এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • দীপ্সিতা ধরকে ...

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৩৩৮ বার পঠিত | রেটিং ৪.৪ (৭ জন)
  • সিপিএমের তরুণ নেত্রী দীপ্সিতা ধর, আনন্দবাজার অনলাইনের একটি অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকার দেন গত পরশু। তার মধ্যে একটি জায়গায় উনি বলেন "বাঙালি জাতিয়তাবাদ, যেটা ২০১৯ পর্যন্ত ভীষণ রকম প্রমিনেন্ট ছিলনা, সেটা ভীষণ রকম মেনস্ট্রিম হয়ে গেল এবং মনে হল যে যেভাবেই হোক, বাংলাকে বাঁচাতে হবে, বাঙালি জাতিয়তাবাদকে বাঁচাতে হবে, এবং তার মুখ মমতা। এবং আমরা যদি মমতা ব্যানার্জির নির্বাচনী প্রচারও দেখি, বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়, সেই সেন্টিমেন্টটাকেই উনি হার্প অন করলেন, এবং সেইটার এফেক্ট যে এইরকম হতে পারে, সেটাতে হয়তো আমাদের বিশ্লেষণে একটু খানি ত্রুটি রয়ে গিয়েছিল। আমরা হয়তো এই সেন্টিমেন্টটাকে আরেকটুখানি যদি প্রায়োরিটি দিতাম, তাহলে হয়তো অন্যরকম ভাবে ভাবা যেত।" (সাক্ষাৎকারটি যাঁরা দেখবেন, তাঁরা ৭ মিনিট ৪০ সেকেন্ড থেকে দেখলে এই অংশটি শুনতে পাবেন) 
     
    দীপ্সিতা আরও অনেক কিছু বলেছেন। কিন্তু কেন তাঁরা বাঙালি জাতিয়তাবাদকে গত কিছু নির্বাচনে ছোঁনইনি, তা নিয়ে কিছু বলেননি। অথচ, সেই কথাটিই এখানে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। হঠাৎ করে একটি নির্বাচনী অবস্থানে তো কারো অগ্রাধিকার বদলে যায়না, সেটি একটি প্রক্রিয়ার ফসল। এই প্রক্রিয়াটি, অন্তত বাংলার ক্ষেত্রে, দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিকতা, বা বাঙালি জাতিসত্ত্বাকে অস্বীকার করে এসেছে। অথচ এরকম হবার কথা ছিলনা। কারণ আমরা জানি, অতীত সিপিআইএর যে বামঘেঁষা অংশটি বা জন্মলগ্ন থেকে সিপিআইএম, তারা প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পক্ষেই জোরালো সওয়াল করে এসেছে। দীপ্সিতা জানেন কিনা জানিনা, বহু বছর আগে, ১৯৫৬ সালে বঙ্গ-বিহার সংযুক্তির একটি প্রস্তাব আনেন বিধানচন্দ্র রায়। তার বিরুদ্ধে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে ওঠে। স্বাধীন ভারতে বাঙালির সেই প্রথম জাতিসত্ত্বার আন্দোলন (শিলচরের ১৯শে মে এর পাঁচ বছর পরে)। সেই আন্দোলনের পক্ষে দাঁড়িয়েছিল তৎকালীন সিপিআই, এবং একটি উপনির্বাচনকে বস্তুত সংযুক্তিকরণের পক্ষে-বিপক্ষের গণভোটে পরিণত করা হয়। সেই উপনির্বাচনটি কংগ্রেস হারে, এবং বিধানচন্দ্র রায় পিছু হটতে বাধ্য হন। তো, জাতিসত্ত্বার পক্ষে থাকা, এবং প্রয়োজনে তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া, এটি নতুন কিছু না। অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির আমল থেকেই পার্টির লাইনে এবং অভ্যাসে ছিল।
     
    শুধু জাতিসত্ত্বা নয়, রাজ্যের হাতে অধিক ক্ষমতা, এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পক্ষে সওয়াল, এ যে বামপন্থীদের লব্জ ছিল, সে কথা আলাদা করে বলার দরকার নেই। ৬৭ এবং ৬৯ সালে দুটি যুক্তফ্রন্ট সরকার তৈরি হয় পশ্চিমবঙ্গে। সিপিআইএম সরকারের অংশ ছিল, বৃহত্তম দল হিসেবে। সরকার ভেঙে দেওয়া হয়, এবং রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। কেন, তার বিশদে এখানে ঢোকার দরকার নেই, কিন্তু রাজ্যের ব্যাপারে কেন্দ্রের এই হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে সিপিএম। রাজ্যপাল পদটির রাজনৈতিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে কথা বলে। এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পক্ষে, রাজ্যের অধিকারের পক্ষে কথা বলে। 
     
    এর ফলও ফলে ৭৭ সালে। উত্তর ভারতে জনতা পার্টি প্রবল বিক্রমে জিতলেও, পশ্চিমবঙ্গে জেতে বামপন্থীরা। এবং জেতার পর, যে স্লোগানগুলি অন্তত প্রথম পনেরো বছর তারা দিয়ে গেছে, তা হল, কেন্দ্রের বঞ্চনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, মাশুল সমীকরণ সহ অন্যান্য বৈষম্যমূলক নীতি রদ করার দাবী এবং অবশ্যই রাজ্যের হাতে অধিক ক্ষমতার দাবী। সবকটাই যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত। বস্তুত দাবী তোলার ক্ষেত্রে কিছু কিছু ক্ষেত্রে অতিরিক্তও হত সন্দেহ নেই। সে নিয়ে ঠাট্টা ইয়ার্কিও হত। কিন্তু মোটের উপর লোকে ব্যাপারটা বিশ্বাস করত। সেই সময়ের অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র একবার ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণায় লিখেছিলেন, যে, দিল্লির যোজনা কমিশনের সহসচিবকে তিনি বলেছিলেন, কলকাতা থেকে দিল্লি এলে তাঁর মনে হয়, গ্রাম থেকে শহরে এলেন। অস্যার্থঃ পশ্চিমবঙ্গ থেকে সম্পদ চুষে নিয়েই দিল্লি এবং পশ্চিমাঞ্চলের রমরমা। অশোক মিত্রের বর্ণনা অনুযায়ী সে বছর যোজনা কমিশনের অবশেষে পশ্চিমবঙ্গকে তার যথাযথ ভাগ দিতে সুপারিশ করে। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী সেই সুপারিশ খারিজ করেন। এ কোনো রাজনৈতিক স্লোগান বা লাইন নয়, কিন্তু মূল ন্যারেটিভটি ছিল এইরকমই। যা লোকে বিশ্বাস করত।
     
    অবস্থা বদলাল ১৯৯৩ সালে এসে। যখন নরসিংহ রাওয়ের নয়া উদারনৈতিক জমানার শুরু। কেন্দ্রীয় সরকার মাশুল সমীকরণ নীতি বাতিল করে দিল সে বছর। কোথাও লিপিবদ্ধ নেই, কিন্তু একটা বোঝাপড়া সিপিএমের মধ্যে তৈরি হল, যে, যাক বাবা বঞ্চনার শেষ হল। এখন মুক্ত অর্থনীতি। সবাই সমানে-সমানে লড়বে। তখন চিনও নতুন মডেল নিয়ে এসে গেছে বাজারে। গোটা দুনিয়ায় সমাজতান্ত্রিক শিবির ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়লেও তিয়েন-আন-মেন স্কোয়্যারের গ্লানি কাটিয়ে চিন তার প্রাচীরের মতই অচঞ্চল। তারা নিয়ে এসেছে নতুন এক ধারণা, যার নাম সমাজতান্ত্রিক বাজার অর্থনীতি। এর অস্যার্থ হল, বাজার অন্তত কিছু সময়ের জন্য ভবিতব্য। কিন্তু যেহেতু মুক্ত বাজার, তার মধ্যেও সমানে-সমানে লড়ে জেতা যায়। এটি বিশ্বজনীন ধারণা। ভারতবর্ষের মধ্যেও তার টুকরো দেখা গেল। এবার বঞ্চনার জমানা শেষ, অতএব ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যেও এবার বাজার অর্থনীতিকে আঁকড়ে  সমানে-সমানে লড়া সম্ভব, এই ধারণাটি তৈরি হল।
     
    এ কোথাও লিপিবদ্ধ নয়, কিন্তু ১৯৯৩ সালের পর থেকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার স্লোগান সেভাবে আর শোনা যায়নি। তার জায়গায় এল রাষ্ট্রীয় নিওলিবারেলিজমের বিরোধিতা। ডাঙ্কেল প্রস্তাব, পরে যা ডাব্লুটিও হবে, তার বিরোধিতা। আঞ্চলিক অস্তিত্বের স্বর আর শোনা যায়নি। অথচ রাজ্যে রাজ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড কি সত্যিই ছিল? পঞ্চাশ বছর ধরে যদি সম্পদ এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে সম্পদ সরানো হয়, তারপর জমি কি আর সমান থাকে? তদুপরি, তখনও, এবং এখনও, রাজ্যের কর এবং শুল্ক বাবদ আয়ের নব্বই শতাংশ নিয়ে যায় কেন্দ্রীয় সরকার। যেকোনো শিল্পের জন্য দরকার ছাড়পত্র। যেকোনো আইন পাশ করাতে গেলে চাই কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতি। ফলত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো তখনও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। খাতায় কলমে সিপিএমের ভিতরেও তার গুরুত্ব কিছু কমেনি। কিন্তু কার্যত সেসব স্লোগান থেকে উবে গেল। আঞ্চলিকতার জায়গায় এল অখন্ড ভারতের ধারণা। আর এই অখন্ড ভারতের ভিতরে  ভিতরে মুক্ত অর্থনীতির কল্যাণে রাজ্য সরকারের আপেক্ষিক স্বরাজ এসে গেছে এরকম একটি চিন্তাভাবনার প্রক্রিয়া শুরু হল। 
     
    ২০০০ সালে বদলে গেল কর্মসূচি। রাজ্য সরকার সম্পর্কিত ধারণা, সিপিএমের ১৯৬৪র কর্মসূচিতে এরকম ছিল, যে, রাজ্য সরকাররা হল অন্তর্বর্তীকালীন কিছু সরকার, যাদের কাজ হল ঝপাঝপ কিছু রিলিফ দেওয়া। ব্যস। এই কর্মসূচি মান্ধাতার আমলের হয়ে গিয়েছিল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ২০০০ সালের প্লেনামে বদলে সেটি হল এরকম, যে, রাজ্য সরকাররা কিছু সরকার, যারা কিছু বর্তমান কাঠামোর মধ্যেই বিকল্প নীতি রূপায়ন করতে পারে। আগের ধারণাটি সত্যিই বদলানোর দরকার ছিল। তেইশ বছর রাজ্য শাসন করব, তারপর দাবী করব এই সরকার অন্তর্বর্তীকালীন, তা তো হয়না। কিন্তু তার সঙ্গে লক্ষ্যণীয় যেটা, সেটা হল, রাজ্য সরকারের যে একটি আপেক্ষিক স্বরাজ এসে গেছে, সেই ধারণায় এই বদলও স্ট্যাম্প দিল।
     
    ২০০৫ সালে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হলেন সীতারাম ইয়েচুরি এবং বৃন্দা কারাত। তাতে সমস্যাটি কী, তা এখন আর কেউই হয়তো পড়ে বুঝতেও পারবেননা। ২০০৫ এও অর্ধেক লোক পারতেননা। কিন্তু ১৯৭৭ এ এই কান্ড ঘটালে তুলকালাম হয়ে যেত। কারণ বিষয়টি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত। রাজ্যসভায় রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব হয়, দলের না। রাজ্যগুলি তৈরি হয় ভাষার ভিত্তিতে। রাজ্যসভায় যেতে গেলে রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা হবার কথা, অর্থাৎ ভাষাগতভাবেও রাজ্যের অন্তর্গত হবার কথা। না হলে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ব্যাপারটিই আর থাকেনা। ইতিপূর্বে কংগ্রেস একাধিকবার এই বিষয়টি লঙ্ঘন করেছে। মনমোহন সিংহকে তারা জিতিয়ে এনেছিল আসাম থেকে। সিপিএম আপত্তি করেছিল। ২০০৫ সালে দেখা গেল, তারা নিজের নীতি থেকে সরে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো আর সত্যিই তেমন গুরুত্বপূর্ণ নেই। এখন অখন্ড ভারতীয়ত্বের সময়। 
     
    তো, সমকালীন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সরকার, এই দুইটি ধারণারই প্রতিনিধিত্ব করে গেছে। ১। আঞ্চলিক নয়, সর্বভারতীয়। যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো আর তেমন গুরুত্বপূর্ণ না। ২। রাজ্যের একটি আপেক্ষিক স্বরাজ এসে গেছে। যেন চিন বা সিঙ্গাপুরে পরিণত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। যার হাত ধরে "কৃষি আমাদের ভিত্তি, শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ" -- এই স্লোগান। বা, টাটাদের আবাহন। 
     
    এই দ্বিতীয় পয়েন্টটি নিয়ে কথা বলছিনা এখানে। ওটির জন্য ২০১১ তে সিপিএমের সরকার গেছে। কথা হচ্ছে প্রথমটি নিয়ে। ১৯৯৩ থেকে আলগোছে, আর ২০০৫ সাল থেকে সরাসরি আঞ্চলিকতা এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর গুরুত্বকে অস্বীকার করা হয়েছে। দিল্লিকে কেন্দ্র হিসেবে ভাবা হয়েছে। এটি একটি প্রক্রিয়া। সিপিএম যখন "হিন্দিভাষী এবং যারা হিন্দি বোঝে" তাদের নিয়ে কর্মশালা করে, তখন এই প্রক্রিয়ারই প্রতিনিধিত্ব করে। যখন সারা ভারতে একই হিন্দি স্লোগান দেবার চেষ্টা করা হয়, যখন জেএনইউ তে রাজনৈতিক মাধ্যম হিসেবে হিন্দি এবং ইংরিজিকে স্বীকার করে নেওয়া হয়, তখন, সেটিও এই একই প্রক্রিয়া। যখন ভূমিপুত্র বা কন্যা সংরক্ষণ নিয়ে একটিও কথা বলা হয়না, হিন্দি সিনেমা-টিভি-রেডিওর আগ্রাসনের কথাটি এড়িয়ে যাওয়া হয়, তাও সেই একই ব্যাপার। এখনও ভারতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। কোনোভাবেই নেই। তারপরেও সুগত মারজিত যখন রাজ্য সরকারের কেন টাকা ছাপানোর অধিকার থাকবেনা, এই প্রশ্ন তোলেন, তখন আলোচনার পরিসরে দেখা যায় অভ্রংলিহ নীরবতা। কারণ ওটি সিলেবাসের বাইরে। ও নিয়ে আলোচনাই অর্থহীন। এই মনোভঙ্গীও একটি প্রক্রিয়ারই ফসল। প্রক্রিয়াটি না বদলে, উপর-উপর বাঙালিত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়া যায়না। প্রক্রিয়াটি বদলালে, উপলব্ধি বদলালে, তা অগ্রাধিকার এমনিই বদলাবে। মানুষ টেরও পারে। আলাদা করে "এইটাকে একটু অগ্রাধিকার দিলে ভালো হত" জাতীয় আফশোষও থাকবেনা।  

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৩৩৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • Eman Bhasha | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:৫৬497715
  • বহুদিন পর এ-বিষয়ে কেউ আলোচনা করলেন।
    ধন্যবাদ সৈকত
  • Sandipan Majumder | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:৫৯497716
  • বেশ ভালো ভাবে ধরা হয়েছে বিষয়টি।
  • কারিগর শমীক সাহা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৮:০৯497717
  • যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রতি চূড়ান্ত বিশ্বাসঘাতকতা - GST, রাজ্যের হাত থেকে কর আদায়ের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া। ভারতের GST কাঠামোর মূল স্থপতি - অসীম দাসগুপ্ত, বামফ্রন্টের অর্থমন্ত্রী, সিপিএমের নেতা।
  • aranya | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১০:৩৫497723
  • ভাল লাগল, ঠিকঠাক লেখা।
    বাঙালী জাতীয়তাবাদের অর্থ অবশ্যই অন্য জাতিকে ছোট করা, অন্য প্রদেশের লোককে গুটকাখোর বলা - এসব নয়, যেটা বোধ হয় গর্গের লেখায় দেখেছি।
    কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কনসেপ্ট-টা যে কাজ করছে না, সেটা বলা দরকার
  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:৫০497730
  • সৈকতের লেখাটি, বাঙালী জাতীয়বাদের মতই, যাকে বলে স্কোপের খেলা।
     
    সংক্ষেপে বললে, নেশন ইন ফ্র‌্যাগমেন্ট্স এর প্রতিটি টুকরো কেই, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সাধারণতঃ সিপিএম কে আক্রমণ করতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে, এটি ই ঐতিহ্য এবং এই ট্র‌্যাডিশনে সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় একটি নতুন নাম মাত্র। বিষয়ের দিক থেকে নতুন কিছু না। সেই টিনের তলোয়ারের নাটকে প্রিয়নাথ মল্লিকের কথা, মাইকেল গত হয়েছেন, কালিদাস ও আর নেই, নবজাগরণের হাল কে ধরবেন। অতএব প্রিয়নাথ সৈকত। কিন্তু তবু গুরুচন্ডালি তে এই রচনা প্রকাশের একটা গুরুত্ত্ব আছে, সে তো এখনো বাজার হয় নি।
     
    বাঙালী জাতীয়তাবাদ, নিম্নবর্গের সঙ্গে ভদ্রলোকের রাজনীতির সম্পর্ক, উত্তরবঙ্গ, আদিবাসী সমাজ, পার্টিশনের ক্ষতি, তাতে সিপিএম এর কিছুদিন লাভ, তার পরে মুসলমান প্রেম, তার পরে আবার বেশি মুসলমান প্রেম, তার পরে তৃণমূলের মহত সেকুলারিজম এর বিরোধিতা করে বিজেপি কে ২০১৯ e ভোট দান এগুলি প্রত্যেকটি সিপিএম এর বিরুদ্ধে প্রচারে ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। নতুন কিছু না।
     
    দ্বিচারিতা গুলিও নতুন কিছু না। সৈকতের এগুলি কোনটাই অজানা নয়, তবে ঐ আর কি স্কোপের খেলাধূলোয় সে নাম লিখিয়েছে, বিজেপির বিরুদ্ধে নানা ধরণের প্রোপাগান্ডার একটা প্রয়োজন তো আছেই, তাই আভ্যন্তরীন সখ্যতায় নর্মালি আমি কিছু বলি না, ভাবি আর কি করা যাবে। কিন্তু এক্ষেত্রে আক্রমণটা জেহেতু সিপিএম কে, এবং সেটাকে সাম্প্রতিক ইতিহাসের গার্বে ঢাকা, তাই একটু তাত্ত্বিক দ্বিচারিতা গুলি বলে দেই। আমি তো প্রতিভাবান নেড়ুখোকন বা তার ফ্যানকুল নই, যে শুধু সাবজেক্টিভ ব্যক্তিগত অ্যাটাক করে বিদেয় নেবো। কারণ বিষয়্টা আদৌ ব্যক্তিগত না, মতাদর্শের লড়াই তে সৈকতের একটি তার বেছে নেওয়া লড়াই এর প্রয়োজনে করা চয়েস। হুইচ ইজ ফাইন।
    ৭, ৮ এবং ৯ এর দশকে এমনকি ২০০০ এর দশকেও পরেও ত্রিপুরা এবং আসামে বাঙালী বামপন্থী রা প্র‌্যাকটিকালি এক ই সময় জুড়ে একই আন্দোলন করেছেন, সেটা বাঙালী জাতিসত্ত্বার বামপন্থী সাংগঠনিক প্রকাশ মাত্র। অল্প আগে পরে প্রচন্ড মার খেয়ে আসামে অল্প ঘুরে দাঁড়ানো এবং তার পরে বিলীন হওয়া, ত্রিপুরা তে বড় একটা সময় ধরে ঘুরে দাঁড়ানো গেছিল। শুধু লাল পতাকা না, রিফিউজি বাঙালিরা, বহুদিন ধরে নানা জায়গায় থাকা বাঙালিরা ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন।
     
    এই গোটা সময়টা জুড়েই, কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস ও ৭ er দশকের বিপ্লবীরা নানা খেলা খেলেছেন, ফ্র‌্যাগমেন্ট গুলির সঙ্গে একেকবার একেকরকম ভাবে জুড়ে।
    কংগ্রেস, ত্র্ণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি ত্রিপুরাতে আদিবাসী সত্ত্বা নিয়ে খেলা ধুলো করেছে ও করছে। তৃণমূল o কংগ্রেস বিজেপি কে সংগঠন উপহার দিয়েছে বামেদের হারানোর জন্য, আর একাধারে বাঙালি জাতি সত্ত্বা সেকুলারিজম রক্ষার দায় দেওয়া হয়েছে বামেদের। আসামে, এই গুরুচন্ডাল্লির গত স্বাধীনতা দিবসে অহব জাতীয়তাবাদী রা বলে গেছেন সিপিএম এর নেতাদের আক্রমণের মুখে আত্মত্যাগের কথা, মাটি কামড়ানো জিনিসটা তখনো ফ্যাশনেবল বুলি হয় নি।
     
    এর পরে আসা যাক আসামের কথায়। আসাম জাতিসত্ত্বার রাজনীতির বরাবরের বয়্লিং পট। এখন উত্তরবঙ্গে সেই রাজনীতির আমদানী চলছে। এবং ততদিন সৈকত যে বৌদ্ধিক উত্তরাধিকার স্বেচ্ছায় গ্রহণ করেছে, তার লোকেরা কিছুই বলবেন না, শুধু পাহাড়ে হাসি দেখবেন আর জন বার্লা দের গতায়াত সঞ্চার পথ ইত্যাদি নীরবে দেখবেন।
    আসামে অগপর রাজনীতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিপিএম সমর্থন করেছিল, সমর্থক দের আপত্তি সত্ত্বেও, প্র‌্যাকটিকালি মার খাওয়া সত্তএও কারণ তারা মনে করেছিল কংগ্রেসের শক্তি অতিরিক্ত হচ্ছে এবং তারা পূর্বাঞ্চলের মানুষ কে নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। আসাম চুক্তি একটা সাময়িক শান্তি এনেছিল। তার পরে অগপ, কংগেস আর বিজেপির মধ্যে প্রায় ২০২০-২১ এর তৃণমূল বিজ্পের মত খেলা ধুলো যাতায়াত চলতে থাকে, হুইচ ইজ হুইচ এর সমস্যা বেড়ে ওঠে। বাকিটা ইতিহাস, আজ, সবথেকে বড় অহম রাজনীতির শভিনিস্ট রাই বিজেপি ও স্থানীয় দল গুলির হর্তা কর্তা। মাহাকালের রসবোধে দুটি রাজ্যের পুলিশের মধ্যে গৃহযুদ্ধ হচ্ছে জাতি প্রশ্নে, এমন একটা সময়ে, যখন পূর্বাঞ্চলে শভিনিস্ট মাত্রেই বিজেপি র সঙ্গে স্বপ্নের জোটের খোঁজে, সকলেই আসাম হতে চায়। ত্রিপুরা ব্যতিক্রম খানিকটা কারণ সেখানে অনেক শিবির বদল ঘটলেও নীতিভিত্তিক রাজনীতির একটা প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যেটাকে হরিশ চ্যাটার্জির ইচ্ছা পূর্ণ করতে
    গেলে তাঁর বুদ্ধিজীবি সমর্থকদের কেও খুন করে ফেলতে হবে।
    বস্তুত সিপিএম কে শুধুই ফ্র‌্যাগমেন্টের প্রতি অযত্নের অভিযোগ যথেষ্ট করা হয় নি, আবার এও বলা হয়েছে তারা সর্ব ভারতীয় ক্ষেত্রে কোথায় তেমন করে বাড়ছে না। বাড়ার পদ্ধতি হিসেবে যদি রাজস্থানে বা অন্যত্র ক্ষত্রিয় সমিতি
    র সঙ্গে যেতে হত, তাহলে আর যাই হোক সম্পাদকীয় কম পড়তো না, কিন্তু সেটাই প্র‌্যাগমাটিক তৃণমূল করে ফেললে কোন অসুবিধে থাকবে না ইত্যাদি।
    ঘটনা হল, ভারতীয়ত্ত্ব জিনিসটা শুধু না, মানুষের অর্থনৈতিক শুধু না সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই তে রাষ্ট্র একটা যেমন একটা ধাপ তেমনি এবং তাকে জনকল্যানের পথে রাখা একটা লম্বা পদ্ধতি, তেমন ই দায়্ত্ত্বজ্ঞানহীন স্থানীয় রাজনীতি করা শুধু না, রাষ্ট্রের বড় গল্পে যে অসংখ্য স্থানীয় অ্যাসপিরেশন এর বারোটা বাজানো হয়, স্থানীয় অধিকার ক্ষুন্ন করা হয় দমন করা হয়, তার বহিঃপ্রকাশ ঘটবেই, সিপিএম নিজেকে যতদিন গোটা ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি হিসেবে ভাবা বন্ধ করবে ততদিন এটা চলবে। মানে তাকে সরবভারতীয় পার্টি হিসেবে গালাগাল দেওয়া যাবে।
    এবং রাজনৈতিক নৈকট্যের কারণে অন্য দল যখন সর্বভারতীয় হতে চাইবে, এবং সে জন্য আন্দোলনের কোন ঐতিহ্য ছাড়াই ত্রিপুরায় বা আসামে বা মণিপুরে মশ্করা করবে, তখন ও তাকে ছাড় দেওয়া যাবে। এগুলি স্কোপের খেলা ধুলো।।
     
    এই প্রবন্ধের যৌক্তিক ফ্যালাসি শুধু এই জাতীয় স্কোপের খেলা না, সিপিএম এবং ভারতীয় মেন স্ট্রীম পার্লামেন্টের মধ্যেকার বামপন্থী দের, সর্বভারতীয়ত্ত্বের ঐতিহ্যটির সঙ্গে গ্লোবালাইজেশন এবং তার অর্থনৈতিক বিচার কে জুড়ে দেওয়া। বাম আন্দোলনের সর্বভারতীয়ত্ত্বএর ঐতিহ্যের সঙ্গে গ্লোবালাইজেশন এর সম্পর্ক জোর করে স্থাপন করা হচ্ছে।
     
    সিপিএম এর মধ্যে নিও লিবেরাল ঝোঁক অবশ্যই ছিল, কিন্তু ঘটনা হল, সেটা কোন দলের মধ্যেই কম ছিল না। কারণ কিহ্হুই না সব দলের সমড়ক দের অ্যাসপিরেশন ই ছিল নতুন শিল্পের সুযূগ নেওয়ার। এবং সাবসিস্টেন্স ফার্মিং এর রোজগার কমার ফলে তাকেই মুক্তির পথ ধরা হয়েছিল এবং যখন ধরা হয়েছ্হিল তখন প্রান্তিক অঞ্চলে ভাঅগ কম পড়ছে বলে রোল উঠেছিল কারণ কৃষি থেকে শিল্পের ট্রান্সফর্মেশনের গল্প পশ্চিমাঞ্চল o পাহাড়ে সম্ভব ছিল না, এক ডুয়ার্সের চা বাগানকে টুরিজম ডেস্টিনেশনে পরিণত করা ছাড়া ইত্যাদি। এবং রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শিল্পের দিন গিয়াছে ইত্যাদি তত্ত্ব এখনো যা আউড়ানো হয়, ডিসইন্ভেস্ট মিনিস্ট্রি ইত্যাদি তৈরী করেছিল যে এন ডি এ সরকার তার সঙ্গে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁকে অবশ্য ভাষাপ্রেমী বুদ্ধিজীবিদের ভ্রুকুটি সহ্য করতে হয় নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকা কালীন যখন অনেক মূলতঃ ঘোষণা করেছেন, তার কটি কিরকম বাস্তবায়িয় হয়েছে, চিত্তরঞজনের কারখানার একাংশ সরিয়ে এনে ডানকুনি তে আনার বাঙালী জাতীয়তাবাদী চমক মানুষকে ভুলতে সাহায্য করেছেন যাঁরা আনফরচুনেটলি সেই প্রোপাগান্ডা ঐতিহ্যের হাল ধরতে হচ্ছে প্রিয়নাথ রূপী সৈকত কে। :-)))))
     
    মজাটা হল ভারসাম্যের দায় সরকার ছাড়া কারো নেই, কর্ম সংস্থান তৈরীর দায় বাম সরকারের ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে সে দায় থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তিনি ডিরেক্ট ক্যাশ ট্রান্সফারেই ম্যাজিক দেখাচ্ছেন বলে শোনা গেছে, কারণ তাঁকেই সর্বভারতীয় সেকুলারিজমের প্রিয়নাথ হতে হবে।
     
    এই জন্যেই ২০১১ তে এই গল্প শেশ হয়ে গিয়েহ্হে বলে সরে আসতে হয়েছে এই প্রবন্ধে। কারণ গল্প শেষ হয় নি। শুধু বিইজেপি নামক মর্কটেরা, কংগ্রেস ও তৃণমূল থেকে অসংখ্য নেতা উপহার পেয়ে একটু চেগে উঠেছে এই আর কি।
     
    এবারে বেচারি দীপসিতা র কথায় আসা যাক। তিনি তরুন বয়স্ক নেত্রী। তিনি এমন একটা প্রজন্মের লোক, আনন্দবাজার পাঠ ছাড়া যে আর কোন সমসাময়িক বিতর্কের কাঠামো গড়ার পদ্ধতি আছে তাঁর জানা নেই। তিনি নিজের মত উত্তর দিয়েছেন। তাঁর সেন্সিবল কথা গুলি হেডলাইন হবে না জানা কথা, আবাপ তে বা গুরুচন্ডালিতে তবু তাঁদের প্রাসঙ্গিক থাকারা তাড়না ও যশপ্রার্থনায় বড় মেডিয়ার ডিজিটাল প্লাটফর্মে ছুটতে হয়।
     
    আমার সাম্র্পতিক একটা প্রবন্ধে আমি লিখেছি, সিপিএম সমর্থক হিসেবেই লিখেছি, সিপিএম এর একটা সমস্যা হল, তার পশ্চিম বঙ্গের সদস্যদের মধ্যে রাজ্য রাজনীতি প্রশ্নে বিতর্ক টা জ্যোতিবাবু ফ্যান্স আর বুদ্ধবাবু ফ্যান্স এর মধ্যে আর্টিকুলেশন এর কানা গলি তে ঘুরছে, এবং এর থেকে সরে আসার প্রচেষ্টাও চলছে, তবে সিপিএম এর নির্বাচনী ফলাফল ভালো হতে না শুরু করলে তার কোন এভিডেন্স দাবী করা যাবে না। সেতো লম্বা ও অন্যান্য গল্প।
    আপাতত ভাষাপ্রেমী যোদ্ধারা, সেকুলারিজম কে বাঁচিয়ে রাখতে যদি ভবানীপুরে প্রার্থী দেন, ও প্রতিটি মার‌্যোয়াড়ী সমাজ, গুজরাটী সমাজ ও পাঞ্জাবী সমাজে তৃণমূল নেতাদের আউটরিইচ প্রোগ্রামের পরেই একটি সম্পাদকীয় লেখেন তাইলে দেশ ও ভাষা বাঁচে :-))
  • এলেবেলে | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:৩২497745
  • অনেক দিন পরে মূল লেখকের থেকে খ-র মূল্যবান মন্তব্যটি (যা কিনা আলাদা একটি প্রবন্ধ হয়ে ওঠার দাবিদার) বেশি ভালো লাগল।
     
    মুশকিল হল বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রসঙ্গে গর্গ ওভার্ট, সৈকত কভার্ট। কিন্তু মূল অ্যাজেন্ডা একই - সিপিএম বাদে বাকি দিদি ও দাদারা কত সহি ও কত মহান। তাঁদের যাবতীয় চিন্তা আবর্তিত হয় যাদবপুরের ডোমিসাইল নিয়ে, মেডিক্যালে কেবল ভূমিপুত্র হওয়া সুবাদে বাঙালি ছাত্রদের পেছনের দরজা দিয়ে সুযোগ করে দেওয়া নিয়ে কিংবা সর্বভারতীয় পরীক্ষাগুলোর প্রশ্নপত্র বাংলা ভাষায় করা নিয়ে।
     
    এই গুটিকতক বাঙালি ছাড়া সারা বাংলা জুড়ে যে অসংখ্য দরিদ্র, প্রান্তিক মানুষ আছেন - তাদের নিয়ে এঁদের তেমন হেলদোল নজরে পড়েনি। এবং দুজনেই বাঙালি জাতীয়তাবাদকে কলকাতা কেন্দ্রিকতায় সীমাবদ্ধ রাখতে অতি মাত্রায় তৎপর।
  • খিকখিক | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৯:২২497751
  • হালতু সিপুয়েমের ফালতু মন্তব্য। তাতে আবার এলেবেলে ফ্যানকুল এসে হাওয়া দিচ্চে মাইরি!
  • এলেবেলে | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:৩১497756
  • তা বাপু প্রতিভাবান নেড়ুখোকন, একটু বলো দিকি লোকাল ট্রেন চলে না কিন্তু ভবানীপুরে ভোট ক্যামনে হয়? এবং কেবল সেখানেই ক্যামনে হয়? খিকখিকগিরি গত্তে সেঁধিয়ে যাবে বাওয়া।
  • দিলুদা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:৪১497758
  • এলে চালিয়ে যাও। ভবানীপুরে টিকিট দেওয়ার লোক পাচ্ছি না। তুমি ছাড়া কেউ লয়াল না।
  • :|: | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:১০497772
  • ওমা তাই নাকি? শুধু ভবানীপুরের ভোট হচ্ছে নাকি? সেখানে ভোটারদের লোকাল ট্রেনে চেপে ভোট দিতে যেতে হয়?
    খবরের কাগজগুলো এইসব কক্ষনো বলবে না। বলে নাকি আরও দুই কেন্দ্রে...
    যাগ্গে যাক
  • Ranjan Roy | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৫:১৪497773
  • আমার যা মনে হলঃ
    সৈকত দীপ্সিতার বক্তব্যের থেকে একটি বিন্দু তুলে ধরেছেনঃ তা হোল ভারত সরকারের ক্রমশঃ ক্ষমতা কেন্দ্রীকরণের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ফেডারালিজমের কাঠামোকে মজবুত করার পক্ষে দাঁড়ানো কমিউনিস্টদের কাছে একটি রণনৈতিক প্রশ্ন, কিন্তু দীপ্সিতা মনে হয় সেটিকে রণকৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন।
    নিজের বক্তব্য দাঁড় করাতে গিয়ে সৈকত.১) স্বাধীনতার পরবর্তী ইতিহাসে অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পক্ষে অবস্থানের ইতিহাস তুলে ধরেছেন এবং সন ২০০০ পর্য্যন্ত সিপিএম এর এ'ব্যাপারে কন্সিস্টেন্ট অবস্থানের কথা বলেছেন। ২) এই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন তুলেছেন দীপ্সিতা জাতিসত্ত্বার ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রশ্নে কমিউনিস্টদের আদি রণনীতিগত অবস্থানের ব্যাপারে ওয়াকিফ কিনা।
    আর এর থেকে উঁকি মারছে আর একটি বড় প্রশ্নঃ বৃহৎ পুঁজির ক্রমশঃ ভার্টিক্যাল উত্থান এবং ১% লোকের হাতে দেশের ৭০% সম্পদ কেন্দ্রীভুত হওয়ার মোকাবিলায় আমরা কী করব? যেভাবে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা এই প্রক্রিয়াকে মদদ দিচ্ছে-- ১) জিএসটিতে রাজ্যের অধিকারকে নেই করে দেয়া, ২) এক রেশন কার্ড, ৩) এক শিক্ষা পাঠ্যক্রম, ৪) এক কৃষি ও শ্রম আইন ইত্যাদি-- সেটা আটকাতে ভারতের মত বহুভাষা বহু ধর্মের দেশে ফেডারালিজমের ধারণাকে মজবুত করার শ্লোগান খানিকটা বা কতটা সহায়ক হতে পারে?
    সৈকতের সমালোচনাগুলোর বেশির ভাগটাই ও যা বলেনি তা নিয়ে, যে প্রশ্ন তুলেছে সেটা নিয়ে নয়।
     
    সিপিএম সর্বভারতীয় দল হলেও মোর্চা তৈরির প্রশ্নে কেরলে ও বঙ্গে আলাদা অবস্থান নিতে পারে, তাহলে বঙ্গের স্বার্থের প্রশ্নে বিশেষ অবস্থান নিলে তার সর্বভারতীয় ভাবমূর্তি কেন ক্ষুণ্ণ হবে? অশোক মিত্রের সময় হয়নি। এছাড়া তখন সিপিএম হয়ে উঠে ছিল সারাভারতে ফেডারেলিজমের নেতা, হরকিষেণ সিং সুরজিতের সময়েও।
  • বিপ্লব রহমান | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৫:৫৩497776
  • মোল্লা আব্বাসের সাথে জোটের আস্তাকুঁড়ে পড়া ছাড়া এবার নির্বাচনে সিপিআই এম - এর আর অর্জন কি!?
     
    জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গ মনে করিয়ে দেওয়ায় ধন্যবাদ সৈকত দা
  • lcm | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৪:৩২497824
  • m | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১০:২১497829
  • :|: | 174.255.130.182 | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:১০
     
    সমশেরগঞ্জ বা জঙ্গিপুরের কথা এলেবেলে কিকরে জানবেন? ওগুলো কলকাতা থেকে অনেক দূরে। দিলীপের পার্টি লাইন মেনে চলতে উনি বাধ্য। সাধের দল জেতেনি বলে সাধ ফুরিয়ে যাবে এমন তো না।
  • এলেবেলে | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:১৬497831
  • চতুরানন ও এম, এলেবেলে আপনাদের তুলনায় খুবই কম জানে। তবে এটুকু জানে গোটা দেশে সম্ভবত ৩৩ বা ৩৪টা আসনে উপনির্বাচন বকেয়া আছে। কিন্তু গরজ বড় বালাই। তাই ভবানীপুরটা সেরে ফেলা জরুরি। আপনাদের মতো ঘেসোদের (বলতাম না কিন্তু এটা দিলীপের পার্টি লাইন মেনে চলতে উনি বাধ্য-র পাল্টা) মুখে বাক্যি যোগাতে সামশেরগঞ্জ আর জঙ্গিপুরকে গুঁজে দেওয়া হয়েছে। ওই এমনি এমনি খাই টাইপের। আসলে দিলীপের বাপ-পিতেমোদের সঙ্গে কতটা বন্ধুত্ব থাকলে এই ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে এবং তা ঘটার পরেও সেটা নিয়ে ঘেসোরা কত বড় মুখ করে কথা বলে - তার প্রমাণ আপনারা।
  • এলেবেলে | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:২৩497832
  • সারা বছরে ১০ মাসে মোট ২০০ দিন মিড ডে মিল পড়ুয়াদের হকের পাওনা। সেখানে সারা মাসে একবার তাদের যে পরিমাণ জিনিস দেওয়া হচ্ছে, সেটা ঘেসোদের হাতা-চামচরা খুল্লম খুল্লা ছাত্রপিছু মাসে ৭২ টাকার প্যাকেজে মিটিয়ে ফেলার জন্য হেডুদের কাছে প্রস্তাব রাখছেন। মানে বছর ফুরালে সাকুল্যে খরচ ৭২০ টাকা। এই পুকুর চুরি নিয়ে কেউ লিখেছেন? গর্গ বা সৈকত? ভবিষ্যতে লিখবেন? বাহবা বাহবা নন্দলাল।
  • রমিত | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৩:৪১497834
  • বোধি বাবুর লেখাটি প্রণিধানযোগ্য। অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই কিছু গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে আনার জন্য। আরেকটি পৃথক প্রবন্ধের দাবি রইল।
  • খিক | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৫:১৬497836
  • এলেবেলে তো দেখি মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী থেকে সরানো যাবে না দেখে লুচির মত ফুলছে। কত আশা নিয়ে প্রেডিকশন করেছিল, নাক কাটা গিয়ে এখন দু কানকাটা হয়ে খুল্লমখুল্লা চাড্ডিগিরি চালাচ্ছে। গোমূত্র খুব পছন্দ হয়েছে মনে হয়। :)
  • | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৫:৩২497837
  • ওদিকে কংগ্রেস বলে দিয়েছে ভবানীপুরে প্রার্থীও দেবে না প্রচারও করবে না।
  • এলেবেলে | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:০৯497840
  • একটা সাইটের প্রেডিকশন নিয়ে যারা এলেবেলের রাজনৈতিক স্ট্যান্ড মাপার দুঃসাহস দেখায় ও খিল্লি করে তাদের অপরিসীম মূর্খতাকে করুণা করি। আসল প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে কেমন চুটকি কমেন্ট দিয়ে প্রসঙ্গটাকেই আড়াল করা যায় সেসব দেখলে বেবাক হাসিও লাগে।
     
    এলেবেলে হচ্ছে তৃণমূল স্তরের জাতীয়তাদাবাদী গেরুয়াপন্থী বাম (মাওবাদী) দলের শেষতম জীবিত সদস্য। এবারে আয় শালা নিননিছারা, দেখি ইয়েতে কত দম।
  • ধোর | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৯:০৩497841
  • এলবেল বিচিপি নাকি? ও শালা প্রেডিকশন সাঁটিয়ে কেমন দিলুম বলতে গেচিল। ইদিকে দিদি এসে টেংরি খুলে লিয়েচেন। খ্যাক খ্যাক।
  • এলেবেলে | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২০:২৮497844
  • তো শালা ধোর, বল দিকি এলেবেলে ঘেসো বা সিপুএম। দিই টেংরিদুটো খুলে। প্রমাণ সমেত। হাহা হোহো হিহি।
  • হোহো | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:২০497847
  • গর্ভিত বিচিপিকে ঘেসো বা সিপুএম বল্লে খচে গিয়ে টেংরি খুলে লিবেই।
  • হোহো | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:২০497848
  • গর্ভিত বিচিপিকে ঘেসো বা সিপুএম বল্লে খচে গিয়ে টেংরি খুলে লিবেই।
  • হিহি | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:৫৭497852
  • অ এলেবেলেবাউ, আপনাগো গেরামে শ্যাল আছে?
  • হুম | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২২:৩৪497853
  • এলেবেলে তাহলে আদি বিজেপি নন, নব। শুভেন্দুর সঙ্গে গেছেন?দাদার অনুগামী? মমতাকে নিয়ে গাত্রদাহটা খাপে খাপ মিলে যাচ্ছে। ভোটের আগে অনেকেই তো...
  • এলেবেলে | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:১১497854
  • আগে বল মুকুল আদি না নব? তারপরে বল যে বিচিপি এমেলেগুলো ঘাস খেতে গেল তারা আদি না নব? গরুরা গোয়ালে থাকে আর তাদের প্রিয় খাদ্য ঘাস। জানিস না?
     
    শিক্ষাক্ষেত্রে প্রথম ঘোষণাটা কী? না জেলায় জেলায় ১০০ টা মডেল ইংরেজি মাধ্যম স্কুল খোলা। শালা পাক্কা দুয়ারে উপনিবেশ প্রকল্প। তা সেই নিয়ে গুরুর নেড়ুখোকনরা বা তাদের ফ্যানকুল কিচু বলেচে-টলেচে?
     
    শালা মশারি বলে চালুনির পেচুনে ছ্যাঁদা।
  • hehe | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২৩:৩১497855
  • তো ইস্কুল লাগবে না ? টোলে পড়বে? এডাম সায়েবের রিপোর্র্টে তাই বলেচে?
  • বিপ্লব ব্যানার্জি | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৬:৪৫497857
  • দ্বিতীয় বামফ্রন্টের পর সিপিএম বুঝে গেছল যে একটা রাজ্য সরকারে ক্ষমতায় থেকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার স্বাদ আস্বাদন সম্ভব। সেখান থেকেই তাদের ভাবনার পরিবর্তন। ক্রমশঃ ক্ষমতায় থাকার স্বার্থে বাঁক নিয়ে নিতে বাম থেকে দক্ষিণে পৌঁছে যাওয়া।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন