এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা  সমাজ

  • নয়া বাংলাস্তান (২)!

    দীপ
    আলোচনা | সমাজ | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ২০০৩ বার পঠিত
  • ছাত্রবিপ্লবপরবর্তী বাংলাদেশের সামাজিক অবস্থা নিয়ে আলোচনা করলেন হুমায়ূন কবীর। শান্তির পায়রার হাতে বাংলাদেশ যে একেবারে শান্তির নীড়ে পরিণত হয়েছে, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই!
    আগ্রহী হলে পড়তে পারেন।
    -------

    সামনের কিছুদিন একটু সাবধানে বেঁচে থাকেন। বিশেষ করে বড় শহরগুলোতে যাঁরা থাকেন, খুব সাবধানে থাকবেন।
    আপনারা আমার প্রফাইল ঘুরলে দেখবেন, বেশ কিছুদিন ধরে দেশে ঘটে যাওয়া প্রত্যেকটা অপরাধ আমি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছি, বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করছি।

    স্বাভাবিকভাবেই কেউ যদি একটা বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন পড়ে থাকে, উক্ত বিষয়ে তার জ্ঞান অন্যান্যদের চেয়ে কিছুটা বেশিই হবে।

    এই কদিনের বিশ্লেষণে আমি এক ভয়াবহ ব্যাপার লক্ষ্য করেছি। ব্যাপারটা এতটাই এলার্মিং আর সেন্সিটিভ যে, আমি তা প্রকাশ্যে বলতেও পারব না। আবার পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে বলাটাও ঠিক হবে না।

    তবে এতটুকু নিশ্চিত থাকেন যে, আগামী কিছুদিন বড় বড় শহরগুলোতে অপরাধপ্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাবে। এখনই যা অবস্থা, এরচেয়ে আরও বাড়লে কি হবে তা কি আপনারা ভাবতে পারছেন?

    আপাতত আমি আপনাদের কিছু পরামর্শ দিতে পারি নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে। যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে অপরাধ জগটা নিয়ে পড়ে আছি, আবার সম্প্রতি নিজে একটা ছিনতাইয়ের শিকার হলাম, তাই মোটামুটি আমার পরামর্শগুলো চোখ বন্ধ করে মেনে চলতে পারেন। লাভ না হলেও অন্তত ক্ষতি হবে না, এতটুকু বলতে পারি।

    ১. সন্ধ্যের পর খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ না থাকলে বের হবেন না।

    ২. রাতে দরজা, জানালা খুব ভালোভাবে চেক করে নেবেন, বন্ধ করেছেন কি না। দরজা বা জানালা কিংবা বারান্দায় দূর্বল কোনো স্ট্রাকচার থাকলে তা মেরামত করে নিন। ভালো সিকিউরিটিযুক্ত বাসায় থাকলে আপনার জানালা এবং বারান্দা সিকিউর করুন।

    ৩. এক দুই হাজারের বেশি ক্যাশ টাকা নিয়ে দিনে বা রাতে বাইরে হাঁটবেন না, সেটা যত স্বল্প দূরত্বেরই হোক না কেন। মোটামুটি পাঁচ হাজার টাকা পকেটে থাকলেও ওরা সামহাউ টের পেয়ে যায়।

    ৪. আপনার ব্যাংক কার্ড একান্তই প্রয়োজন না হলে সাথে রাখবেন না। কার্ডে যদি এনএফসি সার্ভিস এনাবল করা থাকে তবে ব্যাংকে কল করে তা বন্ধ করে নিন।
    (এনএফসি হলো 'নিয়ার ফিল্ড কমুনিকেশন'। অনেকসময় দেখবেন, সুপারশপগুলোয় কেনাকাটা করার পর কিছু কিছু কার্ড জাস্ট পস মেশিনে টাচ করলেই পেমেন্ট হয়ে যায়। এটাই এনএফসি। ব্যাংকগুলো কার্ডে ডিফল্ট এনএফসি এনেবলড করে দেয় এখন। এটা ব্যাংকে কল করে বন্ধ করা যায় চাইলে)।

    ৫. দামী ফোন, ল্যাপটপ, প্যাড, ক্যামেরা বা অন্য কোনো দামী ডিভাইস নিয়ে বের হবেন না। আপাতত এগুলো বাসায় সিকিওরড জায়গায় রাখুন।

    ৬. মহিলারা দামী হোক, কমদামী হোক, কোনো গহনা পরে বের হবেন না। বিশেষ করে নাক এবং কানে তো নাই। নাক এবং কান ছিঁড়ে নিয়ে যাবার অসংখ্য রেকর্ড আছে।

    ৭. রাস্তায় ফোন বের করে টেপাটেপি করবেন না বা কথা বলবেন না।

    ৮. বাসে উঠলে জানালার পাশে না বসার চেষ্টা করবেন। জানালার পাশ বসুন বা না বসুন, পকেট থেকে ফোন বের করবেন না খবরদার।
    প্রাইভেট কারে থাকলে কারের জানালা বন্ধ রাখুন, একটুও ফাঁকা রাখবেন না।
    উবারে এ্যাপ থেকে কল দিয়ে যাবেন, ভুলেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে কিছু লোক দামাদামি করে, ওদের সাথে রাইড নেবেন না।

    ৯. সিএনজিতে উঠলেও ফোন, ব্যাগ সাবধানে রাখুন। সিএনজির পর্দা কেটে ছিনতাই করতে দেখা গেছে অনেকগুলো।

    ১০. অপরচিত কারও সাথে একদম কথা বলবেন না।

    ১১. অপেক্ষাকৃত নির্জন রাস্তা দিয়ে কোনোভাবেই একা একা যাবেন না।

    ১২. যদি মনে হয় কেউ আপনাকে ফলো করছে, মানসম্মানের ভয় না করে দৌড়ে কোনো জনসমাগমে চলে যান।

    ১৩. ছিনতাইকারীরা আপনার ব্যাগ, পার্স, ডিভাইস বা মালামাল নিয়ে টানাটানি করলে ছেড়ে দিন। জোর করতে যাবেন না। ওরা আপনাকে মেরে ফেলতে এক সেকেন্ডও ভাবে না। ওরা মানুষ না। আপনার জিনিসের চাইতে আপনার জীবন মূল্যবান। বেঁচে থাকলে আবারও জিনিস ক্রয় করতে পারবেন।

    ১৪. কোনো ছিনতাইকারী আপনাকে ছিনতাই করে পালানোর সময় যদি তাকে চিনে ফেলেন, তবে ভুলেও বলতে যাবেন না, অমুক, তুই এই কাজ করলি? আপনি চিনে ফেলামাত্রই ওরা আপনাকে মেরে ফেলবে।

    ১৫. চিৎকার করে লোক ডেকে বা ৯৯৯ এ ফোন করে কোনো লাভ নেই। আমি নিজে এসব করে দেখেছি, কেউ আসে না। সবাই নীরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে দেখে শুধু।

    ১৬. রাস্তায় পেছন থেকে কেউ ডাক দিলে পরিচিত কি না, তা পুরোপুরি নিশ্চিত না হয়ে সাড়া দেবেন না।
    তেমনি রাতের বেলা বাসার দরজায় কেউ নক করলেও পরিচিত নিশ্চিত না হয়ে দরজা খুলবেন না।

    ১৭. অনেকদিন বাসায় না থাকলে অন্তত একটা বাতি জ্বালিয়ে রেখে যাবেন। একটানা কয়েক রাত কোনো বাসায় বাতি না জ্বললে চোররা উক্ত বাসাকে টার্গেট করে, ঢোকার চেষ্টা করে।
    এখন বাজারে কিছু স্মার্ট ডিভাইস পাওয়া যায়, যা বিশেষ প্রক্রিয়ায় বাসায় সেট করলে দূর থেকেই মোবাইলের মাধ্যমে বাতি জ্বালানো নেভানো যায়। বাসার বাইরে থাকলে এই পদ্ধতি অনুসরণ করে মাঝে মাঝে বাতি জ্বালাবেন, নেভাবেন। এতে চোর ছিনতাইকারীরা ভাববে, বাসায় কেউ আছে।

    ১৮. আপাতত এই পয়েন্টটাই লাস্ট। এটা ইচ্ছে করেই লাস্টে রেখেছি। এই পয়েন্ট অনেকে মানতে চাইবেন না, কেউ কেউ হেসে উড়িয়ে দেবেন, আবার কারও কারও কাছে ব্যাপারটা বিতর্কিত মনে হতে পারে-

    "আপনার বাসা যদি ঢাকা বা বড় কোনো শহরে অপেক্ষাকৃত কম সিকিউরিটিযুক্ত এলাকায় হয় এবং আপনার বাসায় দেখতে মোটামুটি সুন্দর কোনো মেয়েলোক থাকে কিংবা মাঝবয়েসী থেকে অল্পবয়সী কোনো মেয়ে থাকে, আমার মতে আপাতত তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যা যা করা আপনার সাধ্যে কুলোয়, করেন। চুরি বা ছিনতাইয়ের সময় এরাও টার্গেট থাকে। মনে রাখবেন, আপনি চিৎকার করে মরে গেলেও পাশের বাসা থেকে একজনও বেরিয়ে আসবে না। সবাই বরং দরজা জানালা ভালো করে বন্ধ করে দেবে।"
    ¥₯
    লাস্ট পয়েন্টটা আমার বাড়াবাড়ি নয়। সম্প্রতি এমন ঘটনা দুয়েকটা ঘটতে দেখা গেছে।

    আরেকটা কথা, রাতের বেলা দূর পাল্লার বাস, কার বা ট্রেন জার্নি করা থেকে বিরত থাকুন পারলে।

    এই পয়েন্টগুলো গত বেশ কিছুদিনের অপরাধের প্যাটার্ন এনালাইসিস করে লেখা। এর বাইরেও হয়তো অপরাধীরা অন্য কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে কিংবা ভবিষ্যতে আরও অভিনব কিছু পদ্ধতি ওরা বের করবে। তখন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

    উপরোক্ত কথাগুলো আমি কাউকে আতংকিত করার জন্য বলিনি। নিজ অভিজ্ঞতা থেকে কিছু ঘটনা শেয়ার করলাম। এতে যদি একজনও উপকৃত হয়, এটাও বা কম কি!

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | ১০ মার্চ ২০২৫ ১৫:৩৪744523
  • মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আগুন লাগছে বলে বলছি না, আগেও বলেছি, সময় থাকতে শাহবাগের কেন্দ্রীয় জাদুঘর, সোনারগাঁও লোকশিল্প জাদুঘরসহ যত জাদুঘর আছে সব কোলকাতায় সরিয়ে নিন! ইরাক ও সিরিয়ায় আইএস সমস্ত জাদুঘর ধ্বংস করেছে। বাংলাদেশে সেই আইএসের ভাইরা ৭ মার্চ মিছিল করছে। তাদের ভাইদের গত বছর ৫ আগস্ট জেল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের কোন পুরাকীর্তি, মূর্তি, ভাস্কর্য থাকবে না। ইসলাম পূর্ব আরবের কোন মন্দির বা দেবদেবীর মূর্তি নেই কারণ এসব "হারাম" রাখা হয়নি। ফলে বাংলাদেশেও কিছু রাখা হবে না। কোলকাতায় মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘর সরিয়ে নিলে স্মৃতিচিহ্নগুলো রক্ষা পাবে। লালন আখরাটা, হাসনরাজার রেপ্লিকা করে কোলকাতায় রেখে দেন। পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর মূর্তি সরাতে বিক্ষোভ করেছিল, ভাঙতে পারেনি কারণ শহরটা হিন্দুদের। সংখ্যা বাড়িয়ে শহরটা মুসলিম প্রধান করার ওয়াজ পশ্চিমবঙ্গের গ্রামে গ্রামে হয় জানি। কোলকাতা সচেতন হবে বিশ্বাস করি। চাটুয্যে মুখুজ্জে কমিউনিস্ট মুসলিম লীগগুলোর অপরাজনীতি আর অপ-ইনটেলেকচুয়ালিটি ব্যর্থ হয়ে কোলকাতার কবিতা ছবি গানের শহরই থাকবে বিশ্বাস করি। ফলে একটুকরো বাংলাদেশ একটা জাদুঘরে রক্ষিত থাকুক। আপাতত কালো পতাকাধারী কলেমাবাদীরা দখল নিবে। সব মুসলিম প্রধান দেশের নিয়তি বা ঝুঁকি।
     
    ©সুষুপ্ত পাঠক
  • দীপ | ১১ মার্চ ২০২৫ ১১:৩১744524
  • সিরিয়ায় গত ২ দিনে ১ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে। ঘরে ঢুকে ঢুকে বিরোধী মতের মানুষদের হত্যা করা হচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশী ভণ্ডদের কোনো সাড়াশব্দ নেই। কারণ মুসলমানরা মুসলমানদের মারছে। যদি ইসরায়েল-ফিলিস্তিন হতো, তাহলে ভণ্ডরা প্রোফাইল পিক পরিবর্তন করতো, একটু পরপর আল্লাহ ফিলিস্তিনের ভাইদের রক্ষা করুন বলে স্ট্যাটাস দিতো, মসজিদুল আকসায় নামাজ পড়ার স্বপ্ন দেখতো, আর ইহুদীদের পিন্ডি চটকাতো। এবং এই প্যাটার্ন শুধু নিরক্ষর বা অবুঝ তৌহিদী জনতার মাঝে নয়, সকল শিক্ষিত ভণ্ডের মাঝেই এটা প্রকট। মুসলমানের হাতে যখন মুসলমান মারা যায়, তখন সে চুপ থাকে।
     
    ইসলামপন্থা মূলত সন্ত্রাসপন্থা। ইসলামপন্থী শব্দের সরল অর্থ সন্ত্রাসপন্থী। কারণ ইতিহাসে একটিও নজির নেই, যেখানে সন্ত্রাসপন্থা ছাড়া ইসলামপন্থা প্রচার করা গেছে। ইসলামপন্থীরা নিজ আকিদার ইসলামপন্থীদের ছাড়া অন্য কাউকে মানুষ মনে করে না। ধার্মিক মনে করে না। তার চোখে সকলেই অপর। সারাবিশ্বে সেকুলারদের কারণে মুসলমানরা টিকে আছে, কিন্তু ইসলামপন্থীরা প্রথম গালিটাই দেয় সেকুলারদের।
     
    সাধারণ মুসলমান আর ইসলামপন্থী এক জিনিস নয়। এ বিষয়টা ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে অনুধাবন করতে হবে। সমাজে ইসলামের প্রতি ঘৃণা বাড়ার প্রধান কারণ ইসলামপন্থীরা। মুসলমান হতে, নামাজ পড়তে, রোজা রাখতে ইসলামপন্থী হওয়ার প্রয়োজন নেই। বাংলাদেশের খেটে খাওয়া কৃষক, শ্রমিক, মজুর, এরা কেউ ইসলামপন্থী নয়।
     
    পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মুসলমান নিহত হয়েছে ইসলামপন্থীদের হাতে। যারা ফেসবুকে ইসলামী আইন, শরিয়া আইন, ইসলামী শাসন, কোরানের শাসন, এসব নিয়ে ফ্যাসিনেশন দেখান, তারা সতর্ক হোন। এখন তো ফেসবুক চালাতে পারছেন। তখন ফেসবুকও চালাতে পারবেন না। ইউটিউবে ভিডিও দেখার দায়ে বেত্রাঘাত করা হবে। জোর করে নামাজ পড়ানো হবে, রোজা রাখানো হবে। মেয়েদের কোনো অধিকার থাকবে না। সুন্নতের জ্বালায় বাঁচতে পারবেন না। হাজার হাজার লাখ লাখ সুন্নত পালন করতে হবে। এমনকি লুঙ্গি পরলেও লাঠিপেটা করা হবে, কারণ তা সুন্নতী পোশাক নয়। শতো শতো মাজহাব, দল, ও গোত্র দেখা দেবে। এক গ্রুপ ফতোয়া দেবে আরেক গ্রুপের বিরুদ্ধে। এক দল হ*ত্যা করবে আরেক দলকে। এটা পরীক্ষিত সত্য। খলিফা উমর, ওসমান, আলী, তাঁদেরকে কারা হত্যা করেছিলো? কোনো ইহুদী খ্রিস্টান হিন্দু নাস্তিক? না, মুসলমানরাই হত্যা করেছিলো। ইসলামপন্থীরা।
     
    আপনি যদি ইসলাম ভালোবাসেন, ধর্ম ভালোবাসেন, আপনার প্রধান কাজ ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে কথা বলা। তাদেরকে দান-খয়রাত অনুদান এসব দেওয়া বন্ধ করা।
     
    ইসলামপন্থীদের পরিচালিত কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে কেনাকাটা করবেন না। ফেসবুকে মধু বিক্রি, কালিজিরা বিক্রি, ভুজুং ভাজুং বিক্রি, ত্বিন ফল বিক্রি, এ ধরণের নানা ব্যবসা দেখা দিয়েছে, যেগুলোর সিংহভাগ পরিচালিত হচ্ছে ইসলামপন্থীদের দ্বারা। এদের কোনো কর্মদক্ষতা নেই, তাই সহজ উপায় বেছে নিয়েছে ইনশাল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ নবীর নাম হাদিসের বাণী দেখিয়ে মধু কালিজিরা বিক্রি করা। কোনো কৃষকের পণ্য এরা বিক্রি করে না। কোনো ক্ষেতে দরকারি কৃষিপণ্য এরা চাষ করে না। মাছ চাষ করে না। কারণ সেগুলো হাদিস দেখিয়ে দশগুণ বেশি দামে বিক্রি করা যায় না।
     
    ইসলামপন্থীরা উপকৃত হয়, এমন সকল প্রতিষ্ঠান বর্জন করুন। কারণ ইসলামপন্থীদের আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার অর্থ, আপনি আপনার সন্তানের ভবিষ্যৎ বিপন্ন করছেন। আপনার টাকা দিয়েই এরা একদিন আপনার সন্তানকে খুন করবে। আপনি টেরও পাবেন না।
     
    লিখলেন মহিউদ্দিন মোহাম্মদ।
  • দীপ | ১৪ মার্চ ২০২৫ ১২:০৫744581
  • আজকে শাহবাগে শ্লোগান হয়েছে- গোলাম আযম দিচ্ছে ডাক, কাদের মোল্লা দিচ্ছে ডাক, রাজাকার মুক্তি পাক...। স্বাধীনতার ৫৩ বছরে এবারের মত স্বাধীনতা জামাত শিবির আর কোনদিন ভোগ করেনি। জিয়াউর রহমানের সময় এরা রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে, এরশাদের সময় সুযোগ পেয়েছে, বিএনপির সঙ্গে জোট করেছে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে ‘যুগোপত আন্দোলন করার সুযোগ পেয়েছে, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ প্রশ্নে এরা এড়িয়ে গেছে। মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে এরা কথা বলতে চায়নি প্রকাশ্যে। কিন্তু এবার নিজেদের বাপদাদাদের রাজাকার পরিচয় নিয়ে তারা গর্ব করার হিম্মত দেখিয়েছে।
     
    একজন সম্বয়নক সাঈদের নামে গানে ঠোট মিলিয়েছে, একজন জামাতের আমিরের চুমু খেয়েছে, স্বাধীনতা ২.০ হচ্ছে সেই স্বাধীনতা যেখানে ৭১ এর পরাজিতরা সত্যি সত্যি স্বাধীন হয়েছে। এদের নিয়ে কিন্তু আমার আসলে সত্যিই কোন মাথা ব্যথা নেই। মাথা ব্যথা হচ্ছে অদৃতা রায় নামের কাচ্চাবাচ্চাদের নিয়ে। শাহবাগে কাদের মোল্লার রাজাকারের ডাকে তাদের কিছু যায় আসে না। তাদের যায় আসে ২০১৩ সালের শ্লোগান কন্যা লাকী আকতারকে নিয়ে। সে হাসিনার দোসর, সে ফ্যাসিবাদের দোসর, তাকে তারা স্পেস দিবে না। তার কোন ঠাঁই হবে না। রাজাকাররা স্বাধীন হলে কোন সমস্যা নেই। এই অদৃতা রায়দের ঠাই বাংলাদেশে হবে না এটা দেখার জন্য হলেও মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে জামাত রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করুক!
     
    অদৃতা রায়সহ যতজন বাম, মধ্যম, মডারেট এখনো তাদের কথিত বিপ্লব-অভ্যুত্থান নিয়ে গর্ব করে, এখনো তারা তাদের আন্দোলনের ফল বা ‘বেহাত ব্প্লিব’ নিয়ে আফসোস করেনি তারাই আসল স্বাধীনতা বিরোধী! এরাই জামাত-শিবিরের আন্দোলনকে ‘ছাত্রজনতা’ ব্যানার রূপ দিতে পেরেছে। এরা ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশের উপর স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতাপ দেখেও এখনো নিজেদের বিপ্লব নিয়ে গর্ব করে মানে তারা জামাত শিবিরের সাথী। এতে কোন দ্বিধা নেই। তারা তাদের রাজনৈতিক বিশ্বাস দেখিয়ে দিয়েছে। এদের পরিণতি জামাত শিবির দেখিয়ে দিক চাইলেও এরা একা তো মরবে না, গোটা দেশটাই শেষ হয়ে যাবে।
     
    সাংবাদিক অঞ্জন রায় সারা জীবন আওয়ামী লীগের পদলেহন করে গেছে। হাসিনা তাকে আদর করে কানে ধরেছে সেই ছবি এতদিন বেচেছে। তারপর নিজের মেয়ে লাল বদর হবার পর নিজেকে সেফ করতে মেয়ের রাজনীতিকে সম্প্রতি বিক্রি শুরু করেছিল। আজ তার মেয়ের নামে মামলা হয়েছে। হিন্দু বামদের শেষ ঠাঁই হয় পশ্চিমবঙ্গ। ইলা মিত্র থেকে সবাই এখান থেকে মুসলিম লীগের লাত্থি খেয়ে ওপারে যায়। তারপর সেখানে গিয়ে আবার ইনকিলাব জিন্দাবাদ বলে শ্লোগান দেয়। হিন্দুত্ববাদ কত খারাপ, ভারত থেকে হিন্দুত্ববাদীরা মুসলমানদের বের করে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছে, ভারত অসহিষ্ণু, ভারত খারাপ, ভারত হিন্দু... মুসলিম লীগের লাত্থি খাওয়া হিন্দুদের আসলে কোন চরিত্র নেই!
     
    হিন্দু ঘরের আর আদিবাসী ঘরের ছেলেমেয়েদের বামপন্থী হওয়া আসলে সেই সম্প্রদায় আর সেই জাতির জন্য একটা অভিশাপ। এরাই তাদের কমিউনিটিকে এদেশ থেকে বিতাড়ণের শেষ পেরেকটি গেঁথে দিলো!
     
    ©সুষুপ্ত পাঠক
  • দীপ | ১৪ মার্চ ২০২৫ ১২:০৯744582
  • পশ্চিমবঙ্গেও এই মাকুমাকুনীদের দেখা যায়! এরা কথায় কথায় হিন্দুত্ববাদ নিয়ে গালাগালি দেয়; কিন্তু বাংলাদেশ নিয়ে মৌনব্রত অবলম্বন করে! এরা রামমোহন, বিদ্যাসাগর, বঙ্কিম, বিবেকানন্দ সবাইকে গালাগালি দেয়; কিন্তু ভুলেও বাংলাদেশ নিয়ে কোনো কথা বলেনা!
     
     
    সমাজতন্ত্র আর মাকুগর্দভ; দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়!
  • দীপ | ১৬ মার্চ ২০২৫ ১৩:৪৬744584
  • তবে পশ্চিমবঙ্গের মাকুমাকুনীরাও হিজাব, বোরখায় নারীরা অধিকার খুঁজে পায়!
  • দীপ | ২৪ মার্চ ২০২৫ ১১:৩২744620
  • সবচেয়ে সাংঘাতিক হচ্ছে মডারেট মুসলমান। যখন উগ্ররা মন্দির ভাঙে, সংখ্যালঘু নির্যাতন করে তখন এরা বলে এসব কাজ কুরআন হাদিস এলাউ করে না। কাজটা কুরআন বৈধ করলে কি তাদের আপত্তি ছিল না?
     
    রমজানে দোকানপাট বন্ধ, প্রকাশ্যে খাওয়াদাওয়া বন্ধ রাখা মুসলিম খিলাফত থেকে চলে আসছে। মডারেটরা বলা শুরু করে দিয়েছে, প্রকৃত রোজাদার কখনোই এসব করে না। কুরআন হাদিসের কোথাও এর অনুমোদন নেই! কী অদ্ভুত এরা! ইসলাম পালন আর ইসলাম কায়েম যে এক না এরা জানে? ইসলাম নামাজ না পড়াকে ব্যক্তিগত ইচ্ছা স্বাধীনতা মনে করে না। ইসলামী রাষ্ট্রে নামাজ কায়েম করতে বলা হয়েছে। মানে নামাজ প্রতিষ্ঠা। রাষ্ট্রের মুসলমানরা অবশ্যই নামাজের সময় কাজ ফেলে এসে নামাজ পড়বে। আবু বকরের সময় জাকাত অস্বীকার করে লোকজন বিদ্রোহ করার সময় আবু বকর তরোয়াল হাতে তাদের দমন করেছিল কেন?
     
    হেফাজত ১৩ দফা দেয়ার সময়ও মডারেটরা কুরআন হাদিসের কোথাও এরকম দফা নেই বলে ইসলামকে টেনে এনেছিল। তারমানে কি কুরআনে থাকলে তারা সব মেনে নিতো?
     
    কট্টর ইসলামপন্থীরা তাই মডারেটদের চেয়ে ভালো। কট্টরপন্থীরা যখন ক্ষমতা হাতে পায় তখন সবার আগে মডারেটদের লাল করে দেয়! এখন কিন্তু একটু একটু দিচ্ছে!
     
    অনেকে এখন বলতে পারেন, এসব আসলে কৌশল। এদেশের মানুষ ইসলাম সম্পর্কে একদম অন্ধ তাই কৌশলে ইসলামের আলোকে তাদেরকে মোল্লাদের বিরুদ্ধে ভাবাতে হবে...
     
    বিদ্যাসাগর শাস্ত্র না পড়ে আধুনিক পাশ্চাত্য দর্শন পড়ার কথা বলেছিলেন বলেই নেহরু স্বাধীন ভারতে টোল উঠিয়ে আধুনিক শিক্ষা হিন্দুদের জন্য করার রুট পেয়েছিলেন। মুসলমানদের কেউ বলে না কুরআনের শিক্ষা বাদ দিয়ে আধুনিক পাশ্চাত্য দর্শন পড়া উচিত। তাহলে আর কবে তাদের রুট খুলবে?
     
    মডারেটরা তাই আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় আপদের নাম!
     
    ©সুষুপ্ত পাঠক
  • দীপ | ২৪ মার্চ ২০২৫ ১৪:৩৬744623
  • এই ভিডিও দেবার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা ছিলোনা, তাও দিতে হোলো!
    আমি নিজেও ভিডিওটা পুরো দেখতে পারিনি।
    তবুও এখানে দিলাম।
    বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি সারা বিশ্বের জানা প্রয়োজন!
  • দীপ | ২৫ মার্চ ২০২৫ ১৬:২৬744626
  • কল্যাণপুরে জাহাজবাড়ীতে জঙ্গি দমনের লক্ষ্যে অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ ২০১৬ সনে। জঙ্গিরা পুলিশকে গুলি করলে পুলিশ পাল্টা গুলি করে, নিহত হয় কয়েজন জঙ্গি। সেটা কি করে মানবতাবিরোধী অপরাধ হয়? সেই ঘটনার জন্যে তো জঙ্গিদের বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে সেই মামলা বিচারাধীন আছে এখনো। তাইলে কি কিছুদিন পর হলি আরটিজানে জঙ্গিরা যে নিহত হয়েছিল সেটার জন্যেও পুলিশ মিলিটারি এদের বিরুদ্ধে মামলা করবে এরা? অথবা বাংলা ভাই আর আব্দুর রহমান ওদেরকে হত্যার জন্যেও মামলা করবে? রাষ্ট্র কি জঙ্গিদের পক্ষে!
     
    লিখলেন ইমতিয়াজ মাহমুদ।
  • দীপ | ২৯ মার্চ ২০২৫ ১৯:৪৪744628
  • বাংলাদেশে এখন দুটি পক্ষ।
    এক জিহাদ পক্ষ, দুই মুক্তচিন্তা পক্ষ।
    অথবা
    এক রাজাকারি পক্ষ, দুই মুক্তিযুদ্ধ পক্ষ।
    এক পাকিস্তান পক্ষ, দুই বাংলাদেশ পক্ষ।
    এক ধর্মান্ধতা পক্ষ, দুই বিজ্ঞানমনস্কতা পক্ষ।
    এক বর্বরতা পক্ষ, দুই প্রগতিশীলতা পক্ষ।
    এক সাম্প্রদায়িকতা পক্ষ, দুই অসাম্প্রদায়িকতা পক্ষ।

    আমি মুক্তচিন্তা, মুক্তিযুদ্ধ,বাংলাদেশ, বিজ্ঞানমনস্কতা, প্রগতিশীলতা, অসাম্প্রদায়িকতা পক্ষের লোক। যারা এই পক্ষে আছেন, সংগঠিত হন।

    বর্তমান সরকার জিহাদ, রাজাকারি, পাকিস্তান, ধর্মান্ধতা,বর্বরতা, সাম্প্রদায়িকতা পক্ষের লোক। আমরা জানি যত রাজনৈতিক অরাজনৈতিক ইসলামী দল আছে সবাই এই পক্ষে। এই পক্ষ শক্তিশালী।

    এই অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের আইডিওলজিকাল যুদ্ধ চলছেই চলবে।
     
    লিখলেন তসলিমা নাসরিন।
  • দীপ | ৩১ মার্চ ২০২৫ ০০:০৪744630
  • মহাবিপ্লবীরা এখন মৌনব্রত অবলম্বন করেছেন!
     
     
    https://fb.watch/yFhZwoqd2h/?mibextid=Nif5oz
  • দীপ | ০১ এপ্রিল ২০২৫ ১০:৩৮744631
  • ইউনুস সাহেব নাকি ঈদের নামাজ পড়েছেন! নামাজ পড়তে জানেন তিনি? আমার তো মনে হয় না। তরুণ বয়স থেকেই তিনি আমেরিকায়, সেখানেই পড়াশোনা, সেখানেই চাকরি। ঠিক জিন্নাহর মতো। জিন্নাহ যেমন ব্রিটেনে পড়াশোনা করেছেন, ব্রিটেনেই চাকরি করেছেন। মদ আর শুয়োরের মাংসে অভ্যস্ত হয়েছেন। তেমন ইউনুসও। ফ্রান্সের দোভিলে আমরা তো এক টেবিলে বিখ্যাত ইউরোপেয়ানদের সঙ্গে লাঞ্চ করেছিলাম। তিনি তো সেই টেবিলে বসে আর সবার মতো ওয়াইন খেয়েছিলেন, শুয়োরের মাংস খেয়েছিলেন। তিনি তো নামাজ কী করে পড়ে জিন্নাহর মতোই জানেন না। কিন্তু জিন্নাহ যেমন মুসলমানদের জন্য পাকিস্তান চেয়েছিলেন, ইউনুসও তেমন মুসলমানদের জন্য বাংলাস্তান অথবা আরেক পাকিস্তান চান। জিন্নাহ যেমন হিন্দু বিদ্বেষী, ভারত বিদ্বেষী, জামাতি জিহাদি জঙ্গিদের নেতা হয়েছিলেন। ইউনুসও তেমন হিন্দু বিদ্বেষী, ভারত বিদ্বেষী, জামাতি জিহাদি জঙ্গিদের নেতা হয়েছেন। জিন্নাহ ক্ষমতার স্বাদ পেতে চেয়েছিলেন পাকিস্তানের, কারণ জানতেন যক্ষা হয়েছে তাঁর, বেশিদিন বাঁচবেন না। ইউনুসও ক্ষমতার স্বাদ পেতে চেয়েছেন তাঁর নতুন ২৪'এর পাকিস্তানের, কারণ জানেন বয়স হয়েছে তাঁর, বেশিদিন বাঁচবেন না। জিন্নাহ মুসলমানের সমর্থন পেতে টুপি পরেছিলেন, ইউনুসও মুসলমানের সমর্থন পেতে টুপি পরেছেন।
     
    তবে আমার মনে হয় একটিই পার্থক্য ইউনুসের সঙ্গে জিন্নাহ'র মধ্যে। নেহরুর ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ ভাগ করা ভুল হয়েছে, জিন্নাহ তাঁর মৃত্যুর আগে বুঝেছিলেন। ইউনুস তাঁর মৃত্যুর আগে বুঝবেন না যে হাসিনার ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য জামাতি জিহাদি জঙ্গি নিয়ে ধ্বংসাত্মক খেলা তাঁর খেলা উচিত হয়নি।
     
    লিখেছেন তসলিমা নাসরিন।
  • দীপ | ০১ এপ্রিল ২০২৫ ১৫:৩৫744633
  • রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে "ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন" বলে তাকে বৈশাখের দিনে প্রতিরোধের ডাক দেয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে বৈশাখ জিয়াফত কর্মসূচি ডাক দিয়েছে বাংলাভাষী মুসলমানরা।
     
    ইসলামপন্থী বা পাকিস্তানপন্থাীদের উপর সব দোষ চাপিয়ে লাভ নেই। আমি দেখেছি "ভারতীয় উপমহাদেশ" কথাটায়ও বিদ্বেষপূর্ণ আপত্তি ছিল মুসলিম লীগের কমিউনিস্ট শাখা, আওয়ামী লীগ শাখা, বিএনপি শাখা, নিরপেক্ষ শাখা, নাস্তিক শাখা, নারীবাদী শাখা, মুক্তমনা শাখা... সবার। এই পুরো অঞ্চলের সাংস্কৃতিক যে বৃহৎ পরিচয়ে 'ভারতীয় সাংস্কৃতিক' পরিচয় সেটা এরা অস্বীকার করেছে সবার আগে। ভারতীয় বলতে কিছু তারা বিশ্বাস করে না। তবে মুসলিম সংস্কৃতিতে তাদের গভীর বিশ্বাস। ভারতীয় বলতে কিছু নেই কিন্তু মুসলিম জাতিতে তাদের গভীর বিশ্বাস! এমনকি তারা "পাকিস্তানী সংস্কৃতি" বা "পাকিস্তানী" জাতি পরিচয়ে তাদের কোন আপত্তি নেই। মুফতি হান্নান রমনায় বোমা মেরে "ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন" দমন করতে চেয়েছিল। তারা সহিংসতাকে সমর্থন করে না। আহমদ ছফা সরকার দিয়ে দমন করেছিল (ভারতীয় বইপুস্তকের উপর চড়া শুল্ক বসিয়ে)। আরেক দল বোমা মারবে না তবে রমনায় গরু কেটে জিয়াফত করবে বৈশাখের। হারাধনের দশটি ছেলে আর কী!
     
    ©সুষুপ্ত পাঠক
  • দীপ | ০১ এপ্রিল ২০২৫ ১৫:৩৭744634
  • এখানেও এরকম মাল আছে! "ভারতীয় উপমহাদেশ" শুনলেই অনেকের চর্মরোগ শুরু হয়!
  • দীপ | ০২ এপ্রিল ২০২৫ ০৯:৪৯744635
  • গত বছর ৫ আগস্টের পর জঙ্গিবাদের উত্থান ও সংখ্যালঘু নির্যাতনকে অস্বীকারকারী বাংলাদেশের মিডিয়া সাংবাদিক বুদ্ধিজীবী সবাই গণশত্রু। মাহফুজ আনাম কি নিউইয়র্ক টাইমসকে হলুদ সাংবাদিকতা বলবেন এখন?

    প্রমাণ হলো ভারতীয় মিডিয়া সত্য বলেছিল। যেসব ভারতীয় বামপন্থী সাংবাদিক বাংলাদেশের সংখ্যালঘু নির্যাতনকে অসত্য বলেছিল তাদের সঙ্গে ইসলামিক চরমপন্থীদের সম্পর্ক থাকা অস্বাভাবিক নয়।

    নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনকে প্রোপাগাণ্ডা বলার জন্য আমেরিকার কোন এডওয়ার্ড সাইদের সন্ধান করা ছাড়া আর কোন উপায় দেখছি না!
  • দীপ | ০২ এপ্রিল ২০২৫ ১৮:০২744636
  • ভারতীয় মাকুরা দিনের পর দিন এইসব ধান্দাবাজি করে গেছে! এরা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলে কিন্তু শরিয়তী আইন চায়! বঙ্কিমের রক্তে সাম্প্রদায়িকতা পায় আর আব্বাসে ধর্মনিরপেক্ষতা! সারা পৃথিবীর সমস্যা বোঝে কিন্তু বাংলাদেশ নিয়ে কিছুই বোঝেনা!
     
    বেইমানির শেষ পরিণতি চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি!
  • &/ | ০৪ এপ্রিল ২০২৫ ০১:৪৯744641
  • তসলিমা নাসরিন এখন কোথায়? ভারতেই? শেখ হাসিনা এখন কোথায়? ভারতে?
  • দীপ | ০৪ এপ্রিল ২০২৫ ২৩:৫৪744642
  • হাসিনা আর তসলিমা দুজনেই এখন ভারতে।
    একদিন হাসিনা মৌলবাদী শক্তিকে সন্তুষ্ট করতে তসলিমাকে দেশে প্রবেশাধিকার দেননি!
    আজ তিনিও নির্বাসিত!
    নিয়তির বিচিত্র পরিহাস!
  • &/ | ০৫ এপ্রিল ২০২৫ ০০:০১744643
  • এতগুলো বছর শাসন করলেন হাসিনা, অথচ এতগুলো বছরের মধ্যে তসলিমাকে আপন দেশে ফিরিয়ে নিলেন না।
    আর সেই ২০১১ এর আগের আবাপ তে সেই 'দিদি, তুই তো আসছিস, একটু থাকতে দিবি?' শীর্ষক লেখা বেরিয়েছিল। দিদি ক্ষমতায় এলেন, অথচ এতগুলো বছরের মধ্যে সেই দিদি (পিসি) তসলিমাকে রাজ্যে থাকতে দিলেন না। কেন?
    রাজনীতির প্যাঁচ যে কোথায় কীভাবে গিঁট লাগায়...
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন