এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • গোর্খাল্যান্ড ???

    Ananyo
    অন্যান্য | ০৪ আগস্ট ২০১৩ | ৪০৫৫৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dd | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১২:৩১616243
  • করেছি তো।

    কিন্তু এমন কি একটা সেকেন্ডারী যুক্তি হিসেবেও এটা পাতে দেওয়া যায়?
  • কল্লোল | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৭:৩১616244
  • কেন নয়? অমি যদি সদা সর্বদা কাউরে তাচ্ছিল্য করি, তবে সে আমার সাথে থাকতে চাইবে কেন?
  • শ্রাবণী | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৭:৪৭616245
  • কল্লোলদা, কলকাতার মাড়োয়ারীরা, পাঞ্জাবীরা আমরা তাদের মেড়ো পাঁইয়া বলি জেনেও আমাদের ছেড়ে যেতে চাইবেনা, ওরা এবং অন্যরাও বরং জাঁকিয়ে বসে আমাদের ভুখা বঙ্গালী বলে তাচ্ছিল্য করবে, পেটে খেলে পিঠে সয় যে..............ওরকম সেন্টিমেন্ট থাকলে এদের বহু বছর ধরে ব্যবসায় এমন সাফল্য হত না। :)
    আমরা বোধহয় এই সেন্টিমেন্ট আমাদের মত করে ভেবে বলছি, অন্যরাও কি ঠিক এতটাই মাথা ঘামায়!
  • কল্লোল | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৮:৪৭616246
  • তাদের কথা তো হচ্ছে না। তারা এখানে এসেছে বিদেশ বিভুঁই জেনেই। তাদের নিজেদের রাজ্য আছে। আমি যেমন লুরুতে, তোমরা যেমন দিল্লীতে। আমাকে এখানে মাংসখোর বুনো বাঙ্গালী বললেও আমি কি করতে পারি। লড়ে যেতে পারি। এই অবধি। কিন্তু যেখানে সুযোগ থাকে সেখানে নিজেদের অস্তিত্বকে জোরদার করতে কেউ পিছপা নয়। কর্ণাটকে সম্প্রতি বাংলা দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে স্বীকৃত হলো, মূলতঃ এখানে বসবাস করা পূর্ব বাংলার উদ্বাস্তুদের জন্য। ১৯৪৭এ বেশ কিছু পূর্ব বাংলার উদ্বাস্তুকে কর্ণাটকের সিংঘানুরে পঠিয়ে দেওয়া হয়েছিলো।
    কিন্তু তোমার আলাদা জয়গা নেই, আর সারাক্ষণ তাচ্ছিল্যের শিকার, তখন তো তুমি আলাদা হতে চাইবেই।
  • PT | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৯:১৮616247
  • "তাচ্ছিল্যের শিকার" ব্যাপারটাকে ঠিক কি ভাবে মাপা যায়?

    একজন গোর্খাকে কে হাত-পা বেঁধে রেখে দিয়েছে যে কারণে তিনি North-Bengal Univ.-র VC হতে পারেন না? বাঙালীর ব্যবসায় কিংবা কায়িক পরিশ্রমে অনীহার মত গোর্খাদেরও কি কিছু অনিচ্ছা-অনীহার তালিকা আছে?

    আমি গত ২২ বছর ধরে উচ্চ্শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত আছি ভারতের পশিম আর পুর্বের দুটো institute-এর সঙ্গে। মাড়োয়ারি আর গোর্খা এই দুই জনগোষ্ঠী থেকে কখনও কোন PhD ছাত্র দেখেছি বলে মনে করতে পারছি না। কেন কে জানে!!
  • PT | ১০ আগস্ট ২০১৩ ১৯:১৯616248
  • *উচ্চশিক্ষার
  • dd | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২০:৩৯616249
  • সে তো বাঙাল নিয়েও হাসি ঠাট্টা কিছু কম হয় নি। সাহিত্য ও সিনেমাতেও।

    আর এই "তাচ্ছিল্য" একটা অদ্ভুর সবজেক্টিভ টার্ম। এ দিয়ে সব কিছুই রান্না করা যায়। বাবুরা চিরোকাল ছোটোলোকদের দেখে নাক কুঁচকিয়েছে। জাতি,ধর্মো নির্বিশেষে।এ টা কি একটা নবো আবিষ্কার কিছু?
  • Ishan | ১০ আগস্ট ২০১৩ ২৩:২৮616250
  • আমার বাণী ব্যতিরেকেই বহুদূর এগিয়ে গেছে। এ আর সহ্য হয়না। এবার লিখেই ফেলি।

    ডিডিদা পুরো ক্লাসিক উত্তরাধুনিক যুক্তিপরম্পরায় পোঁউছে গেছেন। তৃতীয় বিশ্ব ও প্রথম বিশ্ব সম্পর্কে এরকম যুক্তি হামেহাল শোনা যায়। যুক্তির ছকটি এক্কেবারে চেনা। ভালো করে শোনেন (পিটির মতো আবার কইবেননা, যে, কথা হচ্ছিল গোর্খাল্যান্ডের এর মধ্যে চিন-আফগনিস্থান কোথা হইতে টপকাল)।

    "বঞ্চনা" একটি অবস্থান। "বঞ্চনাকারী" ও "বঞ্চিত"ও কোনো নির্দিষ্ট লোক নয়, একটি অবস্থান। যে ব্যাটা মার্কিন সৈন্য আফগানিস্থানে বোম মারে, অটোমেটিক রাইফেল চালিয়ে লোককে খুন করে, আফগানিস্তানে সে ব্যাটা অত্যাচারী। কিন্তু নিজের দেশে দেখুন এক তৃতীয়াংশ আমেরিকান প্রাক্তন সৈন্য হোমলেস। লাথিঝাঁটা খেয়ে দিন কাটায়। (এক তৃতীয়াংশটা আন্দাজে বললাম, সঠিক সংখ্যাটা মনে নেই)। আর কে না জানে হোমলেসরা গুন্ডাগর্দির শিকার হয়, গুলি-টুলি খেয়েও মরে। সেখানে তারা "বঞ্চিত", "অত্যাচারিত"। অতএব, "বঞ্চনা" "অত্যাচার" এসব সর্বত্র আছে, খামোখা আফগানিস্তান কিংবা তৃতীয় বিশ্বকে সিঙ্গল আউট করা কেন। এইবার দাদা আফগানিস্থানে জন্য ছিঁচকাঁদুনি বন্ধ করুন।

    যুক্তিটা খেয়াল করে দেখুন, অবিকল এক। যুক্তিপরম্পরার ফাঁকটাও তাই। মারোয়াড়িরা উচ্চশিক্ষায় কী পিছিয়ে আছে, কিংবা দ্যাখেন মধ্যপ্রদেশও কী অনুন্নত, এগুলো দেখিয়ে মথাভারি হিন্দির আগ্রাসনকে মিথ্যে করে দেওয়া যায়না। একই ভাবে এটাও মুছে দেওয়া যায়না, যে, নেপালী বা গোর্খা "বাহাদুর"কে আমরা মূল ধারার ভারতীয়রা স্রেফ দারোয়ান হিসেবে চিনি। স্টিরিওটাইপের দিক থেকে। নিঃসন্দেহে এইটাই এক ও একমত্র বঞ্চনার লাইন নয়। এরপরেও নানা মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ আছে। ভারত বনাম ইন্ডিয়া আছে। হিন্দু-মুসলিম আছে। পুরুষ-নরী-তৃতীয় লিঙ্গ আছে। উত্তর-ভারত-দক্ষিণ-ভারত আছে। আরও কতকিছু। কিন্তু তর জন্য "ছেলেদের অর মেয়েদের তাহলে আলাদা দুটো রাজ্য করে দিতে হবে" জাতীয় কথা বলে অঞ্চলিক ও ভাষাগত বৈষম্যকে ট্রিভিয়ালাইজ ও হাওয়া করে দেওয়া যায়না। পাকিস্তান যে কাজটি অত্যন্ত ক্রুড ও নৃশংস উপায়ে করার চেষ্টা করেছিল পূর্ব পাকিস্তানে, ভারত রাষ্ট্র, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি অনুরূপ ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক আধিপত্য তৈরি করেছে এবং করছে, খুবই শান্তিপূর্ণ উপায়ে। জিনিসটা একেবারেই কপি করা নয়। ঘরানাও একেবারে আলাদা। পদ্ধতিটি সংখ্যাগরিষ্টতার জোরে ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তৈরি, এবং মূলতঃ শান্তিপূর্ণ। অনেক অনেক বেশি এফেক্টিভও। কিন্তু এন্ড প্রোডাক্টটা তাতে বদলে যায়না।
  • PT | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০০:০৩616251
  • বাংলাদেশের ব্যাপারে জাতিসত্বার ব্যাপারটা প্রতিষ্ঠা করতে না পেরে এবার name calling শুরু হল।
  • কল্লোল | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০০:৪৭616253
  • ডিডি এটা ভালো পয়েন দিয়েছে। বাঙ্গাল। হ্যাঁ, বাঙ্গালদের প্রতি তাচ্ছিল্য বা উল্টোদিকে ঘটিদের প্রতি তাচ্ছিল্য আজও বাঙ্গালী বয়ে বেড়ায়, কখনো ইস্ট-মোহনে, কখনো ইলিশের পদ্মা-গঙ্গায়, সবচেয়ে বড়ো ব্যাপার দুই বর্গে ভাগ আজও বাঙ্গালী, ঘটি-বাঙ্গাল। পাঞ্জাবীদের তো ঘটি বাঙ্গাল নেই। ওয়েস্ট পাঞ্জাব বলে কোন ক্লাবের নাম শুনিনি দিল্লীতে। শর্ষে শাকের অমৃতসর-লাহৌর শুনিনি।
  • Ishan | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:১৭616254
  • দ্যাখেন, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন বা জাতিসত্ত্বার আন্দোলন আমার প্রতিষ্ঠা করার অপেক্ষা রাখেনা। এইসব আজাইরা তক্কেরও কোনো মানে নেই। ভাষা আন্দোলন সেই ৫২ সালের। আর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হবার আগে মুজিব "স্বাধীনতা"র ডাক দেন, এও সবার জানা।

    আপনি যে ছয় পয়েন্ট দিয়েছেন, সেটা মুজিবকে প্রধানমন্ত্রী হতে না দেবার পরের দাবী। ওটা মেনে নিলে মুজিব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতেন, এবং বাকি দাবীদাওয়াগুলো এমনিই মিটত। ওতে করে একটি ফেডারেশন তৈরি হত। ওই পয়্নেটগুলিতে "ফেডারেশন অফ পাকিস্তান" শব্দবন্ধটি খেয়াল করবেন। ওটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কঠামোর দাবী, যে কথা এখানে গোড়া থেকেই বলে আসছি।

    কিন্তু এ তো আর পারিনা। বাংলাদেশ স্রেফ উন্নয়নের অভাবে তৈরি হয়েছে -- এইরকম একটা দাবী স্বচক্ষে পড়ব, এবং সেই দাবীকেও খন্ডানোর জন্য তক্কাতে হবে ভাবিনি। ও বিপ্লব রহমান, ও কুলদাবাবু, এখানে একটু দ্যাখা দেন। আমাকে উদ্ধার করুন।
  • Blank | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০১:৫৭616255
  • একই ভাবে এটাও মুছে দেওয়া যায়না, যে, নেপালী বা গোর্খা "বাহাদুর"কে আমরা মূল ধারার ভারতীয়রা স্রেফ দারোয়ান হিসেবে চিনি।
    - মামু 'আমরা' বলতে কাদের প্রতিনিধিত্ব করছে আর কি দায়িত্ত্ব নিয়ে করছে ?
  • a x | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০২:১৮616256
  • হনু, কল্লোলদা, বা আর কেউ, '৪৭-এ CPI'র দার্জিলিং ডিস্ট্রিক্ট কমিটি যে মেমোরান্ডাম পাঠিয়েছিল কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেমব্লিতে, এই সেল্ফ-ডিটার্মিনেশনের ব্যপারে - সেই মেমোরান্ডামটার কপি কোথাও পাওয়া যাবে?
  • Ishan | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৩:২৯616257
  • "আমরা মারোয়ারীদের মেরো বলি পাঞ্জাবীদের পাঁইয়া"। এতো বহুদিনের সত্য।
    -- এখানে যে "আমরা" আছে সেই আমরার কথা বলা হয়েছে। ওখানে যতটুকু দায়িত্ব ও প্রতিনিধিত্ব, এখানেও তাই।
  • Blank | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৩:৩৪616258
  • তাহলে ব্যপার খানা ভুল।
    মাড়োয়ারি মাওড়া আর নেপালীদের চিঙ্কি বলা হয় বটে।
  • কল্লোল | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৬:০৯616259
  • চিঙ্কি বলা হয় মূলত উত্তরপূর্বের ছেলে-মেয়েদের যারা ভারতের অন্য প্রদেশে পড়তে/চাকরী করতে এসেছে। নেপালীরা আজও বাহাদুর। অবশ্য কেউ যদি নেপালী আর মনিপুরী, নাগা, গারো, খাসি ইঃদের সাথে গুলিয়ে ফেলে তো আলাদা ব্যাপার।
  • h | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:০৮616260
  • এই টই টা তো সম্পূর্ণ অন্যরকম হয়ে গেল। যা স্সালা।
  • aka | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:১২616261
  • কিন্তু আমরা তেলেঙ্গানার লোকেদের কি বলি বলে তারা আলাদা রাজ্য চাইল?
  • aka | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:১৩616262
  • আমরা হিন্দুদের চাড্ডি বলি বলে একটি চাড্ডি রাজ্য চাই।
  • PT | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৩০616264
  • ঈশান

    আমি ছয় পয়েন্ট দিইনি। ওটা পুর্ব বাংলার মানুষের দেওয়া।

    আপনার পান্ডিত্য প্রশান্ত মহাসাগরের মত গভীর আর হিমালয়ের মত আকাশ ছোঁয়া। তাই আপনি বাংলাদেশকে চীন দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারেন। আমি পারিনা। তাই আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে বাংলাদেশকে বাংলাদেশ দিয়েই ব্যাখ্যা করি। আর বিশ্বাস করি আর্থিক ও সামাজিক অসাম্য কার্বাঙ্কলের মত-পেকে গেলে তার পুঁজ-রক্ত নানান মুখ দিয়ে বেড়িয়ে আসে-তার একটির নাম জাতি-সত্বা।

    শান্ত থাকুন, নিজের পান্ডিত্য প্রকাশ করে আনন্দ পান। আর আমার মত বিপথগামী মুর্খ যে আপনার মত করে ভাবতে পারেনা তাদের লেখা একটু ক্ষমা-ঘেন্না করে পড়ে নেবেন-না পড়লেও কিছু আসে যায় না।
  • pi | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৩৮616265
  • uchchashixaay gorkhaa chhaatrachhaatree naa dekhaa niye ke Jen balachhilen !

    যাগ্গে। এটা শেয়ার করার কথা মনে হল।

    'Gorkha Students of Jawaharlal Nehru University has put up posters supporting the demand for the separate state of Gorkhaland. The posters on Gorkhaland are the first to come up in the campus of the Jawaharlal Nehru University.

    Gorkhaland: History of Oppression and Struggle

    Why is it that only the marginalised and oppressed communities in the Republic of India have to give proof of their loyalty towards the nation? Why this red herring of national security is raised every time to vilify / delegitimize genuine democratic aspirations of the people in the country? What constitutes this national security which in its wisdom never accepts genuine aspirations of the people? Whose national security they are talking about?

    It tells more about the majoritarian tendencies inscribed in the structure of Indian state which institutionally marginalizes certain section of the population and forces them into the margins.

    The demand for Gorkhaland too falls in this category where the State and its ruling class have suppressed the genuine people's demand. The ongoing demand for separate state of Gorkhaland is the assertion for political identity of the Gorkha community.

    The government of India and Bengal and the mainstream academic discourse time and again has reduced the problematique of Gorkhaland to mere political economic discourse, that it is mere "underdevelopment' or "corruption of the administration" of the region that has led to the outburst of Gorkhas, similarly the way the Indian political establishment does with other peoples movement elsewhere in the country.

    Or in the other instances the political elites of Bengal and India have always branded the movement as "separatist", a false branding and tactical delegitirnization of the whole cause of the Gorkhas.

    The political domination of Gorkhas historically has been operationalized through different forms of othering of the community- culturally, administratively, economically etc. Therefore, the call for Gorkhaland is for the realization of the political identity of the Gorkhas which can only be fulfilled by the creation of a separate state.

    The continuous denial, numerous insensitive comments made by eminent political leaders (such as Sardar Patel, Morarn Desai, Ashok Bhattarcharya, Subhas Bhowmick) and political think tanks (KG. Suresh, senior fellow and editor of Viveknanda International Foundation) against the Gorkha's falsely categorising the community as "foreigners" is symptomatic of the racial bias entrenched among ruling class.

    This racial bias arises out the paternalistic attitude of the ruling class which assumes that Gorkhas are unable to rule themselves and hence the need for their rule. The role of benevolent master is characteristic of the colonial understanding of the "White Man's buro'en"to civilize the Gorkhas whom they look upon as affable savages.

    On the eve of the Government finally approving the separate State of Telangana, the popular movement for Gorkhaland has gained further momentum.

    People are coming out in the streets protesting the oppressive Bengal government. Popular pressure has even forced the CEO of GTA to resign from his post and to back the call for a separate state. There have already been three self immolation bids which sadly resulted in the traMc death of one of the immolators. The reMon is under,oina a massive indefinite bandhl almost all government institution and private establishments have come to a standstill.

    To check this popular upsurge the BengA Government has decided to repress the democratic movement by sending CRPF and ot1- 3- olice forces. The CRPF already has dubious legacy in repressing the p'i_-evi.3us agitation of 1980's through a means of excesses including rape, extra-judicial killings and physical intimidation. Now with the CRPF back on the scene the feelinc,s of the people are aggrieved more than ever.

    Today is 90 da of the indefinite strike the •overnment has be. n the r . ession b indiscriminate arrests of the .eo.le. Almost 150 people have been arrested without bail the local cable network and news channels have been blocked by the repressive administration.

    People are facing a lot of hardship but the support for the strike is overwhelming. They have always stood for Gorkhaland, but time and again it is the reactionary parties and the opportunist leadership which have betrayed this movement and settled for compromises (be it DGHC in 1987 or GTA in 2011). It is due to the progressive fighting character of the common mass which has ensured that the demand for Gorkhaland does not fade and remains vibrant and alive. The identity crisis of the Gorkha community cannot at all be settled by quick-fix solutions like- greater autonomy or 'development' in the proposed territory of Gorkhaland.

    The government of West Bengal and Central government has time and again reduced the cause of Gorkhaland to 'development' issue which is both generalization and delegitirnization of the movement as a whole. Rather, Gorkhaland movement is the urge for settling the crisis of identity of the Gorkha community which can only be resolved through the creation of separate state of Gorkhaland.

    The crisis at its kernel is political in nature (lack of political power in the hands of the Gorkhas) and not only economic (development issue). It is this political domination of the lndian/Bengali political elites that has led to identity crisis of the Gorkhas and not just because of "corruption", "mismanagement of funds", or "lack of development".

    The present crisis in North Bengal can be solved only through the creation of separate state of Gorkhaland. Hence, the demand for Gorkhaland is not just a demand for a separate state but for reclaiming the lost self respect, dignity and justice, which has been robbed away from us by continuous colonial exploitation.

    In the end we would like to reiterate our support to all such demands like ours where people's basic right of self determination is being undermined and their fundamental right to life and dignity curtailed.

    SIgned _

    Gurkha Students, Jawaharlal Nehru University, New Delhi Please do not remove till 17th August 2013'
  • pi | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৪৩616266
  • উন্নয়ন না জাতিসত্ত্বা কোনটা দাবি,সে সংক্রান্ত অনেক প্রশ্নেরই উত্তর রয়েছে ওখানে।
  • Ishan | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৪৬616267
  • যা বুঝলাম, ভারতের ব্রিটিশের কাছ থেকে স্বাধীনতা চাওয়া খুব অন্যায় কাজ হয়েছে। আসলে ইস্যুটা ছিল উন্নয়নের। স্রেফ উন্নয়ন চাইলেই হত। ভুল করে স্বাধীনতা চেয়ে ফেলা হয়েছে।

    আরও বুঝলাম, যে, নতুন রাজ্য বা রাষ্ট্র চাইতে হলে তার একটি নির্ধারক কারণ হল বাঙালিদের গালমন্দ। তেলেঙ্গানার নতুন রাজ্য চাওয়া খুবই অন্যায়, কারণ, বাঙালিরা তেলেঙ্গানার অধিবাসীদের কখনও মাওরা বা বাহাদুর বলে ডাকেনি। একই সূত্রে আমেরিকার স্বাধীনতা চাওয়া আরও অন্যায়, কারণ বাঙালিরা আমেরিকানদের কিচ্ছু বলেনি। সাম্রাজ্যবাদবিরোধিতার রোগ অনেক পরের। তার উপর ব্যাটারা একই ভাষাও বলত। ওরা ভেবে দেখেনি, যে, এইরকম সূত্রে নতুন দেশ চাইতে হলে ফর্সা আর কালোদের জন্যও আলাদা আলাদা দেশ লাগবে। মোটা আর বেঁটেদের জন্যও লাগবে। কারণ জাতিসত্ত্বা একটি নন-এক্সিস্ট্যান্ট ব্যাপার।

    ব্যোম কালী। :)
  • dd | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৪৯616268
  • আঃ ঈশেন লিখলো " ডিডিদা পুরো ক্লাসিক উত্তরাধুনিক যুক্তিপরম্পরায় পোঁউছে গেছেন"। এটা পড়ে আমি আহ্লাদে ডগোমগো। আমার সম্বন্ধে অ্যাতো ভালো সাট্টিফিকেট কেউ কখনো দেয় নি।

    যদি মানে বুঝতে পারতাম তো আরো খুসী হতাম।

    আর কল্লোলকে ইশপেশালি কই। লুরুতেও প্রচুর নেপালী দারোয়ান আছে। মাল্টি স্টোরীড বিল্ডিংএ। ইন্ক্লুডিং আমাদের ফ্ল্যাট বাড়ীতে। এখানেও সবাই নেপালীদের বাহাদুর বলেই ডাকে। সব নেপালীই বাহাদুর।এতে চরোম তাচ্ছিল্য দেখানো হোলো না কি? জাতি ধর্মো নির্বিশেষে উত্তোর পুর্বের ছেলেদের চিংকি বলে,বাঙালীদের দাদা।

    এই এথ্নিক স্টিরিওটাইপিং কিছু বাঙালীদের একচেটিয়া নয়। ইন্সাল্টিংও নয়।
  • Ishan | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৫৫616269
  • " বিশ্বাস করি আর্থিক ও সামাজিক অসাম্য কার্বাঙ্কলের মত-পেকে গেলে তার পুঁজ-রক্ত নানান মুখ দিয়ে বেড়িয়ে আসে-তার একটির নাম জাতি-সত্বা।" -- এইটা কোট অফ দা ডেকেড (তর্কাতীত নহে)। এই জেনারালাইজেশন কোথায় নিয়ে যায় দেখেই নিন। আমার ফেভারিট চিনেদেরই ধরা যাক। চিনেরা চিনে কেন? না আর্থিক ও সামাজিক অসাম্য কার্বাঙ্কলের মত পেকে গিয়ে পুঁজ ও রক্ত চিনেদের মধ্যে দিয়ে চৈনিক ভাষা ও সত্ত্বা হিসেবে বেরিয়ে এসেছে। তামিলরা তামিল, আফগানরা আফগান, ব্রিটিশরা ব্রিটিশ, বাঙালিরা বাঙালি স্রেফ আর্থিক ও সামাজিক অসাম্যের কারণে। আর্থিক ও সামাজিক অসাম্য দূর করে দিন, ইংরেজ, চিনে, জাপানি কাশ্মিরী সর্বদেশের কোকিল একসাথে এসপারান্তোতে কুহু কুহু করবে। এসপারান্তোর ব্যাপারটা শিয়োর না অবশ্য।
  • PT | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৫৯616270
  • পাকিস্থান তৈরি করলে মুসলমান জাতি-সত্বার সংকট মিটবে এমন দাবী হয়েছিল না? তাহলে তো বাংলাদেশ তৈরি হওয়ার কথা নয়-কেননা সেই সময়কার পুর্ব বঙ্গের বাঙালী পন্ডিতেরাও "লড়কে লেঙ্গে পাকিস্থান" স্লোগান দিয়ে পাকিস্থান তৈরির কথা সমর্থন করেছিলেন। বাংলাদেশ তৈরি করে তাঁদের বংশধরেরাই প্রমাণ করলেন যে ১৯৪৭-এর জাতি-সত্বা সেরেফ ভোঁকাবাজী ছিল। আর এখন জামাত-খালেদার প্রবল জনসমর্থন প্রতিদিনই প্রমাণ করে যে বাংলাদেশী জাতি-সত্বাও একটি নিরালম্ব বায়ুভুতের বেশী বিশেষ কিছু নয়। ভাষা-সংস্কৃতির নৈকট্যও কোন কাজে আসেনি-বাংলাদেশের ১৯৫১ ২২% হিন্দু বাঙালীর সংখ্যা নেমে ১০%-এর কাছাকাছি চলে এসেছে।

    আশাকারি উচ্চশিক্ষিত গোর্খারা এইসব ইতিহাস পড়েছে।
  • Ishan | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৯:০৩616271
  • সেকি? বাংলাদেশের দাবী তো স্রেফ উন্নয়নের জন্য বললেন। এখানে জাতিসত্ত্বা আবার কোদ্দিয়ে এল? :)
  • Ishan | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৯:১৬616272
  • ডিডিকে পষ্টো করে বুঝিয়েই বলি তাহলে। যুক্তিটা তো এই, যে, বাঙালিরা সবাইকেই তাচ্ছিল্য করে। মারওয়াড়িদের মাওড়া বলে। হঠাৎ গোর্খাদের নতুন রাজ্য কেন? আর তাছাড়া "তাচ্ছিল্য" একটা সাবজেক্টিভ টার্ম। "এ দিয়ে সব কিছুই রান্না করা যায়। বাবুরা চিরোকাল ছোটোলোকদের দেখে নাক কুঁচকিয়েছে। জাতি,ধর্মো নির্বিশেষে।এ টা কি একটা নবো আবিষ্কার কিছু?"

    (দুটো পোস্ট জুড়ে বললাম)।

    সমস্ত তাচ্ছিল্য বা বঞ্চনাকে একপাতে ফেলে দেওয়াটা ঠিক নয়। সব বঞ্চনা নয় সমান। কোনটা কার গায়ে লাগবে, কোনটা "এথনিক" এবং কোনটা 'অপমানজনক" সেটা তাচ্ছিল্যের অবজেক্টের উপর নির্ভর করে। বাঙালদের উচ্চারণ নিয়ে "তাচ্ছিল্য" করলে সেটা তারা খিল্লি হিসেবে নেয়। কিন্তু দেশ ছেড়ে আসা নিয়ে তাচ্ছিল্য করলে সেটা হয় "অপমানজনক"। সেটা কেন, তাচ্ছিল্যের অবজেক্টরা তার প্রকৃত মহিমা বুঝবেন। বাকিরা বুঝবনা।

    একই ভাবে গোর্খাদের প্রতি তাচ্ছিল্য, তার মর্ম আমি বুঝবনা। আন্দাজ করতে পারি বড়জোর। ওটা অবজেক্টরা অপমানিত হচ্ছেন কিনা সে দিয়ে জাজ করাই যুক্তিযুক্ত কাজ হবে। নইলে ব্যাপারটা ট্রিভিয়ালাইজ করা হয়।
  • PT | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৯:২৯616273
  • আমার লেখাতে পাকিস্থান এবং বাংলাদেশ দুটোর সৃষ্টির ক্ষেত্রেই "জাতি-সত্বা সেরেফ ভোঁকাবাজী" এই তত্বটিই আবার উপস্থাপিত করেছি। মাত্র ৫ লাইনের লেখা পড়ে এটা বোঝেন নি?

    আর স্বাধীনতার ৬৫ বছর পরেও বিহারীরা মহারাষ্ট্রে চাকরীর খোঁজে গিয়ে পেঁদানী খাচ্ছে কেন? একটা আলাদা রাজ্য তাদের অপমান থেকে বাঁচানোর কোন কম্মে এসেছে? গোর্খাল্যান্ড হলেও আগামী ৫০ বছর ধরে গোর্খারা দরোয়ানের কাজই করবে যেমন বিহারীরা এতদিন বাদেও হাওড়া স্টেশনে মাল বওয়ার কাজ করে।
  • Ishan | ১১ আগস্ট ২০১৩ ০৯:৩৪616275
  • " বিশ্বাস করি আর্থিক ও সামাজিক অসাম্য কার্বাঙ্কলের মত-পেকে গেলে তার পুঁজ-রক্ত নানান মুখ দিয়ে বেড়িয়ে আসে-তার একটির নাম জাতি-সত্বা।" -- এইটা একটু আমার আগের পোস্টটা পড়ে ব্যাখ্যা করে দিন প্লিজ। :)
    ( Date:11 Aug 2013 -- 08:55 AM)

    আর তারপরে বলুন তো ভারতবর্ষের স্বাধীনতা ভারতের ঠিক কোন কাজে লেগেছে? সেই একই "উন্নয়নশীল" তকমা গত ৬৫ বছর ধরে। তাহলে সেটা বিলকুল ভুল ছিল তাই তো? স্রেফ উন্নয়নের দাবী করা উচিত ছিল, স্বাধীনতা নয়, তাই না?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন