এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৬:৩৯30870
  • আমার শ্যালিকা পলা বানাবার অর্ডার দিয়েছিল এইভাবে : পলা, বুঝলেন তো ? রেড কোরাল। ওই দিয়ে বানিয়ে দেবেন। তারপর বিশাল একটা দাম শুনে আকাশ থেকে পতন। বউ দেখি হটাত হুলিয়ে গাল পাড়ছে তাকে। বেচারী পলা যে প্লাস্টিক দিয়ে হয় জানতনা। ল্যাবারুদের জীবন :)
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৬:৩৫30869
  • লিপস্টিকের টিপ আমাদের ছোটবেলায় পড়ানো হত। পাড়ার ফাংশন হলে।

    আমি ছোটবেলায় অতি ছোট টিপ পরতাম। কত, কত, কত্ত ছোট করা যায়, পরীক্ষা চালাতুম। ঐ চুলের কাঁতার সরু আগা, ধূপের কাঠির গোড়া এইসব কাজলে চুবিয়ে টিপ। বড় হলাম যখন লাইনার এল, ও দিয়ে কেরদানি মারতে গেলেই ছড়াতাম। ঃ(
  • a x | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৬:৩৩30868
  • টিপ বললেই আমার সামনে ভেসে ওঠে মৈত্রেয়ীদি। বড় গোল টিপ। প্রশস্ত কপাল। প্রায় হাঁটু অবধি লম্বা ঘন চুল আলগোছে বেণী করা। সেই কোনকালে মহিলা স্কুটার চালাতেন কলকাতায়। সেই মৈত্রেয়ীদি এখন বব-কাট, প্রায় সব চুলই পাকা।
  • a x | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৬:৩০30867
  • আরে আমি জীবনে যত টিপ পরেছি, তার ৮০% আইলাইনার দিয়ে সোজা একটা উলম্ব লাইন দুই ভুরুর মাঝে।
  • a x | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৬:২৮30866
  • আমার মা চুলের কাঁটা দিয়ে সিঁদুর পরত। সরু, ঋজু একটা রেখা। সিঁদুরে টিপ ঐ পুজো ইত্যাদিতে। লিপস্টিকের টিপ পরতে দেখেছি। মাসিকেও। মাসি অব্‌লং টিপ পরত।
  • a x | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৬:২৫30864
  • সিঁদুর লোহা, শাঁখা, পলা, আংটি এগুলো সবই আজব। বাজে টাইপ আজব।
  • একক | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৬:২৫30865
  • ওটা মজা করে বলা। তিত্তির নামে ঋষি ছিলেন। তাঁর বলে যাওয়া জিনিসপত্তর তৈত্তিরীয়।
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৬:১৮30863
  • সেতো নিয়মপত্তরের বেশিরভাগই অতি আজব !
    ট্রেনের সেই বইটার কথা মনে পড়ে গেল। এই সব নিয়মপত্তরের 'বৈজ্ঞানিক' ব্যাখ্যা। বাঘমামা বোধহয় স্ক্যানিয়ে ছিলেন। পু-উ-রো খনি ছিল। রানারা কে রীতিমতন প্রতিযোগিতায় ফেলে দিতে পারে।
    ঐ গ্রন্থে মাথায় সিঁদুরের সাথে কোথাকার কোন গ্রন্থি কোন সূত্রে গ্রন্থিত, সেসব ব্যাখ্যানও ছিল।

    কিন্তু এই তিতির পাখির বাণীর কেসটা কী ?
  • RATssss | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৬:১৬30862
  • অদ্ভুত নিয়ম অনেক আছে সিঁদুর নিয়ে।
    বিয়ের সিঁদুর নাকি ফুরোয় না। ফুরিয়ে গেলে না কি আর সিঁদুর পরা যাবে না। এটা মেটাতে গিয়ে এক সিঁদুরে কৌটোতে একটু অন্তত বিয়ের সিঁদুর ঢেলে নিতে হয়।
    শাঁখা ভেঙে গেলে বলতে হয় বেড়ে গেছে, হাতে লাল সাদা সুতো বা কাপড় জড়িয়ে রাখতে হয়।

    বাজে নিয়ম
    মৃত স্বামীর পায়ে সিঁদুর মোছা, নোড়া দিয়ে শাঁখা ভাঙা ...
  • একক | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৬:০৫30861
  • সিঁদুর নিয়ে একটা কি অদ্ভুত নিয়ম আছে শুনেছি। শাঁখা আর সিন্দুর কিনে দেওয়ার কথা নাকি বর কে বলতে নেই। রীতিমতো আজব নিয়ম এবং কেন এই নিয়ম তাও জানিনা।
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:৫৬30860
  • হাতে সিঁদুর লেগে থাকলে অসুবিধেই বলে হবে হয়তো, আমার মা এই সিঁদুর পরার আরেক উপায় বের করেছিল। কিম্বা এটাও চালু জিনিসই হতে পারে, জানিনা। এটাকে কী বলে জানিনা।
    শিলনোড়ার নোড়ার একটা অতি অতি মিনি মিনি ভার্শন বলা চলে। আমি ঐ সিঁদুর নোড়াই বলতাম। সেটা প্রায়শঃই মা র তাড়াহুড়োতে যথাস্থান থেকে লাফ মেরে মাটিতে পড়তো, আর তারপর গড়াতে গড়াতে টেবিলের তলায় কি খাটের তলায়। আমার কাজ ছিল ওটাকে পাকড়াও করে ফেরত আনা। আর সেই করতে গিয়ে হাতে যথেচ্ছ সিঁদুর মাখতাম, সেই হাত দিয়ে জামায়, মুখে, কপালে আঁক কাটতাম এবং মায়ের গালি খেতাম।
  • pipi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:৪৪30859
  • মামী, আমার বাড়িতে জ্যেঠিমা, কাকিমা এখনো ঐভাবে সিঁদুরের টিপ পরে কপালের মাঝখানে সিঁদুরকৌটো থেকে সিঁদুর নিয়ে। একজন তো পুরো টাকা সাইজের টিপ বানায় সিঁদুর দিয়েঃ-) কত যে বিচিত্র গড়নের সিঁদুরকৌটো ছিল। আগে তো যেই পুরী যেত, সিঁদুরকৌটো আনত বাড়ির বৌ দের জন্য। আমার মাও সিঁদুরকৌটো ব্যবহার করত তবে টিপ বরাবরই পরে দুই ভুরুর মাঝখানে। ছোটো থেকে মা কে ঐভাবে টিপ পরতে দেখেছি বলেই হয়তো আমার দুই ভুরুর মাঝে টিপ পরাটাই বেশী ভাল লাগে।
  • একক | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:১৯30858
  • ভিবি

    কিসব কঠিন প্রশ্ন করেন :( পড়া এক জিনিষ আর বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা আরেক। আমি কি ছাই অতো জানি।
    তবে শুক্ল যজু অর্থাত বৃহদারণ্যক আর শতপথ কোনো অংশেই কম ছিলনা। থিওরি র দিক দিয়ে। দাক্ষিনাত্যে
    হটাত তিতির পাখির বানী কেন বেশি দামি হয়ে উঠলো এর সঙ্গে রাজনীতি এবং এন্ত্র্হপলোজির যোগ আছে।
    আমার নিজের যেটুকু মনে হয়েছে যে এবরিজিনের জনগোষ্ঠির মধ্যে থেকে যাওয়া পুরনো সংস্কার গুলো তৈত্তিরীয় মানে ওই কৃষ্ণযজু তে বেশি খাপ খায়। তৈত্তিরীয় সংহিতা ইস মাচ ক্লোসার টু দি ফার্টিলিটি কাল্ট। এছাড়া শতপথ ব্রাম্ষণ এর প্রয়োগ নিয়ে মতবিরোধ এবং ভেঙ্গে যাওয়া একটা ফ্যাক্টর। বিশাল সাবজেক্ট। আমি চুনপুঁটি। টই খুলুন। কেও না কেও এসে ঠিক ডিটেলে লিখে যাবে।
  • Abhyu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:১৭30857
  • এবার একটু খাবার ব্যবস্থা করতে যাই। পাই পারলে গানগুলো তুলে রেখো। আমার পছন্দের গান এগুলো।
  • Abhyu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:১৫30856
  • VB | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:১৪30855
  • কপালে গালে চিবুকে গেরিমাটির বা চন্দনের চিত্র বিচিত্র অলকাতিলকা আঁকা হতো রবীন্দ্রজয়ন্তীর বিকালে, দুপুর থেকেই শুরু হতো। সন্ধ্যাবেলা অনুষ্ঠান কিনা!
    শুধু চন্দনচিত্রকে মন উঠলো না, একজন খুব বুদ্ধিমানের মতন কুমকুমের শিশি নিয়ে এসে চিত্রবিচিত্রের মাঝে মাঝে কুমকুম দিয়ে রাঙিয়ে বেশ একটা মাল্টিকালার করলো। যাই হোক, ফল ভালোই হয়েছিলো, কোনো কেলেঙ্কারী হয় নি। ঃ-)
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:১২30853
  • আমার মা এখনো প্রায়ই গুঁড়ো সিন্দুরের টিপ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পরে। আঠাটিপ আসার পরে সেটা ছিল আপিসের তাড়ার সময়ের সঙ্গী।কিন্তু ছুটির দিন কি পুজোর দিন মানেই সেই ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ...
    আমাকেও পরিয়ে দিয়েছে।

    সিঁদুর যারা দ্যায়,অনেকে এখনো ওভাবেই দ্যায়।

    তবে সবচে ভাল লাগত আমার পায়ে টিপ পরতে। আলতা পরার পর। পরিয়ে দেবার পর। ঠাকুমা পরিয়ে দেবার পর। ঠাকুমার পর আর কারুর কাছে পরতে ইচ্ছে হয়নি।
  • একক | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:০৬30852
  • হ্যা হ্যা কুমকুমের গন্ধ ! মনে করালেন। জমে দাগ রেখে যাওয়া গন্ধ।
  • Abhyu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:০৪30850
  • এটাও থাক


    কিন্তু আমার সুবিনয় রায়ই বেশি ভালো লাগে।
  • VB | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:০৪30851
  • একক, এই তো পাওয়া গেছে লোক। ঃ-)
    এই কৃষ্ণযজুর্বেদ আর শুক্লযজুর্বেদ---শুনে মনে হয় যেন দুই স্কুল অব থটের একটা যুদ্ধ হয়ে ভাগ হয়ে গেলো। তো কৃষ্ণ তো না নিয়ে শুক্লই তো নেওয়ার কথা লোকেদের, মানে সাধারণ বুদ্ধিতে তাই মনে হয়। কিন্তু কিছু একটা ব্যাপার ছিলো, তাই কৃষ্ণযজুর্বেদও টিঁকে গেছিলো। কেন? ওটা বেশি প্র্যাক্টিকাল ছিলো? কিংবা অন্য কোনো কোয়ালিটি ছিলো ?
  • | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:০২30848
  • ওহো, কুমকুমের গন্ধ টা আমার খুব ভালো লাগতো।
  • Abhyu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:০২30849
  • টইতে তুলে দাও না :)
  • | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:০১30847
  • আমি সিঙ্গারের তরল টিপের কথা বলছি না। সে তো কুমকুম। ছোটবেলায় মায়েদের দেখেছি স্নান করে চুল আঁচড়ে কপালে সিঁদুরের টিপ - একটা রৌপ্যপাত্রের মধ্যে তর্জনী ডুবিয়ে তুলে আনতো তারপর আঙুলটা গোল করে ঘুরিয়ে একটা বড় টিপ- অধিকাংশ সময় অবশ্য সিঁদুরদানির গোল বিন্দুটা দিয়ে একটা ছাপ দিয়ে নিতো আর সেই ময়ূরের পিঠের দিকটা ছিলো একটা সরু পাত, সিঁথিতে রং দেবার জন্যে। আঠালাগানো টিপ তার অনেক পরে।
  • pi | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৫:০০30846
  • আমি তো এখনো টিপ পরি। পরতে খুব ভালোবাসি, ঐ লিক্যুইড বিন্দি ইত্যাদিও চান্স পেলেই। কিন্তু এখন আর পাওয়া যায় কিনা জানিনা।

    অভ্যুর দেওয়া গানগুলো পরে শুনতে হবে। টইতে থাকলেই তো ভাল হত। এখেনে তো ..
  • Abhyu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৪:৫৮30845
  • পাড়ায় সুবিনয় রায়, না স্টুডিওতে সাগর সেন?
  • হ্যা | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৪:৫৭30843
  • বেদ-উপনিষদের সুর অন্যরকম। সাউথ ইন্ডিয়ার কিছু কৃষ্ণযজুর্বেদিও ছাড়া কেও সেভাবে পড়েনা আজকাল। বাঙালিদের কথা ছেরেই দিলুম।
  • Abhyu | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৪:৫৫30841
  • এই সুরটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, এটা দাদুর দেওয়া। বিশ্বভারতীর কপিরাইটেড (ছিল)।
  • একক | ০৩ আগস্ট ২০১২ ০৪:৫৫30842
  • অভ্যু

    ক্যাসেট থেকে ক্যাসেট এ টই টা খুলে ফেলুন। এসেট হয়ে থাকবে।

    ভিবি

    এখন যে সুরগুলো শোনেন এগুলো পড়ে এসেছে। তখনো সুর ছিল সেটা ঠিক এরকম নয়। মাত্রাযুক্ত একটা স্ট্রাকচার। বিভিন্ন স্কুলিং ছিল। সেগুলোকে যোগ বলা হত। আর সেইভাবে পাথ করলে ওই শ্লোক টা পড়তে মিনিমাম এক ঘন্টা সময় লাগবে। সেসব আর নেই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত