এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সম্পর্ক - আত্মীক/তাঙ্কিÄক/মানসিক/শারিরীক

    tkn
    অন্যান্য | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ | ৩১৭২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • tkn | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৫:০৩419697
  • এক জীবনে কত রকমের সম্পর্ক সঙ্গে নিয়ে হাঁটি আমরা। কিছু সম্পর্ক পিছনে ফেলে আসি কিছু সঙ্গে চলতে থাকে, আর কিছুর সম্পর্কের দিকে তাকিয়ে হেঁটে যাই সামনে। এ ছাড়াও টুকিটাকি কত ছোটো বড়ো মেজ সম্পর্ক তৈরী হয় কলেজ ক্যান্টিনে, ক্যাম্পাসের রাস্তায়, অফিসের কার পুলে অথবা মাসিপিসিমামাকাকাজেঠাদের বাড়ির চিলেকোঠায়। কেউ মনে থাকে, কেউ থাকে না, কোনো সম্পর্কের মানেই খুঁজে পাওয়া যায় না কিছুকাল পরে -
    'সম্পর্কজনিত ব্যক্তিগত বোধ' শেয়ার করার জন্য এই টই খুললাম। সকলে লিখলে ভালো লাগবে
  • dd | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৫:২৩419708
  • সে কি স্যার!
    আত্মিক/মানাসিক.... এ ছাড়া একেবারে লেটেস্ট ডিজাইনের সম্পক্কো? এই ইলেক্ট্রনিক। বা নৈটিক সম্পক্কো। সেটা ল্যাখলেন না তো।

    চিনি না,জানি না। বা নিকে চিনি। কিছুতে মিল নেই। এমন কি হার্ডওয়ারেও নয়।

    তাও ক্যামন বন্ধুতা হয়ে যায়।
  • Samik | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৫:৪৫419719
  • এই য্যামন জওহরলাল আর লেডি মাউন্টব্যাটন!
  • kallol | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৫:৫৭419730
  • য্যামুন রবি-ভিত্তোরিও, রবি-রানু, মানিক-মাধবী, রাজ-নার্গিস, বুদ্ধ-নন্দন
  • dd | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৬:০০419732
  • আমি - রাম
  • h | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৬:১১419733
  • আমি ও আমার ভুঁড়ি।
  • tkn | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৭:০৩419734
  • ঠিক ঠিক। নৈটিক পৈটিক জৈবিক নৈতিক অনৈতিক স-----------ব, স----------------ব লিখুন। তবে শুধু সম্পর্কের নামটুক না, গভীরতাটাও আসুক, প্লিজ। যেমন h সঙ্গে তার ভুঁড়ির নিবিড় যোগাযোগের সুক্ষ্ম মোচরগুলোও চাইছি তো :-)))
  • hobu rajar gobu montree | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৭:২৬419735
  • কথাটা 'আত্মীক', নাকি আত্মিক ?
    'শারিরীক' নাকি শারীরিক ?
    নৈতিক আর 'নৈটিক' এর তফাতটা বুজসি।
    আপাতত নৈটিক সম্পর্কটাই বেশি চলছে দেখতে পাই।
  • h | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৭:৩১419736
  • রবীন্দ্র লিখেছিলেন, ছিন্নপত্রে, ঐ যে পৃথিবীটা চুপ করে পড়ে আছে, ওকে ভালোবাসি। বোধকরি দীপাবলীর বাজি বা লালগড়ের বন্দুক তখনো সরব হয় নাই। মায় স্বরাষ্ট্র সচিবেরা পান খেতেন সাউন্ডপ্রুফ মিটিং ঘরে। তবু আমি মাঝে মাঝে অতি-পেন্সিভ অবস্থায়, নানা কারণে সফট ও সেন্টিমেন্টাল হয়ে উঠলে, বলে থাকি, ঐ যে প্রায়-পৃথিবীটা চুপ করে পড়ে আছে, ওকে ভালোবাসি। যাকে বুকে র সবচেয়ে কাছে আসতে দিয়েছি, সেই আজ হায় স্যাফোলা-নিরপেক্ষ ভাবে হৃদয়ের ভার হল। তবু, যেতে নাহি দিব। বউ বলে বেঢপ হোয়ো না, আহা সে যেন বালিঘড়ি, আমি কি আর এমন লোমশ লাট্টু হলুম, যে ঘুর্ণণে ক্লান্ত, কিন্তু চুর্ণনে নয়, বিভিন্ন আপিস নারীরা হেসে বলে, একটু কমুন প্লিজ, আহা যেন কমলে ফুচকা খাবে, কুহকিনী। কন্যা বলে না, এই নিওলিবেরাল রিয়েল এস্টেটের সন্ত্রাসে বিধ্বস্ত নগরে, এই টুকুই তার খেলার মাঠ, এ টুকুই তার নিউটনের দানবের কাঁধ, এ টুকুই তার বেকহ্যামতুল্য বেন্ডিং অভ্যাসভূমি। যেতে নাহি দিব।
    শুধু ওজনকাঁটা যখন আজকাল স্বপ্নভঙ্গ নির্ঝরের মত ডান দেঊয়ালে মাথা ঠুকে ফেরে, সংখ্যার আশ্রয় খোঁজে যেমন ক্ষ্যাপ খুঁজে ফেরে পরশ পাথর, তখন বলে উঠি, আর কত দূরে নিয়ে যাবে মোরে হে সুন্দরী, বল কোন ঘাটে বাঁধিবে তোমার লোমশ ভুঁড়ি।

    ত্যাদি।
  • tkn | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৭:৩২419698
  • আত্মিক এবং শারীরিক। কি বিশ্রি ভুল :-((( সরি
    গুরুরা কি কেউ একটু শুধরে দিতে পারবেন প্লিজ?
  • baps | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৭:৩৩419699
  • বাহ বেশ ভাল টই। আম্ম কিছু কিছু লিখবার ইচ্ছা রাখলাম। তবে আজ নয়।
  • dipu | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৭:৩৬419700
  • 5:31 :-)))))))
  • kanti | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৭:৪৮419701
  • বা:, এমন স্বাদু আলোচনার এইতো সুসময়।তিকেনকে দশ হাতে তালি। এতদিন কোথায় ছিলেন? নরক গুলজার কোরে মাননিয়গন ঝাঁপিয়ে পড়ুন।
  • tkn | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৮:২২419702
  • আমি তখন টুয়েলভে। বাড়ির সামনে থেকে তিন নম্বার বাস ধরে শ্যামবাজার, সেখান থেকে ট্রাম ধরে কলেজ। ভিড়ে ঠাসা বাসটার পিছনের গেট দিয়ে উঠতাম। মাঝের দুজনে বসার চেয়ারের পিঠে ঠেসান দিয়ে দাঁড়ানো টার্গেট। রোজই দেখতাম দুজন ভদ্রমহিলা পিছনের লম্বা সিটটায় বসে গল্প করতে করতে চলেছেন। দুই বন্ধু, দেখেই বোঝা যায়। নিচু গলায় গল্প করতেন। আমি ওঁদের সামনে পৌঁছলে একজন ব্যাগটা নিয়ে নিতেন আমার কাছ থেকে। কথা বলতেন না কখোনো, শুধু অল্প হাসতেন। সম্ভবত বাগবাজার বা রাজবল্লভপাড়ায় নামতেন দুজনেই।

    একদিন, তুমুল ভিড়ে সাঁতরাতে সাঁতরাতে টার্গেট স্পটে পৌঁছেছি। হাত বাড়ালেন, দিয়ে দিলাম ব্যাগটা টেনেটুনে সামনে এনে। একটু খালি হতে হতে চিড়িয়ামোড়। কন্ডাকটার হাত বাড়াল, টিকিট... আমি ব্যাগের চেন খুলতে গিয়ে দেখি চেনটা খোলা আগে থেকেই। হাত ঢুকিয়ে হতাশ। ছোটো পার্সটা নেই। এদিক ওদিক হাতড়ে চলেছি সমানে আর মনে মনে শিওর হচ্ছি, নেই নেই, সে নেই। যার কোলে ব্যাগটা রাখা তিনি তখন নিচু স্বরে গল্পে মগ্ন। কিন্তু আমার হাঁচোড় পাঁচোড় তল্লাশে খেয়াল করেছেন যে কিছু হয়েছে।
    "পার্স নেই?"
    "না" (আমার তখন চোখ টলটলিয়ে গেছে)
    "কত ছিল?"
    উত্তরের অপেক্ষা না করে ব্যাগ থেকে পয়সা বার করে আমার টিকিট কেটে দিলেন। তারপর সাইডের চেনটা খুলে একটা লাল রঙের দুটাকার নোট (হায় লাল নোট, কতদিন্‌ন্‌ন দেখিনি তোমায় !!!) ঢুকিয়ে হেসে বললেন "ফিরতে লাগবে তো। রেখে দিলাম"
    কৃতজ্ঞতা কেমন করে জানাবো বুঝিনি। খালি বোকার মত বার কয়েক থ্যাঙ্কু থ্যাঙ্কু বলেছিলাম আর তার উত্তরে ছোট্টো "থ্যাঙ্কু আবার কি???" সমেত ছদ্ম চোখ পাকানি মেনে নিয়েছিলাম। তারপরেও রোজ দেখা হত ওঁর সঙ্গে। দিন পনেরো পরে টিউশনির টাকায় কেনা একটা ফাইভস্টার দিয়েছিলাম ওঁর হাতে। লাল নোটের বিনিময়ে লাল একটা নোট ফেরত দিতে পারিনি। মনে হয়েছিল হয়ত অপমানিত বোধ করবেন। বোঝাতেই পারব না যে কি ভালো লাগে ওঁকে। হায়ার সেকেন্ডারীর পরে ক্লাসের টাইম চেঞ্জ হয়ে যেতে আমিও বাসের টাইম পাল্টালাম। তাও কখোনো হঠাৎ দেখা হয়ে গেলে খুব ভালো লাগত। উনিও হেসে "কেমন আছো? ব্যাগটা দাও.. কোন ইয়ার হল..." এমনই টুকটাক কথা বলতেন...

    কিছুদিন আগে, দেশে ছুটিতে এসে শ্যামবাজার থেকে ফেরার পথে গাড়িতে বসে দেখলাম ওনাকে। একটু ভারী, একটু কম আগের মত চেহারা, মেট্রো স্টেশানের সামনে। শাটল ট্যাক্সি ধরবেন বোধহয়। ড্রাইভারকে "থামাও থামাও" বলতে বলতেই অনেকটা এগিয়ে গেছি। তাও নেমে দৌড়ে ফিরে গেলাম। হ্যাঁ, দাঁড়িয়ে তখনও (ভাগ্যিস!!) সামনে গিয়ে দাঁড়াতে একটু তাকিয়ে থেকে একগাল হাসলেন "কেমন আছ?? কত বড় হয়ে গেছ!!!" খুব খুব ভালো লাগল দেখে যে চিনতে পেরেছেন আমায়। বলেও ফেললাম "চিনতে পেরেছেন আমায়??"
    "কেন চিনব না!! তুমি তিন নম্বরে যেতে ........"
    "চলুন, আমি ফিরছি। নামিয়ে দেব আপনাকে"
    "আরে না না, চলে যাবো। রোজই তো যাই"
    "বা রে! আপনি আমার সঙ্গে ফর্মালিটি করবেন?"
    সন্ধ্যে নামা শ্যামবাজারের ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়েও বলা যায় না ওঁকে কত ভালো লাগত আমার। লাগে, যখন মনে পড়ে আজও..
    ফিরলেন আমার সঙ্গে। গল্প করতে করতে। বেশিরভাগই আমার কথা। জানলাম ওঁর বাড়ি সর্বমঙ্গলা স্কুলের কাছে। তখন দক্ষিণেশ্বরে এসে বাস ধরে অফিস যেতেন। এখনও, তাই করেন বেশিরভাগ। তখন বোধহয় পঁয়ত্রিশ ছত্তিরিশের ছিলেন। এখন পঞ্চাশ পেরিয়েছেন। কখোনো কোনো নামেই ডাকার দরকার হয় নি। আজও হল না। আপনি/ তুমিতেই রাস্তা ফুরিয়ে গেল। ডানলপের মোড়ে নেমে গেলেন আর ক্রসিং পেরিয়ে আমার মনে হল ওনার ফোন নাম্বারটা তো চাইতেই পারতাম আমি।

    কিছুই জানিনা। ওঁর নাম, ফোন নাম্বার কিচ্ছুই জানা নেই। হয়ত আর দেখাও হবে না কখোনো। তবু জানি, আছে। কোথাও একটা এক প্রায় অপরিচিতার প্রতি কৃতজ্ঞতা আর মুগ্‌ধতা বোধ আছে .... আছে এক ফোঁটা "কিছুমিছু" ....
  • shyamal | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৮:৩৬419703
  • অ্যায় মেহেরবানোঁ মেরে দিবানোঁ
    ঠিক কহতে হো চন্দ লোগোঁকো
    প্যার করনেকা হক নহি হোতা
  • M | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ২২:৫১419704
  • মানিকের সাথে মাধবীর কেন হবে? আমি এত রেগে গেলাম এত রেগে গেলাম যে কাল আবার এই টই পড়বো।
  • pi | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ২২:৫৬419705
  • হক কথা।
    মাধবীর সাথে কেবল রিস্কাওয়ালা।
  • tkn | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ২৩:০০419706
  • :-) সে তো এখন, চাঁদের ফোঁটা মাটিতে নামার পরে। আগের মাধবী রিক্সা কোথায় চড়ত???
  • Tim | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ২৩:১৪419707
  • হনুদার সাথে ভুঁড়ির সূক্ষ্ম্য মোচড়ের সম্পক্কো?!! নাকি সম্পক্কের সূক্ষ্ম্য মোচড়? পড়েই মনে হলো পেট কামড়াবার কথা হচ্চে বুঝি! সে গল্প তো ইন্দোদার লেখার কথা! উইথ অল টেকনিকাল ডিটেইলস। ;-)
  • tkn | ০৯ অক্টোবর ২০০৯ ০০:৩৭419709
  • সম্পর্কের মোচড়ই তো বল্লুম। মাঝখান থেকে কলিক পেন ঢুকল ক্যামনে????
  • Tim | ০৯ অক্টোবর ২০০৯ ০৪:১০419710
  • কতগুলান কি-ওয়ার্ড, য্যামন "ভুঁড়ি", "সম্পর্ক", "সূক্ষ্ম্য মোচড়"-- ইত্যাদির জন্য। খুবই সূক্ষ্ম্য ব্যাপার। :-)
  • M | ০৯ অক্টোবর ২০০৯ ০৭:৫৯419711
  • সুক্ষ স্পেলিং সম্পক্কে অন্যান্য গুলিয়ে দেওয়া স্পেলিং গুলোর মতৈ আমার কেমন ভুলভাল ধারনা ছিলো।
  • Sayantan | ০৯ অক্টোবর ২০০৯ ০৮:০৩419712
  • একটা দিন আসবে, যখন ভুঁড়ি কবিতার মত অপাপবিদ্ধ হবে।
    এই না-খেয়ে পেট-পিঠ এক হয়ে যাওয়া সইতে নারি আর, হায়!
  • M | ০৯ অক্টোবর ২০০৯ ০৮:১৪419713
  • তারা তখন স্কুলে পড়ে,স্কুলে যেতে হতো মোহিনী চৌধুরীর বাড়ীর সামনে দিয়ে।তখন সবে একা একা যাতয়াত শুরু, কলকল করতে করতে একগাদা ক্লাস ফোরের কচি গলা তাকে রোজ ব্যতিব্যস্ত করতে করতে যেতো।কতরকম কথা:
    এই দেখ দেখ মানসী কেমন আওয়াজ না করে হাসে, হি হি হি হি।
    আর তোরা? এত আওয়াজ করিস সবাই ভয় পেয়ে যাবে।
    শান্তা না কাল ও দিদিমনি যখন পড়াচ্ছিলো বাক্স ফাঁক করে টিফিন খাচ্চিলো।
    বেশ করেছি, তোরাও খা না, কে বারন করেছে?
    এই তোদের ঠাকুর নাকি হাত ভেঙ্গে এসেছিলো এবার?
    তোদের ঠাকুরের মুখটা কি বাজে, তার বেলা?
    এই ঠাকুর নিয়ে কিছু অমন বলতে নেই জানিস না?
    ঘেঁচু, আমি তো আগেরবারো সরস্বতী পুজোর আগে কুল খেয়েছি, কিছু হলো?
    তাছাড়া দিলীপদা বলেছে কোন কিছু শুধু শুনে বিশ্বাস করবি না, সমানে তর্ক করে কেনটা জানতে চাইবি।
    হ্যা: তোর দিলীপদা তো সব জানে।
    (ঝটাপট ঝটাপট খানিক খামচা খামচি হয়ে গেলো।
    এমন আর কি।

    দাদু তখন একফালি বারান্দায় বসে কিছু পড়ছিলেন।

    আরে!আরে! থাম, থাম, এবার জয় রামকৃষ্ণ বলো।

    কেন দাদু?(তর্কের পোকা নড়ে উঠলো)

    বাকিরা তর্কের তোয়াক্কা না করেই নাচা নাচি করে জয় রামকৃষ্ণ বলে চেঁচাতে শুরু করলো।

    দল থেকে আলাদা হওয়াটা খুব একটা ভালো কাজ হবেনা ভেবে সেই মেয়েটাও গলা মেলালো।

    আর ছোটবেলার সাথে সাথে সেই সুন্দর,নির্মেদ,নির্মল সম্পক্কো গুলো ও স্মৃতির আলমারিতে ঢুকে পড়লো।
  • Pagol | ০৯ অক্টোবর ২০০৯ ০৯:৪৯419714
  • সম্পর্ক মানে পুরোটাই অধিকারবোধ আর কর্ত্ত্যব্য।
  • tkn | ১৩ অক্টোবর ২০০৯ ১২:০৬419715
  • চিলেকোঠার দুপুরের সঙ্গে নীল আকাশের দিকে মুখ করে বুক পেতে দেওয়া গরম ছাদে রাখা নরম পায়ের সম্পর্কে কোনো কর্ত্তব্য বোধ নেই, অধিকারবোধও না :-)))
  • M | ১৩ অক্টোবর ২০০৯ ১২:৩৪419716
  • তুমি কি হলপ করে বলতে পারো?আমার ক্যামন সন্দ আছে!অধিকারবোধ না থাকলে একটু আকাশ আর ছাদের মধ্যিখানেও তো পাটা থাকতে পারতো, কই কখন ও তো তা থাকে না, আর যেখানে থাকে সেখানে অন্য কিছু তো খুব একটা থাকতে দেয় না।
  • dd | ১৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:২৭419717
  • কত্তবো বোধ আর অধিকারবোধ আর তার সুপ্রয়োগবিধি তো থাকবেই।

    য্যামন : নীলা কাশ। তাকে নীল হতে হবে। কটকটে রোদ হলে লোগে কেলটে যাবে। এটা আকাশের কত্তব্বো।

    ছাদের কত্তব্বো ঠিক রেঞ্জে গরম থাকা। (২৪ থেকে ২৭ডিগরী), নইলে পায়ে ফোশ্‌কা। এছাড়াও কোনো পেরেগ ফেরেগ পরে থাকা চলবে না, আহা নরম পা। খ্যাল আছে তো?

    আর অধিকার বোধের মধ্যে পরে সান লোশন, ছাতা,সান গ্লাস, বা সব কন্ডিশন ঠিক ঠাক থাগলেও নিজের ঘরে পরিপাটী করে নাক ডাকিয়ে ঘুমানো।
  • tkn | ১৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:৫৩419718
  • :-))))

    খোলসা করে বলি,
    চিলেকোঠার দুপুর থেকে তপ্ত ছাদে এসে দাঁড়ানো মেয়েটি নীল আকাশের দিকে মুখ করে চিলের ডানা দেখে যখন তখন সে দেখা কর্ত্তব্য বোধের না, অধিকার বোধেরও না। অথচ আলাদা করে দেখলেই, দুপুর, গরম ছাদ, নরম পা, নীলাকাশ সকলেই আপন কর্ত্তব্য পালন করছে। অধিকার অবশ্য নেই কারুরই কারুর ওপর। যে যার নিয়মমত আসবে, তাতবে, পুড়বে, ভুলবে.... সম্পর্কিত সকলেই এক অন্যের সঙ্গে.....
  • vikram | ১৩ অক্টোবর ২০০৯ ১৫:২৯419720
  • চিলের ডানা ঠিক সেইভাবে দেখা যায় না। সবই মানশ্চক্ষে। অনেক ওপরে ওড়ে তো। তাই। ঘুড়ি দেখা যায়।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন