এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • পাকোড়া বনাম তেলেভাজা

    bip
    অন্যান্য | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ | ৫২৪৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • bip | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ০৮:৫৩371668
  • সেটা বোধ হয় ১৪ই জানুয়ারী। বেঙ্গল বিজনেস সামিটের আগের দিন সন্ধ্যায় রাজারহাট ধরে আবার আমেরিকাতে ফেরার পথে। বেঙ্গল মিন্স বিজনেস প্ল্যাকার্ডে ছয়লাপ রঙীন মায়াবী রাস্তা- ভ্রম হয় কোলকাতায় না ডিজনিল্যান্ডে। নির্মীয়মান মেট্রোরেলের ওভারব্রীজের তলায় ভর সন্ধ্যেবেলায় কিছুলোক সবুজ ঘাসের পট্টি লাগাচ্ছে, যাতে সবুজ গালিচায় ভরে ওঠে এয়ারপোর্ট থেকে কনফারেন্সের রাস্তা। না, আয়োজনের কোন ত্রুটি রাখেন নি মমতা ব্যানার্জি।

    পরেরদিন বেঙ্গল মিনস বিজনেস স্লোগান দিলেন বিশ্বের প্রথম দুই ভারতীয় ধণকুবের- মুকেশ আম্বানী এবং লক্ষ্মীকান্ত মিত্তল।

    কিন্ত হোয়াটসাপ ভরে উঠল একটা জোক্সে-- কেউ একজন দেখে পাড়ার তেলেভাজার দোকানের তালা । দোকানের সামনে ঝুলছে-" চল্লাম গ্লোবাল বিজনেস সামিটে"।

    মমতা ব্যানার্জির অপরাধ একটাই- উনি বেকারদের স্বাবলম্বী হতে তেলে ভাজার দোকান দিতে বলেছিলেন। লাখে লাখে সব হোয়াটসাপ গ্রুপে শেয়ার হল সেই জোক্স।

    কিছুদিন বাদে মোদিজিও বললেন মমতার কথা। একজন লোক যদি দিনে ২০০ টাকার পাকোড়া ভেজেও সংসার চালায়, সেও স্বাবলম্বী এবং সেটাও একটা কর্মসংস্থান। এবার মমতাকে ঠাট্টা করা চাড্ডিরা গেল চুপসে- কিন্ত উদয় হলেন কংগ্রেসের চিদাম্বরম। উনার দাবি পাকোড়া ভাজা কাজ হলে ভিক্ষে করাটাও নাকি কাজ। ভদ্রলোকের নাকি হার্ভাডের ডিগ্রি আছে। বিজনেসে। ভাবছিলাম উনার উক্তিটা হার্ভাডের বিজনেস স্কুলের ডীনের কাছে পাঠানো যায় না কি-"ভিক্ষের" কোন নতুন কোন বিজনেস মডেল যদি হার্ভাড বিজনেস স্কুলে জানা থাকে যাতে "কাস্টমার", "সার্ভিস", "ভেন্ডঢ়" সাপ্লাইলাইন যা ডিফাইন করা যায়। তেলেভাজা শিল্পে কিন্ত এগুলো সবই আছে!

    এই ধরনের জোক্স যা সর্বত্র সবাই শেয়ার করছে, তাতে একটা ব্যপার খুব পরিস্কার। বাঙালী বেকার বসে থাকবে, সিন্ডিকেট করবে, সৎপথে তেলেভাজার দোকান দেবে না। এ এমন সমাজ, যেখানে সিন্ডিকেটের গুন্ডামো করলে পাওয়া যায় কাউন্সিলরের টিকিট, ডাকাত ডাক্তার হতে পারলে মাথায় তুলে নাচে নার্সিং হোমের মালিক, স্কুল ফাঁকি দিয়ে টিউশুনি করলে ওঠে তিনতালা বাড়ি- আর সৎ পথে তেলেভাজা বেঁচে খেলে, জুটবে শুধুই অবজ্ঞা! যদিও এটা আমরা সবাই জানি, প্রতিটা শহর এবং মফঃশহরের সফল তেলেভাজার দোকানদারদের উপায় বেশ ভালো।

    তাহলে আমাদের সমীকরনটা দাঁড়াল কি? রুগীমেরে বড়লোক ডাক্তার, ছাত্রদের মূর্খ বানানো শিক্ষক, ঘুঁশখোর কেরানী-এগুলো সব সন্মানের পেশা। আর একজন সৎভাবে দিনে চোদ্দঘন্টা খেটে খাবারের দোকান দিয়ে বাঁচলে, তার পেশা অসন্মানের?

    যদিও জোক্সটা মমতা ব্যার্নার্জি বিরুদ্ধে, ওই জোক্সটা এত সবাই হোয়াটআপে শেয়ার করেছে এটা পরিস্কার মধ্যবিত্ত বাঙালীর বাবুরোগ এখনো যায় নি। যারা করেছেন, তারা বিজেপির-যারা নিজেদের "প্রোবিজনেস" ভাবেন। যারা করেছেন, তারা সিপিএমের-যারা না কি "শ্রেনীর" বিনাশ চান। বারে বাহ! এদের দেখেশুনে মনে হয় "শ্রেনী" ব্যপারটা মঙ্গল গ্রহে আর ক্যাপিটল গ্রন্থে বিদ্যমান। আর ব্যবসাটা শুধু মিত্তল আম্বানীদের জন্য।

    আমাদের এখানে গ্রীষ্মের ছুটি এলে, কিশোর কিশোরীরা রাস্তায় রাস্তায় নেমে কখনো লেমোনেড বেচে, কখনো বাগান পরিস্কারের ঠিকা নেয়, কখনো গাড়ি পরিস্কার করে উপার্জন করে। এদের বাবা-মাও ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার। এদের বাবা-মারা এই জন্যেই ছেলেমেয়েদের এই কাজে উৎসাহিত করেন যাতে এরা সব কাজকে, সব পেশাকে, সব পেশার পেশাজীবিকে সন্মান করতে শেখে।

    আমি এক সময় মাওএর সাংস্কৃতিক বিপ্লবের বিরুদ্ধে প্রচুর লিখেছি। চীনেও ১৯৬৬ সালের আগে, ভারতের মতন "এলিটিসিজম" চলত- চাষী শ্রমিক ছোট কাজ করা লোকেদের প্রতি একই রকম অবজ্ঞা অবহেলা ছিল শিক্ষক, কেরানী, ডাক্তার উকিলকুলের। মাও প্রফেসরদের ক্লাসরুম থেকে তাড়িয়ে মাঠে পাঠিয়েছেন-যাতে তারাও চাষ করা শেখে।

    তাই মাওএর লাইনেই বলি- যারা এই তেলেভাজা শিল্প নিয়ে কটাক্ষ করছেন, জোক্স ছাড়ছেন, কার্টুন শেয়ার করছেন, রাষ্ট্র যদি তাদের একমাসের জন্যও তেলেভেজাওয়ালা হতে বাধ্য করে-তাহলেই একমাত্র এই ধরনের অসভ্যতা, মানুষের প্রতি মানুষের অসন্মান বন্ধ হবে। ডাকাত ডাক্তার, ফাঁকিমারা শিক্ষক, ঘুঁশখোর কেরানী- কেন এদের ভীর এই সমাজে? কারন এদের সামাজিক দায়বদ্ধতা নেই। কেন নেই ? কি করে থাকবে? কারন সমাজের প্রান্তিক লোকেদের, খেটে খেওয়া লোকেদের বাবুশ্রেনীত "মানুষ" বলেই মনে করে না। করলে এই ধরনের জোক্স কখনোই এত জনপ্রিয় হতে পারে না।
  • সিকি | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ০৯:০৯371679
  • লেখাটায় হার্ভার্ড অবধি আছে, একটুর জন্যে আইআইটি মিসিং। একশোয় সাড়ে আটানব্বুই।
  • aka | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:২৯371690
  • আর একটু ভাবুন - তেলেভাজা বেচে যারা জীবন যাপন করছেন কটাক্ষ বোধহয় তাদের নয়, যারা এই আনর্গনাইজড সেক্টরকে প্রপার এমপ্লয়মেন্ট বলছে বা বলতে চাইছে তাদের।
  • Hmm | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ১০:৩৭371701
  • তো আপনারা কেউ উৎসাহ নিয়ে কেফসি২ (কলকাতা ফ্রায়েড চপ) ব্রান্ড খুলে ফেলুন, অর্গানাইসড সেক্টর হয়ে যাবে ঃ)
  • sm | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:০৯371712
  • কলকাতায় অলরেডি qfc (কোয়ালিটি ফ্রায়েড চিকেন),sfc (সাদার্ন ফ্রায়েড চিকেন), অনেক ব্রাঞ্চ খুলে গেছে।
    এনিওয়ে, kfc মানে কলকাতা ফ্রায়েড চিকেন ই হয়। সাহেব রা খালি নামটা চুরি করেছে।
  • lcm | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৩:৩১371723
  • "... যদিও এটা আমরা সবাই জানি, প্রতিটা শহর এবং মফঃশহরের সফল তেলেভাজার দোকানদারদের উপায় বেশ ভালো।..."

    এই বেসিক জায়গাটাই ভুল। আলু সেদ্ধ করে চটকে মেখে ছোট ছোট চাকতি করে বেসনে ডুবিয়ে, বা বেগুন ফালি ফালি করে কেটে বেসনে ডুবিয়ে, বা পেঁয়াজের ফালি বেসনে মেখে তেলে ভেজে সেই জিনিস বিক্রি করে লাভ হয় ঠিক, কিন্তু "বেশ ভালো" আয় হয় না। উনুন/কয়লা/গ্যাস, তেল, আলু/বেগুন/পেঁয়াজ, ঠোঙা থেকে শুরু করে অস্থায়ী দোকানের জায়গাটুকুর জন্য তোলাবাজদের চাঁদা, অবিক্রিত খাবার ফেলে দেওয়া (বা ভিখিরিকে দিয়ে দেওয়া), এবং অপেক্ষাকৃত নিম্ন আয়ের কাস্টমার বেস-এর জন্য দাম বেশি বাড়ানো যাবে না - - এ সবের পরে দৈনিক বিক্রির যা পরে থাকে তাকে "বেশ ভালো" আয় বলা যায় না। গতবছর কলকাতা ট্রিপে গিয়ে মফঃস্বলের ট্রেন স্টেশনে তেলেভাজার দোকান দিয়েছিলেন এমন একজনের সঙ্গে কথা হয়েছিল। ফাইন্যন্সিয়ালি এক্সট্রিমলি ডিফিকাল্ট। আর, এই দিয়ে শুরু করে, আস্তে আস্তে বাড়িয়ে, পরে নিজেই রেঁস্তোরার মালিক হয়ে "বেশ ভালো" আয় করেছেন, এমন নেই তা নয়, কিন্তু খুব খুব কম।

    যদি সত্যিই তেলেভাজা বিক্রি করে বেসরকারি/সরকারি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর থেকে বেশি আয় (আনুসঙ্গিক সুযোগসুবিধে সহ) হত তাহলে অনেকেই শুরু করত। যেমন, এখন অনেক বাঙালি গ্র্যাজুয়েট ছেলেরা অটো চালায়।
  • de | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:০০371732
  • তেলেভাজা, পকোড়া দুইই ডিপ ফ্রায়েড খাবার - অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর - খাবেন্না, দোকানও দেবেন্না - স্বাস্থ্যকর জিনিসের দোকান দিন -
  • sm | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৪:৪৩371733
  • বিপ, আবার বুঝতে ভুল করেছে। চিদু বাবু, পকড়া ভাজনে ওয়ালা কে কর্ম সংস্থান এর তালিকা ভুক্ত করতে নারাজ। এরা সেলফ এম্প্লয়েড পার্সন। যা করেছে, নিজের চেষ্টায়। সরকারের দয়ায় নয়।
    ভিখিরির সঙ্গে তুলনা আসছে কারণ, ভিখিরির জন্যও সরকার কিছুই করেনি। এদের ও কাস্টমার বেশ আছে।
    এ প্রসঙ্গে ইউনুস সাহেব এর একটা ইন্টার ভিউ মনে পড়ে গেল।
    উনি বললেন, যখন মাইক্রো ফিন্যান্স স্টার্ট করেছিলাম, সব্বাই বলেছিল ভরাডুবি হবে। কারণ লোন ফেরত পাবার আশা খুব কম।
    উনি প্রথমে জনা পঞ্চাশ ভিখিরি কে বাঁচেন লোনের ক্যান্ডিডেট হিসাবে। ভিখিরির জন্য লোন, তাও আবার হয়! ইনফ্যাক্ট ভিখিরি রা নিজেরাও বুঝতে পারেনি। উনি প্রত্যেক কে দু এক হাজার টাকা দিয়ে বলেন; এবার থেকে ভিক্ষায় যাবার সময় ওই টাকায় কিছু কলা, বা বাচ্চা দের খেলনা বা চিপস্ কিনতে নিয়ে যাবেন।
    যদি কেউ ভিক্ষা না দিতে চায়, তাদের বলবেন অন্তত দুটি কলা কিনে নিয়ে যান বা বাচ্চা দের জন্য একটি খেলনা। ব্যাপার টা দারুন ক্লিক করে, মা বাবা না নিতে চাইলেও বাচ্চা জিদ ধরে, কলা বা চিপস বা খেলনা কেনার জন্য।
    ভিখারী রা লোন ফেরত দেয়।
    ওনার বক্তব্য অনুযায়ী, এতে করে ভিখারীর ডিগনিটি বাড়লো। কর্ম সংস্থান হল।
    টিচার বা ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার দের চেয়েও বড় ক্ষত হল শিল্প পতি। যারা বেমালুম লক্ষ কোটি টাকা জাস্ট ঝেড়ে দিচ্ছে। কিছু উঠতি শিল্প পতি, বিজনেস সামিট দেখলেই মাছির মতো ভন ভন করছে।
    সরকার জমি দিলে ঝেড়ে দেবে, ব্যাংক লোন দিলেই হজম করে দেবে।
  • aka | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৬:২০371734
  • এসএম, এটা কি সঠিক? যদ্দুর মনে পড়ছে ইউনুস প্রথম লোন দিয়েছিলেন কিছু মহিলাকে।
  • ms | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৮:১৫371669
  • তেলেভাজা সম্পর্কে আমাদের একনিষ্ঠ মুলো কি বলে?
  • sm | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ১৯:১৭371670
  • এটা ইউনুস নিজেই বলেছেন। ওনার টার্গেটে গ্রুপে প্রান্তিক মহিলারাও ছিলেন।মহিলা দের বেশি প্রেফারেন্স দিয়েছে। কারণ ওনার মতে মহিলারা বেশি দায়িত্ব শীল, কর্মদ্যোগী, হিসাবী ও ঋণ ফেরৎ দিতে বেশি আগ্রহী।
  • S | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২০:২৮371671
  • সিরিয়াসলি? এখন তেলেভাজা শিল্পে অনেক লাভ আছে এই ঢপটাও মানতে হবে কারণ দিদি সেটা বলেছেন বলে? দিদ বলেছিলেন চপের দোকান দিয়ে লোকে তিনতলা বাড়ি করছে। তা দিদির ভাইয়েদের সে সম্বন্ধে কি মত?

    অত লো ভ্যালুর আর অত লো ভলিউমের প্রডাক্টে কখনো দারুন লাভ হতে পারে? এই সাধারণ নলেজ না নিয়ে ব্যবসা নিয়ে লেখে কি করে এক্জন কে জানে?

    একটা চপের কত দাম? কতগুলো চপ আপনি এক সন্ধেয় খেতে পারেন/খান? কত লোক এখন চপ খান? স্বাস্থ্যের কারণে সেটা বাড়ছে না কমছে? চপের দোকানের ডাইরেক্ট কম্পিটিটর কারা? লোকের আয় বাড়লে লোকে লো ভ্যালুর প্রডাক্ট চপ খাবে নাকি হাই ভ্যালুর খাবার মিষ্টি/চিকেন ফ্রাই/চিপস/রোল/মোমো ইত্যাদি খাবে? বা রেস্তোরাঁগুলোয় যাবে? কোনও বড় চপের দোকান দেখেছেন শহরে? কটা দেখেছেন? কেন এতো কম? রেস্তোরাঁ এতো বাড়ছে কেন রাজ্য জুড়ে? চপের দোকান কমছে কেন? দোকানের ভাড়া বাড়ছে না কমছে? এইরকম পরিস্থিতিতে চপের দোকান দেওয়া সম্ভব? অস্থায়ী দোকানের সংখ্যা বাড়ছে না কমছে? কেন কমছে?

    চপের দোকান দেওয়ার মধ্যে খারাপ কিছু নাই। কিন্তু চপের দোকান দেওয়া এখন একটা লস মেকিঙ্গ প্রোপোজিশন। সেটা না বুঝলে কোলকাতাকে ডিজনিল্যান্ডই মনে হবে।
  • Ekak | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২০:৫৬371672
  • এই তো রোব্বার চপমুড়ি খেলুম।সত্তোর টাকা পোড়ল। ১৫ টাকা করে আলুর চপ আর মুড়ি এক ঠোঙ্গা পড়লো ২৫ টাকা।
  • S | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:০১371673
  • ১৫ টাকা করে একটা আলুর চপ?
  • Ekak | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:০৬371674
  • হ্যা, কোলকাতার মত দাম নিলে ব্যাবসা উঠে যাবে তো !
  • S | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:০৭371675
  • কোথায় খেলেন?
  • de | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:০৭371676
  • এখেনে পুজোগন্ডায় স্টল দেয় - কুড়ি-পঁচিশ টাকা পার পিস!
  • S | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:১০371677
  • বুঝলাম না। বাংলার বাইরে কোথায় কত বেশি দাম চায়, তা দিয়ে ঠিক কি প্রমাণ করা চেস্টা করা হচ্ছে?
  • Ekak | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:১০371678
  • লুরু তে। জেপি নগর। ১৫ টাকা এখানে বেস প্রাইস। সিঙ্গারা হোক বা চপ। এর চে বেশি ও নেয়।
  • de | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:১২371680
  • কলকাতায় এ'রম দাম নিলে তবেই চপেদ্দোকানে লাভ হবে - ওইজন্যই লিখলাম-
  • S | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:১২371681
  • কেরকম বিক্রি হয়? ২০ টা দোকান চলবে লুরুতে?
  • S | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:১৭371682
  • কোলকাতায় ওরকম দাম নিলে চপের দোকান চলবে না। আপনাদের শহরে কতজন ঐ চপের দোকান থেকে খান? কটা চপের দোকান আছে? আর কেন আপনি বেশি দাম দেন? কোলকাতায় খেলেই তো পারেন? যখনই ইচ্ছে হবে তখনই কোলকাতায় এসে সস্তায় খেয়ে নেবেন। সেটা পারেন না বলেই ওখানে প্রিমিয়াম প্রাইসিঙ্গ চলে।

    আম্রিগায় ট্রাক ড্রাইভাররা বছরে এক লাখ ডলারের আশে পাশে আয় করেন। ভারতে সেরকম চার্জ করলেই তো পারে। তাহলেই সব ট্রাক ড্রাইভাররা বড়লোক হয়ে যায়। আপনাদের যুক্তিগুলো অনেকটা সেরকম।

    পড়াশুনা জানা লোকজন শুধু রাজনীতির কারণে হঠাত এমন বোকা হয়ে গেলে সত্যিই বিরক্ত লাগে।
  • Ekak | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:১৮371683
  • প্রমান কিছুই না। দাম বাড়ালে সাস্টেইন করানো যায়। তবে ওভার অল প্যাকেজিঙ্গ এ অনেক প্রব্লেম আছে বাঙ্গালিদের, সেটা ঠিক করা জরুরি। একসময় হল্দিরাম যখোন ফুচকা নিয়ে আসে লোকে বলেছিলো চলবেনা। রমরম করে চলছে।

    খদ্দের এর এস সাচ স্বাস্থসচেতনতা বলে কিছু এক্সিস্ট করে না। ওপোর ওপোর কিছু জিনিশ দেখে হাইজিন ঠিক করে লোকে। ওগুলো ঠিক করে। ঐ জিনিশ গুলো ঠিক রাখ্তে হয়।
  • S | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:২০371684
  • "দাম বাড়ালে সাস্টেইন করানো যায়। "

    কি করে, একটু বুঝিয়ে দিন।
  • lcm | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:২১371685
  • ২০১৬-তে হাতিবাগানে খেয়েছিলাম বেগুনি ৩ টাকা পিস (যদ্দুর মনে পড়ছে)। অন্য জায়গায় কোথাও ১৫, কোথাও ২০ হতেই পারে। এক কাপ চা-ও কোথাও ২০ টাকা, কোথাও ২ টাকা। শ্যামবাজার ফুটপাথে ৩ টাকা। ট্রেন ধরে লক্ষ্মীকান্তপুর গেলে হয়ত দেড় টাকা বা দুটাকা।
  • S | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:২৫371686
  • হ্যাঁ কেন বলুন তো কোথাও ২০ টাকা কোথাও ৫ টাকা কোথাও হয়তো ২ টাকা? একবারও ভেবে দেখেছেন, কেন? কটা দোকানের ২০ টাকা, কটা দোকানে ৫ টাকা?

    সব দোকানে যদি ২০টাকা করে চায়ের দাম চায়, তাহলে কজন বাইরে চা খাবেন? কেন সব দোকানদাররা হঠাত একদিন জিনিসের দাম ১০ গুন করে দেন না? তাহলে তো মাসে মোটে তিনদিন দোকান খোলা রাখলেই হয়।

    বা এয়ার ইন্ডিয়া আর অন্যান্য এয়ারলাইন্স গুলো দাম কয়েক গুন বাড়িয়ে দেয়্না? তাহলেই তো সব কোম্পানিগুলো প্রফিটে চলে। কেন বলুন তো? আপনার মতন বুদ্ধিমান লোক নেই ওদের?
  • S | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:২৭371687
  • একজন তেলেভাজা বিক্রেতা তিন টাকায় বেগুনি বিক্রি করছেন এবং আয় কম হচ্ছে? কেন তিনি দাম বাড়িয়ে ৩০ টাকা করছেন না। তাহলেই তো আয় বেড়ে যায়। কেন বাড়ায় না?
  • S | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:২৮371688
  • লসাগুদা আপনিও? আপনিই তো লিখেছিলেন কেন তেলেভাজা শিল্প লাভজনক নয়।
  • lcm | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:৩০371689
  • সে তো ঐ ভদ্রলোক বলছিলেন। উনি সামান্য দাম বাড়িয়েছিলেন। কিন্তু বিক্রি কমে গেল। অনেকে গালাগাল দিল।
  • lcm | ৩১ জানুয়ারি ২০১৮ ২১:৩১371691
  • আমি বলছি যে, দামের হেরফের তো অন্য কারণে।
    এইমাত্র আমার আফিসের কলিগকে জিগ্গেস করলাম, সে বলল বাজে কথা, ও ব্যাঙ্গালোরে রাস্তার ধারে ঝুপড়িতে পাকোড়া খেয়েছে ৫ টাকা করে। তবে সেখানে জেনারেলি ডেইলি লেবাররা খায়।
    তাহলে এবার বোঝো!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন