এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সিঙ্গুর: কী ভাবছেন সবাই?

    Samik
    অন্যান্য | ০২ অক্টোবর ২০০৬ | ৮৫৩৩৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • cm | ১০ মে ২০১৬ ০৯:৩৩669879
  • dc বাবুকে দেখে তবু আশা জাগে। শিল্পসম্ভাবনা শেষ হয়নি। ওটাই বামফ্রন্টের এজেন্ডা, এবং সে কথা বহু বার বলাও হয়েছে। বিপ্লবটিপ্লব সুসি প্রভৃতি অতিবামেরা করুক। আপাতত ওসব বামফ্রন্টের এজেন্ডায় নাই।
  • sm | ১০ মে ২০১৬ ০৯:৪০669880
  • একটা প্রশ্ন কিন্তু ভীষণ ইম্পর্ত্যান্ট।সারা ভারত জুড়েই শিল্পপতিরা হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেয়।সরকার জোর করে হাজার হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করে নেয়।এরপর দেখা যায় বছরের পর বছর জমি ফেলে রাখা হয়েছে। কিন্তু শিল্প হচ্ছে না।
    নানা ছুতো নাত দেখানো হচ্ছে। কেউ বলছে ল এন্ড অর্ডার খারাপ,কেউ টাকা যোগাড় হয়নি, কারো বা আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি শিল্পের প্রতিকুল, এই সমস্ত।এর জন্য কি নিদান?
  • sm | ১০ মে ২০১৬ ০৯:৫১669881
  • যতদিন না কোনো সরকার যেকোনো জমি কে পৈত্রিক সম্পত্তি না ভাববে; ততদিন এরকম ভুলভাল কাজ হতেই থাকবে।ওই সময় ভূমি দপ্তরের আপত্তি ছিল, এমন বহুফসলি জমি অধিগ্রহণ না করার।বিকল্প হিসেবে খরগপুর বা অন্যান্য জায়গার কথা ও বলা হয়েছিল।
    জমি নিলে ব্যাপক গন্ডগোল হতে পারে বা আর্থিক সমস্যা হতে পারে, এমন কথাও সরকার জানত।
    এরসঙ্গে ছিল অতি দ্রুত অধিগ্রহণ। যে প্রসেস এর জন্য কয়েক বছর লাগে সেটাই কয়েক মাসে করার ব্যর্থ চেষ্টা।
    একসঙ্গে এরকম অনেক গুলো বৃহত প্রজেক্ট(পড়ুন ভূমি অধিগ্রহণ) সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম, নয়াচর সফল করার চেষ্টা।
    এগুলো একটা দিক ই নির্দেশ করে। সঠিক ডিসিশন নেবার ব্যর্থতা।
  • sm | ১০ মে ২০১৬ ১০:০১669882
  • Where the assets are non-productive, these should be written off. The quicker the better; cleaning up should not frighten us. The aim should be to look at solutions, he counselled.
    http://www.business-standard.com/article/finance/india-s-bad-loan-problem-overblown-says-kamath-116050901339_1.html
    যেমন দেখুন এই ভদ্রলোক বলছেন, এন পি এ মুকুব করা হোক। কেন? মিডিয়ার ক্যালোর ব্যালোর বন্ধ হবে বলে?
    উনি বলছেন সলুশন খোঁজা হোক। কি সেই সলুশন?
    আবার ঋণ দেওয়া ও শোধ না করার ভিশিআস সাইকেল?
    এত মহা জ্বালা!
  • PT | ১০ মে ২০১৬ ১০:০২669883
  • যারা খর্গপুরের গপ্প গেলানোর চেষ্টা করছে তারা যেন মাস কয়েক বৌ-বাচ্চা-বুড়ো বাপ-মা ইত্যাদির সঙ্গে নিয়ে এসে সেখানে থেকে যায়। জল, ইলেক্ট্রিসিটি ইত্যাদি বাদই দিলাম, শুধু স্কুল কলেজ চিকিৎসা ইত্যাদির জন্য কতবার কলকাতা বা কটক ছুটতে হবে শুধু সেটা অনুধাবনের জন্য। আর যাদের গিন্নীরাও কেরিয়ারের কথা ভাবে তারা পাকাপাকি ভাবে আলাদা থাকার যেন ব্যবস্থা করে।
    ওঃ, উইকএন্ডে ভাল কোন খাওয়ার জায়গা খুঁজতে খুঁজতে কলকাতায় পৌঁছে যেতে হবে..........
  • কল্লোল | ১০ মে ২০১৬ ১০:০৮669884
  • বুদ্ধবাবুর এই যেন-তেন-প্রকারেণ শিল্প মেনে নিতাম যদি তিনি নিজেকে মার্কসবাদী না বলতেন। একজন মার্কসবাদীর কাছ থেকে আর একটু বাস্তববুদ্ধি আশা করেছিলাম। টাটা শিল্প করতে চেয়েছে দান খয়রাত করার জন্য নয়। নিজের লাভের জন্য। তাই টাটাকে কিছুটা চাপ দেওয়া যেতেই পারতো। হ্যাঁ, টাটা তাতেও গুজরাটে চলে যেতে পারতো। তা, গাড়ি তৈরী কি টাটা একাই করে? কেন অন্যদের কাছেও যাওয়া যেতো না?
  • T | ১০ মে ২০১৬ ১০:১২669885
  • প্লাস বুদ্ধবাবু পাখিদের জন্যও কিছু করেননি।
  • কল্লোল | ১০ মে ২০১৬ ১০:১৩669886
  • পিটি। সিঙ্গুরে কটা মেনল্যান্ড চায়না, ওহ ক্যালকাটা, অ্যাপেলো, ফোর্টিস, মল্টি স্ক্রিন, আধুনিক জিম, পাঁচতারা হোটেল ছিলো? শিল্প গড়ে উঠলে ওসব হয়ে যেতো খড়্গপুরেও। এটা না জানার মতো চিন্তাহীন তুমি নও।
  • উরেবাবা | ১০ মে ২০১৬ ১০:১৪669887
  • লজিকের ঠেলায় আমি ধাঁ করে পড়ে অজ্ঞান হয়ে গেলাম।
  • S | ১০ মে ২০১৬ ১০:১৬669890
  • বাপরে দুদিকেই কিসব লজিক।
  • কল্লোল | ১০ মে ২০১৬ ১০:১৬669889
  • আর হ্যাঁ। ঐ যে হিজলী জেল। সেখানে কি ছিলো? আর কি হয়েছে একটু বলবে? কারা যেন থাকে সেখানে?
  • PT | ১০ মে ২০১৬ ১০:২২669891
  • " শিল্প গড়ে উঠলে ওসব হয়ে যেতো খড়্গপুরেও।"
    একটি IIT, যেখানকার ক্রয়ক্ষমতার গড় মারাত্মক রকমের বেশী, একসময়ের বিস্তর কল-কারখানা (টাটাদেরই) ও ভারতীয় রেলের অতি প্রয়োজনীয় একটি কেন্দ্রস্থল হওয়া সত্বেও গত ৫০/৬০ বছরে সেসবের কিস্যু হয়নি। বিগবাজার নামক একটি "মল" হয়েছিল সেটি এখন ত্যাগের মুখে!!
    তার ওপরে কলকাতা সিঙ্গুরের দূরত্ব ৪০ কিমি আর কলকাতা খর্গপুর ১৪০।
    শিল্পপতিরা তাদের শিল্প বোঝেনা এমন ব্যপারটা ধরে নেওয়ার কোন কারণ আছে বলে আমার মনে হয়না।
  • PM | ১০ মে ২০১৬ ১০:২৩669892
  • বুদ্ধ যেন তেন প্রকরেন টাটাকে চাননি, পঃবঃ বাসী-র জন্য চাকরী চেয়েছিলেন। সিঙ্গুর অন্চলকে গাড়ি শিল্পের হাব বানাতে চেয়েছিলেন --যেটা এখন সানন্দ হতে চলেছে।

    ব্যাপারটা আপনার বোঝা মুসকিল কল্লোলদা, কারন আপনি মনে করেন ---
    "পঃবঃ এ শিল্পের প্রয়োজন নেই, যদি কেউ শিল্পে কাজ করতে চায় কর্নটকে, ছত্তিস্গড়ে যাক"----- এই যার ঘোষিত অবস্থান তকে জব ক্রিয়েসনের গুরুত্ব বোঝানো মুসকিল হি নেহি নমুম্কিন হ্যায় ঃ)
  • lcm | ১০ মে ২০১৬ ১০:২৮669893
  • বুদ্ধদেববাবু অটো হাব বানানোর প্লান করে থাকলেও, সিঙ্গুর এলাকায় কি করে এত জমি পেতেন। গুজরাটে সানন্দ এলাকায় ২০০৭ সালেই মোদি প্রায় ৬০০০ একর জমি নিয়েছে অটো হাব বানানোর জন্য। পরে আরো বেড়েছে।
    এত জমি কি নেওয়া যেত সিঙ্গুর এলাকায়।
  • sm | ১০ মে ২০১৬ ১০:৩৩669895
  • #বোঝে।
  • sm | ১০ মে ২০১৬ ১০:৩৩669894
  • শিল্প পতিরা শিল্প বিলক্ষণ বজে; আর সঙ্গে নিজের আখের গোছানো টাও।এক কালে এই টাটা জামশেদপুর নামক বন ও আবাদী জমির ওপর উনবিংশ শতাব্দিতে ইস্পাত কারখানা গড়েছিল।
    দুর্গাপুর জঙ্গল ছিল।রৌরকেল্লা, ভিলাই কোনো A1 সিটি ছিল না।ইভেন সানন্দ ও কোনো পাঁচতারা হোটেল সম্বলিত জায়গা নয়।উত্তরাখন্ড এর কারখানা অঞ্চল ও নয়।
    তো খরগপুর তো সেই তুলনায় স্বর্গ মহায়!
  • cm | ১০ মে ২০১৬ ১০:৩৫669896
  • কল্লোলদাকে ছেড়ে দেননা আপনারা। অলীক স্বপ্ন বয়ে বেড়াবার কাজটাও কাউকে করতে হবে তো নাকি? এই স্বপ্নগুলো হারিয়ে গেলে চলবেনা।
  • PT | ১০ মে ২০১৬ ১০:৩৯669897
  • "খরগপুর তো সেই তুলনায় স্বর্গ মহায়"
    এইসব আবোল তাবোল সুকুমার বাবুও ভাব্ননি কখনো। আত্মীয়দের হার্ট এটাক হওয়ার পরে কম করে তিন ঘন্টা লাগবে কোলকাতায় পৌঁছতে। তাও যদিনা অসময়ে সাঁতরাগাছী ব্রিজের বোতলের গলার কাছে লরি-ট্রাকের ভীড়ে আটকে যান। তখন একমাত্র কপাল ভরসা!!
  • dc | ১০ মে ২০১৬ ১০:৪০669898
  • cm, "শিল্পসম্ভাবনা শেষ হয়নি। ওটাই বামফ্রন্টের এজেন্ডা, এবং সে কথা বহু বার বলাও হয়েছে।"

    একমত। দেখা যাক, জোট সরকার যদি এবার ক্ষমতায় আসে, বা পরের বার যদি সিপিএম ক্ষমতায় আসে (পরের বার অবধি জোট টিকবে না), তো আবার হয়তো শিল্প স্থাপনের উদ্যোগ নেবে আর আগেরবারের ভুলগুলোর থেকে শিক্ষা নিয়ে সফল হবে। তবে পবতে লিগ্যাসি ব্যাগেজ আর ইমোশনাল ব্যাগেজ এতো বেশী যে সফল হবে কিনা জানিনা - যেমন দেখুন কল্লোলবাবু লিখলেন, "বুদ্ধবাবুর এই যেন-তেন-প্রকারেণ শিল্প মেনে নিতাম যদি তিনি নিজেকে মার্কসবাদী না বলতেন" - মানে পবতে হয়তো "মার্কসবাদী" নামের মঙ্গলগ্রহ থেকে আসা একটা জীবের পাবলিক ইমেজ আছে যারা শিল্পটিল্পর ধার ধারেনা।

    PT খড়গপুর সম্বন্ধে যেটা বললেন সেটা একেবারেই ভুল লজিক। খড়গপুরে যদি টাটারা জমি চেয়ে থাকে, আর ওদের যদি মনে হয়ে থাকে যে খড়গপুরে বানালে কস্ট এফেকটিভ হবে, তাহলে ওখানে কারখানা বানালে সেখানে আস্তে আস্তে নানান ফেসিলিটি ঠিকই গড়ে উঠত। কারন বড়ো ইন্ডাস্ট্রি হলে তার সাথে সাথে আরো অনেক অ্যান্সিলারি আসে, আরো অনেক সার্ভিস জব ক্রিয়েটেড হয়। তবে টাটারা যদি বলে থাকে যে না ওরা সিঙ্গুরে করতে চায় কারন সেখানে বেশী কস্ট এফেকটিভ হবে, তাহলে বামফ্রন্ট সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহন করে কোন ভুল করেনি। (এখন কনফুইশান তৈরি হয়েছে টাটারা কি চেয়েছিল সেই নিয়ে)।
  • PT | ১০ মে ২০১৬ ১০:৪৩669900
  • এও কি সেই একই প্যাটার্নের তক্ক? নিজেরা বড় শহরের সব সুখ-সুবিধে উপভোগ করে অন্যদের জঙ্গলে পাঠানো?
    আর এখনকার কারখানায় যারা চাকরী করবে তারা জঙ্গল কেটে বসত বানাবে না। সে রকম অবস্থা দেখলে লুরু-পুণে পাড়ি জমাবে।
    ৫০ বছর আগের তরুণ আর এখনকার তরুণদের মধ্যে প্রত্যাশা, আকাঙ্খার মাত্রাই অন্য রকমের। সেসব জটিল ব্যাপার যারা কোনদিন একটা পানের দোকানও চালায়নি তারা বুঝবে কি করে?
  • lcm | ১০ মে ২০১৬ ১০:৪৪669901
  • খড়গপুর বাজে, নো বিরিয়ানি।
    সিঙ্গুর ভালো, লট্‌স্‌ অফ্‌ বিরিয়ানি।
  • PT | ১০ মে ২০১৬ ১০:৪৭669902
  • "তাহলে ওখানে কারখানা বানালে সেখানে আস্তে আস্তে নানান ফেসিলিটি ঠিকই গড়ে উঠত। "
    কি লিখেছি পড়েননি বুঝলাম। রিপিট করিঃ
    একটি IIT, যেখানকার ক্রয়ক্ষমতার গড় মারাত্মক রকমের বেশী, একসময়ের বিস্তর কল-কারখানা (টাটাদেরই) ও ভারতীয় রেলের অতি প্রয়োজনীয় একটি কেন্দ্রস্থল হওয়া সত্বেও গত ৫০/৬০ বছরে সেসবের কিস্যু হয়নি। বিগবাজার নামক একটি "মল" হয়েছিল সেটি এখন ত্যাগের মুখে!!
    তার ওপরে কলকাতা সিঙ্গুরের দূরত্ব ৪০ কিমি আর কলকাতা খর্গপুর ১৪০।
    ২০০৫/৬/৭/৮ যারা বাই রোড কলকাতায় যাতায়াত করএছে তারাই একমাত্র জানত যে সেই সময়ের যাত্রাপথ কতটা সময় খেয়ে নিত।

    টাটারা খুব ভাল করে খর্গপুরকে চেনে। TCPL ইত্যাদি সব ওখানেই ছিল।
  • dc | ১০ মে ২০১৬ ১০:৫২669903
  • PT বাবুর পোস্টের প্রেক্ষিতে তামিল নাড়ুর দুটো উদাহরন দি। এখানে দুটো জায়গা আছে, শ্রীপেরামবুদুর আর ওরাগরম। দুটোই শহর থেকে বাইরে, প্রথমটায় গ্রাম আর বসতি ছিল, চাষের জমি ছিল, পরেরটা একেবারে তেপান্তরের মাঠ ছিল। লাস্ট বছর দশেকে দুটো জায়্গাতেই লার্জ স্কেল ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেসান হয়েছে। শ্রীপেরামবুদুরে অনেক চাষের জমি নেওয়া হয়েছে, তবে কিনা চেন্নাইয়ের কাছে তো আর "মার্ক্সবাদী" বুজি বা সিপিআই(মাওবাদি) টাইপের পাবলিকের চাষ হয়না, তাই জমি নিতেও তেমন কোন ঝামেলা হয়নি আর ইন্ডাস্ট্রি বানাতেও না। তাছাড়া তামিল নাড়ু সরকার ইনফ্রাস্ট্রাকচার বানাতে অনেক ইনভেস্ট করেছে, ডায়রেক্ট পোর্ট অ্যাক্সেসের জন্য পেরিফেরাল রোড বানাচ্ছে। তো এসব জমি অধিগ্রহন, ইনফ্রা বানানো, এসব পবতে স্রেফ স্বপ্ন। ওখানে জমি নিতে গেলে বিশ্বব্যাপি সাম্রাজ্যবাদী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে নাটক-গান-কবিতা শুরু হয়ে যাবে, মাওবাদি নেতারা প্রেস কনফারেন্স ডেকে ফেলেবে। শিল্পপতিরা এতো হাঙ্গাম সহ্য করে পবতে কেন যাবে, যেখানে ভারতে অন্য অনেকগুলো রাজ্য আছে?
  • ranjan roy | ১০ মে ২০১৬ ১০:৫৫669904
  • কেন যে লোকে ফালতু তক্কো করে?
    ১) সানন্দ তো গান্ধীনগর থেকে মাত্র ১০ কিমি দূরে!
    ২) আর টাটারা যা চায় তাই তো দিতে হবে। শুধু জমি নয়, ওদের পুঁজি কম পড়েছে। তাই চড়া হারে সরকার ঋণ নিয়ে টাটাকে শস্তায় পুঁজি ধার দিল। ১% দরে; লম্বা সময় দিল সেটা ফেরত দিতে। এইভাবেই জনস্বার্থে ( জনগণের স্বার্থে) জনগণের অর্থে জনগণের সরকার শিল্প করে দিছিল। এ'রেই কয় জনগণতন্ত্র।

    ডিসি,
    বুদ্ধবাবু মোদীর পথে চলতে চান, চলুন না। অন্ততঃ শিল্প ও রোজগারের প্রশ্নে। কোন সমস্যা নেই তো!
    সমস্যা হল জনগণকে মার্ক্সবাদ/বিপ্লব এই সব ঢপ গেলানোয়।
    পুঁজিবাদী বাজারের নিয়মে নাচতে হয় তো মার্কসবাদী ঘোমটার তলায় কেন?
  • dc | ১০ মে ২০১৬ ১০:৫৬669905
  • PT, টাটাদের তরফে জমির চয়েস নিয়ে আমি প্রশ্ন করিনি। যদি এমন হয় যে ওরা নিজেরা সিঙ্গুরকে প্রেফারেবল বা বেশী প্রফিটেবল মনে করেছিল তাহলে বামফ্রন্ট ক্যাবিনেট সিঙ্গুরে জমি নিয়ে কোন ভুল করেনি। বড়ো প্রোজেক্ট বানানোর জন্য যদি চাষ জমি নিতে হয় তো তাতে কি ভুল সেটা আমি বুঝিনি (আরেকবার লিখি, এখন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসার্ভেশানের ফলে কনফিউশান তৈরি হয়েছে টাটারা কি চেয়েছিল সেই নিয়ে)।
  • sm | ১০ মে ২০১৬ ১০:৫৭669906
  • পিটি, যুক্তিহীনের যুক্তি করছে।আবার পড়ুন, উনবিংশ শতাব্দীর জামশেদপুর আর বিংশ শতাব্দীর খরগপুর।যারা একশ বছরের আগে জামশেদপুর করেছে; তারা খরগপুর নিয়ে কেন বিচলিত হবে?
    সানন্দ জায়গাটা কেমন জানেন?
  • কল্লোল | ১০ মে ২০১৬ ১০:৫৯669907
  • তাই বলে সিঙ্গুরের চার ফসলী জমিতে শিল্প করতে হবে?
    টাটাকে খয়রাতি না করে, খ্ড়্গপুরের ইন্ফ্রাস্ট্রাকচরে খরচ করতেই পারতো। ৩৪ বছর ধরে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকার কি দরকার chhilo

    জব ক্রিয়েশন করতে গিয়ে রাজ্যটা মমতার হতে তুলে দেওয়ার কোন কারন ছিলো কি?

    শিল্প-টিল্প হোক কিন্তু কৃষি বাঁচিয়ে। ওটাই ভিত্তি। ওটাকে ভুলে গেলে চাপ আছে। আমরা নাট-বল্টু খাবো না।
  • ranjan roy | ১০ মে ২০১৬ ১১:০১669908
  • পিটি বলছেনঃ
    "সেসব জটিল ব্যাপার যারা কোনদিন একটা পানের দোকানও চালায়নি তারা বুঝবে কি করে?"
    -- রাইট য়ু আর!

    আমার বিনীত প্রশ্নঃ
    ১) আপনি কী কী দোকান চালিয়েছেন? এত বুঝে গেছেন তো অসংখ্য তো বটেই!
    ২) মার্ক্সবাদী নেতারা পুঁজিবাদী বাজারে কী কী দোকান চালিয়ে সব বুঝে গেছেন? বিশেষ করে বুদ্ধবাবু?
    ৩) সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের কোন দোকান চালানোর অভিজ্ঞতা নেই, তাই তারা ব্যাগড়াবাবুদের মত কোশ্ন করছেন। এদের থেকে আপনি কী করে সুবিচার আশা করেন?
  • dc | ১০ মে ২০১৬ ১১:১২669909
  • "সমস্যা হল জনগণকে মার্ক্সবাদ/বিপ্লব এই সব ঢপ গেলানোয়।"

    ঠিক :d

    "বিপ্লব আসছে" নামের খুড়োর কল অন্তত নব্বুই দশক অবধি ঝোলানো হয়েছিল, কিন্তু বুদ্ধবাবু সেখান থেকে বেরিয়ে এসে বুঝেছিলেন যে টাকার কোন কালার নেই, কয়েকটা বড়ো ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তুলতে পারলে রাজ্যটার ইকননিক প্রোগ্রেস হতে পারে। আমি ওনাকে সমর্থন করতাম বা করি কারন উনি প্র্যাগম্যাটিস্ট ছিলেন (নিজেই বলেছিলেন), থিওরির ধার ধারেন নি, একটা ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজড রাজ্য গড়ার জন্য প্র্যাক্টিকালি যা করা দরকার তাই করার চেষ্টা করেছিলেন। আশা রাখি যে জোট ক্ষমতায় এলে ওনারা আবার শিল্প গড়ার উদ্যোগ নেবেন।
  • S | ১০ মে ২০১৬ ১১:৩৩669911
  • লোকে দেখি বড্ড গুলিয়ে দেয়।

    বুদ্ধবাবু তো প্রথম থেকেই বলেছিলেন প্র্যাগমাটিজম চাই - ডগম্যাটিক বামপন্থা নয়। চাকরী চাই - ভাষণ দিয়ে হবেনা। আমাদের ছেলেরা কেন ব্যাঙ্গালোর, চেন্নই যাবে। অতেব উনি অন্তত মার্ক্সবাদের ঢপ দেননি। আর বুদ্ধবাবুর মডেলটা মোদির নয় চীনের মডেল।

    অন্যদিকে পবে বেসরকারী বিনিয়োগ হয়্না কেন? তার কারণ জমি ঠমি না। আসল কারণ হলো ব্যাগরা। টাটারা তার পরেও আসতে চেয়েছিলো। এবং ভুল করেছিলো। কারখানা তো হলই না, উল্টে এখনো তার রেষ চলছে। অন্য কোনো প্রদেশে এরকম হয়না। রিসেন্ট আরেকটা কেস দেখলাম উড়িষ্যাতে।

    আর এখানে লোকের কথা শুনে যা বুঝলাম সক্কলে দাদুর খুব বড় ভক্ত। উনি কিস্যু করে যান নি। রাজ্যটাকে পুরো ভিখিরি করে দিয়ে গেছিলেন। ভাটের বামতন্ত্র আর সাম্রাজ্যবাদের কালো হাত গুঁড়িয়ে দাও টাইপের ঢপের কেত্তন উনিই চালু করেছিলেন - দেখছি সেসব আপনাদের খুব প্রিয়। সেসব উনার আমন্ত্রনে ভালৈ খেয়েছেন আর তার ঢেঁকুর এখনো তুলছেন। একই সাথে বামেরা ৩৪ বছর কিছু করেনি আর বুদ্ধ বাবু কেন শিল্প আনতে গেছিলেন এই দুটোর সমালোচোনা চলেনা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন