এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৮:৫৬319351
  • আজ আভাষ ( নাকি আভাস লেখেন ?)মিত্রের সাক্ষাৎকার বেরিয়েছে।
    http://timesofindia.indiatimes.com/home/science/There-are-no-true-black-holes-Scientist-Abhas-Mitra/articleshow/49966468.cms

    ওঁর পেপারগুলো কোনো পিয়ার রিভ্যুড জার্নালে বেরোয়নি, সব ক্র্যাকপট ? ফিজিক্সের লোকজন একটু ধরে ধরে বললে ভাল হয়।

    উনি নাকি বার্কে হেড ডিপ ছিলেন ? একটা ক্র্যাকপট লোক সব ক্র্যাকপট জার্নালে পাবলিশ করে এরকম পদে ছিলেন ?

    এঁরাও সব ক্র্যাকপট ?
    'Along with American collaborators Darryl Leiter (University of Virgina, now deceased), Stanley Robertson (South Okalohoma State University), Norman Glendenning (Lawrence Berkeley Labo ratory) and Rudy Schild (Harvard University), we have shown that these so-called black holes are not exactly black holes.'

    তাহলে তো সাঙ্ঘাতিক ফ্রড চলছে !
  • Atoz | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৮:৫৫319349
  • মেইনস্ট্রীমে এই নিয়ে বহুদিনই নানারকম লড়াই চলছে তাত্ত্বিক লেভেলে।
    ইনফো লস যে হয় না সেটা কোয়ান্টাম ফিল্ড তত্ত্ব অনুসারে আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু কীভাবে যে ইনফো রক্ষা পায় সেইটে নিয়ে বহুৎ ক্যাচাল। কেউ বলে হকিং রেডিয়েশনে চলে আসে, কেউ বলে হলোগ্রামে থেকে যায় আবার কেউ বলে হায়ার ডাইমেনশনের কিছু জটিল প্যাঁচ আছে ওখানে।
    আসলে ইউনিফাইড তত্ত্ব পাওয়া গেলে সুবিধে হত, তা তো এখনো নেই, কেউ কেউ সামান্য সামান্য শুঁড় লেজ ইত্যাদি ধরেছেন, সেই দিয়ে চেষ্টা চলছে হাতীটাকে চেনার।
  • Atoz | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৮:৪৯319348
  • এ ব্যাপারে হলোগ্রাফিক প্রিন্সিপল ও আছে, ইনফো টিনফো যাই ঢালো না ক্যানো সব আটকিয়ে পড়ে গোলমতন সারফেসে, ব্যস। ভিতরে ভল্যুম বেশ ফাঁকায় ফাঁকায় আনন্দে থাকে, ধাক্কাধাক্কির হাঁসফাঁসের কোনো গপ্পো নেই, সব ব্যাটারা দেয়ালে আটকে আছে।
    ঃ-)
  • TB | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৮:৪৮319347
  • কি পাজী দেখুন, হেডিং টা (stephen hawking's black hole puzzle) গুগুল করে পুরো পড়া যাচ্ছে, আর লিং ক্লিক কর্লে বলে সাব্স্ক্রাইব করুন। যত সব তেঅএঁটে কাগজওয়ালা!
  • TB | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৮:৪৩319346
  • আপনেরা কি সব ভাল ভাল জগতশূণ্যতার আলোচনা করলেন আভাষ মিত্রের কল্যানে, কিন্তু এ সবই তো ভাটের গর্ভে হারিয়ে যাবে। কত সব চমত্কার টই ছিল এ সব ব্যাপারে, কোথায় যে গেল সে সব!

    প্রসঙ্গতঃ হকিং নাকি ইভেন্ট হরাইজেন আর সম্পর্কিত ইন্ফর্মেশান লস নিয়ে এখনো লড়ে যাচ্ছেন। যারা জানেন তারা জানেন সমস্যাটা - ধারণা ছিল তারা যদি ব্ল্যাক হোল হয়ে যায়, তার যাবতীয় তথ্য ব্ল্যাক হোলে ঢুকে যায়, মানে কিনা তার অতীতের খবর আর জানা যাবে না। ইনফর্মেশান লস। তো, বর্তমান অবস্থান হল, ইনফর্মেশান নাকি হকিং রেডিয়েশানে থাকে।
    এইখানে দেখা যাচ্ছে খবরটাঃ
    http://www.wsj.com/articles/stephen-hawkings-black-hole-challenge-1448479279
  • pi | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৮:১৫319345
  • *আমি নেই
  • pi | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৮:১৩319344
  • হোয়াটসয়াপে নেই। কিব্তু মনে হয় ওখানে অনেক কিছুই নাম ছাড়া শেয়ার হয়ে চলে। সেগুলো কখনো গ্রুপে ওভাবে নামহীন হয়ে ( বাকি যিনি পোস্ট করেছেন, তাঁর পোস্ট হিসেবে এলে টের পাওয়া যায়, দেখা যায়, হয়তো গ্রুপেরই কারুর লেখা ঃ)
  • Atoz | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৮:১২319343
  • ছোটাই, ঃ-)
    লেখাটা এতটাই অন্যরকম সুন্দর ছিল যে ঘটনা আর বর্ণনাগুলো অল্প করে করে মনে রয়ে গেছে। তখন এই লেখকের নাম সেভাবে জানতাম না, তাই লেখকের নামটা আলাদা করে মনে পড়ছিল না। তবে আমার সন্দেহ করা উচিত ছিল নির্ঘাত নামকরা বা উড বি নামকরা লেখক।
    ঃ-)
  • i | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৮:০৯319341
  • হ্যাঁ.. দুর্দান্ত স্মৃতিশক্তি তোমার!
    'মাসি পিসিরা খুব সুখ্যাতি করল। মোচায় ডালের বড়া নারকোল পাতি। ফুলকপির তরকারিতে কড়াইশুঁটি একবারে চকচকে সবুজ। গটগট করে তাকিয়ে আছে। গলেও যায় নি আবার কাঁচাও নেই।'
  • Atoz | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:৫৯319340
  • অনেক ধন্যবাদ ছোটাই। আমি বালার পত্রিকাতেই তাহলে পড়েছি। সেখানে আরো অনেক ঘটনা ছিল, নিরামিষ রান্নায় সবুজ কড়াইশুঁটিগুলো একদম সুন্দর আছে, ঘেঁটে যায় নি একটুও, সেইরকম একটা অংশ ছিল।
  • i | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:৫৭319339
  • মূল গল্পটা এই লেখার থেকে বড় ও স্বভাবতই অধিক বিস্তারিত।
    তুমি হয় এবিপির সাদা কাকে পড়েছ নয় তো বাংলা লাইভে।
  • | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:৫২319336
  • সাদা কাক কলামে বেরিয়েছিল।
  • | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:৫২319337
  • সাদা কাক কলামে বেরিয়েছিল।
  • i | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:৫২319338
  • হ্যাঁ এটুজেড,পাই স্বপ্নময় চক্রবর্তীর যে লেখাটা এবিপির 'সাদা কাক ' থেকে কোট করল, সেই পঞ্চাদার গল্প 'নতুন রান্না' প্রকাশিত হয় বাংলা লাইভের পত্রিকায়। পরে, স্বপ্নময় চক্রবর্তীর গল্প সংকলন ' জার্সি গোরুর উল্টো বাচ্চা'য় ছাপা হয়।আমার কাছে দেজ থেকে বেরোনো স্বপ্নময় চক্রবর্তীর ৫০টি গল্প আছে। সেখানেও গল্পটি রয়েছে। লেখক গল্পের নিচে জানাচ্ছেন রচনাকাল 'সম্ভবত ১৯৯৩ সাল'।
  • | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:৪৯319335
  • এই লেখাটা বেশ কিছু বছর আগে রবিবাসরীয়তে বেরিয়েছিল। এইটে দেখি স্বপ্নময়বাবুর নাম ছাড়াই হোয়াটস্যাপে ঘুরছে।
  • Atoz | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:৩৮319334
  • এইরকম একটা গল্প বহুযুগ আগে এক পত্রিকায় পড়েছিলাম। পত্রিকার নাম ও গল্পের নাম সব ভুলে গেছি। লেখকের নামও একেবারেই মনে নেই। সেখানেও এমন এক রাঁধুনি চরিত্র ছিল, একটা ঘুলঘুলিও ছিল, (সেখান দিয়ে অনুষ্ঠানবাড়ীর মাছভাজা পাচার হতো), কর্ণফ্লাওয়ারের কাহিনিও ছিল। রাঁধুনি চরিত্র এইভাবেই মারা যান কর্ণ কর্ণ করতে করতে।
    বাই এনি চান্স, কারুর মনে পড়ছে ?
  • pi | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৭:২০319333
  • swapnamay chakrabarteer ei lekhaaTaa ...

    'তখনও কেটারিং আসেনি। বিয়ের ভোজে ডাঁটিওয়ালা বেগুন ভাজা, ছ্যাঁচড়া, কাশ্মীরি না হয়ে যাওয়া আলুর দম। বাড়ির লোকজন বাজার করত, হালুইকর রান্না করত, কোমরে গামছা বেঁধে ঘোঁতন, নিতাই, জগারা ‘আর দুটো লুচি দিই’ করত, আর অমিতাভ, পার্থ, শুভময়রা পাড়ার মেয়েগুলোকে বিয়ে করে নিয়ে যেত। সেই সময়ের এক জন রান্নার বামুনের নাম পঞ্চাদা। আমাদের পাড়ার যাবতীয় ভোজ-কান্ডারি।

    ভোজের মেনু তৈরি হচ্ছে, পঞ্চাদার উপদেশ: ‘একটু পোলাও করে নিন দাদা। ডালডা মেরে এমন বানিয়ে দেব যে একদম মুখ মেরে দেবে। মাছ-মিষ্টি বেশি টানতে পারবে না।’ একটু দুর্বল গৃহস্থকে পঞ্চাদা অভয় দিত ‘আরে আমি তো আছি, কিচ্ছু ঘাবড়াবেন না। মাংসটা একটু রেখে সেদ্ধ করব, বেশি টানতে পারবে না। দশ কেজিতেই আপনার সোয়াশো লোকের হয়ে যাবে।’ ‘রেখে সেদ্ধ’ মানে কম করে সেদ্ধ। পাতে রসগোল্লা ছাড়ার আগে দু’মুঠো করে বোঁদে ছেড়ে দেওয়ার উপদেশ দিত পঞ্চাদা। সেই বোঁদে কড়া রসে ফেলা। এটা সন্দেশ-রসগোল্লা বাঁচানোর কায়দা। তখন মানুষ নেমন্তন্নবাড়িতে গিয়ে খেত খুব। ২০-২৫ পিস মাছ খানেওয়ালার সংখ্যা কম ছিল না। একটা বিয়েতে ৪০ জন বরযাত্রী আসার কথা ছিল, এল ৮০ জন। পঞ্চাদা ত্রাতা। এমন একটা বরযাত্রী স্পেশাল চপ ভেজে দিল, সবাই চেয়ে চেয়ে তিন-চারটে করে খেয়ে নিল, আর মাছ-মাংসে টান পড়ল না।

    সত্তরের দশকেই ছ্যাঁচড়া যুগের পতন শুরু। বিয়েবাড়ি থেকে ছ্যাঁচড়া, লাফরা (বাঙালরা বলে লাবড়া), শাক ভাজা, বেগুন ভাজা ইত্যাদি উঠে গেল। ফিশ ফ্রাইটা আগেই এসেছিল, ক্রমশ ফিশ বাটার ফ্রাই, ফিশ ওরলি, চিলি চিকেন, চিকেন মাঞ্চুরিয়ান, মাটন ভিন্ডালু নানা দেশের নানা পদ বাঙালির ভোজ-মেনুতে ঢুকে যেতে লাগল। প্রোমোটিং-এর মতো কেটারিং শব্দটাও বাংলা শব্দভাণ্ডারে শুধু নয়, বাংলা সংস্কৃতিতেও ঢুকে গেল।

    আশির দশকের মাঝামাঝি থেকেই পঞ্চাদা শেতলা পুজোর খিচুড়ি বানানো টাইপের কাজ ছাড়া অন্য কাজ পেত না। রোয়াকে বিরস বদনে বসে থাকত। আমাদের দেখলে বলত, পাঁচটা টাকা দিয়ে যা বাপ। তোদের মুখেভাতে রেঁধেছি, তোদের কাকা-পিসিদের বিয়েতেও রেঁধেছি। তোরা এখন বে-থা করছিস, আমায় ডাকিস না। ক্যাটারারগুলো কি রাঁধতে জানে? ওরা তো বোতলে ভরা সস আর প্যাকেটে ভরা মশলা দিয়ে রাঁধে। নিজেরা স্বাদ বার করতে পারে? আমি পারি। ছানার কোপ্তা করে দেব। রবারের মতো পনির নয়, ছানার ভিতরে রস ঢুকে থাকবে। এমন মুগডাল রাঁধব, বাতাস বলে দেবে হ্যাঁ, মুগডাল হচ্ছে। আমি পঞ্চা ঠাকুর, আমি মানুষের মুখে রুচি আনতে পারি। আর ক্যাটারারগুলোর তো মুখ মারার ধান্দা। লোকে যত কম খাবে, ওদের তত লাভ।

    ফতুয়ার পকেট থেকে একটা মেনু বের করল পঞ্চাদা।
    রামধনু কেটারার। প্রোঃ বিমল সাধুখাঁ।
    ওপেনিং সং—বেবি নান।
    সংগতে—ছোলে কিমা।
    ব্রেক ডান্স—ফিশ ওরলি।
    কি-বোর্ড—গ্রিন স্যালাড,
    পপ গায়িকা—চিকেন মাঞ্চুরিয়ান।
    গজল—মাটন বিরিয়ানি।
    অতিথি শিল্পী—রায়তা। কৌতুকশিল্পী—প্লাস্টিক চাটনি।
    উদাস বাউল—পাঁপড়...

    ইয়ারকি হচ্ছে, অ্যাঁ? খাবারের আইটেম নিয়ে ছেলেখেলা? গজল গাইছে বিরিয়ানি? বিমল সাধুখাঁ বিরিয়ানির জানেটা কী? সা-জিরে দেখেছে কখনও? কোন আইটেমে কাবাবচিনি কতটা গুঁড়ো করতে হয় জানে? ও তো রঙের মিস্ত্রি ছিল। আমি তিন পুরুষের হালুইকর। আমার ঠাকুরদা এসেছিল বালেশ্বর থেকে। ঠাকুরদার বাপ মন্দিরে ভোগ রাঁধত। আমার রক্তে জিরা-লংকা-মেথি-হলুদ। তোর বিয়ে হল, আমায় ডাকিসনি। পঞ্চু মাঞ্চু করতে পারে না, তাই না? মাঞ্চু আমিও বানাব।

    পঞ্চাদা ওই সব মাঞ্চুরিয়ান, বেবি নান, চিকেন মেক্সিকান শেখার জন্য সাধুখাঁদের তেল দিয়েছে, ওরলি-মাঞ্চুরিয়ান সমন্বিত বিয়েবাড়িতে অযাচিত ঢুকে গলাধাক্কাও খেয়েছে, কখনও চেখে দেখেছে। আসলে পঞ্চাদা বুঝতে চেয়েছিল এই সব খাদ্যের সৃষ্টিরহস্য। বাড়িতেও চেষ্টা করেছে এ সব বানাতে।

    আমাদের বলেছে, আরে, মাঞ্চুরিয়ান তো আসলে মাংসের বড়ার ঝোল। মাংসর কিমায় একটু আটা-ময়দা মিশিয়ে বড়া বানিয়ে ঝোল করে দিতে পারব না? সব পারব আমি। দে না মাইরি আমাকে কাজ। একটা ছোটখাট কাজ পেয়েছিল পঞ্চাদা, আমার এক বন্ধুর ম্যারেজ অ্যানিভার্সারিতে। কিন্তু মাঞ্চুরিয়ানগুলো ভেঙে ভেঙে গেল। পঞ্চাদাকে শুনতে হল, এ সব তোমার কম্ম নয়। তুমি হলে কুমড়োর ঘ্যাঁট আর মুগের ডাল জমানার পাবলিক। বৃদ্ধাশ্রমে রান্নার কাজ দেখোগে যাও।

    এর মাসখানেকের মধ্যেই পঞ্চাদার রক্তাক্ত দেহ পাওয়া যায়। একটি বিয়েবাড়ির রান্নার জায়গাটার উপরে একটা বড় মাপের ঘুলঘুলি ছিল। ঘুলঘুলির তলায় কার্নিস। কার্নিস ভেঙে পঞ্চাদা পড়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পঞ্চাদা বিড়বিড় করছিল,
    ‘কর্ণ-কর্ণ-কর্ণ। কর্ণ মু ভুলিবিনি। হা কুন্তী হা মাতঃ, রক্ষা কর, রক্ষা কর। কর্ণ কহিছন্তি কর্ণ নামটা ভুল হবনি ম...।’

    মাতৃভাষায় স্বগত কথা পঞ্চাদার। মাথায় হেমারেজ হয়েছিল। দু’দিন পর পঞ্চাদা মারা যায়।

    পরে বুঝেছি, ঘুলঘুলি দিয়ে ও আধুনিক খাদ্য নির্মাণ কৌশল দেখছিল। মাঞ্চুরিয়ান বানাবার সময় কেউ হয়তো বলেছিল কর্নফ্লাওয়ারটা মেশাও। ওই নামটা ভুলতে চায়নি-
    শিরা ছিঁড়ে রক্ত যখন মাথার ভিতরে গ্লোবালাইজ্ড হয়ে যাচ্ছিল, ও ফেলে আসা যাত্রাপালার কর্ণ নাম জপছিল।

    আসলে কর্নফ্লাওয়ার।।'
  • pi | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৬:৩৩319332
  • কেউ মন্তব্য করলে খেরোর খাতার লেখা টইয়ে চলে আসে।
  • Atoz | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০৪:২৭319331
  • কী ভয়ানক! এই ভদ্রলোক সিরিয়াসলি এত বছর ওরকম বড় প্রতিষ্ঠানে---কেজানে বাপা হয়তো ওনার আন্ডারে স্টুডেন্টও কাজ করেছে---ভাবুন একবার কেসিপাল আমাদের বোস ইনস্টিতে সিরিয়াসলি ---সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে---
    ওরে বাবারে !!!!!

    ঃ-)
  • I | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০২:২২319330
  • নাকি টইয়ে এদের দেখা যায় না? অনেকদিন আসিনি, ভুলেও গেছি।
  • I | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০২:২১319329
  • খেরোর খাতায় একটা লেখা শুরু করেছিলাম। তাকে আর টইয়ের লিস্টে দেখতে পাচ্ছি না কেন? কিছু কি গোলমাল করলাম?
  • Blank | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০১:১৯319327
  • ও ডিডি দা, ব্যাংগালুরুর দোকানে অম্রুত মেলে?
  • dd | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০০:৩৪319325
  • দেখতে দেখতেই পরের দিন অর্থাৎ রোব্বার চলে এলো। ওঃ। ক্ষী ভালো খেলাম। এবং ড্রিং। সেই অম্রুত দিয়ে শুরু, মধ্যিখানে এক ছোটো পাঁইট বাডওয়াইসার, আর শেষ পাতে এবসোলুট ভোদকা।ফাইভ স্টার হোটেলে নানাবিধ খাবার।এখনো কেমন ভোঁ হয়ে আছি।

    বুঝলেন, বড়লোক বন্ধু খুবই উপাদেয় ব্যাপার। নিজে বড়লোক হলে অতো সুখ নেই। রোজকার রুটিন ব্যাপার হয়ে যাবে।এইসব ফ্রিঞ্জ বেনিফিটের সুখ টের পাবেন্না।
  • Blank | ২৯ নভেম্বর ২০১৫ ০০:০৪319324
  • সদা শুজদি
  • Div0 | ২৮ নভেম্বর ২০১৫ ২৩:৫৫319323
  • Bye bye blackbird

  • robu | ২৮ নভেম্বর ২০১৫ ২২:৪৯319322
  • Bratin | ২৮ নভেম্বর ২০১৫ ২২:৪৩319320
  • অভ্যু খোঁজ করার জন্যে ধন্যবাদ।

    গত ক দিন খুব চাপ যাচ্ছিল। তাই আজকে সারা দিন গুছিয়ে ঘুমোলাম।

    কিন্তু বনফুলের রচনাবলী প্রথমে মিত্র ও ঘোষ থেকে প্রকাশিত না?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত