এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৯:৪৫323700
  • কে জানে ঠিক কিনা! প্রাথমিক বিস্ময় কাটার পর আমার মাথা পুরো ঝাঁইঝাঁই করছিল রাগে। ইচ্ছা করছিল মেয়েটির দুইগালে ঠাটিয়ে চড়াই। কিন্তু দুটো অসুবিধে। এক তো বাচ্চার সামনে গায়ে হাত তোলা সম্ভবই না। দুই এর আগে কোনও মেয়ের, মানে স্ত্রীজাতির গায়ে কখনও হাত তুলি নি।
    ঠাসঠাস থাপ্পড়, ছাতা না ভেঙ্গে যাওয়া অবধি ছাতা দিয়ে পেটানো, গালের চাপদাড়ি খামচে টেনে নাকেমুখে ঘুঁষি বা অঙ্গবিশেষে মারতে গিয়ে এগিয়ে আসা ভুঁড়িতে পদাঘাত -- এসবই পুরুষজাতির উপরে প্রয়োগ করেছি। ফলে ....
  • Tim | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৯:৪২323699
  • দমদির গল্পটা বেসিকালি কনফার্ম করে মানবশিশু বাবা মায়েদের কাছে একগাদা ভুলভাল ব্যাগেজ পায়, ক্ষেত্রবিশেষে এক আধটা ভালো জিনিসের সাথে। ঃ)
  • sosen | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৮:৩৬323698
  • দমুদির গল্পটা দারুণ। একদম ঠিক করেছো। থাম্বস আপ।
  • | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৮:১০323697
  • তেনারা এখন বার্ষিক ছুটি তে যান না? ঃ((
  • Ekak | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৮:০৩323696
  • যিশুর জম্মদিন তো আমার কী :| এট্টু বাদেই সাগরপারের উল্লুক গুলো অনলাইন হবে আর রিভিউ দেবে আর নিবে মেল আবে মিলিবে :| যাই দুটো বিড়ি টেনে এসে বসি। অনেক আড্ডাবাজি হলো। আবার কাজ।
  • | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:২৯323695
  • ইয়ে মনে সে দি আর একক, যীশু র জন্মদিনের আগে আর এত চাপ নাও কেন? বাংলা কাটিয়ে দাও ঃ)
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:২০323694
  • গোরুখোরের কোলকাতায় রেস্টুরেন্টগুলোতে গোরুর মাংসের খাবার রান্না করে না। যেগুলোয় করে সেগুলো আলাদা দোকান। পৃথক। আবার কোনো কোনো দোকানে আলাদা করে বোর্ড টাঙায়, "নো বীফ"।
  • Kaju | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:১০323691
  • একুবাউ-র এইটা পড়ে আমার সাথে মিল পেলাম। আমি একদম ঠিক এই এক জিনিস করতাম - যেই দিতে আসত আমি মা যে কথাটা বলত সেটাই হুবহু আওড়ে দিতাম "ওকে কিছু দিও না, ও কিছু খাবে না"।
  • | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:১০323692
  • একক, তুমি মোল্লার মতো মধ্যপন্থা নিতে পারতে ঃ " আমার মা ফোলা ফোলা লুচি করে, তবে আপনাদের লুচি গুলো কেমন হয়েছে সে বিষয়ে কিছু না বলাই ভালো " ঃ)
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:১০323693
  • আরেকটা গেছি। চাকরি করবার সময় আমার সহকর্মী সোমদ্যুতির ছোটোবেন সায়ন্তনীর বিয়েতে।
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:০৮323690
  • বলা হয় নি। এরপরে আর কোনো বিয়েবাড়ীই যাই নি। যেতাম না। অনেক পরে এক বন্ধুর দাদার বৌভাতে গেছলাম। ওটাই লাস্ট।
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:০৬323688
  • স্পেস তো অবশ্যই দেবো। স্পেস দেওয়া খুব দরকার। কিন্তু মানুষ বড়ো হয়ে এলে তাকে স্পেস দেওয়া ছাড়া আর কীই বা দিতে পারি? তার শেখার বয়স পেরিয়ে গেছে। স্পেস বাড়তে বাড়তে থ্রেশোল্ড লিমিট পেরিয়ে গেলে সেটা ব্যবধানে প্র্যবসিত হবে। অথচ ছোটোবেলা থেকে পরিবেশ তৈরী করতে গেলেই আমাদের বড্ড কুঁড়েমি। তখন তাকে স্পেস দেওয়া যেত না কি? তখন স্পেস দেওয়া হয় না। তখন ভাত খাবার অভ্যেসের মতো বাকিগুলো ও অভ্যেস হয়ে যায়।
  • Ekak | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:০৬323689
  • উফ এই ছতব্যালার নিমন্ত বাড়ি :( মা শিখিয়েছিল কোনকিছু চাইতে নেই। আমি সরাসরি বলে দিতুম মা চাইতে বারণ করেছে। এবার হয়ত জোর করে দিলো। তখন আরেক হাত পেতে বলব :মায়ের জন্যেও দাও। এরপর ছিল খাবারের নিন্দে করা। "তোমাদের লুচি গুলো ফোলে না ক্যানো ? আমার মা ফোলা ফোলা লুচি করে "। এবার মা শেখালো : কারো নিন্দে করতে নেই। ব্যাস, খাওর পর জিজ্ঞেস করলো, কেমন খেলে ? আমি বলে দিলুম কোথাও খেয়ে কার নিন্দে করতে নেই।

    এখনো এইসব কথা তুলে ছতব্যালার প্রতিবেশী দিদি -কাকিমা রা মজা করে :((
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:০১323687
  • সেগ্রিগেশন আরো দেখেছি। বাবা মারা যাবার পরে প্রথম যে বিয়েবাড়ীটায় গেছলাম, সেখানে বিধবাদের আলাদা খাবার ব্যবস্থা। নিরামিষ এবং মিষ্টি টিষ্টি। আমরা দুই বোন খুবই ছোট। আমিষ খাবারের ব্যাচে খেতে বসলাম। অসম্ভব হিউমিলিয়েটেড লেগেছিলো। বাবাতো মরেই গেছে তাই সঙ্গে নেই, উপরন্তু মা ও নেই। সে কোথায় যেন অন্য একটা ঘরে বসে খাচ্ছে। সে আমাদের সঙ্গে বসতে পারল না। লুচি আর কীসব ভাজা এলো, তখনও দুহাত দিয়ে ছিঁড়ে ছিঁড়ে লুচি খাচ্ছি। পাশে আরো ছোটো বোন, তার অবস্থা আরো খারাপ। টেবিল অবধি মাথা যাচ্ছে না। চারপাশে লোকজনের হৈ হৈ হাসি ঠাট্টা কথাবার্তা সেন্টের গন্ধ খাবারের গন্ধে গা গুলিয়ে উঠল। বোনকে উঠিয়ে নিয়ে ওখান থেকে বেরিয়ে গেলাম। অসম্ভব অপমানিত লেগেছিলো। হয় আমরা বিধবাদের সঙ্গে বসে খাবো, নয় আমার বিধবা মায়ের অধিকার থাকবে একই পঙ্কতিতে বসে খাবার তার নিজের সন্তানদের সঙ্গে উৎসব বাড়ীর আনন্দ উপভোগের মতো। তা যদি না হয়, তবে ঐ বয়সেই উঠে আসবার মতো আত্মমর্যাদাবোধটুকু যেন হারিয়ে না ফেলি। বাইরে বসে বসে অর্কেস্ট্রাদলের বাজনা শুনলাম, দেখলাম।
    পরে আমাদের খুঁজতে খুঁজতে মায়েরা সেখানে উপস্থিত। অনেকেই হতবাক, এ কেমন বাচ্চা? যদি হারিয়ে যেত? কেউ আবার বলে, আহা খাবারে ঝাল লেগেছে বুঝি? খাও নি কেন? বোনটাকেও খেতে দাও নি? মিষ্টি খাবে? মিষ্টি দেবো? তখনতো গুছিয়ে বলবার মতো পরিপক্ক হইনি, তাই কিছুই বলতে পারিনি, কেবল বলেছিলাম, না মিষ্টি আমি ভালোবাসি না। মিষ্টি খেলে গা গুলোয়।
  • Ekak | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৭:০০323686
  • তবে একদম ছোট বাচ্চারা যা দেখে তাই শেখে এটা ঘটনা। আমার এক দুরসম্পর্কের বোন্ তার খুব ছোটবেলায় আমার বাবাকে বলেছিল : এ মা তুমি এরকম মেয়েমানুষের মত ভাত রান্না করছ ক্যানো !! বাবা তো রেগেমেগে তার মা কে নালিশ করে এক কান্ড :)))
  • Ekak | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৫৫323685
  • আরে যারা গরু খাওয়া কে হারাম মনে করে তাদের কাছে গরুখেকো র হুঁকো আর শুঅর্খেকো র হুঁকো তো আলাদা হবেই :)) এগুলো সম্পূর্ণ হাস্যকর, মানে যেভাবে তারা ভাবে। আমার মা আমার আধখাওয়া খাবার খান না। আমিও কখনো অফার করি না। যবে থেকে জানেন আমি যা পাই তাই খাই। আমি যেটা বুঝিনা সেটা হলো খুঁচিয়ে লাভ কি। মানুষ কে যতটা সম্ভব স্পেস দিলেই হয়। হাইজিন এর জন্যে আলাদা আপনার মনে হলেও আমার মনে হয়না। কারণ প্রচুর হাস্যকর বায়াস অবসরভ করেছি। বন্ধুরা আড্ডা দিচ্ছে। সেখানে আরেক বন্ধু এলো। কি নেবে জিজ্ঞেস করায় আমার ওয়াইন থেকে এক সীপ খেয়ে দেখে বল্লো এটাই নেব। এবার সে এক্কেরে খার্খাত্তা ট্যাম ব্র্যাম। আমার আমিষ প্লেট থেকে ভুলেও নিরামিষ স্ন্যাকস নেবেনা। কিসের সঙ্গে তুলনা করে কি যুক্তি টানবো ? যে হিন্দু মুসলমান এর খাবার খায় না তাকে মুসলমান এর থেকে বিড়ি নিয়ে খেতে দেখেছি, ভাগ করেও। এসবের যুক্তি হয়না। এত সহজ নয় সাদা কালো লাইন টেনে দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে যাওয়া। যে জততুত্কু স্পেস চায় তাকে ততটুকু দেওয়াই ভালো যতক্ষণ না নিজের স্পেস ক্ষুন্ন হচ্ছে। এরকমই মনে হয়।
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৪৮323684
  • ঠিকই তো। খারাপগুলোতো আছেই। হ্যারীপটারের গল্পও তার ঊর্ধে নয়। কিন্তু আমার মেয়ে এই উত্তরটা দিয়েছিলো হ্যারীপটারভক্ত একদল ছেলেকে। তারা একদিকে চরম হ্যারীপটার ফ্যান। অন্যদিকে বীফ খাওয়া অতীব ঘৃণার কাণ্ড তাদের কাছে।
    আমি ওকে জিগ্যেস করেছিলাম, তুই বললি না কেন, যে তুই ও বীফ খাস। হ্যারী পটার বললি কেন?
    ও বলল, তাহলেই হয়েছে। আমাকে খুঁচিয়ে মেরে শেষ করে দিতো না ওরা? ওদের কাছে ওসব বলবার মানে ওদের বুলি হওয়া। তাই আমি এমন উহাহরণ দিয়েছি যেটা ওরা বুঝবে। হ্যারী ওদের হিরো। ওদের হিরো যদি বীফ খেতে পারে, তাহলে হয় ওরা হিরোকে ঘৃণা করবে, নয় বীফ খাওয়াটাকে বা মুসলমান হওয়াটাকে ঘৃণা করবে না।
  • | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৪৬323682
  • কিছুই হচ্ছে না অভ্যু। আমি দিন দিন বখে যাচ্ছি !! ঃ((
  • b | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৪৬323683
  • তপন রায়চৌধুরীর লেখায় অবশ্য একটা উল্টো অভিজ্ঞতাও আছে। ওনাদের গ্রামে দুই গ্রামতুতো কাকা, রসাকাকা আর দামুকাকা অনেক দুষ্ট বাচ্চাকে খেয়ে ফেলেছেন এরকম একটা কথা শোনানো হত। পদমর্য্যাদা বৃদ্ধির আশায় কাকারাও তাতে সায় দিতেন।
  • Abhyu | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৪৩323681
  • কাল একজন বাঙালী মেয়ের সঙ্গে আলাপ হল, কর্ণাটকে থাকে, নাম সংস্কৃতি।
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৪২323680
  • হ্যাঁ। সেটা হাইজিনের বেসিসে। প্রত্যেকের আলাদা। বাবা মা দিদি কাকি কাকা জেঠি পিসী ভাই বোন সকলের আলাদা। কিন্তু হুঁকোর ব্যাপারে হিন্দুদের আলাদা হুঁকো আর মুসমানদের জন্য আলাদা হুঁকোটা এক ব্যাপার নয়।
    এবার বাড়ির কালচারের ব্যাপারটা শিশুকে প্রভাবিত করবেই। তার কাছে সেটাই স্বাভাবিক ঠেকবে। কতকটা স্বতঃসিদ্ধের মতো। সেটার ওপরে বেস করে সে অন্য অ্যানালজিগুলো টানবে। বাড়িতে শাড়ীপরা মা দেখে দেখে অভ্যস্থ শিশুরা যারা আমার মেয়ের ইস্কুলে একই ক্লাসে পড়ত, আমায়ায় প্যান্ট বা ফ্রক পরা দেখে ওর মা হিসেবে মানতে চায় নি। বিশ্বাস করতে চায় নি। নিজেরা ছুটে এসে জিগ্যেস করেছে- তুমি ওর দিদি, তাই না? যখন বলেছি, না, আমি ওর মা। তখন যুক্তি চাইছে, তোমার হাতে শাঁখা নেই কেন? সিঁদুর পরোনি কেন? প্যান্ট পরে আছো কেন? এ ম্যা! মায়েরা কি কখনো প্যান্ট পরে নাকি? তুমি ওর দিদি। সত্যি করে বলো। আমরা ঠিক ধরে ফেলেছি।
    ওদের কাছে ওটা অস্বাভাবিক। ওরা অমনই দেখে এসেছে। স্বতঃসিদ্ধের মতো সেটা মনের মধ্যে গেঁথে গেছে। সরল মনে তাই জিগ্যেস করে মিলিয়ে নিতে চায়। বড়ো হয়ে আরেকটু কুটিল হয়ে গেলে সেরকম করবে না। সেরকম বড়ো হয়ে যাওয়া বাচ্চাও দেখেছি অন্য স্কুলে। সরাসরি কিছু বলেনি, কেবল ভ্রূকুটি করে আড়চোখে অন্যদের দিকে ইশারা করেছে।
    আবার অন্য পরিবেশে বড়ো হলে এরকম করতই না।
    পেট থেকে পড়েই সবাই সব কিছু তৎক্ষণাৎ শিখে যায় না।
  • Abhyu | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৪১323679
  • না এই ব্রতীন্দা ফাঁকা আপিসে কেমং রিসার্চ কচ্চে তার খোঁজ নিচ্ছিলাম
  • Ekak | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:৩৫323678
  • এই যে হ্যারি পটার এর উদাহরণ দিলেন। আপনার মেয়ে অবস্যই একদম যুতসই জায়গায় উদাহরণ দিয়েছে। তাঁকে কনগ্রা। কিন্তু ধরুন হ্যারি পটার এর গল্প ভর্তি হাজার টা রেসিস্ট -ক্ল্যানিস্ট -ক্লাসিস্ট -ফিসিকাল এপিয়ারেনস নিয়ে সেগ্রিগেশন আছে। হ্যারির আন্ট-আঁকল ওরকম বিদঘুটে মোটা ক্যানো ? সমস্ত গল্পে মোটা লোক মানেই হয় দুষ্ট নইলে নির্বোধ প্রকৃতির। চূড়ান্ত বায়াসড লেখা। শুধু একটা লিবারেল ধ্বজা উড়িয়ে রেখেছে যে যেই হও সবার নলেজ এর অধিকার সমান। কারণ কি ? না যারা নলেজ কুক্ষিগত করে রেখেছে তাদের সঙ্গে লড়তে হলে দল বাড়ানো জরুরি। তাই হাফ ব্লাড রা পার্শ্বচরিত্র হয়। নায়ক নয়। রুবিযেস হ্যাগ্রেত মাগল দের নিয়ে তাচ্ছিল্য মন্তব্য করে। সর্বদা একাডেমিক -ইন্টেলিজেন্ট হায়ারার্কির জয়গান। বায়াস আছেই। পরিচিত ধর্ম ছেড়ে নতুন ধর্মের বেসিসে বায়াস তৈরী হয় পৃথিবী তে। ওরকম বায়াস হীন -সেগ্রিগেশন হীন পৃথিবী বানাতে হলে গোটা দুনিয়া হাসপাতালের সাদা চাদরের মত ব্লান্ট হয়ে যাবে :(
  • Ekak | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:২৫323677
  • বেসিস তো একটা না একটা থাকবেই। বাড়িতে সবার আলাদা থালা কি বেসিসে। মুসলিম বাড়িতে সবার এক পাতিলায় ঢালা ঝোল থেকে রুটি ডুবিয়ে খেয়েছি। হিন্দু বাড়িতে এরকম দেখিনি। তাহলে একজন মুসলিম ও বলতে পারেন এটা হিন্দু দের সেগ্রিগেশন এবং বায়াস।

    ধরে নিলুম হাইজিন ম্যাটার করে। তাহলা ধুলে তো আর সমস্যা থাকার কথা না। তাও আমরা নিজের থালায় অন্যকে খেতে দি না। সেগ্রিগেশন আছেই।
  • | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:২৩323675
  • কিন্তু কালচারের আচার কি ভালো হবে। আমের বা কুলের আচার যেকোন দিন ১০ গোলে জিতবে..
  • OshKosh B'gosh | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:২৩323676
  • কডফাদারে ফ্লেভারড হুঁকো পাওয়া যায়। তবে হুঁকোর জন্যে নয়, এম্নিই খাওয়ার জন্যে কডফাদার ঘুরে আসুন। ব্যাপ্পক।

    আজ গেসলুম ফিশারমেন'স ডেক-এ। ট্রাইবাল খাবার (উড়িষ্যা, নাগাল্যান্ড, মণিপুর ইঃ জায়গার) এবং সী-ফুড। মন্দ নয়।
  • | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:২২323673
  • ও ই কলেজ মোড়ে আগে মোহন'স মটোর যেখানে ছিল তার পেছন দিকে।
  • সে | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:২২323674
  • উঁহু। ধর্মের বেসিসে কি জাতের বেসিসে সেগ্রিগেশন এটা। বাড়িতে সবার আলাদা আলাদা কাপ - এটা নয়। এটা সিম্পল হেট্রেসি। সোশ্যালি অ্যাকসেপ্টেড ফর্মে। শ্বাস প্রাশ্বাসের মত অভ্যাস হয়ে গেছে কিনা তাই আলাদা করে চোখে পড়ে না। এর নাম দেয়া হয় কালচার কি আচার।
  • T | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:২১323672
  • হুঁকোর ভাপাটা খেয়ে দেখতে পারো, ওটা ভালো বানায়, ঐ তোমাদের ওখানেই। হুঁকোসরষেটা ভালো করে না অবশ্য।
  • | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ ১৬:১৯323670
  • আরে এদিকেও কত গুলো দোকান হয়েছে। হুঁকো স্পেশাল। এক দিন খেয়ে দেখতে হবে ঃ)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত