এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ভারতীয় হকি: কয়েকটা কথা

    b
    অন্যান্য | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ | ৩০০২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ২২:৩৪398791
  • এই খবরটা আপনারা জানেন কি না, বলতে পারবো না। ১লা মার্চ থেকে, চিলির সান্টিয়াগোতে শুরু হচ্ছে অলিম্পিক কোয়ালিফায়ার। তাতে ভারত ছাড়াও আছে ব্রিটেন, রাশিয়া, মেক্সিকো, অস্ট্রিয়া এবং অবশ্যই চিলি।শুধু একটা টিম যাবে অলিম্পিকে। ভারত না জিতলে, এই প্রথম অলিম্পিক গেম্‌স এ ভারতীয় দল খেলবে না।
    অবশ্য এই গল্পটা ঠিক আজকের নয়। ১৯২৮ থেকে ১৯৫৬ অবধি টানা সোনা জিতেছে টিম, তারপরে রূপো, ব্রোঞ্জ, শেষ সোনা ১৯৮০-র ফুটিফাটা মস্কো অলিম্পিক। প্রথম (ও শেষবার) বিশ্বকাপ জেতা ১৯৭৫-এ,কুয়ালালামপুরে। কুলোকে বলে, ঘাসের মাঠে খেলা হয়েছিল বলে। তারপর থেকে এশিয়ান হকি-র powerhouse এই অভিধা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ১০ই ডিসেম্বর-এর ranking অনুযায়ী, ভারত নয় নম্বরে। দক্ষিণ কোরিয়া ৫। এশিয়া কাপ, চাক দে ইন্ডিয়া সঙ্কেÄও।
    আমি কয়েকটা কারণ বলতে চাই।তার মধ্যে কিছু একেবারে ব্যক্তিগত। গুরুগম্ভীর তাঙ্কিÄক আলোচনা হবে না ঠিক।
    (যাঁরা হকি নিয়ে উৎসুক তাঁরা -এ গিয়ে লাইভ রেজাল্ট দেখতে পাবেন)
  • d | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ২২:১২398802
  • কই কারণগুলো কই?
  • b | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ০১:৩৭398813
  • (বিলেত থেকে যখন প্রথম হকি এদেশে এল, তখন তা ছিলো নিতান্তই hit and run নির্ভর। উপমহাদেশে এসে এই খেলাটি একটি নতুন ডাইমেনশন পেল। passing এর বদলে এল কব্জির মোচড়, সূক্ষ কারুকাজ, এবং বিপক্ষকে ঘোল খাইয়ে দেবার মতো বল ধরে রাখার ক্ষমতা।খেলা হত মূলত: ২-৩-৫ কম্বিনেশন-এ, যাতে কয়েকদিন আগে পর্যন্ত ভারত, পাকিস্তান এবং অস্ট্রেলিয়া খেলে এসেছে (এখানে বলে রাখি, হকি শক্তি হিসেবে অস্ট্রেলিয়া-র উথ্‌থান (এই বানানটা ঘেঁটে গেলো) ৫০ এর দশকে,large scale Anglo Indian দের অভিবাসন এর পরে। এটাকিং খেলা হলে, এভাবেই সবচেয়ে সুবিধা।)
    চিত্রটা বদলে গেলো ১৯৭৬ মϾট্রয়ল অলিম্পিক থেকে। astroturf বা কৃত্রিম ঘাসের জমিতে খেলা বাধ্যতামূলক হয়ে উঠলো। তাতে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এই এলো যে, মাঠের ওপর দিয়ে বল অনেক দ্রুতগতিতে এগোতে লাগলো।ফলে কাউন্টার এটাক করে বল অনেক দ্রুতগতিতে তুলে আনা গেলো বিপক্ষের সীমানায়। দুই ব্যাক-এর সিস্টেম দিয়ে তা সামাল দেওয়া মুশকিল হয়ে পড়ল।
    ড্রিবল নির্ভর খেলা হওয়াতে, উপমহাদেশিয় হকি একটা বদভ্যাস গড়ে তুলেছিলো। টিম গেম থেকে ব্যক্তিগত নৈপুন্যের ওপোর বড্ড বেশি ঝোঁক থাকত। আজকালকার চলিত ভাষায় যাকে বলে gallery playing. অর্থাৎ বলটা হল মোটামুটি বাবার সম্পত্তি,তা স্টিক থেকে চলে গেলে (বা কাউকে পাস দিলে) প্রচন্ড অপমানের বিষয়। একবার বল পেলে, হাফ ব্যাকরাও গোল দিতে চায়। এর ফলে, বিপক্ষ দলগুলি সহজেই ডিফেন্স-এ লোক বাড়িয়ে বল কেড়ে নিতে পারে, সবাই তো আর ধ্যানচাঁদ নয়!
    অন্যদের কথা জানি না, কিন্তু আমি লাতিন আমেরিকা ঘরানার ফুটবলের সাথে উপমহাদেশীয় হকির একটা সাযুজ্য পাই।
  • b | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ০২:০০398824
  • ফুটবলের মতো, হকির কর্তাব্যক্তিরাও বিশেষ চিন্তিত থাকেন খেলার গতি ও গোলসংখ্যা বাড়ানো নিয়ে।অনেকগুলি নিয়ম তো চোখের সামনেই পরিবর্তিত হল। জানতাম, কখোনো বল নিয়ে নিজের গোলের দিকে মুখ করে বিপক্ষকে আটকানো যাবে না, obstruction ফাউল হবে।অথচ টিভিতে দেখছি এ বিষয়ে আম্পায়াররা অনেক সহনশীল। বছর দুয়েক আগে off side ও উঠিয়ে দেয়া হায়েছে। যত ফাউলের নিয়ম শিথিল হবে, তত খেলার গতি বাড়বে।যত গতি বাড়বে, ততই ইউরোপীয়দের সুবিধা।
    ১৯৯০ এর দশকে পেনাল্টি কর্নার সংক্রান্ত আরেকটা পরিবর্তন এলো। আগে, পেনাল্টি কর্নার থেকে মারতে হলে, হিট ( অনেকটা ক্রিকেট এর স্ট্রেট ড্রাইভের মতো) ছাড়া উপায় ছিলো না, তাও সেই হিট মাটি থেকে বেশি উঁচুতে উঠতে পারবে না। অন্য সব মার,যথা পুশ (স্টিক মাটি থেকে না উঠিয়ে জোরে ঠেলা) কিম্বা স্কুপ (নামেতেই পরিষ্কার, চামচে তোলা শট, বল যাবে উঁচু হয়ে)-এর জোর এতো বেশি ছিলো না যে তাতে গোল হবে।
    দেখা গেল, বর্মচর্মধারী গোলকিপারদের হিট দিয়ে খুব একটা কাবু করা যাচ্ছে না। স্রেফ বল এর লাইন আন্দাজ করে শুয়ে পড়লেই ৭০% কাজ শেষ (হকির গোল অনেক ছোট হয়, দেখেছেন নিশ্চই)।
  • Arijit | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ০২:৫৪398835
  • বা: অনেকদিন পর আরেকজন হকি এনথুসিয়াস্ট দেখে বহুত ভালো লাগলো।
  • b | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ১৬:০০398846
  • ফেডারেশনের কর্তাব্যক্তিরা 'ড্র্যাগ ফ্লিক' নামে একটি নতুন স্ট্রোক অনুমোদন করলেন। ব্যপারটা লিখে বোঝানো শক্ত। এ এমনই মার, যা পুশের মতো মারা হয়,বলটা উঠে যায় স্কুপের মতো, অথচ তাতে থাকে প্রচন্ড গতি। বলের লাইন আন্দাজ করতে পারলেও গোলকিপার এর কিছুই করার থাকে না। আর ডিফেন্ডার-রা আটকাবে? কোনোদিন শুনেছেন যে শচিনের নিখুঁত পুল ফরোয়ার্ড শর্ট লেগের ফিল্ডার ধরে ফেলেছে?
    এর ফলে দুটো জিনিস হল:

    (১) পেনাল্টি কর্নার মানেই প্রায় অবধারিত গোল হয়ে দাঁড়ালো, আর
    (২) শুধু 'ড্র্যাগ ফ্লিক'-এ স্পেশালিস্ট এক দল খেলোয়াড় দেখা দিলেন।

    হল্যান্ডের টিক টিকেমা, পাকিস্তানের সোহেল আব্বাস, ব্রিটেনের কালুম গিলস এরা সবাই এই ধরনের খেলোয়াড় (সোহেল এমনি হিসেবে যথেষ্ট খাজা )। যুগরাজ এবং সন্দীপ, ভারতের দুই ড্র্যাগ ফ্লিকার, ঐ পর্য্যায়ে পৌঁছন নি।
  • Arijit | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ২০:৪২398857
  • আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করতাম - যতদূর মনে পড়ছে নিয়ম অনুযায়ী পেনাল্টি কর্নার থেকে বলটাকে ডেড স্টপ করে তারপরেই হিট করা যায় - এই ডেড স্টপ করাতে ভারতীয় টীম বেশ পিছিয়ে পড়তো। ক্লিন হিট বেশ কমই দেখতাম।
  • | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ২১:১৯398859
  • টীমগেমের তুলনায় ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের ওপরে বেশী জোর দেওয়া শুধু হকি কেন, ভারতীয় উপমহাদেশের অন্য খেলাগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
  • সিঁফো | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ২১:৫২398860
  • এই লেখাটা ভালো লাগছে। যদিও হকির কিসু বুঝিনা।
  • cephren | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ০২:২৭398792
  • না ভাই, তাহলে আপনি লাতিন ফুটবল দেখেননি।
    লাতিন ঘরানা তে ড্রিবলের সংগে আছে প্রচুর ছোতো ছোতো পাস
    মারাদোনার আমলেও প্রচুর পাস ছিলো।

    তবে হকি নিয়ে যেট বলেছেন ঠিকই। astro হওয়ার সংগে সংগে স্কিল টা হারিয়ে যেতে লাগলো।
    তারপর ঐ পেনাল্টি কর্ণার, সেটা তো সেরকম আমর কোনদিনি রপ্ত করতে পারলাম ন। আগে ছিল বুল্লি, তারপর যেই পেনাল্টি কর্ণার হয়ে গেল, আমাদের জারিজুরি সেষ। মহিন্দার পাল সিং বলে একজন আশির দশকে মন্দ মারতো না।।ব্যস ঐ অবধি এ।
  • b | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ০৪:১৫398793
  • (উত্তর দেবো সবাইকে, আগে লেখাটা লিখে নি)।
    তাহলে এই একটা মজার ব্যাপার হল। off side rule তুলে দেয়ার ফলে নিজেদের অর্ধ থেকে দুই/তিন স্কুপে বিপক্ষের ব্যাকদের পিছনে বল ফেলে দেয়ার প্রবণতা বাড়ছে। যদি বিপক্ষ ডিফেন্সে লোক বাড়িয়ে এটাকে রুখবার ব্যবস্থা করে, তাহালে কোনো রকমে ২৫ গজ এর মধ্যে বল নিয়ে গিয়ে কোনো ডিফেন্ডারের পায়ে বলটা লাগিয়ে দিতে পারলেই ফাউল এবং পেনাল্টি কর্নার। যদিও রুল বুকে লেখা আছে The player only commits an offence if they voluntarily use their hand, foot or body to play the ball or if they position themselves with the intention of stopping the ball in this way, তবুও আম্পায়াররা সচরাচর ঝুঁকি নিতে চান না।
    মোট কথা, খেলা তৈরি-র কথা ভুলে যান। হকি আবার পুরোনো hit and run
  • b | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ০৪:২০398794
  • cephren, আমর বলার উদ্দেশ্য ছিলো যে, লাতিন আমেরিকার নির্ভেজাল ফুটবল (প্রাণের আরাম এবং আত্মার শান্তি)-এর যুগ এখন চলে গেছে। ব্রাজিল অবধি ইউরোপীয় ধাঁচে খেলছে।সেটাই হয়ত স্বাভাবিক।
  • b | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ০৪:৩৮398795
  • পাকিস্তানি হকি কিন্তু বহুদিন তার স্বাতন্ত্র্য রেখেছিলো। ১৯৮৪ অলিম্পিক,১৯৭৮,৮০ এবং ৯৪ তে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (যা বিশ্বের ৬ টি top ranking দেশের মধ্যে হয়), ৯৪ তে বিশ্বকাপ, ১৯৯০ বিশ্বকাপ রানার্স ইত্যাদি।আমার মানে হয় দুটো কারণ। এক, পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের ফিজিক্যাল স্ট্যামিনা (যত উত্তর পশ্চিমে যাবেন, তত লম্বা লোক দেখবেন, স্মরণ করুন। তবে এই যুক্তিটা কতখানি ভালো আমার সন্দেহ আছে) বেশি, তাই কিছুটা হলেও ইউরোপীয়দের সাথে টক্কর দিতে পেরেছিলো, এবং (২) হাসান সর্দার,শাহ্‌বাজ সিনিয়র ইত্যাদির অতুলনীয় স্কিল। অবশ্য তার পর থেকে সেরকম সাফল্য নেই।
  • b | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ০৫:০৯398796
  • এবারে একটু স্মৃতি রোমন্থন করা যাক।
    একটি জেলা সদরে অনেকগুলি দিন কাটিয়েছি। ক্রিকেট হত অক্টোবর থেকে মার্চ, ফুটবলের দিন ছিলো মে থেকে। মাঝে মাস খানেকের জন্যে ময়দানে হকির গোল এবং জাল পড়ত। আমাদের পাড়ায় দুর্গাপুজোর পর থেকে মে মাস অবধি টানা হকি-ই চলত। বহু দাদা কলকাতার দ্বিতীয়/তৃতীয় ডিভিশনে খেলতেন। অবশ্য পাড়ার গর্ব ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের তদানীন্তন ক্যাপ্টেন।
    মাঠ? একেবারে ন্যাচারাল টার্ফ। ঘাসের বালাইটুকুও ছিলো না।
    হকির রীতিনীতি সব আমরা শিখতাম দাদাদের কাছ থেকে। এবং আধুনিক রুলগুলো যতদিন না কলকাতা মাঠের ২/৩ ডিভিশনে না আসছে, ততদিন আমাদের-ও শেখা হয়ে উঠতো না। হয়তো তদ্দিনে সেই নিয়মটা একেবারে পরিবর্তিত হয়ে গেছে। অনেকটা অজয় বসুর ধারাবিবরনীর মত ছিলো কেসটা। একটা উদাহরণ আগেই দিয়েছি, obstruction এর নিয়ম।ফলে, খুব ভালো খেলোয়াড়দের-ও, গোড়ায় একটা গলদ থেকেই যেত।
    সেদিন এদেশে একটা হকি ক্লাবের প্র্যাকটিস দেখতে গেছিলাম। ৬/৭ বছরের ছেলে মেয়েরা প্রথম থেকেই astro তে খেলছে, কাঠের বদলে হাল্কা গ্রাফাইট স্টিক। আরো অদ্ভুত লাগলো, এমনকি সিনিয়রদের খেলার মধ্যেও, নিজেদের মধ্যে যথা সম্ভব কম ফাউল। (অথচ আমাদের ছোটোবেলায় শেখানো হত: বল না পাইলে, কিম্বা পাইলেও, বিপক্ষের ঠ্যাং টার্গেট করিও। এবং পাড়ার প্র্যাকটিসে-ও উপরোক্ত শিক্ষা বহুলভাবে প্রযোজিত হত।) পরে ভাবলাম, এটাই স্বাভাবিক। কারণ ফাউল করা মানেই তো বিপক্ষকে বল দিয়ে দেয়া।
    একটা সংযোজন করি: ২০০৫-এ বাড়ি গিয়ে জানতে পারলাম, মাঠে খেলা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে।অথচ, বছর কুড়ি আগেও দু ডিভিশনে খেলা হত।
  • | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ১৩:০২398797
  • এইটা ভালো হচ্ছে।
  • arjo | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ১৯:২৩398798
  • ভালো লাগছে। আচ্ছ বলুন দেখি শাহবাজ আহমেদ না খান? কিছুতেই মনে করতে পারছি না। সাঙ্ঘাতিক প্লেয়ার। আমার দেখা মনে হয় সেরা প্লেয়ার। এছাড়াও ভালো লেগেছিল মহ: শইদের খেলা। অবশ্যই ব্যক্তিগত স্কিল ভালো লাগত।
  • b | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৮ ২০:২৮398800
  • cephren, দেখছি যে পেনাল্টি কর্নার আছে ১৯০৮ সাল থেকে, আর বুলি-র বদলে এসেছে পেনাল্টি স্ট্রোক। আপনি কি অন্য কিছু বোঝাতে চাইছিলেন?
  • b | ১০ মার্চ ২০০৮ ১৩:৫৯398801
  • ভারত পারলো না যোগ্যতা অর্জন করতে। এই প্রথম। অবিশ্যি কি বা আসে যায়?
  • d | ১০ মার্চ ২০০৮ ১৪:১২398803
  • তা বটে। লোকে হামলে পড়ে "চক দে ...' দেখে আসে। কিন্তু আসল খেলাটায় ....
  • Arijit | ১০ মার্চ ২০০৮ ১৪:৪৯398804
  • কিন্তু কাদের আঠারো গোল দিলো যে? তারপরেও?
  • Arijit | ১০ মার্চ ২০০৮ ১৫:১৪398805
  • আবাপ-তে এই কোয়ালিফায়ার নিয়ে আধ পাতা লেখা দেখলাম। বিবিসি-তে স্পোর্টস সেকশনে হকি খুঁজতে ঘাম ছুটে যাবার অবস্থা - সেখান থেকে রেজাল্ট দেখলাম। পয়েন্ট হল এই অলিম্পিকে যে দেশগুলো যাচ্ছে, তাদের অনেকগুলোতেই হকি নিয়ে আগ্রহটা বেশ কম। এবং এটা একটু অদ্ভুত লাগলো। হকি তাহলে শুধু ভারতে ডায়িং নয়, প্রায় সব জায়গাতেই কি?
  • b | ১০ মার্চ ২০০৮ ১৫:৫৪398806
  • এবারে selection procedure আলাদা ছিলো। গতো কয়েকবার qualifier-এ প্রথম ৫ টিমের মধ্যে থাকলেই হত। এবার champion-ই শুধু যাবে।
    অস্ট্রেলিয়ান হকি-র প্রবাদপুরুষ রিক চার্লস ওয়ার্থকে, TD করে নিয়ে আসা হয়েছিল। তিনি এখনো ভারতে বসে মাছি মারছেন, যেতে দেয়া হয় নি।
    রোহিত ব্রিজনাথের এই লেখাটা পড়ুন:
    http://www.hinduonnet.com/thehindu/2006/12/14/stories/2006121407782000.htm
  • Arijit | ১০ মার্চ ২০০৮ ১৬:০১398807
  • ভালো লেখা।
  • d | ১১ মার্চ ২০০৮ ১৩:২১398808
  • হ্যাঁ এই লেখাটা ভাল।
    আজকে আবাপ, আজকালে বড় করে কভার করেছে।
  • Arijit | ১১ মার্চ ২০০৮ ১৫:০৪398809
  • লিখেছে, কিন্তু মিডিয়ার এই লজ্জা-টজ্জার মেয়াদ বড়জোর তিনদিন। তারপর যে কে সেই। অ্যাস্ট্রোটার্ফের মাঠও তৈরী হবে না, ভালো ফিটনেস স্যুটও হবে না। কিসুই হবে না। ভারতে বছর দশেক সমস্ত খেলাধুলা বন্ধ রেখে যা উন্নতি করবার করে নিয়ে, যতগুলো ট্যাঙ্ক-মিসাইল বানানোর বানিয়ে নিয়ে, তারপর আবার শুরু করলে পারে।
  • b | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ২২:৩৭398810
  • ইয়ে, বেশ হল। তবে না জিতলেই আশ্চর্য্য হতাম। দেশের মাটিতে খেলা, অন্য সব টিম র‌্যাংকিং-এ নিচে, ভারতের সব খেলাগুলি রাত আটটা থেকে শুরু। ফাইনালে উঠবেই সে বিষয়ে নিশ্চিত ছিলাম।

    স্কোর যাই বলুক, ফাইন্যাল খেলাটা কিন্তু অতো সহজ হয় নি। অলিম্পিক-এ কি রকম করবে জানি না,তবে একটা সময় পর পর পেনাল্টি কর্নার হজম করেও গোল খায় নি (স্কোর তখন ৩-১)। অন্য দেশ ছেড়ে দেবে না। যাক গে, সব ভালো যার এটসেটরা।

    তেন্ডুলকারের অদেখা সেঞ্চুরী/ অস্ট্রেলিয়ান মাটিতে রীতিমতন ক্যালকুলেশন করে ছড়ানো এসব কারণে মিডিয়াও বেশ উচ্ছ্বসিত।
  • gandhi | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০০:৫৩398811
  • পেনাল্টি কর্নার গুলো আগের থেকে অনেক ভালো ইউটিলাইজ করেছে ... ফাইনাল ২ন্দ হাফ আর আগের দুটো ম্যাছ দেখেছি... সব দেখিনি ..

    ঐসব ল্যাদখোর ক্রিকেট খেলার ন্যাকাম বাদ দিয়ে হকিতে মন দিলে ভালো হত বোধয় ইন্ডিয়ার ...
  • aranya | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ০৫:৪৬398812
  • বড় আনন্দ পেলাম, আট বছর পর ভারত অলিম্পিকে যেতে পারায়। ভাবছিলাম আনন্দ-টা কোথায় শেয়ার করি, নতুন টই খুলতে ইচ্ছে করে না, গুরু খুলেই দেখি হকি নিয়েও টই রয়েছে অলরেডি, দারুণ ব্যাপার! লন্ডন অবশ্য অনেক কঠিন ঠাঁই - দেখা যাক কেমন খেলে।
    ক্রিকেটের চেয়ে ফুটবল আর হকি অনেক বেশি ভাল লাগার, অনেক প্রিয় খেলা। ফুটবলে তো এখনও বহু যোজন দূরত্ব পেরোতে হবে, সে দূরত্ব পেরোনোর কোনও চেষ্টাও নেই, ফেডারেশনের তরফ থেকে। হকি ফেডারেশনেও প্রচুর ঝামেলা চলছিল, তা সত্বেও যে টিমটা এত ভাল খেলছে, সাবাস দিতেই হয়।
  • dukhe | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১২ ১০:০৮398814
  • এইবার গুরুর হকি টিমটা হয়ে যাক। আমাদের ইস্কুলে খেলা হত। আমি অবশ্য তেমন সুবিধে করতে প্রতাম না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন