এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • san | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৩৫30629
  • হুতোদা, এইটা যে আমারো মনে হয়না তা না। পরীক্ষা নিয়ে কোন চিন্তাও হলনা কোনদিন, সিরিয়াসনেসও আসলনা। ইচ্ছে হল পড়লাম, না ইচ্ছে হল পড়লাম না। আদ্ধেক না পড়া পড়ে রইল। কোনোটায় চল্লিশ পেলাম তো কোনোটায় আশি। খেটেখুটে চল্লিশকে ষাট বা ইভন আশিকে একশো করা যায় কিনা কখনো চেষ্টাই করে দেখলাম না।

    দেখলে হয়তো ভালোই হত, এখন মনে হয়।
  • ব্যাং | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৩৫30630
  • এই রাখীউৎসব আমাদের স্কুলেও ছিল। রাখীর এক মাস আগে থেকে শুরু হত তোড়জোড়। হাতিবাগানের দোকান থেকে সব স্বপ্নিল প্যাস্টেল শেডের শিফন সুতো কিনতে যেতাম সবাই। আর তার সাথে পুঁতি, চুমকি, জরির ফিতে, কাপড়ের ফুলের পাপড়ি এই সব ডেকোরেশন। তারপরে এক মাস ধরে ব্রাশ করা। স্কুলবাসে, স্কুলে পুঁছে অ্যাসেম্বলির আগে, ক্লাসের ফাঁকে, ক্লাসের ভিতরেও, ডেস্কের তলায় হাত রেখে দিদিমণির চোখে চোখ রেখে পড়া শোনার ভান করে ব্রাশ করে যাওয়া, টিফিন টাইমে, কখন নয়! ক্লাস থ্রী-ফোর থেকে বড় দিদিদের দেখাদেখি হাতে খড়ি হত রাখে বানানোর। তখন তো হাতে পয়সা বেশি থাকত না, তাই শুধু কয়েকজন প্রিয় বন্ধু ছাড়া আর কউকেই রাখি দেওয়া যেত না, তবে সবাইই চেষ্টা করত নিজেদের পছন্দের সব দিদিমণিদের নিজেদের হাতে বানানো রাখী পরাতে। আর কোনো কোনো দুঃসাহসী ক্লাস ফোর-ফাইভ চেষ্টা করত ক্লাস নাইন-টেনের যেসব দিদিকে খুব খুব ভালো লাগত, টিফিনটাইমে তাদের খুঁজে বার করে রাখী পরিয়ে আসতে। ক্লাস সেভেন থেকে রাখী এক মহোৎসব। নিজের সেকশনের সব মেয়েকে, অন্যান্য সেকশনে যেসব প্রিয় বন্ধুরা আছে তাদের, স্কুলবাসের ভালো লাগা জুনিয়র বোনদের এবং সিনিয়র দিদিদের, নিজেদের ক্লাসের সব দিদিমণিদের, আর পিছনের ক্লাসগুলোয় ফেলে আসা প্রিয় দিদিমণিদের, আর হেডমিস্ট্রেসকে তো অতি অবশ্যই। টিফিনটাইমে দল বেঁধে প্রাইমারির বিল্ডিংয়ে যাওয়া হত প্রাইমারির দিদিমণিদের রাখী পড়াতে। সবচেয়ে কষ্ট হত টিফিনটাইমে, যখন ক্লাস ওয়ান-টুয়ের কুচোগুলো এসে বলত "দিদি, আমাকে একটা রাখী দেবে? আমাদেরকে কেউ রাখী দেয় না।" এদিকে নিজেদের হাত থেকে খুলে কোন রাখিটা দেব, সবগুলৈ তো কোনো না কোনো প্রাণাধিক বন্ধু পরম যত্নে এক মাস ধরে বানিয়েছে। ছুটির পরে বাড়ি যাওয়ার আগে সবাই হেঅমিস্ট্রেসকে একবার দেখতে যেত, উনি দুই হাতে কাঁধ অব্দি অসংখ্য রাখি পরে হিমসিম খেতেন, তবু একটিও খুলতেন না প্রাণে ধরে।
  • | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৩৫30631
  • **পরিয়ে
  • | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৩৩30627
  • অভ্যু, আমার ছোটবেলায় বড়দের পায়ে আবির দিয়ে পেন্নাম ঠুকতে হতো-আর কিছুর অনুমতি ছিলো না। সমবয়েসি কয়েকজনের সঙ্গে বালতি তে রং গুলে নিজেরাই নিজেদের রং দিতাম। বাসনা ছিলো,রাস্তায় গিয়ে দোল খেলার। অনুমতি ছিলো না। রাস্তা দিয়ে দৈবাৎ দু চারটে ভালো লোক যেত- তারা দাঁড়িয়ে বলতো, আচ্ছা দাও, বেশি দিও না- ফলে বেলা এগারোটা নাগাদ গেটের সামনে দিয়ে যাওয়া গোরু, কুকুর,ছাগল এদের সঙ্গেই দোল খেলা জমতো।
    আজ রাস্তায় লোক দেখলেই চেনা নেই জানা নেই ধরেবেঁধে রাখি গছিয়ে দেওয়া শুনে দোলের দিনের সেই অভিজ্ঞতা মনে পড়ে গেলো।
    সবটাই আনন্দের অভিব্যক্তি। কেউ গোরুর গায়ে রং দিয়ে পেয়েছে, কারুর আবার যে কোনো লোককেই রাখি পড়িয়ে হচ্ছে;)
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৩২30626
  • বাঃ, এটা ভালো কেস ঃ)

    হু হে, সেও ঐ পেন্নামের মতই ডিলেমাজর্জর কেস যার সমাপ্তি মধুর নহে ঃ(
  • a x | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৩০30625
  • আমাকে দিয়ে মা একবার একজনকে ভাইফোঁটা দিইয়েছিল। মা'র মনে সন্দো হয়েছিল। ঠিকই ছিল সন্দোটা। সকালবেলা ভাইফোঁটা দিলাম। কি একটা গিফটও পেলাম, বিকেলবেলা গড়িয়াহাটার মোড়ে অপেক্ষাও করলাম।
  • স্ত্গ্ব্র | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:২৯30624
  • তা থাকতেই পারে। স্যাংচুয়ারিটাই তো সোনানাদি।
  • hu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:২৬30622
  • এদিকে গুগুল বলছে সোনানদী নামেও একটা নদী আছে।
  • san | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:২৬30623
  • থ্যাংকু ঃ-))))
  • র২হ | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:২১30620
  • পরীক্ষাভীতিটইয়ে আজাইরা কথা লেখার মানে হয়না।

    আমার কোন কালে পরীক্ষা ভীতি ছিলনা। জীবনে প্রথম পরীক্ষা দিয়ে খাতা নিয়ে বাড়ি চলে এসেছিলাম, যুক্তি ছিল, কেউ তো চায়নি। উত্তরও লিখে আনতাম না কোন দিন, সময় পাইনি, ভুলে গেছি, এইসব বলে কাটিয়ে দিতাম।
    তবে এখন নিজের কেরিয়ারগ্রাফের করুণ দুরবস্থা দেখে মনে হয় একটু ভীতি থাকলে আখেরে ভালোই হত।
    এই ভীতি তথা সিরিয়াসনেস বাড়ানোর জন্যে এমনকি একবার আংটিও পরে ফেলেছিলাম, লোকজন জানে। কিন্তু কিছুতেই কিছু হলো না।

    জ্যোতিষের টইয়ের জন্যেও এসব আজাইরা কথা।
  • স্ত্গ্ব্র | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:২১30621
  • মাইরি কি রেপু বানিয়েছি!!

    এই হল কণ্বাশ্রম দিয়ে বয়ে যাওয়া মালিনী নদীর ছবি।

    http://www.flickr.com/photos/chippuabraham/48190894/

    এবার হল?
  • hu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:২০30619
  • আরে এইসব পোস্ট পড়ে আমার রীতিমত হীনমন্যতা হচ্ছে। আমি তো জানতামই না রাখী একটা নিজে হাতে বানাবার জিনিস। ইলেভেনে উঠে যখন কলকাতার কালেজে ভর্তি হলাম তখন সেই শান্তিনিকেতনের বন্ধুকে প্রথম দেখলাম হোস্টেলের ঘরে বসে রাখী বানাচ্ছে। তাও আবার প্রেমিকের জন্য। এই শহর জানে আমার প্রথম সব শক...
  • san | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১৯30618
  • এখন আমি আউটলুক ট্রাভেলারের দিল্লির বই কোথায় পাব?
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১৭30617
  • পিপি, ক্লাসের ফাঁকে আমাদেরও ছিল। আর ক্লাসের শেষে সে সুতোর কুচি আমাদেরই ঝাঁটাতেও হত ঃ)
    তবে স্কুলবাসটা ছিল মুখ্য সময়। তাছাড়া ঐ সময় এ ওরটা, সে তার রাখি ব্রাশ করছে, হাত বদল হতে হতে হয়তো বাসের লাস্ট সিটে বসা আমার রাখি চলে গেল সেকেন্ড সিটের অনিন্দিতাদির কাছে। যার যেটা ভাল লাগতো, টেনে ব্রাশ করতে শুরু ক'রে দিত। বাস থেকে নামার সময় স্ব স্ব রাখি উদ্দ্ধার, সেও এক প্রোজেক্ট ছিল। তবে, শিল্পকর্ম সব জমানো থাকতো আগের রাত্তিরের জন্য। সেদিন বাড়িতে ঐ ওয়ার্কেডুকেশনের প্রোজেক্ট জমা করার প্রাক্কালীন তৎপরতা ও সাজো সাজো রব।
  • pipi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১৬30615
  • আর আমার রাখী শিল্পনৈপুণ্য এমনই তাক লাগানো ছিল যে কেউই সে রাখী পরতে চাইত না। হাতে বেঁধে দিলে খানিক পরেই খুলে ফেলত। মা এই একটি সূচীশিল্পে কোনমতেই মাথা গলাত না। অগত্যায় জমানো পয়সা আর বাবার কাছে চেয়েচিন্তে পাওয়া কিছুমিছু দিয়ে রাখী কিনেই দিতাম। কিন্তু অত রাখী কেনার জন্য পহা জুটত না সব সময় ফলে ঘ্যানঘ্যান, কান্নাকাটি ও ছপটিঃ-(
  • hu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১৬30616
  • পাই, পেন্নামের পরে কি কি হল, রাখী বাঁধা হল কি হল না জানতে মঞ্চায়।
  • স্ত্গ্ব্র | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১৫30613
  • কণ্বাশ্রম এখনও বিশ্বাস হল না?
  • san | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১৫30614
  • শিশুটকে লেখো না খানিক !

    পিপি ক্লাসের ফাঁকেও একটু আধটু হত। ব্রাশ করে করে নরম করা। কাউকে কখনো কেনা রাখী পরিয়েছি বলেই মনে পড়ে না।
  • র২হ | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১৪30612
  • সত্যি বলতে আমিও মৌলবাদীই পড়েছিলাম প্রথম- তবে আমি বোধয় সিকির পোস্টটা আগে পড়েছিলাম।

    এদিকে স্যানের পোস্টে সায়নদা দেখে কাটিয়ে দিচ্ছিলাম, আমি নই ভেবে ঃ)
  • siki | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১২30610
  • এ হে হে হে হে। আমি মৌলবীকে মৌলবাদী পড়ে ফেলেছিলাম। ভেরি ভেরি সরি। ঘুম্পেয়ে গেছিল বোধ হয়।
  • র২হ | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১২30611
  • ভালো আছে সব- সোহাগ অনেক কথা বলতে শিখে গেছেঃ)
  • pipi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১১30608
  • আমরাও ইক্কুলে মেয়েরা মেয়েদের রাখী পরাতাম। তার জন্য হপ্তা দু-তিন আগে থেকে রেশমী সুতো, জরি ইত্যাদি প্রভৃতি কেনার ধূম পড়ে যেত। আর তারপর তো আছেই সেই সুতো ব্রাশ করা - ঐ পাই যেমন লিখল। তবে আমরা করতাম ক্লাসের ফঁকে, ফাঁকে। মানে, বেসটা তৈরী করে রাখা আর কি। সেই বেসের উপর শিল্পকর্ম ইত্যাদি হত বাড়িতে।
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১১30609
  • আরে মনে পড়লো। বড় বড় রাংতা দেওয়া রাখি আমি পেতুম ! বাবার ইস্কুলের দারোয়ানজী, পাঁড়েজীর মেয়ের থেকে। এবার মনে পড়ছে না, সেটা বাবার রাখি ছিল নাকি দাদার জন্য পাঠানো। জিগাতে হইব।
  • san | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:১০30607
  • সায়নদা, সুতোদি কেমন আছে? সোহাগ?
  • র২হ | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:০৯30606
  • তখন আগরতলা হাল্কা রাবীন্দ্রিক টাইপ ছিল। দোল পনেরৈ আগস্ট এইসব সময় রবিগান গেয়ে প্রভাতফেরী ইত্যাদি করতো পাড়ার ক্লাবের যুবকবৃন্দ। তারজন্যেই কিনা কে যানে। একে ছোট জায়গা, তারওপর ত্রিপুরার রাজারা সব রবীন্দ্রভক্ত, আর কলেজ টলেজে সব শান্তিনিকেতনী লোকজনকে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হতো।
    আমরা বড় হতে হতে অবশ্য এইসব চলে গিয়ে সাম্যবাদ ফিরে আসে।
  • pipi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:০৮30603
  • স্যানঃ-))
  • hu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:০৮30605
  • জানি না এটা আমাদের বাড়ি নাকি আমাদের পাড়া নাকি আরো বড় করে ধরলে আমাদের পুরো মফস্বলটাই - মেয়েদের রাখী পরানোর চল কোথাও ছিল না। তাই নিয়ে বেশ দুঃখ হত ছোটবেলায়। এত ভালো ভালো রাখী কেনা হচ্ছে। আর সব পাবে ভাই নয়তো কাজিনেরা! স্কুলের বন্ধুদেরও কখনও রাখী পরিয়েছি বলে মনে পড়ে না। শুধু মায়ের স্কুলের বন্ধু অপুমাসী আমার দুঃখ বুঝতো। আমার জন্য রাখী পাঠিয়ে দিত। সেটাই হত সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে ঝলমলে রাখী।
  • একক | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:০৭30602
  • আমার ছোটবেলায় রাখি ছিল। সেটা হলুদ সুতোর। মানে কাঁচা হলুদে ডোবানো সুতো। বড় বড় রাংতা দেওয়া রাখি আমরা জানতুম "মারোয়ারী রা পরে"। পরে অবস্য দেখেছি উত্তর কলকাতাটা তেও বড় রাখি ঢেলে বিক্কিরি হচ্ছে।
  • র২হ | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:০৩30600
  • বেশ ছোটবেলায় আগরতলায় কিন্তু শুধু মেয়েরাই রাখী পরাবে এরকম কিছু ছিলনা। আগাপাস্তলা সবাই সবাইকে রাখী পরাতো। পরে এইসব শুধু মেয়েরা ভাই বোন হ্যানা ত্যানা স্পেসিফিকেশন শুনতে পাই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত