এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বিজেপির শেষ মুহূর্তের স্ট্র্যাটেজি 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৮ এপ্রিল ২০২৬ | ৭৮৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • বিজেপি শেষ বেলায় দুটো জিনিস করছে। প্রথমটা হল গল্প ছড়ানো। শুরু হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গে এবার রেকর্ড ভোট পড়েছে, এই দিয়ে। তারপর শুরু হল, এর পুরোটাই প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা। সঙ্গে ছেঁটেকেটে ছড়ানো হল বায়রন বিশ্বাসের ভিডিও, যেখানে তিনি বলছেন, তিনি তো হেরেই গেছেন। এবার কান পাতলেই শুনতে পাবেন, উত্তরবঙ্গ তো বিজেপি জিতেই গেছে।

    এই গুল্প তৈরির গোদি মিডিয়া আর হোআ ইউনিভার্সিটিকে আমরা যারা অনুসরণ করি, তারা বিলক্ষণ জানি, এসব কিছুই না পারসেপশন তৈরির খেলা। গুজব তৈরির যে সেলগুলো গত বছর দুয়েক নান গুজব তৈরি করেছে, সবাইকে এবার একসঙ্গে নামানো হয়েছে। বস্তুত এটাই প্রমাণ করে যে, উত্তরবঙ্গটা ওরা জিতে যায়নি। বরং উল্টো। জিতে গেলে অমিত শাহ আর মোদিকে পাড়ার মোড়ে মোড়ে ঘুরে মিটিং করতে হতনা। এবং এটা শুধু আমরা বলছি না, প্রসূনদা বিজেপির ভিতরের রিপোর্টের খবর একটা দিয়েছেন। সেখানেও ওই একই তথ্য। যে, প্রথম দফায় বিজেপি, নিজেদের হিসেবেই, এগিয়েছে লবডঙ্কা।

    বিজেপির ভিতরের খবর অবশ্য আমি জানিনা। কিন্তু গুলবাজির বাকি ধাপগুলো পরিষ্কার। প্রথমত সংখ্যার বিচারে ভোট কিছুই বেশি পড়েনি। প্রথম দফায় গতবার ভোট পড়েছিল ৩ কোটি ১৪ লক্ষ। এবার ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ। ২২ লাখ বেড়েছে। সেটার সঙ্গে যদি ওই এলাকার বাদ যাওয়া ভোটারদের ধরেন, আন্দাজ ২০ লাখ, তাহলে সংখ্যাটা ৪২ লাখে পৌঁছয়। সেটা নিয়ে জটিল একটা হিসেব করলে দেখবেন, আসলে ভোটদানের হার বেড়েছে ৩%। আগের লেখাতেই সেটা দিয়েছিলাম, নতুন করে দিলাম না। ফলে রেকর্ড ভোট, কথাটারই কোনো মানে নেই। ভোটার কমিয়ে দিলে এমনিই শতকরা বাড়বে। আর ৩% বৃদ্ধি, পুরোটাই প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা হবার কোনো কারণই নেই। আমরা বিশ্লেষণ করে দেখেছি, যেখানে যেখানে লোকে তেমন বাদ যায়নি, সেখানে তেমন কিছু শতাংশ বাড়েনি, বা আদৌই বাড়েনি। যেখানে বেশি বাদ গেছে, সেখানে ভোটের শতাংশ বেড়েছে। নেহাৎ পাগল না হলে এই বৃদ্ধিকে কেউ প্রতিষ্ঠনবিরোধী বলবেনা। মানে, আপনার বাড়ির দুটো লোক বাদ গেল, পাড়ার কিছু লোক বাদ গেল, আর আপনি মহানন্দে এসআইআরের পক্ষে ভোট দিয়ে এলেন, সেটা হয়না। এই বর্ধিতাংশের বেশিটাই এসআইআর বিরোধী ভোট হবারই কথা। আমরা কেউ হাতে টিয়াপাখি নিয়ে বসে নেই, ফলে এটা অনুমানই, কিন্তু যৌক্তিক অনুমান।

    আসলে, এইগুলো পারসেপশন তৈরির খেলা। প্রসূনদার ভিডিওতেই শুনলাম, অমিত শাহ হারের গন্ধ পাচ্ছেন। অমিত মালব্য থেকে শুরু করে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে পর্যন্ত পথসভার বক্তা করে পাড়ার নেতার পর্যায়ে নামিয়ে দিয়েছেন। কারণ বাংলায় এবার হারলে ভিটেমাটিচাঁটি হবে। তাই মরীয়া চেষ্ট হিসেবে ঝুঁকি নিয়েও নামিয়ে দেওয়া হয়েছে আইটি-ভাইটি সেলদের। সেই "আমি সোমা বলছি" থেকে শুরু করে "অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তান দখল হয়ে গেল" বলে প্রচার-টচারে এরা হাত পাকিয়েছে। ভারত জুড়ে বাঙালিকে বাংলাদেশী আখ্য দেবার কৃতিত্ব এদের। এসআইআর আতঙ্কে সীমান্তে ভিড়ের গুলবাজি এরাই দিয়েছে। সঙ্গে নামানো হয়েছে ইডিতে মাথা মুড়িয়ে আসা প্রাক্তন সাংবাদিক, ফলিডলের প্রেসক্রিপশন দেওয়া ডাক্তার, ডেমোগ্রাফি বিশেষজ্ঞ সাহিত্যিক, এই সমস্ত উমিচাঁদ-মিরজাফরদের। তারাই এখন বিজেপিকে জিতিয়ে দিচ্ছে। মধ্যবিত্ত একটা অংশ এখনও গুলবাজি খায়। এবং এদের আশা, তাদেরকে এখনও টুপি পরানো যাবে।

    তো, যাঁরা স্বেচ্ছায় টুপি খাচ্ছেন খান। বাকিদের বলি, অন্যবারের মতোই এবারও গোদি-মিডিয়ার গুলবাজিতে বিন্দুমাত্র কান দেবেন না। এখনও পর্যন্ত বিশ্লেষণ যা, তাতে উত্তরবঙ্গে বিজেপি দস্তুরমতো পিছিয়ে আছে। এবং ভোটের অল্প শতাংশ বৃদ্ধিটা এখনও পর্যন্ত বিজেপির উল্টোদিকেই যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই নিয়ে পুরো লেখাটা শেষ হলেই লিংক গিয়ে দেব। আমার পাতায়, অথবা গুরুর সাইটে নজর রাখবেন। আর আরেকটা জিনিস মনে রাখবেন, এটা গোদি মিডিয়ার ফাঁদে পা দেবার জন্য আদৌ আদর্শ সময় না। কারণ এটা ভোটই না। হিন্দুস্তানি আগ্রাসন, স্পষ্ট এবং প্রকট। বাঙালি খেদানো হবে এরকম রটিয়ে ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে। অর্জুন সিং, রাকেশ সিংরা এখনই লাফাচ্ছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ওদেরই রাজত্ব হবে। বিজেপির বাঙালি প্রার্থীরা হিন্দিভাষীদের কাছে এখনই মারধোর খাচ্ছেন, ক্ষমতায় এলে কান ধরে জুতো চাটানো হবে। নইলে ডিটেনশন ক্যাম্প। এই সোজা জিনিসটা যাতে বোঝা না যায়, তাই বিভীষণদের নামানো হয়েছে। ইডির কাছে মাথা মুড়িয়ে আসা সাংবাদিক এখন ইন্টারভিয়ে 'খবর' দিচ্ছেন, ডাক্তার সায়ানাইডের প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন, সাহিত্যিক অর্ডারি রূপকথা লিখছেন। এতদিন আমাদের প্রগতিশীলরা এঁদের শাঁসেজলে আহ্লাদ দিয়ে বাড়িয়েছেন, এখন একটু এইসব উপদ্রব হবে। সে হোক, কিন্তু বিশ্বাস করবেন না।
     
    তা, এইটা গেল প্রথমটা। দ্বিতীয়টা হল উত্তর ভারতীয় পৌরুষের আস্ফালন। নারীর ক্ষমতায়নের হদ্দমুদ্দ হচ্ছে একদম। পরশু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কদর্য মিম ছড়ানো হয়েছে, কাল সকালে সাংসদ মিতালী বাগকে আক্রমণ করা হয়েছে, আর বিকেলে পানিহাটিতে সিপিএমের একটি বাচ্চা মেয়েকে মারধোর করা হয়েছে। যা দেখলাম, রত্না দেবনাথ দাঁড়িয়ে উসকানি দিচ্ছেন, তারপর শোনা গেল মার-মার। কী মারা হল, সে আর দেখা যায়নি। এই মেয়েটিই 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস' লিখে কিছুদিন আগে তিলোত্তমা-আন্দোলনে সামিল ছিল। তখন সে মার খায়নি, অতবড় আন্দোলনে কোনো ডান্ডাবাজিই হয়নি কার্যত, শেষমেশ মেয়েটি মার খেল তিলোত্তমার মায়েরই উসকানিতে, যিনি এখন বিজেপির প্রার্থী। এবং যাঁকে বামপন্থী নেতা-কর্মীরা এখনও কাকিমা-কাকিমা করে অপার আহ্লাদ করে চলেছেন।
    এটা কিন্তু কোনো আয়রনি নয়, এটাই বস্তুত হবার ছিল। শহরের মাঝখানে এক ডাক্তার ধর্ষিতা এবং খুন হলেন, সে নিয়ে বহু মানুষ পথে নেমেছিলেন, বেশ করেছিলেন। কিন্তু যখনই পুরোটা চলে গেল হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটির হাতে, আমাদের প্রতিবাদীরা সেটা না বুঝে পরিণত হলেন হাতের পুতুলে। তাঁদের বলতে দেওয়া হল, প্রচার দেওয়া হল, কিন্তু ততক্ষণই, যতক্ষণ গোদি-মিডিয়ার সুরে সুর মেলালেন। আজ সেই প্রয়োজন ফুরিয়েছে, আপাতত বিজেপির বার্তা পরিষ্কার। নারী স্বাধীনতা, আন্দোলন, সবই ভালো, যতক্ষণ উত্তর-ভারতীয় পৌরুষের বুটের নিচে থাকবে। তাদের স্বার্থে আন্দোলন করবে। দরকার না লাগলে করবেনা। যখন দরকার ছিল নেচেছ কুঁদেছ, এখন না থামলে ঠ্যাঙানি দেওয়া হবে। রত্না দেবনাথ, তাঁর সমস্ত ব্যক্তিগত ক্ষতি নিয়েও, আপাতত এই উত্তর-ভারতীয় পৌরুষের এজেন্ট। তাঁকে কাকিমা-কাকিমা করে আদিখ্যেতা করা, কার্যত অভিজিৎ গাঙ্গুলি বা নারায়ণ ব্যানার্জি বা সুমন চট্টোপাধ্যায়কে তোল্লাই দেবার থেকেও একধাপ খারাপ। কারণ, এর থেকে বোঝা যায় কীভাবে নেচেছেন, কীভাবে নাচানো হয়েছে, গোদি-মিডিয়া এবং এই হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটির কর্মপন্থা নিয়ে এখনও যথেষ্ট কান্ডজ্ঞান হয়নি।

    মাসের পর মাস বলে চলেছি, এই শেষ ঘন্টায় বলে কী লাভ জানিনা, তবু বামদের আলাদা করে বলব, অনুগ্রহ করে কোনোরকম নরম মনোভাব দেখাবেন না। রামবাম কিছু বিদেয় হয়েছে, কিন্তু কিছু তো এখনও আছে। এটা তাদের অ্যাজেন্ডার প্রতি নরম মনোভাব দেখানোর সময়ই না। রত্না দেবনাথ জিতলে, এমনকি দ্বিতীয় স্থান পেলেও কিন্তু গোবলয়ের পৌরুষ জিতবে। মেয়েদের ঠ্যাঙানি খাওয়া জিতবে। গোদি-মিডিয়া জিতবে। হিন্দুস্তানি আগ্রাসন জিতবে। হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটির গুলবাজি জিতবে। আরজিকর গুজবে যে গোদি-মিডিয়া এবং যে হোআ চ্যানেলগুলো কাজে লেগেছিল, তারাই এবারও সক্রিয়, "বিজেপি জিতে গেছে" প্রচার নিয়ে। এই চ্যানেলগুলোই তুবড়ে দেওয়া দরকার। এটা খুব স্পষ্ট করে দেড়-দু বছর আগে থেকে বলা দরকার ছিল। বলা হয়নি, কিন্তু এখন অন্তত বলুন।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • dc | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৪৩740295
  • "গোদি-মিডিয়ার গুলবাজিতে বিন্দুমাত্র কান দেবেন না"
     
    এই ব্যাপারে একমত। যে আসে আসুক, বিজেপি যেন না আসে। যাকে ইচ্ছা ভোট দিন, কিন্তু বিজেপিকে দেবেন না।
     
    (তবে সিপিএমকে ভোট দিলে তো আরও ভালো, অর্থাত কিনা চুপচাপ লালে ছাপ)
  • অসাম্প্রদায়িক | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১০:১৪740297
  • পশ্চিমবঙ্গে SDPIএর জোটসঙ্গী কারা?
  • :|: | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১১:২৪740298
  • আটটা তেতাল্লিশ-- মমতার ভোটটা কেটে বিজেপিকে জেতানো আর সরাসরি ভোট দিয়ে বিজেপিকে জেতানোর মধ্যে কী পার্থক্য?
  • :|: | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১১:২৮740299
  • ১০:১৪ -- গুগলিয়ে পেলুম আইয়েসেফ।
  • সিএস  | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৩২740300
  • dc কে বলার যে প্রথম দফার পরে টিএমসি বলেছে সেঞ্চুরি করে ফেলেছি, অমিত শাহও সেটাই বলেছে। কিন্তু খবরে প্রকাশ, সিপিএম হিসেব করছে। পেলেও তো বড়জোর ১টা, সে আর মুখ ফুটে কী করেই বা বলে !
  • dc | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫৭740302
  • :|:, কিন্তু মমতাকে ভোট না দিয়ে মেজরিটি লোক যদি সিপিএমকে ভোট দেয়? তাহলে তো বিজেপিকে জেতানো হবে না, লাল পাট্টি জিতে যাবে!
     
    সিএস, আচ্ছা। দেখা যাক, ইন ফ্যাক্ট সিপিএম যদি দশ পনেরোটা সিট পেয়ে যায় তাহলে তো আমার মনে হয় ভালোই হবে। তিনোরা যদি মেজরিটি সিট পায়ও, তাহলেও বিজেপির বার্গেনিং পাওয়ার কমবে, লাল পাট্টিও পরের ইলেকশানে আরও ভালো ফল করার জমি তৈরি করবে। দেখা যাক কি হয়।
  • কৌতূহলী | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২২740304
  • সিপিএম একটা সিট পাওয়ার জায়গাতেও নেই। আবেগী এক্সপেক্টেশন করে তো লাভ নেই। ভোট হয় চরম বাস্তবতায়।
  • dc | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৮740305
  • ঠিক এক্সপেক্টেশান না, এরকম হলে ভালো লাগবে আর কি। ভোটের ফল তো যা হওয়ার তাই হবে।
  • সিএস  | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৩৪740306
  • দেখেন, সোশাল মিডিয়া দেখে মনে হয়েছে, সিপিএমের একটা লাইন হল, "দাও ফিরে সে সাতাত্তর"। মানে, ঐ আর কি, আমার ধারণা, এতে কিছু হয় না। লোকে তাকেই ভোট দেয়, যার বক্তব্য বাস্তবের কাছাকাছি, যা হলেও হতে পারে। তাও কিছু জায়গায় নিশ্চয় ভোট পাবে, সীট না পাক, সে ভোট যদি ভাজপা থেকে আসে তাহলে তাদের সীট কমবে হয়ত, সেরকম হলে অন্তত ভোটের জোরকে ভবিষ্যতে কাজে লাগানো যায়। আর পলিটিক্সে তো শেষ বলে কিছু নেই, এভার নয় নেভার, এই কথা যে ভুল সে মমতাই এককালে বুঝেছিল। আর কিছু না, সিপিএমের উচিত মমতাকে দেখে শেখা, এককালে মমতা যেমন তাদের দেখে শিখেছিল।
  • কৌতূহলী | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৪২740307
  • মমতাকে দেখে শেখার দরকার নেই। আর মমতাকে দেখে শিখুক এটা আমিও চাই না। নিজেদের সাতাত্তরের ইতিহাস দেখেই শিখুক। সাতাত্তর থেকে শুরু করে ৩৪ বছর এঁদের সমর্থনের জোরের জায়গা ছিল কৃষক ফ্রন্ট। তখনও শহুরে ভদ্রলোকরা সিপিএমের পিন্ডি চটকাত, তাতেও তাঁদের কিছু যায় আসে নি, কারণ পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতির ভরকেন্দ্র কৃষক বেল্ট তাঁদের সমর্থনে ছিল।
    রিসেন্ট আলুচাষিরা ব্যাপক লসের সম্মুখীন হয়েছেন। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তা নিয়ে ক্ষোভও আছে। সিপিএম এঁদের নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে পারত। এছাড়া তৃণমূলের হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধেও আন্দোলন গড়তে পারত। তাতে প্রান্তিক মানুষদের মধ্যে সংগঠন বাড়ত। তা না করে তারা ওই ডাক্তার, সরকারি শিক্ষক, উকিল আর গ্র্যাজুয়েট বেকার ছাত্র, এই বৃত্তেই আটকে রইল। নৈতিকভাবে ঠিক ভুল এর প্রসঙ্গে যাচ্ছি না, কিন্তু ভোট ব্যাঙ্ক পলিটিক্সে এই বর্গগুলোর ওপর ফোকাস করলে কেউ সফল হয় না, এই আর কী।
  • সিএস  | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১২:৪৯740308
  • আর কৃষক ফ্রন্ট। তারাই রিপোর্ট দিয়েছিল সিঙ্গুর - নন্দীগ্রাম সব ঠিক আছে। জ্যোতিবাবু নাকি বলেছিলেন, কৃষক ফ্রন্ট কী করল ? দেখেন, কবে সেসব ফেরে।
  • dc | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২২740311
  • "লোকে তাকেই ভোট দেয়, যার বক্তব্য বাস্তবের কাছাকাছি, যা হলেও হতে পারে"
     
    ১০০% একমত, ইন ফ্যাক্ট এটা তো আমার বহুকালের পেট পিভ, যে সিপিএম এমন সব কঠিন আর উদ্ভট স্লোগান দেয় যা ইন্ডিয়ার আর কোন পার্টি দেয় না। সাম্রাজ্যবাদের সংকট, সিআইয়ের ষড়যন্ত্র, মার্ক্সবাদ বিজ্ঞান, এইসব ছেড়ে যদি সিম্পুল তিনোদের দুর্নীতি, সাধারন মানুষের জন্য চাকরি আর সাবসিডি (যেমন স্ট্যালিন কয়েক মাস আগে ঘোষনা করলো, সমস্ত মহিলাদের এক কালীন পাঁচ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে, আর ভোটে জিতলে মাসে দুহাজার করে দেবে), আর বিজেপির মুসলমানবিদ্বেষ আর নারীবিদ্বেষ নিয়ে সহজভাবে স্লোগান বানায়, তাহলে হয়তো ভোট পেতে সুবিধা হবে। ইন্ডিয়ায় আর সব পার্টি যেভাবে ক্যাম্পেন করছে তার থেকে শিখতে পারে।
     
    ডিসক্লেমারঃ সিপিএম এখনও সাম্রাজ্যবাদের সংকট হ্যান ত্যান টাইপের দেওয়াল লেখে কিনা জানিনা, আগে লিখতো, তাই বললাম।
  • | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৩০740312
  • সিপিএমের সাম্রাজ্যবাদের শ্লোগান নিয়ে আগে ঠাট্টা করলেও এই মাদুরো অপহরণ আর ইরান আক্রমণের পরে জিনিষটা একেবারে জলের মত বুঝে গেছি। যাকে বলে হাড়ে হাড়ে বোঝা।
     
    উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষীর জেতার খুব ভাল চান্স আছে। ডিসেম্বর মাস থেকে গোটা উত্তরপাড়া হিন্দমোটর কোন্নগর পায়ে হেঁটে চষে ফেলেছেন। ভোটের ডেট ঘোষণার অনেক আগে থেকে ঘুরছেন। চোখের সামনে মিছিলগুলোতে লোক বাড়তে দেখলাম। এবার মিছিলে লোক মানেই ভোট নয়। কাজেই দেখা যাক কী হয়।
  • dc | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৩০740313
  • ভোটের আগে তামিল নাড়ুতে মহিলারা কিন্তু সত্যি সত্যিই পাঁচ হাজার করে পেয়েছেন, এম্পটি স্লোগান না। ভোটের ফল যদি ডিএমকের ফেভারে যায় তাহলে এটাও একটা ফ্যাক্টর হবে।
     
    সাবসিডির পলিটিক্স কেমন হওয়া উচিত সেটা সিপিএমএর শেখা উচিত তামিল নাড়ু আর অন্ধ্র থেকে। এমজিআর, আন্না, আম্মা, স্ট্যালিন, প্রত্যেকে যখন ক্ষমতায় এসেছেন তখন ঢালাও সাবসিডির ব্যবস্থা করেছেন, সেসব স্কিম পরে ইন্ডিয়ার অন্যান্য রাজ্যেও ইমপ্লিমেন্ট করা হয়েছে। এখানকার সিপিএম নেতারা তো সেসবএর প্রশংসাও করেন। তার পরেও পবতে সিপিএম কিভাবে দিদির স্কিমগুলোকে ভিক্ষা বলে কটাক্ষ করে বুঝিনা।
  • dc | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৩২740314
  • দ দি, সেরকম হলে তো খুব ভালো হবে।
  • | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৩৫740315
  • এবারে অন্তত ভিক্ষা বলে নি। ওই পিটির মত কিছু অসভ্য সাপোর্টার ছাড়া সভ্য সাপোর্টাররাও অনেকদিনই বলে না। বরং ভাতা দেওয়া এবং ভর্তুকী দেওয়া নিয়ে তার অর্থনীতি নিয়ে মীনাক্ষী আর লিবারেশানের সৌরভ বলে একজনের বেশ পরিস্কার গোছানো বক্তব্য শুনেছি।
    ভিডিও পেলে দিচ্ছি।
  • dc | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৩৭740316
  • বাঃ তাহলে ভালো।
  • :|: | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৩১740317
  • ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫৭ -- ছত্রটি তবু শুরু হলোনা এই বলে যে "বিজেপিকে ভোট না দিয়ে" পুরোটাই যদি ... ইত্যাদি।
    এখনও হয়তো সাবকনশাস নো ভোট্টু বিজেপি বলতে চায় না।
    যাগ্গে। যা হবার তা হবে।
  • dc | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০১740319
  • কি বলছেন ঠিক বুঝতে পারছিনা। নো ভোট টু বিজেপি, এটা তো পরিষ্কারভাবেই বলছি! যে আসে আসুক বিজেপি যেন না আসে, এর মানেই তো হলো যাকে খুশী ভোট দিন, বিজেপিকে ভোট দেবেন না। এবার বিজেপিকে ভোট না দিয়ে কাকে দেবেন, সেখানে আমার ভালো লাগবে সিপিএমকে ভোট দিলে। কিন্তু প্রথম শর্ত হলো বিজেপিকে ভোট দেবেন না। নো ভোট টু বিজেপি।
  • ss | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২৯740320
  • এই পানিহাটির ঘটনাটার উটিউব লিন্ক আছে কি ?
  • হারামির হাতবাক্স | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৪১740321
  • সাক্ষরতা বেড়েছে, তবে বোধোদয় ছুটি নিয়েছে। আমাদের এই তথাকথিত 'বিজ্ঞ' সমাজে এখন মূর্খতার চাষবাস রীতিমতো ধ্রুপদী সংগীতের মর্যাদা পাচ্ছে। চালিয়ে যান।
  • X | ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:০৪740323
  • আমাদের এখানে শাসক দল তিনটে করে রিপোর্ট দিয়েছে বাড়িতে - সাফল্যের খতিয়ান- রাজ‍্য, বিধানসভা আর ওয়ার্ড লেভেলে - ভালো কাজ সন্দেহ নেই- রিপোর্ট দেওয়া।
    কাল সিপিএম এর লোকজন এসেছিলেন - কিন্তু দাবি দাওয়ার মধ্যে মোটা মুটি ফ্ল‍্যাট বাসীদের আর ইংলিশ মিডিয়াম এর বিপক্ষেই সুর টা। মজার কথা এখন ফ্ল্যাট বাসীরাই কিন্তু কেউ কেউ এখনো পুরনো অভ্যাসে সিপিএম এর সাপোর্টার রয়ে গেছে। এই বাস্তব বোধ টা সিপিআইএমের আসাটা প্রয়োজন।
  • :|: | ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৪:১২740332
  • ২০:০১: বলতে চাই শুধু "নো ভোট্টু বিজেপি" বললেই যে "যে কেউ আসুক বিজেপি যেন না আসে" হবে -- এমন না। ভোটের কাটাকাটির মধ্যেও সে আসতে পারে। সেজন্য যদি বলেন, বিজেপির বদলে আপনার পছন্দের লাল দলকে দিন বা কিছু না হোক যেমন চলছে আপাতত তেমনই চলুক ভেবে মমতাকে দিন -- ঠিক আছে। তাহলেই আপনার পছন্দের লাল উঠে আসবে। তিন জনের মধ্যে থার্ড না হয়ে অন্তত সেকেন্ড হবে। কিন্তু মমতার ভোট কাটতে গেলে আরও গাড্ডায় পড়ার সম্ভাবনাই বেশী। আপনি অঙ্ক জানা মানুষ। আর কী বলিব! (দীর্ঘশ্বাস)
  • হা:! | ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৫:৫২740334
  • ভাতা কে ভিক্ষা কিছু কম 'শিক্ষিত' সিপিএম বলেনি! এই সাইটের পাতায় আসা সিপিএম দেরও পোস্ট আছে সেসব লাইনে। এখন বেগতিক দেখে, ঝাড় খেয়ে কেউ কেউ সামনে চুপ করেছে। কিন্তু ইস্তেহারে কোন ভাতার উল্লেখ নেই। এখনো সেটা উল্লেখ করছে অনেকেই। ভাতা নয়, চাকরি - এই লাইনে এবারেও তেড়ে প্রচার করেছে, দেওয়ালও লিখেছে। বয়ফ্রেন্ডের চাকরি চাইয়ের মত রিগ্রেসিভ লাইনে দেওয়াল ছেয়েছে। দ এসব দেখতে পান না?
    যাহোক, এখানেও শুনতে পারেন, কর্মীদের বক্তব্য। 'পঙ্গু' করে দেয়।
     
  • :) | ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৪৭740337
  • এটাই সবচেয়ে ভালো। বিজেপিকে ভোট না দিলে বিজেপি জিতে যেতে পারে। তাই বিজেপিকে জেতা থেকে আটকাতে বিজেপিকে ভোট দিতে পারে।
  • :|: | ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:০৩740339
  • ইয়েস, সাতটা সাতচল্লিশ, "বিজেপিকে ভোট না দিলে বিজেপি জিতে যেতে পারে। তাই বিজেপিকে জেতা থেকে আটকাতে" বিজেপি ছাড়া যাকে ইচ্ছে ভোট দিতে পারেন। ভরতকে রাজা করতে হলে শুধু সেটাই চাইলে হয়না সঙ্গে রামকে বনবাসে পাঠাবারও ব্যবস্থা করতে হয়। এটি কৈকেয়ীও জানতেন। আপনারা বেসিক রামায়নটুকুও পড়েননি বলে এখন ওঁয়াদের সে বেবস্তা করার জন্য নাপানাপি করতে হচ্চে!
  • dc | ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:২৭740342
  • ঠিকই, এসব ভোটের জটিল অঙ্ক, দুদিকই দেখতে হয়। যাই হোক, বিজেপি না এলে ভালো লাগবে, এই হলো গিয়ে আমার বেসিক ক্রাইটেরিয়ন।
  • :) | ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:১৯740346
  • এটা আরও ভালো। বিজেপিকে ভোট না দিতে বলা মানে বিজেপি ছাড়া যাকে ইচ্ছে ভোট দিতে বলা নয়।
     
    যাইহোক এইবারে উদ্দেশ্য পষ্ট করেই বলা হল। দাবিটা রামকে রাজা হতে না দেওয়াটুকু নয়, দাবি হল ভরতকে রাজা করা। তাহলে তো সোজাসুজি যাকে জেতাতে চান তাকে ভোট দিতে বললেই পারেন।
     
    এইজন্য গুণীজনে বলেছেন যুক্তির মিধ্যে উপমা জিনিসটা গোণা যায় না। কারণ সব উপমারই প্রতিউপমা তার ইন্টারপ্রিটেশন নির্ভর।
  • banglu | ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:১৮740361
  • স্টেটাস কুয়ো অমর রহে।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন