এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫৩৪৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ০৭ মে ২০১৬ ১০:৫৭669845
  • প্রশ্নগুলো সঠিক মনে হলো। শুধু প্রশ্ন হিসেবে না, অবসার্ভেশান হিসেবেও। আশা করি সুপ্রিম কোর্টের তদন্তে আরও ফ্যাক্ট বেরিয়ে আসবে। বামফ্রন্টের ক্যাবিনেট কেনো টাটাদের আবেদনপত্র ছাড়াই ৪০০ একর এক্সট্রা অনুমোদন করলো, আশা করি এই প্রশ্নরও উত্তর আদালতের তদন্তে পাওয়া যাবে।
  • cm | ০৭ মে ২০১৬ ১০:৫৮669847
  • বিশেষ করে সব পাবলিককে জানাবার জন্যই যখন এত কিছু তখন এই সরকার কেন জানালোনা সেটাই আরো আশ্চর্য।
  • PM | ০৭ মে ২০১৬ ১০:৫৮669846
  • মামলা একটা হয়েছিলো---- সরকার ব্যক্তি মালিকানার শিল্পের জন্য জমি অধীগ্রহন করতে পরে কিনা --- মনে এটা পাঅব্লিক ইন্টারেস্ট কিনা সেই নিয়ে---- সেটার রয় যদ্দুর মনে পড়ে পুরোনো সরকারের ফেবারেই গেছিলো
  • PT | ০৭ মে ২০১৬ ১১:০১669848
  • " সত্যি তো, পাব্লিকের জানার কোন অধিকার আছে নাকি? ঃ
    হয়্ত আছে কিন্তু সিঙ্গুরের আগে কিংবা পরে কোন কোন কারখানার ব্যাপারে (অন্য রাজ্য সহ) ব্যবসায়িক চুক্তি, জমি অধিগ্রহণ ইত্যাদি ব্যাপারে পাবলিককে অবহিত করা হয়েছে?

    "বামফ্রন্ট মন্ত্রীসভা দুমাসের মধ্যে টাটাদের তরফ থেকে কোন আবেদনপত্র না পেয়েও বাড়তি ৪০০ একর অনুমোদন করে দিল। "
    এই তথ্যটি কি সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণ হয়েছে?
  • dc | ০৭ মে ২০১৬ ১১:১৩669849
  • এই সরকার যে ধুর সে তো সবাই জানে! এই সরকারকে বেঞ্চমার্ক ধরা হচ্ছে নাকি? এই সরকারের কাজ (না কাজ) দিয়ে আগের সরকারকে মাপতে হচ্ছে, সেটাও আরো আশ্চর্য্য।
  • dc | ০৭ মে ২০১৬ ১১:১৪669850
  • "বামফ্রন্ট মন্ত্রীসভা দুমাসের মধ্যে টাটাদের তরফ থেকে কোন আবেদনপত্র না পেয়েও বাড়তি ৪০০ একর অনুমোদন করে দিল। "
    এই তথ্যটি কি সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণ হয়েছে?

    হয়নি তো! এটা তো বিচারপতিদের অবসার্ভেশান, যদি এই সময়ের রিপোর্ট সত্যি বলে ধরি।
  • s | ০৭ মে ২০১৬ ১১:১৭669851
  • PM দাঃ
    ১। সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহন হয় ২০০৬ সালে। সেই সময় থেকে আজ পর্য্যন্ত জমি অধীগ্রহন পদ্ধতিতে অস্বচ্ছতা নিয়ে মামলা হয় নি কেনো? প্রাশান্ত ভুষন, কল্যান ব্যানার্জ্জীরা কি করছিলেন তখন? সেক্ষেত্রে কোর্টের রায়েই অধীগ্রহন বাতীল হতো, এতো আন্দোলন লাগতো না, মেধা-অরুন্ধতীর মতো ভারাটে আন্দোলনকারীও লাগতো না। আমরাও মেনে নিতাম বেআইনী কাজ হয়েছে।
    ----------------------------------------------------------------------
    প্রচুর মামলা হয়েছে। ১০ বছর আগের কথা তাই হয়ত ভুলে গেছেন।
    হাইকোর্ট ১৮ই জানু ২০০৮ সব মামলা খারিজ করে দেয়।
    ইন ফ্যাক্ট সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে হলফনামা দিতে বলে জমি অধিগ্রহনের আইনগত দিক থেকে।

    এটা দেখতে পারেন।
    http://www.academia.edu/6171981/Study_of_Land_Acqusition_Singur>
    <http://www.dnaindia.com/india/report-singur-land-acquisition-legal-says-high-court-1145915
  • pi | ০৭ মে ২০১৬ ১১:৪৩669852
  • জমি অধিগ্রহণ নিয়ে মামলা হয়নি !!! :o :o :o

    কত কাঠখড় পোড়ানোর পর নতুন বিল চলে এল, সেই আমেণ্ডমেন্ট আটকানো নিয়ে মোদি সরকারের বিরোধিতা বানচাল হল ... এতো সাতকাণ্ড রামায়ণ পড়ে ... ঃ(
  • PM | ০৭ মে ২০১৬ ১১:৪৮669853
  • s আমি তো তাই-ই বল্লাম তো। ১০ঃ৫৮ এর রিজয়েন্ডার পশ্য ঃ) আপনার লিন্কেও বলছে--

    Jan 18:

    Calcutta HC dismisses all petitions against land acquisition. Bench observed no malafide intentions of govt. in acquiring land

    মামলা ইন্টেসন নিয়ে হয়েছে, মনে পাবলিক ইন্টেরেস্টে কিনা। প্রসেস নিয়ে বোধ হয় হয় নি
  • PM | ০৭ মে ২০১৬ ১১:৫৭669855
  • পাই, সেই মামলাগুলোর বিষয় কি ছিলো আর ফল কি হোয়েছিলো একটু বলবেন????

    কোর্ট থেকে দুটো জিনিষ বলা হয়েছিলো--

    ১। অধীগ্রহন বৈধ
    ২। পাবলিক ইন্টারেস্টেই অধীগ্রহন হয়েছে
  • dc | ০৮ মে ২০১৬ ১৪:৩৭669857
  • Name: DP

    IP Address : 127.194.14.2 (*) Date:08 May 2016 -- 12:57 PM

    সিঙ্গুর নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট শেষ পর্যন্ত কি রায় দেবে জানিনা। তবে গত ৪ঠা মে সুপ্রীম কোর্টের বিভিন্ন বক্তব্য যা পড়ছি খবরের কাগজে তা কিন্তু আমাদের দেশে ভারী শিল্প কি ভাবে হয় সেই রহস্যকে সামনে তুলে ধরছে। সুপ্রীম কোর্ট যে বিষয় গুলি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার মধ্যে প্রধান হল - ১। মন্ত্রীসভায় প্রথমে খড়্গপুরে ৬০০ একর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও টাটাদের আবেদন ছাড়া কিভাবে সিঙ্গুরে ১০০০ একর জমি তে কারখানা হবে ঠিক হল? ২। ১০০০ একর জমি জে।এল। নম্বর অনুযায়ী আগে থেকে ঠিক করে তার পরে সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণেরর সিদ্ধান্ত মন্ত্রীসভায় অনুমোদন পায়? তাহলে কি কোন জমি কিভাবে নেওয়া হবে সবটাই পূর্ব-পরিকল্পিত?
    ঘটনা হচ্ছে, সিঙ্গুর নিয়ে মামলা এই পর্যায়ে পৌছেছে তাই সুপ্রীম কোর্টের দৌলতে এই সব ব্যাপার সামনে আসছে। ভারতের যে কোন রাজ্যেই যে বড় বড় শিল্প হয়, তার জন্য জমি অধিগ্রহণ কি আদৌ নিরপেক্ষ ভাবে হয়? সেই জমি অধিগ্রহণ কি প্রভাব ফেলবে স্থানীয় অধিবাসীদের আর্থসামাজিক ভবিষ্যতে, তার পর্যালোচনা কি আদৌ হয়? বিশেষ করে আমাদের দেশে কিছু এলিট শিল্পপতি আছেন, তাদের ক্ষেত্রে? জামাকাপড় বা টিভি কি মোবাইলের মতই এখানেও ব্র‍্যান্ড ভ্যালুর দাম সমধিক। আজকে আপনার রাজ্যে শিল্প নেই। আপনি চাইছেন কোন বড় নামের শিল্পপতি কে ছিপে গাঁথতে। কারন ভবিষ্যতে এই শিল্পপতি এবং তাঁর এই শিল্পই আপনার রাজ্যের শো-পিস হয়ে উঠবে। কাজেই এই শিল্প আনতে গেলে আপনাকে রাজ্যের খেটে খাওয়া মানুষের কথা অত ভাবলে চলবেনা। এবং এটাও খতিয়ে দেখলে চলবেনা যে আদৌ এই শিল্পের সুদূরপ্রসারী সম্ভাবনা কতখানি? তর্ক করলে চলবে না কেন সিঙ্গুরের সবুজ ধানক্ষেত, কেন খড়গপুরের রুক্ষপ্রান্তর নয়? এসব প্রশ্ন করলে সেই শিল্পপতিকে আদর করে ডেকে নেওয়ার জন্য অন্য রাজ্যগুলি বসে আছে দরজা খুলে।
    ধনতন্ত্রের ওপর ভরসা করবো, বাজার খুলে বসে থাকব, অথচ ধনতন্ত্রের যারা পোস্টারবয়, তাদের আনার জন্য প্রীমিয়াম দেবনা, তা কী হয়? হয় না যে, সেটা বুঝতে কোন অর্থনীতিবিদের বক্তৃতা শুনতে লাগেনা। আমাদের মত দেশে এই পোস্টারবয়রাই সিদ্ধান্ত নেন তাঁদের কোন জমি চাই, কোন জঙ্গল চাই। কোথায় তিনি রিসর্ট করবেন, আর কোথায় তিনি কারখানা বানাবেন বা বিদেশে পাচারের জন্যে দেশের মাটি খুঁড়ে আকরিক তুলবেন। রাজনীতিক রা এই শিল্পপতিদের হাতের পুতুল মাত্র। কারন ভোটের সময় কোটি কোটি কালো টাকা চাই, চাই হেলিকপ্টার, চাই প্রাইভেট জেট।এসব তো আর কেউ ভালবেসে দেবে না। ২০ কোটি দিলে তার বিনিময়ে ২০০০ কোটির ব্যাবস্থা করে নেবে। তাতে অবশ্য রাজনীতিকদের আরো লাভ আছে। প্রতি পাঁচ বছরে সাদা খাতাতেই রাজনীতিকের সম্পত্তি ৪০ গুণ হয়ে যাবে।
    এবং এই যে শিল্প নিয়ে এত হইচই, তার বাস্তব সম্ভাবনা কতখানি, তা কোনদিন ভেবে দেখা হয় না। নইলে কি আর শালবনীতে ইস্পাত কারখানা গড়ার মত এক অলীক প্রকল্পের জন্যে প্রায় ৫০০০ একর জমি দিয়ে দেওয়া হয়। যে রাজ্যে কোন আকরিক লোহার খনি নেই, কেবল স্ক্র‍্যাপের ওপর ভরসা করে? যে কোন নতুন ইস্পাত প্রকল্পের জন্য নিজস্ব লোহার খনি অত্যন্ত জরুরি। আমাদের রাজ্যে অন্য দুটি ইস্পাত কারখানা - বার্ণপুর বা দূর্গাপুর - সেল এর অধীন। বার্ণপুরের নিজস্ব চিরিয়া মাইনস আমাদের দেশের অন্যতম প্রধান খনি যা তাদের আওতায় স্বাধীনতার অনেক আগে থেকেই আছে। মূলত এই খনির জন্যেই সেল প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে বসা বার্ণপুর কে নিজের অধীনে এনেছে। সেল রাষ্ট্রের অধীন, তাই খনি নিয়ে সমস্যা নেই। কিন্তু বেসরকারী ক্ষেত্রে এই শর্ত খাটেনা। আজ যদি কেউ পশ্চিমবঙ্গে ইস্পাত প্রকল্প করতে চায়, ওড়িশাা বা ঝাড়খন্ড বা ছত্তিশগড় তার খনি দেবে না। অন্যের খনি থেকে আকরিক কিনতে গেলে পড়তায় পোষাবে না। ঠিক এই কারনেই গুজরাটে এসার এর কারখানা এখন ঘোর সমস্যায়।
    কিন্তু ওই যে, পোস্টার বয় শিল্পপতি ! তাকে রাজ্যে আনতে গেলে মূল্য ধরে দিতেই হবে। এই পোস্টারবয় দের একটা উদ্দ্যেশ্য থাকে, সেটা হল নিজের পছন্দের জায়গাতে যত খানি সম্ভব জমি দখল করে রাখা।কবে সেখানে কি করবে তার কোন ঠিক নেই। সে জন্যে তাদের মাইনে করা পেশাদার আছে, যারা অলীক সব প্রকল্পের স্বপ্ন তৈরি করে চলেছে। নানারকম রিপোর্ট, নানা রকম স্বপ্ন। উদ্দ্যেশ্য জমি দখল। সারা দেশ জুড়েই এই খেলা চলছে।
    এইভাবেই প্রতি ক্ষেত্রেই স্বার্থ লংঘিত হয় গরীব মানুষের। রাজনীতির দালালেরা গরীব মানুষের সখা সেজে নিজের আখের গোছায় শতগুণে। আজ যে গাড়ির কারখানার জমি আন্দোলন করছে, কাল তারই পাঠানো সিন্ডিকেটের হাতে জমি-বাড়ি সব তুলে দিতে হবে। চাষী থেকে প্রথমে ভিখারি হবে, তার পর একদিন নগরের ফুটপাথে ঠাঁই। সোনার ফসল উৎপাদন হত যে হাতে, সেই হাত বাবুদের আস্তাকুঁড় ঘেঁটে ফিরবে।
  • dc | ০৮ মে ২০১৬ ১৪:৪৩669858
  • ওপরের পোস্টটা এই থ্রেডে কপি করে দিলাম কারন প্রথমে করা প্রশ্নদুটো প্রাসঙ্গিক।

    যদ্দুর মনে হচ্ছে লেখক এই সময়ের রিপোর্ট দেখে লিখেছেন। কিন্তু এই সময়ে যেভাবে বিচারপতিদের অবসার্ভেশান তুলে দেওয়া হয়েছিল এক্স্যাক্ট সেই ফর্মে নেটে আর কোথাও পাইনি। কাজেই এই সময়ের রিপোর্ট ঠিক, না অবসার্ভেশান লিখতে গিয়ে নিজেদের মতো করে জল মিশিয়েছে সেটা আমার এখনো পরিষ্কার হয়নি।

    কিন্তু রিপোর্টটা যদি ঠিক হয়, আর বিচারপতিরা সত্যিই ওরকম মন্তব্য করে থাকেন, তো বামফ্রন্ট মন্ত্রীসভার আচরন খুবই অদ্ভুত হয়েছে। টাটাদের আবেদনপত্র ছাড়াই ৪০০ একর অনুমোদন করে দিল, আগে থেকেই সিঙ্গুরের জমি সিলেক্ট করে ফেলল, আর পুরো ব্যাপারটা এতো বছর চেপে বসে রইল, সিঙ্গুর নিয়ে এতো আন্দোলন হওয়ার পরেও, এই তিনটেই পুরো গড়বড় কেস।
  • harmad | ০৯ মে ২০১৬ ১৩:০৬669861
  • একটা বিনীত প্রশ্ন। আপনারা সর্বদা এই সময়ের রেফারেন্স দেন কেন ? ওটি তো একটি বিশেষ দলের একটু পলিশড মুখপত্র।
  • Arpan | ০৯ মে ২০১৬ ১৩:১৩669862
  • কোন দলের?
  • dc | ০৯ মে ২০১৬ ১৩:২৫669863
  • "আপনারা সর্বদা এই সময়ের রেফারেন্স দেন কেন ?"

    টইতে টইতে কোটিতে কোটিতে আবাপর নিউজ আর ভিউজ চোখে পড়লো না?
  • harmad | ০৯ মে ২০১৬ ১৬:৪৫669864
  • সরি, সব টই তো দেখতে পারিনি, তবে এই সময়ের নিউজ লিন্ক ই বেশি চোখে পরে। পত্রিকা টি খারাপ না, অন্তত গোছানো ভঙ্গি তে প্রচার করে, ঐ যে ভদ্রমহিলা ভগবান ছাড়া কাউকে ভয় পান না, তার মতো নির্লজ্জ চাটুকারিতা অবশ্য করে না।
  • dc | ০৯ মে ২০১৬ ১৬:৫৭669866
  • একটু সময় নিয়ে কয়েকটা টই পড়ে দেখতে পারেন। আবাপঃএই সময়ের রেশিও ১০ঃ১ এর কম দেখতে পেলে বলবেন।
  • cm | ১০ মে ২০১৬ ০৮:২৪669869
  • শিল্পের জন্য বামসরকারের একধরনের বেপরোয়া মনোভাব। শিল্পবিমুখ বলে দুর্নাম ঘোচাবার জন্যই হয়ত। শিল্পের প্রয়োজনীয়তা যে যেভাবে অনুভব করবেন তিনি সেভাবে সরকারের মূল্যায়ন করবেন।
  • sm | ১০ মে ২০১৬ ০৮:৩৩669870
  • বে পরোয়া খয়রাতি, বললে ভালো হতো না?এতোটা বশংবদ হবার ঠিক কি দরকার ছিল?শিল্পপতিদের বা বুর্জুয়া দের শ্রেণী চরিত্র তো বামেদের ই সব থেকে ভালো জানার কথা।এখন তো ওনারা বলছেন; আমরা কিছুই জানতেম না!
    কৃষকদের ভূমি অধিগ্রহণ, শিল্পপতিদের জন্য এতো দরদ; সব ই তো মূল আদর্শের পরিপন্থী! এতো বড় দলে গর্জে ওঠার মত প্রাচীন পন্থী নেতা ছিল না?
  • কল্লোল | ১০ মে ২০১৬ ০৮:৩৫669871
  • কারুর মনে হতেই পারে শিল্প চাই। তর জ্ন্য নিয়ম নীতি, মানুষের স্বার্থ(যে মানুষের জমি/জীবিকা হারাচ্ছেন) এগুলো জ্লঞ্জলি দেওয়া যায় না।
    শিল্প করে দেবো বলে টাটারা যেটা ক্রেছে সেটা এক্ধরনের ব্ল্যকমেলিং। বাম সরকার অসহায় হয়ে তার কাছে মাথা নুইয়েছে।
    আমার ধারনা টাটাকে খড়্গপুর নিয়ে চাপ দিলে টাটা রজি হতো।
  • dc | ১০ মে ২০১৬ ০৮:৩৭669872
  • এই সময়ের রিপোর্টে দেখলাম, "বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রশাসন যুক্তি সাজায়, সিঙ্গুরে ন্যানো কারখানা হলে বহু ছেলেমেয়ের চাকরি হবে, শিল্পায়নের জোয়ার আসবে"। এই যুক্তির সাথে আমি একমত। এই কারনেই মনে হয়েছিল ২০১১ সালে সরকার বদলানোটা আরেকবার ভুল হয়েছিল, কারন বুদ্ধবাবু বহুবহুকাল পরে পবর গ্রোথের জন্য শিল্পের প্রয়োজনীয়তা বুঝেছিলেন, বড়ো প্রোজেক্ট আনতে চেয়েছিলেন। আর দেশের বাকি সব রাজ্যে যেখানে বড়ো শিল্প হচ্ছে তখন পব কেন "পুঁজিবাদের ষড়যন্ত্র" ইত্যাদি খুড়োর কলের পেছনে ছুটবে সে তখনো বুঝিনি, এখনো বুঝতে পারিনা। তবে এটাও বলবো, এখন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসার্ভেশানে দেখা যাচ্ছে যে সেই সময়ে ক্যাবিনেট নিজেরাই, টাটাদের তরফে আবেদনপত্র ছাড়াই, ৪০০ একর জমি এক্সট্রা দিয়ে দিয়েছিল, এটাও গড়বড় কেস। এটার তদন্ত অবশ্যই হওয়া উচিত।
  • T | ১০ মে ২০১৬ ০৮:৩৮669873
  • তা কল্লোলদা, এইসময়ের যে লিঙ্ক দিয়েছ তাতে গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য দেওয়া আছে সেটি দেখেছ নিশ্চয়ই। :)
  • dc | ১০ মে ২০১৬ ০৮:৪৫669874
  • "আমার ধারনা টাটাকে খড়্গপুর নিয়ে চাপ দিলে টাটা রজি হতো"

    এখন দেখা যাচ্ছে টাটারা নিজেরাই প্রথমে খড়গপুর সিলেক্ট করেছিল, সেক্ষেত্রে বুদ্ধবাবুর সরকার টাটাদের বলতে পারত ওখানে কারখানা করতে। তবে ইন জেনারাল ওনার সরকার কোনভাবেই কোন শিল্পপতিদের চাপ দেওয়ার জায়গায় ছিলেন না, কারন তার আগে অন্তত দু দশক ধরে জ্যোতিবাবুর খুড়োর কল মার্কা নীতি পবর শিল্পের সর্বনাশ করে দিয়েছিল। ক্যাপিটাল ফ্লাইট হয়েছিল, কোন শিল্পপতি বাংলায় আসতেই চাইতো না, তার পর তো চাপের প্রশ্ন। এমনকি বুদ্ধবাবুকেও সিটুর মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়ন সামলাতে হয়েছিল, সেই সময়ে বুদ্ধবাবু আর বিমান বসু ট্রেড ইউনিয়নিজম বাগে আনবার জন্য বেশ কয়েকবার আবেদনও করেছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে যে বুদ্ধবাবু আউট অফ দ্য বক্স ভাবতে পেরেছিলেন আর কিছু করার জন্য এগিয়েছিলেন সেটা যথেষ্ট প্রশংসনীয়। বুঝেছিলেন, একটা দুটো বড়ো প্রোজেক্ট করতে পারলে আসতে আসতে পবর ক্রেডিবিলিটি ফিরে আসবে। আর অন্য সব রাজ্যেই যেখানে বড়ো প্রোজেক্ট হচ্ছিল সেখানে পব কেন হঠাত উটপাখির মতো মুখ গুঁজে থাকবে এই প্রশ্নেরও সমাধান করতে চেয়েছিলেন বুদ্ধবাবু। লাস্ট অবধি পারেন নি।
  • lcm | ১০ মে ২০১৬ ০৯:২০669875
  • টাটা-রা পশ্চিমবঙ্গের শিল্প সম্ভাবনা ডুবিয়ে দিল।

    দ্যাখেন, আপনেরা কেউ দোষ দ্যান মমতা-কে, কেউ বুদ্ধদেব-কে, কেউ মেধা-অনুরাধা দের, কেউ জ্যোতি বোস-কে, কেউ নকশালদের, কেউ শাঁওলি-অপর্ণাদের, কেউ হাইকোর্টকে, কেউ ব্রিটিশদের, কেউ সুপ্রিমকোর্টকে ---- কিন্তু টাটাদের কেউ দোষ দেবে না এটা ক্যামন কথা, নইলে সেই নাসিরুদ্দিনের গপ্পের মতন হয়ে যাবে।

    তাই, আমি দোষ দিলাম টাটা-দের।

    হল দোষারোপের ষোলো কলা পূণ্য।
  • দেবব্রত | ১০ মে ২০১৬ ০৯:২২669878
  • বুদ্ধ বাবু যে সমস্ত শিল্প আনতে চেয়েছিলেন - তা হোল মটরগাড়ি, কেমিক্যাল হাব, আয়রন ওর না থাকা স্বত্বেও শালবনি তে হাজার একর জমি, সালিম গোষ্ঠীর সাহায্যে বারাসত থেকে উর্বর জমির রাস্তা ধরে রায়চক পর্যন্ত রাস্তা তৈরির অবাস্তব পরিকল্পনা, বিনিময়ে হাওড়ায় কয়েকশো একর জমি রিয়েল এস্টেটের জন্য উপঢৌকন। নিয়ো লিবারেলিজম এর দৌড়ে পিছিয়ে পড়া ছাত্রের অন্য রাজ্য কে ধরার জন্য প্রাণপণ বুদ্ধিহীন নীতি হীন দৌড়। অন্যদিকে যা হয়েছিল তা আদতে গুচ্ছের স্পনজ আয়রন, অথচ একই সময়ে উত্তরবঙ্গে ১২-১০ টি চা বাগান বন্ধ, চা শিল্প ফড়ে দের হাতে চলে যাওয়া অন্যদিকে দিনাজপুর /জলপাইগুড়ি জেলা জুড়ে খাস জমি /আদিবাসী জমি দখল করে পরিকল্পনাহীন অসংখ্য চা বাগান গড়ে ওঠা। কাজ কর্ম দেখে বুদ্ধ বাবুকে শিল্প এবং উন্নতি ইত্যাদি বিষয়ে আমলা অথবা শিল্পপতি লবি দ্বারা পরিচালিত এক অসহায় পরিচালক বলেই মনে হচ্ছে। ওনার এই নিয়ো লিবারেলিজম এর দৌড়ে অন্যদের ধরতে যাওয়ার তাড়া'র ফল পশ্চিমবঙ্গ বিগত ৮ বছর ধরে ভুগেছে এবং হয়ত আগামী আরও কয়েক বছর ভুগবে। যদি জোট আসেও জমি নিয়ে ভারী শিল্প নিয়েও খুব বেশী কিছু এগোতে পারবেনা -জমি দেবনা এই সুর পশ্চিমবঙ্গে আপাতত বাঁধা হয়ে গেছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন