এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pintu | ২০ মার্চ ২০১৫ ১০:১৯668434
  • আনকোয়ালিফায়েড বহুত্ববাদী লিবারেল ধারনা আসলে একটা অসম্ভব ব্যাপার। আপনি কি মনে করেন কেউ এক গালে চড় মারলে অন্য গাল পেতে দেবেন, কেননা যার চড় মারা ক্রীড তাকে তার ক্রীড রক্ষা করতে দেওয়া আপনার কর্তব্য? তাহলে শীঘ্রই আপনার কোন গালই আর অবশিষ্ট থাকবে না।

    সরি, আমি এরকম সুইসাইড প্যাক্টে আগ্রহী নই। বেশীরভাগ লোকই নয়। সম্ভবের মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি যা হতে পারে সেটা হল টিট ফর ট্যাট। তুমি যদি আমাকে সহ্য কর আমিও করব। না হলে আমিও তোমাকে মারব, অবশ্যই বিচার করে।

    কেউ ফ্রী স্পিচ না চাইলে সেটা তার ব্যাপার। কিন্তু আমার বা অন্য করুর রাইট টু ফ্রী স্পিচ কেড়ে নিতে চাইলে সেটা মানব কেন?
  • adhuli | ২০ মার্চ ২০১৫ ১০:৩৫668435
  • SC-কে, আপনার নিজের কথায়, তাহলে "সোভিয়েত রা তো আফগানিস্তান এ অন্ধকার দূর করেছিল। মেয়েদের অনেক বেশি "অধিকার" দিয়েছিল। তা তারা আবার অন্ধকারকেই বেছে নিল। ইরানে শাহও আলো দেখিয়েছিলেন, সেখানকার লোকেরাও আবার অন্ধকার খুঁজে নিলেন।"

    কোথা থেকে পেলেন এ সব তথ্য ? আফগানিস্তান বা ইরানে মেয়েরা নিজে রা অন্ধকার কে বেছে নিয়েছে ? তাহলে তো মালালার মরাই ভালো ছিল, পড়তে গিয়ে সে বেচারা তালিবানের গুলি খেল কেন ? ওই সব দেশের কোনো মেয়েদের সাথে কখনো কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন ? নাহলে জানলেন কি করে তারা সেচ্ছায় এই অন্ধকার কে বেছে নিয়েছে ? নাকি জাস্ট প্রানের দায়ে ? মৌলবাদ কে অহেতুক গ্লোরিফয় করার একটা অদ্ভুত চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
  • adhuli | ২০ মার্চ ২০১৫ ১০:৪৯668436
  • "মালালার পড়াশোনা না করাই ভালো ছিল "।
  • Biplob Rahman | ২২ মার্চ ২০১৫ ১৯:৪১668437
  • #বাড়ু

    হতাশ হবেন না। বাংলা উইকি'র প্রতিষ্ঠাতা রাগিব হাসান দেখবেন শিগগিরই একটি তথ্যবহুল নিবন্ধ সেখানে তুলে দেবন। উইকি'র একজন ডোনার হিসেবে এই নিবন্ধটি আমিই লিখবো ভেবেছিলাম। কিন্তু অনেক রেফারেন্সসহ তথ্যবহুল পোস্ট হওয়াই ভালো। আর আমার সময় এখন এতোই কম যে...।

    তো অভিদা'কে ইংরেজী নিবন্ধটি তো খুব ভালো। যতোদিন বাংলায় তার ওপর না লেখা হচ্ছে, ততোদিন এটিই চলুক না। :)
  • Biplob Rahman | ২২ মার্চ ২০১৫ ১৯:৫৪668438
  • স্পষ্ট জানিয়ে দেই, প্রথম থেকেই অভিজিৎ রায় হত্যার সুবিচার হবে, তেমনটি আমি আশা করি নি। জামাত-হেফাজতের তোষণকারী রাষ্ট্র কিছুদিন এই নিয়ে "জোর পুলিশী তদন্ত চলিতেছে" বলে দাবি করবে, তারপর আর আট-দশটা চান্চল্যকর খবরের ভীড়ে হারিয়ে যাবে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড।

    এরই মধ্যে গোয়েন্দা পুলিশ প্রবর ঝেড়ে কেশে তাদের দৌড়াত্ন জানিয়ে দিয়েছেন। অথচ হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী বন্যা আহমেদকে দিয়ে খুনীদের চেহারা স্কেচ করার কথা তারা এতোদিনেও ভাবেননি!

    "অভিজিৎ হত্যা এখনও ‘ক্লু-লেস’ গোয়েন্দাদের কাছে
    প্রায় মাস গড়াতে গেলেও অভিজিৎ রায়ের খুনি কারা, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পায়নি গোয়েন্দা পুলিশ।
    “অভিজিৎ রায় হত্যার সময় অনেক মানুষ সেখানে ছিল। তারপরও কেউ পরিষ্কার করে বলতে পারছে না, হত্যাকাণ্ডে কতজন অংশ নিয়েছিল। তারা দেখতে কেমন, তাও কেউ পুলিশকে জানাতে পারেনি।”
    "রোববার নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের একথা বলেন গোয়েন্দা পুলিশের মুখপাত্র মনিরুল ইসলাম।"

    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article942961.bdnews

    তাহলে আর কি! আসুন, অভিজিৎকে আমরা বরং ভুলে যাই। অথবা ভ্রু উচিঁয়ে জিজ্ঞাসা করি, এই নামে সত্যিই কি কেউ ছিলো? :(
  • Biplob Rahman | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৫:২৮668439
  • বাংলাদেশে আবার ব্লগার খুন। #আপডেট ::
    ___

    তেজগাঁওয়ে এক ‘ব্লগারকে’ কুপিয়ে হত্যা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
    Published: 2015-03-30 12:03:08.0 BdST Updated: 2015-03-30 13:19:42.0 BdST

    রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে ওয়াশিকুর রহমান ওরফে বাবু নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা, যিনি ব্লগে লিখতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    তেজগাঁও পুলিশের উপ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সোমবার বেলা পৌনে ১০টার দিকে বেগুনবাড়ি এলাকার দীপিকার মোড়ে ওয়াশিকুরের ওপর হামলা হয়।

    গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান বিপ্লব।

    এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে দুই মাদ্রাসাছাত্রকে ধারালো অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে টহল পুলিশ।

    মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের এক মাসের মাথায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটল।

    ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান জানান, নিহত ওয়াশিকুরের বয়স আনুমানিক ২৭ বছর।

    “তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। ব্লগে লিখতেন বলেও আমরা জানতে পেরেছি। কোন ব্লগে তিনি কী বিষয়ে লিখতেন সে বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।”

    মাসুদুর রহমান জানান, হামলার ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থল থেকে জিকুল্লাহ ও আরিফুল ইসলাম নামে দুইজন আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে তিনটি চাপাতি।

    এদের মধ্যে জিকরুল্লাহ চট্টগ্রামের হাটহাজারি ও আরিফ মিরপুরের দারুল উলুম মাদ্রাসার ছাত্র বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    ওয়াশিকুরের বাবার নাম টিপু সুলতান। তাদের বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে। ঢাকায় দক্ষিণ বেগুনবাড়ি এলাকার একটি বাসায় থাকতেন তিনি।

    মাত্র এক মাস আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলার বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মোড়ে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হামলাকারীদের চাপাতির আঘাতে আহত হন তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা, যিনি নিজেও একজন ব্লগার।
    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article946953.bdnews

    ওই ঘটনায় অভিজিৎকে ফেইসবুকে হুমকিদাতা ফারাবী শফিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হলেও পুলিশ এখনো হত্যা রহস্যের মীমাংসা করতে পারেনি।

    এর আগে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দারকেও রাজধানীর মিরপুরে তার বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডেও জঙ্গিবাদীদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়।
  • Biplob Rahman | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৫:২৯668440
  • " অভিজিৎ রায় হত্যার একমাসের মাথায় আর এক ব্লগার খুন। একইভাবে কুপিয়ে। এবারে আর হত্যাকারির দল রাতের অন্ধকারে আসেনি, চাপাতি নিয়ে হাজির হয়েছে দিনের আলোয়। সকালবেলার ব্যস্ত রাস্তায় কুপিয়ে খুন প্রমাণ করে দেশের পুলিশ, প্রশাসন, নাগরিক নিরাপত্তা কোন জায়গায় রয়েছে। যারা ধর্মের নাম বা আড়াল নিয়ে এই নির্বিচার হত্যাকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে, তারা শুধুমাত্র খুনি খুনি এবং খুনি। এছাড়া আর কিচ্ছু নয়।"
    -- Samran Huda
    https://www.facebook.com/shyaja/posts/10153203653981823
  • Biplob Rahman | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৫:৩৪668444
  • 11:35 AM, March 30, 2015 / LAST MODIFIED: 03:20 PM, March 30, 2015
    Another blogger stabbed dead in Tejgaon
    Washiqur Rahman is stabbed to death at Tejgaon in Dhaka on Monday. Photo taken from Facebook page of Tamanna Setu.

    Star Online Report

    A blogger named Washiqur Rahman was stabbed to death in broad day light in Tejgaon Industrial area of Dhaka this morning.

    Three killers carried out the attack and police caught two of them with machetes from the spot red handed, Biplob Kumar Sarkar, deputy commissioner of DMP (Tejgaon Zone), told The Daily Star.

    The 27-year-old blogger was killed following a conflict over “ideological difference”, a police official of the Tejgaon Industrial Police Station, said while addressing a briefing in the afternoon.

    Police identified the detained persons as Jikul and Ariful Islam, students of Hathazari Madrasa in Chittagong and Darus Ulum Madrasa in the capital’s Mirpur area respectively.

    Another attacker named Taher managed to escape the scene, the police officer told the media.

    Details about the victim and Rahman’s write-ups could not be learnt immediately.

    The attack took place at a lane at Dipikar More in Begunbari area around 10:30am when Washiqur was on his way to office, the police officer said.

    When police took severely injured Rahman to Dhaka Medical College Hospital (DMCH), doctors there declared him dead.

    During the primary interrogation, Jikul and Ariful told police about their ideological differences with Washiqur’s write-ups in his blog, the police official said.

    The law enforcers are investigating and scrunitising the detainees’ statements about the killing, he added.

    http://www.thedailystar.net/online/blogger%E2%80%99-stabbed-dead-tejgaon-74602
  • Biplob Rahman | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৭:১৭668445
  • ফের অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট খুন, ২ জনকে ধরল জনতা
    নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

    Published: 2015-03-30 12:03:08.0 BdST Updated: 2015-03-30 16:58:23.0 BdST

    রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে ওয়াশিকুর রহমান ওরফে বাবু নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, যিনি ফেইসবুক ও অনলাইনে লেখালেখি করতেন।

    তেজগাঁও পুলিশের উপ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার জানান, সোমবার সকালে বেগুনবাড়ি এলাকার দীপিকার মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের পরপরই দুই মাদ্রাসাছাত্রকে ধরে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি রক্তাক্ত চাপাতি।

    ওয়াশিকুরের ক্ষেত্রেও গলা ও মাথা ছিল হামলাকারীদের লক্ষ্যবস্তু, যেভাবে এর আগে অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ, ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার, এ কে এম শফিউল ইসলাম লিলন ও লেখক অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা হয়েছিল।

    মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডের এক মাসের মাথায় আবারও একজন ‘অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট’কে হত্যা করা হলো।

    বিপ্লব কুমার সরকার জানান, বেগুনবাড়ি এলাকার দীপিকার মোড়ের কছে ঝর্ণার বাড়ি নামে পরিচিত একটি টিনের তিনতলা মেসবাড়িতে ওয়াশিকুর থাকতেন।

    সকাল পৌনে ১০টার দিকে বাসার কাছেই রাস্তার মধ্যে তিনজন চাপাতি নিয়ে ওয়াশিকুরের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    লাশের সঙ্গে পাওয়া ভোটার পরিচয়পত্র ও আটক দুই মাদ্রাসাছাত্রের বক্তব্য শুনে ওয়াশিকুরের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

    ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার দুই হামলাকারীর মধ্যে জিকরুল্লাহ নামের একজন চট্টগ্রামের হাটহাজারি মাদ্রাসার ছাত্র। আর আরিফুল নামের অন্যজন পড়েন মিরপুরের দারুল উলুম মাদ্রাসায়। তারা পুলিশকে বলেছেন, আবু তাহের নামে আরেকজন তাদের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়।

    উপ কমিশনার বিপ্লব কুমার সাংবাদিকদের বলেন, “ধর্মীয় মতাদর্শ নিয়ে লেখালেখির কারণে বিরোধ থেকে ওয়াশিকুরকে হত্যার কথা গ্রেপ্তার দুজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। তারা কোনো সংগঠন বা দলের কি-না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”

    পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৭ বছর বয়সী ওয়াশিকুর তেজগাঁও কলেজ থেকে লেখাপড়া শেষ করে মতিঝিলের ফারইস্ট এভিয়েশন নামের একটি ট্র্যাভেল এজেন্সিতে প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছিলেন। তার বাবার নাম টিপু সুলতান, বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামে।

    সামহোয়্যারইন ব্লগে ‘বোকা মানব’ নামে একটি অ্যাকাউন্ট থাকলেও তিনি মূলত লেখালেখি করতেন ফেইসবুকের কয়েকটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে।

    এসব ফেইসবুক পৃষ্ঠায় ধর্ম, বিজ্ঞান এবং সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী বিভিন্ন লেখা এসেছে বিভিন্ন সময়ে। অভিজিৎ হত্যার প্রতিবাদে তিনি নিজের ফেইসবুক পৃষ্ঠার ব্যানারে লিখেছিলেন- ‘#আইঅ্যাম অভিজিৎ। ওয়ার্ডস ক্যাননট বি কিলড।’

    জিকরুল্লাহ ও আরিফুলকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, হত্যা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে রোববার হাটহাজারি থেকে ঢাকায় আসেন জিকরুল্লাহ। কীভাবে কী করা হবে সে বিষয়ে রোববারই পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।

    “সকালে ওয়াশিকুর বাসা থেকে বেরিয়ে পাঁয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পেছন থেকে তার ওপর হামলা চালায় তিনজন। পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে।”

    ঘটনাস্থলে লাশের পাশেই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি রক্তাক্ত চাপাতি পাওয়া যায়। ওয়াশিকুরের থুতনি, গলা ও ঘাড়ে ছিল গভীর আঘাতের রক্তাক্ত ক্ষত।

    রাস্তার যে অংশে তার ওপর হামলা হয়, তার এক পাশে টেক্সটাইল প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার প্রাচীর। অন্যপাশে আরেকটি ভবন। প্রায় দশ ফুট চওড়া রাস্তার ঠিক ওই অংশে কোনো দোকান নেই। ঘটনার সময় ওই রাস্তায় লোকজনও খুব একটা ছিল না।

    ঝর্ণার বাড়ি থেকে হত্যাকাণ্ডের স্থানে পৌঁছাতে গজ পঞ্চাশেক হাঁটতে হয়। তার আগেই একটি মুদি দোকান ও একটি ফার্মেসি রয়েছে। ফার্মেসি থেকে ঘটনাস্থল দেখা যায়। ঘটনার সময় সেটি খোলা থাকলেও পরে দোকানমালিক ঝাঁপ ফেলে চলে যান বলে স্থানীয়রা জানান।

    খোকন জেনারেল স্টোরের মালিকের ছোট ভাই জিয়াউদ্দিন জানান, সকালে হঠাৎ নারীকণ্ঠে চিৎকার শুনে তিনি ও দোকানে থাকা কয়েকজন খদ্দের বেরিয়ে এসে দেখেন, রক্তাক্ত অবস্থায় একজন রাস্তায় পড়ে আছেন এবং তা দেখে এক নারী চিৎকার করছেন। আর তিন যুবক দৌঁড়ে মূল রাস্তার দিকে পালানোর চেষ্টা করছে।

    বারেক নামে আরেকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিন হামলাকারী পালানোর সময় কয়েকজন হিজড়া দুইজনকে জাপটে ধরে। পিছন থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে গিয়ে দুইজনকে আটক করে। পরে পুলিশ এলে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

    মাত্র এক মাস আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে বইমেলার বাইরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মোড়ে মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হামলাকারীদের চাপাতির আঘাতে আহত হন তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যা, যিনি নিজেও একজন ব্লগার।

    ওই ঘটনায় অভিজিৎকে ফেইসবুকে হুমকিদাতা ফারাবী শফিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হলেও পুলিশ এখনো হত্যা রহস্যের মীমাংসা করতে পারেনি।

    এর আগে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দারকেও রাজধানীর মিরপুরে তার বাড়ির সামনে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডেও জঙ্গিবাদীদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যায়। একই বছর সাভারে জঙ্গি কায়দায় হামলায় নিহত হন ব্লগার আশরাফুল আলম।

    হামলা হয়েছিল জঙ্গিদের ‘হিটলিস্টে’ থাকা ব্লগার আসিফ মহীউদ্দিনের ওপরও, তবে ২০১৩ সালে ওই হামলার সময় ভারী জামাকাপড় গায়ে থাকায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান।

    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article946953.bdnews
  • সিকি | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৭:২২668446
  • এটাও থাক। হুজুরের চ্যালাদের ভয়েসটাও থাকা জরুরি কিনা।

    http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/381126.html
  • pi | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৮:২৪668447
  • এটা ছিল ওয়াশিকুরের কভার ফোটো।
  • de | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৮:৪২668448
  • এই হুজুরটি কে সেটা নিশ্চয়ই এদের জেরা করে জানা যাবে -

    সাধারণ বোধবুদ্ধিও কি এইসব মাদ্রাসায় পড়লে লোপ পায়? খুবই সাংঘাতিক অবস্থা বাংলাদেশে। কি প্রচন্ড নৃশংস এরা!!
  • Biplob Rahman | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৮:৫৬668449
  • "চাপাতিধারীদের অতর্কিত হামলা আতঙ্কের যে সমাজে আমাদের বসবাস, তাতে নবতর সংযোজন। যে গভীর পাপ আমাদের মানহীন শিক্ষাব্যবস্থায়, আমলাতন্ত্রের দাপটে, সংস্কৃতি চর্চায়, সামাজিক সংগঠনের ভূমিকাহীনতায়, দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষকতায়য় এত বছর ধরে চর্চা করে আসা হয়েছে, তার ফলাফল হাতেহাতে পাওয়া যাচ্ছে। বিজ্ঞান লেখকদের আড্ডা কি আর হবে এই দেশে? আইনস্টাইনের জন্মদিন পরের বছর কি পালন করা যাবে? শিশু-কিশোরদের মা বাবারা পাঠাবেন তো সাংস্কৃতিক আয়োজনে? ওয়াশিকুর রহমান বাবুর হত্যাকাণ্ড এই ভীতির সংস্কৃতিকে আরও পাকাপোক্ত করার শয়তানি আযোজন।
    আমরা জানি যারা আসছে, সেই নতুন প্রজন্মের জন্যই আমাদের লড়ে যেতে হবে। সহিষ্ণু-মানবিক একটা সমাজ নির্মাণের জন্য প্রাণপণ যুদ্ধ চলবে।"
    --Firoz Ahmed

    https://www.facebook.com/firoz.ahmed.9655/posts/10153215372401565?pnref=story
  • pi | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৯:৩০668450
  • জানিনা, খবরটা সঠিক কিনা। এরকমই পড়লাম।
    '‘পুরুষেরা’ অনেকেই দাঁড়িয়ে ছিল কিন্তু যখন দুই 'শিখণ্ডী' খুনিদের তাড়া করছিল প্রাণপণ তখন তারাও যোগ দেয় হত্যাকারিদের ধরতে। দুই 'শিখণ্ডী' যাদের এ সমাজ 'তৃতীয় লিঙ্গ' কিংবা 'হিজড়া' বলে সম্ভোধন করে তাদের কারণেই ধরা পড়ে ব্লগার ওয়াশিকুরের খুনি দুইজন।'

    এদিকে অভিজিত রায়ের খুনের সময় যাঁরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছিলেন, লোকজনকে দেখেছি তাদের হিজড়ে বলে গাল দিতে।

    মনে পড়লো।
  • শাক্যজিৎ | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৯:৩৬668451
  • ঠিক এই কারণগুলোর জন্যেই বলেছি মৌলবাদকে অ্যাজ আ ডিসকোর্স ইন্সটিটিউশনালাইজ করে ফেলা হোক।

    সিপিএম/সিপিআই বনাম মাওবাদীদের সিচুয়েশনটা দেখুন একবার। সিপিএম-কে তার সমস্ত মতবাদ পার্টি প্রোগ্রাম পল-অর্গ সমেত ইন্সটিটিউশনালাইজ করে ফেলা হয়েছে। এখন সিপিএম/সিপিআই দরকার না পড়লে মানুষ মারা ফারার কথা ভুলেও ভাবে না। বিপ্লবের কথাও ভাবে না। রাজনোইতিক খুনোখুনি হয় সেগুলো বাদ দিচ্ছি। কিন্তু মানুষ মারা এদের অ্যাজেন্ডার মধ্যে পড়ে না। মাওবাদকে মার্জিনালাইজ করে রাখা হয়েছে। দেখলেই শত্রু বলে দাগিয়ে দাও টাইপ নীতি নেওয়া হয়েছে। ফলাফল চোখের সামনে দেখাই যাচ্ছে।

    ইফ ইউ ক্যান নট সাবভার্ট, দেন কনভার্ট
  • শাক্যজিৎ | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৯:৩৮668452
  • মব লিঞ্চিংকেও লিগালাইজ করা হোক। স্টেটের পেরিফেরির আন্ডারে আনা হোক। অনেক লাভ হবে। কেন, পরে বিশদে লিখব। এখন একটু ঝিমিয়ে নিচ্ছি
  • dc | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৯:৪৭668453
  • আর খাপকে। বিহারের রনবীর সেনাকেও। সতী প্রথাকেও। নরবলি লিগালাইজ করলে তান্ত্রিক কাপালিকরাও মেনস্ট্রিমে আসার সুযোগ পাবে।
  • hu | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৯:৪৮668455
  • হুজুর মানে কি মাদ্রাসার হেড স্যার? তাঁকে ধরা হবে আশা করি। যারা খুন করল তারা কি প্রাপ্তির আশায় কাজটা করল?
  • dc | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৯:৫১668456
  • চাইল্ড পর্ন বাদ গেছে, দুঃখিত। চাইল্ড পর্ন লিগালাইজ করলে ট্যুরিজম থেকে দুপয়সা কামানো যাবে, আবার যারা শিশুদের ধর্ষন ইত্যাদি করে শুধুশুধু পুলিসের হ্যারাসমেন্টের শিকার হন তাঁদের ভয়েসটাও তুলে ধরা হবে।
  • Tim | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৯:৫৭668458
  • হ্যাঁ মব লিঞ্চিং লিগালাইজ্ড হোক। তবে কিনা প্রথম কয়েক বছর (কয়েক টেন্ডস টু ইনফিনিটি) স্টেট পাতি ম্যানিপুলেট করবে, তাতে কী? সবই লিগালাইজ্ড করে দেওয়া হোক। তবে এক এক করে করার থেকে একবারে করে দিলে সময় বাঁচে। ধরেন, স্টেট অস্ত্র ফান্ড করে সমস্ত মাইক্রো মিনি ম্যাক্সি গ্রুপকে বললো নাও লিগালাইজ্ড করে দিলাম। কন্ট্রোল্ড ক্যালাকেলি করো। অতঃপর লিগালাইজ্ড, কন্ট্রোলড সিভিল ওয়ার হবে। ব্যাপক হবে।
  • dc | ৩০ মার্চ ২০১৫ ১৯:৫৭668457
  • কিন্তু চুরি ডাকাতি যারা করে তাদেরই বা কেন দোষ ধরা হয়? তাদের ভয়েস কেনো আসতে দেওয়া হয়না? এতো এতো আইনকানুন করে পুলিশ দিয়ে জেল ভরিয়ে কি খুন ডাকাতি ধর্ষন চুরি পকেটমারি কেপমারি বিন্দুমাত্র কমানো গেছে? ইফ ইউ ক্যান নট সাবভার্ট, দেন কনভার্ট। সব অপরাধ লিগালাইজ করে দেওয়া হোক। সুন্দর এই পৃথিবীতে অপরাধ বলে কিছু থাকবে না। পুরো পৃথিবীটাকে একটা মুক্তাঞ্চল করে দেওয়া হোক। সে ভারী আনন্দের জায়গা হবে।
  • dc | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২০:০১668459
  • হ্যাঁ অস্ত্র কেনাবেচাও লিগালাইজ করতে হবে। অস্ত্রব্যবসায়ীদের ভয়েসটা যে কেন আসতে দেওয়া হচ্ছেনা আমি তো বুঝতেই পারছিনা। তবে পুলিশ ডিপার্টমেন্টটা তুলে দিলে বোধায় সবারই একটু সুবিধে হয়। পুলিশের এমনিতেই কোন ভয়েস থাকেনা।
  • Biplob Rahman | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২০:২৪668460
  • 07:15 PM, March 30, 2015 / LAST MODIFIED: 07:55 PM, March 30, 2015
    Free thinkers targeted repeatedly
    Star Online Report

    Free thinkers have been repeatedly targeted by extremist groups throughout Bangladesh and it appears that the trend set in the past on handling such issues is discouraging.

    In the last 16 years, deadly attacks aiming to kill were carried out on at least five such men including the likes of prominent intellectuals Shamsur Rahman and Humayun Azad, and none of those incidents ended up with justice being served to the victims.

    The matter was resolved in only one case and that too with the attackers going free!

    On January 18, 1999, renowned poet Shamsur Rahman was attacked in his residence by militants of Harkat-ul Jihad. Though he was unharmed, his wife was badly hurt.

    Later, Mufti Hannan, commander of the militant outfit, confessed his outfit’s involvement in the crime and said their orders were to kill. Meanwhile, the attackers were allowed to walk free.

    On February 27, 2004, eminent writer Humayun Azad was brutally hacked near Bangla Academy while coming out of the Ekushey Book Fair. He survived the attack.

    The murder case is yet to be finished and deposition of testimony is still underway after 10 years. Last year, one of the accused was snatched away in a filmy-style ambush in Mymensingh’s Trishal upazila.

    Blogger and self-proclaimed atheist Asif Mohiuddin was stabbed by alleged militants in Uttara on January 14, 2013. He survived the vicious wounds.

    Two years have lapsed, but police are yet to press charges and now they say that the investigation is on the verge of completion.
    Blogger Avijit Roy was killed and his wife brutally hacked near TSC at Dhaka University

    Perhaps most alarming, during the upsurge of Gonojagoron Mancha, was the murder of Rajib Haider on February 26, 2013, in Dhaka’s Pallabi.

    Prime Minister Sheikh Hasina herself visited and comforted his bereaved family, and two years later eight including a leader of militant outfit Ansarullah Bangla Team have been indicted. Trial in the case is expected to begin on April 21.

    A few days ago on February 26, blogger Avijit Roy was killed and his wife brutally hacked near TSC at Dhaka University, yards away from the spot where Humayun Azad was attacked.

    His wife alleged negligence of law enforcers stationed nearby during the attack.

    Investigation is underway and prime suspect Farabi Shafiur Rahman has been remanded and several others have been quizzed in this connection.

    http://www.thedailystar.net/top-news/free-thinkers-targeted-repeatedly-74621
  • Tim | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২০:২৬668461
  • আপাতত লিগালাইজেশনের ভয়েস শুনুনঃ
    http://usatoday30.usatoday.com/news/world/2008-07-11-Dutch-human-trafficking_N.htm

    সময় পেলে থাইল্যান্ড আর হল্যান্ডের হিউম্যান ট্রাফিকিং এর অবস্থাও একটু দেখে নিতে পারেন উইকি করে।
  • Biplob Rahman | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২০:৩০668462
  • "২০১৩ সালে যখন চার ব্লগারকে গ্রেফতার করা হলো, প্রেসক্লাবের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা সেন্টার ফর ইনকোয়ারিকে সঙ্গে নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতিবাদ করছিলাম ( পুরো আয়োজনটা করেছিল Avijit Roy )। বাঙলাদেশে কেউ রাস্তায় দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছিলো না। অভিজিৎদা' আমায় বললো, আপনি পারবেন, এ্যারেন্জ্ঞ করতে। আমি বললাম,- আমি তো বাঙলাদেশে থাকি না। আমি কিভাবে পারবো? দাদা বললেন,- আমি জানিনা। আপনাকে এ্যারেন্জ্ঞ করতেই হবে। তখন হাতে পায়ে ধরেও মানুষকে প্রতিবাদ সভায় প্রেসক্লাবের সামনে আনতে পারছিলাম না। আমি কয়েকজন মানুষকে ফোন করেছিলাম। শুধুমাত্র ফেসবুকে একবার লিখার পর যে ছেলেটা প্রতিবাদ সভায় চলে গেল, তার নাম ওয়াশিকুর বাবু। বাবুর কথা অভিজিৎদা তারা বিশ্বাসের ভাইরাস বইটিতে লিখে গেছেন।
    বাবু, অভিজিৎদা' হত্যার প্রতিবাদের যখন কেউ যায় না, তখনও রাস্তায় দাঁড়িয়ে মুখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ করে। আজ দেখতে চাই, কারা বাবুর পাশে দাঁড়ায়? কেউ কি বাবুর জন্য কালো কাপড় মুখে বেঁধে রা্স্তায় দাঁড়া্বে। ভাবেন, ওরা কলমকে ভয় পায় !! বাবুর মত নিরীহ ছেলেকে চাপাতির আঘাতে টুকরো টুকরো করে ফেলে।"
    --Farzana Kabir Khan
    https://www.facebook.com/khansnigdha/posts/10153183785963104
  • dc | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২০:৪৫668463
  • হিউম্যান ট্রাফিকিংও লিস্টে জুড়ে নেওয়া যাক। ইল্লিগাল কাজকর্মের কি কমতি আছে কোন? সব লিগালাইজ হোক, কারুর ভয়েস যেন চাপা না পড়ে। সব্বাইকে কনভার্ট করতে হবে।
  • dd | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২১:০০668464
  • গুচতে নিয়মিত আসা যাওয়া আর নানান শেডের বক্তব্য না পড়লে কি জানতেও পারতাম এই খুন এক বিশব্যাপী সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলনেরই অংশ এবং খুনীদের ভয়েস শোনাও এক পবিত্র হিলেলি কর্ম?
  • pi | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২১:২২668466
  • এটা ওয়াশিকুর বাবুর লেখা।

    কোনো একপ্রকারের সুশীলতা বোঝাতে দিয়ে উনি লিখেছিলেন, 'মৌলবাদীরা গণতন্ত্র, বাক স্বাধীনতার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিলেও সেটাকে বাক স্বাধীনতার অংশ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া কিন্তু এই বক্তব্যের প্রতিবাদ করলে বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে হাউকাউ করা।'
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন