এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১২৯২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কল্লোল | ০৬ মে ২০১৭ ০৬:২৯712729
  • পিটি। এটাই ট্র্যাজেডি। এতোটাই অন্ধ হয়ে গেছো যে নিজেদের পাহাড় প্রমান দোষগুলো চোখেই পড়ে না। ভাঙ্গড়ে আজ যা হচ্ছে অমন ভাঙ্গড় সিপিএম বহু ঘটিয়েছে আর তাতে অমন দিস্তা দিস্তা আবেদন এই বিদদ্ধ মানুষদের অনেকেই লিখেছেন ৮০র দশক থেকে। ভালো কথা এদের অধিকাংশই তো এতোকাল তোমার কাছে "বুজি" ছিলো আজ তারা "বিদদ্ধ" হয়ে গেলেন। কেন? আজ যে ওরা তোমার পছন্দের কথা বলছে। আজ যখন এপিডিআর তোমার পছন্দের কথা বলছে, তখন ওরা আর শুধুই "মাওব্যাথী" নয়। দুদিন আগেও এই টইতেই তোমার মন্তব্য জ্বলজ্বল করছে - এসব নকশালেরা সুবিধামতো মানবতাবাদী হয়ে যায়, আবার সুবিধামতো তিনোদের হাত ধরে।
    আমার বলার কথা এটাই। যতদিন এই অন্ধত্ব, এই পছন্দের কথা শোনার আকুলিবিকুলি, এই অপ্রিয় কথা না শুনতে চাওয়া থাকবে, ততোদিন সিপিএম আরও আরও মুছে যাবে।
    ভোটে হেরে গেলে যারা মানুষকে ছগল ভাবে, তারা মানুষের দুঃখের ভাগীদার হতেই পারে না। একটাই সুখের কথা - সিপিএম করা বহু মানুষ তোমাদের মতো অন্ধ হয়ে যায় নি। সেই যে রোজ সকালে গণশক্তি লাগানো মানুষদের কথা লিখেছিলাম, তাদের সাথে আলাপ হচ্ছে, কথা হচ্ছে, তারা কিন্তু অন্ধ নন, অন্ততঃ এই সামান্য দুদিনের আলাপচারীতায় তা মনে হলো না।
    আমি আগেই লিখেছিলাম আমাদের সাশ্য সীমিত। কিন্তু ছোট হলেও পিঁপড়ে কামড় দেয়। আর তাতেই ইন্দিরার মতো একচ্ছত্র স্বৈরাচারীকে এপিডিআর নিষিদ্ধ করতে হয়, সিপিএম কিন্তু নিষিদ্ধ হয় নাই। অত্যাচারীত হয়েছে সিপিএমের সাধারন কর্মী সমর্থক। বড় নেতারা জ্যোতির্ময় বসু ছাড়া, দিব্য ছিলেন। আলিমুদ্দীন খোলাই ছিলো। পলিটব্যুরো দিল্লীতে বহাল তবিয়তেই ছিলো।
  • PT | ০৬ মে ২০১৭ ০৭:২১712730
  • "ভাঙ্গড়ে আজ যা হচ্ছে অমন ভাঙ্গড় সিপিএম বহু ঘটিয়েছে আর তাতে অমন দিস্তা দিস্তা আবেদন এই বিদদ্ধ মানুষদের অনেকেই লিখেছেন ৮০র দশক থেকে। "

    বুঝলাম!!
    কিন্তু তা দেখিয়ে তো আর প্রমাণ করা যাচ্ছে না যে পব-তে এখন "গণতান্ত্রিক" পরিবেশ আছে। এমনকি সুমনবাদী তিনোপন্থীরাও আর সামাল দিতে পারছে না। একথা তো তোমার প্রাণপ্রিয় এপিডিআরও বলছে। তাহলে ধরে নিতে পারি যে এই পব-তে শুধু এপিডিআর নয়, সিপিএম সহ অন্য কোন বিরোধী শক্তিই আন্দোলন করতে পারবে না? নাকি সেটা তুমি প্যাথলজিকাল সিপিএম বিরোধীতার কারণে সেটা স্বীকার করবে না?
    তবে তোমার ইতিহাস ঘেঁটে দেওয়ার ক্ষমতা অপরিসীম। জরুরী অবস্থায় কোন বিদেশী চাপে সিপিএম নিষিদ্ধ হয়নি সেকথা সবাই জানে। স্বৈরাচারীর ভাষা বোঝনা এমনতো নয়ঃ সিপিএমকে নিষিদ্ধ না করেও সিপিএমকে আটকানো যায় তাদের "সাধারন কর্মী সমর্থক"-দের ওপরে অত্যাচার চালিয়ে। সেই স্ট্রাটেজি যে এই সরকার কলকাতার বাইরে চালাচ্ছে না সে কথা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে?
    (ময়নায় বিয়ে বাড়িতে যত ভাড়া করা ফ্যান দেখলাম তার বেশীর ভাগের রঙই নীল, কি আশ্চর্য!)

    আর যাদের বিদগ্ধ বলেছি তাদের সকলের সম্পর্কে আমার জানা নেই। শঙ্খ ঘোষকে আমি কোন কালে বুজী বলিনি। কিন্তু "এসব নকশালেরা সুবিধামতো মানবতাবাদী হয়ে যায়, আবার সুবিধামতো তিনোদের হাত ধরে" লিখে তুমি কি শঙ্খ ঘোষকে নকশাল/তিনো বানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছ নাকি? ঐ তালিকায় তো, কি আশ্চর্য বেশ কিছু নাম দেখছি যারা মার্কামারা সিপিএম সমর্থকঃ চন্দন সেন, শুভেন্দু মাইতি, শুভপ্রসাদ নন্দী মজুমদার, অম্বিকেশ মহাপাত্র ইত্যাদি ইত্যাদি। (আরো কে কে আছেন কে জানে!!) তো, এই নিন্দাপত্রটি লিখতে এইসব "ফুস" হয়ে যাওয়া বা "আরও আরও মুছে " যাওয়া দলের সমর্থকদের সাহায্যের দরকার হল কেন?
  • কল্লোল | ০৬ মে ২০১৭ ০৮:২৮712731
  • পিটি। ক্রমশঃ একটা সিদ্ধান্তে উপনীত হচ্ছিযে অন্ধদের সাথে তর্ক অর্থহীন। সময়ের অপব্যবহার ও নিজের বিরক্তি না বাড়ানোই ভালো। তোমাদের কাএউর কাএউর সাথে ব্যক্ত্রিগত পরিচয় না থাকলে খুব হুল ধারনা হতো তাদের সম্পর্কে। তোমরা ব্যক্তিগতভাবে সৎ, কিন্তু সিপিএম নিয়ে অন্ধ। কি লেখো, একবার নিজেরা পড়ে দেখেছো?

    তুমি লিখলে, ""ভাঙ্গড়ে আজ যা হচ্ছে অমন ভাঙ্গড় সিপিএম বহু ঘটিয়েছে আর তাতে অমন দিস্তা দিস্তা আবেদন এই বিদদ্ধ মানুষদের অনেকেই লিখেছেন ৮০র দশক থেকে। "
    বুঝলাম!!
    কিন্তু তা দেখিয়ে তো আর প্রমাণ করা যাচ্ছে না যে পব-তে এখন "গণতান্ত্রিক" পরিবেশ আছে।"

    তোমার কি মনে হলো আমি এই আবেদনটা দিয়ে প্রমান করতে চাইছি এখন পবতে গণতন্ত্রের চাষ হচ্ছে? তাহলে আমি নিজে ঐ আবেদনে সই করলাম কেন? কেন ঐ আবেদনটি ছড়িয়ে দিতে বল্লাম সবাইকে?
    কিন্তু তুমি কী বুঝলে? কিছুই কি বুঝলে ? বুঝলে কি যে সিপিএম ৮০র দশক থেকেই আজকের তৃণমূলের মতোই আচরণ করেছে। সেদিন তারাও পবতে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিলো। সেটা বোঝার মতো মানসিক দৃঢ়তা আছে কি? নেই, আমি নিশ্চিত। সেটা মানতে গেলে তুমি খানখান হয়ে ভেঙ্গে যাবে। আর তাতে তুমি ভয় পাও। তাই প্রাণপনে বাজে যুক্তি খাড়া করবে, কথা ঘোরাবে। একটা কথা বলে রাখি, আমার নিজের জীবন আমায় শিখিয়েছে নিজেকে বারবার ভাঙ্গতে, নতুন করে গড়তে। নইলে একজন মানুষ পচা ডোবা হয়ে যায়।

    আজ যে দলটা স্বীকার করছে, তাদের এই চরম দুঃসময়েও সদস্যদের ৩০% "নিস্ক্রিয় ও মতলববাজ"। তাহলে যখন তারা ক্ষমত্রায় ছিলো, তখন দলটার অব্স্থা কি ছিলো? ভেবে দেখেছো কখনো? ভাবো নি, ভাবতে চও না।
    তত্ত্বকথায় তোমার অ্যালার্জি আছে, তবু কিছু ত্কথা শোনাই। ১৯৭৮এর সালকিয়া প্লেনামে যখন দলটাকে বিপ্লবী দল থেকে গণবিপ্লবী দলে রূপান্তরিত করা হয় - সর্বনাশের শুরু তখন থেকেই। হুহু করে বেনোজল ঢোকে তখন থেকেই। এই বেনোজলে শুধু বড়লোক দ্শান্দাবাজেরাই ঢোকে নি, অ্ক গরীব কিন্তু "প্রশ্নহীন অনুগত"ও ঢুকেছে। পিট সিগার শোনো When you will ever learn।
    একটা ঘটনা বলি - ঐ সময়েই টালিগঞ্জ এলাকায় বামফ্রন্ট গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার নিয়ে কনভেনশন করে। গেলাম সভার দিনে। বক্তা প্রশান্ত শুর মশাই, ও আরও কয়েকজন। সকলেই ভালো ভালো কথা বললেন। তারপর রীতি অনুযায়ী প্রস্তাব পাশ হবে। রীতি অনুযায়ীই জিজ্ঞাসা করা হলো কারুর কোন সংযোজন বা আপত্তি আছে কি না। আমার হঠাৎ মনে পড়লো দিন কতক আগে ছাড়া পাওয়ার পর, সন্তোষ রাণা মেদিনীপুর শহরে একটা সভা করেন। সত্যযুগ খবর করে, সেই বক্তৃতার টেপ গোয়েন্দারা জ্যোতিবাবুকে শোনান। আমাদের মধ্যে এই নিয়ে কথা হয়। কেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপর গোয়েন্দাগিরি চালু থাকবে কংগ্রেস আমলের মতো?
    যেমন ভাবা, ওমনি হাত তুলে বলতে চাইলাম। আমি ভাবতে পারিনি তাতে সভায় এমন একটা পরিস্থিতি তৈরী হবে। হঠাৎ আচমকা নীরবতা। মঞ্চে বসা নেতারা অস্বস্তিতে। এতোক্ষন আমায় কেউ খেয়াল করে নি। এবার পাড়ার চেনা সিপিএম মুখ আমার দিকে এগিয়ে আসে। প্রথম প্রশ্ন,
    -তোমায় কে এনেছে?
    -কেউ না। এই সভার কথা শুনে চলে এলাম।
    -তা, তোমার কি আপত্তি আছে কিছুতে?
    -না। সংযোজন আছে।
    -অ আচ্ছা।
    আমি বললাম। গোটা ঘটনাটা বয়ান করে সংযোজনী আনলাম, বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপর গোয়েন্দাগিরি বন্ধ হোক।
    অনেকবার মঞ্চ থেকে বলা হলো,
    -কারুর যদি এই প্রস্তাবে আপত্তি থাকে তো বলুন।
    আপত্তি নেই। কারুর নেই। আসলে আপত্তি করতে তো কেউই আসে নি। সকলেরই তো শুধু হাত তোলার কথা। ফলে আমার সংযোজনী সমেত প্রস্তাব পাস।
    বেরিয়ে আসার পর বহু লোকজন আমায় ঘিরে ফেলে। নানান প্রশ্ন। কোথায় থাকি? কোন এলসি? কি করি?
    পাড়ার এক আরএসপি করা দাদা আমার হাত ধরে ঘেরাও থেকে বার করে আনেন।

    কিছু বুঝলে কি? প্রশ্নহীনতার স্বরূপ চিনলে কি?

    তবে আশা মরিয়াও মরে না। ঐ যে যারা আজও গণশক্তি দেওয়ালে সাঁটায় পরম মমতায়, তারা আছেন, আছে শাক্যর মতো কিছু মানুষ যারা নতুন দিশায় ভাবতে চায়। তাদের সব ভাবনায় আমি একমত নই, কিন্তু ভালো লাগে যখন দেখি তারা নতুনভাবে ভাবতে চায়।

    গলদ আরও অন্য জায়গায়। মার্কসের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রভাবনায় খুব বড়োসরো ঝামেলা আছে। বামেরা আজও সেই রাষ্ট্র ভাবনা থেকে বের হতে পারেনি। ফলে আটকে গেছে তারা।
    ভাবো ভাবো ভাবা প্র্যাকটিস করো।

    আমি হয়তো আর এই ঝগড়ায় অংশ নেবো না। ক্লান্ত লাগছে।
  • PT | ০৬ মে ২০১৭ ০৯:১৪712732
  • "বুঝলে কি যে সিপিএম ৮০র দশক থেকেই আজকের তৃণমূলের মতোই আচরণ করেছে। সেদিন তারাও পবতে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিলো।"
    এই সময়টায় তুমি সিপিএমের সঙ্গে জুড়ে ছিলে না?
    আমার কিন্তু একটুও ক্লান্তি লাগছে না এই তক্ক চালাতে। কেননা সুমনবাদী তিনোপন্থীদের দ্বিচারিতাকে প্রায় হাত দিয়ে ছুঁয়ে ফেলছি মনে হচ্ছে!!
    আর আমার "`খানখান হয়ে ভেঙ্গে" যাওয়ার কিছু নেই। কেননা সাইন কার্ভের মত কখনো নকশাল, কখনো সিপিএম, কখ্নো সুমনবাদী তিনোপন্থী, কখনো মার্কস বিরোধী, কখনো নৈরাজ্যবাদী, কখনো নোটাবাদী হয়ে সুবিধাবাদী রাস্তায় যাতায়াত করিনি।
    কিন্তু মোটের ওপর এমন একটা অবস্থানকে আকঁড়ে আছি যাতে আমার কোন বক্তব্যের ফাঁক দিয়ে যেন কোন মাছির সাইজের সিদ্ধার্থের স্নেহধন্য কেউ আর তাদের স্নেহধন্য বিজেপি বিন্দুমাত্রও তাত্বিক সমর্থন না পায়।
    যারা ইমার্জেন্সী নিয়ে মাতামাতি করে কিন্তু পব-তে ইমার্জেন্সির প্রয়োগের অন্যতম পান্ডা সুব্রতর সঙ্গে একাসনে বসে গনতন্ত্রের চর্চা করে তাদের জন্য অনেক অনেক ঘৃণা পাঠালাম।
    কি আশ্চর্য, এই সব নির্বোধরা তিনোদের ক্ষমতায় তোল্লাই দেওয়ার সময়ে খেয়াল করে দেখনি যে তারা সিদ্ধার্থর কাছে শিক্ষণপ্রাপ্ত গণতন্ত্রের হত্যাকারীকেও ক্ষমতায় নিয়ে যাচ্ছে!!

    "কেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপর গোয়েন্দাগিরি চালু থাকবে কংগ্রেস আমলের মতো?"
    এটা বেশ অসহ্য ন্যাকা ন্যাকা শোনাল আমার কাছে। কখন প্রিয়-সুব্রতর চ্যালা-চামুন্ডারা গিয়ে গোপাল ভট্টাচার্যের বাড়িতে আগুন লাগাবে সে ব্যাপারে গোয়েন্দাগিরি চালু থাকবে না?
    গোয়েন্দাগিরি যথেষ্ট ছিল না বলেই হয়ত জানা যায়নি যে কখন মাওপন্থীরা আর তাদের ল্যাজ ধরে তিনোরা অস্ত্র নিয়ে জঙ্গলমহলে বা নন্দীগ্রামের ভেতরে ঢুকে পড়েছ, তাই না?
  • কল্লোল | ০৬ মে ২০১৭ ০৯:৩২712733
  • নাঃ এই সব অবান্তর তর্ক আর চালাতে ইচ্ছে করছে না। তোমার অবগতির জন্য - আমি বা আমার রাজনৈতিক বন্ধুরা কোনদিনই সিপিএমে ছিলাম না। ১৯৮০র লোকসভা নির্বাচন অবধি, মন্দের ভালো হিসাবে সিপিএমকে ভোট দেবার কথা বলেছি। তারপর আর সমর্থন করিনি।
  • PT | ০৬ মে ২০১৭ ০৯:৩৯712734
  • কিন্তু সুব্রত শোভিত তিনোকে ক্ষমতায় পাঠানোর জন্য যে তাত্বিক ভূমিকা নিয়েছিলে সেতো ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে। তবে নকশালদের সঙ্গে কংগ্রেসের লোচ্চা অংশটির মাখামাখি শাস্ত্র সম্মত। তাই বোধহয় কোন বেদনা বোধ নেই এই অবস্থান প্রসঙ্গে?
    তা ঐ সিদ্ধার্থের উত্তর্সূরীদের নেতৃত্বাধীন দলের সঙ্গে মানবাধিকার কর্মী ভ্দ্রবাবু গোপনে মিটিন করেছিলেন বলে শোনা যায়। এপিডিআর কি এ বিষয়ে কোন নিন্দাপ্রস্তাব আনবে?
  • Arpan | ০৬ মে ২০১৭ ০৯:৪৮712735
  • পুতিনের জন্য হিলারির প্রেসিডেন্ট হওয়া হল না আর মাওব্যথী ধাবা বুজীদের জন্য গোলগাল সিপিয়েম সিংহাসনচ্যুত হল।

    দুটোই একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের আর্বান মিথ হয়ে রইল।
  • sm | ০৬ মে ২০১৭ ১০:০২712736
  • পাঁথলজিক্যাল বাম বিঁরোধীতা! যে আঁশে আঁসুক--- বঁলেছিলে খেঁয়াল আঁছে?
  • Atoz | ০৬ মে ২০১৭ ১১:০০712737
  • নৈরাজ্যদা, নৈরাজ্যদা গো, ওই দিকে যে আবার ভীষণ তর্ক বিতর্ক লেগেছে মৃত্যুদন্ড নিয়ে মানবাধিকারীগণের অবস্থানের ব্যাপারে। এতদিক সামলাই ক্যামনে?
  • PT | ০৬ মে ২০১৭ ১১:১০712739
  • এই চলমান তক্কে "মাওব্যথী ধাবা বুজীদের জন্য গোলগাল সিপিয়েম সিংহাসনচ্যুত হল" এমন দাবী কোথাও করা হয়নি। শুধু যারা অন্য দলের "ক্যাবলামো" নিয়ে এত গলাবাজী করে তারা ইমার্জেন্সির অন্যতম পান্ডাশোভিত দলটির সঙ্গে মাখামাখি করার মত স্বকীয় ক্যাবলামোটা স্বীকার না করে এখনকার "অগণতান্ত্রিক" পরিবেশ নিয়ে কেন কান্নাকাটি করছে সেটাই তক্কের মূল বিষয়।
  • cm | ০৬ মে ২০১৭ ১২:৩৪712740
  • সেকি, কল্লোলদা ভূমি সংষ্কারের দিনেও বামফ্রন্টকে সমর্থন করেননি! জেনে বড় ব্যথা পেলাম।
  • PM | ০৬ মে ২০১৭ ১২:৪০712741
  • কল্লোলদা সহ প্যথোলজিক্যাল সিপিয়েম বিরোধী/ সুমনপন্থী তিনোদের একটা প্রধান অবস্থান / প্রচার ছিলো সিপিয়েমের ঔদ্ধত্ব। । এই ঔদ্ধত্ব শব্দটা আজকাল আর এদের মুখে শোনা যায় না--- আমরা কি ধরে নিতে পারি তিনো দল/ সরকারের মতো নম্র, শান্ত দল /সরকার ই কল্লোলদারা চেয়েছিলেন ? যেহেতু সরকারী দলের নমনিয়তার দাবী পূর্ন হয়ে গেছে --- তাই এব্যাপারে আর কোনো দাবী দাওয়া নেই প্যাথলজিকাল সিপিয়েম বিরোধীদের? ঃ) ঃ)
  • Atoz | ০৬ মে ২০১৭ ১৪:৪১712742
  • পরম নম্র সহনশীল সুবিবেচক বিনয়ী ন্যায়নিষ্ঠ ---- হি হি হি
  • PT | ০৬ মে ২০১৭ ১৭:০১712743
  • এটা কি সত্যি?
    "কলকাতার প্রায় প্রত্যেকটি মুসলিম মহল্লায় এমনিতেই একাধিক মসজিদ তাদের মাইক থাকা সত্ত্বেও সরকারি উদ্যোগে বস্তির গলিতে গলিতে স্থায়ী মাইক লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে আজান সম্প্রচারের জন্য।"
    http://www.anandabazar.com/editorial/no-religion-should-increase-the-oppression-of-sound-1.608184?ref=hm-new-stry#
  • dc | ০৬ মে ২০১৭ ১৯:৩৭712744
  • "আমার কিন্তু একটুও ক্লান্তি লাগছে না এই তক্ক চালাতে"

    ক্লাসিক! :d :d
  • s | ০৭ মে ২০১৭ ০৭:০৩712745
  • পিটিদা ভাবতেই পারছেন না। কিন্তু পিটিদার পার্টির নেতা কিন্তু এর মধ্যেই ভাবতে শুরু করেছেন।
    প্রসংগত গৌতমবাবুই প্রথম সিপিয়েম কং জোটের কথা তোলেন ও বিমানবাবুর অস্বীকার, আলিমুদ্দিনের প্রচুর নাটকের পরে ঐ জোটের রাস্তাতেই হাঁটা হয়।
  • PT | ০৭ মে ২০১৭ ০৭:১১712746
  • s
    অন্যের খোঁজ-খবর রাখা ভাল। কিন্তু আপনার পার্টির নেতা কে?
  • s | ০৭ মে ২০১৭ ০৭:৩৫712747
  • আমার কোন পার্টি নাই। সব পার্টিকেই গালাগাল দেবার অধিকারটুকু নিয়ে বসে আছি।
  • যোগরূঢ় জগঝম্প | ০৭ মে ২০১৭ ০৮:৫১712748
  • ভিডিও আর তার ট্রান্সস্ক্রিপ্ট ফেসবুকে পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে খুব স্পষ্টভাবে গৌতম দেব বলেছেন (সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে) - আগে তো ওরা বলুক, তারপর ভেবে দেখবো।

    এদিকে তাই নিয়ে কাল থেকে আনন্দবাজার হেগেই চলেছে, আর সাথে কিছু পাবলিকও। যদিও তারানন্দের ভিডিওতেই এই কথাগুলো শোনা যাচ্ছে। আবালপনার একটা লিমিট থাকা উচিত।

    "Reporter : তৃণমূল কে স্বাগত জানাবেন আপনারা?
    Goutam Deb (GD) : সে প্রশ্ন উঠছে কি করে? তৃণমূল বলুক আগে তারা কি চায়...
    Reporter: সকলের জন্য পথ খোলা রাখছেন আপনারা?
    GD : সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে যদি Congress কে নিতে পারি, তাহলে Cong থেকে বেরিয়ে আসা TMC কে নেওয়া (আদর্শগত সমস্যা কি?)...TMC গন্ডগোল করছে, রোজ আমাদের লোকেরা রোজ মার খাচ্ছে...তার সাথে একসাথে থাকা মুশকিল আছে...মমতা যদি সবার সামনে বলে তার left কে পাশে চাই, তখন বিমান দা সূর্য দার সাথে কথা বলবে, আমরা ভেবে দেখব।
    Reporter: BJP কে রুখতে একাট্টা হতে চান? BJP তো এখন রাজ্যে সমস্যা..
    GD : একটা সিট ও যেন বিজেপি না পায় আমরা দেখব। গোটা দুনিয়াকে বার্তা দেব 'This is Bengal'...বিজেপি 0 পাবে...আমরা দেখব।
    Reporter : আপনারা কি সকলে জোট করবেন?
    GD: জোট করব কি করব আমরা কি।জানি?...মমতা জানে...আমাদের লক্ষ্য হল 42 টার মধ্যে 42 টা বামফ্রন্ট পাবে।
  • Du | ০৭ মে ২০১৭ ০৯:১৩712750
  • ট্রানস্ক্রীপ্ট না দেখেও ওনার কোট করা কথা থেকে এটাই মানে বুঝেছিলাম কিন্তু খবরওয়ালাদের ভিউ আর হেডলাইন আমাদের কিরকম প্রভাবিত করতে পারে সেই দেখছি।
  • aranya | ০৭ মে ২০১৭ ০৯:২১712751
  • 'TMC গন্ডগোল করছে, রোজ আমাদের লোকেরা রোজ মার খাচ্ছে...তার সাথে একসাথে থাকা মুশকিল আছে'

    - এই কথাগুলো কাগজের রিপোর্টে থাকলে ভাল হত, কনভিনিয়েন্টলি অমিটেড
  • cm | ০৭ মে ২০১৭ ১০:০৩712752
  • কল্লোলদা বলেছেন প্রশ্নহীনতা ভাল নয়, প্রশ্নহীন নইও, কল্লোলদাকেই প্রশ্ন করি দেখি কেমন উত্তর মেলে।

    "গলদ আরও অন্য জায়গায়। মার্কসের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রভাবনায় খুব বড়োসরো ঝামেলা আছে। "
    ১) তৃণমূলের রাষ্ট্রভাবনা আছে কি?
    ২) যদি থেকে থাকে তার কি রূপ বোঝা গেছে কি?

    হ্যাঁ বা না উত্তর দিন।
  • sm | ০৭ মে ২০১৭ ১০:৪০712753
  • নেতারা মুখে মিডিয়ার সামনে বলবে কর্মীরা মার্ খাচ্ছে আর পর্দার পিছনে কর্মী /সমর্থক দের বলবে -যা গিয়ে বিজেপি কে ভোট দিয়ে আয়।একমাত্র মোদী ই পারে দিদি কে টাইট দিতে।
    এর ই আর এক নাম সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই।
    আর রুদালির দল তো আছেই। নাকি সুরে কেঁদেই ময় পাতা ভিজিয়ে দেবে।
  • PT | ০৭ মে ২০১৭ ১০:৫৪712754
  • "`সব পার্টিকেই গালাগাল দেবার অধিকারটুকু নিয়ে বসে আছি।"
    চোখে আঙুল দাদা নাটকটি এই কারণেই লেখা হয়েছিল। যে কোন আলোচনায় অংশ নেওয়ার আগে এই নাটকটি দেখে নেওয়া ভারতীয় সংবিধানে আবশ্যিক করা উচিৎ।
    আর গালাগাল দেওয়ার বেগ এতই প্রবল যে হেডলাইন দেখেই সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব-নির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পিটির ঠ্যাং টানা শুরু হয়ে গেল!!
  • sm | ০৭ মে ২০১৭ ১১:০৪712755
  • সব পার্টি কে গালা গালি দিন খালি সি পি ম কে বাদ দিন।
    কেনা জানে ওনারা হলেন নম্র,বিনয়ী,সুভদ্র,অহিংস,চিন্তাশীল,
    যুক্তিবাদী, প্রতিবাদী,প্রতিক্রিয়াশীল দল।
    নেতাই,নানুর,বিজন সেতু,বানতলা, কেশপুর,নন্দ্রীগ্রাম,ছোট আঙ্গারিয়া -এসবই বাজারি কাগজ আর বিরোধীদের প্রচার।
  • PT | ০৭ মে ২০১৭ ১১:১১712756
  • এ হে হে, ক্যামেরার সামনে টাকা নেওয়াটা যদি চুরির কোন প্রমাণ না হয় তাহলে নেনাবিবাকেনছোআ ইত্যাদি প্রভৃতির বেশীর ভাগেরই তো কোন প্রমাণই নেই!!
  • sm | ০৭ মে ২০১৭ ১১:২২712757
  • এতদিন ছিল খেলার মাঠে আপ্নেই প্লেয়ার কাম গোলপোস্ট
    এখন দেখছি আপ্নেই আদালত; আপ্নেই জাজ!
    কে আসামি, কে ফরিয়াদি সব আপনার ওপর নির্ভর করছে।
    এখনো বিচার পর্ব চলছে। বড়ো বড়ো; জজ, ব্যারিস্টার -মাথা ঘামাচ্ছে ;কিন্তু, আপ্নে আগেই রায়দান করে দিয়ে বসে আছেন।
    এই ছাই চাপা প্রতিভার কদর যদি দেশ বাসী বুঝতে পারতো!
  • S | ০৭ মে ২০১৭ ১২:৫৮712758
  • কঃ আপনি কোন দলে?
    খঃ আমি নিরপেক্ষ। কোনো দলেই নেই।
    কঃ তাহলে অমুক দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করলেন কেন?
    খঃ নিরপেক্ষ তো। তাই সবার বিরুদ্ধেই মন্তব্য করতে পারি।
    কঃ সে ভালো কথা। তাহলে তমুক দলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করলেন না কেন?
    খঃ আমি তো রোলের দোকান নিয়ে বসে নেই। ইত্যাদি।
  • PT | ০৭ মে ২০১৭ ১৬:৫৪712761
  • মৃতের সন্ধানে বিদেশে পারি দেওয়ার দরকার কি? ঘরের দিকেই তাকাই একবার। তবে এদেশে এ শ্রীভগবানের কৃপাঃ
    "countless children do die from diarrhea – an estimated 700,000 globally each year – 212,000 of which are in India."

    "India has the highest number of child deaths in the world, with an estimated 1.2 million deaths in 2015 — 20 per cent of the 5.9 million global deaths."

    অবিশ্যি এগুলো "অরাজনৈতিক" মৃত্যু তাই পন্ডিতদের আলোচ্য বিষয় নয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন