন্ট পাওয়া যেত না ম্যাক্সিমাম সময়ে - এখন সব ই মেলে।

    ট্যাংক
    ------------
    প্রথএম আসুন ট্যাংক সাইজে। প্রথম বার অ্যাকোয়াস্কেপ বানাতে গেলে একটু ছোট ট্যাংক নেওয়া ভালো। আমারটা ২ ফুট বাই দেড় ফুট বা ২ ফুট। হাইট আর উইড্থ দেখে নেবেন। চওড়া বেশী হলে আপনার সাজানোতে সুবিধে হবে।
    এরপরে দেখতে হবে যে আপনি কি ট্যাংক নেবেন। যদি লোকাল দোকান থেকে কেনেন তো Saint-Gobain এর মোটা কাঁচ ইউজ করতে বলবেন। কাঁচের কোয়ালিটি যত ভালো হবে তত জিনিসটা সুন্দর দেখতে হবে। ভালো কাঁচ দিয়ে বানাতে প্রায় ১৬০০ থেকে ২০০০ পরে।
    সল্টলেকের অ্যানিমাল প্ল্যানেটের মতন পেট সেন্টারেও যেতে পারেন। ওদের কিছু ভালো অ্যাকোরিয়াম থাকে, যার কোয়ালিটি, ফিনিশিং খুব ভালো। দাম ২৫০০/৩০০০ হবে। তবে কাস্টম সাইজের পাবেন না। আর ওরা আপনাকে এটা সেটা জিনিস আরো গছিয়ে দিতে চাইবে।

    আমি নিজে ফ্যাল্ট টপ অ্যাকোরিয়াম প্রেফার করি। মানে একটা হোল্ডার দিয়ে মাথায় একটা চ্যাপ্টা কাঁচ রাখা থাকবে।
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:২৬640402
  • ফ্ল্যাট
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৫৪640413
  • এর পরই আসবে ফিল্টার। বাজারে ফিল্টার বহু রকমের পাওয়া যায়।
    বায়োবল সেরামিক ফিল্টার (শুনতে দারুন, কাজে তেমন কিছু না। লং রানে চাপ আছে)
    বায়ো স্পঞ্জ ফিল্টার - (অল্প মাছের জন্য ভালো)
    হ্যাং অন ফিল্টার (আমি এটা ইউজ করি)
    ক্যানিস্টার ফিল্টার - (দামী এবং সবচেয়ে ভালো)
    আন্ডার গ্র্যাভেল ফিল্টার (আজকাল বেশী ইউজ হয় না)।
    ইন্টারনাল টপ ফিল্টার (ছোট ফিশ ট্যাংকের জন্য ভাল)
    একটা ২ ফুটের ট্যাংকে মোটামুটি হ্যাং অন ফিল্টার একটা লাগালেই হয়। দাম ৮৫০/৯০০ মতন। গালিফে গেলে আর একটু কমেই মিলবে।
    ভালো ক্যানিস্টার ফিল্টার ৫০০০ থেকে শুরু করে সাইজ হিসেবে বাড়তে বাড়তে ১৫০০০ অব্দিও হয়।
  • Ekak | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ১৬:৫৭640424
  • বাহ। এটা কাজের তই। ব্ল্যান্কি লিখুক। আমি পরে ওয়াটার প্যারামিটার, বায়তোপ মেইতেনানস নিয়ে লিকবো।
  • de | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ১৭:০১640429
  • বাইরে ঘুরতে গেলে মাছেদের জন্য কি ব্যবস্থা করে রেখে যেতে হয়? মানে একদম বাড়ি খালি রেখে ঘুরতে গেলে?
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ১৭:০৩640430
  • বায়োটোপে আমার ও হেল্প লাগবে। লিখছি ফের একটু পরে।
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ১৭:০৪640431
  • দে দি, মোটামুটি সপ্তা দু/তিন অব্দি সমস্যা হয় না মাছেদের। ভালো ফিল্টার থাকলেই হলো। আজকাল সব রকমের টাইমার পাওয়া যায়। টাইম টু টাইম খাবার দেবে। সে গুলো লিখছি পরে।
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ১৯:০৩640432
  • এবারে আসি আলো তে।
    নর্মাল ফিস ট্যাংকের জন্য আলো জিনিসটা নিয়ে তেমন ভাবার কিছু থাকে না। মানে গোল্ড ফিশ, অ্যাঞ্জেল ইত্যাদির ট্যাংকে। এইসব কেসে আলো টা ভালো দেখতে লাগলেই হলো।
    বাকি ক্ষেত্রে আলো খুব দরকারী। প্ল্যান্টেড ট্যাংকে তো বিশাল ব্যপার। এই আলোর ওপর নির্ভর করবে গাছের মরা বাঁচা।
    মোটামুটি হিসেব হলো পার গ্যালন জলের জন্য ৪/৬ ওয়াট আলো লাগে। তো একটা ২ ফুট ট্যাংকের জন্য আন্দাজ ৩২ ওয়াট মতন আলো দরকার। ৬৫০০ কেলভিন মতন লাগবে, যাতে সানলাইটের কাছাকাছি যায় জিনিসটা।
    হাতের কাছে দুটো অপশান আছে, মেটাল হ্যালাইড বা t5 লাইট। আজকালকার যেকোনো ইলেকট্রিকের দোকানে মেলে। হ্যাভেলের পুরো হোল্ডার সমেত সেট পাওয়া যায় t5 এর। ৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে যাবে।
    প্ল্যান্টেড ট্যাংকের জন্য দিনে ৬/৭ ঘন্টা আলো জ্বালিয়ে রাখা জরুরি। এমন ভাবে আলো রাখবেন যাতে ভালো করে আলো পরে ট্যাংকের সর্বত্র।
  • kc | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ১৯:৫১640381
  • বাহ! আমি দিন দশেকের মধ্যে একটা প্ল্যান্টেড ট্যাঙ্ক করব। তার আগে ইনিশিয়াল ফান্ডাগুলো এইতকম সহজভাবে লিখে দিও। আমি সাইজ ভেবেছি তিন ফুট বাই দুই ফুট। গভীর হবে দুই ফুট।
  • dd | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২০:০৯640382
  • অ্যাকচুয়ালি আপনেরা যারা আমার অথোরাইজড বাইওগ্রাপি পড়েন নি তারা জানেন ও না যে আল্লি যৈবনে - সে প্রায় চল্লিশ বছোর আগে - আমি বেদম মাছ্মস্তান ছিলাম।
    তখন অ্যাতো কায়দা কানুন - কিছুই ছিলো না।

    আর কেসিকে বলি। শ্যালো একোরিয়াম হলেও মাছ রাখা যায়। মাছের যা দরকার সেটা হচ্ছে সারফেস এরিয়া। ডেপ্থটা খুব ম্যাটার করে না। তবে দেখনদারীর জন্য য্যামন খুসী কেনা যায়। কে আটকায়?
  • aka | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২০:৩৫640383
  • কদ্দিনের ইচ্ছে। সেই ছোটবেলা থেকে। ছোটবেলায় বড়রা কিনে দেয় নি। বড় হয়ে নিজেই কিনতে চাই না মেইনটেন্সের ভয়ে। হপ্তায় কিরকম মেইনটেন্স সময় যায়?
  • lcm | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২০:৫৩640384
  • বানাও বানাও। ভুক্তভুগী দেখো নি তো। সপ্তাহান্তে মাছের হাগু মেশানো জল পরিষ্কার করা, .... It is obvious that fish will produce waste. Fish poop is not a pretty sight, especially when there is a lot of it at the bottom of the tank.... আলোর ক্ষুদ্র বাল্ব, জড়ানো তার, ফিল্টারের জঙ্গল সরিয়ে ট্যাংক পরিষ্কার করা, জল পাল্টাও, ক্লিনার দাও --- তারপর মাঝে মধ্যে সব নামিয়ে পুরো ট্যাংক পরিষ্কার --- রোববারে কোনো কাজ না থাকলে - করো করো, এসব করো... অবশ্য, মাইনে করা লোক রাখলে ...
  • Ekak | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২০:৫৮640385
  • আফটার অল পুষ্যি তো। নজর রাখতে হয় বেঁচে বর্তে আছে কিনা। তবে ঠিকভাবে সেটাপ করলে সপ্তাহে ৩০% জল পাল্টে দেওয়া ছাড়া কোনো কাজ নেই। আর একদিন উইকেনেদ এ জলে অসুধ তসুধ দেওয়া। মাছ বুঝে রাখতে হবে। গাদা গাদা খাওয়ালে চলবেনা এইসব। কিরকম মাছ রাখতে চান /পছন্দ করেন বললে একটা পুরো সেটাপ বলে দিতে পারি।
  • kc | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২১:০৭640386
  • আরে আমার বেশী মাছের ইচ্ছে নেই। বেশী গাছ থাকবে। অল্প কিছু মাছ ঘুরে বেড়াবে। কি কি করব একট রেডিমেড সাজেশন দাও। মাঝে মাঝে দুতিন হপ্ত বাড়ি বন্ধ থাকে। তাই সব ইকুইপমেন্ট নিয়েটিয়ে সাজেশন দাও। মাছ গাছ সবের নাম বোলো। আর সোজাভাবে বোলো। একদম ডামিজদের মত করে লিখো। আগাম অনেক থেঙ্কু।
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২১:১৩640387
  • আপাতত যেসব প্রশ্ন গুলো উঠলো সেগুলোর উত্তর দি।
    যদিও আমি এখনো অব্দি যা বল্লাম সেগুলো সব ই শুধু মাত্র অ্যাকোয়াস্কেপিং বা প্ল্যান্টেড ট্যাংকের জন্য।
    মাছের জন্য (কমন মাছ যেমন গোল্ড ফিশ, অ্যাঞ্জেল, টেট্রা এইসব) খাটুনি খুব কম।
    ১। ডিডি দা যা বল্লো, মাছের জন্য সারফেস এরিয়া টাই মেন। জাহাজ, সোনা কিছু লাগে না। আর একটা জিনিস হলো মাছের হাগু। গোল্ড ফিশ খুব খায় আর হাগু করে। প্রতি লিটার ৫ এক জলে একটা ফুল সাইজ গোল্ড ফিশের বেশী রাখা উচিৎ না। তাতে জল ময়লা বেশী হয়।
    ২। মাছের জন্য ডেলি খাটুনি - খুব কম।
    কাজ ১ - মাছ কে খাবার দেওয়া। সকালে একবার, রাতে একবার। কি খাবার দেবেন? অবশ্যই কেঁচো - কমন সব মাছের জন্য। ফ্লাওয়ার হর্ন, ডিসকাস পুষতে চাইলে আলাদা খাবার।
    আগেকার দিনে কেঁচো মেনটেন করা ছিল চাপ। আজকাল পাওয়া যায় ড্রাই কেঁচো, বা ব্লাড ওয়ার্ম। আমি সেটাই খাওয়াই দুবেলা। খুব ভালো গ্রোথ মাছের। জিনিসটা দেখতে ঝুড়ি ভাজার মতন। ই-বে তে গিয়ে ব্লাড ওয়ার্ম দিয়ে সার্চ মারলেই পাবেন।
    কত টা দেবেন? ৫ মিনিটের মধ্যে যদি খাবার শেষ না হয়, তো খাবার বেশী হয়েছে। নেক্সট বারে কমিয়ে দেবেন।
    কাজ ২ - জল পরিষ্কার। দু সপ্তাহে একবার করতে হয়। খুব বেশী হলে মিনিট ২০ র কাজ। কি ভাবে করবেন? কোলকাতার বাজারে ৮০ টাকায় সাইফন পাওয়া যায়। তাই দিয়ে ৪০ থেকে ৫০% জল বার করে দিন। সাইফন টাকে সারফেসের কাছ দিয়ে ঘোরাবেন - গ্রাভেল এর ফাঁক থেকেও ময়লা টেনে নেবে। বা স্যান্ড সারফেসের ওপর দিয়ে ঘোরাবেন, হুহু করে ময়ালা টেনে নেবে। এবারে নতুন জল ঢেলে দিন। আপনাকে মাছ তুলে অন্য জায়গায় রাখতে হবে না, অ্যাকোরিয়াম ধুতে হবে না, কিস্যু করতে হবে না। খালি নতুন জল একটু আস্তে আস্তে ঢালবেন। নইলে মাছ গুলো কনফিউস্ড হয়ে যায়। (আমি মাঝে মাঝে ১ মাস ও গ্যাপ দি)
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২১:১৬640388
  • এই হলো সাইফন -
    http://www.ebay.in/itm/Siphon-Pump-for-Aquarium-Gravel-Cleaner-/121196487740?pt=LH_DefaultDomain_203&hash=item1c37dfa43c&_uhb=1
    কেসি দা - এই সাইফন তোমাকেও কিনতে হবে। প্ল্যান্টেড ট্যাংক পুরো খালি করে জল বদলানো যায় না। পুরো স্টেবল ট্যাঙ্কে সপ্তাহে একবার (হলে ভালো হয়) ৩০/৪০% জল বার করে দিয়ে নতুন জল দিতে হবে।
  • lcm | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২১:২০640389
  • বেশী খাইয়ে একবার কটা মাছ মেরেই ফেলল পরিবার।

    বোঝো! যা যা ব্ল্যাংকি/একক লিখছে - বাধ্য হয় এসব এককালে ...
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২১:২১640390
  • কাজ ৪ - জলের টেম্পারেচার, খুব কমে গেলে দমাদম মরে যাবে মাছ। কোনো চিন্তা নেই সে নিয়ে। সুন্দর অটো কাট হীটার মেলে। টেম্পারেচার সেট করে রেখে দাও। বছর দু-তিন পরে হীটার খারাপ হওয়ার আগে অব্দি চিন্তা করতে হবে না। ১৮০ টাকা দাম
    http://www.ebay.in/itm/Aquarium-Heater-100-W-1-5-to-2-feet-Aquarium-Imported-Auto-Cut-Off-/161245168117?pt=LH_DefaultDomain_203&hash=item258af601f5&_uhb=1

    কাজ ৫ - ফিল্টারের ভেতরের ফোম বা প্যাড পাল্টানো। এটা সপ্তাহে একবার করলে ভালো। ফিল্টারের ভেতরে একটা প্যাড থাকে। সেটাকে বেশিয়ে ধোয়া ভাল করে। ৫ মিনিটের কাজ। ৬ মাস অন্তর নতুন প্যাড কিনে দেওয়া।

    আমার পুরো অ্যাকোরিয়ামের সব কিছু বার করে পরিষ্কার করলাম ১৫ মাস পরে। তাও করতাম না। গ্রাভেল সরিয়ে হোয়াইট স্যান্ড দিলাম - সেই জন্য করতে হলো।
    এই যে ছবি,

  • ... | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২১:২২640392
  • নির্ভর করছে কি রকম planted tank। বহুদিন আগে কোর্তাম এখন technical term গুলো ভুলে গেছি। তবে স্লো গ্রোথ প্ল্যান্ট ওআলা ট্যান্ক হলে অতো ঘন ঘন জল না পাল্টালেও চলে।
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২১:২৬640393
  • আর দে দির প্রশ্নের উত্তর -
    যদি লম্বা কারেন্ট অফের ঝামেলা না থাকে তো কোনো সমস্যা নেই সপ্তা দুই/৩ বাড়ি বন্ধ নিয়ে। ফিল্টার, হিটার সব চালিয়ে চলে যাবে। আর জলে ভাসিয়ে দেবে অটোমেটিক ফুড টাইমার। গালিফ স্ট্রীটে আরো কম দামে মেলে এগুলো।

    http://www.ebay.in/itm/Automatic-Food-Timer-Food-Feeder-KW-Dophin-Brand-Aquarium-Fish-Tank-Vivo-/151248415432?pt=LH_DefaultDomain_203&hash=item23371baac8&_uhb=1
    এ ব্যাটা নিয়ম করে জলে খাবার ছেরে দেবে।
    নর্মাল ট্যাংকের জন্য আলো তেমন কাজে লাগে না। জানলার কাঁচ দিয়ে আলো এলেই হবে। এমন জায়গায় বসাবে অ্যাকোয়ারিয়াম।
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৩২640394
  • স্লো গ্রোথের জন্য খাটুনি কম, কিন্তু জিনিসটাও স্লো হয় আর কি।

    আবার ফিরি প্ল্যান্টেড ট্যাংকে।
    ট্যাংকে কি কি বসাবো?
    ১। মাটি
    ২। ড্রিফট উড (ল্যান্ড স্কেপের জন্য)
    ৩। স্টোন।

    আগে আসি ড্রিফট উডে। ই বে, গালিফ স্ট্রীট বা যে কোনো হবি শপে পাওয়া যায়। ১২০০/১৫০০ থেকে শুরু হয়। নিজের পছন্দ মতন উড কেনো। অন্তত দু সপ্তাহ এটাকে জলে ডুবিয়ে রাখতে হবে। কারন বাজারের অনেক কাঠ ই ঠিক ঠাক সিজনড না। দেখবে এই পিরিয়ডে কাঠের গায়ে ফাংআস জমছে। ৫/৬ বার পরিষ্কার করার পরে দেখবে আর হচ্ছে না, তখন বুঝবে কাঠ রেডি।
    কাঠ যদি নিজে থেকে জলে ডুবে যায় তো ভাল। নইলে ছোট ছোট পাথর সরু নাইলনের সুতো (আজকাল ঘুড়ি ওড়ায় এই সুতো দিউএ) দিয়ে বেঁধে দিও এদিক সেদিক।
    কেসি দা যদি প্ল্যান্টেড ট্যাম্ক করতে চাও তো আগে কিনে ফেলো ড্রিফট উড। সীজন হতে টাইম নেবে। বাকি কোনোকিছু এই টাইম নেবে না।

    আর স্টোন। পাতি স্টোন, নানা রকম রাফ ভাবে ভাঙা। আমার গুলো সব ই কম দামী মার্বেলের রাফ টুকরো। কয়েক্দিন ভিজিয়ে রেখে ভালো করে পরিষ্কার করা। মাটি তে আসছি পরে।
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৩৫640395
  • আর কেসি দা, আলোর ব্যপারে খুব সাবধান। আজকাল দোকানে বলে এলিডি আলো বসিয়ে দিন টি৫ এর বদলে। একদম রাজি হবে না।
  • Blank | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২১:৪৫640396
  • এবারে মাটি। প্ল্যান্টেড ট্যাংকের সবচেয়ে দরকারি জিনিস। দু-রকম ভাবে মাটি দিতে পারেন।
    ১। নীচে গ্র্যাভেল দিলেন, ওপরে ল্যাটেরাইট সাবস্ট্রেট। তর সাথে ফার্টিলাইজার ও দিতে হবে। প্ল্যান্টের গ্রোথ গ্যারান্টেড নয়। তবে সস্তা।
    ২। ADA amazonian soil - বড় বস্তায় মেলে। দেশে ১৬০০/১৭০০ পার বস্তা নেয়। কেসিদার ম্যাক্সিমাম দেড় বস্তা লাগবে। একবস্তা তেই হয়ে যাওয়া উচিৎ। এর ওপরে হোয়াট স্যান্ড দিতে পারেন সাজানোর জন্য। কিন্তু গাছের শেকড় যেন এই সয়েলের ওপর পরে।

    এই সয়েল কালো দানার মতন। নিউট্রিয়েন্ট খুব হাই। প্রথম বার প্লান্টেশনের পরে, প্রথম দু হপ্তা - ১ দিন অন্তর ৪০% জল বার করে নতুন জল দিতে হবে। তাতে নিউট্রিয়েন্ট ডেনসিটি নর্মাল হবে। অ্যালগির উৎপাত হবে না।

    এই কালো মাটি, পাথর আর ড্রিফট উড দিয়ে ল্যান্ড স্কেপ আগে সাজান। রেডি করুন আলো, ফিল্টার। প্ল্যন্ট নিয়ে আসছি একটু পরে।
  • Ekak | ৩০ এপ্রিল ২০১৪ ২২:০১640398
  • মিনিমাম মেইন্তেন্যানস ফিস ট্যান্ক
    ---------------------------------
    প্রথমে এটা নিয়েই লিখি কারণ আমিও আজকাল কাজের ফাঁকে অত সময় বের কর্তেপারিনা সর্বক্ষণ আকরিয়ামের পেছনে লেগে থাকার।

    ১ ) ট্যান্ক সাইজ : দু ফুট থেকে ৩ ফুট। মাল্টিপল লেয়ার কমিউনিটি ফিশ (মানে যারা এক ট্যান্কে থাকে কিন্তু আলাদা লেয়ারে ) যদি নাহয় তাহলে দের ফুট এর চে উঁচু করার কোনো দরকার নেই। সারফেস বেশি রাখাটা মাস্ট।
    ২) থিকনেস /গ্লাস কোয়ালিটি : সেইন্ট গবেইন ৬ মম। ৩ মম দিয়ে হয় কিন্তু ৬ মম হলে ভালো। ৩-৪ ফিট না হলে ত্রপিকালে ৮ মম গ্লাস লাগেনা। মেরিনে লাগে। জলের চাপ বেশি।
    ৩) কিরকম মাছ : কম খায় + চটপট খায় + মেসি ঈটার নয় এমন মাছ রাখুন। জলের কোয়ালিটি একটু এদিক ওদিক হলে পটকে যায়না এমন মাছ রাখুন। পিএইচ +নায়ত্রিত +নায়ত্রেত এদিক ওদিক হলেও মরে যায়না এমন মাছ রাখুন। হাতে গরম সাজেশন হলো সিকলিদ জাতীয় মাছ পুষুন। আফ্রিকান-নর্থ-সাউথ আমেরিকান। সাউথ আমেরিকান রা অসম্ভব হার্ডি হয়।
    ৪) কমিউনিটি না সিঙ্গল টাইপ ? এটা আপনার যেরকম পছন্দ। একদল ফ্রোন্তসা পুষতে পারেন। অন্য কোনো মাছ রাখা যাবেনা। একজোড়া রেড ডেভিল পুষতে পারেন। আবার বুনা (MBUNA ) ট্যান্ক বানাতে পারেন যেখানে একাধিক বুনা সিকলিদ থাকবে। নেট এ ছবি দেখে যদি বলেন কিরকম পছন্দ আমি বাকি সব তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারি।
    ৫) প্ল্যান্তেদ না প্ল্যান্তেদ নয় : প্ল্যান্তেদ ট্যান্ক ইস নট ফর বীগিনার্স। যে যতই বলুক সময় দিতেই হবে প্ল্যান্তেদ ট্যান্কে নৈলে ভুতের বাড়ির মত দেখতে হবে একোরিয়াম। এটা কদিন বাদে করবেন। রকি বা স্যান্ড বটম ট্যান্ক দিয়ে শুরু করুন। এই কারণেই সিকলিদ পুষতে বলছি কারণ ওদের নরমাল বাযতপ রকি বা স্যান্ডি হয়।
    ৬) ফুড : কাঁচা ফুড বর্জন করুন। জ্যান্ত কেঁচ -জ্যান্ত মাছ খাওয়াবেন না। জ্যান্ত খাবারে প্যাথজেন থাকে। মাছের ক্ষতি করে। সর্বদা ফ্রীজ দ্রায়েদ খাবার খাওয়ান। যেমন ড্রাই শ্রিম্প -স্পিরুলিনা-বলদ ওয়ার্ম। এই স্পিরুলিনা খাওয়ানো টা মাস্ট। নৈলে মাছের কনস্টিপেশন হয় টানা ড্রাই ফুড খেয়ে। মোটামুটি বাঁধা সময়েখাওয়াবেন। বা অটো ফিদার ইউস করুন। তবে নিজে খাওয়ালে মাছ আপনাকে চিন্তেশিখবে। বিশেষ করে সিকলিদ দের কগনিটিভ পাওয়ার এত বেশি দেখে নিজেই মজা পাবেন !
    ৭)ফিল্টার : এক্স্ত্রানাল টপ ফিল্টার সাতশ থেকে হাজারের মধ্যে পেয়ে যাবেন। ক্যানিস্টার খুব দামী। প্রথমেই কেনার দরকার নেই। ফিল্টার সম্বন্ধে একটা কথা মনে রাখবেন। ফিল্টার মেটেরিয়াল কখনো পুরো পরিস্কার করতে নেই। ব্যাকটেরিয়া সাইকল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভুলেও সাবান দেবেন না।
    ৮) হীটার ইউস করুন। আমাদের দেশে যে চিনে হীটার গুলোআসে ওতে একটা সমস্যা আছে। কয়েক মাস বাদে অর থার্মোমিটার আর থার্মস্ত্য়াত এর কানেকশন কেটে যায়। তখন যতই সেট করুন ৩০ ডেগ হয়ে যাবে। একটা সব্মার্সিব্ল ডিজিটাল থার্মোমিটার দিয়ে মাঝে সাঝে যদি তেম্পারেচার্চেক করেন তো ভাল হয়।
    ৯)ওয়াটার চেঞ্জ : ৭ দিনে ৩০% জল সিফন করে চেঞ্জ করে দিন। দুমাসে একবার পুরোটা করলে ভালো। আমি করিনা। বেড ফিল্টার থেকে পাওয়ার পাম্প দিয়ে ময়লা ওপরে তুলে নি। যদি দরকার হয় সেটাপ টা এঁকে দেব। বাড়িতে তৈরী। দিব্য কাজ দেয়। ৩ মাসে একবার পুরো জল পাল্টাই। পুরো মানেও ৯০%।
    ১০) একোরিয়াম পসিষণ : বাড়ির যে কোণে সূর্যের আলো পরেনা। সূর্যের আলো পেলেই হতভাগা এলগি গজাবে। একোরিয়াম ভুতের বাড়ি হবে। কৃত্তিম হ্যালায়দ ল্যাম্প দিন। সূর্যের আলো না।
    ১১) একটু খেয়াল রাখবেন কোনো মাছ মরে গেছে কিনা বা অসুস্থতার লক্ষণ দেখাচ্ছে কিনা। অসুস্থমাছ ট্যান্কে রাখবেন না।

    ......মানে সোজা কথায় একবার ইনস্টল করলে দিনে পাঁচ মিনিট। সপ্তাহে ১৫ মিনিট আর তিন মাসে একবার ঘন্টা দুই। এই হলো টাইম ইনভেস্টমেন্ট।
  • শঙ্খ | ০১ মে ২০১৪ ১৮:৩১640399
  • দারুণ টই। সেই ছোটবেলায় দেব সাহিত্য কুটীরের বুক অব নলেজে পড়েছিলুম পুষ্যি নেবার সাত-সতেরো। অ্যাকোরিয়াম নিয়ে নানারকম তথ্য। এককালে খুব উৎসাহী ছিলুম এইসব নিয়ে।

    আবার সেই দিনগুলো মনে পড়ে গেলো। ব্ল্যাংকি আর একক দুজনকেই অনেক থেংকু।
  • dd | ০১ মে ২০১৪ ১৮:৪৬640400
  • এককের টইকে এক্ষপ্যান্ড করে।

    আদৌ গোল্ড ফিশ রাইখেন্না। ব্যাটারা খায় বেশী,সারাক্ষণ পাঁক পাঁক করে অক্ষিজেন টেনে নেয় আর ম্যাক্ষিমাম হাগে।

    কমিউনিটি ফিস ট্যাংক কল্লে অবশ্যই ক্যাট ফিস জাতীয় বটম ফীডার রাখবেন। তেনারা অন্য মাচের হাগু খেয়ে সাফ করেন।

    আমি (সে চল্লিশ বছোর আগে) জ্যান্তো কেঁচো আর ডাফনিয়া দিতেম।ক্বচিত ড্রাই ফুড)। তখন রেওয়াজ ছিলো ফ্রোজেন ফুড না দেওয়ার। এখন সব থিওরী চেঞ্জ হয়ে গ্যাসে গিয়া। তবে আমার মাছেরা দিব্বি হেসে খেলে ন্যাজ নেড়ে টেড়ে থাকতো, কন্সটিপেশন,স্কিৎসোফোর্নিয়া বা গেঁটে বাতের প্রকোপ তো দেখি নি।

    আর মাছের কথাই বা কি বলি? আমরাই কি ফিলটার ওয়াটার খে' বড়ো হয়েছি?
  • kc | ০১ মে ২০১৪ ১৮:৪৭640401
  • ব্ল্যাঙ্কো, ড্রিফটউডের জায়্গায় পাথরের তৈরী ড্রিফটউডের মতই কিছুমিছু, দোকানে দেখাচ্ছে। দেখতে ড্রিফটউডের থেকে ভাল লাগছে। কী করি?
  • Blank | ০১ মে ২০১৪ ২২:৪০640403
  • ডিডি দা, আগেকার ড্রাই ফুড গুলো দানা দানা ছিল। কোয়ালিটি ভালো ছিলো না। এখন ড্রাই কেঁচো মেলে পুরো। ড্রাই শ্রিম্প ও। তাই এখন ড্রাই ফুড দেওয়া বেটার।
    গোল্ড ফিশ ড্রাই ফুড খেলে একটু কম হাগু করে।

    কেসি দা,
    যদি ন্যাচারাল মেটিরিয়ালের তৈরী হয়, তাহলে নিয়ে নাও। তুমি ল্যান্ড স্কেপ যে ভাবে বানাবে। অনেকে পুরো মাউন্টেন ল্যান্ডস্কেপ বানায়। শুধু পাথরের।
    শঙ্খ,
    অ্যাকোরিয়াম শুরু করে দাও। গুরুতে আরো কয়েকজন হলে ভালো ই হয়।

    খেয়ে এসে প্ল্যান্ট, co2 লিখছি।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন