এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ব্যাং | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫৮30659
  • ওনাদের তো সারা বছর ঐ সাদা পোশাকেই দেখতাম। রাখীর দিন জরিতে, চুমকিতে, শিফন সুতোয় ওনারা চিকমিক করতে করতে সারা স্কুলে হাসিমুখে ঘুরে বেড়াতেন। চোখ বন্ধ করলেই স্কুলের যেসব ছবিগুলো দেখতে পাই, তার মধ্যে এই ছবিটা সবচেয়ে আগে মনে পড়ে।
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫৮30660
  • ওটা ঐ নিশির পোস্টে সেকুলার কথা শুনে মনে পড়ে গেল। আমাদের ঐ রাখি মোটামুটি সব ধর্ম এন্কম্পাসিং ই হত।
  • স্ত্গ্ব্র | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫৭30657
  • রাখী বেসিকালি উত্তর ভারতের হিন্দুদের উৎসব। বাঙালীর ভাইফোঁটার কাউন্টারপার্ট। ওদের একটা ভাইদুজ আছে বটে কিন্তু রাখীটাই মেইন। বাঙালী কস্মিনকালে রাখীটাখী নিয়ে মাথা ঘামাত বলে শুনি নি। যখন সরলাদেবীরা জাতীয়তাবাদী উৎসব হিসেবে প্রতাপাদিত্য উৎসব ইত্যাদির কথা ভাবছেন তখন বঙ্গভঙ্গের সময় বাঙালীর সেকুলার ন্যাশনালিজমের প্রতীক হিসেবে স্যার এই রাখী ব্যাপারটার আমদানি করলেন। মুঘল-রাজপুত পোলিটিকাল অ্যালায়েন্সে রাখীর ব্যবহারের জন্য একটা সেকুলার ছোঁয়া আগে থেকেই ছিল।
  • VB | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫৭30658
  • আমাদের রাখী ছিলো পাড়ার মধ্যে, কেউ কেউ বন্ধুদের পরাতো, ছেলে মেয়ে ভেদ ছিলো না, যে যাকে পারতো তাকেই পরাতো। কিছু রাখি ছিলো দারুণ শানদার, খুব দামী, কিছু রাখি এমনি সাধারণ, হাতে বানানো কিন্তু হৃদয়ের স্পর্শে তা অসাধারণ। ঃ-)
    অনেকটা গ্রীটিং কার্ডের মতন কেস, কেউ কেউ ভালো আঁকতে পারতো, নিজে এঁকে সুন্দর কার্ড বানিয়ে দিতো আর কেউ কেউ আঁকতে তেমন পারতো না, কেনা কার্ড দিতো।আমাদের খুব ছোটোবেলা কার্ডের চল ছিলো না, ক্লাস সিক্সে সেভেনে উঠে এর প্রচলন হয়েছিলো। পরবর্তীকালে তো আর্চিস টার্চিস এসে একেবারে একাকার হয়ে গিয়ে প্রথমদিকের ঐ হাতে আঁকার থ্রিলই গেল লোপাট হয়ে।
  • ব্যাং | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫৬30654
  • পাই, তাই তো লিখলাম আমাদের স্কুলের সিস্টাররাও কাঁধ অব্দি রাখী পরে হাসিমুখে ঘুরতেন। আর আমাদের হেডমিস্ট্রেস সিস্টার রোমানার হাত দুটো না দেখে আমরা স্কুলবাসে চড়তেই পারতাম না। ওনার হাতে জায়গাই থাকত না টিফিনের পর থেকে। তখন হাতে বাঁধা রাখীর ফিতের ভিতর নতুন রাখীর্র ফিতে গলিয়ে ঐ কায়্দায় রাখী পরানো হত ওনাকে। বিকেলবেলায় ওনার দুই কাঁধ অব্দি রাখীর লেয়ার হয়ে যেত, বেশ কয়েকটা লেয়ার।
  • riddhi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫৬30655
  • ঈশানের মত আমারো এক্ষপি। মানে স্কুলে দেখতাম কিন্তু আত্মীয়-স্পেসে রাখীর তেমন কোন পাত্তা ছিল না। স্কুলের বাইরে অবাঙ্গালী চেনাশুনোদের মাঝে দেখতাম।
  • Lama | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫৬30656
  • আজকাল অনেকেই রাখী বলতে সামন্ত বোঝে। মানে ওই সাওয়ান্ত না কি যেন

    আর আমি বুঝি আমার প্রাক্তন বসকে। আমি ও বস পরস্পরকে এমন জ্বালাতন করেছিলাম যে দুজনেই পুরনো টিম ছেড়ে অন্য টিমে গিয়ে বাঁচলাম।
  • ব্যাং | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫৩30653
  • আমাদের স্কুলে সরস্বতীপুজো-ও হত না। কিন্তু রাখী ছিল পরমোৎসব।
  • VB | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫২30652
  • দাড়িদাদুর কবিতার টোনের মধ্যে রাখী ব্যাপারটা মনে হয় প্রেমিক প্রেমিকা র মধ্যেকার ব্যাপারই, তবে কিনা ওনার তো ব্রাহ্মমত, যারা প্রেম তাহাই পূজা।

    রাজাপুতানায় রাখী মনে হয় দুই রকম, একরকম প্রেমিক প্রেমিকার মধ্যে সিগ্নালবাহী, অন্যরকম এমনি বন্ধু বা ভাইবোনের মধ্যে সহৃদয় বন্ধন।

    হু ভেবে দ্যাখো, ঐ রাখীর মধ্যে সংযুক্তা হয়তো নানা কোডেড সিম্বল টিম্বল দিয়ে খবরো পাঠিয়ে দিয়েছিলেন! ঃ-)
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫১30650
  • হোলি চাইল্ডের ক্রিশ্চান দিদিমণিরাও রাখি পরতেন না ?
  • hu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৫১30651
  • কিন্তু রাখী কি ধর্মীয় উৎসব নাকি?
    তবে ভিবির সাথে আমার অভিজ্ঞতা মিলে যায়। রাখী আমাদেরও এত হইচই করে পালন হত না। আর মেয়েরা পরাতো ভাই/দাদাদের। নিজেরা পরতে পেত না।
  • ব্যাং | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪৯30648
  • হ্যাঁ, আমিও ক্লাস ইলেভেন থেকে মানে স্কুলের গন্ডি পেরোনোর পর নিজের ভাই আর শুভদাদা ছাড়া আর কাউকে রাখী পড়িয়েছি বলে মনে পড়ে না। আমি তো ইলেভেন প্রথমে ভর্তি হয়েছিলাম গোখেলে। তো ইলেভেনের প্রথম রাখী ছিল ঐ নতুন স্কুলে। সেখানে দেখি রাখী নিয়ে কারুর কোনো তাপ-উত্তাপ নেই। খুব মনখারাপ হয়েছিল ফেলে আসা স্কুলের কথা মনে করে। তারপর স্কুল পাল্টে কলেজেই চলে এলাম।
  • VB | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪৯30649
  • আরে এ কী! কেশী থ্যাংকু, হু থ্যাংকু। ঃ-)
  • hu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪৮30647
  • কিন্তু রাজপুতানাতে কাউকে বরন করার জন্যও রাখী পাঠানোর চল ছিল না? সংযুক্তা রাখী পাঠান নি পৃথ্বীরাজকে?
  • VB | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪৭30646
  • থ্যাংকু স্যান।

    আমাদের ইস্কুলে, প্রাইমারি বা সেকেন্ডারি স্কুল কোথাও ই রাখী ব্যাপারটা ছিলো না। সত্যি বলতে কী আমাদের স্কুলগুলো বেজায় সেকুলার ছিলো, স্বাধীনতা দিবস শহীদ দিবস প্রজাতন্ত্র দিবস নেতাজী জন্মদিবস রবীন্দ্রজয়ন্তী আর পুজোর সময় সায়েন্স একজিবিশন--এইসব হতো। একমাত্র ব্যতিক্রম সরস্বতী পূজা, সেটাই একমাত্র ধর্মীয় উৎসব যা কিনা স্কুলে হতো, দিনে পুজো আর সন্ধ্যাবেলা আরতি ও হতো, খাওয়ানো হতো কয়েকদিন পরে।
  • kc | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪৬30645
  • মুদিত আলোর কমলকলিকাটিরে
    রেখেছে সন্ধ্যা আঁধার-পর্ণপুটে।
    উতরিবে যবে নবপ্রভাতের তীরে
    তরুণ কমল আপনি উঠিবে ফুটে।
    উদয়াচলের সে তীর্থপথে আমি
    চলেছি একেলা সন্ধ্যার অনুগামী,
    দিনান্ত মোর দিগন্তে পড়ে লুটে ॥

    সেই প্রভাতের স্নিগ্ধ সুদূর গন্ধ
    আঁধার বাহিয়া রহিয়া রহিয়া আসে।
    আকাশে যে গান ঘুমাইছে নিঃস্পন্দ
    তারাদীপগুলি কাঁপিছে তাহারি শ্বাসে।
    অন্ধকারের বিপুল গভীর আশা
    অন্ধকারের ধ্যাননিমগ্ন ভাষা
    বাণী খুঁজে ফিরে আমার চিত্তাকাশে ॥

    জীবনের পথ দিনের প্রান্তে এসে
    নিশীথের পানে গহনে হয়েছে হারা।
    অঙ্গুলি তুলি তারাগুলি অনিমেষে
    মাভৈঃ বলিয়া নীরবে দিতেছে সাড়া।
    ম্লান দিবসের শেষের কুসুম তুলে
    এ কূল হইতে নবজীবনের কূলে
    চলেছি আমার যাত্রা করিতে সারা ॥

    হে মোর সন্ধ্যা, যাহা-কিছু ছিল সাথে
    রাখিনু তোমার অঞ্চলতলে ঢাকি।
    আঁধারের সাথি, তোমার করুণ হাতে
    বাঁধিয়া দিলাম আমার হাতের রাখি।
    কত যে প্রাতের আশা ও রাতের গীতি
    কত যে সুখের স্মৃতি ও দুখের প্রীতি
    বিদায়বেলায় আজিও রহিল বাকি ॥

    যা-কিছু পেয়েছি, যাহা-কিছু গেল চুকে,
    চলিতে চলিতে পিছে যা রহিল পড়ে,
    যে মণি দুলিল যে ব্যথা বিঁধিল বুকে,
    ছায়া হয়ে যাহা মিলায় দিগন্তরে,
    জীবনের ধন কিছুই যাবে না ফেলা
    ধুলায় তাদের যত হোক অবহেলা
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪৫30644
  • নাঃ, কলেজের গণ্ডীর মধ্যে রাখিকে ঢুকতে দেখেছি বলে তো মনে পড়েনা। স্কুল শেষ হয়ে গেল, রাখির হুজুগও ফুরুত।
  • ব্যাং | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪৩30639
  • হ্যাঁ পাই।
  • VB | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪৩30640
  • যদ্দুর মনে হয় এটা রাজপুতানার প্রথা, নানা রাজপুতানী রাণীরা সেই যে নেমন্তন্ন করে করে পাঠান মোগল সেনাপতিটতিদের রাখী পরাতেন! নাকি সেটা অন্য কিছু উৎসব?
    রবীন্দ্রনাথ হিন্দু মুসলমানে মেলানোর জন্য রাখীবন্ধন প্রচলন করার আগে বাংলায় রাখীবন্ধন ছিলো?
  • ব্যাং | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪৩30641
  • আর পাই যেমন বলল, ও ওর রাখী টেনে নিয়ে ব্রাশ করে দেওয়া, ওটা আমাদেরও হত। সবাই সবার রাখী ব্রাশ করে দিত। তবে আসল কারিকুরিটা রাখী সাজানোয়। পুঁতি, চুমকি, ফুলের পাপড়ি, জরি এইসব দিয়ে। আর সব শেশ লাম্বা করে আতিনের ফিতে কেটে রাখীর উল্টোপিঠে লাহানো হাতে বাঁধার জন্য। আমাদের স্কুলে রাখী ডেকোরেশনে সবচেয়ে হিট ছিল, রাখীর মধ্যে সাদা বোতামের মধ্যে নড়েচড়ে কালো পুঁতি দেওয়া চোখ দিয়ে মৌমাছি আর প্রজাপতির চোখ বানানো, তাদের ডানাগুলো হত কাপড়ের পাপড়ি দিয়ে। আর আরেকটা খুব হিট ছিল ময়ূরপালক লাগানো। ওটা তোলা থাকত সবচেয়ে সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুর জন্য। তবে কেউ কেউ টেক্কা দিত শেষ রাত্রে, সত্যিকারের ফুলের রাখী বানিয়ে। মধিখানে লাল গোলাপ বা হলুদ গোলাপ আর চারিপাশে সাদা রজনীগন্ধার গোল বর্ডার।
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪৩30642
  • হোলি চাইল্ড না ? হুচির দুঃখের কথা শুনে আমি বন্ধুদের অন্য স্কুলগুলোর কথা মনে করার চেষ্টা করছিলুম। পাড়ায় আমার প্রাণের বান্ধবী হোলি চাইল্ডের ছিল। ও ও এমনি দু হাত উপচানো রাখি নিয়েই ফিরতো। পাড়ার স্কুলের বন্ধুরাও তাই।
    আমরা সেদিন বিকেলে সবাই অমনি রাখি পরিহিত অবস্থাতেই মাঠে খেলাতাম।আর খেলতে খেলতেই অবধারিতভাবে সুতোগুলো খুলতো, রাখিগুলো ঘাসের মধ্যে পড়ে যেত, পদপিষ্ট হত, খুঁজে পাওয়া যেত না, কান্নাকাটি ইত্যাদি আরো নানা কেওস হত।
  • san | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪২30638
  • কনফার্মড ভিবি।

    মুদিত আলোর কমলকলিকাটিরে
    রেখেছে সন্ধ্যা আঁধারপত্রপুটে

    এই হচ্ছে শুরুটা। কিন্তু নাম ভুলে গেছি।
  • san | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪১30637
  • মানে প্রতি বছরে। কেউ কেউ বেশিও।
  • san | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪০30634
  • এঃ। আমরা স্কুলে থাকতে একেকজন পনেরো কুড়িটা করে রাখী পেতাম।
  • VB | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪০30635
  • "হে মোর সন্ধ্যা, যাহা কিছু ছিলো সাথে
    রাখিনু তোমার অঞ্চলতলে ঢাকি,
    আঁধারের সাথী, তোমার করুণ হাতে
    বাঁধিয়া দিলেম আমার হাতের রাখী"-

    --- এই লাইনগুলো কোন কবিতায় ছিলো কারুর মনে আছে? এটার টোন দেখে দাড়িদাদুর কবিতাই মনে হয়, কেউ কনফার্ম করতে পারেন?
  • a x | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৪০30636
  • আমিও রাখি নিয়ে এরকম কিছু দেখি নি স্কুলে বা পাড়ায়। আমাদের তো বেহ্মো স্কুল ওদিকে।
  • Ishan | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৩৯30633
  • বাঙালির যে এতো রাখীপ্রীতি, আমি টেরই পেলাম না। আমাকে শুধু দিদা রাখি দিত। কখনও সখনও পাশের বাড়ির টুকটুকি (প্রতি বছর দিত কিনা মনে নেই)। ব্যস লিস্টি শেষ। ইশকুল কলেজের বান্ধবীদের কাছে রাখি? প্রশ্নই আসেনা। আমি চাইওনি, কেউ পরাতেও চায়নি। :)
  • ব্যাং | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৩৭30632
  • আর স্কুলবাস থেকে নেমে বাড়ি অব্দি হেঁটে আসার সময়টা সবচেয়ে গর্বের সময়। দ্যাখ, চেয়ে চেয়ে দ্যাখ, কত দেখবি! দেখেছিস আমাদের স্কুলে কেমন রাখী হয়, দ্যাখ আমরা কেমন সবাই সবার বন্ধু, কতজন রাখি পরিয়েছে দেখেছিস। হয় তোদের স্কুলে এমন রাখী!
  • hu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০০:৩৫30628
  • এটা ভালো। ভাইফোঁটা থেকে ভ্যালেন্টাইন - যত গিফ্ট আসে ততই মঙ্গল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত