এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হিন্দমোটর - পরশু কাল আজ

    pi
    অন্যান্য | ২৭ জুলাই ২০১৫ | ২৬৭২৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ০০:০৪682833
  • জানিনা, হিন্দমোটরের খবর কতজন জানেন,কতটা পৌঁছেছে। বা পৌঁছবে যে তার জন্য মিডিয়া কি লোকমুখে আদৌ কতটা এসেছে। মনে তো হয়না, খুব বেশি কিছু হয়েছে।
    একদিকে শিল্প হয়না, শিল্প না হলে খাব কী, শিল্প না হলে কত সর্বনাশ বলে পোস্টের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যায়, কিন্তু সেখানে হিন্দমোটর আসেনা। বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা, বন্ধ হতে বসা কারখানা আসেনা। কে জানে, বন্ধ হয়ে গেলে বোধহয় মানুষের জীবিকা যায়্না, বা যাদের যায়, সেটা ধর্তব্যের মধ্যে আসেনা। বা, বন্ধ হওয়াটা ভবিতব্য, অবশ্যম্ভাবী ধরে নিয়ে আর কোন বিকল্প ভাবনা এখানে আসার কথা আসতেই পারেনা।
    শিল্পের জন্য জমি মঙ্গলগ্রহ থেকে আসবে নাকি আকাশে শিল্প হবে, এ প্রশ্নসমূহ আসবে, কিন্তু বন্ধ কারখানার জমি নিয়ে কোন কথা হবেনা। কারণ, ও জমি তো আসলে জন্ম হইতেই প্রোমোটারের জন্য বলিপ্রদত্ত !

    সে যা হোক, নামটা হিন্দমোটর দিয়েছি বটে, কিন্তু বন্ধ কারখানা দিলেই ভাল হত। দেওয়া হয়নি, হয়নি। সে আর কী করা। আসলে এত কিছু লিখবোও তো ভাবিনি, এসব লেখালেখি তো কবে কাটিয়ে দিয়েছি। তবে ঐ আর কি, আভাসদার লেখাগুলো বারবার নজরে পড়ে যায়, আর অভ্যেসের জাড্যেই শেয়ারও করে ফেলি। এখানে শেয়ার বাটন নাই, অগত্যা, টই খোলা আর শিবের গীত।

    যা শেয়ার করতে এসেছিলাম, আভাস মুন্সির লেখা থেকে কিছু কিছু অংশ তুললাম।

    ' গত বছর মে মাসে বিড়লা কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে কারখানায় তালা ঝুলিয়ে দেয়। ‘ক্ষমতায় গেলে বন্ধ কারখানা খোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে’ – ২০১১-র ‘মমতাময়’ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তামাদি করতে ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর সরকার বেশী সময় ব্যয় করেনি। মালিকপক্ষের হাত শক্ত করতে বিগত ‘বাম ফ্রন্ট’ জামানায় সরকার, পার্টি(সি.পি.এম) ও টি.ইউ(সিটু) উদ্যোগ যেভাবে টাটা-বিড়লার পায়ের তলায় নেতিয়ে পড়েছিল, আজও একই ট্রাডিশন চলছে। বিধান রায়ের আমলে মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে বিড়লা কর্তৃপক্ষকে ৭১৪ একর জমি কারখানা গড়ার জন্য তুলে দেওয়া হয়েছিল। গোড়াতে এখানে ছিল প্রায় ১৮০০০ শ্রমিক-কর্মচারী। ২০০১-এও এই সংখ্যা ছিল প্রায় ১০০০০। ৯০-এর দশক থেকে শুরু হয়েছে পুরনো শিল্প তুলে দেওয়ার মালিকি চক্রান্ত গোটা দেশ জুড়ে, উদারনীতির নয়া ফর্মুলা। শ্রমিক কমাও, পুরনো শিল্প তুলে দাও। হিন্দমোটর তার ব্যতিক্রম হয়নি। আজকে শ্রমিক সংখ্যা পরিকল্পিতভাবে কমিয়ে ১৩০০ করা হয়েছে। শুধু বয়স্ক শ্রমিকদের অবসর গ্রহণের ফলে শ্রমিক-কর্মচারীর সংখ্যা এতটা নীচে নামেনি। ছিল গভীর চক্রান্ত। সিটু দায়িত্ব নিয়ে ভি.আর.এস করিয়েছে শ্রমিকদেরকে। সিটুর মদতে ডি.এ ফ্রিজ করেছিল কর্তৃপক্ষ। এর বিরুদ্ধে মালিকপক্ষের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ২০০৭-এ শ্রমিকরা ৬২ দিনের ধর্মঘট করে দাবি আদায় করে প: বঙ্গের শ্রমিক আন্দোলনে নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন। শুরু হয়েছিল লড়াই-এর নতুন ইতিহাস। এখানে জমির চরিত্র ছিল ইন্ডাসট্রিয়াল, মানে এই জমি বেচা যাবেনা। বুদ্ধ ভট্টাচার্যের বদান্যতায় তাকে কমার্শিয়াল করে বিড়লাদের জমি বেচার অনুমোদন দিয়েছিল। ফলে, প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বিড়লাদের পকেটে ঢুকেছে, যার একটি আধলাও কারখানা বিকাশের কাজে ব্যয় হয়নি। অথচ এখানকার শ্রমিক-কর্মচারীদের মেহনতের টাকায় চেন্নাই, ইন্দোরে নতুন প্ল্যান্ট হয়েছে।
    বিড়লা কর্তৃপক্ষকে এখন বাকি জমি খেতে হবে – তার জন্য জল-বিদ্যুৎ-এর সরবরাহ বন্ধ করে দিয়ে শ্রমিকদের জীবনকে আরো দুর্বিসহ করো, অসহনীয় করে তোল – এই হচ্ছে মালিকী পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনাকে ভেস্তে দিয়ে চারটি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে শ্রমিকরা শুধু নতুন উদ্যোগে সংঘবদ্ধ হননি, বৃহত্তর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আজ লালবাজারের কাছে বিড়লা হাউসের গেটের সামনে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অবস্থান বিক্ষোভ চালালেন তাঁরা। শ্রমিক নেতৃত্ব অভিযোগ করেছেন, কারখানা থেকে মাল পাচারের উদ্দ্যেশ্যে রাতে বড় বড় গাড়ী ঢোকানো হচ্ছে। এব্যাপারে আঞ্চলিক থানা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছেনা। শ্রমিকরা রাতে পাহারা শুরু করেছেন। এক মরণপন লড়াই শুরু করেছেন শ্রমিকরা। দাবি তুলেছেন, হয় বিড়লা কর্তৃপক্ষ কারখানা খোলা সহ সমস্ত দাবি মেনে নিক, না হলে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করুক। আগামী কিছুদিনের মধ্যে একটি গণ কনভেনশনের আহ্বান করবে ৪টি ইউনিয়ন।'

    এটা ছিল কালকের পোস্টঃ
    'কারখানা আবাসনে জল ও বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দিয়ে ৭০০ পরিবারকে ঐখান থেকে উৎখাৎ করার পরিকল্পনা করেছে মালিকপক্ষ। ইতিমধ্যে শ্রমিকদেরকে ভি.আর.এস নিতে বাধ্য করেছে। বিগত ‘বাম জামানায়’ কারখানার জমি বেচে ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়েছিল বিড়লাগোস্টী। যদিও এই কারখানা গড়ার সময় সরকারের কাছ থেকে বিনা পয়সায় জমি পেয়েছিল বিড়লারা। এখন এদের নজর পড়েছে বাকি জমির উপর। তার জন্য হাজারো ফন্দি ফিকির, প্যাঁচপয়জার চলছে। হাজারও প্রতিকুল অবস্থার মধ্যেও শ্রমিকরা আজও লড়াইকে ধরে রেখেছেন। '

    --
    একদিকে জল, বিদ্যুৎ বন্ধ। অন্যদিকে ঘর ভর্তি জল, বৃষ্টির। পাম্প করে বের করা হবে যে, সে পাম্পও বন্ধ। চালাতে দেওয়া হয়নি।

    ক'দিন আগে যাঁরা গাড়ি তৈরি করতেন, তাঁরা শুনেছি আজ প্রান্তিক মানুষ।

    আমার বাড়ি ওখানেই, প্রতিবার যাই, আর একটু একটু করে দেখি ...

    কয়েকবছর আগে কিছু শ্রমিকের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম, খুঁজে পেলে শেয়ার করে দেব। যদিও কেন, কী, করে কী হবে, কী করে কী হবে, কিছুই জানিনা। ঃ)

    জানিনা দিয়ে শুরু এবং শেষ। এটুকু জানি।
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ০০:০৬682944
  • প্রথম কোটেড অংশ সঞ্জয় পাঠকের লেখা।
  • ঈশান | ২৮ জুলাই ২০১৫ ০০:০৭683055
  • বিড়লারা অ্যাম্বাসাডার তুলে দিয়েছে না? নাকি অন্য জায়গায় বানাচ্ছে?
  • Arpan | ২৮ জুলাই ২০১৫ ০০:১০683166
  • তুলে দিয়েছে।
  • sm | ২৮ জুলাই ২০১৫ ০০:১৯683277
  • কোথায় একটা পড়েছিলাম, কোন্নগর স্টেশন শুদ্দু বিক্রি করে দিয়েছে!
  • Atoz | ২৮ জুলাই ২০১৫ ০০:৩৮683388
  • স্টেশন বিক্রি? কিন্তু স্টেশন কে কিনবে????
    ঃ-)
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ০১:০৪683499
  • কেন, কী হল, সেই পুরানো ইতিহাস আরেকটু ঃ
    "বাংলার একমাত্র মোটরগাড়ি তৈরীর কারখানাটির এই পরিণতি ঘটল কেন? গত শতাব্দীর আশির দশকে যখন রাজ্যের এই একমাত্র মোটরগাড়ি তৈরির কারখানাটিতে প্রায় ১৮০০০ শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করতেন, দেশের প্রায় একচেটিয়া মোটরগাড়ি বিক্রেতা হিসেবে হিন্দুস্তান মোটর্স-এর যে প্রবল রমরমা ছিল, তার আজ এহেন পরিণতির জন্য দায়ী কে ? না-এর জন্য কোনোভাবেই শ্রমিক-কর্মচারীরা দায়ী নন। তাদের অপরিসীম দক্ষতা ছাড়া এই সংস্থার উচ্চতার শিখরে পৌঁছানো কোনমতেই সম্ভব ছিল না। বিপরীতে কর্তৃপক্ষ তাদের মুনাফার স্বার্থকে চরিতার্থ করতে গিয়ে লাগাতারভাবে বঞ্চিত করেছে এখানকার শ্রমিক –কর্মচারীদের, বঞ্চনা করেছে বানালার সাথে। বিড়লা কর্তৃপক্ষ এখানকার মুনাফার টাকার একটি পয়সাও উত্তরপাড়া প্ল্যান্টের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করে নি। এখানকার মুনাফার টাকায় চেন্নাই বা ইন্দোরে নতুন প্ল্যান্ট হয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অপদার্থতায় অচিরেই সেগুলিও ডুবেছে। আর কর্তৃপক্ষ সরকারের সহায়তায়, দালাল ইউনিয়নের সহায়তায় এর সমস্ত দায় শ্রমিক-কর্মচারীদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছে। হাজার হাজার শ্রমিককে গানপয়েন্টে দাঁড় করিয়ে ভিআর নিতে বাধ্য করা হয়েছে। ট্রান্সফারের আক্রমণের মুখে দাঁড়িয়ে আনেক শ্রমিক যেমন লড়াইয়ে টিকে থাকতে পারেন নি, তেমন অনেক শ্রমিক আবার কঠিন এবং অসম লড়াই চালিয়ে গেছেন। সরকার আর ক্ষমতাসীন ইউনিয়নের সহায়তায় পরিকল্পিতভাবে শ্রমিক-কর্মচারীদের ডি এ ফ্রীজ করে রেখেছিল ৭ বছর ধরে, চুক্তি করেও বদলি পার্মানেন্ট করে নি বছরের পর বছর। ঠিকা শ্রমিকদের ওপর চলেছে অবর্ণনীয় শোষণ-বঞ্চনা। ২০০৭ সালে শ্রমিক-কর্মচারীরা ৬২ দিন ধর্মঘটের মধ্যে দিয়ে নিজেদের বেশ কিছু দাবি ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছিলেন। তারপর গত ৮ বছরে লাগাতারভাবে চলেছে এই কারখানাকে তুলে দেওয়ার সুপরিকল্পিত চক্রান্ত, যার সাথে যুক্ত নানা স্বার্থান্বেষী মহল। রাজ্যের অসংখ্য বন্ধ কারখানার জমিতে যেভাবে আগের সরকারের আমল থেকেই আবাসন বানানোর খেলা চলছে, তা এই জমানাতেও অব্যাহত আছে। হিন্দুস্তান মোটর্স-এর ৭১৪ একর জমি এককালে সরকার বিনামূল্যে তুলে দিয়েছিল বিড়লাদের হাতে। তা লুটেপুটে খেয়েও ওদের আশ মেটে নি। ইতিমধ্যে বিগত বামফ্রন্ট সরকারের বদান্যতায় জমির চরিত্র বদল করিয়ে ৩১৪ একর জমি বেচে ওরা ২৯৫ কোটি টাকা পেয়েছে। এখন নজর কারখানা আছে যে জমির ওপর, সেটার দিকে। সেটাকে কত তাড়াতাড়ি খালি করে দেওয়া যায় তার জন্য সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক –ভিআর-জল-আবাসনে বিদ্যুত কাটা এবং শেষমেষ চোর পাঠিয়ে কারখানা খালি করা !"
  • sm | ২৮ জুলাই ২০১৫ ০৮:৩৩683563
  • এই হইলো গিয়া শিল্পপতি ! আবার যে সে নয়, একেবারে প্রথম সারির শিল্পপতি। এরা না ইনভেস্ট করলে নাকি, রাজ্য উচ্ছন্নে যাবে। টাটার শোকে তো আবার বামপন্থী বন্ধুরা শোকে পাথর।
    যত আস্ফালন চাষীদের উপর। কেন জমি দিচ্ছে না? এর ক্রিযদংশও, কারখানার মালিকের ওপর বা শিল্পপতিদের ওপর দেখানো হয় না।
    হিন্দ মটরে কারখানার আসল মালিক যদি সরকার হয়ে থাকে; তাহলে সরকার নিজে জমি বিক্রি করে কেন শ্রমিক দের ও কারখানার উন্নয়নে ব্যয় করে নি; সে প্রশ্নও আজ অবান্তর বলে মনে হয়।
  • b | ২৮ জুলাই ২০১৫ ০৯:৩৬683574
  • "তাদের অপরিসীম দক্ষতা ছাড়া এই সংস্থার উচ্চতার শিখরে পৌঁছানো কোনমতেই সম্ভব ছিল না"।
    মানতে পারলাম না। সরকার (প্রায়) একচেটিয়া বাজার করে দিয়েছিলো, দাপটে খেলেছে। পরে কম্পিটিশনের সামনে পড়ে আম, ছালা দুটো-ই গেছে।
  • Arpan | ২৮ জুলাই ২০১৫ ০৯:৩৮682834
  • ক।
  • a | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১০:২৭682845
  • শিল্পপতিদের ঘাড় ধরে পব থেকে বের করে দাও। যতো তাড়াতাড়ি পব শিল্পপতিশূণ্য করা যাবে ততো ভালো।
  • শ্রী সদা | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১০:৪৪682856
  • বাংলা কথা হল চিরস্থায়ী বন্দোবস্তো বলে কিছু নেই। কম্পিটিশনে টিঁকতে না পারলে, ইনোভেশন আনতে না পারলে যে কোনো কোং ফুটে যাবে, সে গাড়ি কোং ই হোক আর সফো কোং।
    এককালের বাজার কাঁপানো রেডিফ, ইয়াহু, এ ও এল এদের এখন কী দশা ? নোকিয়ার মতো প্রায় একচেটিয়া মার্কেটওয়ালা টেলিকম কোং ঝুলে গেল জাস্ট অ্যান্ড্রয়েডের সাথে কম্পিটিশনে টিঁকতে না পেরে। এদের উদ্বৃত্ত কর্মীরা অন্যত্র চাকরী খুঁজে নিয়েছেন।

    বরং পব তে আর কিছু গাড়ি কারখানা থাকলে হিন্দমোটরের শ্রমিকরা কোম্পানীর গতিপ্রকৃতি বুঝে পাতা ফেলে দিয়ে অন্যত্র ঢুকতে পারতেন। কিন্তু অতিবিপ্লবী বাঙালী আইডিওলজিকে রিয়্যালিটির থেকে বেশী গুরুত্ব দেবেই ঃ)
  • b | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১১:৪১682867
  • তবে এটাও ঠিক, হিন্দমোটরের গনেশ উল্টোনোতে বিড়লাদের একটি কেশও উৎপাটিত হয় নি। আলিপুর রোডের পশ বাংলো আলো ঝলমলেই থেকেছে।। ম্যানেজমেন্টের ভুলের ঝাড়টা সব সময়েই নেবে আসে লেবারারদের উপর।
  • Ekak | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১১:৫৫682878
  • ওই গাম্বাট গাড়ি বানানো, সরকারের মদতপুষ্ট হিন্দ্মতরের ইতিহাস ঘাঁটা র আদৌ দরকার হচ্ছে কেন সেটা ভাবলে হত না ??

    হচ্ছে কারণ পাশাপাশি আর পাঁচটা গাড়ি কোম্পানি নেই। ব্যবসা তো একটা সময়ে ফেইল করতেই পারে। ইউনিট তুলে নিয়ে যেতে পারে। অনেককিছুই হতে পারে। ওটা ব্যবসার ন্যাচেরাল লাইফ সাইক্ল।

    এই গরুর সংখ্যা না বাড়িয়ে একই গরু এখনো দুধ দিচ্ছেনা কেন বে কান্নাকাটি টা মাথায় ঢোকেনা। অবশ্য পব র ব্যাপার তো।
  • S | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১২:০৩682889
  • তাহলে ৪০০ একর (৭১৪ একর অরিজিনাল জমির ৩১৪ একর বিক্কিরি হয়েছে) জমির শিল্পে এই দুর্দিনেও ১৩০০ শ্রমিক কাজ করছেন। সত্যই সেলুকাস।
  • B | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৩:২৩682900
  • হিন্দুস্থান মোটর্‌স্‌ কারখানার দুটো ভাগ ছিল একটি অটো ডিভিশন আর একটি হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন। অটো কোন্নগরের দিকে, হেভি উত্তরপাড়ার দিকে। হিন্দমোটর স্টেশনটা হয়েছিল অটোকে মাথায় রেখেই। বিড়লাদের বদান্যতায়।

    হেভি ডিভিশন অনেক আগেই সম্ভবতঃ হিন্দুস্থান ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (এইচ ডি সি) পরে নাম বদলে বোধহয় এইচ ই আই কিনে নিয়েছে, এর পরেও বোধহয় হাত বদল হয়েছে আবার।

    অটো ডিভিশনকে বহু বছর ধরে জোর করে চালাচ্ছিলো। চালানোর ইচ্ছে না নিয়ে। বি এম বিড়লা, জি পি বিড়লার পর সি কে বিড়লা বা চন্দ্রকান্ত বিড়লা মালিক, দুর্ব্যবহারের জন্য কুখ্যাত ছিল। ডিজাইনের কোন ইম্প্রোভাইজেশন নেই, কোন আদ্যিকালের জেনারেল মোটর্‌স্‌-এর সেই ল্যাণ্ডমাস্টার, তার পিছনে দুদিকে দুটো ডানা তুলে অ্যাম্বাসাডর, মার্ক ওয়ান, মার্ক টু, মার্ক থ্রি অবধি কিছুটা চলেব্‌ল্‌ ছিল। নয়তো গাড়িটা একেবারেই অচল। ওদের সব কটা গাড়িই যেমন বেডফোর্ড, কণ্টেসা, ট্রেকার অথবা মার্ক ফোর কোনটাই পাতে দেবার মত ছিল না একটা সময়ের পর থেকে। সরকারি সাদা গাড়ি বা শেয়ার ট্যাক্সি, বা মাল লাদাই করে মেটিয়াবুরুজ-এ ময়দান মার্কেট থেকে যাচ্ছে দেখা ছাড়া খুব একটা চোখে পড়ে না বহু দিনই। তেল বেশি খায়, ওজন বেশী, স্পিড ওঠে না, প্রতিটি পার্টই খুব নিম্ন মানের। ছোট হয়ে যাওয়া পরিবার, তেল সাশ্রয়হীন গাড়ি কেনই বা কিনবে? দক্ষিণী সিনেমাতেও এখন অ্যাম্বাসাডরের থেকে স্কর্পিও চলতে বা বিস্ফোরণে উড়তে বেশী দেখা যায়। বাংলা সিনেমায়ও স্মার্ট হিরো ফিয়াট চড়ে টেনিস খেলতে যেত, আর বড় পরিবার যেত বিদেশী গাড়িতে, কখনও সখনও অ্যাম্বাসাডরে, তাও বিশাল পোর্টিকো দেওয়া বাড়ি থাকলে। এছাড়া সর্দারজি চালিত ট্যাক্সি.... তারা আজ কোথায়? সঞ্জয় গান্ধীর হাত ধরে মারুতি প্রথম এ দেশের মোনোপলি ভাঙে, আর আজ বি এম ডব্ল্যু, মার্সিডিজ, ইত্যাদিরাও টেস্ট ড্রাইভ অফার করে। বহুকাল আগে আশির গোড়াতে বাংলাদেশে আয়োজিত এক ট্রেড ফেয়ারে অংশ নেওয়ার পরে দেখা গিয়েছিল একটি অ্যাম্বাসাডর অবিক্রীত পড়েই আছে, সেই নিয়ে তখনকার স্টেট্‌স্‌ম্যানের ক্যাল্‌কাটা নোটবুকে এই নিয়ে একটি খুব সরস মন্তব্য আজও মনে পড়ে, "All parts make noise except the horn."

    তবে এর শ্রমিক আন্দোলন নিয়ে লিখতে গেলে বহু কথা আসবে। সেটা গবেষণা করতে করতে আরেকটা নন্দীগ্রাম সিঙ্গুর জাতীয় বাক্‌বিতণ্ডা শুরু হতে পারে। কারণ আমার যতটুকু জানা এর শ্রমিকদের সঙ্গে একে একে প্রতিটি বাম দলই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, মনোরঞ্জন রায় দিয়ে শুরু, গুরুদাস দাশগুপ্তকেও বাদ দেওয়া যায় না।, শেষ সংযোজন পল্টু সেন বা সত্যনারায়ন সিং-পন্থী সি পি আই এম এল (নিউ ডেমোক্রাসি)। অমিতাভ কি যেন পদবী, ভুলে গেছি, বলে একটি ছেলে খুব চেষ্টা করেছিল, তাকে সি পি আই, সি পি আই এম ও সি পি আই এম এল এস এন এস গোষ্ঠী জেলেই পাঠিয়ে ছাড়লো। আজ আর কেউ স্বীকার করবে কিনা জানি না। কিন্তু বামদের কারুরই মুখ থাকবে না। ওই অঞ্চল বহু দিন আগেই নকশালপন্থী এস এন এস পন্থী গোষ্ঠীর প্রভাবান্বিত ছিল। শেষে তারাও খুব একটা ভালো ভূমিকা পালন করে নি।

    ইদানিং খবর জানা নেই, খোঁজ নিয়ে কোন লাভ আছে বলেও আর মনে হয় না। এই পাতায় লেখালেখি করা এক ডাক্তারের ঘনিষ্ঠ আরেক ডাক্তার খুব ভালো জানে, বলতেও পারবে, ওই ডাক্তারকে ধরে পাই চেষ্টা করে বের করতে পারতে পারে। কিন্তু লাভ আছে কি?
  • PT | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৩:৪৮682911
  • শুধু পব-তে নয়, গুজরাতেও জমি বেচে দিয়েছে বিড়লারাঃ
    Hindustan Motors, the beleaguered maker of the Ambassador car, has disposed of its entire land holding of about 120 acre at Halol in Gujarat to avoid turning into a potentially sick company.
    http://www.dnaindia.com/money/report-hindustan-motors-sells-gujarat-land-for-rs70-crore-to-stay-afloat-1572702

    কিন্তু----
    "বিধান রায়ের আমলে মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে বিড়লা কর্তৃপক্ষকে ৭১৪ একর জমি কারখানা গড়ার জন্য তুলে দেওয়া হয়েছিল"
    বা-----
    "ইতিমধ্যে বিগত বামফ্রন্ট সরকারের বদান্যতায় জমির চরিত্র বদল করিয়ে ৩১৪ একর জমি বেচে ওরা ২৯৫ কোটি টাকা পেয়েছে"
    অথবা-----
    "২০১১-র ‘মমতাময়’ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তামাদি করতে ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর সরকার বেশী সময় ব্যয় করেনি"---------
    জাতীয় হাফ-প্যান্টুল পলিটিকাল বাক্য না লিখে কেউ যদি জানাতেন যে অন্য কি করলে কোম্পানী ও শ্রমিকদের চাকরী বাঁচানো যেত তাহলে বোধহয় আলোকিত হওয়া যেত।

    নাকি এইসব বাক্য যিনি লিখছেন তিনি ন্যানো-বিপ্লবী শাঁওলী মিত্রের মতই গাড়ীর ব্যাপারে এক্ষপার্ট?
  • Ekak | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৪:১৫682922
  • পিটি দা কোম্পানি বাঁচাতে চান ক্যানো ?? শ্রমিক বাঁচাতে কোম্পানি বাঁচানো মানে একটা স্পেসিফিক কোম্পানি কে বাঁচানো আদৌ জরুরি কি ?

    এই জায়গাটাতেই আমার মত ডিফার করে। মার্কেট এর কোনো দায় নেই ফেইল্ড এন্তার্প্রেনীয়র কে অক্সিজেন দেওয়ার। ব্যবসার লাইফ সাইক্ল ই হলো সাকসেস এন্ড ফেইলীয়র। এইযে গুচ্ছের কোম্পানি জন্মাচ্ছে তার মধ্যে সামান্য কোম্পানি সাকসেসফুল। তার মধ্যে আবার একটা খুব ছোট অংশ লং টার্ম এ বিসনে ধরে রাখতে পারে। এই গাড়ি কম্পানিতার কোনো ইনোভেশন নেই কিস্যু নেই এরা তো ভোগে যাবেই। তার ওপর চারপাশে কম্পিটিটর গাড়ি কোম্পানি নেই। গন্গাজাত্রার মরা কে মকরধ্বজ দিতে হলে কোম্পানির মালিক ভাবুক। আমরা ক্যানো ?

    এবার আপনি বলতে পারেন অমুক ফ্লাইট কোম্পানি কে সরকার বেইল আউট করল ক্যানো ? সেটার কারণ ওই সেক্টরে অলরেডি এমন কোনো মার্কেট নেই যাতে ওখান থেকে বেরিয়ে শ্রমিক অন্যত্র যেতে পারে। সরকার তাই বিস্নেসে অক্সিজেন দিয়ে একচুয়ালি শ্রমিক দের বাঁচালো। কিন্তু হিন্দমোটর এর কেস আদৌ তা নয়। ভেবে দেখুন বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি যেমন গাড়ি কোম্পানিতে টাকা ঢেলেছে, সরকারী কাজে সেই গাড়ি ইউস করে দিম্যান্দ ক্রিয়েট করেছে তেমনি ভাবে গাড়ির ইনোভেশন নিয়েও কিন্তু মনোযোগী হয়েছে।

    আপনি বলুন তো, সরকারী কাজে বিপুল হারে অর্ডার পাইয়ে দেওয়া ছাড়া হিন্দমটরের গাড়ি যাতে একটা স্ট্যান্ডার্ড ভেহিকল হয় তার পেছনে সরকারের অবদান কি ? এরকম হাফ হার্টেদ এফর্ট থেকে কি আশা করেন ? প্রচুর গাড়ি কোম্পানি কে ঢুকতে দিয়ে হিন্দমটরের প্রতিযোগী তৈরী করতে হত তাহলে। সেটাও করেনি। কারণ সেক্ষেত্রে আমলা দের কাট মানি তে টান পরত।
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৫:৩৩682933
  • হাফ প্যাণ্টুল পলিটিক্যাল বাক্য কারে কয় ?

    তথ্যগুলো ভুল, আপনি জানেন ?
  • PT | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৬:০২682945
  • "পিটি দা কোম্পানি বাঁচাতে চান ক্যানো?"
    কোম্পানী না বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে না তাই! শ্রমিককে তো অন্য কোথাও চাকরী খুঁজে দেওয়ার বা ভদ্রস্থ বেকার ভাতার ব্যবস্থা চালু হয়নি এদেশে।

    তবে যে সময়ে এম্ব্যাসাডার তৈরি শুরু হয় সেই ১৯৫৭-র থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত মার্কেট বলতে কি বোঝায় তা এদেশেই বা কে জানত?

    "তথ্যগুলো ভুল, আপনি জানেন ?"
    ভুল বলিনি তো।
    যা লিখেছি তার বাংলা মানে হচ্ছে "অর্থহীন বাক্যবিন্যাস।" তবে আপনার রেসপন্স পড়ে মনে হচ্ছে যে সত্যি সত্যিই "যিনি লিখছেন তিনি ন্যানো-বিপ্লবী শাঁওলী মিত্রের মতই গাড়ীর ব্যাপারে এক্ষপার্ট।"
  • a | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৬:০৩682956
  • একসময়ের অসীম ক্ষমতাবান মাইক্রোসফট আজ টলমল করছে। কম্পিটিশনে টিকতে না পেরে বছর দশেকের মধ্যে ঝাঁপ ফেলবে। হিন্দমটরও কম্পিটিশনে টিকতে না পেরে উঠে গেছে।
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৬:০৫682967
  • তথ্যগুলো ভুল কিনা জানতে চাওয়ায় যিনি লিখেছেন তিনি কী, আপনি বুঝে গেলেন ? ঠিক কেমনি করে ?

    বিধান রায়ের আমলে মাত্র ১ টাকার বিনিময়ে বিড়লা কর্তৃপক্ষকে ৭১৪ একর জমি কারখানা গড়ার জন্য তুলে দেওয়া হয়েছিল"
    বা-----
    "ইতিমধ্যে বিগত বামফ্রন্ট সরকারের বদান্যতায় জমির চরিত্র বদল করিয়ে ৩১৪ একর জমি বেচে ওরা ২৯৫ কোটি টাকা পেয়েছে"

    এগুলো ঠিক কীভাবে অর্থহীন বাক্যবিন্যাস একটু বুঝিয়ে দেবেন ?
  • a x | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৬:২৩682978
  • মনোরঞ্জন হাজরা।
  • Ekak | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৬:২৬682989
  • "কোম্পানী না বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে না তাই! শ্রমিককে তো অন্য কোথাও চাকরী খুঁজে দেওয়ার বা ভদ্রস্থ বেকার ভাতার ব্যবস্থা চালু হয়নি এদেশে।"

    এই দৃষ্টি ভঙ্গির কারণেই এই পরিনতি হয়েছে। নির্দিষ্ট কোনো কোম্পানি বাঁচানো সরকারের শেষ লক্ষ্য হতে পারে, প্রাথমিক লক্ষ্য একই রকমের কোম্পানি বাড়িয়ে দিয়ে প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরী করা। একটা জঘন্য ডিসাইন এর গাড়িকে সরকার মুফতে অর্ডার পাইয়ে দেওয়া কি ভয়ঙ্কর বাজে ব্যাপার আন্দাজ করতে পারেন ? যদি ওই গাড়ি সরকারী বরাত না পেত তাহলে আইদার মার্কেট এর চাপে টিঁকে থাকতে গিয়ে বেটার গাড়ি বানাত নইলে প্রাইমারি ফেসেই ফুটে যেত। সরকার যেটা করেছে সেটা মারাত্মক ক্ষতিকর। একটা আমলাতান্ত্রিক সিস্টেমের মধ্যে দিয়ে বাল্ক অর্ডার প্রমোট করেছে অথচ গাড়িটা যে জঘন্য সেই নিয়ে কোনো ফিডব্যাক দেয়নি। একে বলে দায়ীত্ব নিয়ে মার্কেট নষ্ট করা। পুরোটাই নির্দিষ্ট ব্যবসায়ীক গোষ্টির সঙ্গে অশুভ আঁতাত। এটাকে কোম্পানি বাঁচানো বলে নাকি ??

    একটা প্রডাকশন কোম্পানির ওপর মার্কেট ফীডব্যাক এর প্রেসার নেই কারণ সে সরকার কে বেচেই বড়লোক। আর প্রেসার নেই বলে কোয়ালিটির ও কোনো উন্নতি নেই। পুরো ভুবনের মাসি মার্কা সরকার। তিনিও অবশ্য ভুবন কে "বাঁচাতে" ই চেয়েছিলেন :)
  • শ্রী সদা | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৬:৩৭683000
  • এককদাকে ক।

    ঐ শ্রমিকপক্ষ-মালিকপক্ষের ক্লিশে থেকে একটু ডেপথে গিয়ে একটা প্রোডাক্ট বেসড ইন্ডাস্ট্রি কিভাবে চলে, সেই পার্টিকুলার প্রোডাক্টে বাকীরা কী করছে, গ্লোবাল কম্পিটিশন এইগুলো একটু না ঘাঁটলে ঐ উটের পাকস্থলীর থেকে বেটার কিছু তথ্য পাওয়া যাবে না।

    সবার জন্যে চাগ্রী, খুব ভালো কথা। আমি ও চাই। কিন্তু প্রোডাক্টের মার্কেটের যা হয় হোক - ফোর্সড অ্যাট্রিশন হবে না, ডাউনসাইজিং হবে না, লোকজন এক চাগ্রীতে জয়েন করে লাইফ পার করে দেবে - এসব শুনলে হাসি পায়। গ্লোবালি এই স্বর্গরাজ্য থাকলে লিংডিন বা মনস্টার উঠে যাওয়ার কথা ঃ)
  • a x | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৬:৫৬683011
  • কোম্পানী ঠিক উঠে যাচ্ছেনা।

    শ্রমিকদের DA দিতে হলনা। ছাঁটাই হল, ইউনিয়ানের সাথে সমঝোতা হল। কিছু শ্রমিক আত্মহত্যা করলেন, কিছু শ্রমিক অবর্ণনীয় অবস্থায় থাকেন। কেউ কেউ ট্রান্স্ফার নিয়ে বেঁচে গেলেন। কাউকে কাউকে VRS নিতে বাধ্য করা হল।

    কৃষিজমি জলের দরে পেয়েছিল। অ্যান্সিলারি ইন্ডাস্ট্রির ধার মারায়নি, জমি ফেলে রেখছে। শিল্পের জন্য ইয়ার মার্কড জমি এবার কমার্শিয়াল বলে বদলেছে। সমস্ত জলাজমি বুজিয়ে এইবার ঐ জলের দরে পাওয়া জমি রিয়াল এস্টেটকে বেচেছে। কোটি কোটি টাকা পেয়েছে সেই জমিরই যার জন্য বিশেষ কিছু খরচ করতে হয়নি। শ্রীরাম হাইটেক সেই জমিতে ইউএস বেসড ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্টের সাথে ৬০০০ কোটি টাকার রিয়াল এস্টেট প্রোজেক্টে গেল। হিন্দমোটর্স সেলসের ৪% পেল।

    এইরকম লাভজনক মডেল আর হয় নাকি?
  • শ্রী সদা | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৭:০৫683022
  • ইয়েস এইভাবে জমির চরিত্র বদলে বেচে দেওয়া অ্যাকসেপ্টেবল নয়। কিন্তু সেটা করার সময় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন ? সহজ বুদ্ধিতে যা মনে হয় ব্যপারটা দু-এক দিন এর মধ্যে হয়নি, আর খুব সহজে ও হয়নি।
  • ঊমেশ | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৭:০৯683033
  • হিন্দ-মোটরের ঐ সব জমি এখন সোনার থেকে দামী।
    প্রচন্ড রকমের আবাসনের ডিমান্ড এখন ঐ সব এরিয়াতে।
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৯:০৬683044
  • পবতে নাকি শিল্পের জমি নাই। মানে, বহুফসলী কৃষিজমি ছাড়া গত্যন্তর নাই। সেরকমটা যাদের কাছে এদ্দিন ধরে শুনে এলুম, এই এত্ত এত্ত একর জমি নিয়ে তাঁদের কখনো কিছু বলতে দেখলুম না। কারণটা সত্যি জানতে ইচ্ছে করে।

    এত জমি জাস্ট এতদিন এভাবে পড়ে থাকা নিয়ে বা নামমাত্র দামে কেনা জমি এত বহুমূল্যে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার জন্য দিয়ে দেওয়া নিয়ে বা সরকারের এ জমি অধিগ্রহণ না করা নিয়ে প্রশ্ন কেন নাই, সে প্রশ্ন নাহয় তারপর করব ঃ)
  • pi | ২৮ জুলাই ২০১৫ ১৯:০৭683056
  • কী কী হয়েছিল, সেসময়ের একটা লিফলেটে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন