এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  সিনেমা

  • PK

    gaaja
    সিনেমা | ২০ ডিসেম্বর ২০১৪ | ৭৩৭২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • cm | ২০ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৯:৫০655126
  • পিকে দেইখ্যা আইলাম। আপনেরাও দেইখেন।
  • | ২০ ডিসেম্বর ২০১৪ ২০:৪৯655137
  • দয়া করে গল্পটাও লিখে দেবেন:P
  • a x | ২০ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৩৪655148
  • ওমা আমির সাবওয়ে না পরে রেডিও পরেছে কেন? রেডিও তো রোজ কাচা যাবেনা!
  • সিকি | ২০ ডিসেম্বর ২০১৪ ২৩:১৭655159
  • সিএম এট্টু কি জানাতে পারবেন দশ বছরের বাচ্চাকে নিয়ে সিনেমাটা দেখা উচিত হবে কিনা?
  • cm | ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:৩৬655181
  • অক্ষ বলেই দিয়েছেন আমির রেডিও পড়েছেন। আমাদের বুড়ো চোখের অটোমেটিক ফিল্টারে যা বাদ যায় তা বাচ্চার জন্য প্রযোজ্য নয়। ও বাদে গোলমেলে কিছু নেই এবং আজকের বাচ্চারা অনেক পরিণত তাই অভিভাবকের পাশে বসে দেখলে রেডিও পরিহিত আমির কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবেননা বলেই মনে হয়। তবে সিনেমাটা বাচ্চাদের জন্য তৈরি নয়। যেমন তাজপ বাচ্চাদের জন্য ছিলনা। আমার সিনেমাটা বেশ লেগেছে। হাতের পাশে একখান কম্পু পেলেই রিভ্যু নামাব।
  • Shibir | ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ ১১:৫৬655192
  • কালকে আমার এক বন্ধু আমাকে PK মুভি টা কেমন জিগ্গেস করেছিল। আমি মুভি টার ট্রেইলার দেখে যা মনে হলো তাই বললাম। এখন এইবেলার লেখাটা দেখলাম আমি যা বলেছি তার সাথে মোটামুটি এক। তারমানে PK খুবই predictable।
    রাজ কুমার হিরানীর সিনেমায় একটা প্যাটার্ন আছে। একটা অদ্ভুত চরিত্র থাকবে যে সমাজের নানা অসঙ্গতিগুলোকে ( সাধারণ মানুষের চোখে যদিও সঙ্গতি) নিয়ে খিল্লি করবে। মোটের উপর আমাদের সিরিয়াস হিপক্রেসী নিয়ে মজা করে সিনেমা বানানো।
  • | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৯:২৮655203
  • পিকে দেখে এলাম।

    কিছুদিন আগে হ্যাপি নিউ ইয়ার দেখতে গিয়েছিলাম- সপরিবারে।আমরা 'তিনজন' ১২৫ সিটের থিয়েটারে বসে বেশ গুষ্টিসুখ উপভোগ করছিলাম,এক বুড়ো দাদু শুধু মাঝপথে এসে পড়ায় তিন থেকে চার হয়ে বাংলায় জোরে গল্প করায় অল্প ব্যাঘাত ঘটেছিলো মাত্র।সেই সিনেমার ভরপুর উত্তেজনা ছেলের মনে এতই দাগ কেটেছে যে আজ সে বলেই ফেল্লো,নটরেটেড ছবি না দেখে সে বন্ধুর সঙ্গেই খেলতে চায়।

    আগের দিনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আজ হেলতে দুলতে অ্যাড কে দেখে ভেবে বেশ দেরী করেই উপস্থিত হলাম। যথারীতি যা ভেবেছিলাম।কি ফাঁকা! গুটি পাঁচ-ছয় ভারতীয় লবিতে ঘোরাঘুরি করছে। টিকিট কেটে পপকর্নের লাইনে দাঁড়িয়েছি- ঘড়িতে ৩-২৫, শো টাইম ৩-১৫। লাইনে আমার সামনে এক মাঝবয়সী স্বর্ণকেশী। দোকানি এক বাকেটে করে ভুট্টা আনে, উনি ঝাঁকিয়ে নুন মরিচ মিশিয়ে আবার ফেরত দেন, সে আবার কিছু ফুটন্ত ভুট্টা চাপিয়ে বাকেট ওর হাতে দেয়,আবার নুন মরিচ মিশিয়ে উনি ফেরত দেন- এই অনন্ত যাতায়াত প্রক্রিয়ায় পাঁচসাত মিনিট যাবার পর সঙ্গী কে বল্লাম,গিয়ে একটা ভালো সিট বেছে জায়গা রাখতে,সে আবার কাব্যি করে একযাত্রায় পৃথক ফল টল বলেও কি মনে করে রওনা দিলো।
    ঘড়ি তে তখন ৩-৩৫, ভুট্টা কিনে হলে ঢুকে দেখি, শুধু কালো কালো মাথা- পিকে ধরাতলে আবির্ভূত। উপরের দিকে তাকিয়ে সঙ্গীকে খুঁজছি, হঠাৎ দেখি কে নাম ধরে ডাকছে। তাকিয়ে দেখি, সঙ্গী সবচে সামনের সারিতে বসে ঠ্যাং দোলাচ্ছে। হল খচাখচ ভর্তি। একটি দুটি সিট ওপরের দিকে খালি আছে দেখে আশায় এগিয়ে গিয়ে শুনি, জায়গা রাখা আছে। বাড়ি থেকে রওনা হয়েছে এমন লোকের জন্যেও আগে এসে জায়গা রেখে দিয়েছে। ভাঙা মনে চোখের সামনে পর্দা নিয়েই বসে পড়লাম। ঐ জায়গায় বসে সিনেমা দেখা প্রায় অসম্ভব ভেবে যখন প্রায় কেঁদে ফেলবো,তখন একজোড়া লোক দেখি উঠে যাচ্ছে(সিনেমা হচ্ছিলো সামনে,কিন্তু আমি পেছন দিকে চোখ যথাসম্ভব কুঁচকে খালি চেয়ার দেখছিলাম) লম্ফ দিয়ে সেখানে গিয়ে বসে অবশেষে বাকি সিনেমাটা দেখার চেষ্টা করেছি।চেষ্টা করেছি কারণ চারিদিকে এত আনন্দের আবহাওয়ায় শুধু সিনেমায় মন দেওয়া অসম্ভব। পিকের সংলাপ শুনে পিলে চমকানো হাসির উৎস খুঁজতে গিয়ে দেখি এক হতভাগ্য সাদা পরিবার কি করে যেন ঝরনাধারার পাশেই বসেছে- সাবটাইটেল দেখে তারা সম্ভবত অত হাসির কারণ খুঁজে না পেয়ে চক্ষু ছানাবড়া করে বিমর্ষ হয়ে বসে আছে,। হলে ২ মাস বয়সী দর্শক মাঝে মাঝেই প্যাঁ করে কান্না জুড়েও আমার মন ভরিয়ে দিয়েছে- হাসিতে আপত্তি না থাকলেও কান্না আওয়াজ পাওয়ামাত্র দর্শকবৃন্দ বিরক্তিসূচক চুকচাক আওয়াজে হতভাগ্য বাপ কে শিশু কোলে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে সিনেমা দেখতে বাধ্য করেছে।
    সিনেমা ভালো ই হয়েছে- চাইলে গল্প টা এক লাইনেই বলে দিতে পারি, কিন্তু বল্লাম না। যার যার উপায় আছে হলে গিয়ে দেখুন।হ্যাপি নিউ ইয়ারের চেয়ে ৫০০ গুণ ভালো। ১১৫ জন দর্শক না থাকলে আরো ভাল্লাগতো।

    তবে ভাগ্যিস ছেলে যায়নি। নয়তো আজ কন্ডোম সংক্রান্ত (সাবটাইটেল দেখে)প্রশ্নোত্তর পর্বে আমাদের লালসুতোনীলসুতো বেরিয়ে যেতঃ)
  • pi | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২০:০২655116
  • বাঃ, এটা নিয়েও বানরসেনাদের লম্ফঝম্প স্শুরু হয়ে গেছে ! একটি নমুনা।
    ডিঃ * স্পয়লার আছে*
    -------

    "আমির খানের নতুন সিনেমা পিকে তে যাচ্ছেতাই ভাবে হিন্দু ধর্মকেই একচেটিয়া ভাবে দোষারোপ করা হল। সেখানে অন্য ধর্মকে ধরি মাছ না ছুই পানির মতো দেখালেও যত দোষ শুধুই হিন্দু ধর্মের।
    ভিন গ্রহ থেকে আশা এলিয়ান যার এই দুনিয়ায় কথিত নাম পিকে। সিনেমাটায় এমন অনেক কিছু দেখান হল যা হিন্দু ধর্মকে আঘাত করে।

    পিকের পৃথিবীতে আসার পর তার স্পেস সিপের কাছে আনার অন্যতম এক যন্ত্র যা পিকে লকেটের মতো পরে তা চুরি হয়ে যায়। সবাই বলে তা ভগবান ছাড়া কেউ আর খুজে দিতে পারবে না। পিকে বেড়িয়ে পড়ে ভগবানের খোঁজে। এবারই সে বেড় করতে থাকে শুধু হিন্দুদেরই সমস্যাগুলো। আর অন্য ধর্ম, নৈব নৈব চ।

    ১। এক মূর্তির দোকানে পিকে কিনল একটি ছোট ভগবানের মূর্তি, তাকে কিনেই তার কাছে হারিয়ে যাওয়া লকেটটি চাইল, কিন্তু তা পেল না। সে দোকানে গিয়ে বলল, মূর্তিটা খারাপ আছে কারন ভগবান তার কথা শুনতে পারছে না। দোকানদার যখন তাকে বলেন যে ভগবান মূর্তি ছাড়াও তার কথা শুনতে পান তখন পিকের ইসলামি প্রশ্ন ??? তাহলে ভগবানকে ডাকতে মূর্তির কি দরকার। দোকানদার বললেন কেন আমার ব্যাবসা বন্ধ করাতে চাও। তার কাছে ধর্মীয় উত্তর নেই।

    ২। লাভ জিহাদ কে প্রমট করা হল দারুণ ভাবেই। বেলজিয়ামে হিন্দু নায়িকা অনুস্কার সাথে পাকিস্তানি প্রবাসী সাহনাওয়াজ এর প্রেম। মেয়ের বাড়ির লোক ধর্মের জন্য মেনে না নিলেও শেষে পিকের গ্যানের কথা শুনে সাহনাওয়াজের সাথে বিয়েতে তিনি আর কোন দোষ খুজে পান নি। সাথে যে পাকিস্তান আমাদের সেনার মাথা কাটল তাতেও কোন আপত্তি নেই সিনেমার মেকারদের। কারন সিনেমাটা পাকিস্তানেও যে চলবে। তাই ওদেরও মন জয় করা চাই। তাই ভারতের হিন্দু মেয়েও দেওয়া যায়।

    ৩। আমির খান ভগবানের খোঁজে দেখা পেলেন এক থিয়েটারের সাজানো শিবের অভিনয়কারীকে। লকেটের জন্য পিকে তাড়া করল শিব সাজা লোকটিকে। ব্যাপারটা আরো মজার করা হল যখন এক ব্যাক্তি বাড়িতে শিবের ছবির পুজা করছেন এবং পাশ দিয়ে শিবরুপি দৌড়াচ্ছে। আরো কিছু অজানা ইনফো দিতে চাই। এই শিব রুপির সাথে আমিরের সুটিং টা হয় অক্টবর ২০১৩ তে। সেখানে আরেকটি সিন সুট হয়। ঐ শিবরুপি, একটি রিকসা চালাচ্চেন আর রিকসায় দুজন মুসলিম বোরখা পড়া মহিলা। ঐ দিনই এলাকার লোকেরা সুটিং থামিয়ে দেন এবং আমির খান ও ডিরেক্টারের বিরুধে এফআইআর জমা পড়ে। FIR under section 295 A (injuring or defiling place of worship with intent to insult the religious of any class)।

    http://indiatoday.intoday.in/…/fir-against-aa…/1/314088.html

    ৪। খুব সুক্ষভাবে রাম ও কৃষ্ণ জন্মভূমি প্রসঙ্গও তোলা হল, অবশ্যই হিন্দুদেরই দোষী করে। পিকের জন্য ধরা পড়ল দেশের প্রচুর ভন্ড সাধু সন্যাসিরা। যাই হোক সব ভণ্ডই শুধু হিন্ধু ধর্মেরই।

    ৫। মন্দির থেকে টাকা চুরি করতে গিয়ে ধরা খেলেন পিকে। নায়িকা বাচালেন। লোক জন যেই মারতে এল, সাথে সাথে পিকে নিজের দুই গালে পড়ে নিলেন হিন্দু দেব দেবির ছবির স্টিকার। ফলে তাকে আর কেউ মারবে না। এটি কিভাবে শিখেছে জানতে চাইলে পিকে বলল এরা ভগবানের ছবি দেওয়ালে মারে যাতে কেউ প্রস্রাব না করে ওখানে, তাই সে নিজের গালেও ছবি মেরেছে যাতে তাকে কেউ না মারে। যাই হোক নায়িকার বাচাবার পড়ে হিন্দু পুরোহিত নায়িকার পার্সে থাকা ৫ হাজার রুপি প্রায় ছিনাতাই করে দান হিসাবে রেখে দিল। এভাবেই চলতে থাকল হিন্দু ধর্মকে অপমান করার কর্মসূচী।

    ৬। দেখানো হল সিনেমার প্রধান ভিলেনকে। সেও এক বিশাল বড় ভন্ড হিন্দু বাবা। বাবা আবার ভগবানের সাথে নাকি সাথে সাথে কথা বলে নিতে পারেন। সেও বেশ খারাপ ভাবেই দেখানো হল যেন যত ভন্ড বাবা তা হিন্দু ধর্মেই। তার কাছে প্রচুর ভক্তের সমাগম। আর সেই বাবার কাছেই রয়েছে পিকের সেই নিজের গ্রহে ফেরার লকেট। যা বাবা বলেছেন সবাইকে নাকি সেটা বাবা ভোলানাথের ডমরুর একটা অংশ। পিকের লড়াই নিজের লকেট ঊদ্ধার করা।
    All muslim clerics, prophets, priests and lamas of other religions are saints. Only Hindu sages, godmen are bad.

    ৭। নায়িকার বাবা কে তিনি বোঝালেন কিভাবে একটা পাথরকে, একটু লাল রং মাখিয়ে আর তার সামনে কিছু খুচরো পয়সা রাখলে, ভক্তের ভিড় লেগে যায়। ছেলে পুলেরা ভালো রেসাল্টের জন্য হত্যে দিয়ে পড়ে। তবে তো বাবা মহান হবেন ও মেয়েকে পাকিস্তানি সাহনাওয়াজের হাতে তুলে দেবেন।

    যাই হোক, হাজার হাজার ভাবে হিন্দু ধর্মকে অপমান করার পর পিকে নিজের লকেট হাসিল করলেন। একেবারে ভারতীয় হিন্দু নায়িকার সাথে পাকিস্তানি সাহনাওয়াজের বিয়ে দিয়েই শান্তি পেলেন। মেয়ের বাবা মহা আনন্দে সিটি মারলেন ( সত্যিই সিটি মারলেন )। আর আমাদেরই হিন্দু ভাই বোনরা পয়সা খরচা করে খানদের পকেট ভরিয়ে সিনেমায় হিন্দু ধর্মের অপমান দেখতে গেলেন। আমির খান যখন নিজে হজে যান, তাতে সমস্যা নেই। যত সমস্যা হিন্দু মন্ধিরেই। এই পৃথিবীতে সব থেকে বড় ধর্মীও ভন্ড কেউ যদি থেকে থাকেন তাহলে তিনি সেই ব্যাক্তি যিনি মক্কা বানিয়েছেন ( Peace Be Upon Him )। হাজার বছর ধরে আজও ঈশ্বরের নামে টাকা ঢালতে যায় সারা দুনিয়া থেকে। আমির বাবুও তার ব্যাতিক্রম না। কিন্তু তার চোখে সমস্যা হিন্দু মন্দিরই।

    .........................PLEASE BOYCOTT PK..............

    গীতার সাপেক্ষে কিছু ঊত্তর দেবার চেষ্টা করলাম।

    একমাত্র কলিযুগেতেই সনাতন ধর্মে মূর্তি পূজা করার অনুমতি রয়েছে, কারন মানুষ সাংসারিক কাজে সম্পূর্ণ ব্যাস্ত হওয়ায় মূর্তির মাধ্যমেই যাতে ঈশ্বরের ওপর মনোনিবেশ করতে পারেন। সেই জন্যেই মূর্তির প্রয়োজনীয়তা। নয়ত অতিথে সাধু সন্যাসিরা তপস্যা করতে মূর্তি ব্যাবহার করতেন না।

    দ্বিতীয় বড় একটি ব্যাপার হল গীতাতে মানুষের প্রধান লক্ষ্য আত্মাকে পরমাত্মার কাছে মুক্তি পাওয়া। যাতে সে জন্ম মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি পেতে পারে। কারন দেহ ও আত্মা পৃথক। আত্মা কাপড়ের মতো দেহ পরিবর্তন করে। তিনটি গুনের কথা বলা হয়েছে, সাত্ত্বিক, রাজাস ও তমাস।

    সাত্ত্বিক মানুষ কে ?
    যে মানুষ এটা বুঝতে পারেন যে সে একটা আত্মা ছাড়া আর কিছু না। সে অমর। তার মৃত্যু হবে না। সে শুধু একটা দেহের মধ্যে থাকে মাত্র। সে আগেও অনেক দেহের মধ্যে ছিল, এবং পরেও অনেক দেহের ভেতর থাকবে। তার আত্মিয় সজন, বন্ধু বান্ধব, আনন্দ দুঃখ সব কিছুই তার দেহের মাত্র। আত্মার তারা কিছুই না। তার পিতা মাতার আত্মার সৃষ্টি যেখান থেকে, তার নিজের আত্মার সৃষ্টিও একই পরমাত্মা থেকে। পিতা মাতা আত্মিয় সজন বন্ধু বান্ধব সবকিছুরই সম্পর্ক শুধুমাত্রই দেহের। আত্মার না।
    সেই মানুষ যে কিছু পেলে আনন্দ পায় না, আবার কিছু হারালে দুঃখ পায় না। যে ভগবানের কাছে কখনই এমন কিছু চায় না যা লাভজনক নিজের জন্য, সেটিই মায়া। ভগবান কখনই মায়া জাত আবেদন স্বীকার করেন না। যেমন, টাকা পয়সা, চাকরি, ভালো রেসাল্ট এসবই মায়া। যে ব্যাক্তি মায়া লাভের জন্য ঈশ্বরকে ডাকেন সে কখনই সাত্ত্বিক মানুষ না। যে অন্যের জন্য ভগবানের কাছে ডাকেন ভগবান তার আবেদনই স্বীকার করেন যদি তা মায়াজাত না হয়। আর সমস্ত অবস্তায় যার বুদ্ধি স্ত্রির থাকে সেই মানুষ সাত্ত্বিক গুন সম্পন্ন। এই ধরনের মানুষই জন্ম মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি পেয়ে যায়। অতএব যে মানুষ নিজের লাভের জন্য ভগবানকে ডাকেন যেমন নায়িকার বাবা, পিকে, ভন্ড বাবার কাছে আসা ভক্তরা, দান দিয়ে ভাল রেসাল্ট পাওয়ার আশাকারি ছাত্ররা এরা সবাই ভগবানের কাছে মায়া চাইছেন। আবার এরাই কাঙ্ক্ষিত জিনিষ না পেলে দুঃখও পাচ্ছেন।

    বয়কট পিকে। "
  • santanu | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২০:৪৯655117
  • সিনেমাটা দেখতে দেখতে কিছু মনে হয় নি। এখন পাই এর লেখাটা দেখে ভাবার চেষ্টা করলাম যে ঐ গুরুদেবের বদলে কোনো মৌলবী আর গনেশের মূর্তি র বদলে ক্রাইস্ট হলে, ব্যপারটা কেমন হতো।
  • kiki | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২০:৫১655118
  • আজ মর্নিং শো তে পি কে দেখে এলুম বড় হয়ে যাওয়া ছেলেকে নিয়ে। কি মাইরি আমাদের অজন্তা তেও মর্নিং শো-র টিকেট(৯ঃ৩০) একশো টাকা। তো যাই হোক, আমার বড় হয়ে যাওয়া আর হাসতে ভালোবাসা ছেলে অসম্ভব হো হো হা হা করে এসেছে। প্রায় ই এ ও ধমকে থামাচ্ছিলো( ইয়ে মিঠু, কন্ডোম সংক্রান্ত ব্যাপারেও হেসে গড়ালো, কি চাপ!!!) তো ভালোই লাগলো। একবার দেখাই যায়। ধর্ম, ধর্মাচার নিয়ে ভালো মেসেজ দিয়েছে সুন্দর ভাবে। সবার কাছেই পৌছানো উচিত এ মেসেজ। তবে ঐ আর কি, কিছু কিছু জায়গা বড্ড ড্রামা, যেমন হয়। বুড়ো বয়সে এসব নেওয়া চাপ হয়ে যায়। পাকিস্থানী এম্বাসি যা করলো, সেরকম বেশ কিছু। যাহোক টিনে পাব্লিক খুব পছন্দ করবে। কেবল বেরিয়ে এসে একবার দেখাই যায়, দুবার নয় শুনে ছেলের সাথে শুধু শুধু বাওয়াল হয়ে গেলো রাস্তার মধ্যে, তিনি ও শুরু কল্লেন, চতুষ্কোন কিভাবে দুবার দেখা যায় বলে।
  • kiki | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২০:৫৯655119
  • হিন্দু ধর্মের গুরু সামনে এসেছে হয়তো, কিন্তু কোন ধর্মকেই তো ছাড় দেয়নি। ভালো করে দেখলেই বোঝা যাবে। তাছাড়া এটা ভারতের দর্শককে টার্গেট করেছে তো, সেখানে হিন্দু ধর্মাচার টাই তো বেশি চোখে পরে, প্রবলেম এখন ও কিছু লাগছে নাতো। আর এটাও ঠিক(পলিটিকালি কারেক্ট না হলেও বাস্তব) হিন্দুদের মধ্যে লিবারাল মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি(ভাবনায়)। আর যেকোন জায়গায় যারা সংখ্যায় কম তাদের ইনসিকিউরিটি বেশি, কাজেই তাদের নিয়ে মজা করলে আঘাত লাগার সম্ভবনা বেশি থাকে, তারা মনে করে তাদের কষ্ট দেওয়া হলো, অন্যপক্ষে যারা ইন্সিকিউরিটি ফিল করে না তেমন তাদের দিয়ে উদাহরন দেওয়াটা সোজা। সিম্পল। সব সময় ভাবনাটা জটিল কেন করতে হবে!
  • যম | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২১:০০655120
  • "একমাত্র কলিযুগেতেই সনাতন ধর্মে মূর্তি পূজা করার অনুমতি রয়েছে" - মহাভারতের ঘটনা তো দ্বাপর যুগের। সেখানেও তো মুর্তিপুজোর কথা আছে।
  • pi | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২১:০২655121
  • বানর সেনারা কবে বিরিঞ্চিবাবা, লক্ষ্মণের শক্তিশেল এসব বয়কটের দাবি টাবি তোলে, তার অপেক্ষায়।
  • jhiki | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২১:০৫655122
  • কিকিকে বড় করে ক, ভারতে এই সিনেমাটা রিলিজ করাতে কোন অসুবিধাই হয়নি, আর আত্মসমালোচনা হিসেবে ব্যাপারটা দেখলেও চলে। যা দেখিয়েছে সেগুলোতো সত্যিই, অন্য গ্রহ থেকে আসা পিকে কেন, এই গ্রহের অনেক বাচ্চাদের মনেই এধণের প্রশ্ন আসে।
  • jhiki | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২১:০৯655123
  • তবে আমি এদিক ওদিক যা রিভিউ পড়েছি তার বেসিসে লিখলাম, পর্দায় আমীর খানকে দেখতে যাওয়ার মত সময় আমার নেই, রঙ্গ দে বসন্তীর পরই তৌবা করে দিয়েছিলাম ঃ)
  • | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৩১655124
  • ঝিকি র শেষ পোস্ট দেখে বুক চেপে পড়ে গেলামঃ)

    আর আমাদের ভারতবর্ষে ভন্ড ধর্মীয় গুরুদেবগণ প্রায় সকলেই সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের লোক- তাদের ভন্ডামি নিয়ে মজা করাই উচিত।
  • R | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৩৪655125
  • কিছু মনে করবেন না, কিন্তু ঝিকির এদেশের কাকে পর্দায় দেখতে যাওয়ার সময় আছে, জানার খুবই ইচ্ছে রইল।
  • | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৩৭655127
  • এই আরে র প্রশ্নটা আমারো আমারো।
    ঝিকি অন্য কোনো খান বল্লে আমার মনটা খানখান হয়ে ভেঙে পড়ে যাবেঃ(
  • jhiki | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৪০655129
  • রয় দেখব, কিক দেখেছি, পুরোপুরি স্বেচ্ছায় না হলেও দেখেছি ঃ)
  • cm | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৪০655128
  • কেনো? স্যামন খান।
  • jenegan | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৪৪655130
  • ও মাই গড
    !
  • | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৪৮655131
  • ম্যা গো।
  • lcm | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৫০655132
  • আমিও ফ্যান, এখন আমেরিকার সেরা বাঙালী - সলমন খান। বাবা বরিশাল, মা কলকাতা।
    http://en.wikipedia.org/wiki/Salman_Khan_%28educator%29
  • Ekak | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৫০655133
  • সিরিয়াসলি আমির না থাকলে গল্প টা শুনে মনে হলো একবার চালু কমেডি মুভি হিসেবে দেখাই যায়। আমীর এর আগের প্রচুর ক্যাবলামোর-ছ্যাবলামির দর্শক আমি কিন্তু আজকাল এই পুওর ম্যান টম হান্ক্স ধরনের হাঁটাচলা, সেই একরকম হাসি, অকারণ বারংবার রসগোল্লার মত করে চোখের ভঙ্গি .....টোটাল ম্যানারিস্ম মে আপ টা জাস্ট নেয়া যায়না। আরে যার যেটা ধাতে মিশে আছে। জাস্ট বিকট লাগে। দিল চাহতা হায় তে ঠিক ছিল, গ্রেস দিয়ে দিয়ে ওই ঝিকি যা বললেন রং দে অবধি টানা যায়। হী ইস আ গুড এক্টর, এই উদ্ভট মেকওভার টা যাচ্চেনা।
  • lcm | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:৫৪655134
  • আর অ্যাক্টরদের মধ্যে সবার সেরা খান - কাদের খান।
    আহা! যেমন লিখতেন ডায়ালগ, তেমন করতেন অভিনয়।
  • | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২৩:০০655135
  • আমির কে নয়,আমি তো অনুষ্কা কে দেখতে যেতে বলবোঃ)
  • jhiki | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২৩:০২655136
  • মিঠু দুঃখ পেয়োনা, আগের সপ্তাহে টিভিতে 'দিল হ্যায় কি মানতা নেহী' গানটা দিল, আমি চোখের পলক না ফেলে আমীর খান কে দেখলাম, ছো-ও-ও কিউট।

    আর এখন?

    বাঁটুল দি গ্রেট ঃ)
  • lcm | ২২ ডিসেম্বর ২০১৪ ২৩:০৮655138
  • আমাগো কালে খানখান ছিল না, মানে অত খানদানি ছিল না।
    তখন ছিল বচ্চোন। সে কি ঢিসুম রে ভাই।
    সেই সেবার বসুশ্রীতে সিলসিলা লাগল, সঞ্জয়রা ফার্স্ট উইকে টিকিট কাটল, দেখে এসে বলল - ধুস, বাজে, ঢিসুম নাই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন