এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • চলমান সেকাল

    Stuti Biswas লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ | ১০৫৪২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • Stuti Biswas | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ২১:৫৫654117
  • ব্রিটিশ আমলে ভারতের বেশ কয়েকটা শহরে ট্রাম পরিষেবা চালু হলেও আস্তে আস্তে সেইসব শহর থেকে ট্রাম চিরতরে বিলুপ্ত হয়েছে। একমাত্র শহর কলকাতায় চলমান সেকাল হয়ে ট্রাম বিরাজ করছে। প্রথমদিকে ঘোড়ায় টানা ট্রাম ছিল। তারপর এল স্টিমইঞ্জিন। ১৯০২ সালে ইলেকট্রিক ট্রাম চালু হয়। ট্রাম মানেই টু টাং ঘন্টি। কাঠের চেয়ার। খোলা জানালা। ছাদে আটকানো গোল খাঁচার মধ্যে ফ্যান লাগানো প্রথম শ্রেনী। ফ্যানবিহীন দ্বিতীয় শ্রেনী। তিলোত্তমার মাঝ দিয়ে মন্থর গতিতে দুলকি চালে চলেছে । কোন তাড়া নেই। সাড়া শহর ব্যাস্তোতার তুঙ্গে । অফিশবাবুরা হন্তদন্ত হয়ে ছুটছে বাসের দিকে। ট্রামের কিন্তু কোন হেলদোল নেই। রাস্তার ধারে পাতা জোড়া লাইন দিয়ে সে চলেছে গজগমনে । লাইনের ওপর দিয়ে গেছে বৈদ্যুতিক তার । ট্রামের মাথার লম্বা ডাণ্ডা ঠেকে থাকে সেই তারে। ঐ ডাণ্ডাই ট্রামের প্রানডাণ্ডা। কোন কারণে ডাণ্ডা আর তারের যদি বনিবনা না হয় তাহলেই ট্রাম ঘাড় গোঁজ করে বসে পরবে । জনসাধারনের কাছে ওটা ট্রামের টিকি নামে খ্যাত । টিকি একবার খুলে গেলে সেদিন যাত্রীদের অশেষ দুর্গতি। ছোটবেলায় শুনতাম বর্ষা শুরু হলেই নাকি ট্রাম লাইনের মেরামতির কাজও শুরু হতো।
    সত্যি মিথ্যা জানি না …...।

    একসময় ট্রামের চালক, কন্ডাক্টারের ইউনিফর্মের পাশাপাশি ছিল বিশেষ টুপি। সংস্থার সিনিয়ার কর্মীরাও ঐ টুপি পরতেন। সে সময় ট্রাম পরিষেবা ছিল কল্লোলিনীর ঐতিহ্য। কালের চাকায় ঘসতে ঘসতে ট্রামের চাকায় পরেছে জং। সেই মরচে তোলার ব্যাপারে কারো গা নেই। এই গতির যুগে মন্থর ট্রাম অতিরিক্ত বোঝা হয়ে গেছে। তবু লড়ঝরে দেহ নিয়ে এখনো সে পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছে।

    কয়েক বছর আগে শুনেছিলাম ট্রামকে দ্রুতগামী করার জন্য ট্রামরাস্তা কংক্রিটের করা হবে। বগিগুলি বাতানুকুল হবে। জানি না সে সব হয়েছে কি না। নাকি লাল সুতার ফাঁসে আটকে গেছে। মাঝে মাঝে কলকাতা যাই। কিন্তু ঐ অত্যাধুনিক ট্রাম নজরে পরে নি। নজরে পরেছে হাতিবাগানে রাস্তার ধার দিয়ে ঠাকুরদা সম ট্রাম বয়ঃভারে নুব্জ হয়ে ধুকতে ধুঁকতে চলেছে।
  • Stuti Biswas | ০৩ নভেম্বর ২০১৪ ১১:০৩654128
  • আমার ছোটবেলা কেটেছে কলকাতার কাছে মফস্বল শহর শ্রীরামপুরে। শীত পরলেই আমরা কলকাতা যেতাম চিড়িয়াখানা ঘুরতে। সে যাত্রার রোমাঞ্চকর ভাগ ছিল ট্রামে চড়া। হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রামের পাশ কাটা হত। সেই পাশে সারাদিনে যতবার খুশি ট্রামে চড়া যেত। ষ্টেশন থেকে খালি ট্রামে চড়েই জানলার ধার দখল করতাম। ষ্টেশন চত্বর ছেড়ে ট্রাম সর্পিল গতিতে হাওড়া ব্রীজে উঠতো। ব্রীজের উপর গাড়ীটায় কেমন একটা ঘড়ঘড় আওয়াজ হত। ভয় হত ব্রীজের রেলিং ভেঙে জলে পরে যাবে না তো। গঙ্গার উপর ভাসমান নৌকার সারি দেখতে দেখতে ব্রীজ পেরিয়ে যেতাম। তখন জানতাম বাস যেখানে সেখানে হাত দেখালেই দাঁড়িয়ে পরে কিন্তু ট্রাম নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া দাঁড়ায় না। আলাদা লাইন থাকায় ট্রাম যানজটে আটকায় না। নির্দিষ্ট সময়ে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেয়। হাতে সময় থাকলে বাসে থেকে ট্রামের ঊপর লোকের বেশী ভরসা ছিল। সে সব ছিল ট্রামের যৌবনকাল। ট্রাম এখন ঠাকুরদা পর্যায়ে অবঅলুপ্তির পথে বেশ কয়েক পা এগিয়ে গেছে।

    বহুকাল ট্রামে চড়িনি। ছোটবেলার স্মৃতিকে তাজা করতে এবার কলকাতা যাবার সময় মনস্থ করেছিলাম পৃথিবী রসাতলে গেলেও ট্রামে চড়বই। ছেলে আবার কোনদিন ট্রামে চড়েনি। সে সঙ্গে থাকায় জোড়টা বেশ বেশীই ছিল। কলকাতায় পৌঁছে আমরা ঘোষণা করলাম পরের দিন ট্রামে চড়তে যাব। আমাদের কথা শুনে সবাই হেঁসে কুটিপাটি। দিদি তো বলেই ফেললো এই অটো, মেট্রোর যুগে হঠাত ট্রামে চড়ার খেয়াল কেন বাপু ? আমাদের বদ্ধপরিকরতা দেখে জামাইবাবু শালির মন রাখতে বললেন কাছেই উল্টোডাঙা ট্রাম ডিপো সেখানে গিয়ে ট্রামে চড়তে পারি।

    পরের দিন সল্টলেক থেকে এক ট্যাক্সিওলাকে ট্রাম ডিপো যাব বলাতে সে রাজি হয়ে গেল। আমাদের একটা ভাঙা গ্রীলের গেটের সামনে নামিয়ে দিল। তাকিয়ে দেখি গেটের একটা পাল্লা কোনমতে একঠ্যাঙা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অপরটি হাওয়া। ভেতরে কাদা ভর্তি। তারি মাঝে গজিয়ে উঠেছে বেশ বড় বড় আগাছার জঙ্গল। আসেপাশে কোন ট্রামের নাম-নিশানা নেই। তবে জোড়া লাইন চলে গেছে সেই জঙ্গলের মধ্যে। সামনে বেশ কিছু অটো দাঁড়িয়ে আছে। আমাদের দেখেই ছেকে ধরলো কোথায় যাবেন ? কোথায় যাবেন করে।
    ট্রামে চড়বো শুনে তারা এমন মুখ করলো মনে হল যেন কোন আজব কথা বলছি।
    একজন আবার মুখ বেকিয়ে বললো যান দেখুন কখন ট্রামের টিকি দেখতে পান ।

    গেটের কাছে এগোতেই দেখলাম ভেতরে একটা কংক্রীটের ভাঙা ঘর তারপাশে একটা কাঠের গুমটি। কোন লোকজন আছে বলে মনে হল না। হঠাত কোথা থেকে খ্যাকি ড্রেস পরা একজন উদয় হল। হয়তো ভেবেছে আমরা পাগোল তাই মজা দেখতে এল। তাকে ট্রামের কথা জিজ্ঞাসা করাতে সে বললো সকাল দশটায় ট্রাম চলা শুরু হয়। তবে এখনো দিনের প্রথম ট্রামটি এই ডিপোতে আসেনি। তবে এসে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যে। ঘড়িতে দেখলাম বারোটা বাজে। লোকটির কথায় অপেক্ষা করার মত ভরসা পেলাম না। তাই ওখানথেকে আবার ট্যাক্সি নিয়ে রওনা দিলাম হাতিবাগান ডিপোর উদ্দেশ্যে। সেখানেও একই অবস্থা। অনেক খুঁজে একজনকে পাওয়া গেল। সে আবার আমাদের দিকে মুখ তুলে কথা বলা সমীচিন মনে করলো না। তাই এক পানের দোকানের দিকে তাকিয়ে বললো উল্টোদিকের ফুটপাথে দাঁড়িয়ে থাকুন ট্রাম আসবে। তবে কখন বলতে পারবো না। বুঝলাম এখানেও ভরসা নেই।
    ফুটপাথে দাঁড়িয়ে মুখ কাল করে ভাবছি কি করবো। এক ট্যাক্সিওলা আশার আলো দেখাল। সে বললো এসপ্ল্যানেড চলুন কার্জন পার্ক থেকে অনেক ট্রাম ছাড়ে ওখানে কোন ট্রাম পাবেনই। আবার নতুন উৎসাহ নিয়ে তার ট্যাক্সিতে চেপে বসলাম। ড্রাইভার ছেলেটি বেশ ভাল। এক গাল হেঁসে অযাচিত ভাবে অনেক পরামর্শ দিল। মনে মনে নিশ্চই ভাবছিল আমাদের সবার মাথায় এক গজ করে প্রিন্টেড ছিট আছে।
    বললো খিদিরপুরের ট্রামে চাপবেন। তালে ভাল করে কলকাতা দেখতে পাবেন।
    কার্জন পার্কে ভাগ্যদেবী কিছুটা সুপ্রসন্ন মনে হল। ডিপোতে ঢুকতেই দেবদূতের মত জঙ্গল ফুরে এক ট্রাম এসে গেল। সামনে তোবড়ানো টিনের পাতে লেখা “খিদিরপুর”।
    ব্যাস আমাদের আর পায় কে …......।

    সবাই মিলে দুহাত তুলে ট্রাম লাইনের ওপর লম্ফঝম্প শুরু করে দিলাম। ভুলেই গেলাম ট্রাম স্টপেজ ছাড়া থামে না। যাইহোক আমাদের দেখে ঠাকুরদা সম ট্রাম ঘটাং করে থেমে গেল। কন্ডাক্টার টিং টিং করে ঘন্টি বাজিয়ে আমাদের তুলে নিল।ডিপো থেকে বেড়িয়ে ট্রাম রাস্তায় নামলো। আমরা চালকের পেছনে জানালার ধারে সিট পেয়ে গেলাম। আদ্যিকালের কাঠের সিট। চালকের কম্পারটমেন্ট থেকে ভেতরে আসার দরজার লক কবে ভেঙে হাপিশ, সেখানে একটা গোল গর্ত। ট্রাম চললেই দড়াম দড়াম করে সেটি খোলা বন্ধ হচ্ছে। কিন্তু চালককে দেখছি ২ মিনিট স্টিয়ারিং ঘুরিয়েই ভেতরের দরজা দিয়ে পেছনে কি দেখছে। ভাবলাম এটাই হয়তো ট্রাম চালানোর টেকনিক একটু পরেই অবশ্য কারণ বুঝলাম। গজগামিনী গতিতে ট্রাম চললো। রেড রোড আসতেই চারিদিক সবুজে ছেয়ে গেল। কংক্রীটের জঙ্গলের মাঝে কে যেন সবুজ গালিচা বিছিয়ে রেখেছে দুদণ্ড প্রান ভরে নিঃশ্বাস নেবার জন্য। মাঝে মাঝে বিভিন্ন ক্লাবের সবুজ টেন্ট। আচ্ছা টেন্টগুলোর রঙ সবুজ কেন ? এটা কি সবুজ অটুট রাখার প্রচেষ্টা । দিনটা রোদেলা না হওয়ায় বেশ হাওয়া দিচ্ছিল।

    একটু ভাবুক যেই হয়েছি অমনি ঘটাং শব্দ করে ট্রাম থেমে গেল। পরখনেই দেখি সব যাত্রী নেমে পরেছে আমরাই শুধু বসে আছি। আমাদের অঢেল সময় তাই ভাবলাম যাই হোক না কেন অপেক্ষা করি। চালক, কন্ডাক্টার সবাইকে দেখলাম পেছনের বগির নিচে কি দেখছে। ভাবলাম কিছু আটকে গেছে। ঋভুকে পাঠালাম খবর আনতে।
    সে এসে বললো বসে থেকে লাভ নেই।
    আমাদের মত হাতিদের ভার সহ্য করতে না পেরে ট্রাম লাইনচ্যুত হয়েছে।

    অগত্যা কি করা …...... নামতেই হল। ততক্ষনে সমস্ত যাত্রী যে যার পথ দেখেছে। আমরাই শুধু দীর্ঘশ্বাস ফেলছি।
    দয়াপরবশ হয়ে চালক জিজ্ঞাসা করলো কোথায় যাবেন ?
    ট্রামে চড়তেই এসেছি শুনে মুচকি হেসে বললো অপেক্ষা করতে পারেন। কাছেইতো ডিপো ফোন করে দিয়েছি। ক্রেন এসে বগিটা কে লাইনে বসিয়ে দেবে। এমনি দিন হলে তাড়াতাড়ি হয়ে যেত কিন্তু আজতো ঈদের ছুটি কখন ক্রেন আসবে বলতে পারছি না।

    উপায় না দেখে আমরা এগারো নম্বরে এগোলাম রেড রোড ধরে। পেটে ততক্ষনে ছুঁচোতে ডন বৈঠক শুরু করে দিয়েছে। অনেক কষ্টে একটা ট্যাক্সি পেয়ে সোজা পিটার ক্যাট।
    চুপিচুপি বলে রাখি আমাদের এই স্বল্প ট্রাম যাত্রা বিনা টিকিটেই হয়েছিল। টিকিট কাটার আগেই ট্রামটি দেহ রেখেছিল।
  • b | ০৩ নভেম্বর ২০১৪ ২১:১১654139
  • আম্মো কলকাতা গেলেই ট্রামে চাপি। এই তো দিব্বি গড়িয়াহাট থেকে শ্যালদা গেলাম ২৬ নম্বরে।
    কংক্রীট থেকেও ডেডিকেটেড ট্র্যাক ( যা গড়িয়াহাট রোড বা রাসবিহারী অ্যাভেন্যু তে কিছুদিন আগে অবধি ছিলো,) ট্রামের গতি ও জনপ্রিয়তার জন্যে বেশি দরকার। নইলে ট্র্যাফিকের মাঝখানে উঠতে নামতে হয়। ইউরোপে কিছু জায়গায় দেখেছি, যে রাস্তা দিয়ে ট্রাম চলে সেখানে অন্য গাড়ী চলে না, তাই ট্রাম ওখানে সিরিয়াস পাবলিক ট্রানজিট, জয় রাইডের বস্তু নয়। অব্শ্য সে ট্রামের কাছে আমাদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর মডেলের ট্রাম নিতান্তই ডাইনোসর।
  • + | ০৪ নভেম্বর ২০১৪ ১২:৪৬654146
  • হাতিবাগান ডিপোর এতটাও খারাপ অবস্থা নয়। বেলগাছিয়া-হাতিবাগান ডিপো থেকে সময় থাকলে আমিও ট্রামে উঠি ওয়েলিংটন বা কলেজ স্ট্রীট যেতে হলে। মোটামুটি ১০ মিনিটে একটা করে আসে। উল্টোডাঙার কেস জানিনা বা ঈদের দিনের অবস্থা জানিনা।
  • সে | ০৪ নভেম্বর ২০১৪ ১৬:০১654147
  • ওটা সম্ভবতঃ শ্যামবাজার ডিপো। হাতিবাগানে কোনো ডিপো নেই।
  • + | ০৪ নভেম্বর ২০১৪ ২১:১৬654148
  • হুম্ম, ওটাই শ্যামবাজার, বিধান সরণিতে
  • | ০৪ নভেম্বর ২০১৪ ২১:৫৬654149
  • ফড়েপুকুর ডিপো?
  • avi | ০৪ নভেম্বর ২০১৪ ২২:৫০654150
  • ধর্মতলা থেকে খিদিরপুর যাওয়ার ট্রাম তো দারুণ জিনিস। প্রথমবার গিয়েছিলাম ২০০৯ এর শীতকালে। সকালে কাঁপতে কাঁপতে সেন্ট্রাল থেকে ধর্মতলা গিয়ে ট্রাম গুমটির পাশে দাঁড়িয়ে চা খাওয়া, লাকিলি একটা নতুন ঝকঝকে নীল ট্রামে উঠে নীল প্লাস্টিক চেয়ারে বাঁদিকের জানালায় পরপর বসা, ময়দানের কুয়াশা লেগে থাকা স্তরের ওপর থেকে জেগে থাকা পার্ক স্ট্রীট চৌরঙ্গীর হাইরাইজ গুলোর পিছন থেকে সূর্য উঠতে দেখা, সেকেণ্ড ব্রিজের তলায় নামতে গিয়ে ভুল করে কোথায় একটা যেন নামা, তারপর ফোর্ট উইলিয়াম কোয়ার্টার গুলোর মাঝের গোলক্ধাঁধা পেরিয়ে প্রিন্সেপঘাট এসে চা খেয়ে, গঙ্গা দেখে ফিরে আসা - মনে রাখার মতো একটা সকাল ছিল। পরের বছর আবার একই কাজ করবো বলে বেরোলাম, আমরা তিন জন ছিলাম। ছড়ালাম। দিনটা ছিল ২৬শে জানুয়ারি, আমরা কেউ খেয়াল করি নি। ট্রাম আউট অব কোশ্চেন, রেড রোড আর ক্যাসুরিনা রোড জুড়ে প্যারেড আর ওয়েপন ক্যারিয়ার একের পর এক। সেটাই দেখলাম।
    তারপর আর ঐ রাস্তায় ট্রামে চড়া হল না কখনো। সকালে ক্যাসুরিনা রোডে হাঁটার সময় মাঝে মাঝেই দুদিক থেকে ট্রাম পেরিয়ে যায়, কিন্তু আর চড়া হয় না। ভালো কথা, এই রাস্তায় কিন্তু দিনের প্রথম ট্রাম সকাল ৬টার আগে থেকেই চলতে শুরু করে।
    আর শ্যামবাজার ডিপোর কলেজ স্ট্রীট যাওয়ার ট্রাম তো খুব দরকারী গণপরিবহন, মোটেই শুধু রোম্যান্টিক বিলাসিতা নয়। হেদো বা হাতিবাগান গেলে প্রতিবার ট্রামে চেপেই কলেজ স্ট্রীট পাড়ায় ফিরতে হত, ওন্য গাড়ীর জন্য ওয়ান ওয়ে ছিল বিডন স্ট্রীটের পর থেকে। হয় ট্যাক্সি, নয় ট্রাম। আমার প্রতিবার দেখা, এ রাস্তায় ট্রাম, ট্যাক্সির চেয়ে কম দুর্লভ।
  • সে | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:৫২654151
  • আরেকটা হচ্ছে চিৎপুরের ট্রাম। লোয়ার ও আপার চিৎপুর রোডের ঘিঞ্জি রাস্তায় সবচেয়ে ঝঞ্ঝাটহীন ট্রান্সপোর্ট এখনো। তবে ধীরগতি। লালবাজার থেকে উঠে কলুটোলা পেরিয়ে নতুন বাজার অবধি যেতে বেস্ট পদ্ধতি।
  • সে | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:০৬654118
  • ট্রামডিপো যেগুলো ছিলো মনে পড়ছেঃ শ্যামবাজার, বাগবাজার, গ্যালিফ স্ট্রীট, রাজাবাজার, বেলগাছিয়া, চিৎপুর, নোনাপুকুর, পার্কসাকাস, ওয়েলিংটন, গড়িয়াহাট, বালিগঞ্জ, টালিগঞ্জ, আলিপুর, হাওড়া, এস্‌প্ল্যানেড, কালীঘাট, ভবানীপুর, বেহালা, ঠাকুরপুকুর। উল্টোডাঙা ডিপোতো শখ করে নতুন লাইন বানানো হয়েছিলো।
    বৌবাজারে ছিলো কি? মনে পড়ছে না। বড়বাজারে? ছিলো মনে হচ্ছে।
  • সে | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:১০654119
  • খিদিরপুর ডিপো লিখতে ভুলেছি।
  • সে | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:১৩654120
  • হাওড়াতেও আলাদা করে ট্রামরুট ছিলো। একটাই ট্রাম, সিঙ্গল বোগি, দুদিকে ইঞ্জিন। হাওড়া স্টেশন থেকে শিবপুর ডিপো অবধি যেতো। এই ট্রামের কোনো নম্বর ছিলো না। এটার নাম ছিলো শিবপুরের ট্রাম। পুরো ট্রামটাই সেকেন্ড ক্লাস। ফ্যান নেই।
  • সে | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:২৪654121
  • ট্রামের প্রতিটি বোগিতে একটি করে দরজা। আগে সে দরজা থাকত ফার্স্ট ক্লাসের শেষ প্রান্তে ও সেকেন্ড ক্লাসের গোড়ায়, মোটামুটি দুটো দরজা কাছাকাছি। অনেক ক্ষেত্রে সেকেন্ড ক্লাসের দরজাও শেষের দিকে থাকত। ফার্স্ট ক্লাসের সীট নীল রেক্সিনে মোড়া গদি। সেকেন্ড ক্লাস কাঠের সীট, ফাঁক ফাঁক তক্তা দিয়ে বানানো। সেকেন্ড ক্লাসে ফ্যান নেই। ট্রামে উঠলেই ফার্স্ট ক্লাসে বাঁ হাতে বেশ কয়েকটা সীট ছিলো লেডিজ সীট।
    ১৯৭৫ নাগাদ এলো "সুন্দরী" ট্রাম। গদিহীন ফার্স্টক্লাস। তার কিছু দিন পরে "চৈতালী"। এবারে আবার কিছুদিন পরে বোগিগুলোর স্ট্রাকচার বদলে গেল। দরজাগুলো বাসানো হলো প্রায় মধ্যিখানে, পুরোপুরি নয় অনশ্য। ফার্স্ট ক্লাসে উঠলেই ডানহাতি লেডিজ কম্পার্টমেন্ট, সেকেন্ডক্লাসের ক্ষেত্রে উঠলেই বাঁহাতি লেডিজ কম্পার্টমেন্ট। এই স্ট্রাকচার এখনো রয়ে গেছে।
  • + | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:২৪654122
  • পোস্তায় ছিল মনে হচ্ছে একটা। ছোটবেলায় ট্রামে করে হাওড়া যেতাম যখন দেখেছি মনে হয়
  • সে | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:২৭654123
  • পোস্তায় ডিপোটার নাম কী ছিলো সেইটে মনে পড়ছে না।
  • সে | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:২৯654124
  • বড়বাজার? Burrabazar? মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ রোডে ছিলো ওটা এই অবধি মনে পড়ছে।
  • cb | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:৫২654125
  • আমি তো বাড়ি থেকে ধর্মতলা ট্রামে ই যাতায়াত করার চেষ্টা করি, এখন ও। ছোটোবেলায় মা আমাকে আর বোনকে নিয়ে ট্রামে করে বেড়াতে যেত। সে কিরকম বেড়ানো? ট্রামে উঠলাম, ধর্মতলায় গিয়ে সে ১৫ মিন রেস্ট নিল। আমরা বাদামভাজা কিনে খেয়েদেয়ে ওটাতেই বসে থাকলাম, আবার ওটাই ঘুরে খিদিরপুর যাবে, নতুন করে টিকিট কেটে ব্যাক
  • b | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:৪৩654126
  • উল্টোডাঙ্গা, বালিগঞ্জ ঠিক ডিপো নয়, টার্মিনাস বলা যেতে পারে, ওখানে ট্রামগুলো এক চক্কর খেয়ে আসতো/আসে।
  • avi | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ১৮:৫৫654127
  • ট্রাম খুব আলাভোলা যান, আমার খুব ভালো লাগতো। তখন বোধ হয় ২০০৫, আমি আর আমার বন্ধু কলেজ স্ট্রীটে বিকেলবেলায় দাঁড়িয়ে আছি। সে বললো, চল ট্রামে চেপে ঘুরে আসি। একটা ট্রাম আসছিল, তক্ষুনি উঠে পড়্লাম। ট্রামটা দক্ষিণদিকে যাচ্ছিল, দিব্যি বৌবাজার মোড়ে গিয়ে ডানদিকে বাঁক নিল। তখন ঐ অফিসপাড়ার রাস্তাঘাট খুব একটা চিনতাম না, ( এখনো চিনি না, গেল বছর এক বন্ধুকে খুব কনফিডেন্টালি সেন্ট জনস চার্চে জোব চার্ণকের সমাধি দেখাতে নিয়ে গিয়ে মাখিয়ে ফেলেছিলাম, অথচ আমি আগে ওখানে গেছি। ঃ) )। যাই হোক, কনডাকটর এসে টিকেট চাইতে আমরা বেশ ইনোসেন্টলি জানতে চাইলাম যে ট্রাম কোথায় যাচ্ছে। তিনিও দেখলাম বেশ "এর'ম প্রশ্ন তো আমি রোজ পাই" ধরনের মুখ করে ডালহৌসির টিকিট কেটে দিলেন।
    আর ট্রামকে একদম আন্ডারএস্টিমেট করতে নেই। আমার ঐ বন্ধুর সাথেই একবার আমি ইডেন থেকে ( স্টেডিয়াম না, পাশের বাগানটা, বড় ভালো জায়গা ছিল ) বেরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে রাজভবনের উল্টোদিকে ঐ পার্কটার এমন এক পয়েন্টে তখন এসেছি, যেটা একখানা সমকোণী ত্রিভূজের সমকোণের বিন্দু হলে অতিভূজ বরাবর একটি ট্রাম লাইন। আমরা গিয়েই দেখি উত্তরে যাওয়ার এক ট্রাম বেশ হেলতে দুলতে ঐ অতিভূজ বরাবর আসছে। চকিতে মাথায় খেলে গেল পিথাগোরাস। প্লাস ট্রামের ওপর জেনেটিক অশ্রদ্ধা যে ও ঠিক হেঁটেই ধরে ফেলবো, ট্রাম তো। তারপর ত্রিভূজের এক বাহু ধরে প্রথমে হালকা চালে, তারপর হন্তদন্ত, তারপর দৌড়, শেষে দেখলাম সে দিব্যি আমাদের অনেক পিছনে ফেলে হুশ। এরপর থেকে আমি জীবনানন্দঘাতী বাংলার এই ঐতিহ্যকে খুব সমীহ করি।
  • সে | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ২১:১১654130
  • আমিও কটা ফোটো দিই ইন্টারনেট থেকে











  • d | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ২১:২০654131
  • এহে ছবিটা আসে নি। এই যে

  • Stuti Biswas | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ২১:৪১654132
  • কলকাতার ট্রাম সত্যি ঐতিহ্য। কিন্তু তার এখন যা বেসামাল অবস্থা দেখলে কষ্ট হয়। বেলা বারোটার সময় ডিপোতে গিয়েও ট্রামের আতাপাতা কেউ বলতে পারেনি। ট্রাম ডিপোগুলোকে দেখে মনে হয় অবহেলায় পরে থাকা কোন বাঞ্জার জমিন। কোন উন্নতি নেই। ট্রামের ও সেই অবস্থা। ওগুলো যে এখনো চলে সেটাই খুব আশ্চর্যের। ট্রাম পরিবহনের অঙ্গ। ইদের দিন তার ছুটি বা বেহাল অবস্থা কেন হবে ? সে দিন তো আরো বেশী করে চলা উচিত। তবে আর বেশীদিন নেই অচিরেই ট্রাম দেহ রাখবে। তাখন অচল বগিগুলো রাস্তার ধারেশুয়ে থাকা মানুষগুলোর শোবার জায়গা হবে। তাও তো কিছু লোক একটু রাত্রিবেলা নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবে।
  • সে | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ২২:০২654133
  • এইটে মনে হয় নতুন অবয়ব।

    বিবর্তন তো হবেই।
  • সে | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ২২:০৬654134
  • তারপরে এইটে হবে গিয়ে ট্রাম রেস্টুরেন্ট
  • | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ২২:৪৫654135
  • এই ঠিক শেষের আগেরটায় আমি চড়েছি। যাত্রীরা আবার আহ্লাদ করে তাকে 'সুন্দরী ট্রাম' বলছিলেন। কিন্তু আমার কেমন মনে হচ্ছে ১৯৭৫ সালে যে নীল রঙের ট্রামগুলো চালু হয়েছিল তাদেরও সুন্দরী ট্রাম বলত।

    আর অভি'র লেখা ভারী ভাল্লাগলো। আমিও কলেজ স্ট্রীট থেকে চ্জৌরঙ্গীর দিকে যেতে হলে ট্রামে চেপে বসি। দিব্বি আরাম।
  • | ০৫ নভেম্বর ২০১৪ ২২:৪৬654136
  • *চৌরঙ্গী'
  • avi | ০৬ নভেম্বর ২০১৪ ০১:০৪654137
  • আচ্ছা, কলকাতার আরেক ঐতিহ্য দোতলা বাস শেষ কবে রাস্তায় চলেছে? আমার মনে হচ্ছে ২০০৫-০৬এও একটা দুটো দেখেছি, বৌবাজারের মোড়ে বা এক্সাইড রবীন্দ্র সদন চত্বরে।
  • সে | ০৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৬:৪৫654138
  • দোতলা বাসও নস্টালজিয়া। লাল বাস(11, 11A, 15, 3, 8B, ইত্যাদি), লীলবাস(L2, 2B), আড়াইতলা বাস(L9>).

    <
  • সে | ০৭ নভেম্বর ২০১৪ ১৬:৪৬654140
  • দোতলা বাসও নস্টালজিয়া। লাল বাস(11, 11A, 15, 3, 8B, ইত্যাদি), লীলবাস(L2, 2B), আড়াইতলা বাস(L9).

  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন