এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তহেলকার দ্বিচারীতা?

    c
    অন্যান্য | ২১ নভেম্বর ২০১৩ | ২২৯৭১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • el fantástico | ৩০ নভেম্বর ২০১৩ ২০:১৬621941
  • আগাম জামিন নামঞ্জুর হল।
  • π | ৩০ নভেম্বর ২০১৩ ২১:৫০621942
  • গ্রেপ্তার।
  • ml | ৩০ নভেম্বর ২০১৩ ২২:৩৪621943
  • ভালো লাগছে যে ধামাচাপা দেবার অনেক চেষ্টা করেও তেজপাল পালাতে পারল না, অন্তত গ্রেপ্তার হলো। গতকাল তো দেখছিলাম বিজয় জলির নামেও পুলিশে কমপ্লেন করা হয়েছে, আশা করব ঐ লোকটাকেও প্রাপ্য শাস্তি দেওয়া হবে।
  • ঈশান | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৩:৪৯621944
  • কারো বিরুদ্ধে ৩৭৫ থাকলে সাধারণভাবে বেল পাওয়া যায়না। কাজেই এর মধ্যে অস্বাভাবিক কিচ্ছু নেই।

    কিন্তু সেটা কথা না। আমি একটা অন্য কথা বলব। এই যে লিখেছেন, "ধামাচাপা দেবার অনেক চেষ্টা করেও তেজপাল পালাতে পারল না", বা এর আগেও "রেপিস্টদের মতো পালাচ্ছে" বলে হাওয়া তুলেছেন, এগুলোর একটাই মানে, আপনি আগেই সিদ্ধান্তে পৌঁছে গেছেন, যে ঘটনাটি ঘটেইছিল। এখানে অনেকেই "শয়তান" জাতীয় শব্দাবলীও ব্যবহার করেছেন তেজপালের বিরুদ্ধে। তাঁদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এখানে শুধু নয়, গোটা মিডিয়া, সোসাল নেটওয়ার্কিং সর্বত্রই এই "সামাজিক বিচার"এ সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবার প্রক্রিয়াটি চালু হয়েছে বলে দেখছি।

    ইতিপূর্বে দেখতাম, ধর্ষণের অভিযোগকারিণীদের উপর এরকম একটা "সামাজিক বিচার" হত। আগেই সমাজ সংসার, কোর্ট, পুলিশ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলত, নিশ্চয়ই মেয়েটির কিছু একটা "গোলমাল" আছে। সেসব ক্ষেত্রে যা বলার বলেছি, এখানে কারোরই অজানা কিছু নয়। কিছু একটা "চরিত্রদোষ" আছে। এবং দিনকাল পাল্টাচ্ছে, অভিযোগকারিণীকে সহানুভূতির চোখে দেখা হচ্ছে, এসব খুবই আনন্দের কথা।

    কিন্তু আমি যেটাতে আশঙ্কিত হচ্ছি, সেটা হল আগেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলা, যে, অভিযোগ এসেছে, অভিযোগকারিণী স্পষ্ট উচ্চারণে ফেমিনিস্ট বাক্যাবলী বলছেন, অতএব, তিনি যা বলেছেন, তা অক্ষরে অক্ষরে সত্য। গোটা সোসাল মিডিয়া জুড়ে, গোটা ছাপা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া জুড়ে এই চটজলদি ট্রায়াল চলছে।

    আমার চোখে, এই দুটো আলাদা কিছু নয়। অভিযোগ তোলা মাত্র অভিযোগকারিণীকে "গোলমেলে" বলে দাগিয়ে দেওয়া এবং অভিযোগ ওঠা মাত্র অভিযুক্তকে "দোষী" বলে দাগিয়ে দেওয়া এবং সামাজিক স্তরে সেটাকে রি-ইটারেট করে চলা -- প্রক্রিয়াগতভাবে এই দুটোর মধ্যে আমি বিশেষ তফাত দেখতে পাইনা। উইচ হান্টিং একটি বিপজ্জনক প্রক্রিয়া -- তা সে যে দিক থেকেই আসুক না কেন।

    (আমার আরও চাট্টি কথা লেখার আছে, পরে লিখছি)
  • pinaki | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৭:২৬621945
  • এই ধরণের একটা ঘটনায় লোকে তার মত করে অবস্থান নেবেই। অপরাধ বা অপরাধী সম্বন্ধে মানুষ একটা অবস্থান নিক - সেটা আমারাও চাই না কি? সোনি সোরির ঘটনায় প্রমাণ হোক বা না হোক অন্কিত গর্গকে আমরা অপরাধী মনে করি। করি না কি? সেই মনে করাটা কি কোর্টে প্রমাণ হওয়া অব্দি ওয়েট করবে? অন্কিত গর্গের ক্ষেত্রে আমাদের একটা ডিডাকশন মেকানিজম কাজ করেছে, যেটা রাষ্ট্র, পুলিশ ইত্যাদি সম্বন্ধে আমাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা দিয়ে নির্ধারিত। তার সাথে সারকামস্ট্যান্সিয়াল এভিডেন্স - যেটাও বলতে পার আমরা দেখতে চেয়েছি বলেই দেখতে পেয়েছি, অনেকেই পায় নি বা পায় না। চায় না বলেই। তেজপালের ক্ষেত্রেও সেরকমই একটা মেকানিজম আছে। সবক্ষেত্রেই থাকে, থাকবেও। সেটা খুব এভয়েডেবল বলে মনে হয় না, চাইও না। কারণ সেক্ষেত্রে প্রায় সব অপরাধের বা অপরাধীর প্রতি অবস্থান নেওয়াটাই ফাজি হয়ে যায়। সমস্যা আসতে পারে তার পরের স্টেজে। অপরাধী তো মনে করলাম। কিন্তু তারপরে কি চাইছি? একবার অবস্থান নিয়ে ফেলেছি বলে ফেয়ার ট্রায়ালের গুরুত্ব কমিয়ে দিতে চাইছি কি? অপরাধী বলে যাকে ভাবছি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার কেড়ে নিতে চাইছি কি? ইত্যাদি ইত্যাদি। সেটা যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা উচিৎ। এইটা প্রথম কথা। আর দ্বিতীয় কথা হল ভিক্টিমের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা আর অপরাধে অভিযুক্তকে দোষী বলে ধরে নেওয়ার মধ্যে একটা গুণগত তফাৎ আছে। প্রথমটা অপরাধটাকেই লঘু করে বা জাস্টিফাই করে, দ্বিতীয়টা অন্ততঃ সেটা করে না। তুমি যে ফ্রেমওয়ার্কটা ধরে এগোচ্ছো, তাতে এইদুটো বড় ফাঁক বলে মনে হল।
  • ml | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:৪৪621946
  • ইশান, সার্কামস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্স বলে একটা ব্যাপার আছে, নিশ্চয়ই মানবেন। যেটা পিনাকি বলেছেন ডিডাক্শন মেকানিজম। অর্থাত সাধারনত সমাজে কি হয় সেটা আমরা সকলেই জানি। সেইজন্যই আমরা বলতে পারি, অন্কিত গর্গ দোষী হওয়ার বা আশারাম দোষী হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশী, কারন এই ধরনের ঘটনাগুলো ঘটে। এদের কেসগুলো সুপ্রীম কোর্ট অবধি গিয়ে ফয়সালা হওয়া অবদি অপেক্ষা করিনা।

    এছাড়াও তেজপালের কেসে আর অন্য অনেক কেসে দুটো বড় ফারাক আছে। এক, CCTV ফুটেজ, যা অন্য বেশীরভাগ কেসেই থাকেনা, সেখানে মেয়েটির ক্থা বনাম পুরুষটির কথা হয়ে দাঁড়ায়। দুই, স্বয়ং তেজপালের স্বীকারোক্তি। আপনার কি মনে হয় ঐ স্বীকারোক্তিটা না থাকলে এত তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া যেত? জাস্টিস গাঙ্গুলির ক্ষেত্রেও দেখুন, অভিযোগ আছে, কিন্তু যেহেতু কোন স্বীকারোক্তি নেই সেহেতু সন্দেহের অবকাশ আছে। এবার আপনি বলতে পারেন, তেজপাল স্বীকারোক্তি কেন দিল। এর উত্তর এখনি দেওয়া মুশকিল। হয়তো তেজপাল ভেবেছিল ওরকম একটা ইমেল পাঠালে ব্যাপারটা চাপা দেওয়া যাবে, হয়তো হাই মরাল ইমেজ বজায় রাখতে চেয়েছিল, হয়তো নিজের পরিবারও চাপ দিয়েছিল।
  • ঈশান | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৯:৫৫621947
  • পিনাকি এবং এমেলকে ধন্যবাদ। আমি এই পয়েন্টগুলোতে আসবই ভেবেছিলাম।

    পিনাকির দুটো পয়েন্ট।
    এক। বিচার সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ব্যক্তিগত অবস্থান নেওয়া কি বন্ধ রাখব? অন্য কেস ছাড়ুন, আমি নিজে এই কেসে তো নিজের ধারণা জানিয়েছি। সেটা বন্ধ করা কি কাম্য? পিনাকি বলেছেন, আমিও একমত, যে, কাম্য নয়। শুধু শর্ত একটাই। "জনমত"ই বলুন বা কোনো "আইডিওলজি" বা স্টেট (সেও এক আইডিওলজিই হল)এর চাপে সুবিচার (ফেয়ার ট্রায়াল) যেন বন্ধ না হয়। বা বিঘ্নিত না হয়।
    দুই। "ভিক্টিমের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা আর অপরাধে অভিযুক্তকে দোষী বলে ধরে নেওয়ার মধ্যে একটা গুণগত তফাৎ আছে। প্রথমটা অপরাধটাকেই লঘু করে বা জাস্টিফাই করে, দ্বিতীয়টা অন্ততঃ সেটা করে না।"

    এই দুই পয়েন্টের মধ্যে প্রথমটার সঙ্গে আমি একমত। দ্বিতীয়টার সঙ্গে না। কেন নই, সেটা ব্যাখ্যা করছি, তার অগে এমেলের পয়েন্টটা ছুঁয়ে যাওয়া যাক।

    এমেল লিখেছেন, "জাস্টিস গাঙ্গুলির ক্ষেত্রেও দেখুন, অভিযোগ আছে, কিন্তু যেহেতু কোন স্বীকারোক্তি নেই সেহেতু সন্দেহের অবকাশ আছে। এবার আপনি বলতে পারেন, তেজপাল স্বীকারোক্তি কেন দিল। এর উত্তর এখনি দেওয়া মুশকিল। হয়তো তেজপাল ভেবেছিল ওরকম একটা ইমেল পাঠালে ব্যাপারটা চাপা দেওয়া যাবে, হয়তো হাই মরাল ইমেজ বজায় রাখতে চেয়েছিল, হয়তো নিজের পরিবারও চাপ দিয়েছিল।"

    এর উত্তরটা কিন্তু এখনও পর্যন্ত প্রকাশিত চিঠি চাপাটি থেকেই পাওয়া যায়। কিন্তু আলাদা করে না লিখে আমি সবকটা পয়েন্টেরই একসঙ্গে উত্তর দেব। কারণ সবকটাই সংযুক্ত।

    -------------
    সুবিচার বা ফেয়ার ট্রায়াল থেকে শুরু করা যাক।

    ধরুণ, আমি একটি কোম্পানির একজন বড়োকর্তা। আমার বস একদিন সকালে আমাকে বললেন, "তোমার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আছে। অমুক বলেছে তুমি তাকে মলেস্ট করেছ"।
    আমি বললাম, "না তো, ঘটনাটা অন্যরকম"।
    বস বললেন "ওসব কিছু শুনতে চাইনা, চাকরি বাঁচাতে চাও তো শিগ্গির ক্ষমাপ্রার্থনা করো, এবং ছমাসের জন্য ছুটিতে যাও"।

    আমি চাপে পড়ে ক্ষমাপ্রর্থনা করলাম। এবং ছুটিতে গেলাম। এবার আমার বস বা অভিযোগকারিণী সেই মেল সিধে পুলিশকে এবং মিডিয়ায় পাঠিয়ে দিয়ে বললেন, "এ হল প্রত্যক্ষ প্রমাণ, যে, লোকটি মলেস্ট করেছে। এবার একে অ্যারেস্ট করুন।"

    এটা কি আদৌ সুবিচার হল? (সে আমি মলেস্ট করি বা না করি)।
    -----------
    যদি এই কেসে অভিযুক্তের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন, তাহলে ঘটনাটা অবিকল এরকম। সোমা চৌধুরির নিজের বিবৃতি অনুযায়ীই তিনি তাঁর "ফেমিনিস্ট" আইডিওলজির কারণে তরুণ তেজপালের আলাদা ভার্সন আছে জেনেও বলতে দেননি। শোনেননি। বরং ক্ষমা প্রার্থনা ইত্যাদি করতে বাধ্য করেছিলেন (এ কোন ধরণের ফেমিস্ট আইডিওলজি আমি ঠিক জানিনা যদিও, যেখানে অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়না)। এবার চাপে পড়ে তরুণ মেল লিখলেন, এবং সেই মেল ফাঁস করে প্রথএ জনতার দরবারে এবং তারপরে আইনের দরবারে ওগুলোকে "প্রাইমা ফেসি" এভিডেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। শুধু তাইই না, তথাকথিত ফেমিনিস্ট আইডিওলজির চাকা এবার সোমাকেও রেহাই দিচ্ছেনা। "তুমি যদি সবটাই জানতে তো লোকটাকে তৎক্ষণাৎ জেলে পাঠালেনা কেন?" এই তো সোমার বিরুদ্ধে অভিযোগ। এক কথায় বললে শুধু মেয়ে বলেই অভিযোগকারিণীর কথায় অক্ষরে অক্ষরে বিশ্বাস করতে হবে শুধু এইই নয়, তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি তৎক্ষণাৎ পাইয়ে না দেওয়াও অপরাধ। সোমা এই দোষে দোষী।

    এবার তরুণ অপরাধ করেছেন বা করেননি সেটা পয়েন্ট না। প্রশ্ন হচ্ছে, এটা কি আদৌ সুবিচার? ক্রিশ্চিয়ান ইনকুইজিশনে এরকম হত। প্রথমে অভিযোক্তকে শারীরিক নির্যাতন করা হত। বলা হত দোষ স্বীকার করে নিলে নির্যাতন থেকে মুক্তি। তারপর দোষ স্বীকার করলে মৃত্যুদন্ড। এতে করে নিশ্চয়ই কিছু প্রকৃত অপরাধীরও শাস্তি হত, কিন্তু এটা কি সুবিচার? এটা তো উম্বার্তো একোর নভেলের যুগ নয়।

    (আরও লিখব অপেক্ষা করুন)
  • ঈশান | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১০:১৬621948
  • কাজেই আমার প্রথম পয়েন্ট হল, তরুণ দোষ করুন বা না করুন, ফেয়াল ট্রায়াল ইতিমধ্যেই ডিনায়েড। এটা ইনকুইজিশন-তূল্য একটা জিনিসই হচ্ছে, যেখানে শারীরিক নির্যাতনটা শুধু অনুপস্থিত। সে জায়গায় সামাজিক ও ব্যক্তিগত মিডিয়া এসেছে। এবং এসেছে আইডিওলজি। "স্টেট" নয় এক্ষেত্রে তার নাম দেওয়া হয়েছে "ফেমিনিজম"। এই ঘটনার দুই কুশীলব, সোমা চৌধুরি এবং অভিযোগকারিণী দুজনেই ফেমিনিজম এর কথা বলেছেন(যেন ওটি সমস্ত কিছুর ঊর্ধ্বে), সেজন্য ওই বর্গটি ব্যবহার করাই যাথাযথা, নইলে অন্য কোনো নাম ব্যবহার করতাম। এবং সেই আইডিওলজিকাল অ্যাপারেটাস এতই লম্বা, যে, আমরা কেউ, হয় এই ডিনায়াল অফ ফেয়ার ট্রায়াল"টা দেখতে পাচ্ছিনা, বা পেলেও বলছিনা। কিসের ভয়ে? যদি কম প্রগতিশীল হয়ে যাই। যদি ধর্ষণের পক্ষে বলে ফেলি। যদি পিতৃতন্ত্রের পক্ষে বলে ফেলি? তা যদি না হত, সোমার ওই কথা, যে, "আমি ফেমিনিস্ট বলেই তরুণের কথা শুনিনি, মেয়েটির কথা শুনেছি" এটা নিয়ে চরম সমালোচনা হত। সেটা হয়নি। আমরা মিডিয়ায় ও সোসাল মিডিয়ায় ধরে নিয়েছি, যে, ওটা জাস্টিফায়েড। যুগযুগব্যাপী বঞ্চনা হোক আর যাইই হোক, মেয়েরা অভিযোগ আনলে উল্টোদিকের কথাটা আর শোনারই প্রয়োজন নেই, কারণ, সেটা সমস্ত প্রশ্ন, সমস্ত ক্ষুদ বাদানুবাদের ঊর্ধ্বে।

    আমি এই নিয়ে একটা লেখার ইচ্ছে প্রকাশ করি, কারণ ন্যাংটার বাটপাড়ের ভয় নাই। কিন্তু সেটা এখনই হবেনা। তাই ছোট্টো করে এখানেই বলে নিই, যে, ফেমিনিস্ট হোন আর যাই হোন, "নারী" বা তার "সম্মান" ব্যাপারটাকে এরকম অল এনকম্পাসিং করে ফেলবেন না। পিতৃতন্ত্র আর "একটি মলেস্টেশনের অভিযোগ"এর পার্থক্য আছে। "একটি ঘটনা"য় ফেয়ার ট্রায়াল প্রয়োজন। সেটা ডিনাই করে কোথায় যাওয়া যাবেনা। এই প্র্যাকটিস চালিয়ে গেলে ব্যাকল্যাশ আসবেই একটা। আমার ধারণা (ধারণাই), যে, সেটার জন্য খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবেন। এই কেস শেষ হওয়ার আগেই দেখতে পাওয়া যাবে।
  • | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১০:২৬621950
  • সোমা চৌধুরির বয়ান ভুলভাল আগাগোড়াই।

    কিন্তু সোমা চৌধুরি কি তরুণ তেজপালেরও বস ছিল? আমার তো ধারণা ছিল তরুণই তহেলকা'র টপ বস? ভুল জানতাম?

    আমার ধারণা (ধারণাই) যে তরুণই সোমা এবং সোমার সো-কলড ফেমিনিজমকে খুব চতুরভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে।
  • ml | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১০:৩২621952
  • " "জনমত"ই বলুন বা কোনো "আইডিওলজি" বা স্টেট (সেও এক আইডিওলজিই হল)এর চাপে সুবিচার (ফেয়ার ট্রায়াল) যেন বন্ধ না হয়। বা বিঘ্নিত না হয়।"

    ১০০% একমত। ফেয়ার ট্রায়াল যেন কোনমতেই বিঘ্নিত না হয়। বেশ কিছু কারন আছে, সেগুলো পরে লিখছি।

    "ধরুণ, আমি একটি কোম্পানির একজন বড়োকর্তা। আমার বস একদিন সকালে আমাকে বললেন, "তোমার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আছে। অমুক বলেছে তুমি তাকে মলেস্ট করেছ"।
    আমি বললাম, "না তো, ঘটনাটা অন্যরকম"।
    বস বললেন "ওসব কিছু শুনতে চাইনা, চাকরি বাঁচাতে চাও তো শিগ্গির ক্ষমাপ্রার্থনা করো, এবং ছমাসের জন্য ছুটিতে যাও"।

    কিছু ভুল করছেন মনে হচ্ছে। তেজপাল সোমার ব্স শুধু নয়, তহেলকার ওনার। আর সোমা ছুটিতে যেতে বল্লেন আর তেজপাল রাজি হয়ে গেলেন, এটা খুবই কষ্টকল্পনা হয়ে যাচ্ছে। আপনার কি মনে হয় একটা কোম্পানির ওনারকে তার অধীনস্থ এডিটর বলতে পারেন "চাকরি বাঁচাতে চাও তো শিগ্গির ক্ষমাপ্রার্থনা করো, এবং ছমাসের জন্য ছুটিতে যাও"?

    ঐ চিঠিটা তেজপাল সোমার কথায় লিখেছিলেন, এটা মেনে নেওয়া খুব কঠিন।
  • π | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১০:৩২621951
  • অন্য একটা কথা।
    Describing the new rape law as "stringent", she said it was all the more required for her client to defend himself for which his liberty needed to be protected. A false allegation of rape can bring distress to the accused and cause equal damage to the complainant, she said.
    At this stage, the judge commented that many a time when an accused seeks anticipatory bail in such cases, they promise to marry the victim, only to retract later.

    জাজের মন্তব্যটা পড়ে একটু অদ্ভুত লাগলো। হয়তো বুঝতে কিছু ভুল করছি। অভিযুক্তরা কার কাছে এই 'প্রমিস' করে ? আর ধর্ষণের অভিযুক্তরা প্রমিস অনুযায়ী বিয়ে করলেও সেটা ঠিক হত কি ? খাপ পঞ্চায়েত তো এই রকম বিয়ে করার নিদান দেয় বলে শুনেছি। আর সুপ্রীম কোর্টের রায় অনুযায়ী বিয়ে করলেও বোধহয় অভিযোগ বাতিল হয়ে যায় না।
    এই মন্তব্যটার কারণ বুঝতে পারিনি।
  • π | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১০:৩৬621953
  • ওটা সোমার স্টেটমেন্টেই আছে, যে ওঁর ফেমিনিজমের দায় ছিল বলে উনি তরুণের অন্য একটা ভার্শন আছে জেনেও সেটাতে আমল না দিয়ে মেয়েটির ভার্শন শুনেছিলেন ইঃ। আর এই ব্যাপারে তো সোমার এক্তিয়ার তরুণের উপর ছিল বলেই মনে হয়। নাহলে কি রিজাইন করতে বলতে পারেন ?
  • π | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১০:৩৯621955
  • কোন চাপ না থাকলে, নিজে থেকেই চিঠিটা লিখে থাকলে খামোখা ওটা লিখতে গেলেনই বা কেন ? কোন উত্তর না দিলে তো কি্ছুই করার থাকতো না ! এটা আগের দিনও জিগিয়েছিলাম। আমার এখানে এখনো খটকা লাগছে। তবে, ঐ খটকাই। তার বেশি কিছু বলার জায়গায় নেই।
  • ঈশান | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১০:৩৯621954
  • ১। সোমা তরুণের বস। তিনি ছিলেন ম্যানেজিং এডিটর। এটা খবরের কাগজ পড়েই লিখছি।
    http://www.ndtv.com/article/india/tehelka-case-tarun-tejpal-changing-colours-like-a-chameleon-says-prosecution-452696?curl=1385874177
    Mr Tejpal's appearance at the Delhi airport on Friday afternoon before he boarded the flight for Goa was his first public sighting since he was accused of raping the reporter at an annual Tehelka conference in Goa earlier this month. She did not press charges, but detailed her allegations against him to her boss at Tehelka, Shoma Chaudhary, in an email that was leaked.

    ২। সোমার বিবৃতি অনুযায়ী ওই চিঠি সোমার কথায়ই লেখা হয়েছিল। আর লিংক দিলাম না।
  • Arpan | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:১৩621956
  • এটা মিস করে গেছি। ইন ফ্যাক্ট, পুরো ঘটনার দাঁড়ি-কমা-ফুলস্টপ সমেত ডিটেলস আমি ফলো করছিও না।

    সোমা এইরকম বলেছেন হয়ত ন্যাশনাল কমিশন ফর উইমেনের হাত থেকে নিজের পিঠ বাঁচাতে। হয়ত আদতে এরকম হয়ত করেনওনি। এনিওয়ে, সেটা পয়েন্ট নয়। পয়েন্ট হল, সোমার এই বিবৃতি অত্যন্ত ভুলভাল, সে কমিশনকে যতই উ করার চেষ্টা থাকুক না কেন। আর যদি সত্যিই উনি এইটি প্র্যাকটিস করে থাকেন, সেটি ইকুয়ালি ভুলভাল। সোমার জায়গায় যদি হ্যারাসমেন্ট সেল একই জিনিস করত (যদি এক্সিস্ট করত) তালে সেটিও একইরকমের ভুলভাল হত।
  • a x | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:১৫621957
  • উফ্ফ একটু দেখে শুনে লিখলে পারে তো ঈশান!!

    তরুণ তেজপাল এডিটর ইন চিফ। তেহেল্কার শেয়ার কেডি সিংহের কোম্পানী বাদ দিলে, ইন্ডিভিজুয়া শেয়ার হোল্ডিংএ তরুণ প্রায় ২০%, বাকি বাবা মা বোন আত্মি মিলে আরো ৫% মত। সোমা চৌধুরি ম্যানেজিং এডিটর। আদৌ তরুণের বস না।

    ঈশান যা যা বলছে এমনকি তরুণও তা বলেনি। তরুণের বিভিন্ন বদলাতে থাকা চিঠিতে কোথাও যৌন-সম্পর্ক অ্যাটেম্প্ট ডিনাই করা নেই। প্রথমাবারের চিঠিতে বলা যে মেয়েটি না করা সত্ত্বেও দুইবার সে এটি করে। পরের চিঠিতে বলা ব্যপারটা কনসেন্সুয়াল ছিল।
  • a x | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:১৬621958
  • but detailed her allegations against him to her boss at Tehelka, Shoma Chaudhary

    এগেইন্স্ট হিম টু হার বস - মেয়েটির বস, নট হিস বস!
  • s | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:১৮621959
  • এই পয়েন্টে মামুর সঙ্গে একমত নই।
    ফেয়ার ট্রায়াল সবক্ষেত্রেই কাম্য কিন্তু শুধু থিওরিটিক্যাল ধারণা নিয়ে থাকলে অধিকাংশ কেসে ভিক্টিম সুবিচার পাবে না। কেননা আমাদের পোড়া দেশে ক্ষমতাবান ব্যক্তি তার ক্ষমতা অপব্যবহার করে 'ফেয়ার' শব্দটাকে প্রহসনে পরিনত করবে। সে তেজপাল হোক বা গাঙ্গুলি হোক। সুতরাং আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি 'To err to the side of accused' অনেক বেটার স্টান্স। আপনার বিরুদ্ধে যদি রেপ বা মোলেস্টেশনের অভিযোগ আসে তো আপনকে প্রমান করতে হবে যে সে অভিযোগ ভিত্তিহীন। যদিও বর্তমান আইনে ভিক্টিমকেই তার বক্তব্য প্রমান করতে হয়, সাক্ষ্য দিতে হয় ঘটনাটার স্বপক্ষে। তাই যদি মিডিয়া এবং জনতা অভিযুক্তর বিরুদ্ধে সরব না হয় (আর সরব হলে অবশ্যই এই বিশ্বাসেই সরব হবে যে অভিযুক্ত প্রকৃতপক্ষে দোষীই) তাহলে ভিক্টিমের বিরুদ্ধে যে শক্তিগুলো কাজ করছে সেগুলোকে নালিফাই করা যাবে না, চাপ রাখা যাবে না। তাই এখনও পর্যন্ত 'ফেয়ার ট্রায়াল' হতে গেলে ভিক্টিমের পক্ষে একটা বৃহত্তর জনমত হওয়া প্রয়োজন।
    তা না হলে জেসিকা লাল কেসে জনমতের চাপে পড়ে মনু শর্মার পুনর্বিচার হয় না। নির্ভয়া কেসে ফাস্ট ট্রাক কোর্টে বিচার তথা আইনের সংশোধনও হয় না।
    আজকের কাগজেই আছে যে শাহজাদা বক্স বলে যে শুয়োরের বাচ্ছাটা করোয়া থানা এলাকায় বাচ্চা মেয়েটাকে (মতান্তরে গুলোকে) রেপ করেছিল, যার গ্রেফতারের দাবীতে আনিসুর গায়ে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা করল, সে উপযুক্ত প্রমান আর সাক্ষ্যের অভাবে বেকসুর ছাড়া পেয়ে গেছে।
  • a x | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:২১621961
  • কেন লিখেছে? মেয়েটির বয়ান দেখলে লেখাটাই একমাত্র ফেস সেভিংএর উপায়। তিয়া তেজপাল সহ আরো তিনজনকে এই ঘটনা প্রায় সঙ্গে সঙ্গে জানায় মেয়েটি। তিয়ার সাথে বাবার কনফ্রন্টেশন হয় এই নিয়ে, তেজপাল মেয়েটির ওপর বেদম খচে যায় মেয়েকে এসব কথা জানানোর জন্য। এই ক্লেইম গুলো যদি সত্যি হয়, এবং যদি টেক্স্টিংএর মাধ্যমে ঘটে তাহলে প্রমাণ করা অসুবিধের না। তরুণের সোমার কথা শোনা ছাড়া বিশেষ কিছু করার ছিল না।
  • ঈশান | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:২৪621962
  • হ্যাঁ, আমি ওই সেনটেন্সটা ভুল পড়েছিলাম। কিন্তু তেহেলকার হায়ারার্কি দেখেছিলাম। নীনা তেজপাল, সোমা চৌধুরি, তরুণ তেজপাল। সিওও, ম্যানেজিং এডিটর, এডিটর ইন চিফ।
    সেটা অন্য কোথাও আছে। দেখে বলছি।
  • a x | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:২৮621964
  • হ্যাঁ, এই সিকোয়েন্সে সোমা ম্যানেজিং এডিটর। ম্যানেজিং এডিটরের বস এডিটর ইন চিফ।
  • ঈশান | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:২৮621963
  • উঁহু। চাপ দেওয়া যে হয়েছিল, সেটা সোমর স্টেটমেন্টে পরিশ্কার আছে। প্রাইমা ফেসি এভিডেন্স। সেটা অস্বীকার করার কোনো জায়গা নেই।

    এবং চাপ দিয়ে লেখালে সেটাকে প্রাইমাফেসি হিসেবে গ্রহণ করা যায়ন। করলে জাস্টিস ইজ অলরেডি ডিনায়েড।
  • san | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:৩৪621965
  • ১। এস এবং পিনাকীদার সঙ্গে একমত।
    ২। ফেয়ার ট্রায়ালের আগেই ধর্ষণের অভিযোগকে অবিশ্বাস দিয়ে শুরু হওয়ার ট্রেন্ড এক্সিস্টিং সামাজিক অবস্থায় বেশ ইনসেনসিটিভ ও বিপজ্জনক বলে মনে করি।
    ৩। ইন অল ফেয়ারনেস, গসপেলের ন্যায় বিশ্বাস আর ফুৎকারে উড়িয়ে দেওয়ার মধ্যে কিছু স্পেস থাকে।
  • ঈশান | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:৩৮621967
  • এসকে। " আপনার বিরুদ্ধে যদি রেপ বা মোলেস্টেশনের অভিযোগ আসে তো আপনকে প্রমান করতে হবে যে সে অভিযোগ ভিত্তিহীন।" -- এটা কিন্তু পৃথিবীর যাবতীয় ফেয়ার ট্রায়ালের অদর্শের সম্পূর্ণ উল্টোদিকে। বড়লোকের বিরুদ্ধে গরীবের অভিযোগের ক্ষেত্রে, স্টেটের বিরুদ্ধে নাগরিকের অভিযোগের ক্ষেত্রে -- কোথাওই এর কোনো ব্যতিক্রম হয়না। হঠাৎ ধর্ষণের অভিযোগে হবে কেন ?
    মেয়েদের উপর অপরাধের ক্ষেত্রে ফেয়ার ট্রায়ালের সংজ্ঞা কি উল্টে যাবে?
  • ঈশান | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১১:৫৩621968
  • ঠিক এইটাকেই আমি বলছি ফেমিজমকে সর্বগ্রাসী একটা আইডিলজি বানিয়ে ফেলবেন না। ফেমিনিজম বা মেয়েদের অধিকার সবকিছুর ঊর্ধ্বে না। মেয়েদের উপরে অপরাধ হলেও ফেয়ার ট্রায়ালের সংজ্ঞা বদলে যায়না। জগৎ সংসার ভুলে স্রেফ মেয়েদের অধিকারকে পাখির চোখ এবং একটি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী বিষয় বলে ভাবলে কিন্তু ব্যাকল্যাশ অনিবার্য।
  • s | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১২:২১621969
  • কাফিলাতে এই লেখাটাও পেলাম।
    http://kafila.org/2013/11/29/the-tejpal-who-is-far-more-tez-kishore/#more-20658
    এই ব্যক্তি কিনি? কোন আইডিয়া?

    ঈশানকেঃ শুধু ধর্ষণ না। যেকোন ফিসিকাল আব্যুসের ক্ষেত্রে এরকম হওয়া উচিৎ। ইনক্লুডিং হোমিসাইড। নয়ত ১০০র মধ্যে ৮০ টা কেসে সুবিচার পাওয়া যাবে না। প্রাক্টিক্যালি দেখুন না বিচারব্যবস্থা। রেপ, খুন এসবের গড় বিচার সময় অন্তত ৫ বছর। হাই প্রোফাইল কেসগুলো ছেড়ে দিয়ে দেখুন। লক্ষ লক্ষ কেস পড়ে আছে কোর্টে। ৫-৭ বছর ধরে ভিক্টিম আর তার পরিবার উকিলের খরচা বইছে, কোর্টে হাজিরা দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া থ্রেট, অ্যাবডাকশান, সাক্ষী বেচাকেনা, খুন, পলিটিকাল, সোশাল প্রেশার তো আছেই। পরিবারের উপার্জনকারী ব্যক্তিটি খুন হলে ভিক্টিমের পরিবার আর্থিক কষ্টে থেকে ঘটি, বাটি বেচে মামলা লড়ছে। এটা ফেয়ার ট্রায়াল? কামদুনি ফেয়ার ট্রায়াল? মামলা তো দুরে থাক, এফাই আর করলে পুলিশের চক্করে পড়লে আরও ভোগান্তি এই ভেবে কত শ্লীলতাহানী, রেপ কেস কখনও বিচার পাচ্ছে না। এটা ফেয়ার ট্রায়ালের পরিবেশ?
    আমাদের আইন লেখা হয়েছে "Even if some wrong doers escape justice, no innocent should be punished" এই বিশ্বাসের ওপর। সম্পূর্ণ ভুল। এতে কিস্যু হচ্ছে না।অপরাধী ছাড়া পাচ্ছে আর নির্দোষ জেলে যাচ্ছে। আইন হওয়া উচিৎ ঠিক এর উল্টোটা। "Even if some innocent are pnished no wrong does should escape justice."।
    এই আর কি।
  • ঈশান | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১২:২৭621970
  • এই আইডিয়া নিয়েই এই কেসে তথাকথিত "লড়াই" চলছে নিঃসন্দেহে। তবে এটা ঠিক গণতান্ত্রিক আইডিয়া নয়, এই আর কি। আমি মনে করি, "লড়াই" চালাতে হলে "বিচার-ব্যবস্থা"র সামগ্রিক উন্নতির জন্য লড়াই করা উচিত। বিচারের মূল নীতিটাই পাল্টে দেবার শর্ট-কাট নিয়ে লাভ নেই, সে যত মহৎ আদর্শের জন্যই হোক না কেন।
  • π | ০১ ডিসেম্বর ২০১৩ ১২:৩০621973
  • 'এই ক্লেইম গুলো যদি সত্যি হয়, এবং যদি টেক্স্টিংএর মাধ্যমে ঘটে তাহলে প্রমাণ করা অসুবিধের না। '

    কিন্তু সেগুলোও তো সবই মেয়েটির দিক থেকেই অভিযোগ। তেজপাল এসবের পরেও কিছু না লিখতেই পারতেন। অন্য কোন প্রেশার বা গ্রে এরিয়া না থাকলে। খটকাটা রয়েই গেল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন