এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • কমিউনিস্ট রাশিয়া তে একচুয়ালি কী হত ?

    একক
    অন্যান্য | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ | ৩৩৬৬৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সে | 203.*.*.* | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:২৬627210
  • আমি সুবিদেবাদি যখন যে পন্থায় সুবিদে।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:১৯627211
  • আচ্ছা ওখানে এডুকেশন ফ্রি ছিল। একেবারে পিএইচডি অবধি। বিদেশীদের স্কলারশিপও দেওয়া হত। অর্থনীতির কোর্স যেরকম ছিল তাতে করে অর্থনীতিতে পিএইচডি করা যাবে কী করে? হিস্ট্রি অফ ইকনমিক থট নিয়ে মৌলিক গবেষণা করতে হলেও, এমনকি মার্ক্স বুঝতেও অসুবিধে হবার কথা।

    সাহিত্যের সিলেবাসও অনুরূপভাবে মনিটরড হত কি?
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:২৭627212
  • সেকেন্ডারি ও হায়ার সেকেন্ডারি অবধি শিক্ষার সুযোগ ভেলপিং দেশের দারিদ্রমুক্তির জন্যে জরুরি, সেটা মানি। তার উপরের স্তরের শিক্ষার উদ্দেশ্য স্বাধীন ভাবতে শেখানো, সবকিছুকেই প্রশ্ন করতে শেখানো। সেটার অভাবে ইকনমিক পলিসি নির্ধারণ ঠিকভাবে হয়নি। ফাইন টিউনিং হয়নি।
  • সে | 203.*.*.* | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:১৪627213
  • পুরো এডুকেশন সিস্টেমটাই তো ফ্রি ছিলো প্লাস মাসের শুরুতে এক থোক টাকা স্কলারশিপ। প্রত্যেককে। পি এচ ডি র ওপরেও ফ্রি, এবং বিদেশীদের স্কলারশিপ ছাড়াও আরো অনেক কিছু দেওয়া হতো ফ্রিতে।
    অর্থনীতির সিলেবাস জানি না, সেই জন্যেই বই এর কথা বলেছিলাম - যে খুঁজে পাওয়া দরকার।
    অর্থনীতিতে প্রচুর পি এচ ডি হোতো তো।
    সমস্ত সিলেবাসই ভালো স্ট্যান্ডার্ডের বলেই মনে হয়, পশ্চিমে স্বীকৃত বলেই ধারণা। আলাদা করে অ্যাকসেপ্টেন্স (যাকে জার্মানে বলে Anerkennung) সেরকম লাগা উচিৎ নয়। তবে কিছু কিছু এক্সেপ্‌শন থাকবেই।
    এবার "সেকেন্ডারি ও হায়ার সেকেন্ডারি অবধি শিক্ষার সুযোগ" পৃথিবীর সমস্ত উন্নত দেশেই মোটামুটি ফ্রী। ক্যাপিটালিস্ট দেশের কথা বলছি। গরীব দেশেই শিক্ষা প্রিভিলেজ হিসেবে দেখা হয়।
    এবং প্রশ্ন করতে কোনো বাধা ছিলো না শিক্ষাক্ষেত্রে। সটান প্রশ্ন, নির্ভয়ে প্রশ্ন। গুরু ও ছাত্রের মধ্যে কোনো দেয়াল ছিলো না।
  • সে | 203.*.*.* | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:২০627214
  • ধর্ম ও ব্যবসা নিয়ে পরে লিখবো।
  • সে | 203.*.*.* | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:২১627215
  • সাইবেরিয়া এবং পূর্ব ইয়োরোপ - এ নিয়েও বক্তব্য পরে লিখব
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২১:৩৬627216
  • মানলাম না।
  • bratin | 125.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১০:৫২627217
  • আমি বামপন্থী ? ঘোড়ায় হাসবে মিনি দি!! ঃ))
  • bratin | 125.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১১:০২627218
  • রাশিয়ার আলোচনায় নন্দীগ্রাম? ভাবা যায়!! ঃ)))
  • PT | 213.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১১:২৯627220
  • নন্দীগ্রাম-পরিবর্তন-বামবিদায়-ন্যান্সী পাওয়েলের মমতা দর্শন-হিলারীর মমতা দর্শন-ক্যামেরুনের মমতা দর্শন-আবার ন্যান্সী পাওয়েলের মমতা দর্শনের প্রত্যাশা......

    কি আশ্চর্য সমাপতন। ভাবা যায়?
  • Sibu | 118.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১১:৩১627221
  • আন্নার মমতার হয়ে প্রচারের ইচ্ছা প্রকাশ।
  • lcm | 118.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১১:৩৩627222
  • ম্যামি, আমি সুবিধাবাদী।

    বোতিন,
    তা বললে হবে। আগে নন্দীগ্রাম জানতে হবে তাপ্পর রাশিয়া। আগে উত্তরপ্রদেশ তারপর মস্কো। আগে ইঁদুর, তারপরে হাতি।
  • নেতাই | 131.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৩:৪৪627223
  • আন্নার মমতার হয়ে প্রচারের ইচ্ছা প্রকাশটা আবার কেডি সিংয়ের সাথে আন্নার বৈঠকের পরে।
  • সে | 203.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৪:৫৪627224
  • শুধু পূর্ব ইয়োরোপ নয়, এশিয়াতেও সমাজতান্ত্রিক দেশ ছিলো মঙ্গোলিয়া। বাকি দেশগুলো অনেক পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো সমাজতান্ত্রিক হয়ে যায় (দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় থেকে) কিন্তু মঙ্গোলিয়া সমাজতন্ত্রে দীক্ষা নেয় অনেক আগে গত শতকের বিশের দশকে। তখন থেকেই মঙ্গোলিয়ায় অ্যাথেইজ্‌মের প্রচার ও প্রসার। যদিও মূলতঃ এরা বৌদ্ধ ধর্ম (বিভিন্ন ধরণের), ইসলাম, কিছু লোকায়ত ধর্ম ইত্যাদি প্রভৃতিতে বিশ্বাসী ছিলো, কিন্তু ক্রমে ক্রমে প্রচুর মানুষ নিজেদের অ্যাথেইস্ট বলে পরিচয় দিতে থাকে। ভৌগলিকভাবে বিচার করলে মঙ্গোলিয়া চীন ও রাশিয়ানের ফেডারেশনের মধ্যবর্তী দেশ। আয়তন বিশাল, জনসংখ্যা মেরেকেটে দুই মিলিয়ন। দেশের মানুষ শান্তিপ্রিয় কিন্তু স্বাধীনচেতা। এরা ঝামেলা হলে গলা ফাটিয়ে চেঁচায় না। দুম্‌দাম মেরে দেয়। এদের সমাজ ব্যবস্থাও কিছুটা অন্যরকম। প্রায় নিঃশব্দেই মঙ্গোলিয়া সমাজতন্ত্রের সাথ দিয়ে চলেছিলো। কখনো আওয়াজ করত না।
    অন্যদিকে পশ্চিমের দিকে তাকালে পোল্যান্ড, রোমানিয়া, চেখোস্লোভাকিয়া, হাঙ্গেলি, বুলগারিয়া, ইউগোস্লাভিয়া, এরা অনেক অনেক পরে সমাজতন্ত্রের পথে আসে।
    সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেতরের রিপাবলিকগুলোর মধ্যেও বেশি ভরসাযোগ্য বেশি বাধ্য রিপাবলিক ছিলো। ইউরোপে শ্বেতরাশিয়া (বেলারুস্‌) বা ইউরেশিয়ায় কাজাখস্তান সেইরকম উদাহরণ। তেমনি বুলগারিয়াও খুব চুপচাপ বাধ্য প্রকৃতির ছিলো। এদের অক্ষরও সিরিলিক। কিন্তু খ্বই আশ্চর্য্যভাবে সেই সুদূর মঙ্গোলিয়াও সিরিলিক অক্ষর ব্যবহার করত। শুধু তাই ই নয়, সেখানেও রাশিয়ান ভাষা ছিলো একটি প্রধান ভাষা। লক্ষ্য করা যায় যে প্রতিটি সমাজতান্ত্রিক দেশে (চীন নয়) রাশিয়ান ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করে তোলা হচ্ছিলো।
    ধর্ম ও ভাষা খুব ডেলিকেট বস্তু মানুষের কাছে। ধর্মের ব্যবহার হ্রাস করা হচ্ছিলো সেই সঙ্গে রুশ ভাষার প্রচার ও প্রসারে প্রচুর অর্থব্যয় হতো। এটা কিন্তু মিলিটারি বাজেট নয়।
    মধ্য এশিয়ার রিপাবলিকগুলো শুধু যে ধর্ম ভুলতে বসেছিলো তাই ই নয়, সঙ্গে সঙ্গে তাদের মাতৃভাষাগুলোও অবহেলিত হচ্ছিলো।
    উদাহরণঃ সর্ব শিক্ষাস্তরেই, দুই ভাষায় শিক্ষা ও পুস্তক ছিলো। মাতৃভাষায় শিক্ষার স্কুলগুলোয় কারিকুলাম/সিলেবাস অপেক্ষাকৃত সহজ ও কম মানের। শিক্ষকদের মানও অনুরূপ। বইপত্রও সংখ্যায় কম, খুব বেশি রিভিশনও নেই।
    অর্থাৎ পরোক্ষভাবে বাধ্য করা হচ্ছে রাশিয়ান মাধ্যমে পড়াশোনা করতে। তা না করলে তুমি পিছিয়ে পড়বেই।
    পশ্চিম ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোতেও রাশিয়ান ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিলো। স্কুল লেভেল থেকেই।
    মধ্য এশিয়ার রিপাবলিকগুলোতে (যাদের মাতৃভাষার সঙ্গে রাশিয়ান ভাষার মিল নেই) তারাও "উন্নতি"র আশায় রুশ ভাষা শিক্ষায় মন দিলো। রুশ ভাষা অবশ্যই একটি অত্যন্ত উন্নত, ও সমৃদ্ধ ভাষা এতে কোনো ডাউটই থাকতে পারে না, কিন্তু প্রগতিশীল বাপ মায়েরা বাচ্চাদের মাতৃভাষা শেখানো বন্ধ করে দেয়। বাচ্চাদের সঙ্গে রাশিয়ানে কথা বলতে থাকে। প্রগতিশীলেরা এই সময়ে প্রচুর রাশিয়ান মেয়েদের ঘরণী করে তোলে। মধ্য এশিয়ার রিপাবলিকগুলোয় এস্ট্যাবলিশ্‌ড্‌ সাকসেসফুল পোলিটিশিয়ানরাও এই পথে গমন করে। দুয়েকজন প্রেসিডেন্টের বউ রাশিয়ান। অবশ্যই প্রেম বিবাহ। কিন্তু দুর্জনেরা সন্দেহ করত এর পেছনে রাজনৈতিক কেরিয়ারে সফল হবার উদ্দেশ্য থাকাটা অমূলক নয়। কারণ সাকসেসফুল পুরুষের সাকসেসের পেছনে একজন নারী থাকেন।
    আবার দেখা যাচ্ছে মেয়ে পুরুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সর্ব্বস্তরে কাজ করলেও, রাষ্ট্রনীতির এলাকায় মেয়েদের দেখা যাচ্ছে না সরাসরি। মেয়েরা সেখানে শুধু কৃতী রাজনীতিকের স্ত্রীর ভূমিকায়।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৫:৩৩627225
  • সে
    টাইম ফ্রেমটা যদি একটু বলেন। ভাষা পলিসি ভালো করে বুঝতে চাই। সোভিয়েট রেজিমি শুরু করেছিল আগেকার russification কে রিভার্স করার ঘোষিত নীতি দিয়ে। তারপর কী হল?
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৫:৪৩627226
  • ১৯৪৫ এ স্ট্যালিন বলছেন -- I would like to raise a toast to the health of our Soviet people and, before all, the 'Russian' people. I drink, before all, to the health of the Russian people, because in this war they earned general recognition as the leading force of the Soviet Union among all the nationalities of our country.
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:০৬627227
  • ত্রিশের দশকের শেষে পলিসি শিফট হয়েছিল। কিন্তু তার আগে একটি নন-রাশিয়ান পপুলেশন তৈরি হয়েছিল, নিজের ভাষায় শিক্ষালাভের সুযোগ পেয়ে। ভাষা ও এথনিসিটি নিয়ে টেনশন তৈরি হয় নি?
  • PT | 213.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৬:১৩627228
  • @se

    " সর্ব শিক্ষাস্তরেই, দুই ভাষায় শিক্ষা ও পুস্তক ছিলো। মাতৃভাষায় শিক্ষার স্কুলগুলোয় কারিকুলাম/সিলেবাস অপেক্ষাকৃত সহজ ও কম মানের। শিক্ষকদের মানও অনুরূপ। বইপত্রও সংখ্যায় কম, খুব বেশি রিভিশনও নেই। অর্থাৎ পরোক্ষভাবে বাধ্য করা হচ্ছে রাশিয়ান মাধ্যমে পড়াশোনা করতে। তা না করলে তুমি পিছিয়ে পড়বেই।"

    এই প্রসঙ্গে আমার প্রশ্নটা এই রকমঃ
    ভারতে হিন্দি, তামিল, বাংলা ভাষায় উচ্চশিক্ষার জন্য "বইপত্রও সংখ্যায় কম"-লেখাও বিশেষ হয় না। তার জন্য কি ধরে নেব যে ভারতের শাসককুলের নির্দেশে/ইচ্ছায় আপামর ভারতীয়দের "পরোক্ষভাবে বাধ্য করা হচ্ছে ইংরিজির মাধ্যমে পড়াশোনা করতে। তা না করলে তুমি পিছিয়ে পড়বেই।"
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:১১627229
  • পিটি উবাচঃ
    ভারতে হিন্দি, তামিল, বাংলা ভাষায় উচ্চশিক্ষার জন্য "বইপত্রও সংখ্যায় কম"-লেখাও বিশেষ হয় না। তার জন্য কি ধরে নেব যে ভারতের শাসককুলের নির্দেশে/ইচ্ছায় আপামর ভারতীয়দের "পরোক্ষভাবে বাধ্য করা হচ্ছে ইংরিজির মাধ্যমে পড়াশোনা করতে। তা না করলে তুমি পিছিয়ে পড়বেই।"

    এটা নিয়ে কোন সন্দেহ আছে? শাসক তো সবসময়েই চায় বেশীরভাগ লোক অশিক্ষিত/কম শিক্ষিত থাকুক।
  • PT | 213.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:২৬627231
  • কিন্তু আমি তো জানি USSR-এ শিক্ষার হার বেশ ভালই ছিল আর কেউ রাশিয়ান ভাষায় পড়াশুনো করতে চাইলে তাকে আটকানো হতনা (তাইতো, সে?)।

    এমনকি রবিবাবুও রাশিয়ার চিঠিতে "শিক্ষার হারই শাসকের পক্ষে ক্ষতিকর" হবে জাতীয় কিছু একটা ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে লিখেওছিলেন।
  • PT | 213.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৮:৩৮627232
  • In Imperial Russia, according to the 1897 Population Census, literate people made up 28.4 percent of the population. Literacy levels of women were a mere 13%.

    In 1926, the literacy rate was 56.6 percent of the population. By 1937, according to census data, the literacy rate was 86% for men and 65% for women, making a total literacy rate of 75%.

    এসব তো উইকিতেই আছে। তাহলে কি এই শাসকেরা জনগণকে শিক্ষিত করতে চাইছিল?
  • একক | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:০০627233
  • "এটা নিয়ে কোন সন্দেহ আছে? শাসক তো সবসময়েই চায় বেশীরভাগ লোক অশিক্ষিত/কম শিক্ষিত থাকুক।"

    মনে হয়না। শাসক চায় লোকে শিক্ষা বলতে সেটাই বুঝুক যেটা শাসক বোঝে। পান পরাগ বা শ্যাম্পুর পাতার খরিদ্দার হওয়ার জন্যে জন্যে বই পরার দরকার হত তাহলে শাসক চাবকে পড়াত সবাইকে। কনসিউমার গুডস এর মার্কেট উপভোক্তার শিক্ষিত হবার পুর্বসর্তকে নালিফাই করে বলেই এত রমরমা আর তাই নিয়ে দালালি। যত ইসি টু হ্যান্ডল যত কম বুঝে মেশিন চালানো যাবে শিক্ষা এস এ ইনভেস্টমেন্ট তত কমবে। সাধে কী মাইক্রোসফট করে খায় :)
  • | 69.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:২১627234
  • লিটারেসির ক্ষেত্রে এখানে অনেকগুলো সিনারিও আসতে পারে

    ১. শাসকরা নিজেদের ভাষায় নিজেরা শিক্ষা নিয়ে, শাসিতদের চুড়ান্ত অবহেলা করা,জনসাধারণকে অশিক্ষিত রাখা বা সামান্য সংখ্যকদের শাসকদের নিজেদের ভাষায় শিক্ষিত করা । জনসংখ্যার প্রায় সমস্ত নিরক্ষর।

    ক্লাসিক সামন্তবাদী অ্যাপ্রোচ

    ২. উপরে যা আছে, তবে শাসিতদের কিছু শিক্ষার ব্যবস্থা করা সেটা আবার শাসকদের নিজেদের ভাষায়, বেশির ভাগ ধর্মপ্রচারকদের হাতে তুলে দেয়া। সাম্রাজ্যের কেরানি-কর্মচারী শ্রেণী তৈরি করা জনসংখ্যার ক্ষুদ্রাংশ অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন।

    ক্লাসিক ঔপনেবেশিক অ্যাপ্রোচ

    তবে ১, ২ ক্ষেত্রে শাসিতদের 'মৌখিক' ভাষা 'ভার্নাকুলারে' হস্তক্ষেপ না করা।

    ৩. শাসকরা নিজেদের ভাষা সরকারী ভাষা ও জ্ঞানচর্চার ভাষা হিসেবে শাসিতদের উপরে চাপিয়ে দেয়া, শাসিতদের নিজস্ব ভাষা নিশ্চিন্হ করা ফেলা ও সব বিষয়ে ও ব্যাপারে শাসকের সংস্কৃতি ও দর্শন ও ধর্ম চাপিয়ে দেয়া। শিক্ষা এইখানে ব্যক্তিগত এনলাইটেনমেন্ট নয় বরং ধর্ম/পার্টির ফিলোসফির বাহন বানানো। জনসংখ্যা প্রায় সবাই 'স্বাক্ষর' হয়ে ওঠে তবে সেটা প্রায়ই শাসকের ভাষায় ও শাসকের লিপিতে। জনসংখ্যা মোটের উপরে সবাই অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন বা 'শিক্ষিত'।

    ক্লাসিক টোটালিটারিয়ান অ্যাপ্রোচ ক্ষেত্র বিশেষে কলোনিয়াল/ইম্পেরিয়াল অ্যাপ্রোচ

    (প্রথম ক্ষেত্রে সোভিয়েত অ্যাপ্রোচ, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে যেমন নিউজিল্যান্ডে মাওরিদের উপরে ইংরেজভাষীরা যা করেছিল)

    এর কোনোটাই ভালো নয়, যদিও আপাত দৃষ্টি তৃতীয় প্রেক্ষাপটটি 'টোটাল লিটারেসি' এচিভ করার জন্য বেশ আকর্ষণীয় মনে হতে পারে।
  • সে | 203.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:৩৮627235
  • ম্যামি,
    টাইম ফ্রেমটা ত্রিশের দশক থেকে শুরু। এবং যেহেতু সোশ্যালিস্ট সময়ের কথা হচ্ছে, তাই নব্বইয়ের দশকের গোড়া অবধি, মধ্যিখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
  • PT | 213.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:৩৯627236
  • এই বিচারে আমি যখন আমার সন্তানকে ইংরিজি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চাই তখন আমার মুল্যবোধ ইত্যাদি জোর করে তার ওপরে চাপিয়ে দিই।

    অবিলম্বে ভারতে সকল স্কুল কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হোক!!
  • PT | 213.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১৯:৫৯627237
  • "শাসক তো সবসময়েই চায় বেশীরভাগ লোক অশিক্ষিত/কম শিক্ষিত থাকুক।"
    "মনে হয়না। শাসক চায় লোকে শিক্ষা বলতে সেটাই বুঝুক যেটা শাসক বোঝে। "
    "জনসংখ্যা মোটের উপরে সবাই অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন বা 'শিক্ষিত'।........ক্লাসিক টোটালিটারিয়ান অ্যাপ্রোচ"

    সবকিছু ঘেঁটে ঘ হয়ে যাওয়ার আগে জানতে চাই যে USSR-এ একটা "টোটালিটারিয়ান" সিস্টেমে কুড়ি বছরে শিক্ষার হার ৮৫%-এ উঠে গেল আর বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে ৬৫ বছর পরেও ব্যাপারটা ৭০%-এ কান্নিক খাচ্ছে কেন?

    ঐ জন্য হাতি বোঝার আগে ইঁদুরটাকে চিনতে বলেছিলাম-তা শোনে কে? সবাই সরাসরি হাতি চেনাবে ঠিক করেছে!!
  • bratin | 125.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:০৫627238
  • হ্যাঁ। তারপরে এক পিস হালকা গুণ করে করে নিলেই হবে।
  • ম্যামি | 69.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:৩৭627239
  • প্ল্যানিং এর সুফল। কে না জানে টোটালিটারিয়ান হলে প্ল্যানিং এর সুফল পেতে সুবিধে হয়।
  • | 69.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২০:৪৮627240
  • "এই বিচারে আমি যখন আমার সন্তানকে ইংরিজি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে চাই তখন আমার মুল্যবোধ ইত্যাদি জোর করে তার ওপরে চাপিয়ে দিই।

    অবিলম্বে ভারতে সকল স্কুল কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হোক!!"

    আজ্ঞে না, আপনি চাপাবেন ক্যানো, ২ নং মডেল ফোর্ট উইলিয়াম কালেজ যবে চালু হয়েছে তবে থেকেই চাপানো আছে। এবং সেটাকেই ৪৭ পরবর্তী কালে টেনে নেয়া হচ্ছে। অবশ্য ২ নং মডেলের রীতি অনুযায়ী কারও 'মুখের ভাষা' কেড়ে নেয়া হয় নি এবং নাগা, খাসি বাদে রোমান লীপিও চাপানো হয় নি। এতোদিন চলার ফলে ক্রিকেট খেলার মতো এটাও বেশ এসিমিলেট হয়ে গেছে।

    স্কুল কলেজ কী বন্ধ করতে বলেছি? কিছু না থাকার চেয়ে কিছু থাকা ভালো, আরও ভালো যতদূর সম্ভব ভাষা ভিত্তিক অংশগ্রহণ। মরাল জাজমেন্ট নিয়ে বসিনি কটি জিনিস অবজার্ভ করেছি মাত্র

    "সবকিছু ঘেঁটে ঘ হয়ে যাওয়ার আগে জানতে চাই যে USSR-এ একটা "টোটালিটারিয়ান" সিস্টেমে কুড়ি বছরে শিক্ষার হার ৮৫%-এ উঠে গেল আর বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে ৬৫ বছর পরেও ব্যাপারটা ৭০%-এ কান্নিক খাচ্ছে কেন?"

    আপনার প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর আছে। টোটালিটারিয়ান সিস্টেমেই সম্ভব। জারের আমলে ১৯১৪-১৯১৮ সালে আট মিলিয়ন বা আশি লাখ সৈন্য কে বাধ্যতামূলকভাবে 'মোবিলাইজ' করা হয়েছিল. যাদের প্রায় তিন মিলিয়ন মারা গেছে ও মিসিং ইন অ্যাকশন। এখন জারের অথর্ব সিস্টেমেই যদি আশি লাখ জওয়ানকে ফ্রন্টে পাঠানো যায় তো বুঝতেই পারছেন ওটা কমিউনিস্ট আরও এফিশিয়েন্সির সাথে টেনে নিয়ে গেছিল ও বিশের দশকে প্রায় সেরকমই যুদ্ধ চালানোর মতো গ্রামে গঞ্জে অক্ষরজ্ঞান দেয়ার জন্য বিভিন্ন শিক্ষা 'ট্রুপস' পাঠিয়েছিল। এইটা প্রশংসাযোগ্য, এই আর্জেন্সি। তবে ফিগারগুলো কিঞ্চিত লবন সহযোগে নিতে হবে কারণ কিয়ত ডক্টরিং এর আশংকা আছে।

    পোস্ট ৪৭, ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের নেতারা কলোনি সন্তান হওয়াতে সেই আর্জেন্সির সাথে কাজ করেন নি। তাঁরা যেই ঔপনবেশিক কাঠামো পেয়েছিলেন তাতে ধীরে চলো নীতি ছিল অন্যতম বৈশিষ্ট্যম তাদের সেই সুপারহার্ডেন্ড, টপ ডাউন কমান্ড স্ট্রাকচার ছিল না। জনসংখ্যা বেড়ে গেছিল বাড়াবাড়ি হারে ইত্যাদি ইত্যাদি। তাঁদের হয়ে সাফাই গাইবার কোন ইচ্ছা বা প্রয়োজন আমার নেই।
  • Sibu | 84.*.*.* | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ২২:৪২627242
  • টোটালিটারিয়ান স্টেট তো ঐ ওপরের ওনার কৃপায় আরো কটি আচে, আর আংকেল স্যামের কৃপায় তাদের অনেকগুলি টিকেও গেছে। তাদের সবাই এরকম লেখাপড়া শিখেছে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন