এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:৩৮32671
  • হ্যা, বায়োম্যাগনিফিকেষণ চূড়ান্ত। মার্কারি -ডিডিটি শরীরে ঢুকেই চলেছে। সেগুলো বোধ হয় মেয়েদের ক্ষতি করছে বেশি।
  • pi | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:৩৭32669
  • আমি তো ঘর মুছতে অতি ভালবাসতাম। ঘর ঝাঁট দিতে আরো। কাজের মাসি না এলে সে ছিল আমার অতি আনন্দের দিন। এবং আমার লক্ষ্য ছিল, এমনভাবে ঝাঁট দেওয়া, যাতে সেই ঝাঁটের পরে না মুছলেও লোকে বলে, আরে বাঃ, ঘরটা কী সুন্দর মোছা হয়েছে ! এবং ঝাঁটের পর জেঁতে গেলে পায়ে যেন এক ফোঁটা ধুলো না লাগে। এবং সেটা আমি প্রতি দুই স্ট্রোক ঝাঁটানোর পর পরেই চেক করতাম। যতক্ষণ ঝাঁটাতুন, ততক্ষণ কারো ঐ অঞ্চল দিয়ে হাঁটাচলা বারণ থাকতো। এবং অবশ্যই ফ্যান বন্ধ থাকতো। বাড়ির লোকের প্রাণ ওষ্ঠাগত হয়ে যেত ও ধরে আনতে বল্লে বেঁধে আনে, এজাতীয় কথা শুনতে হত, বলাই বাহুল্য।
    যাহোক, ঘেমে নেয়ে চান করে তারপর আমি যখন মেঝের ঝকঝকেত্ব তকতকেত্ব ভালো ক'রে নিরীক্ষণ করার জন্য জানলার পর্দাগুলো সব ভালো ক'রে তুলে দিতুম, তখনি হাওয়া পত্তর ঢুকে এসে বাইরের বাগান থেকে একরাশ ধুলোও আবার নিয়ে আসতো।
    ততক্ষণে ঝাঁটা বাজেয়াপ্ত না হয়ে থাকলে আমি অবশ্য কোমরে ওড়না বেঁধে আবার ...

    ডিঃ নির্ঝাঁট ঘরেও কিন্তু আমি দিনের পর দিন দিব্বি কাটিয়ে দিতে পারতাম ও পারি।
  • san | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:৩৬32668
  • এই যে ছেলেপিলেরা ফুটবল পিটিয়ে বড়ো হয়। মেয়েদের ছোটো থেকে নাচ গান ললিতকলা কম শিখিয়ে একটু খেলাধুলো করালে আখেরে তাদের উপকার হয়। ঠেকে শেখা। পিসিওডির অত্যন্ত প্রবলেম আমার এককালে ছিল। ওষুধের নানা সাইড এফেক্ট বলে খেতে চাইনি। রেগুলার ওয়ার্ক আউট করতে শুরু করার পরে সে সমস্যা হাওয়ায় মিলিয়ে গেছিল ঃ-)
  • VB | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:৩৫32667
  • নিনা, ঠিক বলেছ, ঐ খোলামেলা গ্রামগুলোতে কৃষিনির্ভর ঘর-গেরস্থিতে শারীরিক পরিশ্রম আর নিজেদের জন্য স্পেস, এটা অনেক উপকার করে। আর খাবার দাবারও অনেক টাটকা পাওয়া যায় কৃষিনির্ভর ঘরে, ফ্রী শাকপাতা আর নিজেরাই ছাঁকা দিয়ে ধরে ফেলা মাছ চিংড়ি ইত্যাদি---এসবের পুষ্টিমূল্য অনেক বেশী দোকানের প্রসেসড ফুডের চেয়ে, সে যতই লোকে ছ্যা ছ্য করুক সস্তা বলে।
  • nina | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:৩২32665
  • হে হে এইজন্যেই আমার দিদা বলতেন--বিধাতা পুরুষ--যে পুরুষ তাতে সন্দেহ নেই ঃ-))
  • a x | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:৩২32666
  • গরুগুলো হর্মোন বোঝই। মুরগিগুলো যে কি বোঝাই কে জানে, দেখলে মনে হয় মুরগি না উটপাখির ঠ্যাং, মাছে মার্কারি বোঝাই।
  • VB | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:৩১32664
  • একক, স্থান কমে গেছে লোক বেড়ে গেছে, এটা মেয়েদের মধ্যে যতটা স্ট্রেস আর অ্যাংজাইটি তৈরী করেছে, তা ছেলেদের মধ্যে পারে নি। ছেলেদের যেখানে-সেখানে নিজেকে রিলিভ করার সুযোগ সমাজসম্মত, কিন্তু মেয়েদের ক্ষেত্রে অ্যাবসোলিউট নো-নো। অথচ প্রয়োজন উভয়েরই প্রায় একইরকম ইন্টেন্স। তাছাড়াও বহুরকম সামাজিক "ভয়" মেয়েদের জন্য আছে, ছেলেদের জন্য নেই। এইগুলোর সঙ্গে খুব বালিকা বয়স থেকে লড়তে লড়তে প্রথম যৌবনে এসে অনেক মেয়েরই নানা অ্যাংজাইটি রিলেটেড অসুখ আসে। শরীর আর মন তো কানেক্টেড কিনা!
  • a x | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:৩০32663
  • হ্যাঁ পিসিওএস এখন যেদিকে তাকাই প্রায় সব মেয়েদের। কোনো এনভায়রন্মেন্টাল ফ্যাক্টারও আছে। মেয়েদের পিরিয়ড অনেক আগে হয় এখন, এবং সেই জন্য এস্ট্রোজেন এক্সপোশার অনেক বেশিদিন ধরে হয়।
  • nina | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:২৯32662
  • আমারও মনে হয় --এখনকার খাবার-দাবার আরও নষ্ট করছে স্বাস্থ্য--এককের সঙ্গে একমত।
  • nina | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:২৭32660
  • ভবি
    আর একটা দিকও আছে কিন্তু--তখন মেয়েদের পুকুরে সাঁতার কাটা, ঘরের কাজ--ঘর মোছা--রান্নায় বারবার ওঠবোস করা, ইন্ডিয়ান স্টাইল পটি ইত্যাদি অনেক কিছু ছিল যাতে তাদের শরীর স্বাস্থ্য ভাল হত।
    এখনও গ্রামে কিম্বা আমি বিহারে দেখেছি--কাজের মেয়েদের অটুট স্বাস্থ্য ও শরীরের বাঁধুনী দেখার মতন----
    সন্তান ধারণের ও প্রসবের জন্য আন্ডার এজ যেমন খারাপ---এখনকার ওভার এজও তাই--বায়োল্জ্যিকালি প্রথম বাচ্চা ৩৫ এ হলে হাই রিস্ক প্রেগন্যান্সিতে দিয়ে দেয়----
  • a x | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:২৭32661
  • আমি খুব ভালো বাচ্চা ছিলাম। সেই এক-দেড় বছর বয়সেই ইজেরে হিসি করে ফেললে, নিজে নিজেই ইজের খুলে সেটা দিয়েই হিসি মুছতাম। এই জন্য উমাদাজেঠু আমাকে রাসমণির চাকরিটা দেবে বলেছিল। আর সাথে একটা লাল বালতি আর লাল ঝাড়ন। ও আর একশো টাকা মাইনে।
  • VB | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:২৬32658
  • আমি উঠান ঝাড় দিতাম শলার ঝাঁটা দিয়ে, ঝাঁটাগুলো বেশ মোটা আর ভারী হতো। রীতিমতন এক্সারসাইজ আর কাজ একত্রে হোতো। আমার ইন্স্ট্রাকটার কইতেন, "খানিকটা খানিকটা ঝাঁট দিবি আর পিছনে তাকাবি।" খুবই যুক্তির কথা, কারণ তাইলে বোঝা যাবে পিছনে কিছু পড়ে রইলো কিনা। ঃ-)
  • একক | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:২৬32659
  • ভিবি

    সন্তান হতে গিয়ে মারা যাওয়া বা অপুষ্টি ছিল। ভুল বলেন নি। কিন্তু সেসময় তো চিকিত্সা ব্যবস্থাও ভালো ছিলনা। তাই না ? এখন এতো চিকিত্সা আছে, ঘন ঘন ডাক্তার কনসাল্ট করার সুযোগ আছে তাও কেন যে অসুক্জ বেড়ে চলেছে কে জানে। লট অফ গার্লস সফর ফ্রম স্ট্রেস, অভারয়েট, অস্টিও প্রবলেম, পিসিওডি এন্ড হোয়াট নট। এটা একেবারেই দোষারোপ হিসেবে নেবেন না প্লীস। আমার চারপাশেই তো বান্ধবী, বোন এমন কি আমার বউ কেও ভুগতে দেখি। অথচ কুঁড়েমির জন্যে এমন হয় তাও না। প্রচুর খাটে সবাই। তারপর একটা বয়েসে এসে মুখ টা প্যাঁচার মতো করে বলে বুরিইইই হয়ে যাচ্ছি :(
    সিরিয়াসলি মনে হয় আজকালকার ফুড হ্যাবিতের সঙ্গে কোনো যোগ আছে। যেটা মেয়েদের বেশি ক্ষতি করছে। ছেলেদের অতটা নয়।
  • Zzzz | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:২৫32657
  • আমার স্লিপ ডিস্ক যমজদ্বয়ের দান (মানে ডাক্তার সেরকমই কয়েছিলেন আর কি)।
  • aka | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:২৩32656
  • একসময়ে মা আমাকে বিজি রাখার জন্য ঘর মোছার কাজ দিয়েছিল। আমার খুব পছন্দ হয়েছিল, ঘরের পরে দেওয়াল, তারপরে আলমারি, টেবিল সব মুছেছিলাম।
  • a x | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:২১32654
  • এইজন্য ছোটবেলাতে লোক না এলেই আমি ঘর মুছতাম। এদ্দিনে বুঝলাম। জীবনের ধন কিছুই যায়না ফেলা।

    লাস্ট বাক্যটা নিয়ে আবার নাবালকত্ব প্রকাশ করবেন না। :-|
  • san | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:২১32655
  • অ্যাকসিডেন্ট ই। আমি তো জিমে যেতাম। ওয়ার্ক আউট করতাম তার আগে। মোটেই সারাদিন শুধু বসে কাজ করতাম না।
  • VB | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:১৯32652
  • আরে একক, আগেকার দিনে এরকম আরো কম পাওয়া যেতো। ২৫ এর আগেই অনেক সন্তান প্রসব করতে গিয়ে মারা যেতো নয়তো ততদিনে এক ডজন বাচ্চা জন্ম দিতে আর বড় করতে গিয়ে নিজেরা বুড়িয়ে অকালবৃদ্ধা হয়ে মারা যেতো কিছুদিন পরে। এদের মধ্য থেকে যারা সুস্থ সবল হিসাবে টিঁকে যেতো তারা রীতিমতন সার্ভাইভাল অব দ্য ফিটেস্ট এর আওতায় পড়তো।
    এখন তো তবু অপশন আছে মেয়েদের সংসার না করার বা করলেও সন্তান না আনার, তখন তো তাও ছিলো না। মেয়ে অরক্ষণীয়া হয়ে যেতো বারো তেরো পেরোলেই।
  • kc | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:১৯32653
  • স্লিপড ডিস্ক ঠিক অসুস্থতা নয়। ওটা অ্যাকসিডেন্ট বলেই ধরা হয়।
  • san | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:১৭32651
  • সেই প্রথম এবং শেষবার। বেকায়দায় লেগেছিল। সাপোজেডলি।
  • nina | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:১৬32650
  • SP মেল চেক কর প্লিজ।
  • aka | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:১৪32647
  • কতবার ঘর মুছেছিলে?
  • san | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:১৪32648
  • না আমি ওভারওয়েট না। আমার ঘর মুছতে গিয়ে স্লিপড ডিস্ক হয়েছিল ঃ-(
  • একক | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:১৪32649
  • ২৫ বছরের ওপরে বয়েস এবং সুস্থ্য এরকম মেয়ে হোমাপাখির মতো হয়ে গেছে।
  • kc | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:১১32644
  • *গুরুর
  • একক | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:১১32645
  • আজকাল তো এরকম ই। ডেড ফুড খাওয়ার জন্যে বোধ হয়। সমস্ত কম বয়েসীদের দেখি হাতে পায়ে কোমরে ব্যথা আর ওভার ওয়েট এর সমস্যা।
  • kc | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:১১32646
  • শুধু তাই নয়। গুরু স্যাম্পল সাইজ বলছে যে মেয়েরাই বেশী অসুস্থ হচ্ছে।
  • aka | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২৩:০৬32643
  • সত্যি এই বয়সেই এমন অবস্থা। আমার মতন বয়স হলে তো ভাটানোর জন্যও লোক ভাড়া করতে হবে এদের।
  • একক | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২২:৪২32642
  • জো সালদানা কে দেখে মুগ্ধ হয়ে গেসলুম। মানুষের মেয়েরা যদি অমন নীল রঙের হত !
  • a x | ০৬ আগস্ট ২০১২ ২২:৪১32641
  • এই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলোর এখনই এইরকম অবস্থা কেন? কোমরে হাতেপায়ে ব্যথা?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত