এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • robu | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১৫:৪৩316920
  • শাক্য টেরোরিস্টদের সাপোর্ট করে বুঝি?
  • সে | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১৫:২২316919
  • হ্যাঁ। অর্পণের লিংক একদম ঠিক।
    অ্যাসাইলাম সীকার মানেই যে সব নিজ নিজ দেশে যুদ্ধ মহামারী কি টেররিস্টদের অত্যাচারে পীড়িত জনগনের প্রাণরক্ষার জন্যে বাধ্য হয়ে ছুটে আসা, তা কিন্তু সব ক্ষেত্রে নয়।
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে ইউরোপে নিয়মিত অ্যাসাইলাম সীকার এসেই চলেছে, কিন্তু এইবারে এই ইনফ্লাক্স মারাত্মক রকমের বেশি সে কথা অনস্বীকার্য।
    কিন্তু, এর মধ্যেও প্রচুর কিন্তু আছে। সবার কেস জেনুইন নয়। অথচ অ্যাসাইলাম সীকারদের গায়ে তো আর লেখা থাকে না যে কে জেনুইন, কে ইকনমিক মাইগ্রেন্ট, কে টেররিস্ট, কার কী উদ্দেশ্য। সেটাই খুব ডিফিকাল্ট ব্যাপার, আসল উদ্বাস্তু নির্ধারণে। যারা আসছে তাদের মধ্যে প্রায় কারোর হাতেই প্রমাণ করবার মতো নথি/ডকুমেন্ট নেই, পাসপোর্ট পর্যন্ত থাকে না। কেবলমাত্র তাদের "কথা" শুনে, বিবরণ শুনে, ভাষা ও অন্যান্য সারকামস্ট্যানশিয়াল এভিডেন্সের ভিত্তিতে তাদের অ্যাসাইলাম গ্রান্ট করা হয়ে থাকে। তারা ফিঙ্গারপ্রিন্টেড হয়। বায়োমেট্রিক ডেটা রেকর্ড করা হয়। যাদের সঙ্গে শিশু, ইনফ্যান্ট, বা অপ্রাপ্তবয়স্কসন্তান থাকে, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। স্ত্রীলোক থাকলেও। কারণ এরা ভয়ংকর পথ দিয়ে এসেছে। তার মানেই এই নয় যে, সবার প্রায়োরিটি সমান্বা উদ্দেশ্য কেবলই আত্মরক্ষা।
    ইকোনমিক মাইগ্রেশনের পথ ও পদ্ধতি আলাদা। সেটার জন্যে কোয়ালিফাই করা যথেষ্ট কঠিন এবং কিছু ক্ষেত্রে দুরূহও বটে। সেই স্টেপগুলো জাম্প করবার একটা ইজি শর্টকাট হচ্ছে উদ্বাস্তু সেজে ঢুকে পড়া। এতে ন্যাচারালাইজেশনের পথ অনেক সহজ হয়ে যায়, কারণ উদ্বাস্তু স্টেটাস পেয়ে গেলে ন্যাচারালাইজেশনের জন্যে কোনো চিন্তাই নেই এবং খুব অল্প সময়েই তা সম্ভব হয়ে যায়।
    এর মানে এই নয় যে যারা সত্যি সত্যি উদ্বাস্তু তাদের প্রতি আমার সহানুভূতি কম। একেবারেই নয়। কিন্তু গ্ত দেড় দশক ধরে আমি সংখ্য উদ্বাস্তুদের সঙ্গে মিশেছি গোটা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে এবং শেঙ্গেনে তো বটেই।
    আফ্রিকা থেকে যারা আসছে, তাদের মধ্যেও প্রচুর সাবক্যাটেগোরি। অধিকাংশই ইকোনমিক মাইগ্র্যান্ট কিন্তু কেমোফ্লেজ্ড। তাদের কথাবার্তা এমন করে তারা অফিশিয়ালদের কেঁদে কেটে বুঝিয়ে দেবে, যে বোঝা যাবে না তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড কতটা সত্য, কতটা মিথ্যে। বেনিফিট অফ ডাউটে এরা অনেকেই উৎরে যায়, কারণ, এখানেও কিছু ক্লজ আছে। পৃথিবীর কিছু কিছু দেশ অলরেডি হিউম্যান রাইট্স অ্যাবিউজ, কি ওয়ার জোন, কি দুর্ভিক্ষপীড়িত বলে চিহ্নিত। সেইসব দেশের সব নাগরিকই তাই বলে পীড়িত না ও হতে পারে। সেই সব দেশের প্রচুর প্রিভিলেজড নাগরিক প্রচুর খরচাপাতি করে অনেক টাকা দালালদের দিয়ে ইউরোপে ঢুকে যায় উদ্বাস্তু স্টেটাস নিয়ে অন্য ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে। এদের মধ্যে সত্যিকারের নিপীড়িতও থাকে, কিন্তু কে সত্যিকথা বলছে, কে মিথ্যেকথা বলছে তা প্রমাণ করা যায় না। এটা গ্রে জোন। আর আছে কিছু দেশ, যেগুলো থেকে রিফিউজি নেবার কথা নয়। এগুলো "শান্তিপূর্ণ" দেশ। যেমন ধরুণ নাইজেরিয়া। সেখান থেকেও আসে। এরা ঢুকে তো পড়ে, কিন্তু স্টেটাস পায় না, তখন ইল্লিগ্যাল ইমিগ্র্যান্ট হয়ে থাকে কিছু সময়, তারপরে লিগ্যাল স্টেটাসের জন্যে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে, অথবা হিউম্যান ট্র্যাফিকিং এর শিকার হয়।
    মধ্যপ্রাচ্যের ব্যাপারটাও অনুরূপ, কিন্তু রেশিও অন্যরকম। তারপরে আফগানিস্তান কি পাকিস্তান। আফগানিস্তান কি পাকিস্তানএর কজন সর্বহারা ঐ সুবিশাল পথ - বাই রোড হেঁটে বা বাসে করে কি ট্রেনে করে এসে ইউরোপে, মানে এক্কেবারে পশ্চিম ইউরোপে আসতে পারে বলুন? নট সো ইজি। প্রায় অসম্ভব। নেক্স্ট টু ইমপসিবল। বিরাট টাকার খেলা আছে সেখানে। যুদ্ধপীরিত সর্বহারাদের পক্ষে দেশের বর্ডার পেরোনৈ খুব শক্ত কাজ, আর এরা প্রায় ডজনখানেক দেশের বর্ডার ক্রস করে ইউরোপে নিজেদের পছন্দের দেশে ঢুকে বলে, দাও, অ্যাসাইলাম দাও। হ্যাঁ, নিজেদের পছন্দের দেশে। হয় জার্মানী, নয়, ফ্রান্স, নয় সুইটজারল্যান্ড, আরেকটু এগিয়ে গিয়ে নেদার ল্যান্ডস, সুইডেন, নরওয়ে, ইংল্যান্ড। উপায় না থাকলে ইতালী। অগতির গতি গ্রীস। বাকি কোত্থাও যাবে না এরা। বাকি কোত্থাও ফিঙ্গারপ্রিন্টেড হতে চাইবে না। মানছি, এদের ফ্রীডম অফ চয়েস আছে, কিন্তু সেটাই কি সব? ইকোনমিক মাইগ্রেশন কি এর মূলে নেই? পশ্চিম ইউরোপের অপেক্ষাকৃত কম স্বচ্ছল দেশে এরা কিছুতেই থাকতে চাইবে না। ট্রেন্ডটাই এরকম। প্রত্যেকের মুখেই একই গল্প। তা অনেকের ক্ষেত্রেই সত্যি, কিন্তু সবার ক্ষেত্রে নয়।
    এবারের এই উদ্বাস্তুর ঢেউয়ে ঢুকেছে প্রচুর পাকিস্তানী, বাংলাদেশি, আফগান এবং হ্যাঁ চোখ কপালে তুলবেন না, বেশ কিছু ইন্ডিয়ান। মূলতঃ পাঞ্জাব থেকে। এরা নৌকো করে ভূমধ্যসাগরের বিভীষিকাময় যাত্রাপথে সামিল ছিলো না। এদের আসবার, ঢুকে পড়বার রুট অনেকটাই আলাদ, তারপরে একটা টাইমে রিফিউজিদের মেইনস্ট্রীমে ঢুকে পড়েছে। সে বুডাপেস্টের ট্রেনে উঠে পড়া কি অস্ট্রিয়ার বড়ারে গিয়ে ট্রেনে চেপে বসা। মূল ডেস্টিনেশন জার্মানী। সেখানে কেঁদে কেটে হাজারটা গল্প বানিয়ে বলবে এই ফেক উদ্বাস্তুরা, ইন্ডিয়ান বাংলাদেশি পাকিস্তানী আফগানি ইত্যাদিরা। অনেক সময় নিজেদের কান্ট্রি অফ অরিজিন বলতে চায় না। সে আরেক ঝামেলা। তখন সরকারের খরচ বেড়ে যায় ইন্টারপ্রেটর খুঁজে বের করে এদের ভাষা বুঝে, আসল উদ্দেশ্য পেট থেকে বের করতে। যতদিন তা না জানা যাচ্ছে, এদের সমস্ত খরচ সরকারের। খাওয়া থাকা স্বাস্থ্য চিকিৎসা হাতখরচ, সমস্ত কিছু। সে বড়ো কম অঙ্ক নয়।
    ইন্ডিয়ান বাংলাদেশী বা পাকিস্তানীদের অনেকের ক্ষেত্রে অ্যাসাইলাম পাওনা হয় না। কিন্তু এসব দেশে এসে, এরা নেক্স্ট স্টেপ প্ল্যান ও ইম্প্লিমেন্ট করতে থাকে। অবৈধ উপায়ে অর্থোপার্জন এবং অন্য পথে ন্যাচারালাইজেশনের ব্যবস্থা। যেমন বিয়ে করে নেওয়া। দেশে এরা অধিকাংশই বিবাহিত, কিন্তু তাও, সেসব গোপন করে আবার বিয়ে করে।
    কাদের বিয়ে করে? বছর দশেক আগে অবধি "গোরী চমড়ি বুড্‌ঢি" কে বিয়ে করবার রেওয়াজ ছিলো। প্রচুর অর্থের বিনিময়ে। কিন্তু এখন সেই পদ্ধতি পাল্টেছে। বাংলাদেশীদের মধ্যে খুব পপুলার পদ্ধতি নিজেদের ভেতরেই কারোকে বিয়ে করে নেওয়া। মানে এসব দেশে যারা আগেই অ্যাসাইলাম পেয়ে গেছে, কি পার্মানেন্ট রেসিডেন্সী, কি নাগরিকত্ব, সেইরকম লোকেদের কন্যা বা স্ট্রীকে বিয়ে করে নেওয়া। দয়ালু ভদ্রলোক, নিজের স্ত্রীকে ডিভোর্স করে দেবেন, সেই স্ত্রীকে দেশ থেকে আসা কোনো ডেসপারেট যুবক অর্থের বিনিময়ে বিয়ে করে দেশে থাকবার অধিকার পেয়ে যাবে। পাঁচ বছর পরে তাকে ডিভোর্স দিয়ে দিলেই হল। সেই বাঙালী বউ তখন অন্য কারো বউ হয়ে অর্থোপার্জন করবে নিজের প্রকৃত স্বামীর জন্যে। এদের পরিবারের কন্যাদেরও এই কাজ করানো হয়ে থাকে। তাদের "সত্যিকারের" একটা বিয়ে থাকে, বাকীগুলো কাগজের বিয়ে, জাস্ট টাকা রোজগারের জন্যে এবং আরো একটি বৃহত্তর মহৎ উদ্দেশ্যে, সেটা হোলো দেশের কোনো এক ভায়ের উপকারে লাগে এই মেয়েরা। তাই আল্টিমেটলি অ্যাসাইলাম না পেয়েও অল্টারনেটিভ স্থায়ী ব্যবস্থা হয়ে যাচ্ছে। ভারতীয় ও পাকিস্তানী রিফিউজিদের ক্ষেত্রেও ব্যবস্থা প্রায় অনুরূপ। দেশ থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনীয়ারিং পাশ করা একটি ছেলেকে জানি, ঐ পদ্ধতিতে রয়ে গেছে। তার বিই ডিগ্রী এসব দেশে নট রেকোগনাইজড, তাই সে ওয়ার্ক পার্মিট পায় নি। অল্টারনেটিভ পাথ অ্যাসাইলামের চেষ্টা, সেটা টাইম কনজিউমিং প্রোসেস, সেই সময়টা খুব কাজে দেয় একটা বউ বার্গেইন প্রাইসে খুঁজে পেতে। বন্ধু বান্ধবেরাও ধার দেয় টাকা পয়সা, সমস্ত ব্যবস্থা হয়ে গেলে প্যারাডাইস মাত্র পাঁচ বছর দূরে। অ্যাতো বছর ধরে এইসব চলছে তো চলছেই। তা অ্যাতো কিছু যখন সাধারন শান্তিপ্রিয় মানুষ করে ফেলতে পারে, আইসিসের মতো টেরর অর্গ্যানাইজেশন কি গাণ্ডু যে কিছু না করে বসে থাকবে? তাদের মেম্বারদের প্রাণের ভয়ও নেই, তাই প্রাণবিপন্ন করা সমুদ্রযাত্রায় তাদের লোকও রবারের ডিঙিতে করে ভূমধ্যসাগর পেরোয়। ভাষাফাশার সমস্যাও নেই।

    ওহ্যাঁ, আফ্রিকা কি আফগানিস্তানের যে সমস্ত রিফিউজিরা কেঁদে কেটে তালিবান কি আলকায়দার অত্যাচারের করুণ কাহিনি বিবৃত করে এসব দেশে অ্যাসাইলাম পায়, তারা সক্কলেই যে খুব উদার মনের লোক এমনটি ভাববার মতো ভুল না করলেই ভালো। গত হপ্তায় কি তার আগের হপ্তায় আমাদের এই দেশেই এক অ্যাসাইলাম গ্রান্টেড হওয়া এক আফগান তার স্ত্রীকে খুন করেছে। সম্ভবতঃ কুপিয়ে। স্ত্রী একটু আধুনিক হতে চেয়েছিলো, পরপুরুষের সঙ্গে কথা বলেছিলো। এখন লোকটি জেলে গেছে। দু তিনটে ছোটো ছোটো বাচ্চার স্থান হয়েছে অনাথাশ্রমে।
    আমি এখনো ভাষা চর্চাটা জারি রেখেছি, নিয়মিত শিখি। সেই ভাষার ক্লাসে একটি সোমালীয়ার মহিলা কদিন আগে ওপেনলি আমায় খুন করতে চাইলো। ওপেন ডিসকাশান হচ্ছিলো। আমার আনওয়েড মাদারহুড সে কিছুতেই মানতে পারলো না। তোর অ্যাতো বড়ো দুঃসাহস? কোন দেশ থেকে এসেছিস তুই? আমার দেশে তোকে সঙ্গে সঙ্গে গলা কেটে মেরে ফেলত। এইসমস্ত বলে সেই বউটি ফুঁশতে লাগল। ক্লাসশুদ্ধ অনেকেই অবাক হয়ে চুপ করে গেলাম। টিচার সঙ্গে সঙ্গে কফিব্রেক দিয়ে দিল।
    অথচ এই মেয়েটির স্বামী কিন্তু এদেশে উদ্বাস্তু হয়ে এসেছিলো বহু বছর আগে। দেশের শারিয়া আইনের অত্যাচারের বিরুদ্ধে অনেক গল্প বলে, অনেক অত্যাচারের কাহিনি বলে টলেই এদেশে উদ্বাস্তু স্টেটাস পেয়েছে এরা। সেই সঙ্গে দুঃসহ দারিদ্র্যর ও নিপীড়নের গল্প সমূহ। মুশকিল কি জানেন? সিটিজেনশিপ পেলেই এরা নিজমূর্তি ধরে। সবাই নয়, কিন্তু অনেকেই। তখন অনার ক্রাইম করে। ঐ মেয়েটি আমাকে শাসিয়েছে মারবে বলে। শুধু তাইই নয়, এরা যে বলে দেশে ইন্টারনালি ডিসপ্লেস্ড ইত্যাদি, তাও সবসময় ঠিক নয়। পার্মানেন্ট রেসিডেন্সী বা সিটিজেনশিপ পেয়ে যাবার পরে এরা ব্যক্ত করে কে কতটা অ্যারিস্ট্রোক্র্যাক্ট, বিয়েতে কশো লোক খাইয়েছিলো, কেরকম ব্যাণ্ডপার্টি এসেছিলো, কতদামী ঘড়ি, আলিশান ঘরদোর, ইত্যাদি। এরিথ্রিয়া সোমালিয়ায় কি তাইবলে সবাই এরকম? তা নয়। অত্যাচারিত দরিদ্র দুর্ভিক্ষ নিপীড়িত লোক প্রচুর, কিন্তু তাদের সবার পক্ষে সম্ভব হয় না চ্যানেল করে ইউরোপের পছন্দসই দেশটায় পৌঁছনর।
  • sch | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১৫:০৪316918
  • আচ্ছা এই মার্কেটে শাক্যজিতের ভয়েসটা কেন পাওয়া যাচ্ছে না। টেররিস্টদের ভয়েসটা ওনার মাধ্যমে জানতে পারলে ভালো হতো?
  • সে | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১৩:৫৫316917
  • সবাই রিফিউজি স্টেটাস পাবে না। তাদের বের করে দেওয়া খুব ঝামেলা সাপেক্ষ ব্যাপার। প্রচুর ইকোনমিক মাইগ্রেন্ট এই সুযোগে ঢুকে পড়ে। কয়েকটা কেস জানি। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার।
    ফোন থেকে লিখতে পারছি না। পরে লিখব।
  • lcm | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১৩:৪৭316915
  • ইউরোপের জনসংখ্যা ৭৪০ মিলিয়ন, রিফিউজি এসেছে ২ লাখ, মানে মোট জনসংখ্যার প্রায় ০.০২৭ %, আধ পারসেন্টেরও কম। ওদিকে ধরো লেবাননের জনসংখ্যা ৪.৫ মিলিয়ন, সেখানে প্রায় ১.২ মিলিয়ন সিরিয়ান রিফিউজি গেছেন - মানে রিফিউজি ক্রাইসিস লেবাননে হয়েছে বলা যেতে পারে।
    তবে হ্যাঁ, ঐ ২ লাখ রিফিউজির ভিড়ে কারা মিশে গিয়ে ঢুকে পড়েছে সেটা অন্য বিষয়।
  • সে | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১৩:৩৫316914
  • উত্তর এককথায় না, বন্ধ করা যায় না। ফ্রান্স খুব বেশি রিফিউজি নেয়ওনি। কিন্তু ভুললে চলবে না যে বর্ডার খোলা।
    যতগুলো দেশে এখন রিফিউজি ঢুকছে সেখানে প্রচুর লোক আছে জাস্ট ইকনমিক মাইগ্র্যান্ট। এরা রিফিউজি সেজে ঢুকেছে। সেম উইথ আইসিস।
  • .. | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১৩:২৯316913
  • ইন জেনেরাল বলেচি। আজকের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নয়।
    তবে আজকের ঘটনা কি ফল্স-ফ্ল্যাগ? এরম একটা কিছু ঘটলে রিফ্যুজি ঢোকা বন্ধ করে দেওয়া যায় কোনো ব্যাকল্যাশ ছাড়াই।
  • সে | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১৩:১৩316912
  • বিবিসি নিউজ দেখুন। একটু কম চ্যাঁচায় এবং কম বায়াসড।
  • সে | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১২:৫৬316911
  • ঠিক তা নয়, প্রচুর ভুলভাল লোক ঢুকেছে ইনকিলুডিং আইসিস। ইইউ ও শেংগেন বর্ডার সবসময়ই খোলা থাকে। গত বছর প্রায় এই টাইমেই প্যারিসে ছিলাম, ঠিক খ্রীস্টমাসের আগে অবধি - তখন প্রচুর পুলিশ/ জন্দার্ম ছিল। টেররিস্টরা খুব কায়দা করে টাইম প্ল্যান করেছে।
  • | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১১:২৮316910
  • মানে?? ভায়োলেন্সের ভিক্টিমরাই ভায়োলেন্সের জন্য দায়ী? তাদেরকে ভায়োলেন্স সৃষ্টিকারীদের হাতেই বন্দী থাকতে বাধ্য করা উচিৎ ছিল!!
  • .. | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১১:০৯316909
  • বর্ডার খোলাই উচিত হয়েনি
  • robu | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১০:৪২316908
  • মাঠে নেমে পড়েছিল তো। কিন্তু আমি দেখিনি। খেলার পরে হয়েছে। সোনি সিক্স টেলিকাস্ট বন্ধ করে দিয়েছিল খেলার পরপরই।
  • Arpan | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১০:২৭316907
  • ইওরোপ এইবার বর্ডার বন্ধ করে দেবে।

    সোম্বার জানতে পারব আমাদের আপিসের সবাই ঠিক আছে কিনা। ঃ((
  • sosen | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১০:২৫316906
  • মাঠে নেমে পড়েছিলো তো লোকজন
  • Arpan | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ১০:১৬316905
  • এ কী!!!
  • robu | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ০৯:৩৬316904
  • প্যারিসে ফুটবল ম্যাচ ছিল
    ফ্রান্স জার্মানি। সেটা দেখেছিলাম। মাঠের পাশেই এক্সপ্লোশন হয়েছে, আওয়াজ-ও শুনেছি। ভেবেছি বাজি, দর্শকরাও তাই-ই ভেবেছে। এখন দেখছি, খেলার পর কাউকে বেরোতে দেয়নি। শুধু ফ্রাসোয়া ওল্যান্দ আর বাকি উচ্চপদস্থদের লুকিয়ে সেকেন্ড হাফ চলাকালীনই বের করে নিয়েছে।
  • s | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:০৮316903
  • ১৫৩। সিয়েনেন বলছে আইসিস।
  • | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ০৬:৪৫316902
  • মুম্বাই এর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেও এক নভেম্বর মাস ছিলো।
  • | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ০৬:৩৮316901
  • এখন ১৪৯। সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এদিকে সিএনেন আজ সকালেই জিহাদি জন কে আমেরিকা পেড়ে ফেলেছে, তার হাতে গরম ছবি দেখিয়ে যাচ্ছিলো..
  • Abhyu | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ০৬:২৮316900
  • আশা করি শ তিনেক না। বিবিসি বলছে মোরে দ্যান হাণ্ড্রেড।
  • aka | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ০৬:১০316899
  • যাতা হয়েছে। শ তিনেক লোক তো মারাই গেছে মনে হচ্ছে।
  • | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ০৬:০৮316898
  • মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।
  • | ১৪ নভেম্বর ২০১৫ ০৫:৪৯316897
  • শুধু কনসার্ট হলেই বলছে ১০০ জন মারা গেছে।
  • শ্রী সদা | ১৩ নভেম্বর ২০১৫ ২৩:০৬316894
  • হ্যাঁ কালকে ব্যাঙ্কে যেতে হবে খোঁজখবর করতে। এদিকে সোমবার লুরু ফিরে যাচ্ছি।
    আগের বছর কেন যে মিনিমাম টুকু ও দিতে ভুলে গেলাম !! এই ব্ছর কোনোভাবে জমা দিতে না পারলে এক গাদা ইনকাম ট্যাক্স কাটবে।
  • mila | ১৩ নভেম্বর ২০১৫ ২২:৪৮316893
  • এস বি আই এর পি পি এফ এর নেত ব্যাঙ্কিং পাসওয়ার্ড এখন লিখিত ভাবেই দেয়, আমি ২০১৩ তে শেষবার রিসেট করিয়েছি
  • Atoz | ১৩ নভেম্বর ২০১৫ ২২:৩৪316892
  • আচ্ছা, ঐ যে ঘোমটা দেওয়া মাছের ছবিওলা রিভ্যু বেরিয়েছিল, সেটা কি পাওয়া যায়?
  • Arpan | ১৩ নভেম্বর ২০১৫ ২২:৩২316891
  • এমনিতেই নেটব্যাঙ্কিং ফেসিলিটি চাই শুনলেই মুখটা হাঁড়ি হয়ে যায়। এক্সট্রা কাজ।

    তবে আগেও লিখেছি অন্যান্য ন্যাশনালাইজড ব্যাঙ্কগুলিতে এরকম অভিজ্ঞতা হয়নি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত