এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এনজিও দের পেছনে কি আদৌ জনসমর্থন আছে ?

    একক
    অন্যান্য | ২৬ জুন ২০১৪ | ২৩৪৩৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ২৬ জুন ২০১৪ ২০:৪১640740
  • প্রশ্নটা উঠতনা যদি প্রত্যক্ষ রাজনীতি তে না জড়াতেন। এইখানে, এনজিও তো জড়ায়নি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কয়েকজন জড়িয়েছেন বলে পার পাওয়া যাবেনা। যদু-মধু নির্দল পার্টি বানানো আর এনজিও তে যুক্ত লোকজন সেই এনজিও ব্যাকগ্রাউন্দ কে সম্বল করে রাজনীতিতে আসা এক নয়। কাজেই জনসমর্থনের প্রশ্ন উঠবেই। আদৌ কী সংখ্যাগরিষ্ট জনতা চায় যে মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াইতে তৃতীয় পক্ষ টি থাকুক ? নাকী এঁট শালপাতার চে বেশি কিছুই মনে করেনা যার প্রভাব পরে ভোটবাক্সে। তাই যদি হয় তাহলে রাজনীতি ও এনজিও র কাছাকাছি আসা উভয়ের পক্ষেই ক্ষতিকারক নয় কী ? ইলেক্টোরাল ডেমোক্রাসি তে ক্ষমতা-বিরোধী আন্দোলনকে জড়ানো ........আদৌ কার বা কাদের লাভ ? চাট্টি চাষাভুসো আর জংলি আদিবাসীর ঘর ভেসে যাবে বলে আম জনতা সাপোর্ট দেবে ?

    প্রশ্নটা তিন পক্ষকেই।

    ক )যাঁরা রাজনীতির দিকে থেকে মনে করছেন রাজনৈতিক আন্দোলনে এনজিও দের সামিল করার দরকার আছে।

    খ ) যাঁরা মনে করছেন "শুধুই এনজিও চালিয়ে " বড় পরিবর্তন আনা যাবেনা, রাজনীতির মঞ্চ দরকার।

    গ ) সংখ্যাগরিষ্ট সাধারণ মানুষ যাঁরা ইলেক্টোরাল ডেমোক্রাসি র শেষ কথা।
  • | ২৬ জুন ২০১৪ ২০:৫১640851
  • রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ নামক এন জি ও টির কোনও সমর্থক থাকলে একটু কী বলেন শুনি।
  • একক | ২৬ জুন ২০১৪ ২১:০৮640962
  • আরেসেস, রামকৃষ্ণ মিশন এদেরকে ধরছিনা। এরা চিরকাল ই ক্ষমতার সঙ্গে ছিল এবং থাকবে। ধর্মীয় প্রোপাগান্ডা থাকলে ক্ষমতার সঙ্গে থাকা মাস্ট। ভারতের আর্থসামাজিক প্রেক্ষিতে একটা চার্চ বনাম স্টেট ইউরোপিয়ান ফাইটিং হবে সেরকম ভাবিনা :)

    প্রশ্নটা, অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত এনজিও দের নিয়ে। এনেকদতাল অভিজ্ঞতা বলে সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ এদের ভদ্র ভাষায় লাথখোর মনে করেন । অবশ্য স্ট্যাট নাই। "ওরা তো সবজায়গায় ক্যাচাল পাকায়" এটাই মানসিকতা।

    এর বাইরেও আছে। অনেকে অতিরিক্ত পোশাক - ডাঁটি আলগা চশমা -অসুধের ফাইল তুলে রাখেন "ওরা" এসে নিয়ে যাবে বলে। সেটা অনেকটা বাড়ির ছোটো ছেলে গিটার বাজিয়ে টাইপের কেস। পিড়িং পিড়িং করছ ঠিকাছে, যতক্ষণ না মাঝরাত্রের ঘুম কেড়ে নাও থুড়ি বস্তি উচ্ছেদ নিয়ে বাওয়াল দাও। ওদিকে যে ফ্ল্যাটের দুটো ইনস্টলমেন্ট জমা পরে গ্যাছে।

    প্রশ্নটা এদের নিয়ে। ডু উই রিয়ালি নিড দিস এনটিটি এনিমোর ?
  • lcm | ২৬ জুন ২০১৪ ২১:১২641073
  • সব কাজ GO করে দিলে, NGO-র দরকার হবে না।
  • pi | ২৬ জুন ২০১৪ ২১:১৬641295
  • নাঃ, একেবারেই দরকার নেই। সেটা ধরে নিয়েই তো টইটা খোলা। এর উত্তরেও কী কী কথা আসবে, তা জানা কথা।
    কিন্তু সেক্ষেত্রে টইটা খোলার দরকার কী ছিল ?
  • | ২৬ জুন ২০১৪ ২১:১৬641184
  • অন আ সিরিয়াস নোট, আমি মনে করি দরকার আছে। দরকার আছে মানে এনজিওদের ব্যান কর বা মেরেধরে তুলে দাও এমন নয়। তাদের কাজ করতে দাও। তবে নজরদারীর দরকার আছে। এবারে সেটা সরকার পারবে না অন্য কোনও থার্ড পার্টি করবে, এই ক্ষেত্রে মনে করি সরকার করলেই ভাল হয়।
  • কমা | ২৬ জুন ২০১৪ ২১:৩৯641406
  • এনজিও দের পেছনে কি আদৌ জনসমর্থন আছে ?

    মেধা পাটকার আর উদয়্কুমার এবার ভোটে দাড়িয়েছিলেন, দুজনেই হেরে ভুত হয়েছে জামানত জব্দ। এদের দুজনকে ধরলে তো মনে হয় এদের পেছনে জনসমর্থন নেই।

    আমার মনে হয় কিছু এনজিও ভালো কাজ করে কিন্তু মেধা, উদয়কউমার এরকম আরো কয়েকজন গন্ডগোল পাকিয়ে একেকটা প্রজেক্ট ক্যান্সেল করার চেশ্টা করা ছাড়া আর কিছু করেনা। হয়তো সেইজন্যই আমার মতো একেবারে পাতি নন আতেল জনতা এরকম লোকদের বা এনজিওদের সাপোর্টও করেনা।
  • একক | ২৬ জুন ২০১৪ ২১:৪০641517
  • শেষের প্রশ্নটা লোকজন যা মনে করে। কিন্তু তার আগে toi এর শুরুতে তিনটে প্রশ্ন ছিলো। যা আমার। এরকম অটো ইমিউন হয়ে আচিস ক্যান :P
  • একক | ২৬ জুন ২০১৪ ২১:৪১641628
  • আমার আগের পোস্ট পাই এর "টইটা খোলার দরকার কী ছিল ?" এর উত্তরে।
  • কমা | ২৬ জুন ২০১৪ ২১:৪৬640741
  • আমি বোধায় গ, "সংখ্যাগরিষ্ট সাধারণ মানুষ"। আমার তো পেপারে এদের আন্দোলনের কথা পড়লেই বিরক্ত লাগে যে আরেকটা ফালতু আন্দোলন শুরু হলো। আবার পরে যখন পড়ি পুলিশ হটিয়ে দিয়েছে আর প্রজেক্টএর তেমন ক্ষতি করতে পারেনি তখন ভাললাগে
  • কল্লোল | ২৬ জুন ২০১৪ ২১:৫০640752
  • এনজিও তো নানা রকমের। যারা অধিকার আন্দোলনে আছেন, তাদের মধ্যেও দুটো স্পষ্ট ভাগ আছে। পবয়ের উদাহরণ দিতে পারি (আমি তাদের কাছ থেকে দেখেছি তাই)।
    ১) এপিডিআর। ফান্ড নেয় না। দেশী বা বিদেশী কোন ফান্ড নেওয়াতে এদের নীতিগত আপত্তি আছে। সদস্যদের পকেটের পয়সায় চলে। কোন মাইনে করা কর্মী নেই। সদস্যরা কাজ ভাগ করে নেন।
    ২) মাসুম। ফান্ড নেয়। মাইনে করা কর্মী আছেন।
    দুটো সংগঠন দুভাবে কাজ করে।
    এপিডিআর - সারা পব জুড়ে শাখা আছে। প্রত্যকটা শাখা ও কেন্দ্রীয় সংগঠনের একটা পিরামিড কাঠামো আছে। প্যানেল নিয়ে ভোটাভুটি হয়। তবে চেষ্টা করা হয় সর্বসম্মতভাবে একটা প্যানেল দাঁড় করানোর।
    এপিডিআরের প্রথম যুগে, সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতভাবে নেওয়া হতো। কোন বিষয়ে কারুর দ্বিমত থাকলে সে বিষয়টি পরিত্যক্ত হতো। এই ঐতিহ্য বহুকাল চলেছে (২০০০ সাল পর্যন্ত)। এখন কি হয় জানিনা। কারন, ভোটাভুটিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষে একটা চাপ ছিলো। সব রকমের মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে।

    মাসুম - কোন শাখা নাই। কোন পিরামিড কাঠামো নাই। খুব অল্প সংখ্যক সদস্য আর কিছু মাইনে করা কর্মী নিয়ে সংগঠন চলে। সকলেই সিদ্ধান্তের অংশীদার। সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
    মানবাধিকারের মূলতঃ একটা বিষয় নিয়ে কাজ করে। সরকারী হেফাজতে অত্যাচার। একটা অঞ্চলে কাজ সীমাবদ্ধ (মুশির্দাবাদ - জলঙ্গী সীমান্ত এলাকায়)। বিএসএফ/পুলিশের অত্যাচার নিয়ে কাজ করে।

    এদের কেউই জনসমর্থন নিয়ে ভাবিত নয়। পুলিশ বা বিএসএফ চোর পিটালেও এর তার বিরোধীতা করে সক্রিয়ভাবে। সাধারণ মানুষ বা রাজনৈতিক কর্মী পিটালেও একইভাবে সক্রিয় হয়।
  • একক | ২৬ জুন ২০১৪ ২২:৫৯640763
  • @কল্লোলদা
    কথা হচ্ছে সক্রিয় রাজনীতিতে এনজিও যোগদান নিয়ে। ওই উঠোনে নাবলে তো জনসমর্থন চাই। নইলে নিজের ঘরে বসে কারা চোরের গায়ে মলম দিলেন সে নিয়ে কারোরই কোনো মাথাব্যথা থাকার কথা নয়। আমি বধায় ওপেনিং পোস্টে ক্লিআর করতে পারিনি প্রশ্ন টা কী। রাজনীতি ও এনজিও র আঁতাত আলাদা করে রাজনীতি, এনজিও, সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ কারো কোনো উপকারে বা অপকারে লাগার সম্ভাবনা কী বা কতটা।

    সংখ্যাগুরুর কাছে লাভজনক নয় এমন ইস্যু নিয়ে কাজ করা লোককে টিকিট দিয়ে পার্টির কী লাভ ?

    সংখ্যাগুরুর লাভ দেখতে গিয়ে ক্ষমতার দিকে হেলে পরবে এমন পরিস্থিতি তে পৌছে এনজিও র কী লাভ ?

    ক্ষমতায় পৌছে আবার সেই ক্ষমতাবিরোধী ধর্নায় বসবে এমন এন্জীয়োয়ালা কে ভোট দিয়ে জনগনের কী লাভ ?
  • তাপস | ২৬ জুন ২০১৪ ২৩:০৫640774
  • প্রশ্নগুলো সরল বটে! কিন্তু উত্তরগুলো একটু জটিল বোধহয়। হ্যা, না -এ জবাব দেওয়া মুশকিল হয়। এই যে ধরুন নজরদারী, কিছু এনজিও আছে, যাদের নিজেদের কাজই হল ওয়াচডগের। তারা সরকারের কাজের উপর নজরদারি করে। সেক্ষেত্রে তাদের কাজের উপর আবার সরকারের নজরদারি খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রক্রিয়া জটিল করবে, এবং সেই নজরদারির খুব নিরপেক্ষ হবে না, এমন ভাবার অবকাশ আছে।

    আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে, পশ্চিমবঙ্গেও, এবং অন্য রাজ্যেও, সরকার বিভিন্ন কাজে কর্মে কিছু এনজিওকে জড়িয়ে নেই। যেমন প্রাথমিক স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সিনি, বা কিছুদিন আগে পর্যন্তও ছিল, এখন জানি না, রিপ্রডাকটিভ চাইল্ড হেলথে টেগোর সোসাইটি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট। ইন ফ্যাক্ট টিএসআরডি সুন্দরবন অঞ্চলের বহু জায়গায়, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপ করেছিল। সেই সেট আপ কাজে লাগিয়েই সরকারী কাজকর্ম হতে শুরু করেছিল।
    সিনির সঙ্গে রাজ্য সরকারের সমঝোতা আর এক রকমের। কোনো একটা প্রজেক্টের জন্যে, একই শূন্যপদ তৈরী হলে, যে কোনো এক পক্ষ সেখানে নিয়োগ করে। বা, সরকার নিয়োগ শুরু করলে, সিনি সে পদে নিয়োগ করে না। এর মধ্যে খুব দু নম্বরী আছে দেখিনি, বোঝাপড়াই দেখেছি। কারণ প্রোজেক্টে কাজের পরিমাণ, টাকার অঙ্ক আর বাস্তবতা এসবের মধ্যে দুস্তর ফারাক আছে। তেমন ফারাক কেন আছে, তা নিয়ে তর্ক চলতে পারে বা আন্দোলন কিম্বা মামলাও চলতে পারে, কিন্তু কাজটাকে চালিয়ে নিয়ে যেতে হয় তো !
  • তাপস | ২৬ জুন ২০১৪ ২৩:১৩640785
  • এবার এই যে দুটো সংস্থার কথা বললাম, তাদের নিজেদের ভোটে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তা নেই বা সক্রিয় রাজনীতিতে আসার। সে পান্নালাল দাশগুপ্ত ভোটে দাঁড়াতে পারেন, কিম্বা সুজাত ভদ্র - এবং তেমন হলে তার প্রভাব তো সংগঠনে পড়বেও। কিন্তু একক যে আঁতাতের কথা বলছেন, সেটা বোধহয় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়, এই সংস্তা গুলোর সরকারকে দরকার হয়, আর এখনো পর্যন্ত যেসব সরকার আছে, তাদেরও এই ধরনের সংস্থাগুলোকে দরকার হয়। হ্যা, এটা ঠিক, কোনো সরকারেরই এপিডিআর জাতীয় সংস্থার দরকার হয় না। সরকারের বিরুদ্ধে মিউজিক বাজান যারা তাদের সরকার চান না - স্বাভাবিকভাবেই। যে কারণে মেধা বা অরুণা রায়কে চায়নি বিজেপি/কং/বামেরা বিভিন্ন সময়ে। অবশ্য সরকার কেন, অনেকেই চাননি তো ! শুধু সাধারণ মানুষ না, বুদ্ধিমান অনেকেও চাননি। সে তো নানাবিধ দার্শনিক/সামাজিক/অবস্থানগত কারণে।
  • | ২৬ জুন ২০১৪ ২৩:৩৮640796
  • ওয়াচডগ টাইপ এনজিওদের ওপরে সরকার নজরদারী করলে পুরো সাইক্লিক লুপ
    :-D
  • pi | ২৬ জুন ২০১৪ ২৩:৫১640807
  • একক, না রে, আজকাল মাঝে মাঝেই মনে হয়, এই আলোচনাগুলো কেন করা, কী বা লাভ বা করে। মনে হয়, এর থেকে আদৌ কিছু উঠে আসবে, বেরিয়ে আসবে কি, এলে তার কোন প্রয়োগ কোথাও হবে কি ? নাকি এখানেই সেই চর্বিতচর্বণ চলবে, চলবে গোল গোল তক্কো। এও জানা, কে সমর্থনে বলবে, কে বিরুদ্ধে।
    আর সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক যখন এঁদের তথাকথিত 'উন্নয়নবিরোধী' কাজকর্মের বিরুদ্ধে, তখন গুরুতেই বা আর তার ব্যতিক্রম হবে কেন ? গুরু কি ব্যতিক্রমী কিছু ? মনে হয়না। তাই প্রশ্নগুলো তেমন সহজ না হলেও উত্ত্রর জানা নেই।

    তবে, ভোটের সংখ্যা দেখে জনসমর্থন বুঝে ফেলার মত সরলরৈখিক সমীকরণে একটু আপত্তি আছে।আর জনসমর্থন মানে শুধুই একটা সংখ্যা, এতেও। দুটো কারণে।
    এক। এঁরা অনেক সময়ই যে কাজগুলো করেন, সেগুলো কিছু মানুষকে সরাসরি ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানোর জন্য করেন। সবার জন্য তার গুরুত্ব লঙ টার্মে। কিন্তু তা নিয়ে বেশিরভাগ লোকজনই ভাবিত নয়। নিজেদেরটুকু এখন ঠিকঠাক পেলেই তো হল। তো, সেই বেশিরভাগ লোকের ভোট যে এঁরা পাবেন না, তাতে আশ্চর্য কী ? যাঁরা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বা হতে চলেছেন, সেইসব মানুষের সমর্থন পাবেন। তো, সংখ্যার দিক থেকে লঘু, এইসব জনগণের সমর্থন কি জনসমর্থন পদবাচ্য নয়?
    দুই। আমাদের দেশের ভোটে কি আদৌ জনসমর্থনের বিশুদ্ধ প্রতিফলন হয় ? এই ভোটে জেতা ন্যূনতম যেটুকু অর্থ অথবা/এবং পেশীশক্তির উপরে নির্ভরশীল, তার কতটা এঁদের আছে ? কতটুকু প্রচার এঁরা করতে পেরেছেন ? মিডিয়া কতখানি প্রচার দিয়েছিল ? এই ইনপুটগুলো যদি সবক্ষেত্রে সমান না হয়, তাহলে আউটপুট দিয়ে বিচার করা কতটা যুক্তিযুক্ত ?
  • একক | ২৭ জুন ২০১৪ ০০:০০640818
  • "এই যে ধরুন নজরদারী, কিছু এনজিও আছে, যাদের নিজেদের কাজই হল ওয়াচডগের। তারা সরকারের কাজের উপর নজরদারি করে। "

    @তাপস

    একটা ইলেক্টোরাল দিমোক্রাতিক স্টেট এ এরকম ওয়াচডগ কে কারা রিক্রুট করেছে ? নিশ্চই জনগণ নয় ? এরা কাকে রিপোর্ট করে ? কার কাছে দায়বদ্ধ ? এই প্রশ্ন গুলও তো আসে।
  • একক | ২৭ জুন ২০১৪ ০০:০৫640829
  • @পাই
    "যাঁরা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বা হতে চলেছেন, সেইসব মানুষের সমর্থন পাবেন। তো, সংখ্যার দিক থেকে লঘু, এইসব জনগণের সমর্থন কি জনসমর্থন পদবাচ্য নয়?"

    হ্যা, পদবাচ্য। কিন্তু সেক্ষেত্রে আমি জানি যে আমি সংখ্যাগুরু তথা পাওয়ারের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আছি। ইন দ্যাট কেস ইলেক্টোরাল দিমক্রাসির উঠোনে নাচতে যাব কেন। গেলেই তো নাম্বার গেমে হারবো। এটা না আমার পক্ষে ভাল না ওই নাম্বার গেমটার পক্ষে। যা করছিলুম সেটাই করে যাওয়া নিয়ে তো আপত্তি করছিনা। যতক্ষণ কেও ল্য অফ দ্য ল্যান্ড না ভাঙছে তার বা তাদের সমস্ত বিরোধিতা-বিক্ষোভের অধিকার আছে। আমার ঘুরে ঘুরে প্রশ্ন খিচুড়ি পাকানো নিয়ে।
  • তাপস | ২৭ জুন ২০১৪ ০০:১৫640840
  • জনগণ রিক্রুট না-করলে কি জনগনের কাছে দায়বদ্ধ থাকা যায় না? আর রিপোর্টিং কি শুধু কোনো একটি নির্দিষ্ট অথরিটিকেই করতে হয়? এই ধাঁচার রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কি একটু ততালিতারিয়ান দিকে নিয়ে যায় না? হ্যা, ততালিতারিয়ান খারাপ এবং আমি তাকে ভয় পাই ও অপছন্দ করি ও প্রত্যাখ্যান করি। এনেক্দত দিয়ে রাখলাম l
  • pi | ২৭ জুন ২০১৪ ০০:১৯640852
  • না, এই ইলেক্টোরাল দিমক্রাসির উঠোনে নামলে ঐ সংখ্যালঘুর ভয়েজ টা, তাদের কনসার্নটা সংখ্যাগুরুর কাছে পৌঁছনোর একটা রাস্তা অন্ততঃ খুলবে বলে। সেটা পৌঁছলে সংখ্যাগুরুর চিন্তাভাবনাতেও ধীরে ধীরে কোন পরিবর্তন আসতে পারে বলে। একটা দ্বন্দ্বের পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েই হয়তো। জনমত তো রাতারাতি তৈরি হয়ে যায়না। এক ভোটে পালায়ও না।
    আর শুধু তাই নয়, সংখ্যাগুরুও যে এই মডেলে খুব ভাল আছে, তা তো নয়, যে অস্বস্তিকর প্রশ্নগুলোর থেকে তাদের অ্যাটেনশন ঘুরিয়ে রাখা হয়, তাদের সামনে সেগুলোকে হাজির করার জন্যেও তাদের উঠোনে নামাটা জরুরি।
    আর এই ভাবেই হয়তো একটা বিকল্প ভাবনার প্রয়োজনীয়তার কথাটা ভাবিয়ে তোলা সম্ভব হবে। সেটুকু কম পাওনা নয়।
    নিজের গুহায় বসে কর্মযজ্ঞ চালিয়ে গেলে সেগুলো কিছুই হবেনা।
  • ranjan roy | ২৭ জুন ২০১৪ ০০:২৪640863
  • @একক,
    "কিন্তু সেক্ষেত্রে আমি জানি যে আমি সংখ্যাগুরু তথা পাওয়ারের বিপরীতে দাঁড়িয়ে আছি। ইন দ্যাট কেস ইলেক্টোরাল দিমক্রাসির উঠোনে নাচতে যাব কেন। গেলেই তো নাম্বার গেমে হারবো। এটা না আমার পক্ষে ভাল না ওই নাম্বার গেমটার পক্ষে। যা করছিলুম সেটাই করে যাওয়া নিয়ে তো আপত্তি করছিনা। "
    --- এক, আমরা অব্শ্যই উন্নয়ন-এনজিও নিয়ে কথা বলছি না। কারণ, এরা সাধারণতঃ সরকারের বা অন্য কোন আন্তর্জাতিক এজেন্সির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কমিউনিটি উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে কাজ করে। ফলে এরা সরকারি প্রকল্পের বা এজেন্ডার সাপ্লিমেন্টারি হিসেবে কাজ করে, তাতে সাধারণতঃ সরকার বিব্রত বোধ করে না। প্রশ্ন নিশ্চয়ই যাঁরা রাইট ইস্যু নিয়ে কাজ করেন তাঁদের নিয়ে।
    তাঁরা কেন করেন? বিবেকের তাড়নাতে। সংখ্যাগুরু বা ভোটের সমর্থন অবান্তর।

    দুই,
    তাই ওপরের বক্তব্যের সঙ্গে একমত।
    যারা ট্রেড ইউনিয়ন করেন বা কোন সামাজিক দাবিদাওয়ার প্রতিবাদী সংগঠন গড়ে তোলেন এঁদের কাজ অনেকটা এই রকম।
    কিন্তু একই ভাবে এইসব এনজিও চাইবেন তাঁদের যারা টার্গেট গ্রুপ তাঁদের সক্রিয় সমর্থন, ঠিক ট্রেড ইউনিয়নের মতন, শুরুতে না হলেও।
  • ojuhat | ২৭ জুন ২০১৪ ১০:৪৮640874
  • "এই ভোটে জেতা ন্যূনতম যেটুকু অর্থ অথবা/এবং পেশীশক্তির উপরে নির্ভরশীল, তার কতটা এঁদের আছে ?কতটুকু প্রচার এঁরা করতে পেরেছেন ? মিডিয়া কতখানি প্রচার দিয়েছিল ? "
    ১ এনারাও ভোটে জেতার জন্যে মিডিয়া মুখাপেক্ষী জানতাম না যেখানে নিজেরাই মিডিয়ার সমালোচনা করেন। কেজ্রী নিজে মিডিয়ার যত প্রচার (১১ %) পেয়েছেন তা মোদির(৩৩%) পরেই, প্রিয়াঙ্কা প্লাস সোনিয়া প্লাস রাহুলের (৪+২+ ২ =)৮%)থেকেও বেশি।
    http://zeenews.india.com/news/nation/modi-beats-kejriwal-rahul-in-mar-apr-primetime-coverage_930647.html
    2 প্রচারের উদাহরণ দেখাযাক। ধরুন কলকাতা উত্তরে অলক চতুর্বেদী কত গুলো মিছিল - পথ সভা - মহল্লা সভা করেছিলেন ? তার জন্যে অর্থ শক্তি লাগে বলে জানিনা। তার চেয়ে বেশি চোখে পরেছে সুসির মিছিল, পথসভা যাদের অর্থশক্তি আরো কম আপের তুলনায়। আর দ কলি তে মুদল পাথারিয়া তো ভোট থেকেই সরে দাড়ালেন।
    3 এবার দেখা যাক যেখানে পেশিশক্তি ছিল - বস্তারে মুক্তাঞ্চলে শুধু সোনি সোরি কে মাওবাদী দের একাংশ প্রচার করতে দিয়েছিল।
    http://indianexpress.com/article/india/politics/backing-or-boycott-sori-divides-maoists-in-bastar/
    কিন্তু বস্তারে বিজেপি কং তো বটেই এমনকি সিপিআই, NOTA বেশি ভোট পেয়েছে ওনার থেকে।
    http://eciresults.nic.in/ConstituencywiseS2610.htm?ac=10
    নাচতে না জানলে উঠোনের দোষ।
  • tapas | ২৭ জুন ২০১৪ ১০:৪৯640885
  • রাইটস আর কমুনিটি ডেভেলপমেন্ট দুটি বিপরীত পক্ষ নয় বোধহয়। কোনো একটি নির্দিষ্ট কমুনিটির অধিকারের জন্যে তৈরী হওয়া সংস্থা সরকারের উপর চাপ সৃষ্টিকরণ এর একটা পন্থা নেন। যাদের বলা যেতে পারে প্রেশার গ্রুপ। এন বি এ - ও প্রেসার গ্রুপই ছিল। সেই প্রেসার গ্রুপ যখন এনেপিয়েমএর অংশ তখন তার অন্য সত্ত্বা তৈরী হয়। সেটাই আবার তার একমাত্র আইদেন্তিটি না-ই হতে পারে।
  • কমা | ২৭ জুন ২০১৪ ১০:৫৯640896
  • "শুধু সাধারণ মানুষ না, বুদ্ধিমান অনেকেও চাননি"

    "আর শুধু তাই নয়, সংখ্যাগুরুও যে এই মডেলে খুব ভাল আছে, তা তো নয়, যে অস্বস্তিকর প্রশ্নগুলোর থেকে তাদের অ্যাটেনশন ঘুরিয়ে রাখা হয়"

    এই সাধারন সংখ্যাগুরু গুলো যে কবে বুদ্ধিমান হবে কবে বুঝবে স্বস্তিকর প্রশ্নগুলোর থেকে ওদের অ্যাটেনশন ঘুরিয়ে রাখা হয়েছে হেহে
  • pi | ২৭ জুন ২০১৪ ১২:২৮640907
  • অলক চতুর্বেদী, মুদল পাথারিয়া কীরকম কী অ্যাক্টিভিস্ট, কী কাজ করেছেন তাই তো জানিনা। পঃবঙ্গে আআপ তো কিছুই করতে পারেনি। পেরেছে বলে কেউ ক্লেইম করেছে নাকি ?

    বস্তারে মাওয়িস্টদের কথায় যে গ্রামের পর গ্রাম ভোট বয়কট করেছে, তাদের সমর্থন কোথায় ছিল, সেটা জানা যাবে কি ?
  • lcm | ২৭ জুন ২০১৪ ১৩:১৯640929
  • এই টই-এর টপিক টাই তো গোলমেলে। NGO আর জনসমর্থন - এর কি সম্পর্ক। দু এক জায়গায় রিলেশন থাকলেও, বেশীর ভাগ NGO-র সাথে মাস সাপোর্ট বা পপুলারিটির কিসু নাই।
  • pi | ২৭ জুন ২০১৪ ১৪:৪১640940
  • হ্যাঁ, কিন্তু উনি কী কাজ করেছেন, তা তো জানিইনা। NAPM এর যা কিছু মিটিং, প্রোগ্রাম দেখেছি, তাতেও ওঁকে দেখিনি।
    কোলকাতার আআপ সেভাবে অ্যাক্টিভিস্টদের দাঁড় করাতে পারলো কই ?
  • pinaki | ২৭ জুন ২০১৪ ১৫:২৪640951
  • বাঙালি বি-সা-আ-আ-আ-ল বড় পরিবর্তন ঘটিয়েছে মাত্র বছর তিনেক আগেই। এখনো গায়ের ব্যথা মরে নি। বাঙালিকে এখনই অন্য কিছু নিয়ে ভাবতে বল্লে চলবে!
  • sm | ২৭ জুন ২০১৪ ১৫:৪৩640963
  • সেদিন কে ডেইলি মেইল এ দেখলাম, পুতিন বিভিন্ন এজেন্ট দের মাধ্যমে, গ্রীন পীস মুভমেন্ট আন্দোলনকারীদের তাতানোর প্রচেষ্টা করছে, যাতে ব্রিটেন এ ফ্রাকিং এর দ্বারা শেল গ্যাস না তোলা যায়। তাতে রাশিয়ার বিশাল গ্যাস বিক্রির বাজার ইউরোপ মার খেয়ে যাবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন