এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pipi | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০৩:০৪305310
  • না, ভয়ে (মনে হয়)। অথবা পরাজিতের প্রতি সম্মান দেখাতে কিছুটা কমপ্রোমাইসঃ-)
  • a x | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০৩:০২305309
  • গামছটা কি নীরব প্রতিবাদে? ঃ-))
  • pipi | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:৪৮305308
  • হায় আমায় কেউ কখনো ধোতিকাট দেয় নি অথচ খুব শখ ছিল পরারঃ-(
    আমার বাবা বাড়ীতে থান ধুতি দু হাত ফেরতা দেওয়া করে পরতে খুব পছন্দ করত - বলত পরে আরাম। মা'র আবার ছিল লুঙ্গীর উপর টান (তা বলে ভাববেন না চেক লুঙ্গী - চেক লুঙ্গী নাকি ইসলামিক ইউনিফর্ম!)। কিন্তু এই একটি ব্যাপারে মা বাবাকে কিছুতেই নিজের জায়গা থেকে টলাতে পারে নি। মধ্য জীবণে এসে বাবা পাজামার দ্বারস্থ হল এবং সামহাউ মা সেটাকে মেনেও নিল। কিন্তু যতই দিন গেল,মানে, বাবা প্রৌড়ত্ত্বের দিকে এগোতে থাকল, মা সশঙ্কিত হয়ে দেখল পাজামার লেন্থ বয়সের সাথে সাথে ব্যাস্তানুপাতে কমছে। তারপরে আরোই আতঙ্কিত হয়ে পড়ল যখন বাবা বারমুডা ধরল! তারপরে তো লাগল গুঁতোগুঁতি। মা, বাবাকে নিদেনপক্ষে ধুতিতেই ফেরাতে তৎপর, আর বাবা বারমুডার আরামে থাকতে বদ্ধপরিকর! উফ! সে এক দিন গেছে বটে।
    তারপরে কি করে কি হল জানি না (মনে হয় মা'র মঠের বান্ধবীদের সুপরামর্শে), মা ব্যাপারটাকে বুড়ো বয়সের ভীমরতি বলে জাস্ট ইগনোর করে দিল!
    আর বাবা, এমন খোলা মাঠে বিনা প্রতিরোধে যুদ্ধ জিতে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে কি করবে ভেবে না পেয়ে স্রেফ গামছা পরে কিছুদিন চালিয়ে দিল! (তা বলে ভাববেন না জালি গামছা! এ হল উড়িষ্যার ইস্পেশ্যাল বর্ডার দেওয়া খাপি গামছা - ভারী চমৎকার জিনিস)।

    এবারে বাড়ি গিয়ে দেখলাম বাবা ব্যাক টু বারমুডা আর মা ম্যাক্সি। গৃহশান্তি বিরাজমান।
  • Atoz | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:২৩305307
  • তবে সুলতানা সালোয়ার-কামিজটে আমার খুব প্রিয় ছিল। এইটা সেই "ক্ষুধিত পাষাণ" পড়ার পরে কল্পনার সঙ্গে মিলিয়ে বানানো, কামিজটায় নানাবিধ জরি টরি আর সালোয়ার ঠিক যেমন রবিদাদু কয়েছিলেন ক্ষুধিত পাষাণের ইরাণী মহিলার যেমন ছিল। ঃ-) সঙ্গে একটা ওড়না ছিল তার দুপ্রান্তে রেঙীন রেশম সুতোর ঝুলুরি ঝুলুরি।
    ঐটা খুব কাজে লেগেছিল পাড়ার রবীন্দ্রজয়ন্তীতে "দালিয়া" নাটকে। আমিনার দিদি জুলেখার চরিত্র যে করেছিল সে ঐটে পরেছিল। কেন কেজানে মাথায় একটা জরির পাগড়ী এক্স্ট্রা পরেছিল। ঃ-)
  • san | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:১৭305306
  • :-)
  • Atoz | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:১৬305305
  • স্যান,
    এমনকি আমারো এক ধোতিকাট জুটে গিয়েছিল সেইবারে, কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই ছিঁড়েবিড়ে নিকেশ হয়ে যাওয়ায় বেঁচে যাই। ঃ-)
  • san | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:১৫305304
  • আমিও পেয়েছিলাম।
  • Atoz | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:১৪305302
  • আলগা কাপড়(শাড়ী, ধুতি, উত্তরীয় ইত্যাদি) এইসব জিনিস নানা কায়দায় পেঁচিয়ে, কুচি দিয়ে, গুঁজে পরার যে একটা কম্প্লীট প্যাকেজ ও গ্ল্যামার, সেটা জামা-প্যান্টে হয় না। জামা প্যান্ট হলো খোলসের মতন, গায়ের উপরে সেঁটে ঝুলিয়ে রাখা।
  • san | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:১৪305303
  • শুধু প্রেয়ারের ভয় না, ধুতি আর প্রেয়ারের যুগপৎ সাঁড়াশি আক্রমণের ভয়ে :-)

    এতোজ ঠিক ঠিক সেই ধোতিকাট, সেই পুজো :-)
  • Atoz | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:০৯305300
  • একবার ধোতিকাট বলে একরকম স্টাইল বেরিয়েছিল সালোয়ার কামিজের, সেবারে পুজোয় বেশীরভাগ মেয়েই ধোতিকাট পেয়েছিল। কিন্তু ঐ স্টাইল বেশীদিন চলে নি।
  • | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:০৯305301
  • এরা কেউ আমাকে পছন্দ করে না, নইলে এই বাঁটকুলে চেহারায় পায়ে ঐরম জরির তাপ্পিমারা প্যান্ট পরাতে চায়!!!

    (আকুলিবিকুলি করে কান্না)
  • Abhyu | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:০২305297
  • প্রেয়ারের ভয়ে নরেন্দ্রপুর ছেড়ে গেল??? সে কি রে? প্রেয়ার হলে যেতে হওয়াটা খুব একটা বাধ্যতামূলক না, গেলেও ঘুমোনোটা আবশ্যিক :)
  • | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:০২305298
  • আমার বয়সীদের মধ্যে একটা ছেলেকেই জানি যে প্যান্ট ত্যাগ করে ধুতিতে ফিরে গেছে। তাকে নধর গদাইয়ের মত লাগে। মেয়েদের কলেজে সে পড়াতে যায়ঃ)
  • Abhyu | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০২:০১305296
  • তবে স্বীকার করে নি, ফাঁকা বাসে উঠতাম :)
    ধুতি পরতে আসলে খুব আরাম, একবার পরা শিখে নিলে আর ভয় থাকে না।
  • Abhyu | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৫৯305294
  • দ্রোণদেব আমাদের ব্যাচের একটা ছেলের নাম।
    ধুতি ঠিক করে পরতে জানলে দড়ি বেল্ট কিছুই দরকার হয় না।
    এখনো আমি আটলান্টায় পুজোর নাটকে দরকার মতো ধুতি পরিয়ে থাকি। কারো কখনো খোলে নি।
  • | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৫৯305295
  • পিপিঃ)))
  • san | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৫৮305293
  • দ্রোণদেব ধুতি নয়, দ্রোণদেব অন্য একটা লোক।

    অভ্যুদার পোস্টটা কাল একজনকে পড়াতে হবে। সে ধুতি আর প্রেয়ারের ভয়ে নরেন্দ্রপুর ছেড়ে চলে এসে এমনি একটা ইস্কুলে ভত্তি হয়েছিল।
  • pipi | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৫৭305292
  • দড়ি বলতে মনে পড়ল।
    কলেজ থেকে একমাসের ট্যুরে দক্ষিণ ভারতের জঙ্গলে নিয়ে গিয়েছিল। মেয়েদের বলা হয়েছিল জিন্স বা ট্রাউজার (নট ঢোলা পাজামা) মাস্ট। সেই আমার প্রথম জিন্স পরা। তার আগে জিন্সের কথা উঠলেই বাড়ীতে অশান্তির ঢেউ বয়ে যেত - কারণ উটি নাকি অপসংস্কৃতি।
    তো মা'র অনেক ফোঁসফাঁস তর্জন গর্জন এর পরেও জিন্স কেনা হল কিন্তু প্যান্ট পরতে যে গেলে যে বেল্টও লাগে সেটাই কারোর জানা ছিল না। অতএব গোটা একমাস স্যারের দেওয়া একগাছি দড়ি সম্বল করে কেটে গেল ঃ-)
  • | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৫৫305291
  • আমার এখন খুব ধুতি পরতে ইচ্ছে করে। কিন্তু সেতো আর হবার নয়ঃ)
  • rabaahuta | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৫৩305290
  • ধুতি পড়ে বাসে চড়ে গড়িয়া? খুবই দুঃসাহসিক। আর দ্রোণদেব ধুতি আবার কি?
  • | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৫২305289
  • ধুতি দড়ি দিয়ে বাঁধতে না বেল্ট?
  • | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৫০305287
  • ভেবে দেখলাম এখন কেবল কালো শাড়ি আর নীল কুর্তা কিনি!! এইবারও কিনেছি!
  • pipi | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৫০305288
  • হা হা হা হা মিঠুদি একদম ঠিকঃ-) দিব্যি মনে আছে দোকানী মা'কে যত ডিপ কালারের শাড়ি জামা ঢেলে ঢেলে দেখাচ্ছে আর বর্ণণা করছে কি অপূর্ব মানাবে মাকে (ক্ষেত্র বিশেষে আমাকে) আর মার চোখ আর হাত খালি হাল্কা রঙ হাতড়ে যাচ্ছে।
    শেষমেষ যখন ঐ রঙের ঝর্ণা থেকে মা একটি কি দুটি ক্রীম/বেজ/পেল ইয়েলো এইসব নিয়ে উঠে দাঁড়াত, দোকানীর মুখটাও ঐ দিজ কাইণ্ড অব স্মল হয়ে যেতঃ-)

    বাই দ্য ওয়ে, আমার দিদিমাও যে এই এক গোত্রীয় সেটা নিশচয়ই বলে দিতে হবে নাঃ-)
  • Abhyu | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৪৯305285
  • আপনারা শাড়ি শাড়ি করেই মরলেন। এই যে আমি দিব্যি ধুতি পরে সাইকেল চালাতাম, বাসে চড়ে গড়িয়া যেতাম, দ্রোণদেব ধুতি আর সাদা জামার উপর অ্যাপ্রণ পরে কেমিস্ট্রি প্র্যাকটিক্যাল করত, সে সব কবে অ্যাপ্রিশিয়েট করবেন?
  • | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৪৯305286
  • সবুজ আমার খুব প্রিয় রং। টিয়াপাখি মার্কা সবুজ খাদির কাপড়ের কুর্তাও পরেছিঃ)
  • rabaahuta | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৪৭305284
  • মন্টুকাকুর পদবী মহলানবীশ। তিনি তাঁর যৌবনে, পঞ্চাশের দশকে, একটি রঙীন শার্ট কিনেছিলেন। মন্টুকাকুকে জনান্তিকে তাই মহিলানবীশ বলা হতো।
    মন্টুকাকু অবশ্য আমার কাকু নন, দাদু। কিন্তু বর্ণময় চরিত্রদের দাদু বলতে কেমন লাগে।
  • a x | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৪৫305283
  • বাবার ধারণা ছিল অতীব সুন্দর শাড়ি ওটা। টিয়াপাখি রং আর কমলা কমলা বড় বড় ফুল। পুরো চোখের সামনে নিওন আলোর মত জ্বল জ্বল করছে শাড়িটা ঃ-))
  • | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৪৪305282
  • পিপির কথায় মনে পড়লো, অধিকাংশ লোকের ধারণা (ছিলো) ফর্সা দের গাঢ় রং আর কালোদের হালকা রং মানায়। কালো মেয়ে লাল শাড়ি কিনতে চাইলে লোকে হাহা করে উঠতো, বরজোর হলুদ- তার বাইরে যাবতীয় ফ্যাকাশে রংঃ(
  • san | ২৯ জুলাই ২০১৫ ০১:৩৯305280
  • এই কবছর আগেই আমার ছোটোবেলার বন্ধুর মা-কে তাঁর নাতনীর অন্নপ্রাশনে লাল ঢাকাই জামদানী ( মানে জমিটা লাল) পরতে দেখলাম। বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা - ভারি সুন্দর দেখাচ্ছিল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত