এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  গান

  • দামিনীর গান

    r
    গান | ১২ ডিসেম্বর ২০০৮ | ২৯৭৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • r | ১২ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৮:৩৪404042
  • বললেই শঙ্খ ঘোষের লেখা বইটার কথা মনে পড়ে। কিন্তু এখানে দামিনীর গান মানে গানই। "চতুরঙ্গের" গানের সিডিটা হাতে পাওয়া মাত্র এই নামটা ছাড়া কিছু মনে পড়ল না।

    আগেই স্বীকার করে নেওয়া ভালো সিনেমাটা আমি দেখিই নি। ;-)

    চলচ্চিত্রের গান সঙ্গীত পরিচালকের সাঙ্গীতিক মুন্সিয়ানার থেকে পরিচালকের সার্বিক বোধের উপর অনেক বেশি নির্ভর করে। কারণ চলচ্চিত্র পরিচালকের সন্তান। তাই সত্যজিৎ রবিশঙ্কর, বিলায়েত এবং আলি আকবরের মত দিক্‌পাল ওস্তাদদের হাতেও নিজের চলচ্চিত্রের সাঙ্গীতিক মাত্রাকে সুরক্ষিত বলে মনে করেন নি। নিজের হাতেই ব্যাটন তুলে নিয়েছিলেন। চলচ্ছবি বাদ দিয়ে সিনেমার গানের অনুভব অসম্পূর্ণ।

    কিন্তু সিনেমার গানকে সিনেমার অনুষঙ্গ বাদ দিয়ে স্রেফ গান বলে ভাবা যায় না তাও নয়। বাংলা বা হিন্দি কমার্শিয়াল সিনেমার গান ছেড়েই দিলাম। ঋত্বিকের বা সত্যজিতের সিনেমার বহু গান স্রেফ স্বয়ংসম্পূর্ণ গান হিসেবেই শোনা যায়, ভিসুয়ালের অতিরিক্ত ঠেকার দরকার পড়ে না। তবে অবশ্যই এই অভিযোগ করা যাবে না- আপনার ছবির গান স্বয়ংসম্পূর্ণ গান হল না কেন? প্রসঙ্গের থেকে বাদ দিয়ে দেখলে অনেক কিছুই স্বয়ংসম্পূর্ণ নাই ঠেকতে পারে। স্বয়ংসম্পূর্ণতার এই অভাব সঙ্গীত পরিচালক, বা পরিচালকের সাঙ্গীতিক অক্ষমতার পরিচয় নয়।

    সাম্প্রতিক সিরিয়াস বাংলা সিনেমার মধ্যে "চতুরঙ্গ" মনে হয় সবথেকে সঙ্গীতবহুল। দেবজ্যোতি মিশ্রের সঙ্গীত পরিচালনায় ষোলোটি(?) সম্পূর্ণ গান রাখা হয়েছে। গানের বৈচিত্র লক্ষণীয়-কীর্তন, রবীন্দ্রসঙ্গীত, বাউল, সুফি, গাজন ও খেউড়। শতাংশের হিসেবে কীর্তন সর্বাধিক। দুটি সুফি গান ছাড়া বাকি গানগুলি বিশুদ্ধ বাঙালী ঐতিহ্যের অনুসারী।
  • sinfaut | ১২ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৮:৪৭404053
  • এই সিডি খানা আমার কম্পুতে চলছেই না। :-((
  • I | ১২ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:১২404064
  • বা:, সিডি বেরিয়েছে?
    সুমন সম্ভবত: "চতুরঙ্গ : একটি মিউজিক্যাল' এইরকম কিছু ভেবেছেন। কিন্তু আমার যে খালি মনে হত চতুরঙ্গের মত এমন লিরিকবিহীন গদ্য রবীন্দ্রনাথ আর লেখেন নি ! কোথাও যেন কোনো গান হয় না, হয়ই না, যদি না তারা কেবলমাত্র আশপাশের শব্দ হিসেবে আসে,করতালি দিয়ে জনতা যেমন করে পথ করে দেয় মঞ্চের মানুষের জন্য । এই এক লেখা যার চোখে চোখ রেখে তাকালে শুধু মনে হয়, চারিদিকে শূন্য বালি রাত্রিবেলাকার বাঘের চোখের মত ঝকঝক করছে। দিনান্তের তপ্ত দীর্ঘশ্বাস; না তা-ও নয়,আরো শুকনো, আরো নিজল। যেন ভবিষ্যতের খর জীবনানন্দের জন্য বালি ও কাঁটা বিছিয়ে পৌষরাতের বিছানা পাতছেন প্রৌঢ় মাল্যবান, বয়স যখন তাঁর ৫২, মাথার নুন-মরিচ চুলে ঘুঘুর ছিন্ন বাসা।

    কেবল ঐ শেষের লাইনটুকু বাদ দিয়ে :

    যেদিন মাঘের পূর্ণিমা ফাল্গুনে পড়িল, জোয়ারের ভরা অশ্রুর বেদনায় সমস্ত সমুদ্র ফুলিয়া উঠিতে লাগিল, সেদিন দামিনী আমার পায়ের ধুলা লইয়া বলিল, সাধ মিটিল না, জন্মান্তরে আবার যেন তোমাকে পাই।

    চতুরঙ্গের প্রতি আমি অসম্ভব পার্শিয়াল। আমি শ্রীবিলাসের সঙ্গে নিজেকে খুব আইডেন্টিফাই করতে পারি।

    তাছাড়া, চতুরঙ্গের মত এমন লিরিক্যাল লেখা তো রবীন্দ্রনাথ আর লেখেন নি।
  • I | ১২ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:৩৩404075
  • ডি: সুমন/দেবজ্যোতি ও যথাক্রমে তাঁদের সিনেমা/সঙ্গীত পরিচালনাকে কোনোরকম প্যাঁক দেওয়ার কোনো উদ্দেশ্য/ক্ষমতা নেই। সিনেমাটা আমি দেখিনি, গানগুলিও একটাও শুনিনি।
  • r | ১৩ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:৪৮404081
  • গান এবং গায়কগায়িকাদের তালিকা এইরকম:

    আল্লাহ্‌ কে নূর- শফকত আমানত আলী
    ভজ পতিত উদ্ধারণ- অরিজিৎ চক্রবর্তী
    আলো যে আজ গান করে- পরমা ব্যানার্জী
    হরি হরায়- মনোময় ভট্টাচার্য
    মৌলা তেরে বিনা- শফকত আমানত আলী
    আমার প্রাণের মাঝে- পরমা ব্যানার্জী
    রাধা মাধব- কবীর সুমন
    সময় গেলে- কার্তিক দাস বাউল
    মাটির বুকের মাঝে- কবীর সুমন
    রূপ লাগি আঁখি ঝুরে- রাঘব চ্যাটার্জী
    হর গৌরী প্রাণনাথ- দোহার
    জয় রাধে- অরিজিৎ চক্রবর্তী
    নীরদ নয়নে- শ্রীমতি শান্তা দাস
    জাগোহু বৃষভানু- বাণী কুমাঅর চ্যাটার্জী
    হেসে খেলে নাও রে- সুজন মুখার্জী

    এ ছাড়াও দুটি থিম মিউজিকের পিস আছে।

    জার্নি
    দামিনীর বিবাহ
  • Paramita | ১৩ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:১০404082
  • গানের এই স্পেকট্রাম দেখে আমার সিনেমাটা নিয়ে বেশ চিন্তা হচ্ছে।

    ডি: আমি এই ছবির গানও শুনি নাই, সিনেমাও দেখি নাই।
  • rimi | ১৩ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:২৯404083
  • একটা সিনেমায় ১৬ টা গান???
    তবে ইন্দোদাদার লেখা পড়ে চতুরঙ্গ নতুন করে পড়ার ইচ্ছে হচ্ছে। দামিনীর সঙ্গে নিজেকে আইডেন্টিফাই করতে না পারলেও চতুরঙ্গ এক সময়ে আমার ভীষণ প্রিয় উপন্যাস ছিল।
  • Paramita | ১৩ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:৩২404084
  • "কমললতা"-র কথা মনে পড়লো। সিনেমাটা যেমনই হোক্‌, গানগুলো খুব ভালো ছিল। "বল বল তব কুশল শুনি তোমার কুশলে কুশল মানি" আহা!
  • r | ১৩ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:৫৭404085
  • সাম্প্রতিক কোনো সিনেমায় সাতটা কীর্তন আছে বলে জানি না। বাংলার সিনেমার কীর্তন বললেই মনে পড়ে "নবজন্ম" বা "কমললতা"। শুধু সিনেমা কেন, বেসিক বাংলা গানেও রবীন্দ্রনাথ ও সলিল চৌধুরীর পরে কেউ এই ঐতিহ্য নিয়ে খুব একটা কাজকর্ম করেন নি। সুফি বা বাউল যখন আন্তর্জাতিক সমাদর পেয়েছে, তখন কীর্তন খোদ পশ্চিমবঙ্গেই মৃতপ্রায় ট্র্যাডিশন। তাই দেবজ্যোতি ও সুমনের সাহস আশাপ্রদ ছিল। কিন্তু গানের তালিকা দেখে যে আশা জেগেছিল, গান শুনে তার কিয়দংশও পূর্ণ হল না। কিছু অসঙ্গতি কানে বাজল। "হরি হরায়" গানটির প্রথাগত সুর পালটে দেবজ্যোতি যে নতুন সুর লাগিয়েছেন, তা কীর্তনানুগ হলেও তাতে কানের শান্তি পেলাম না। অন্যদিকে "জয় রাধে" গানটির সুর প্রথাগত রাখলেও সুরকার হিসেবে দেবজ্যোতি মিশ্রের নাম রাখা হল কেন তাও বুঝলাম না। কীর্তনের মূল গায়ক অরিজিৎ চক্রবর্তী। এত নিÖপ্রভ কেন? বরং ছবি বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাপুটে ঘরানার সুস্পষ্ট ছাপ পেলাম শ্রীমতি শান্তা দাসের গাওয়া বিদ্যাপতির "নীরদ নয়নে" পদটিতে। বাণী কুমার চ্যাটার্জীর কীর্তনও শ্রবণে স্বস্তি দেয়।
  • r | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৩:৪৪404043
  • কবীর সুমনের গলায় কীর্তন শোনা নতুন অভিজ্ঞতা। তবে "রাধা মাধব" গানে যতটা কবীর সুমন, তার থেকে বেশি পার্শ্বকন্ঠ, খুব সম্ভবত" অরিজিৎ চক্রবর্তী, এবং সমবেত ধুয়া। যদিও সি ডির ব্যাক কভার পড়লে মনে হয় শুধু কবীর সুমনেরই গাওয়া। রাঘব চট্টোপাধ্যায় সুরেতালে নিখুঁত হলেও এত রেওয়াজী গলাকেও কেন নিÖপ্রভ লাগল জানি না।
  • r | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৩:৫৪404044
  • কীর্তনের বাদ্যসঙ্গতে দেবজ্যোতি প্রথানুগ। মহিলাকন্ঠের রবীন্দ্রসঙ্গীতে দেবজ্যোতি যদিও তুমূল সিম্ফনিক। সমস্যা হল, এই সিম্ফনিক প্রিলিউড বা ইন্টারলিউড যতটা শ্রবণসুখকর, মূল গানটি ততটাই হতাশাজনক। যেহেতু "আমার প্রাণের মাঝে সুধা আছে" গানটিকে দামিনীর থিম মিউজিক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, এবং এই সুর বারবার ফিরে আসে, অতএব, শিল্পীনির্বাচনে আরও একটু সাবধানী হওয়া উচিত ছিল মনে হয়। পরমা ব্যানার্জীর কন্ঠে অন্যান্য বাংলা গান আগে শুনেছি, রবীন্দ্রসঙ্গীত এই প্রথম শুনলাম। একেবারেই মন ভরল না। বরং কবীর সুমন তাঁর প্রায় ধ্বস্ত কন্ঠ নিয়ে, পরিমিত বাদ্যসঙ্গতে "মাটির বুকের মাঝে" গানটিতে অনেক হৃদয়স্পর্শী।
  • r | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৪:১২404045
  • লোকসঙ্গীতে দোহার যথারীতি প্রাণবন্ত, কার্তিক দাস বাউল যথাযথ। সুফি গানের ব্যবহার নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন থেকে গেল, যদিও শফকত আমানত আলীর গলায় গান দুটি শুনতে ভালো লাগে। পিটার ব্রুকের মহাভারতে শর্মিলা রায় পোমোর কন্ঠে "অন্তর মম বিকশিত কর" প্রাসঙ্গিক ছিল, সিনেমানিরপেক্ষভাবে। এখানে হয় তো ভাষার বাধা সেই প্রাসঙ্গিকতা বুঝতে দিচ্ছে না। কিংবা হয় তো সিনেমাটি দেখলে গান দুটির মূল তাৎপর্য বোঝা সম্ভব হবে।
  • r | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৪:১৫404046
  • দেবজ্যোতি মিশ্রের সঙ্গীত পরিচালনার কিছু কাজ, বিশেষত: "রেনকোটে", বেশ সম্ভ্রম-জাগানো। কিন্তু "চতুরঙ্গে" বিপুল সাংগীতিক সম্ভাবনা থাকা সঙ্কেÄও শেষ পর্যন্ত হতাশ হলাম।
  • r | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৪:২০404047
  • পুনশ্চ: চেনাজানা যারাই সিনেমাটি দেখেছে, তারা সবাই একমত যে সুমন মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনাও "হারবার্টের" পরে "চতুরঙ্গে" খুব হতাশাজনক।
  • JK | ১৭ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৫:৫১404048
  • দেবজ্যোতি মিশ্র 'পাতালঘর'-এও বেশ ভালো মিউজিক দিয়েছিলেন, কিন্তু সিনেমা টা আর তার গানগুলো যতটা জনপ্রিয় হওয়ার ছিলো ততটা বোধহয় হয় নি।
  • r | ১৭ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৫:৫৮404049
  • হ্যাঁ, "পাতালঘরের" মিউজিকও বেশ ভালো, বিশেষত: সৌমিত্রর লিপে শ্রীকান্তর গলায় গাওয়া গানটা।
  • nyara | ১৭ ডিসেম্বর ২০০৮ ২৩:২৮404050
  • কীর্তন নিয়ে রবীন্দ্রনাথের প্রচুর কাজ আছে। কিন্তু সলিল চৌধুরীর বাজী-ধরে-করা 'বিচারপতি তোমার বিচার' আর 'সেই মেয়ে' গানের অংশবিশেষে কীর্তনের ছায়া ছাড়া আর কোন উদাহরণ তো মনে পড়ছে না। আর কী আছে বলুন তো?
  • kS | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ০১:৪৬404051
  • হ্যাঁ, আমিও তাই মনে করার চেষ্টা করছিলাম, সলিল চৌধুরী'র কটা গানে তেমন করে কীর্তনাঙ্গের ব্যবহার শুনেছি।

    কীর্তন প্রসঙ্গে আরেকটি বাংলা ছায়াছবির কথা মনে পড়ল- রাইকমল।
    কাবেরী বসু, উত্তমকুমার অভিনীত।
    'বল বল তব কুশল শুনি, তোমার কুশলে কুশল মানি' গানটি আমি এখানেই প্রথম শুনি। আর মনে পড়ে 'বৃন্দাবন বিলাসিনী রাই আমাদের'- গোটা ছবি জুড়ে প্রচুর প্রচুর কীর্তন, দু একটি ব্রজভাষায়, অনেকগুলো ই বেশ শ্রুতিমধুর।

    'কমললতা' দেখিনি তাই ঠিকমত বলতে পারব না; তবে তা বাদ দিয়ে কোন একটা পূর্ণাঙ্গ বাংলা ছবিতে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক কীর্তনের ব্যাবহার দেখেছি রাইকমলেই।
  • Du | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:০৫404052
  • হিন্দী 'আপনে পরায়ে' (নিষ্কৃতি) ছবিতে যেসুদাসের গলায় রয়েছে, ভালো লাগে শুনতে, সলিল চৌধুরী কি, জানি না।
  • Paramita | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:১৬404054
  • আমার বোধহয় কমললতা আর রাইকমলে গুলিয়ে গেছে। "বল বল.." কেন জানিনা মনে হচ্ছ সুচিত্রার লিপে শুনেছি। আবার ওদিকে উত্তম সেটাও মনে হচ্ছে। তাই সেদিন নির্মল + সুচিত্রা আর আজ কাবেরী + উত্তম দেখে আরো ঘেঁটে গেল। যাগ্গে ছবি নিয়ে বিশেষ ভেবে লাভ নেই, গানগুলোই আসল :)
  • kS | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:৩৩404055
  • 'কমললতা' র সুচিত্রার কথায় একটা কীর্তনাঙ্গের গান মনে পড়ে গেল- আগেকার (৯০ এর দশকের গোড়ার দিকে) সেই DD 1 এ বৃহস্পতিবারের সন্ধ্যায় একটা অনুষ্ঠান হত 'চিত্রমালা'। সেখানে দিত গানটা প্রায়ই- 'এ যে বাজিকরের খেলা রে মন যার খেলা হয় সে জানে, ও মন কখন শুরু কখন যে শেষ, কে জানে' (সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়), খুব সুন্দর গানটা। সুর সম্ভবত রবীন চট্টোপাধ্যায়ের।
  • Du | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:৩৭404056
  • শ্যামল মিত্রের গলায় না?
  • kS | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:৪৭404057
  • হ্যাঁ ঠিক ঠিক- গানটা duet ছিল, সন্ধ্যা-শ্যামল
  • nyara | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৩:২৯404058
  • 'আপনে-পরায়ে' তো দেখছি ভোপ্পির সুর। কি গান অবশ্য মনে নেই।
  • r | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৩:০৭404059
  • আমিও ঐ দুটো গানই জানতাম। তারপর সুমনের লেক-ডেম শুনে বুঝলাম সলিল কিভাবে কীর্তনের আঙ্গিক ব্যবহার করতেন। পুরো গানের স্ট্রাকচার কীর্তনাঙ্গ নয়, কিন্তু কোথাও কোথাও কীর্তনের ঝোঁক লাগিয়ে দিচ্ছেন। যতদূর মনে পড়ছে, সুমন "আমার কিছু মনের আশা" গানটাকে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন।
  • r | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ১৩:২০404060
  • "কমললতা" হল শরৎচন্দ্র, উত্তম-সুচিত্রা-নির্মল। "রাইকমল" হল তারাশঙ্কর, উত্তম-কাবেরী-সাবিত্রী। "নবজন্মের" লেখক কে জানি না, পরিচালনা দেবকী বসু, উত্তম-অরুন্ধতী-সাবিত্রী।
  • nyara | ১৮ ডিসেম্বর ২০০৮ ২২:৩২404061
  • ঠিক, ঠিক। 'আমার কিছু মনের আশা'য় বেশ পরিষ্কার কীর্তন আছে। বিশেষত: 'তাই দিয়ে গেঁথেছি আমার' অংশের ঝোঁকে।

    আর একটা গানও মনে পড়ল - 'মোর মতন আর দেশপ্রেমিক নাই'।
  • siki | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৮ ০০:০৯404062
  • এটাও কি কীর্তনাঙ্গের গান? "শ্যামলা গাঁয়ের কাজলা মেয়ে কলসি করে (?) জল আনিতে চলে কলস কাঁখে / পিয়াল শাখে বউ কথা কও ডাকে / জলকে চলে মেয়ে'।

    সিনেমা মনে নেই, রঞ্জিত মল্লিক আর মেয়েটা কে যেন, সুমিত্রা বোধ হয়, রেডিওর সামনে দাঁড়িয়ে গানটা শুনছে।
  • sayan | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৮ ০২:২৫404063
  • এই গানটা কতদিন আগে আছে নাকি শুধিয়েছিলাম সিকিকে ...
    "কলসি করে' নয়, "নীল সায়রে'। আর শ্যামলা না শাঁওলা?
  • deb | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৮ ০৩:১৮404065
  • এটা না esnips-এ আছে।
    http://tinyurl.com/3gcqkz
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন