এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৪৫311279
  • কুমুদি, ঐ রসিক বাঙালের দ্বিতীয়া স্ত্রী ধরণের চরিত্রচিত্রণ করে করে লেখক অদ্ভুত একটা মেসেজ দ্যান, সূক্ষ্মভাবে মগজধোলাই করেন, সেই জন্য ঐ লেখকের সব লেখাকেই এখন আমি সন্দেহের চোখে দেখি।
    একটায় নয়, ক্রমাগত, প্রায় প্রতিটা লেখায় এইরকম মহিলা চরিত্র এসেছে, তারা একনিষ্ঠ ভাবে এক পুরুষকে ভালোবেসে নিজেদের সমস্ত অধিকার ও অধিকারবোধ, সব বিসর্জন দিয়ে পোষা বেড়ালনির মতন হয়েছে, আর পুরুষেরা প্রায় সকলেই বহু মহিলাকে বিবাহ করেছে বা প্রেম ট্রেম করেছে আর এইসব মহিলাদের ব্যবহার করেছে।
  • sm | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৪৫311280
  • দু চারটে বই পড়ে কি এমন চতুর্বর্গ লাভ হবে? আমি বেশ কিছু উচ্চ শিক্ষিত সফো কর্মী দেখেছি; যারা বই পড়া তো দুরস্ত; টিভি সিরিয়াল, নিউস কোনো কিছু থেকেই বঞ্চিত।
    পড়াশোনার পাঠ তো কবেই চুকেছে; আছে খালি অফিস,কলিগ দের সঙ্গে ভাট/পি এন পি সি, পার্টি আর মৈদ্য পান।
    এরচাইতে আগেকার দিনে পাতানো সই বা ঘটে গল্প করা মহিলারা ভালো ছেলো।
  • | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৪৩311278
  • ফেবুতে পেলাম। নাও দ্যাখো, আমি ঘুমোতে যাই। কাল তৃষিয়ার অনুমতি নিয়ে একটা গল্প শেয়ার করবোনে, হেব্বি গল্প।

  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৪১311276
  • ভটচাজ।

    হুম্ম।
  • Arpan | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৪১311277
  • ইসে, মিসাইলটাকে ঐ অরবিটে ফেলে দেওয়া যায় না? মানে মিসাইল ঠিক না, একখানা আত্মঘাতী স্যাটেলাইট? ফিদায়েঁ?
  • kumu | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৪০311275
  • যে মেয়েটি নিজের ইচ্ছেয় ঘরের কাজে সারাদিন ব্যপৃত থাকা বেছে নিল তাকে সম্মান করতে আমার কোন আপত্তি নেই।তার সিদ্ধান্ত আমার মনোমত হল না,তাতে কি?প্রত্যেকের অধিকার আছে নিজের চয়েস অনুযায়ী জীবন কাটানো।যে কোন কাজহোক,তা সুন্দর করে করাকে আমি কুর্ণিশ করি।
    আমার আপত্তি হল চক্রে বর্ণিত বৌটির মত ব্যক্তিত্বহীন জড়পদার্থ হওয়াতে।যে স্বামী বা অন্য কারো কথার ওপরে কিছু বলার কথা ভাবতে পারে না,স্বামীর প্রথমা স্ত্রীকে সম্পূর্ণ অকারণে বাঘের মত ভয় পায়,স্বামী দয়া করে বিয়ে করেছে এতেই ধন্য,খোঁজ রাখেনা যে দ্বিতীয় বিবাহ আইনসম্মত নয়,কেবল সম্পত্তি রক্ষার জন্য তাকে ব্যবহার করা হয়েছে এতে বিন্দুমাত্র অপমান বোধ নাই।
    নাঃ এদের অমি দুচক্ষে দেখতে পারিনা।
  • Phutki | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৩৯311274
  • কি করব বলুন! আমার বাবা মার দায়িত্ব সুযোগ থাকা সত্বেও আমি নিজে না নেওয়াটা আমার কিছুতেই স্বাভাবিক মনে হচ্ছে না। এত আলোচনার পরেও না।
  • | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৩৭311272
  • আমি তো বারেবারে সেটাই বলছি পাই যে সবগুলো কেস এক হয় না। যেহেতু সবগুলো এক হয় না তাই সব দায় পিতৃতন্ত্রের ওপরে চাপানোরও প্রশ্ন নেই। অনেক সময় অবশ্যই চাপানো হয় কিন্তু সেটা ঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে তো 'পিতৃতন্ত্র' নামক জুজুর ওপরে দায়িত্ব চাপিয়ে জাস্ট এস্কেপ রুটও খুঁজে নেওয়া হয়। যার কিছু ঐ স্বাতী (রায়?) এর 'ঘরোয়া' নামের লেখাটাতেও ছিল।

    সোসেন আমি ছোটবেলায় বেশ মিশ্র পরিবেশেই বড় হয়েছি। আশেপাশে সবরকম লোকজনই ছিল। কিন্তু বড় হয়ে বিশেষ করে স্বাধীনভাবে থাকতে শুরু করে থেকে গেটেড কমিউনিটিগুলোতে প্রচুর সংখ্যক ঐ ঘরে পোষা বরে পোষা টাইপের দেখে দেখে হেজে গেছি। এঁদীর একাধিক গৃহকর্মসহায়িকা আছে, অজস্র সময় হাতে। আর এঁদের খুব খুউউব কম জনকেই বই পড়তে দেখেছি। বই দূরে থাক, দৈনিক সংবাদপত্র, টিভির নিউজ কিছু সম্পর্কেই এঁদের কোনও উৎসাহ নেই।
  • T | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৩৭311273
  • Div0, এক্সো অ্যাটমোসফেরিক মিসাইল, যা কিনা একটা লো আর্থ অরবিটে থাকা স্যাটেলাইটকে উড়িয়ে দিতে পারবে, সেটা বানানোর প্রভূত চাপ রয়েছে। মূল অসুবিধের কারণ ঐ এক্সো অ্যাটমোসফেরিক ফেজটা। উৎক্ষেপণের পর থেকে যতক্ষণ অ্যাটমোস্ফিয়ারের মধ্যে রয়েছে সেসময় মিসাইলের ফিন গুলো দিব্যি কাজ করে। এই ফিনগুলোকে টেরিয়ে বাঁকিয়ে, রিকোয়ার্ড এরোডায়নামিক মোমেন্ট জেনারেট করে মিসাইলকে স্টিয়ার করা যায়। এইবার এক্সো অ্যাটমোস্ফিয়ারের এরোডায়নামিক্সের গল্প শেষ। সেক্ষেত্রে গায়ে লাগানো রকেট থ্রাস্টার ফায়ার করে স্টিয়ার করতে হয়। এই ফিন থেকে রকেট থ্রাস্টারিং রিজিয়নের ট্রান্সিশন যদি স্মুথ না হয় তাহলে মিসাইলের গতিপথে প্রচুর পরিবর্তন এসে যেতে পারে। এছাড়া বেশ কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেম রয়েছে। এইসব ম্যানেজ করে একটা স্যাটেলাইটকে গোঁতানো মানে হচ্ছে প্রায় একটা সুঁচ দিয়ে এক টিপে ৪৮ মিটার দূরে আরেকটা একটা সুঁচকে ধাক্কা মারার মতো। টাফ জব। এখন দ্যাকো, বিল্ডিং ব্লক বলতে তো সবই আছে। জ্বালানী আছে, রকেটও আছে (পি এস এল ভি), শত্রুপক্ষও মজুত। কিন্তু ঐ আর কি, খেটে খুটে আর করে কে। এবং এক্ষেত্রেও সায়েবরা এবং চিনেরা আগেই করে ফেলেচে।

    স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ এবং কক্ষপথে প্রতিস্থাপন সে তুলনায় বরং অনেক সহজ। দু দশ কিলোমিটার এদিক সেদিক হলেও চাপ নেই। একবার অর্বিটে পৌঁছে গেলে, একটু ঠিকমতো ভেলসিটি কমিয়ে বাড়িয়ে ফের রাস্তায় এনে ফেলা যাবে।
  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৩৫311271
  • আর দমদি, ঐ অন্তর্নিহিত কারণ অনুসন্ধান করলে ছেলেদের রোজগেরে হতে হবে, এ দায়ও যেহেতু পিতৃতন্ত্রের তো সেটা মেনশন করা দরকার বোধহয়, পিতৃতন্ত্রের জন্য পুরুষও খুব চাপে থাকে। পিতৃতন্ত্র সংক্রান্ত আলোচনায় সে কথা কখনো প্রায় উঠতে দেখিনি, কোথাওই। কিছুটা এইজন্যেও এই প্রশ্নটা তোলা।
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৩৪311270
  • একবার, কালেজ পাশের পরে, আমার এক বন্ধুনীর ইচ্ছে হয়েছিল বইয়ের দোকানে কাজ করবে। সে বেশ ধনী বাড়ীর মেয়ে। শুনে আকাশ ভেঙে পড়লো মাথায় বাকী বন্ধুদের, নাকি চেনাজানা কেউ যদি দেখে ফ্যালে আর ওর বাবাকে বলে দেয়, কেলেঙ্কারী হয়ে যাবে। সমাজে মানসম্মান নাকি আর থাকবে না!
    ঃ-)
  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৩০311268
  • দিব্বি হয়। আর আরেকটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল, রোজেগেরে মেয়ে হলে ছেলে আরো বেশি রোজগেরে হতে হবে, আরো বেশি প্রতিষ্ঠিত, এরকম দাবিও খুব বেশি থাকে। এটাই বা কেন ?
  • .. | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:২৯311267
  • ।। এ তো সেই কম্যুনিস্ট দেশগুলোর মত অবস্থা হবে--

    ।। বছর দুয়েক আগে এক মহিলার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল। তিনি ষাটের দশকের মাষ্টারডিগ্রী। তিনি বলছিলেন খুব দুক্ষ করে, যে তিনি এম এসসি করতে ঢোকায় প্রফেসররা নাকি বলেছেন যে উনি একটা ছেলের সিট নষ্ট করলেন, কারন ওনার তো বিয়ে হয়ে যাবে কদিন পর, মেয়ে তো!। । অবস্থা বিশেষ বদলায়নি দেখছি।
  • Atoz | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:২৮311266
  • কাজকর্মের শ্রেণী নিয়ে এত ভয়ানক শুচিবাইগ্রস্ত সমাজ খুবই কম দেখা যায়। কেবলমাত্র কয়েকটা অর্থকরী ও সম্মানের কাজের বাইরে বাকী সব নাকি ভয়ানক কষ্টের আর অপমানের!
    ওহ, সেই শীর্ষেন্দুর ঘুণপোকায় সোনাকাকা গেঞ্জি ফেরি করছেন বলতে গিয়ে কী ভয়ানক দুঃখ কষ্ট যন্ত্রণা। জমিদারের ছেলে গেঞ্জি ফেরি করছে, কী সাংঘাতিক! অন্য সমাজের লোক অবাক হয়ে যাবে! সেই সমাজে তো পড়েশুনে পাশ করে বেরিয়ে অনেকেই এরকম রেস্তরাঁয় কাজ দোকানে কাজ ইত্যাদি করে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে অর্থের সঙ্গে সঙ্গে, কোনোরকম অপমানের বা কষ্টের প্রশ্নই আসে না!
  • sosen | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:২৭311265
  • আজকাল রোজগার না করলেও চলবে এমন পাত্রীও খুব একটা চাওয়া হয় না।
  • sm | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:২৬311264
  • @ ফুটকি,আপনি পয়সা উপার্জন কে এত গুরুত্ব দিচ্ছেন কেন। কোনো সংসারী বউ তার বরকে বলতেই পারে, আমার বাবা মাকে দেখা (দরকার পড়লে অর্থ দিয়ে ) তোমার কর্তব্য। কারণ আমি পুরো সংসার দেখাশোনা করছি। না করলে, তোমার ঘর করবে। আইনত ও স্ত্রী তাঁর স্বামীর অর্ধেক রোজকারের হকদার, এন্ড ভাইসে ভার্সা।
    আর পদার্থ বিদ্যা পড়ে যদি কেউ স্বচ্ছন্দে আই টি কুলি হতে পারে, তা, সংসার প্রতিপালন করলে কি দোষের আছে? আমি একজন এম এ পাস পিওন কে চিনি। হীনমন্য টা ঝেড়ে ফেলাই উচিত।
  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:২৪311263
  • পাত্রপাত্রীর এখনকার অ্যাড দেখলেও এব্যাপারে জেন্ডার বায়াস দিব্বি চোখে পড়ে। এখনো। আজ অব্দি ক'টা কেসে রোজগার না করলেও চলবে, এমন ছেলে চাওয়া হয়েছে ? মেয়েদের নিজেদের মত জীবন কাটানোর স্বাধীনতা, ইচ্ছা, অবশ্যই থাকতে পারে, কিন্তু বিয়ের সময় ছেলেরা সুউপায়ী হবে, এই দাবিটা কেন ? নিজেদের বেলা যদি অন্য যেকোন কিছু চাপিয়ে দেওয়া মনে হয়, তাহলে মেয়েরা নিজেরাও বেসিক্যালি ছেলেদের উপর রোজগারের দায় চাপাচ্ছে ( সে অতি অন্তর্নিহিতভাবে যার দায়েই হোক না কেন), এটাও মনে রাখা দরকার। কিন্তু এটা বলতে দেখি না।
  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:১৯311262
  • ব্যবসা আর চাকরিকে আলাদা ক'রে দেখা হচ্ছেই বা কেন ? মানে, প্রশ্ন যদি নিজে কোনোভাবে রোজগার করার হয়।
  • Phutki | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:১৬311261
  • আর পড়াশুনো নিয়ে বললে, একজন পদার্থ্বিদ্যার বা ইতিহাসের মাস্টার্স তার অর্জিত বিদ্যা বিন্দুমাত্র কাজে না লাগালে আমার সেটা অপচয় মনে হয়।
  • pi | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:১৫311260
  • চাকরি করা মেয়েদের এই অপরাধবোধটা বহু ক্ষেত্রে থাকে। আগের জেনেরেশনে তো থাকতোই। আমার মায়েরই পুরো এরকম কেস।
    তবে মা অপরাধবোধে ভুগছেন, এটা মেয়ে বুঝলে কিন্তু উল্টোটা হওয়া স্বাভাবিক বলে মনে হয়, মানে এটা বুঝলেও অভাববোধ বেশি করে হবে কেন, বরং বুঝলে আর অভাববোধ হওয়ার কথা নয়।মায়ের অপরাধবোধটা কমানোর জন্য। আর সত্যিই তো সে অর্থে অভাব নেই। বোধটা আছে বড়জোর। আর এআব ক্ষেত্রে নিজের জীবনেও সেই অপরাধবোধটা আসতে দেওয়া, না দেওয়া দু'রকমই হতে পারে।
    তবে আমার আসলে মাঝেমাঝে মনে হয়, পিতৃতন্ত্রের কোন দায় নেই, তা নয়, কিন্তু তার উপর সবক্ষেত্রে দায় চাপিয়ে দিলে কোথাও কি একটা অজুহাত দেবার ক্ষেত্র তৈরি হয়ে গেয়ে দুর্বলতা চলে আসে ? অজুহাত যদি নাও বলি, কিন্তু কোথাও একটা নিজের কাজের দায় এড়িয়ে যাওয়া। যা কিছু অনাছিস্টির দায় পিতৃতন্ত্র নেবার জন্য আছে বলে। কোন কোন ক্ষেত্রে (অবশ্যই সব নয়) মনে হয়।

    সে যা হোক, আমি কোন রকম চাপ টাপ ছাড়া কেসের কথা ভাবছিলাম। সেরকম কি হয়ইনা নাকি হতেই পারেনা ? অনেকের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি কি এটা হতে পারেনা, যে রোজগারের চাপ বা সেই সম্পর্কিত চাপ জীবন নেবোনা ?
  • sm | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:১৪311259
  • আমার পাড়াতুতো জেঠিমা, বাড়ি বাড়ি ঘুরে গসিপ করেন, রান্না করে দিয়ে আসেন,সোয়েটার বোনেন(যার যখন দরকার হয়); একে কি আফনেরা সম্মান করেন?এনার হাতের কাজ খুব ভালো।
  • Phutki | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:১৩311258
  • সম্মান অসম্মানের প্রশ্ন আসছে কেন? আমি চাইছি বলে তো সকলে ঘর সংসার ছেড়ে চাকরি করবে না!
    কিন্তু আমার ভাল লাগছে না বলে আমি অর্থ উপার্জন করলাম না, অথচ আমার সঙ্গীটির কাছে দাবী করলাম যে আমার বাবা মা র প্রতি কর্তব্যগুলোতে তুমি কিন্তু আর্থিক সহায় হোয়ো। কিম্বা, সে দায়িত্ব ভাই বা বোনকে দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে গেলাম। এই পুরো মডেলটাতে আমার সায় নেই। সরকারী চাকরী করা বর খুঁজব, কিন্তু নিজে সেই চাকরী করার চেষ্টাই করব না, এই টাইপ এত্ত দেখেছি যে বিরক্ত।

    আর আমি আমার কথায় প্রতিবার এই সুবিধাভোগ করা একটা সাবসেটের কথাই বলে গেছি। প্রত্যেকে চাকরী করবে না কেন, সেটা আমার বক্তব্য না কিন্তু।
  • sosen | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:০৯311257
  • আসলে আরো একটা ব্যাপার আছে, দমুদি। আমি বড়ো হয়েছি মূলত নিম্নবিত্তদের মধ্যে। তাই হয়তো উচ্চবিত্ত বা উচ্চ্মধ্যবিত্তদের জীবনটা আমি অতোটা জানিনা।
  • sm | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:০৭311255
  • kc, র পয়েন্ট কে ক। সংসারে দুজন রোজগেরে হলে ভালো।আর্থিক নিরাপত্তা ও তদজনিত মানসিক শান্তি বজায় থাকে।
    তবে অনেক মেয়েই চয়েস হিসেবে চাকরির চেয়ে সংসার কেই বেশি ইম্পর্টেন্স দেন। এটাও একটা ফুল টাইম জব। ছেলে পিলে মানুষ করা ও তাদের সঙ্গ দেয়াও যথেষ্ট আনন্দের ব্যাপার।
    তিনি শিক্ষিত হলে, ভবিষ্যতে পার্ট টাইম চাকরি নিতে পারেন বা ব্যবসা করতে পারেন। চাকরি করা ও অর্থ উপার্জনের চেয়েও গুরুত্ব পূর্ণ হলো শিক্ষা। যা ভবিষ্যতে তাকে বিপাকে পড়লে সাহায্য করতে পারে।
    চাকুরী করা বিবাহিত মহিলারা কেন জানি না খালি সংসারী মহিলাদের উপেক্ষার চোখে দেখেন। এদের কাছে মনে হয় অর্থনৈতিক স্বাধীনতার চেয়েও চাকরি টাই বেশি ইম্পর্ত্যান্ট। কোনো মহিলা ছোটো খাটো ব্যবসা করলেও, তাকে সেই উপেক্ষার চোখেই দেখবেন।
    বলে বেড়াবেন, দেখেছ পোস্ট গ্র্য্জুএত হওয়া সত্বেও বাড়ি বাড়ি শাড়ি বিক্রি করে বেড়ায়।
    এই মাইন্ড সেট টাকে চেঞ্জ করা খুব মুশকিল।
  • sosen | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:০৭311256
  • হ্যাঁ, সেটাই বলতে চাইছিলাম। কথাটা এমনভাবে শুরু হয়েছিল, যেন অর্থকরী না হলে শিক্ষার প্রয়োজনটা কি? এইখানে আমার অসুবিধা। রোজগার প্রয়োজন। রোজগার আত্মবিশ্বাস দেয়।আবার কখনো, প্রতিযোগিতা আর পিয়ার প্রেশার আত্মবিশ্বাস কেড়েও নেয়। পুরুষ নারী নির্বিশেষে। এ আমার দেখা। মানুষে আজকাল সেটা স্বীকার করতেও ভয় পায়।

    মানে জাস্ট ঐ একটা চয়েসের জায়গা রাখতে পারলে---আর সেটা তো পরিবারের সিদ্ধান্ত। বাইরে থেকে কেউ কি ঠিক করে দিতে পারে, কে কোথায় কিভাবে তার যুদ্ধগুলো বেছে নেবে?
  • | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২২:৫৯311254
  • সোসেন, আমি কিন্তু 'রোজগেরে' হতেই হবে এমনটা বলছিনা। কোনওদিনই বলিনি। রোজগার হলে ভাল। কিন্তু কেউ যদি দরকার না মনে করে না-ই করতে পারে। কিন্তু নিজস্ব কিছু ক্ষেত্র থাকা উচিৎ বলে মনে করি। এইটা মনে হয় কুমুও বলেছে, এখন বিভিন্ন যন্ত্র ব্যবহারের জন্যই হোক বা সহজে কাজের লোক অ্যাভেইলেবল থাকার জন্যই হোক 'ঘরের কাজ' বলতে যা বোঝায় তাতে খুব বেশী সময় লাগে না (এক্ষেত্রে উচ্চ মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তদের কথা ধরলাম) তার পরে নিজস্ব কিছু কাজ (অর্থকরী হোক বা না হোক) থাকাটা দরকার। আমাদের পাড়ার রুমাকাকীমা কালীতলা কলোনীতে ঘুরে ঘুরে কার ব্যাঙ্কের কোনও ফর্ম ভরে দিতে হবে, পোস্টাপিসের কাজ করে দিতে হবে, কোন বৃদ্ধ দম্পতির রেশন তুলেন দিতে হবে, এইসব করতেন। এটায় বরং কখনও সখনও ওঁর নিজেরই খরচা হত, সেটা কাকুর রোজগারের পয়সা থেকেই হত।
    তো এঁকে খুবই সম্মান করি। এরকম আরও বিচিত্র সব কাজকর্ম করা বৌ মানুষদের জানি যাঁদের যথেষ্ট সম্মান করি।
  • cm | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২২:৫৪311253
  • পিতারা সব এক হয়ে তন্ত্র বানায়েছেন বুঝি? মাতাদের কোনই ভূমিকা নাই? এতো দেখি আরেক অনিলায়ন। ছেলেরা চাপিয়ে দিল আর ভালমানুষ মেয়েরা তা মেনে নিলে?
  • Div0 | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২২:৫৩311252
  • T আছো? তোমার 04:09 পড়ছিলাম। যথারীতি কোচ্চেন হ্যাজ। উইকি ঘেঁটে এরকম একটা আপডেট পেলাম - "February 10, 2010, Defence Research and Development Organisation Director-General and Scientific Advisor to the Defence Minister, Dr VK Saraswat stated that India had "all the building blocks necessary" to integrate an anti-satellite weapon to neutralize hostile satellites in low earth and polar orbits.India is known to have been developing an exo-atmospheric kill vehicle that can be integrated with the missile to engage satellites."

    দ্যাট ওয়জ ফাইভ ইয়ারস এগো। লো অরবিট বা এক্সো-অ্যাটমোস্ফেরিক কিল ভেহিকল রেডি হয়ে গিয়ে থাকার কথা, যদি না ইউ এস'এর দড়াম করে লেজার দেগে দেওয়া নিয়ে দাগা পেয়ে নবোদ্যমে নতুন কিছু নিয়ে না পড়ে, অথবা 'স্পেস ওয়েপন' নিয়ে হাশ-হাশ না থাকে। ইজরায়েলের টেকনলজি কিনে বানানো আইসিবিএম ইন্টারসেপ্টরগুনোও অবসলিট হয়ে গিয়ে থাকবে।

    নাহ্‌ তোমার লেখা পড়ে বিষন্ন হয়ে গেলাম :-/
  • sosen | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২২:৫০311251
  • অর্থনৈতিক স্বাধীনতা জরুরি। অবশ্যই জরুরি। সেখানেই পরিবার আর ব্যক্তির ক্ল্যাশ আসে-পরিবারের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ইজ নট ইকুইভ্যালেন্ট টু ব্যক্তির অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। এখন বোধহয় আমরা দুটো জিনিসের মাঝামাঝি অবস্থান করি, যেখানে, যথেষ্ট হিপোক্রিট হয়ে আমরা সন্তানকে দেখাশোনার জন্য অবশেষে খানিকটা নিজেদের মা -বাবার উপর নির্ভর করি, আয়ার মাইনে দিতে গিয়ে নিজেকে চাকরিতে পাঠাতে হয়, অর্থাৎ কিছুটা ব্যক্তি বজায় থাকে, কিছুটা পরিবার-এটা একটা ট্রানজিশনাল ফেজ। এই ব্যাপারটা নিয়ে আমি কিছু বলছি না আপাতত, যদিও এখানে আমার অনেক প্রশ্ন আছে, থেকে যায়। আমার মূল বক্তব্য আনন্দ, কাজের আনন্দ, সর্বদা অর্থকরী না-ও হতে পারে, সেক্ষেত্রে সেই মানুষটি, যার কাজটি অর্থকরী নয় শুধুমাত্র পরিবারের প্রতি ধাবিত হচ্ছে বলেই, তাকে ব্যক্তিত্বহীন, পাপোশ বলে দাগিয়ে দেওয়া ঠিক কতটা চয়েস দিচ্ছে তাকে?
    ছেলেদের জন্য পিতৃতন্ত্র যে খাঁচা তৈরি করে দিচ্ছে, মেয়েদের জন্যও ঠিক একরকমের খাঁচা তৈরি করলেই এই যুদ্ধটায় জেতা যাবে বলে আমি মনে করি না।
    অবশ্যই যার কাছে তার আইডেনটিটি তার কাজ, তার কাছে এই প্রশ্নটা অবান্তর। আমি ল্যাবে দিন কাটাই, কাজটা ভালোবাসি, কাজটা অর্থকরী।এটাই আমি, শুধু আমি নিজেকে বেচতে পারছি বলে আমি সম্মানার্হ? আর যে মেয়েটি গৃহকর্ম করছে শুধু নিজের পরিবারের জন্য, সে কাজটা বেচছে না বলে তার জন্য একটুও সম্মান রাখবো না?

    রোজগারের অভ্যাস নিয়ে পরে লিখি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত