এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সোভিয়েত স্মৃতিচর্চা

    h
    অন্যান্য | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ | ২৬১৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:২৮370438
  • আচ্ছা এটা প্রথমেই বলে নি, এটা কোনো লেখা না, এটা বকর বকর এর লোক না পেয়ে হ্যাজমাত্র। সপ্তাহের প্রথম কদিনের রান্ন হতে যতটুকু সময় লাগে ততটুকু বরাদ্দ আপাতত।

    সোভিয়েত প্রসঙ্গ জিনিসটা র একটা নতুন উৎসাহ তৈরী হয়েছে এবছর ১৯১৭ র একশো বছর হওয়ার কারণে, সত্যি ই একটা সাংঘাতিক গুরুত্ত্ব পূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা ইত্যাদি এবং সে বিষয়ে সিরিয়াস আলোচনায় যাঁরা আগ্রহী, তাঁরা এই হ্যাজে আগ্রহ পাবেন না। মানে আমি অন্তত চেষ্টা করবো যাতে তাঁরা আগ্রহ না পানঃ-)

    দেখুন গত সপ্তহে একটা এই মহাবিশ্বের নানা প্রবাহের তুলনায় খুব ই তুচ্ছা একটা ঘটনা ঘটে আমার দৈনন্দিনে। এক কিউবান আর্কিটেক্ট এর আলাপ হয়, যিনি উবের চালান, এবং আমাদের প্রাথমিক আলাপের পরেই প্র্যাকটিকালি বিনা প্রস্তুতিতে আমাকে জিজ্ঞাসা করেন আমি হরিজন পত্রিকা পড়েছি কিনা, এবং সেটা ইন্টারনেটে আছে কিনা। এবং দলিত আর হরিজনের মধ্যে পার্থক্য কি? আমি ও মির্জা দুজনেই সামান্য চমকে উঠি, কিন্তু চমকিত হওয়ার বিশেষ অবকাশ দেন না, বলেন আমি কি জানি যে দ্বরকা সম্পর্কে তত্ত্ব প্রমাণিত হলে ইজিপ্টের থেকে পুরোনো হিসেবে প্রমাণিত হবে ভারতীয় সভ্যতা ইত্যাদি। তো আমি এই বিষয়ে কিছুই না জানায় বলি, যে দেখুন আমার সভ্যতার প্রতিযোগিতা বিশেষতঃ প্রাচীনতা জিনিসটা একটু ক্লান্তিকর লাগে, কিন্তু পুরোনো জিনিস জানতে ইচ্ছে করে, তবে যে ধরণের সূত্র ব্যবহার হয় আজকাল ইতিহাস চর্চায় বিশেষত ইন্টারনেটে, তাতে একটু অসুবিধে হয় আমার ইত্যাদি। তো তখন উনি কি ব্যাপারে প্রসঙ্গ আনবেন বুঝতে পারছেন না বুঝতে পেরে আমি বলি, দেখুন আপনি তো কিউবার লোক, জানেন আমি আলেহো কার্পেন্তিয়ের এর কিছু কিছু পড়েছি। তখন উনি একটু চমকালেন, মির্জাও একটু ঘাবড়ালো, বল্লো ইয়ে কৌন হ্যায়, আর বাংলা মে ক্যায়্সে, আমি বোল্লাম কিউঁকি বাঙ্গাল মে বহুত সিপিএম হায়, তো ও কাস্ত্রো, সিপিএম, জ্যোতি বসু এরকম কোন একটা সমীকরণে, কোন ফাঁকা জায়গা না থাকা সত্ত্বেও কোথাও একটা কাপেন্তিয়ের কে বসিয়ে নিলো, এবং এই আলোচোনার সম্ভাব্য বোরডম কাটানোর জন্য ফোনে নানা ডিল খোঁজায় ব্যস্ত হল, কিন্তু ততক্ষনে কাকার মুড এসে গেছে। আমাকে ভিলাভার্দের সিসিলিআর ভালদেস পড়তে বললেন, এবং উচ্চারণ মুখস্ত করালেন। (Cecilia Valdés Or El Angel Hill (Cecilia Valdés) by Cirilo Villaverde (1882, trans. Helen Lane))

    এবং হোসে মার্তি, নিকোলাস গ্যেলেন সহ অসংখ্য কবিদে নাম বললেন। আর কিউবান লেখক দের মধ্যে হেমিঁগোয়ে এর নাম বলে বল্লেন, দোন্ত বি সার্প্রাইজ্দ, কারণ হেমিংওয়ে রিয়েলি ওয়াজ কাইন্দ অফ আমেরিকান দে দু নত মেক এনিমোর, লুকিং আউতওয়ার্দ, অলওয়েজ উকিং আউতওআর্দ। তো আমি খোচাঁওর জন্যো জিগ্যেশ করলাম, আপনি কদ্দিন আগে কেন এসছেন, তখন একটু গার্ডেড ভাবে বললেন, যে উনি বছর পঁচিশেক আগে এসেছেন, বয়স হয়ে গেছে, আর্কিটেক্ট এর চাকরি কোন দিন ই পান নি, কিন্তু ওনার লিখতে পড়তে ভালো লাগে বলে পড়েন আর যখন যে ধরণের কাজ পান করেন, আর বললেন, তখন পরিস্থিতি খুব খারাপ ছিল, আমি বল্লা বলুন না দাদা ধরপাকড় হচ্ছিল, তখন বললেন, না সেরকম সমস্যা য় ওনাকে পড়তে হয় নি, কিন্তু ওখানে কাজ কর্মের খুব অভাব ছিল, হাভানার স্কুল অফ আর্কিটেকচারের অন্যতম সেরা অধ্যাপক দের ছাত্র হওয়া সত্ত্বো কাজ ছিল না, কাজ পাছিলেন না, বিবাহ বিচ্ছেদ ও হয়, ওনার সন্তানেরা এখনো কিউবাতেই, তো গল্পের মাইল আটেক শেষ হয়ে আসার ফলে উনি আমাদের নামাবার আগে আরেকটু চমকালেন, বললেন তোমাদের দেশেও তো খুব গন্ডোগোল, ধর্ম নিয়ে, কাস্ট নিয়ে, অঞ্চল নিয়ে, আমাদের কথা তো বোলৈ না, সারাক্ষন ক্যারিবিয়ান লাতিন আমেরিকায় নানা গন্ডোগোল চলছে। আমার এখন আর স্বপ্ন দেখতে ভালো লাগে না, তবে শান্তি স্বাস্থ্য আর সহাবস্থানের স্বপ্ন কেউ দেখছে কিনা আমি খোজ রাখি, আমি তোমাদের লেফ্ট এর খবর রাখি বিকজ আই লাইক টু রিদ অ্যাবাউট দোজ পিপল হু হ্যাভ ড্রিম্স, ইভেন দো আই দোন্ত লয়েজ থিংক দে আর রাইত অর ইভেন আই উইল এভার হ্যাভ দ্যাত দ্রিম, আমি বুঝ্লাম উবের অ্যাপ কিস্যু জানে না, উত্তম সুচিত্রা জানতেন, আমার পথ শেষ না হওয়া তখন কত জরুরি ছিল।

    যাই হোক গৌরচন্দ্রিকাটির কারণ টা হল, এই যে সাম্য, সমানাধিকার ইত্যাদির স্বপ্নের তো কোন শেষ নেই, স্বপ্ন ভঙ্গের ও শেষ নেই, এবং কল্পিত ভবিষ্যত গড়বার সবচেয়ে ধারালো অস্ত্রটি হল, আদার্শ স্বর্ণালী অতীতের চর্চা বা আরেকটু দার্শনিক ভাবে বলা, বিশুদ্ধ মূলগত র, যেটা কে তাপস দাশ আজকাল বলে, 'এসেন্স', তার চর্চা। এই চক্রে সোভিয়েত চর্চা আকাদেমিক ভাবে আর না থাকলেও, লোকের মনে খানিকটা আছে। বাঙালী সিপিএম এবং শাক্যজিত ভট্টাচর্য্য এই তিনজন কে ধরেন যদি বাদ ও দেন রাগ করে, ঃ-))) তাহলে ও আছে।ঃ-)))
    একটু পরে বাকিটা লিখছি। খিদে পেয়ে গেছে।
  • h | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:২৯370449
  • *প্রাচীনতার প্রতিযোগিতা
  • h | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:৩০370460
  • **কার্পেন্তিয়ের এর কিছু কিছু লেখা বাংলায় পড়েছি।
  • h | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:৫৭370471
  • আর পাঁচটা গড় পড়তা বাঙালীর মতই দু চারবার ইংরেজী ভাষী পশ্চিমে ঘুরে টুরে, দু তিনটে বিচিত্র জিনিসের সঙ্গে পরিচয় ঘটে, একটা হল সোভিয়েত চিহ্ন উদযাপন, আরেকটা হল, সোভিয়েত আমলের সোভিয়েত রাষ্ট্র বিরোধী সাহিত্য চর্চার যে ঐতিহ্য তার একটা উদযাপন। এবং আরেকটা হল জাতি প্রশ্নে বিশেষত পূর্ব ইউরোপ প্রশ্নের চর্চা, অবশ্য আমি ২০০০ এর যে সময়টার কথা বলছি, তখন কিন্তু বার্লিন ওয়াল ভাঙার বা সলিডারিটি আন্দোলনের উ্ছ্বাস হই হই কমে গেছে। সার্বিয়ান ন্যাশনলিস্ট দের অপরাধের কাহিনী, হেগে র আন্তর্জাতিক কোর্টে স্লোবোদান মিলোসেভিচের বিচার, কসোভোর স্বাধীনতা, এবং আলবানিয়া, কসোভো সহ, গোটা পুর্ব ইউতোপ থেকে আগত অভিবাসী শ্রমিক দের কে কেন্দ্র করে পশ্চিমের দেশ গুলিতে শ্রমিক অসন্তওষ এসব চলছে। আর পুরোনো যুগোশ্লাভিয়ায় ন্যাটো বোম্বিং এর কারণে, যুদ্ধ বিরোধিতায় আবার খানিকটা বাম শিবিরে ঐক্য এসেছে ইত্যাদি।

    এই তিনটে জিনিস ই আমার কানে শোনা থাকলেও, চোখে দেখা তার আগে হয় নি।

    সোভিয়েত প্রসঙ্গে, এবং এক্ষেত্রে (সোভিয়েত) 'প্রসঙ্গ' শব্দটা প্রায় ভুল ই, বস্তুত স্মৃতিচর্চার না হলেও, স্মৃতি উ`দযাপনের একটা মস্ত বড় দিক হল সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক অতীত চর্চা, বা অতীতের এক ধরণের প্রসঙ্গচ্যুত ব্যবহার। এই ধরুন আমি যে আপিসে বসি, এবং যে বার্গারের দোকানে বিয়ার সহ স্বাস্থ্যচর্চা করে থাকি দু জায়গাতেই ঠিক কেন জানি না, দুটি সোভিয়েত মহিলাদের যুদ্ধের সময়কার পোস্টার রয়েছে। কেন রয়েছে ঈশ্বর জানেন। এমনকি আমি যত অফিসে কাজ করেহ্হি, তার মধ্যে বেশ কয়েকটা অফিসে, সোভিয়েত আমলের শিল্পীদের আঁকা ছবির পোস্টার প্রিন্ট রয়েছে। হই হই করে সোভিয়েত পোস্টার এর প্রদর্শনী চলছে, লোকে সেখান থেকে ফ্রিজ ম্যাগনেট বা ব্যাগ বা জামায় লাগানোর ক্লিপ মত কিনে নিয়ে যাচ্ছে, ছবিওয়ালা এ মানে প্রায় নিয়মিত অভিজ্ঞতা। তার সরকারী দাক্ষিণ্যের পরিমাণ যদিও কূটনৈতিক সম্পর্কের ওঠানামার উপরে নির্ভর করলে আশ্চর্য্য হওয়ার কিছু নেই, বয়স আর বছর তিরিশেক কম হলে, এর মধ্যে প্রসঙ্গ হরণটাই উদ্দেশ্য প্রণোদিত পরিকল্পিত রাজনীতি দেখতে পেতাম, কিন্তু আপাতত সে আলোচনা মুলতুবি রাখছি। এ সব প্রসঙ্গে চে র টি শার্টের কথা আসা উচিত কিন্তু তার সঙ্গে বৃহদর্থে যৌবনচর্চার ও একটা ব্যাপার রয়েছে, তার সঙ্গে চে র কোন সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও, এবং এটা শুধু বিপ্লব বা বিকল্প চর্চা বিষয় না। কিন্তু ভেবে দেখুন, আর যাই হোক, রুটির অভাব থাগলেও, নবনির্মাণ যোগ্য চিহ্নের অভাব বিংশ শতকের প্রযুক্তিগত প্রগতির কারণেই সম্ভবত সোভিয়েতে ছিল না।

    কিন্তু ভেবে দেখুন এই চিহ্ন কেন্দ্রিক উদ'যাপনের মজা হল, এটা যত সরকারী মান্যতা পাবে, বা আকাদেমিয়ায় একটা মদত পাবে, যাকে আমরা গোদা বাংলায় লেজিটিমেসি পাবে, তত কিন্তু বিক্ষোভ মুহুর্তে অন্যরকম একটা বিকল্প চর্চার ক্ষেত্রো ও তৈরী হবে। একেবারে হালে গত ফেব্রুয়ারী বা মার্চে, আমি একটা রবিবারের নিউ ইয়র্ক টাইম্স পড়তে গিয়ে ঠিক ভবে একটু চমকাই, রবিবারের রঙীন ম্যাগাজিনে একটি ফিচার প্রবন্ধ গুচ্ছ, যার মূল বক্তব্য হল, শ্রমিক শ্রেণীর সংজ্ঞা বদলাছে, 'হার্ড হ্যাট' এবং শক্ত যুতো পড়া পুরুষেরা শুধু না, বা তাদের বড় ক্যান্টিন চালানো স্থুলকায় মহিলারা নন, আরো নানা ধরণের কাজ কে শ্রমিকের কাজ বলা যেতে পারে, যেমন স্বাস্থ্য পরিষেবায় জড়িত মানুষ, গাড়িতে গাড়িতে ইকমার্সের জিনিসপত্র বাড়ি বাড়ি পৌছে দেওয়া লোকজন ইত্যাদি। তো সেই প্রসঙ্গে, এক প্রোফেসর আলোচনা করেছেন, তাঁর ইউনিয়ন দের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কিরক্ম করে বদলাছে তার কথা। সেটা বলতে গিয়ে বলছেন একটা সাতের দশকে লঙ আইল্যান্ডের কোন কারফানায়, বক্তৃতা দিতে গিয়ে পাওয়া শিক্ষার কথা, মজা করেই বলছেন। বলছেন, তাঁরা তো গেছেন, ইউনিয়ন এর সদস্য সংখ্যা বাড়াতে, তাদের দেশের রাজনীতির বিষয়েও আগ্রহী করে তুলতে,
    আবার আন্তর্জাতিক প্রসঙ্গেও মানুষকে সচেতন করে তুলতে চান, তো তাঁরা বলছেন অনেকেক্ষন ধরে, গণতন্ত্রের অভাব ই সোভিয়েত কে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে, সোভিয়েত বিরোধী না হলে, প্রকৃত শ্রমিক দরদী হওয়াই মুশকিল ইত্যাদি, তো তার পরে কেউ একটা আলগা মন্তব্য ছুড়ে দিচ্ছেন, বাট দে গট দেয়ার হেল্থ্কেয়ার রাইট। ইত্যাদি। তো এতে শ্লাঘার কিছু নেই, মানে আছে, কিন্তু সব মিলিয়ে যা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হওয়া গেছে, তাই নিয়ে আহলাদিত না হলেও হয়, কিন্তু সেটা বিষয় না, আমি শুধু বলছি যে, বিক্ষোভ যখন সমাজে থাকবে, তখন কে কাকে কখন কোন সমস্যা মনে করে শান্তি পেতে চাইবে, সেটা একটু প্রসঙ্গচ্যুত হলে বোঝা মুশকিল বা বলা যেতে পারে, সাধারণ মানুষ সব সময়েই প্রসঙ্চ্যুতির দ্বারা প্রভাবিত হলেও, সঙ্কট সময়ে স্মৃতি উ`দযাঅপন এবং স্মৃতি চর্চা দুটো জিনিস থেকেই মনে রাখার মত জিনিসটা সে মনে রাখে। সে সরকারী, প্রশাসনিক, বা আকাদেমিক মান্য তা যাই হোক না কেন। মানুষ সেই সেয়ানা পাগলের মত না ভাবার কোন কারণ নেই, যে খুব ঝামেলায় পড়লে, নিজের ভালো মন্দটা অন্তত বোঝে। উল্টো দিক থেকে বলতে গেলে, কোন ধরণের 'ঝামেলা' কে বেশি বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা যায়, সেটার প্রতিযোগিতার নাম ই নির্বাচন, অন্তত পশ্চিমের সফল গণতন্ত্রে। সে যাই হোক, স্মৃতি চর্চা এবং স্মৃতি উ`দযাপন যে যাও করুন, তাঁদের হাতের সামনে কিন্তু একটা বড় সুযোগ এখন রয়েছে, যেটা বার্লিনের দেওয়াল ভাঙার সময়েও ছিল না।
    (ক্রমশঃ)
  • h | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ১০:০৫370482
  • *যে যাই করুন
  • রোবু | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ১১:২৯370493
  • পড়ছি।
  • T | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ১২:০০370504
  • পড়ছি, যদিও হনুদার লেখার গুণে বড্ড খেই হারিয়ে ফেলছি।
  • PT | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ১৩:১৯370515
  • স্মৃতি সততই সুখের না হলেও কখনো তো সুখের। তাই এটা থাক এখানেঃ
    "`এক দিন জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘সোভিয়েট শাসন তোমাদের কী দিয়েছে রাইহোনা? রুটি আর মাংসের লাইনে দাঁড়ানো ছাড়া?’ ঝকঝকে চোখে হাসল উজবেক মেয়ে, ‘স্বাধীনতা। ধর্মের শিকল থেকে মুক্তির স্বাধীনতা। শিক্ষার স্বাধীনতা। ইচ্ছা হলে জুম্মার নামাজে যাই, নয়তো নয়।’ রুশ বিপ্লবের শতবর্ষে রেশমপথে এই শ্রদ্ধার্ঘ্য অপ্রত্যাশিত ছিল।"
    http://www.anandabazar.com/editorial/attractions-in-bukhara-an-ancient-city-in-the-central-asian-country-of-uzbekistan-1.705718?ref=editorial-new-stry
  • h | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ২১:৫২370439
  • তো কি সেই সুযোগ গুলি ?

    প্রথমতঃ সোভিয়েত দেশ টা আর নেই, এবং সোভিয়েত দেশের অন্তর্গত সমস্ত রাষ্ট্রগুলির নিজস্ব লেখালিখি বহুদিন ধরেই ছিল, কিন্তু অথেন্টিসিটি নিয়ে যাঁরা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিলেন তাঁরা পশ্চিমী পাবলিকেশনের মূল থেকে ইংরেজি অনুবাদে পড়তে পারছেন সহহে। আমি যেমন শ্বেতলানা আলেক্সিভিচ পড়লাম, চেরনোবিল এবং আফগান ওয়ার নিয়ে লেখা বই দুটো। উনি নোবেল পাওয়ার পরে অবশ্যই, নাম ই জানতাম না। কিন্তু এতে করে যেটা হচ্ছে, সেটা হচ্ছে রাশিয়ান হিস্টরি সম্পর্কে অপোজিশন ভিউ সহজে পাচ্ছেন। সেটা সাহিত্য এবং জার্নালিজম দুটোতেই। এছাড়া ধরুন ৫০স এর পরে যাঁরা জন্মেছেন, লিখতে শুরু করছেন ৬০ স পরে, এমন্কি ৮০স বা ৯০স এর পরে পরে, তাঁদের লেখাও পড়তে পারছেন, আমি এক্ষেত্রে গ্রোসমান, এরেনবুর্গ, ওল্গা গ্রুশিন, এলিফ বাতুমান (একেবারে রাশিয়ান না), সোরোকিন এর নাম করতে পারি। আখতামোভা এবং মান্ডেলস্টাম চমৎঅকার অনুবাদ বেরোছে নিয়মিত, বাঙ্লায়। পাপবোধ এ আক্রান্ত হয়ে, দেশের পাতায় শুভরঞজনের অনুবাদ পড়ার দরকার নেই (আই যেমন করেছিলাম, ৮০ র দশকের শেষ ভাগে ঃ-) ), বিরোধী দৃষ্টি পেয়ে যাবেন। সব চেয়ে বড় কথা সোভিয়েত আর্কাইভ্স খোলা, প্রচুর কাজ হচ্ছে, তার নিয়মিত কভারেজ হচ্ছে, পুরোনো অনেক পজিশন ই বদলাচ্ছে। সোভিয়ে রাষ্ট্রের বিরোধীদের পজিশন সহ। সোজা উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে, গার্ডিয়ানে মাঝে মস্কো আনডারগ্রাউন্ডের প্রচুর গে ফোটোগ্রাফ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং প্রমাণ করা হয়েছে মিলিটারি র একটা বড় অংশ এই আন্ডারগ্রাউন্ড যাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। তো গোটাটাই শ্রেণী সংগ্রাম ও ভোর রাতে কড়া নাড়া না।
    এর সঙ্গে আরেক ধরণের ইতিহাস বেরোচ্ছে, সোভিয়েত আর্কাইভস থেকেই, সেটা হল, অফিসিয়াল স্ট্যাম্প চাড়াও, যে সব বই পত্তর কে পপুলার কালচার বলে খানিকটা ছেড়ে খেলা হত, এক ধরণের পাল্প, তার সম্পর্কে কাজ বেরোচ্ছে, তাতে বিচিত্র সব ঘটনা পাওয়া যাচ্ছে, যেটা সত্যি বলতে কি ইতিহাস বইয়ে পাওয়া সম্ভব ই না, আর বেরোচ্ছে, অতি পার্সোনাল ইতিহাস। ধরুন একটা বাড়ি, এক্স নং আরাবাত স্ট্রীট, সেই বাড়িতে যত লোক থাকে, তারা কাকে ভজিয়ে কি ফ্ল্যাট পেয়েছিল, ইত্যাদির পুরো বিবরণী, এটা মনে রাখবেন, গুরুত্ত্বপূর্ণ, কারণ রেশনিং এর জমানায়, চেনাজানায় কে কি বাগালো, সেটা প্রায় কে কোন রেজিমের কোন অংশের কাছা কাছি তার ছাপ। এর সঙ্গে বেরোচ্ছে, সোভিয়েত হিরো দের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ডায়রি এবং চিঠি পত্রো। আমি রিভিউ পড়েছি বরিস পাস্তের্নাক এবং মার্শাল ঝুকভ সংক্রান্ত লেখা পত্তর।
    তো মোদ্দা হল, সুত্র অনেক পাচ্ছেন, গোল গোল করে গনতন্ত্র বনাম সমাজ তন্ত্র না করে, সব রকম দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই ডকুমেন্ট পাচ্ছেন।
    আবার এমন একটা সময়ে পাছেন, যখন, ক্যাপিটালিজম কে সহনীয় করতে গিয়ে গোল্ডম্যান সাক্স এর আন্তর্জাতিক চেয়ার্ম্যান বারোসো কে, বক্তৃতা দিতে হচ্ছে, যে কি করে অর্থনীতি কে ইনক্লুসিভ করা যায় সে ব্যাপারে, এ সেই গোলডম্যান সাক্স যার বিরুদ্ধে নব্বই দশক থেকে, অ্যান্তি ক্যাপিটালিস্ট রা, বা সম্প্রতি বার্নি স্যান্ডার্স রা কথা বলছেন, গ্রীক ক্রাইসিস এ সরাসরি দায়ি করা হচ্ছে তাদের। এমন একটা সময়ে বলছেন, যখন বোঝা যাচ্ছে, যে লিবেরাল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যাবস্থা এবং ক্যাপিটালিজম এর তাল মিলিয়ে চলার কারণে, বহুদিন অনেক সমস্যাকেই সামলানো যাছিলো, টমাস পিকেটি বা উল্ফগ্যাং ক্রিকের কাজ তার ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ করে বলছেন, কেন সেটা আর সম্ভব হচ্ছে না, এবং আরো একটি অশ্রুতপর্ব কাজ করে ফেলছেন, সেটা হল অর্থনীতির আলোচনায় রাজনৈতিক অর্থনইতিক ইতিহাস কে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করছেন। তো এই পরিশ্তিতিতে চর্চা ও উ`দযাপন দুটৈ মাথা ঠান্ডা করে না করার আর অজুহাত থাকছে না। কিন্তু সেই প্রচেষ্টা পুরো আমি এ বছরে প্রকাশিত প্রবন্ধ, সোশাল নেটওয়ার্কিং এর পোস্ট (পরিচিতের মধ্যে) একেবারে হাতে গোণা ছাড়া বিশেষ দেখতে পাইনি। এবার বাকিটা বলছি।
  • কল্লোল | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ২২:৪৫370440
  • অ হনু। মনু, পড়সো তো পোচ্চুর। অখোন এতো পইড়া কি বুজলা, হেইড কও দিনি। আর তুমার ল্যাখার উদ্দেশ্য যদি আমাগো পড়শুনা করানো হয়, তবে সে আশায় ফুক্কুড়ি।
  • dd | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ২২:৪৮370441
  • এ বিষয়ে জানাই, সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ার নিয়ে একেবারে সব রকমের নথিপত্র এখন পাওয়া যাচ্ছে রাশিয়াতে। ফলে প্রচুর প্রচুর তথ্য এসেছে হিস্টরিয়ানদের হাতে।

    শুধু ডকুমেন্টই নয়, সাধারন মানুষদের ডায়ারী, চিঠি চাপাটি - সব কিছুই এখন আর্কাইভ মুক্ত।
  • PT | ১৩ নভেম্বর ২০১৭ ২৩:৫৫370442
  • বাঙালীর এই এক সমস্যা। বিশ্ববাংলা লোগোর মালিক কে জানে না, সোভিয়েৎ আর্কাইভস নিয়ে আছাড়ি-পিছাড়ি খাচ্ছে!!
  • Du | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০০:১৭370443
  • পিটিদা ডিডিদাকে বলে থাকলে এই বাংগালীর মধ্যে ডিডিদা পড়েন না।
    হনুর এই টই আরেকটা সেরকম টই যেটা পড়লে মনে হয় এই কল বানানোটা কতটা সার্থক।
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০০:২৭370444
  • আরেকটা দিক হল, সোভিয়েত বিকল্প ভাবনায় সাহিত্যে বা সিনেমায় সোশালিস্ট রিয়েলিজম চর্চা বা সমাজে শিল্পী র ভূমিকা ইত্যাদি নিয়ে প্রচুর বিতর্ক হয়ে গেছে, এর মধ্যে গরীব দেশের লোক হলেই যে আপনাকে শিল্পী হিসেবে গরীবের উপকার করতে হবে এরকম কোন চাপ আর নেই, অতএব প্রাণখুলে বিশুদ্ধ আর্ট ও ফার্ট চর্চা করা যেতে পারে। সত্যি সেরকমটাই উচিত। সোভিয়েত বিজ্ঞান জিনিসটা র মধ্যে যে টুকু টেঁকার সোভইয়েত আমলের বিজ্ঞান গবেষনা র মধ্যে গুরুত্ত্বপূর্ণ যা টিঁকে গেছে, যা নেই তা নেই, প্রযুক্তির দিক টা অনেকটাই যুদ্ধাস্ত্র প্রতিযোগিতা বা আজকাল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর প্রতিযোগিতা। তাও কতটা রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিত্ত্ব মূলক, কতোটা দেশাত্মবোধক কর্পোরেট আর ফ্রি এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধিত্ত্ব করে, কতটা বিশেষ কিছু বিজনেসের বিষেষ কিছু ইন্টারেস্ট, কেউ পুরোটা জানে না, তো সেই লাইনেও ডিফেন্ড করার মত কিছু নেই। জিও পলিটিক্স এই সমাজতান্ত্রিক সৌভ্রাতৃত্ত্ব র কিছুই অবশিষ্ট নেই, যে আপনাকে স্টালিন আর টিটো বা স্তালিন ও মাও এর ঝগড়ায় পক্ষাবলম্বন করতে হবে, তো এত সুবিধে এক সঙ্গে কিন্তু উন্ননয়শীল দুনিয়ায় অনেকদিন আসে নি, নিজের মত নিজের প্রকৃত স্বাধীন আন্দোলন গড়ে তোলার, তুলতে মদত দেওয়ার বা পুঁজিবাদের হালকা থেকে মাঝারী এমনকি ভারী বিরোধিতা করার সবরকম সুবিধেই রয়েছে। যদি অবশ্য মনে করেন, যে অসামান্য নিজেকে বার বার বদলে নেওয়ার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও পুঁজিবাদ মানুষের অনেক প্রশ্নের উত্তর ই দিতে পারছে না। তো এই পরিস্থিতি স্মৃতিচর্চা এবং স্মৃতি উ`দযাপনের বাজারে আমরা পাচ্ছি টা কি, সেটা কে একটু দেখার দরকার আছে?
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৬:৫৬370445
  • স্মৃতিচর্চা এবং উ`দযাপনের উদাহরণের বিশদে যাওয়ার আগে, ছোটো করে তিনটে বিষয় ছুঁয়ে যাই। সেটা হল।

    কী পড়তে হত -
    প্রথমটা হল, আমরা যখন রাজনীতি করতে শিখছি, তখন, কিন্তু আদি সোশালিজম এর ইতিহাস বলতে দুটো জিনিস পড়তে হত, একটা হচ্ছে পারী কমিউন এবং এইটিন্থ ব্রুমিয়ের সহ আজকের জার্মানীর বিদ্রোহ গুলোর ইতিহাস ইত্যাদি, এবং কমিউনিস্ট ইনটারন্যাশনাল গুলোর ইতিহাস, কিন্তু ১৯১৭ র বিষয়ে জন রিড এর পরেই, একেবারে বিভিন্ন সময়ে র বলশেভিক পার্টির সরকারী ইতিহাস। আমরা সিপিআই সিপিএম ঘরানা বলে আমাদের চীন সম্পর্কে কম পড়লেই হয়েছে, আবার আঙ্কল হোর বক্তৃতা, বা এশিয়ান ওয়ার গুলো নিয়ে আমেরিকান জার্নালিস্ট দের কাজ কর্ম অল্প স্বল্প ছুঁয়ে দেখা।
    কিন্তু অর্গানাইজেশন কি ভাবে গড়া যাবে, সে ব্যাপারে রাশিয়া বনাম চীন ছাড়া বিশেষ কিসু পড়া হচ্ছে না। এবং মাঝে মাঝে লেনিনিস্ট অর্গানাইজেশনের গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতা সম্পর্কে চোখরাঙানি ইত্যাদি।

    একটু পড়ুয়ারা রা তাও আইজাক ডয়শার এর ট্রটস্কির জীবনী পড়তো, এবং ট্রটস্কির বলশেভিক বিপ্লবের ইতিহাস পড়তো, কিন্তু বেশিটাই না। অর্থাৎ সোশালিস্ট অর্গানাইজেশন যখন রাষ্ট্রকে ডিফেন্ড করছে না, তখন কার তার চেহারাটা কেমন ছিল সেটাঅ সম্পর্কে ব্রড সেন্সে ধারণা খুব ই কম, কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল এর বিভিন্ন টেন্ডেন্সির আলোচনা একটা ঐতিহ্য ছিল ঠিক ই, কিন্তু তবু রাষ্ট্র কে রক্ষা করার ইতিহাস এ এসে একটা ইতিহাসহীনতায় ভোগার প্রবণতা ছিল। তথ্য সূত্র ও কম ছিল। কিন্তু এখন চাইলেই ভিক্টর সার্জের বই পাওয়া যাচ্ছে, কোলোনতাই, রোজা লাক্সেমবার্গ দের বই প্রচুর পাওয়া যাচ্ছে, আগে বই হিএবে পাওয়া যেত এখন ইন্টারনেটে আর্কাইভ রয়েছে। তো বক্তব্য হল, সরকারী মহাফেজখানায় যদি যেতে নাও পারেন, প্রফেসনাল হিস্টোরিয়ান দের সাহায্য যদি নাও পান, নানা সোর্স রয়েছে খবর যোগাড় করার। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি গুলোর করে দেওয়া পামফ্লেট ইচ্ছে না হলে নাই দেখতে পারেন, প্রগতি প্রকাশন ও উঠে গেছে, অতএব, আগ্রহী পাঠক মোটামুটি সেন্সরশিপ মুক্ত এই বিষয়টায়। সোশালিস্টা আন্দোলন বলতে যে হাজার রকম টেন্ডেন্সির আন্দোলন বোঝাতো সেটা অনতত আর কষ্ট করে আমি বলেছি মেনে ও নিতে হবে না, নিন্দেও করতে হবে না, ইতিহাসটা তাই বলছে। এবার ১৯১৭ থেকে ১৯৩০ এর দশকের এর বিগ পার্জ এর সময় পর্যন্ত, সোভিয়েত এর ইতিহাস এখন মোটামুটি কেউ ই চেপে রাখতে পারবে না, তার পরে তো আরো ই পারবে না যুদ্ধের ফাইল প্রকাশিত প্রচুর। যুদ্ধের সময় থেকে সোভিয়েত স্টেট এর মধ্যে রাশিয়ান ন্যাশনালিজম এর বাড় বাড়ন্ত, অ্যান্টি সেমিটিক টেন্ডেন্সির প্রমাণ বা সেই সংক্রান্ত বিতর্ক ইত্যাদি পড়ার জন্য, প্রচুর বই পত্র বেরিয়েছে, প্রচুর পরিমানে রিপ্রেশন সত্ত্বেও, আন্তর্জাতিক লিবারেশন স্ট্রাগল গুলো কে অনেকটাই সোভিয়ে স্টেট বা ইস্ট জার্মানি সাহায্য করছে, নেলসন মান্ডেলা রা রেডিও স্টেশন চালাচ্ছেন বার্লিন থেকে। তো সমস্ত তথ্য ই পাচ্ছেন, এবার স্মৃতি চর্চায় অসুবিধে হওয়ার কথা না। শুধু রাজনৈতিক বিষয়ে না, যদিও ডেটার সমস্যা রয়েছে, তবু ও যা ডেটা অয়ভেলেবল, তাই দিয়ে সোভিয়েত আমলের ইকোনোমির ওঠা পড়া নিয়ে ডিটেল বই বেরিয়ে গেছে, শুধু ওনারশিপ ডেটা না, প্রোডাকশন ডেটা কারেন্সি ডেটা ইত্যাদি নিয়ে। চাইলে নাম যোগাড় করে দিতে পারি। অতএব এত রিপ্রেশন করে আখেরে কিসু লাভ হচ্চিলো কিনা, যুদ্ধের সময় প্রোডাকশন কি ভাবে হচ্চিল এসব দেখার ইন্ডিপেন্ডেন্ট সোর্সেস আজকাল হয়েছে। ভেবে দেখুন আস্চর্য্য কাকতালীয়, ১৯৩৭ এ যখন জঘন্যতম পার্জ হছে সোভিয়েত এ, তখন ই সোভিয়েত কেন্দ্রীয় প্ল্যানিংঅডেল কিছুটা ধার করে, নিউ ডিল শুরু হচ্ছে, আমেরিকায়। তো এই মুগ্ধতার ভিত্তি আদৌ ছিল কিনা, নাকি ঢপের ডেটা বেচে প্রোপাগান্ডা হয়েছিল তাও দেখতে পাওয়ার উপায় প্রচুর রয়েছে।

    আমাদের দেশের কথা দেখা যাক, খুব সঙ্ক্ষেপে বলতে গেলে ভারত বর্ষের রাজনীতি তে বামপন্থীদের নেহরুর শিশু রাষ্ট্র কে রক্ষা করার দায় আর নেই, এবং এটা আমাদের গণতন্ত্রের ম্যাচিওরিটির লক্ষন, যে স্বাঅধীনতার পরে দেশের অংশ হয়ে যাওয়া মার্জিনাল স্টেট গুলো সম্পর্কে আলোচনা থামানো যাচ্ছে না, এবং বামপন্থী দের পক্ষে নুআন্স্ড পজিশন নেওয়ার কোন অসুবিধে থাকছে না, নিম্ন বর্ণ এবং নিম্ন শ্রেণীর ঐক্য যে জরুরী, সেটা এখন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রায় প্রশ্নহীন ভাবে স্বীকৃত। নেহাত ই মুর্খ না হলে কোন বামপন্থী ই এখন, পরিবেশ প্রশ্নে শিল্প বিপ্লবের আদর্শের দিকে পেছোতে চাইবেন না। চীন রাশিয়া করে যে পার্টি ভাগ করে চাট্টি হিরো হবেন বা সহজে পলিটি বুরো মেম্বার হবেন, তার উপায় নেই, বামপন্থী অ্যাক্টিভিস্ট হতে গেলে, মাইরি বৃহদাকার আন্দোলন গড়ে তুলতে সাহায্য করা ছাড়া আর বিশেষ কোন কাজ থাকছে না, অসঙ্খ্য এসোটেরিক বিতর্ক করে সময় নষ্ট করতে হচ্ছে না, কারণ পিঠ অবশ্যই দেওয়ালে।

    অবশ্যই এর পরে রয়েছে, কার বিরুদ্ধে কার সঙ্গে যাবেন এ প্রশ্ন। যে প্রশ্নে মাঝে মাঝেই সিপিআই এম ভাগ হবে শোনা যায়, আর

    এরকম একটা অনন্য সমাবেশ বাড়ানোর পরিস্থিতিএ স্মৃতি চর্চা এবং উ`দযাপনে আমরা কি পাচ্ছি, তাহলে একটু অল্প করে দেখা যাক।
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৮:১৮370446
  • স্মৃতি উ`দযাপন বিষয়ে, দেখুন এ ব্যাপারে, প্রথমে আমার একটা বন্ধুত্ত্ব মূলক ঝগড়া হয়েছিল সোমনাথ দাশ্গুপ্তর সঙ্গে সে ব্যাপারে নিজের সম্পূর্ণ ভুল স্বীকার করে তার পরে এগোচ্ছি।

    সোমনাথ রা যখন সোভিয়েত সাহিত্য কে আর্কাইভ করার কাজ শুরু করেছেন, তখন আমি দুটো প্রশ্ন তুলেছিলাম, বন্ধু বলেই তুলেছিলাম, সেটা হচ্ছে এটা ব্যক্তিগত উদ্যোগে করা ঠিক কিনা নাকি ট্রাস্ট করে করা উচিত। পরে দেখা গেছে আমি ভুল প্রমাণিত হয়েছি, প্রকরণে বেশি সময় দিলে একাজ এত হতই না। কিন্তু আবার আমি যেটা সন্দেহ করেছিলাম, অসাধু ব্যবসায়ীরা রঙিন ছবি ওয়ালা বই ছেপে বিক্রি করবে, তার একটা আশংকা যে নেই তা না, কিন্তু সোমনাথ দাশগুপ্ত রা প্রচন্ড চৌখস খবর রাখা লোক জন, ফাঁকি দেওয়া মুশকি আছে। এছাড়া আরেকটা দিক আছে, আমি বলেছিলাম, এই যে রিপ্রেসিভ একটা রাষ্ট্র যেটা প্রমাণিত তার শিশু সাহিত্য কে প্রোমোট করা কি ঠিক হবে, মানে যখন বাচ্চারা চিড়িয়াখানা যাচ্ছে, বাচ্চাদের বাবা মায়েরা সাইবেরিয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে সেটা এই আর্কাইভ দেখে লোকে ভুলে যাবে না তো? তো পরে দেখেছিলাম, একটা সময়ের একটা বিশেশ ঘরানার আর্ট কে যদি আর্কাইভ করতে হয়, আর্কাইভিস্ট কে অত ভাবলে চলে না, মালটাই যদি না থাকে বিতর্ক হবে কি করে। সুতোরাং দুটো অ্যাকাউন্টেই সোমনাথ রা সঠিক প্রমাণিত হয়েছেন, এবং আমি মুর্খ বালক প্রমাণিত হয়েছি। কিন্তু প্রশ্নটা ছিল এবং কেউ করছিল কিনা জানতাম না বলেই আমি করেছিলাম, নো রিগ্রেট্স।

    (বাকিটা আবার পরে, যদি এনার্জি, থাকে কল্লোলদা প্রশ্ন টার জবাব দু তিনদিন পরে দেবো)
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:০০370447
  • মনে হচ্ছে, কদিন যা যাবে, তাতে সময় হবে না, ছোটো করে কল্লোল দার প্যাঁক টার একটা উত্তর খাড়া করে যাই।

    কল্লোল
    -
    অ হনু। মনু, পড়সো তো পোচ্চুর। অখোন এতো পইড়া কি বুজলা, হেইড কও দিনি। আর তুমার ল্যাখার উদ্দেশ্য যদি আমাগো পড়শুনা করানো হয়, তবে সে আশায় ফুক্কুড়ি।
    "
    কল্লোল দা, আমি কিছুই পড়ি নি, বোধগম্য বিশেষ কিছু হয় ও নি, আমি বই তালিকার প্রতিযোগিতা করতে আসিও নি। আমি শুধু বলছি, যে সোভিয়েত স্টাডিজ বলে যে বিষয়টা এখনো আমল পাচ্ছে অনেক যায়গাতেই, ১৯১৭ র একশো বছরের মাথায় তার একটা বড় বহিপ্রকাশ হয়েছে। আমার বক্তব্য ছিল সোভিয়েত চর্চা জিনিসটা প্রফেসনাল হিস্টরিয়ান দের ছেড়ে দিন, তাঁরা কোন সোর্স কখন নেবেন তাঁদের সে ব্যাপারে ট্রেনিং রয়েছে, কিন্তু সাধারণ শিক্ষিত মানুষ, রাজনৈতিক কর্মীরা যখন এই বিষয়ে চর্চা করবেন, তখন তাঁদের যে সব নতুন তথ্য এসেছে, নানা কারণে এসেছে, সোভিয়েত আর্কাইভ্স সহ, সেগুলো একটু ঘেঁটে দেখা উচিত, বা প্রাইমারি সোর্স না পারলে, যে ধরণের বই গুলো এ ব্যাপারে সাহায্য করতে পারে, সেগুলো নেড়ে চেড়ে দেখা উচিত। তাতে সোভিয়েত পাবলিকেশন কে একেবারে অবিশ্বাস করে শুরু করলেও অসুবিধে নেই, অবিশ্বাস করার সাহস টা থাকা দরকার। কিন্তু ঘটনা হল, সেটা দিয়ে শুরু করলেও, কেন বিপ্লব রাশিয়াতে ঘটলো, ওয়েস্টার্ন ইউরোপে না হয়ে, সেই সব বড় প্রশ্ন ছাড়াও অনেক খুঁটি নাটির প্রকরণ উপাচারের খবর পাওয়া যেটে পারে, যেটা বড় রাজনৈতিক সংগঠন গড়ার উদ্দেশ্যে তৈরী করা প্যাম্ফ্লেটে হয়্তো পাওয়া যাবে না। যেটা বোঝা দরকার, শুধু সাংগঠনিক প্রতিযোগিতা না, সমর্থন যোগাড় করা না, জনজীবনেও, যৌক্তিক আলোচনা পরিবেশ তৈরী করা, আকাদেমিয়ার বাইরে ইতিহাস চর্চায় ফ্যাক্ট নামক বস্তুটাকে বিশ্বাসের চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার চর্চা টা চালানো দরকার, এটুকুই বলেছি।
    আর যেটা বলছি, থ্রেট করে গেলাম, এখনো শেষ হয় নি, নস্টালজিয়া, আমার কলোনীর সেই দরমার বেড়া তে লাগানো লেনিনের ছবি আমাকে মাটি আন্দোলনে ইন্স্পায়ার কর্ছিল, অতএব স্তালিন কাউকে খুন করলেও, আমি এ ব্যাপারে কিচু বলবো না, কারণ আমার ছোটোবেলা প্রশ্নহীন মধুর ছিল, ইত্যাদি চর্যায় আমি একটি স্লাইট ক্লান্ত। আমার ছোটোবেলা মধুর না হলেই ক্রোনি ক্যাপিটালিস্ট দের বারোটা বাজানোর ব্যবস্থায় যোগ দেওয়া উচিত এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই, ইন ফ্যাক্ট মধুর না হলেই আরো বেশি কর করা উচিত। এটা বলতে পারো, ইতিহাস চর্চায় অকারণ ডিভেন্সিভ ইন্সুলারিটির বিরুদ্ধে কয়েক হাজার অবাঞ্ছিত শব্দ। কিন্তু এই স্মৃতিচারণের ঢল আমায় ইরিটেট করছে। তোমায় না করলে আমি কি করবো।
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:১০370448
  • **প্রথম টা মধুর হলে, দ্বিতীয় টা মধুর না হলে। ইত্যাদি
  • কল্লোল | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ০৯:১৮370450
  • তা সে তুই প্যাঁকই ভাব আর যাই ভাব। দ্যাখ বাপু অতো পড়াশুনা কল্লে তো আইটিতে পশ্চাৎ না ঘষে অন্য কিছু করতাম। তাছাড়া, দেখছিস তো আমাদের পড়াশুনার দৌড়, এখনো বিশ্ব বাংলাই জানি না। তাই যারা পড়াশুনা করে তাদের ল্যাখা পড়ে যেটুকু পাওয়া যায়। এই আর কি। তুই পড়াশুনা করিস কি করিস না, সে নিয়ে তোর নিজের কথার কুনো দামই নাই।

    এয়ার্কি বাদ্দে। খুব ভালো লাগছে। আরও লেখ না রে!

    "ইতিহাস চর্চায় অকারণ ডিভেন্সিভ ইন্সুলারিটির বিরুদ্ধে কয়েক হাজার অবাঞ্ছিত শব্দ। কিন্তু এই স্মৃতিচারণের ঢল আমায় ইরিটেট করছে।" - ক্যাবাৎ।
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১০:২৩370451
  • এটা আবার কি বল্লা, সেতো আমিও আইটিতে দেহ মন সর্বত্র ঘষেই গেলাম, তো তাতে কি হয়েছে। ঃ-))) পিটি র কথা ছাড়ো, খচে গিয়ে কখন কি বলে কোন ঠিক নেই।
  • PT | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১১:১৩370452
  • আরে বাপু, পিটি খচে নি।
    কথা হচ্ছে এই আর্কাইভ ঘেঁটে কি এমন পাওয়া যাচ্ছে যা সন্দেহাতীতভাবে সত্যি? নেতাজীর আর্কাইভ নিয়ে যে বিস্তর প্রত্যাশা তৈরি করা হয়েছিল দিল্লী ও কোলকাতায়-তেমন কিছুই পাওয়া গেল কি?

    তার পরেও সমস্যা কাটে না। যেমন, এই বাক্যটির অবিলম্বে বাংলা অনুবাদ প্রয়োজন।
    "আমি শুধু বলছি যে, বিক্ষোভ যখন সমাজে থাকবে, তখন কে কাকে কখন কোন সমস্যা মনে করে শান্তি পেতে চাইবে, সেটা একটু প্রসঙ্গচ্যুত হলে বোঝা মুশকিল বা বলা যেতে পারে, সাধারণ মানুষ সব সময়েই প্রসঙ্চ্যুতির দ্বারা প্রভাবিত হলেও, সঙ্কট সময়ে স্মৃতি উ`দযাঅপন এবং স্মৃতি চর্চা দুটো জিনিস থেকেই মনে রাখার মত জিনিসটা সে মনে রাখে।"

    অথবাঃ
    "অতএব স্তালিন কাউকে খুন করলেও, আমি এ ব্যাপারে কিচু বলবো না,"-কেন বলব না? কিন্তু যদি বলিও, তাহলে সেই আলোচনা সেই সময়ের বিশ্বজুড়ে বাকি ইওরোপের বজ্জাতি ও শুঁষে ছিবড়ে করে দেওয়া বাঁদরামি বাদ দিয়ে বলা হবে কিনা সেটাও সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

    তদুপরি, ১০০ বছর আগে উইন্টার প্যালেসের পাশে শ্রমিকেরা কিরকম গত্তের মধ্যে থাকত আর ঐ ঠান্ডায় কিভাবে চিড়বিড় করে জ্বলত তা জেনেই বা কি করে এখনকার কানে-মোবাইল-মাঠে-হাগা ভারতীয়দের সমাজ বদলের কাজে উদ্বুদ্ধ করা যাবে?

    ইত্যাদি, প্রভৃতি........পন্ডিত নই বলে বুঝছিনা হয়ত, কিন্তু সোভিয়েত স্মৃতিচর্চা করে দিন বদলালে আমার নাতি-পুতির লাভ হতে পারে এই আশায় খুব চেষ্টা করছি গোটা আলোচনাটার সারমর্ম উপলব্ধি করতে!!
  • ??? | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৩৮370453
  • তাহলে কি আমাদের ইতিহাস থেকে কিছুই শেখার নেই?
  • S | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৪৬370454
  • দুচ্ছাই। এমনিতেই কঠিন সাবজেক্ট। তার উপরে হানুবাবুর লেখা উদ্ধার করা বেশ হ্যাপার ব্যাপার। এখন যদি আপনারা সব গোল বাধান, তাইলে তো মুশকিল। পুরো ঘেঁটে গেলাম।
  • T | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১২:৪১370455
  • "আমি শুধু বলছি যে, বিক্ষোভ যখন সমাজে থাকবে, তখন কে কাকে কখন কোন সমস্যা মনে করে শান্তি পেতে চাইবে, সেটা একটু প্রসঙ্গচ্যুত হলে বোঝা মুশকিল বা বলা যেতে পারে, সাধারণ মানুষ সব সময়েই প্রসঙ্চ্যুতির দ্বারা প্রভাবিত হলেও, সঙ্কট সময়ে স্মৃতি উ`দযাঅপন এবং স্মৃতি চর্চা দুটো জিনিস থেকেই মনে রাখার মত জিনিসটা সে মনে রাখে।" এটার বঙ্গানুবাদ হচ্ছে যে, পাবলিক যা মনে রাখার রাখবে। বা ইন জেনারেল যা হওয়ার তাইই হবে। ;)

    "তদুপরি, ১০০ বছর আগে উইন্টার প্যালেসের পাশে শ্রমিকেরা কিরকম গত্তের মধ্যে থাকত আর ঐ ঠান্ডায় কিভাবে চিড়বিড় করে জ্বলত তা জেনেই বা কি করে এখনকার কানে-মোবাইল-মাঠে-হাগা ভারতীয়দের সমাজ বদলের কাজে উদ্বুদ্ধ করা যাবে?"
    এটার উত্তর হচ্ছে, প্রথমেই বিপ্লবের ক্ষেত্রকে প্রস্তুত করতে হবে। হাগার বদলে উইন্টার প্যালেস।
  • :"( | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১৩:৫৩370456
  • কিন্তু ভাবুন দেখি কেউ উইন্টার প্যালেসে কানে মোবাইল গুঁজে কমোডে হাগছে, ....এব্যাপারে ইতিহাস-শ্রেণীচেতনা কী গুলিয়ে যাচ্ছে না কমরেড?
  • h | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:২১370457
  • এরকম মেগা এন্টারটেনার লিখবো ভাবিনি মাইরি।
  • ??? | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১৭:১৭370458
  • লেখা শুরু হয়েছে নাকি? আমি ভাবছি এটা উপক্রমণিকা!
  • T | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ১৮:২৭370459
  • আদ্দুর, লেখো লেখো মাইরি।
  • sswarnendu | ১৪ নভেম্বর ২০১৭ ২০:৪৪370461
  • এত কিছু সহজলভ্য হয়েও পশ্চিমবঙ্গে বা ভারতে বামপন্থী আন্দোলনের ঘণ্টা হয়েছে, কারণ তাঁদের সরকারী-বেসরকারি, অধীন-স্বাধীন-তাধিন কোন অংশই এখনো এইটে জোর গলায় কয়ে উঠতে পারল না যে লেনিন ও বলশেভিকরা স্কিলফুলি রাশিয়ার বিপ্লবের পুটু মেরে দিলেন ও ক্ষীরটা নিজেরা খেলেন, তাই ২০১৭ বিপ্লবের শতবার্ষিকী নয়, বিপ্লবের মৃত্যুর শতবার্ষিকী। তাহলে আর এত কিছু সহজলভ্য হয়ে ঘণ্টা হবেটা কি? স্তালিন খুব খারাপ লোক ছিল বলে অর্ধ নিমীলিত চোখে বলশেভিক বিপ্লবের শতবার্ষিকীর বয়ান লিখে চলবে যারা তাঁদের মেটেরিয়াল সহজলভ্য হওয়ায় বেল পাকলে কাকের কি কেস।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন