এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • T | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৩:১৬311490
  • উফফ্‌, গুরু অলওয়েজ দাগা খেয়ে গেল...

  • T | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৫৫311489
  • ইশ্‌ কল্লে না ! অ্যাদ্দিনে নির্ঘাৎ কোটিপতি হয়ে যেতে, (মানে যদি অলরেডী না হয়ে গিয়ে থাকো)।
  • sosen | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৫৩311488
  • কাউস্ট এ একখানা চাকরি পাইসিলাম ২০০৯ সালে
  • T | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৫০311487
  • আ মরণ! রাজ চক্কোত্তি আবার টং লিং কত্তে চায় কেন? ও বরং বাহুবলীটা টুকে ফেলুক।
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৪২311486
  • আমি মাঝখানের স্পেসটুকু মিস করে রাজচক্রবর্তী পড়ে ঘাবড়ে গেছিলাম খানিকটা ঃ-)
    রাজভিখারী কেস ভেবেছিলাম। ঃ-)
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৪০311485
  • ওয়েস্টার্ণ অডিয়েন্স এই ব্যাপারটা এইভাবে নিতেই পারবে না যেরকম চেনা পরিচিত খিল্লি মোডে আমরা এরকম কৃষ্ণ রাম রাবণ হনুমান বিরিঞ্চি নেবুচাডনেজার মিসিং লিংক সবাইকে নিয়ে নিই। ঃ-)
    ওদের যেই না সিনেমাটায় যীশুর কথা এসে গেল, সবাই কেমন ভীষণ সিরিয়াস টিরিয়াস হয়ে কেউ কেউ আবার ইমোশনাল হয়ে পড়লো।
  • TB | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৩৮311484
  • আপনাদের কারো যদি ফেলে দেবার মত অনেক টাকা থাকে তার থেকে দু-চারটি রাজ চক্রবর্তীকে দিন না! উনি টং লিং করার প্রযোজক পাচ্ছেন না।

    লটারিটা পেয়ে গেলে আমিই দিয়ে দিতাম। গৌরীবাবুর সাথেও কথা বলা যায়। উনি নামটা পাল্টে ফেলেছেন, এটাই যা অসুবিধা। উনার নতুন নামটা আপনাদের জানা থাকলে জানাবেন কিন্তু।
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৩২311483
  • পরশুরামের একটা গল্প আছে, ট্রেনের কামরায় এরকম এক চিরজীবী নানারকম গল্প করছেন। গল্পটার নাম মনে পড়ে না।
    সম্ভবত বিভীষণ, নানা মজার মজার গল্প করছিলেন।
    কারুর নির্ঘাৎ গল্পটা মনে আছে, গল্পের নামটাও।
  • T | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৩০311481
  • ম্যান ফ্রম আর্থ ? সে তো বহুদিন আগের সিনেমা, দেখেছি তো। সেই নিয়ে প্রচুর কেস। আই আই এস সি তে এটা বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল। কিছু অতি উৎসাহী জনতা সেটার একটা বাংলা ভার্সন নামিয়ে নাটক অবধি করে ফেলেছিল। সে এক কান্ড। যীশুর বদলে শ্রীকৃষ্ণ। সে যা হয়েছিল। একটা সিন ছিল যেখানে প্রোটাগনিস্ট তার বাড়িতে আসা অতিথিদের চা সহযোগে আপ্যায়ন কচ্চে। খুবই সিরিয়াস ব্যাপার। সবাই গম্ভীর গম্ভীর মুখে হিরোর হাতে ধরা ট্রে থেকে থেকে চায়ের কাপ তুলে নিচ্চে। অতিরিক্ত সিরিয়াস। কেননা হঠাত করে নিতে গিয়ে কাপ পড়ে গেলে কি বলতে হবে সেটা স্ক্রিপ্টে লেখা ছিল না। তো, খুবই ক্রিটিক্যাল কেস,

    এমন সময় অডিয়েন্স থেকে জনতা চেঁচিয়ে উঠল, ওরে, সাবধানে কাপটা ধর। ওটা পাঁচহাজার বছরের পুরোনো।

    ফলে যা হওয়ার তাই ঘটল।
  • rabaahuta | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৩০311482
  • পাইয়ের পোস্টটা পুরোটা এখনো ভালো করে পড়িনি, প্রথম লাইনটা পড়েই হুড়োহুড়ি করে উত্তর দিতে চাইলাম, এটা আমারো খুব মন্দ লাগার বিষয়।

    না, এতো ছিলো নাঃ( কিন্তু আমাদের চোখের সামনেই এই বাড়বৃদ্ধিটা শুরু হতে দেখেছি। কেন কে জানে। অনেকে বলেন বাংলাদেশ থেকে উদ্বাস্তু/শরনার্থী বা এমনি চলে আসতে থাকা মানুষের সঙ্গে এর কিছু যোগ আছে - ধর্মীয় নিরাপত্তাহীনতার থেকে আসা? টুকটাক মোড়ের মাথায় শণিপুজো এইসবও আস্তে আস্তে গজিয়ে উঠতে দেখেছি। এখন তো নাকি ক্লাব থেকে রাস্তা আটকে গণেশপূজো হয়। সৎসঙ্গের রমরমা অবশ্য পুরনো, তবে ঐ, একটা বড় মন্দির ছিল, ওখানে লোকজন নিজের মত যেত আসতো, নেমন্তন্ন ইত্যাদি তো দেখিনি।

    কিন্তু এই ঘন ঘন ভাসানের মিছিল, এ আমার জন্যেও একেবারে নতুন খবরঃ(

    বর্ডারের কাছাকাছি হওয়ায় নানারকম বাঁকা বাণিজ্য এবং সেই থেকে আসা প্রচুর পয়সা কড়ি ক্লাব গুলোতে যায়।

    সত্যি বলতে কি ত্রিপুরায় কিছু কিছু পকেটে একটা বাবু কালচার টাইপ আছে, সময় কাটছে না তো লাগিয়ে দাও বেড়ালের বিয়ে। নব্যধনী ইত্যাদি খুব উন্নাসিক শোনায়, তবে এইরকম দুয়েকজনকে ব্যক্তিগতভাবে জানি আরকি।

    কদিন আগে একজনের সঙ্গে আলাপ হলো, তিনি নমো আসায় খুব খুশি। নাকি দশ বছর বয়স থেকে আরেসেস করেন, রীতিমত খাকি হাপ্প্যন্ট পরে। এদিকে তাঁদের পরিবারটি সিপিয়েম হিসেবে পরিচিত মোটামুটি। সেটাকি? না সে তো ব্যাবসা ট্যাবসা করার জন্যে করতেই হয়। এইটা অবশ্য একটু অপ্রাসঙ্গিক।

    তো সেইখানে বারো মাসে তেরো পার্বন একটা মজাদার জিনিস।

    অন্যদিকে, আগরতলায় একটা অসংস্কৃতি এবং গ্রাম্যতার চর্চা আছে, সে সর্বত্রই থাকে, কিন্তু আগরতলায় মনে হয় এই জিনিসটা শহুরেপনা বা রবিঠাকুরীয় কেতাকে ছাপিয়ে যায় অনেক সময়। লোকজন পাল্টাতে থাকে দ্রুত, বেশীরভাগ মানুষ চলে যায় ত্রিপুরা থেকে। গ্রামীন জীবন হয়তো ভালো, কিন্তু গ্রাম্য জীবন মোতেই ভালো না। ওলাইচণ্ডী পুজোর থেকে বছরে তিরিশবার শ্যামা শাপমোচন, আমার কাছে অনেক বেশী আকর্ষনীয়।

    তো যাউগ্গা, মোটমাট বক্তব্য হলো, না এতো বেশী ধর্মে কর্মে মতি তো লোকের দেখিনি, শীতকালে তিনটে বাজারে কীর্তন আর দুর্গা পুজো এই তো ছিল।
  • Tim | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:১০311480
  • কাউস্টের এই গল্পটা অনেকদিনের পুরোনো, যতদূর জানি। এতই পুরোনো যে নতুন রিসার্চ ইউনিগুলো (মানে যারা সবে শুরু করেছে) তারা ফ্যাকাল্টিদের বলে দ্যায় যে কাউস্ট মডেলে পাবলিশ করা বাজে প্র্যাক্টিস। ঃ-)

    কিন্তু ক্ষি টাকা দ্যায়। আমাদের এক ছাত্র পিহেইচডি করতে গ্যাছে। যাওয়ার আগে স্টাইপেন ইত্যাদি যা বললো শুনে পুরো হুব্বা হয়ে গেলাম। ওখেনে যারা পোস্ত বাটে তারাও বেশ বড়োনোক।
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:০১311479
  • এ হে সরি সরি
    ম্যান ফ্রম আর্থ।
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:০০311478
  • ম্যান অব আর্থ দেখেছেন?
  • T | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:৫৮311477
  • হ্যাঁ, এভারেস্ট মোটামুটি সিনেমা। কিন্তু কাল পন স্যাক্রিফাইস দেখতে যাব।
  • π | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:৪৬311476
  • এদিকে হুতো লামাদাকে বেশ কিছুদিন ধরে একটা কথা জিগাবো ভাবি। ত্রিপুরায় কি বরাবরই পুজো আচ্চার এমনি রমরমা, ধুমধাম ?

    গত কয়েকবছর কোলকাতার আশেপাশের মফস্বল জায়গাগুলো থাকা ও যাতায়াত সূত্রে মনে হত, নানা প্রকারের পাবলিক পুজো আচ্চার প্রকোপ বেশ বেড়েছে। আগে ছিলনা, এমনটা আদৌ নয়, কিন্তু ডেনসিটি, ফ্রিকোয়েন্সি, ইন্টেন্সিটি সবই যেন বেড়েছে। সে অনেক লোকজন এটাকে নিছক আমোদের উপকরণ হিসেবেও দেখছে, আরো কিছু হুজুগ, এভাবে দেখলে তেমন আপত্তি করারো কিছু বোধহয় নেই, তবু, ঐ, কেমন একটা লাগতো। আর এই অন্যান্য জায়গায় হিন্দুত্ববাদীদের অফিসিয়াল উত্থান দেখে ভয়ও হতো, এসবের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে না তো, মানে ট্রেন্ডটা কি ঐ দিকে ? জানিনা, পাড়ার মোড়ে মোড়ে মন্দির,মানত, ভোলেবাবা মাহিনা, এসব দেখে দেখেই বড় হবার পরেও মনে হচ্ছিল কোথাও এগুলো বাড়ছে। পরিসংখ্যান বলতে পারবো না, মনে হওয়া। ছোটবেলায় অষ্টপ্রহর নাম সঙ্কীর্তনে কান ঝালাপালা ভুলে গেছি এমন না, কিন্তু পাড়ায় পাড়ায় মণ্ডপ বেঁধে কি ঘর ট নিয়ে এত ভক্তিরসের উপচে প্লাবন ঠিক দেখি নাই। মানে, এভাবে প্রকাশ্যে এত আর কি। প্রতিবার যাই আর আশেপাশে নতুন নতুন মন্দির ফুঁড়ে উঠতে দেখি। বলাই বাহুল্য, সেখানে, ইয়ে, মানে দক্ষিণাপাতিও ভালই জমা হতে দেখি। দেখার বাইরে আরো কত কী জমা হয় সে হিসেবে নাহয় নাই গেলাম। আজই কোলকাতায় গণেশপুজোর মোচ্ছব নিয়ে অনেককেই ভ্রূ কোঁচকাতে দেখলাম। তার অনেকটাই অবশ্য অবাঙালী 'সংস্কৃতি' র অনুপ্রবেশের আশংকায়। এসবের বদলে আমাদের আমাদের বিশুদ্ধ বংগীয় লৌকিক দেবদেবীদের পুজোকে ইন থিং করে তোলার আহ্বান অও দেখলাম।
    তা, কথা হল, যদিও বাম আমাদের ধর্মে জিরাফে সবেতেই ছিল, তবে এটা কি বাম থেকে তিনো পরিবর্তনের এফেক্ট নাকি সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপির দিকে হেলার ফল কিম্বা এখানেই তারই প্রিল্যুড কে জানে।

    তো, এসবের মধ্যেই ত্রিপুরাকে দেখে একটু চমকে গেলাম। এমনিতে মানিক সরকারের রাজ্য নিয়ে একটু আগ্রহ ছিল, যা লিখেছিলাম আগের পোস্টে, তো সেই শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসনের অনেক কিছু দেখেই ভালই লাগছিল। একটা ভাল সিস্টেম বানিয়েছে, চেষ্টাও আছে। এছাড়াও এত ট্রাইবাল ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী, অফিসার, এঁদের সাথে কাজ করতে হয়, যে ঐ রিজার্ভেশনের সুতোয়, যেখানে তামিলনাড়ুর কোটা ও ডাক্তার কোয়ালিটি নিয়ে লিখেছিলাম, এবার ত্রিপুরার কথা লিখবো ভাবছিলাম। একেবারে উঁচুতলায় হেল্থ ডায়রেক্টর থেকে শুরু করে তৃণমূলে আশা, এম পি ডব্লু, কারোরই তো এফিসিয়েন্সির কিছু কমতি দেখিনা, ট্রাইবাল হয়েও, কোটার সুবিধে পেয়েও। সে যাগ্গে, এসবই ভালই লাগছিল। প্রথম খটকা লাগলো দরজায় খটখট ক'রে প্রসাদ বিতরণ ও পুজোর নেমতন্নের ফ্রিকোয়েন্সি দেখে। তারপর রাস্তায় দেখি সে ভারি মজার দৃশ্য। একপারে চলছে মাইক নিয়ে কমরেডদের বক্তৃতা, বিক্ষোভ সভা। তো অন্যপারের মাইকে চলছে নাম সঙ্কীর্তন। ফি হপ্তায় কোন না কোন দেব দেবীকে ভ্যানে করে বিসর্জন নিমিত্ত যাত্রা করতে দেখি। পিছু পিছু এই জনা কুড়ি পঁচিশ লোক, সিঁদুর, আবীর সব মেখে নাচতে নাচতে ভ্যানের পিছনে চলেছেন। এমনিতে ভাসানের অপোসমস্কিতি নেত্ত আমার দিব্বি লাগে, কিন্তু এই ফ্রিকোয়েন্সি দেখে জাস্ট ঘাবড়ে গেছি। বিপদকালি, রক্ষেকালি, ভদ্রকালি, শীতলাকালি, আকালি .... মাক্কালি নামের হিসেব রাখা ছেড়ে দিয়েছি।
    আর মোড়ে মোড়ে নীলবাবু তো আছেনই। আমি এমনি ঢ্যাঁড়শ কিম্বা আতা যে প্রথম যখন তাঁকে দেখি, চিনতেই পারিনি। হেব্বি উত্সাহ নিয়ে ছবি তুলেছিলাম। এমন নীল চেহারা, সাজগোজ, বেশ ইন্টারেস্টিং এক্সপ্রেশন, ভেবেছিলাম, কোন ট্রাইবাল দেবতা হবেন, রাস্তার ধারে এক বেশ অদ্ভুত জায়গায় তিনি বসে ছিলেন। কিন্তু এই না চেনাটা আমার কতটা দোষ জানিনা। আমি সত্যি ই পাড়ার মোড়ে মোড়ে
    এমনি পাইকারি রেটে শনিপুজো দেখিনি আমার কোলকাতাবাসকালে। দেখিইনি বলাই ঠিক হবে। সেটা আমার স্যাম্পল সাইজের দোষ হতে পারে, আমি রাস্তার অনেক কিছুই না দেখে চলে যাই ( যার জন্য রাস্তাঘাট চেনার ব্যাপারে প্রকৃত দিগ্গজ), তার দোষও হতে পারে। কিন্তু সেই আমারই যখন এই এই ক'দিনেই এখন এই দেখাশুনা হয়ে যাচ্ছে, তখন কিছু তো একটা তফাত আছে বস।
    নানাপ্রকার ব্রত পার্বণ গ্রাম গঞ্জের দিকে হয় জানি, কিন্তু এভাবে, এই মানে, এত্ত, শহরেও ?
    আর এরকম কি বরাবরই, নাকি পব র মত এখানেও কোন প্রকারের পরিবর্তন ?
    কিছু লোকজনকে ( কিছু মানে এক দু;জনই হবে, ভরসা ক'রে এসব জিগানোর লোকও তেমন পাইনা) জিগিয়েছিলুম, শুনলুম, এ নাকি অনেক দিনই এরকমই এখানে। আর তার একটা কারণ এখনএ নাকি আর সেরকম কোন বিনোদন নেই। এই ছোটখাটো পুজোগুলো উপলক্ষ ক'রে এইসবই এন্টারটেইনমেন্ট। সে যাগ্গে যাক, এন্টারমেন্ট হোক, সে তো দুর্গাপুজোও আমাদের আমোদ বিনোদনই, কিন্তু কোথাও কি কোন একটা কিন্তু লাগে ? নিছক বিনোদন কি ঐ ভাসান নাচ টাচ খ্যাঁটন ট্যাঁটন বাদ দিয়েও একেবারে আচার বিচার ধর্মপালন, মন্ত্রপাঠ, এগুলি কমরেডদের করতে দেখতে অস্বস্তি হয় ? নাকি প্রকৃত কমরেডরা এসবের থেকে দূরে দূরে উড়ে উড়েই থাকেন ?

    তবে, এই এতকিছু লিখে ফেলতাম না, সৎসঙ্গ দ্বারা এভাবে নিপীড়িত না হলে। তা মোটামুটি খাদিম, বাটার রিটেইলের মত সৎসগ বিহারের রিটেইল চেন নিয়েও তেমন কিছু বলার নেই, মাসে দু তিনবার ক'রে আশেপাশে সৎসঙ্গের আসর বসা নিয়েও তেমন কী বা বলার থাকতে পারে, কম্যুনিটি হল ভাড়া করে হাজার জনের সমাবেশ নিয়েও না, কিন্তু সেই সব জায়গায় আমার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করার প্রশ্নে আপত্তি হ্যাজ। না গেলে, কি গিয়ে না থাকলে, প্রসাদ না খেলে উদ্যোক্তাদের অমঙ্গল হবে, এসব অতি অলুক্ষুণে ব্যাপারস্যাপার, অতএব পরিত্যজ্য, এসব বললে প্রবলতর আপত্তি হ্যাজ। বিশেষ ক'রে ঐ সৎসঙ্গের অনুলোম প্রতিলোম আরো কি কি লোম ঠাকুরটিকে যখন রীতিমতন অপছন্দ করি। এ এক আচ্ছা গেরোয় পড়া গেছে মাইরি। রানারা গোছের টইএর প্রিন্টাঅউট নিয়ে ঐ সৎসঙ্গসভায় বিলি করলে শান্তি পেতাম মনে হচ্ছে। কিন্তু সে আবার ভাবাবেগে আঘাত ফাঘাত দেওয়া হয়ে যাবে। খুবই গেরো। বিস্তর।
  • Atoz | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:৩৪311475
  • তবে যে কেসিপাল কইলেন ওরা তেলের ব্যাপারে ননপ্লেয়ার হয়ে গ্যাছে??? তাহলে অ্যাতো টাকা পাচ্ছে কোথায়??????
  • T | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:৩২311474
  • জানি পোটকেদা, Kaust
  • Arpan | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:২৬311473
  • ঘুম আসে না?
  • potke | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:১৭311472
  • সৌদির ইউনি গুলো সাইটেশনের জন্য পয়্সা দিচ্ছে, মোস্ট সাইটেড রিসার্চার দের ধরে ধরে অ্যাফিলিয়েট ফ্যকাল্ট পসিশন দিচ্ছে আর বলছে পেপারে সেই অ্যাফিলিয়েশান দেখাতে।
  • T | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:১৩311471
  • ওক্কে পটকেদা।
  • rabaahuta | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০০:৪৬311470
  • উদয়পুর থেকে আরেকটু গেলেই অমরপুর, সেখানে পিলাক, ছবিমুড়া এইসব আছে। জঙ্গলগড়ের চাবি, অমর মাণিক্যের গুপ্তধন, সেই অমর মাণিক্যের নামে অমরপুর।
  • Tim | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০০:৪৪311468
  • সইত্যের পথ বড়ো কঠিন, পদে পদে বিচ্যুতির ভয়। নকল নতুনের দেঁতো হাসি আর আসল পুরাতনের বিষন্ন কান্না দুটোই একনাগাড়ে চলতে থাকলে ভালো লাগেনা।
  • rabaahuta | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০০:৪৪311469
  • হ্যাঁ, সেটাই, আধখানা ডুবে যাওয়া পোড়ো রাজবাড়ি, পরিত্যক্ত মন্দিরেরে হাঁড়িকাঠের বেদী থেকে মজে যাওয়া গোমতী নদীর খাতের দিকে নেমে যাওয়া নালা, এখন সব নতুন রং করা আলো ঝলমলে।
  • π | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০০:২২311467
  • এই সাজিয়ে গুছিয়ে দেবার বাতিক বড় বিচ্ছিরি লাগে। সাজানো গোছানো পার্ক দেখলেই আজকাল এমন একটা রিপালশন হয়। কেয়ারি করা গাছপালা, সমান করে ছাঁটা ঘাস, জাস্ট পোষায় না। এলোমেলো,, এবড়োখেবড়ো, যেমনটা স্বাভাবিক, অম্নি রাখতে কী হয় ? মেইনটেঐন করা মানেই আসলের ফ্লেভার চাপা দিয়ে দেওয়া নাকি ? পুরানো মন্দির বাড়িতে এখনকার পেইন্ট ফেইণ্ট দাঁত বার ক'রে হাসছে দেখলেই পুরো জ্বলে।
  • kc | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০০:০৬311466
  • এহে গুলিয়ে গেছে তাহলে। খোয়াই আমার খুব পছন্দের জায়গা ছিল ছোটবেলায়, কোনও কারণ ছাড়াই।
  • rabaahuta | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৫৮311465
  • এহ, খোয়াই কোত্থেকে এলোঃ) খোয়াই তো অন্যদিকে, পঃত্রিপুরা জেলা।
    উদয়পুরে পুরনো রাজবাড়ির ধ্বংসাবশেষ, পরিত্যক্ত ভুবনেশ্বরী মন্দির, তবে এখন বোধয় অনেক সাজানো গোছানো হয়ে গেছে।
  • kc | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:৩৩311464
  • খোয়াই, সিপাহিজলা।
  • π | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:২২311463
  • পরশু উদয়পুর যাচ্ছি, অবশ্য উদয়পুর না ঠিক, উদয়পুর হয়ে হয়ে গণ্ডাছড়া যাচ্ছি বলা ভাল। ঝুম ঘরগুলোতে যাবার প্ল্যান, এদিকে বন্যা, ওসব দিকের গ্রামে রাস্তা তো এমনিতেই প্রায় নেই, কীক'রে কী হবে কে জানে।
    পরে ভাল করে উদয়পুর ঘোরার ইচ্ছে আছে। কিন্তু মন্দির, মসজিদ ছাড়া আর কী কী আছে ? তৃষ্ণা কেমন ?
  • π | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২৩:১০311462
  • এ কী রে বাবা, ব্লগে আমার নামে কমেন্ট আসছে কেন ? এদিকে কোন ব্লগেই কমেন্ট করতে প্রায় পারছিইনা। বাক্স আর আসেইনা।
  • potke | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ২২:৫১311461
  • টি, ১০ তারিখ তোর ওখানে আসছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত