এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সে | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:৪৬325440
  • এই যে আটজ।
    আপনার বইয়ের কথা বোতীন প্রচার করে যাচ্ছে একটা টইয়ে। তা আপনি যখন এসেই পড়েছেন, নিজের বই নিজে দুটো কথা ওখানে লিখুন না।
  • Atoz | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:১৬325439
  • কুল খাওয়া শুনলেই আঞ্চলিক রামায়ণ মনে পড়ে, সেখানে শবরীর বাড়িতে রাম আর লক্ষ্মণ বসে আছে, শবরী নানা ফলটল খেতে দিচ্ছে। চেখে চেখে কুল দিচ্ছে।
    লক্ষ্মণ রামকে বলছে "দাদা, কুল কামড়ে দিচ্ছে রে, খাসনা খাসনা।"

    ঃ-)
  • Atoz | ১৩ জানুয়ারি ২০১৬ ০২:০২325438
  • ওহ্হ্হ ব্যাং আর হনু!!!!!
    গড়াগড়ি গড়াগড়ি গড়াগড়ি খেতে খেতে পড়ছি। ঃ-) ঃ-) ঃ-)
  • সে | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ২৩:৫০325437
  • আজকের নাটক ভালো হয়েছে। বাচ্চারা খুব খুশি। এই প্রথম তারা ইমপ্রভ করলো। ফোটো আপলোড করতে সময় লাগবে। - অতসী জানিয়েছে।

    পরের নাটক কুমুদির লেখা। সেটা ফেব্রুয়ারীতে হবে।
  • Paallin | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ২৩:৩৩325436
  • :)))))))))))))))))))))))))))))))
  • aranya | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ২২:৩৪325435
  • দারুণ মজার সব পোস্ট :-)
  • dd | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ২২:০৮325434
  • উফ। হানু আর বেং। ক্ষী সব অটোবাইওগ্রাফি। টই হয়েছে খুব ভালো হয়েছে।

    মাঝে মাঝেই এইরকম নির্ভেজাল এয়ার্কির টইগুলো ফিরে পড়তে ইচ্ছে করে।
  • T | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ২০:৩০325433
  • :)
  • san | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৯:৫৬325432
  • উনি আমাদের বেগুন ক্ষেতে পোকা সারিয়ে দিয়েছিলেন :-D :-D

    বোধিদা অসা !
  • byaang | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৯:৪২325431
  • হনু ঃ)))))))
  • Kaju | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৯:৪১325430
  • তাড়ি খেতে গেলে তাড়িয়ে দিল?
  • h | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৯:৩৭325429
  • ছোটো জায়্গায় যা হয়, একদিন তাড়ি খেতে গেছি, যে ভদ্রলোক তাড়ি বিক্রেতা হঠাৎ কি চোট পাট, যাও যাও তোমাকে তাড়ি বেচবো না, তোমার বাবাকে আমি দাদা বলি, উনি আমাদের বেগুন ক্ষেতে পোকা সারিয়ে দিয়েছিলেন, তো আমি যেই বলেছি, প্লিজ এরকম করবেন না, ইংলিশের দোকান, বাংলুর দোকান সকলেই বাবা কে দাদা বলেন, আমি কি তবে গলা শুকিয়ে মারা যাব, তো এটা বলাতে উদুম খচে গেল, নাটক করে ঝাঁপ তুলে দিলো, তো পরে আবার অন্য একজন কে পাঠিয়ে লজ্জা করছে না তাও একটা কালভার্টের পেছনে গিয়ে খেতে হল। অসংখ্য লাল পিঁপড়ে র কামড় সহ।
  • Kaju | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৯:৩২325428
  • দিদির বিভিন্ন বক্তৃতার মণিমুক্তো নিয়ে একটি র‌্যাপসঙ্গীত নির্মিত হয়েছে, কেউ দেখসেন? আমি হোয়াটস্যাপে পেয়েছিলাম। তুলনা হয় না। কিন্তু ব্যক্তিগত নিরাপত্তার স্বার্থে সেই স্বর্গীয় জিনিস শেয়ার করতে অপারগ।
  • kc | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৯:১৮325427
  • এটা রামকৃষ্ণের বাংলা, এটা বিবেকানন্দের বাংলা, এটা রোবিন্দোনাথের বাংলা, এটা গুলাম ভাইএরও বাংলা।

    দিদি ফাটায়ে দিসে পুউরো।
  • byaaang | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৯:১২325426
  • "তরশু বিকেলে আপিস থেকে বেরোনো মাত্রই ঝিরঝির বৃষ্টি শুরু।" এটার শুরুতে তরশু হবে না, আড্ডার দিন হবে।
  • byaang | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৯:০৮325425
  • এই বন্ধুরই আরেক বন্ধুর আরেকটা গল্প আছে। সেও বিক্কলেজের এবং আমাদের লামারও বন্ধু।

    আমার এই বন্ধুর থেকে একদিন আপিসে বসে ইমেল পেলাম। তার তখন চাকরির মোটে তিন বছর হয়েছে।
    "পরশু রাত্তিরে এসে পৌঁছাব। পরশু থেকে ঠিক দশদিন পরে অমুক তারিখে তমুক বারে বিকেলে নন্দনে ঠেক। ৫ঃ৩০টায়। এখন বেশি হ্যাজের টাইম নেই। সেদিন চলে আসিস।

    পিএসঃ অমুক, তমুক, রমুক, জমুক, সমুক, শম্বুক, সবাই আসছে কিন্তু। তুইও আসবি শালা। আসবি কিন্তু আওয়াজ মারবি না শালা। আমার একটা মোবাইল হয়েছে। তুই তো একনম্বরের আদেখলে, তাই বলে রাখলাম। মোবাইল নম্বর এই এই এই। তুই তো শালা তালকানা, আমাদের খুঁজে না পেলে নন্দনের পিসিওটা থেকে ফোন করিস। ভালো কথা, পাখি আর পাখিনীও আসছে কিন্তু। ওদের নিয়ে বেশি হ্যা হ্যা করিস না সেদিন। আরেকটা কথা। সমু সেদিন বিয়ের কার্ড ধরাবে। ওর বৌয়ের বাড়ির লোক আর মানছে না, শালা একদম বিয়ে করে বৌ নিয়ে হিউস্টন ফিরবে। ব্যাটাকে ভালো করে চেপে ধরিস সেদিন"

    চিঠির মূল বক্তব্যর থেকে পুনশ্চ লম্বা। তা সে যা হবে হোক, তাতে কী? আড্ডা হলেই হল। তরশু বিকেলে আপিস থেকে বেরোনো মাত্রই ঝিরঝির বৃষ্টি শুরু। তাতে অবশ্য তখন আমাদের বয়েই যেত। নন্দনে গিয়ে খুঁজে পেতেও কোনো অসুবিধে হল না। নব্যলব্ধ মোবাইলটিও এই হাত সেই হাত করে করে করায়ত্ত হতে হতে হঠাৎ বিপ বিপ বিপ করে উঠল। অম্নি সব্বার সে কী উত্তেজনা! বন্ধুটিও একটু নিশ্চিন্ত। মালটা বন্ধুদের সামনেই কাজ করেছে। সে একটু লাজুক হাসি দিয়ে ফোনটি ফেরত নিল। সবাই মিলে ঝুঁকে পড়ল। কী মেসেজ এল দেখতে।

    "ইট ইজ রেইনিং ক্যাটস অ্যান্ড ডগস অ্যাট বাজেশিবপুর।" প্রেরিকাঃ মা
    (জায়গার নাম আসলে মোটেই বাজেশিবপুর নয়, তবে হাওড়া জেলারই অন্য একটি জায়গা। আমি প্রিভেসির খাতিরে একটু বদলে নিলাম)

    বন্ধু বলল "মায়ের জন্য আগেই একটা ফোন কিনেছি, আমার সাথে যোগাযোগ রাখতে পারবে। নয়তো সবসময় টেনশন করে বাবাকে জ্বালাতন করে।"

    খানিক বাদে আবার বিপ বিপ বিপ। এবার আর বন্ধুর হাতে ফোন থাকা ঠিক না। আমাদের হয়তো আর পরের মেসেজটা দেখতেই দেবে না। ফোন কেড়ে নেওয়া হল, এবং, যেমনটি আশা করা গেছিল, সবার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করে ঠিক সেরকমেরই একটি মেসেজ।

    "অল দা ম্যানহোলস আর ওপেন ইন ক্যালক্যাটা। বিওঅ্যার।" প্রেরিকাঃ মা

    সব্বার গড়াগড়ি দিয়ে হাসি, বন্ধুর বিড়বিড় গালাগালি, এসবের মাঝেই হঠাৎ সমুর আর্তচিৎকার "$*%#@ মেরেছে শালা" এবং প্রস্তরবৎ রূপধারণ।

    খানিকক্ষণ ধরে "কীরে ! কী হল?" "পেটব্যাথা করছে?" "পকেটমার হয়েছে?" "মায়ের কাছে যাবি?" "বৌকে ফোন করতে ভুলে গেছিস?" এবং ফোন শব্দটা উচ্চারণ করা মাত্রই সমু মাথা ঝাঁকানি দিয়ে নড়েচড়ে বসে মাথা চাপড়াতে লাগল এবং ভুলো নামের কারুর উদ্দেশ্যে অজস্র চার অক্ষর বর্ষণ শুরু করল।

    তারপর কথায় কথায় যা জানা গেল, তা এইরকম। পরের দিন সকালে সমু বে করতে আসার জন্য দেশে আসার প্লেন ধরবে। কিন্তু কিছু সহকর্মী এবং সহকর্মী প্লাস প্রাক্তন সহপাঠী ধরে বসে যে আইবুড়ো পার্টি দিলে তবেই সমু দেশে বে করতে আসার পারমিশন পাবে বন্ধুদের থেকে। তাই সমু কয়েক পাউন্ড গরুর মাংস বাড়িতে এনে কাটাকুটি করছিল বন্ধুদের রেঁধে খাওয়াবে বলে। এমন সময়ে ভুলোর ফোন।"আমরা সবাই তোর জন্য অমুক রেস্তোরাঁয় অপেক্ষা করছি, চলে আয়। বাড়িতে খাওয়ার প্ল্যান ক্যানসেল।" সমু বেরিয়ে যায় মাংস ফ্রীজে না তুলেই। ভোর রাতে ফেরে এবং বাক্স প্যাঁটরা নিয়ে আবার বেরিয়ে যায় প্লেন ধরতে। তার ঠিক ছদিনের মাথায় নন্দনে বসে পূর্বাশ্রমের সবকথা সমুর মনে পড়ে যায় ফোনের আওয়াজে।

    বন্ধুরা নন্দনে বসেই নানারকম ভয় দেখাতে থাকে।
    কেউ বলে "এতদিনে নিশ্চয়ই মাংসটা পচে উৎকট গন্ধ বেরিয়েছে, তোর পাশের বাড়ির লোক নয়এগারোয় ফোন করেছে, তুই খুন করে লাশ ফেলে দেশে কেটেছিস বলে। তোকে ইন্টারপোল খুঁজছে নিশ্চয়ই। খবরের কাগজটা পড়িস ভালো করে রোজ।"
    কেউ বলে "অ্যাব্সকন্ড করে যা। আজ রাতে বাড়ি ফিরেই ভুরুদুটো কামিয়ে নিস।"
    কেউ বলে "আরে একটা চাকরি গেলে দশটা হবে। আমার কাকার খড়দার কারখানায় ঢুকে যাবি। চিন্তা কী? বল বীর, চির উন্নত মম শির।"
    কেউ বলে "অ্যাই না রে! ওদের কথায় বিশ্বাস করিস না। শুধু শুধু ভয় দেখাচ্ছে। ওসব কিছুই হবে না। শুধু মাংসটায় খুব পোকা ধরবে। আর নতুন বৌ সমুনী বাড়ি ঢুকে তোকে খুব মারবে।"

    যার যা মনে হয় ভয় দেখাতে থাকে, আর সমুর মুখ ছাইপানা হয়ে যেতে থাকে।
  • Kaju | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৮:৪৬325424
  • ও এক একজন থাকে হাটের মাঝে তোমার পেস্টিজ একেবারে নিজ দায়িত্বে গ্যামাক্সিন করে ছাড়ে, এরম লোক সঙ্গে থাকলে আর যদি তার তোমার ব্যাপারে মুখ খোলার সিচুয়েশন হয়, হয়ে গেল, সেদিন আর মানসম্মান নিয়ে বাড়ি যেতে হবে না। আর আরো বেশি আশ্চর্য তাঁরা যে কী সব্বোনাশটি করলেন বুঝতেও পারেন না সরোল গোলগাল মনে, যেন কিছুই হয়নি, কী আবার বল্লুম !
  • d | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৮:৪৫325423
  • এই কম্মটি আমার মেজমাইমার লালপিসিও করেছিলেন। ব্ল্যাকারকে দেখে হাত চেপে ধরে "একিই এইটুকু ছেলে উত্তম-সুচিত্রার বই দেখতে এসেছ আবার বিড়ি ফুঁকছ?? কোন বাড়ীর ছেলে হে? বাবার নাম কী? এক্ষুণি চল' :-))
  • | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৮:২০325422
  • হয়তো বোঝে নি, রাম খাওয়া জিনিসটা কি, তবে গড়িত কিছু সেটা বুজেছিল। নইলে তার জন্য বৌ কে ভর সন্ধে বেলায় কেউ ডাকে ইত্যাদি। আমার মায়ের পক্ষে সব ই সম্ভব। একবার সিনেমা দেখতে গিয়ে একজন ব্ল্যাকার কে হাত ধরে বলেছিল, এক ই তুমি এইটুকু ছেলে শুধু টিকিট বিক্রি করছো না আবার সিগারেট ও খাছো, চলো মায়ের কাছে চলো। তো সে
  • d | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৭:৫৭325421
  • উফ ব্যাং তো ব্যাংই আর হনুও .... কিন্তু হ্যাঁরে হনু, পিসিমা 'রাম' শুনে নমো না করে চুপ করে গেলেন?
  • byaang | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৭:২৬325420
  • লামার এক ক্লাসমেটের গল্প লিখি। সে আবার লামার ক্লাসমেট হওয়ার আগে আমার ক্লাসমেট ছিল। প্রাণের বন্ধু। তার কয়েকটা প্রেম হওয়ানোর জন্য আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করা সত্ত্বেও, তার একটাও প্রেম হওয়াতে পারি নি। যাই হোক, অবশেষে তার বাড়ি থেকেই তার বিয়ের ঠিক করা হল।

    এবারে বিয়ের আগে সে নিজের কাজের জায়্গা থেকে নিজের বাড়ি ফিরছে। কিন্তু মধ্যিখানে অন্য এক স্টেশনে নেমে কলেজের আরেক বন্ধুর বৌভাতের দুপুরের খাওয়া এবং রাতের খাওয়া খেয়ে পরের দিন সকালে নিজের বাড়ি পৌঁছবে। এমনটাই প্ল্যান হয়ে আছে।

    যথা সময়ে সেই স্টেশনে নামল (ট্রেন রাইট অন টাইম, হেব্বি টেনে দিয়েছেন ড্রাইভারসাহেব), স্টেশন থেকে বেরিয়ে রিক্শায় মিনিট কুড়ির পথ। মাঘ মাসের দুপুর, তাকে তো আর ঝাঁ ঝাঁ দুপুর বলা যায় না, কিন্তু তবু হতচ্ছাড়ার তেষ্টা মেটে না, কেপ্পনি স্বভাবও যায় না। তাই সে করল কি, ট্রেনে ওঠার সময়ে যে দু লিটারের পেপসির বোতলটা কিনেছিল তার বেঁচে যাওয়া লিটার খানেকেরও কম পেপসি সে ঢেলে নিল খালি হয়ে যাওয়া এক একলিটারের বিসলেরির বোতলে। দুই লিটারের আধ খালি বোতল বওয়া নাকি বিসদৃশ ব্যাপার।

    বিসলেরির বোতল থেকে পেপসিতে চুমুক দিতে দিতে রিকশাভ্রমণটা মোটেই মন্দ লাগছিল না তার - সোনা রোদ্দুর, আকাশে বাতাসে সানাইয়ের সুর। গোলটা বাঁধল বন্ধুর বাড়ি পৌঁছে রিকশা থেকে নামার সময়ে। বিয়েবাড়ির মুখে জনা কয়েক ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন, একস্ট্রা শিয়োর হয়ে নিতে তাদেরকেই শুধোলো "এটা অমুকের বিয়ে তো? মানে ঐ যে বিক্কলেজে যে অমুক পড়ত, সেই অমুকেরই বিয়ে তো?" বিক্কলেজ থেকে পাশ করে চার-পাঁচবছর চাকরি করা হয়ে গেছে, এখন তো আর যারতার অচেনা লোকের বিয়েতে ঢুকে খেয়েদেয়ে মুখ মুছে বেরিয়ে আসা যায় না, তাই একটু ভেরিফাই করে নিচ্ছিল আর কি!

    যাদেরকে জিগানো, তারা কিন্তু কেউই চট করে প্রশ্নের উত্তর দিলেন না। আগাপাশতলা মাপলেন। পায়ের চটি, রংচটা জীনস, রংজ্বলা টিশার্ট, এমনকি স্কাইব্যাগ লেখা কাঁধের ব্যাগটাও, মায় হাতের বিসলেরির বোতলটাও। বেশ ভালো করে হাতে সময় নিয়েই মাপলেন। এমন সময়ে সেখানে বন্ধুর দাদা উপস্থিত হয়ে "আরে এসে গেছিস, চল, চল, ভিতরে চল" বলে যেই না ওকে ঢুকতে বলেছে, অম্নি সেই সব মেশোমশাই, পিসেমশাইরা নিজেদের মধ্যে রাগতঃস্বরে আলোচনা শুরু করলেন "আজকালকার ছেলেদের সাহসটা দেখেছ? বোতলে মিশিয়ে নিয়ে সেই বোতল হাতে ধরে বন্ধুর বিয়েতে উপস্থিত হয়! মিনিমাম সেন্সটুকুও নেই, বড়দের সামনে এই ধরণের বোতল ধরে কথা বলতে নেই!"

    কদিন বাদে দেখা গেল সেইসব মেসোমশাই-পিসেমশাইদের একজনই ওনার বৌয়ের তুতো-মামা। কাকতালীয় যোগাযোগ, সন্দেহ নাই। কিন্তু বিয়ে করতে ঢোকা চন্দনচর্চিত ছোকরা বরকে দেখে সেই তুতো মামা যে সন্দেহকুটিল দৃষ্টিটি দিলেন, তা নিয়ে বাসরঘরে খুব খানিক হ্যা হ্যা হি হি হল।
  • Lama | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৭:২৩325419
  • আগে জানলে কোন সালা বই স্ক্যান করে আপলোডাত
  • byaang | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৬:৫৩325418
  • হনুর গল্পের কাছাকাছি একটা গল্প আছে ব্যাঙাচির।

    শ্বশুরমশাইয়ের বাৎসরিক কাজের সময়ে বীড়ার পিসিমা সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে আমার পাশে দাঁড়ানো ক্লাস থ্রীয়ে পড়া ব্যাঙাচিকে দেখে "তুমিই বুঝি টোটনের ছেলে? কত বড় হয়ে গেছ!"

    ব্যাঙাচি একটু থতমত খেয়ে "না আমি টোটন নামের কারুর ছেলে নই। (আমাকে দেখিয়ে) এই মা আর অন্য একজনের ছেলে।"

    (বাবার এই ডাকনামটা জানা ছিল না।)
  • Kaju | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৬:৫১325417
  • কুমুদি এত গম্ভীর হয়ে লিখলে আমার কুমু + গম্ভীর করে কীসব সন্ধি মনে আসছে !

    কুমুদি গম্ভীর
    বাজিছে হম্বীর
    থাম রে থাম বীর
    মুন্ডুপাত
    হবেই হবে তোর
    ধাইবে বুনো শোর
    রজনী ঘন ঘোর
    হবি রে কাত

    ইত্যাদি প্রভৃতি...
  • উরেবাবা :) | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৬:৪৯325416
  • হনুর এই স্মৃতিচারণ অবিলম্বে টইতে ডকুমেন্ট করে রাখা হোক, নইলে হারিয়ে যাবে। অভ্যু কোথায়?
  • kumu | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৬:৪৫325415
  • আরও গম্ভীর হইয়া
    সন্ধেবেলা।
  • byaang | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৬:৪৪325414
  • লামা সিরিয়াসলি বলছি আমি যদি তোর বৌয়ের মত একটা বৌ পেতাম! এত ভালো একটা মেয়ে ................. ভাবা যায় না। কী করে যে তোর ঘ্যানাঘ্যানানি প্যানপ্যানানি সহ্য করে!!!!

    তবে আমি তোর উপরে খুবই খচে আছি। ভাবছি তোর আরো বিভিন্ন সব কীর্তিকলাপ মাসিমার কানে তুলে দেব।
  • h | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৬:৪০325413
  • ব্যাং এর গল্প টা সলিড। আমার বৌ একটা কাছা কাছি দিয়েছিল, তবে এই কোয়ালিটির না। আমাদের বিয়ের দিন প্রচন্ড বৃষ্টি হয়, তো প্রচন্ড জল জমে একটা ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা হয়। আমরা নার্ভাস যে লোকজন না এলে খাবার নষ্ট হবে, পয়সা জলে যাবে ইত্যাদি, তো আস্তে আস্তে লোক আশতে আরম্ভ করেছে। তো যেহেতু বিভিন্ন লোকের নিমন্ত্রিত লোকজন যেটা হয় নর্মালি কেউ কাউকে চেনেনা এরকম একটা অবস্থা ছিল। তো আমার বৌকে ঠিক বৌ এর মত লাগছিল না, কারণ তখনো অ্যাপারেন্ট লি লাল শাড়ি এক্সপেক্ট করতো, তো লাল শাড়ি পরে নি। আমি বাইরে সারাদিন প্রচন্ড নিজের বিয়ে দিয়ে ক্লান্ত হয়ে অল্প একটু রাম খাছিলাম, পুরো ডিটেল টা জানি না। অ্যাপারেন্টলি, আমার বড় পিশি লক্ষ্ণৌ থেকে এসছেন, উনি খোঁড়া পা নিয়ে আমার ও বাবার শাপান্ত করতে করতে খুব কষ্ট করে সিঁড়ি দিয়ে উঠছেন, আর বলছেন, এরকম সিঁড়ি ওয়ালা বাড়িতে কেউ বিয়ে করে, ইত্যাদি, আর আমার এক দাদা অল্প খচিয়ে দিয়ে বলেছে, পরের বার গড়ের মাটে করবে, ইত্যাদি, তো উপর থেকে বৌ নেমে আসছিলো, তাকে নাকি বড় পিশি জিগ্যেস করেন, সখী রোলের কাউকে ভেবে, যে শোনো মেয়ে একটু বলবে, বৌ কোথায়, তো তিনি খুব নার্ভাস হয়ে বলেন, উপরে, এবং তারপরে নীচে কারো সঙ্গে একটা দেখা করতে যায়। অনেক পরে উপরে পিশি ডাকছে বলাতে আবার তাকে যেতে হয়, গিয়ে মহিলার সামনে পড়তে হয়। তারপরে অ্যাপারেন্টলি পিশি বলেন, কি বাচাল বৌ, আমাকে বল্লো বৌ উপরে বলে নেমে গেল, আর মা ব্যাপক নার্ভাস হয়ে সিচুয়েশন ম্যানেজ দেওয়ার জন্যো বলে ফ্যালে আর বলবেন না, সব আপনার ভাইপোর দোশ, সেই তো নিচে ওকে রাম খেতে ডাকলো। এর পরে হলঘর ভরতি নীরবতা। যে শালা দিদি মাকে এটা বলেছিল তাকে আমি আর হাতের কাছে পাওয়া সত্তেও ক্যালাই নি, কারণ তার দোষ আর যাই হোক মায়ের চেয়ে বেশি হতে পারে না ;-)
  • Kaju | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৬:৩৯325412
  • সৌরভ আসলে ভেবেছিল, পুরো একটা নাড়ু খেলে যদি নাড়ুগোপালের মত নাদুসনুদুস চেহারা হয়ে যায়। সেটা আমার তো মোটেই ভাল লাগবে না।
  • Lama | ১২ জানুয়ারি ২০১৬ ১৬:৩৬325411
  • আমি যদি কাউকে সমঝে চলি তাহলে সেটা হল ব্যাং। আমার বউকে নিয়ে পালানোর ভয় দেখিয়েছে। আর আমি রাতে ঘুমৈ না বলে আমার মায়ের কাছে নালিশ করেছে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত