এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ০৮ আগস্ট ২০১২ ২০:৩০33570
  • ব্যাং, তোমাদের সেই দারোয়ান আসামের লোক না?তাকে ঐ কাগজটা পড়িয়ে শোনাতে বলো না।
  • | ০৮ আগস্ট ২০১২ ২০:২৬33569
  • ব্যাঙ খুব ভালো করেছিস। এই রকম ভাবে যদি সবাই ভাবতে পারতাম...
  • ব্যাং | ০৮ আগস্ট ২০১২ ২০:২৫33568
  • কী জিনিস?
  • pi | ০৮ আগস্ট ২০১২ ২০:২৪33567
  • যাক, শেষমেশ তো ভাল হয়েছে। তবে এর জন্য তোমাকে একটা জিনিস পাঠাবো কিনা ভাবছি ;)
  • ব্যাং | ০৮ আগস্ট ২০১২ ২০:২২33566
  • আপাতত, কিছুদিন সকালবিকেল আমি তার খোঁজখবর নেব। স্কুলে ভর্তির চেষ্টাও করব। তারপর কী হবে জানি না। মালিক তাকে কোথাও পাঠিয়ে দেবে, নাকি তার বাবা-মা আসবে, কিছুই জানি না। কী জানি, কী হবে!
  • ব্যাং | ০৮ আগস্ট ২০১২ ২০:১৭33565
  • কিকি, পাই, শ্রাবণী,
    এই বাচ্চাটির বাড়ি আসামে। বাবা-মা তাকে জন্মের শোধ বিদায় জানিয়েছে। বাবার পরিচিত এক "কাকা"র সাথে সে আসাম থেকে লুরু এসেছে। একটা ছোট্ট সাতবছরের ছেলে। ছেলেটাকে এখানে একটা ছোট্ট ফুলের দোকানে সারাদিন বসে থাকতে দেখতাম। কয়েকবার কথা বলে জেনেছি, তার এই কাকা তাকে আসাম থেকে এখানে নিয়ে এসেছে, এখানে কাজ করতে করতে স্কুলে পড়বে বলে। এখানে আসার পরে সে আজ অব্দি কোনো স্কুলে যায় নি। রোজ ফুলের দোকানে সারাদিন বসে থাকে। বসে থাকে, মানে সকালবেলায় অটো থেকে ফুল নামায়, ফুলের তোড়া বানায় তার, ব্লেড, বেত, বাঁশের কঞ্চি এসব ব্যবহার করে দোকান ঝাঁট দেয়, মোছে, দুপুরে দুটো রুটি আর সম্বর খেতে পায়। রাতে দোকান ভেতর থেকে বন্ধ করে দোকানের ভিতরেই শোয়। দোকান মানে একটা আট্ফুট বাই চারফুটের ঘুপচি, দরজাজানলা নেই, শাটার টেনে নামিয়ে ভিতর থেকে বন্ধ করে শোয়। সাতবছরের বাচ্চার ঐভাবে শুতে না জানি কেমন লাগে!
    অনেকবার ওকে জিজ্ঞেস করেছি, স্কুলে যেতে ইচ্ছে করে না, বন্ধুদের সাথে খেলতে ইচ্ছে করে না! উত্তরে হাঁ করে মুখের দিকে তাকিয়ে খুব ধীরে ধীরে ঘাড় নাড়ে।
    কয়েকদিন আগে রাত্তিরে নটার সময়ে ওখান দিয়ে ফেরার সময়ে দেখি তুমুল বৃষ্টির মধ্যে দোকানের সামনে ফুট্পাথে বসে মাথায় একটা প্লাস্টিক দিয়ে বসে আছে। কেন? না, কাকা দোকানে চাবি দিয়ে ওকে অপেক্ষা করতে বলে দুপুরে কোথায় গেছিল, এখনো ফেরে নি। ঐ দোকানের সামনের বড় দোকানের সিকিউরিটি গার্ডকে বলে সে রাতটা ছাদের নীচে কাটানোর ব্যবস্থা করি। ফোন করি ১০৯৮য়ে। চাইল্ড হেল্পলাইন। উত্তর পাই, এখন কেউ নেই। সকালের আগে সাহায্য করা সম্ভব না। পরের দিন সকাল থেকে যতবার ফোন করি, একই উত্তর পাই, "ম্যাডাম এখনো আসেন নি, এলেই আপনাকে ফোন করবে" ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনের সাথে যোগাযোগ করি, একটি লোকাল এনজিওর সাথেও।, কেউই সেদিন আসে না, শুধু আশ্বাস দেয় - তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছে সাহায্য করার, খোঁজখবর করছে। সন্ধ্যেবেলায় নিজেই দোকানে গিয়ে মালিকের খোঁজ করি, ছেলেটা শুধু বলে "কাকা মার্কেটে গেছে" দুদিন বাদে দেখি বাচ্চাটা আর দোকানে নেই। তার বদলে একটা কুড়ি-বাইশ বছরের ছেলে বসে আছে, তাকে শুধিয়ে জানতে পারি, বাচ্চাটিকে অন্য আরেক জায়্গার দোকানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। মালিক এখানে নেই, কাজে মাইসোর গেছে। বলে এসেছিলাম, - মালিক ফিরলেই বলবে বাচ্চাটিকে এখানে নিয়ে আসতে, নয়তো মালিকের কপালে দুঃখ আছে।
    যাদের সাথে যোগাযোগ করছিলাম বাচ্চাটিকে সাহায্য করার জন্য, তাদের দুইজন খোঁজখবর নিয়ে জানান, তারা মালিকের সাথে কথা বলে জেনেছেন, বাচ্চাটির বাবা মালিকের থেকে টাকা ধার করেছিল, শোধ দিতে না পারায় বাচ্চাটিকে এখানে খাটতে পাঠিয়েছে, আর মালিক নাকি একটা স্ট্যাম্প পেপার দেখিয়েছে, তাতে নাকি অসমীয়া ভাষায় লেখা - বাবা বাচ্চাটির ভালোমন্দর সব দায় মালিকের ঘাড়ে চাপিয়েচেন। বলাই বাহুল্য, যারা মালিকের সাথে কথা বলতে গেছিলেন, কেউ অসমীয়া পড়তে জানেন না। ওনারা চাইল্ড লেবার রাখলে পুলিশের চক্করে পড়তে হবে, হাল্কা করে এই ভয় দেখিয়ে এসে আমাকে বলেন, থানাপুলিশের চক্করে গেলে বাচ্চাটি আরো বেশি অত্যাচারিত হবে, আমাকে ঠান্ডা মাথায় এগোতে বলেন। এনজিওর ছেলেটি গিয়ে কথা বলে আমাকে জানায়, এক্ষেত্রে কোনোভাবেই বাচ্চাটিকে চাইল্ড লেবার হিসেবে খাটানো হচ্চে এটা প্রমাণ করা যাবে না। ফুলের দোকানে বসাটা নাকি কোনোভাবেই চাইল্ড লেবারের আওতায় পড়ে না। আমিও পাড়ার মহিলাদের সাথে কথা বলে জানতে পারি, অনেকের বাড়িতে ডোমেস্টিক হেল্প হিসেবে বাচ্চাদের দিয়ে কাজ করালেও পুলিশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কিছু করতে পারে না, তাদের নাকি হাতপা বাঁধা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই "আমাদের আত্মীয়া, আমদের ছেলে, আমাদের বাড়ি থেকে লেখাপড়া করছে" এসব বলে পুলিশের হাতে টাকা গুঁজে দেওয়া হয়। আমিও ইতিমধ্যে নেট ঘেঁটে বিভিন্ন হোমে বাচ্চাদের উপর হওয়া অত্যাচারের ঘটনা পড়ে প্রমাদ গুণতে থাকি।
    আমি শুধু চাইছিলাম বাচ্চাটা একটা স্বাভাবিক জীবন পাক। বাচ্চাটাকে জোর করে টেনে এনে আমার বা কারুর বাড়িতে রাখা সম্ভব ছিল না, সেটা করলে পরবর্তী সমস্যাগুলো কী কী হতে পারে অ্যান্টিসিপেট করে বারবার সবাই আমাকে সাবধান করছিল। আজকে সকালে দেখলাম বাচ্চাটা হিহি করে শীতে কাঁপছে, গায়ে একটা পাতলা জামা। এসে গুরুতে লিখলাম। দুপুর নাগাদ মাথাটা এত গরম হল, দোকানে গিয়ে যাচ্ছেতাইরকমের চেঁচামেঁচি করে মালিককে ফোন করিয়ে দোকানে আসতে বাধ্য করলাম। আমার সাথে আমার এক বন্ধু ছিল। তা মালিকটি দেখলাম শান্ত টাইপের। সে প্রথমেই সব দায় বাচ্চার বাবার উপরে চাপাল। বাবাটির জন্যই তার এই ঝামেলা। রোজ নাকি লোকজন এসে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে, তার এত ঝামেলা ভালো লাগে না ইত্যাদি। তাকে বুদ্ধি করে আমি একটা প্রশ্ন করায় সে খুব ঘাবড়ে গেল, সেটা হল দোকানের লাইসেন্স আছে কিনা। সে নার্ভাস মুখে জিজ্ঞেস করল, আমারা সরকারি চাকরি করি কিনা। আমরা গম্ভীরমুখে শুধালাম, আইকার্ড দেখতে চায় কিনা। সে সবিনয়ে জানাল, সে গরীব, মুখ্যু আদমি, সে ওসব জেনে কী করবে। সে শুধু খেয়েপরে নির্ঝঞ্ঝাটে বাঁচতে চায় ইত্যাদি। অবশেষে সে রাজি হয়েছে বাচ্চাটিকে স্নেহসদন নামে একটি হোমে রাখতে। সে অনাথ আশ্রমটি আমার খুব চেনা, ওখানকার ফাদারের কাছে গিয়ে আমরা কথা বললাম, উনি যেহেতু বহুবছর ধরে আমাদের চেনেন, আমাদের অনুরোধে রাজি হলেন। বাচ্চাটি আপাতত ওখানে রাত কাটাতে পারে। দিনের বেলায় সে এখনো ঐ দোকানেই বসবে, যতদিন না তার কোনো স্কুলে অ্যাডমিশনের ব্যবস্থা করা যায়।
    আপাতত এই খবর।
  • | ০৮ আগস্ট ২০১২ ২০:১৬33564
  • সোসেন, ফিজিশিয়ান আমাকে অর্থোপেডিক কেই দেখাতে বলেছিলেন। আর বিশেষ করে ব্যায়ামে খুব ভালো ফল দিয়েছিলো। একজন মাস্টারমশাই হপ্তায় একদিন বাড়িতে আসতেন- তার অবদান ভোলার নয়।ব্যথা পুরো কমে গিয়েছিলো। আপনার রোগ কতটা জটিল জানি না,আমি ১০০ শতাংশ সেরে উঠেছিলাম। প্রত্যেক দিন নিয়ম করে আধঘন্টা অন্তত ৫ বছর ঐ ব্যায়ামগুলো করেছি।তবে গত আট বছর আর ব্যায়াম করা হয় না,ফলে সেই অসুখ মাঝে মাঝেই জানান দিচ্ছেঃ)
    তবে একটা জিনিস মনে পড়লো, আমাদের গাড়িটাকে যখন পেছনের গাড়িটা ধাক্কা দিলো, প্রচন্ড দুলুনি শেষ হবার আগেই আমি ঘাড় ঘুরিয়ে কারসিটে বসে থাকা ছেলেকে দেখেছিলাম। প্রচন্ড ধাক্কা অথবা শকে তারপর থেকে ঘাড়ে মাঝে মাঝেই বেশ অস্বস্তি হতো। সেটা বেশ অনেকদিন ছিলো- তারপর আস্তে আস্তে দুটো একটা ফ্রিহ্যান্ড করে সে এখন গেছে।
  • | ০৮ আগস্ট ২০১২ ২০:১৫33563
  • হমমম...
  • aka | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৯:৫৭33562
  • হুঁ হুঁ আমি পারি অল্পক্ষণের জন্য। অবশ্য গ্রেট আর নন গ্রেটদের মধ্যে পার্থক্য অল্পই।
  • cb | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৯:৪৫33560
  • *তুলতে
  • sosen | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৯:৪৫33561
  • কলি দি
    কম কম টাইপ করব। :)
    কিন্তু আমায় সবাই তুমি বললে খুশি হই!
  • cb | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৯:৪৪33559
  • আমি পারি, চেয়ারে বা খাটে বসলেই পারি, ২ টো পা একসাথে তুলে
  • sosen | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৯:৪৩33558

  • আপনার কি এখন পুরো কিওরড?
    আমাকে আমার জেনেরাল ফিজিশিয়ান বলেছেন dorsal নার্ভ এর inflamation - নার্ভ রুট কে কোনো একটা স্পাইনাল ডিস্ক ঠেলে দিয়েছে/ বা রুট কোনো ভাবে damage হচ্ছে, যতবার ঘষা খাচ্ছে। উনি প্রাথমিক অসহ্য যন্ত্রণা টা কমিয়েছেন- কিন্তু আমাকে রেফার করে দিয়েছেন অর্থো।

    এখন টেস্ট ইত্যাদি হলে পর পরবর্তী স্টেপ গুলো নিতে পারব।
    আগেই আমার একটা একসিডেনটে পিঠের মাসল ক্ষতিগ্রস্ত। তাই ম্যাট্রেস আমাকে খুব সাবধানে বাছতে হয়। আমার অলরেডি বিন বালিশ বিন তোষক শোয়া সম্ভব নয়- পিঠের মাসলের সাপোর্ট লাগে। গাড়ি চালাতে সমস্যা হয়, রিভার্স নিতে পারিনা- পিছনে ঘুরতে পারিনা। মনে রাখতে হয়, কেউ ডাকলে হঠাত করে পিছনে যাতে না ফিরি। এই একসিডেনটের পর থেকে আমার ওজন ও বাড়ছে।
    এবার হাতের ব্যাপারটা তার সাথে কিছু রিলেটেড কিনা জানিনা। লং টার্ম এফেক্ট।

    :( ভাটের পাতায় সবাই এ নিয়ে অনেক উপকারী সাজেশন দিয়েছেন আমায়। কি বলে যে ধন্যবাদ জানাই! এতেই আমি ঠিক সেরে যাব-আটকায় কে?
  • Blank | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৯:৩৬33557
  • আমি বাঁ পা আর ডান পা এক সাথে তুলতে পারি না। পরে যাই। কিন্তু বা হাত আর ডান হাত একসাথে তুলতে পারি।
  • aka | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৯:৩৫33556
  • এখনি দেখলাম আমি বাঁ হাত, ডান হাত এবং বাঁ পা ও ডান পা তুলতে পারি।
  • Blank | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৯:১৯33555
  • ঠ্যাঙ্গ ভাঙা আর জোড়ার পরে আমার পায়ের মাসলে খুব ব্যথা ছিল। হাঁটতে পারতাম না। এক সপত মোম সেঁক ও নিলাম।
    তারপর চেপে চুপে হাঁটতে হাঁটতে এখন প্রায় কমে গেছে। এখন খালি অনেক ক্ষন চুপ চাপ বসে থাকার পর প্রথম দু এক কদম ফেল্লে ব্যথা ব্যথা লাগে।
  • শ্রাবণী | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৯:০৪33554
  • জ, তুই এরকম সময়ে কলকাতা যাস কেন?
    ব্যাং, আজ টাইমস অফ ইন্ডিয়ার নয়ডা পেজে চাইল্ড লেবারের ওপরে
    "minors being sent as maids by illegal placement agencies" একটা লেখা আছে। তাতে একটা হেল্পলাইনের নাম আছে, Childline-FXB suraksha, তবে এটা বোধহয় নয়ডা বেসড।
    Childline লুরু
    http://www.childlineindia.org.in/bangalore.htm
  • kk | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৯:০২33553
  • সু,

    তোমার মেল পাই নি তো! আমাকে ইয়াহু ডট কম এ raykris12 এ মেল করো।

    ওহে কিকি,

    স্যান ঠিকই বলেছে। ওরকম যেকোনো ওজন নিয়ে যাহোক টানামানি করলে লাভের চেয়ে ক্ষতি হবে বেশি। সব কিছুরই একটা নিয়ম আছে বুঝলে? তোমার উদ্দেশ্যটা কি আগে সেটা বলো সেই মতো তো প্ল্যান হবে? আর সবাই যেমন বলেছেন আমিও একমত হয়ে বলি যে নিজেকে সব সময় এত আন্ডার এস্টিমেট করো কেন? সবসময় আমি ল্যাদাড়ুস, আমি নির্জীব, আমি কোনো কাজের না এই রকম ভাবার কিছু নেই তো। প্রত্যেকটা মানুষই নিজের মতো করে ইউনিক।

    স্যান,

    ছবি না দেখাই ভালো, দেখলে কলিদিদা বলেই হয়তো ডাকতে!

    দমুদির সাথে খুব মিলে গেলো, সোসেন শুনলেই আমার সুষেনের কথা মনে হয়। কালই লিখবো ভাবছিলাম ঃ)।

    সোসেন,

    আপনাকে সবাই নানারকম উপায় বাতলাচ্ছেন, আমিও কিছু না বললে কির'ম দেখায়! ভাই, ব্যথাটাকে এত ইগনোর করবেন না। এখন কদিন এত টাইপ নাই করলেন? ব্যথা ইগনোর করে করে আমি খুবই খারাপ জায়গায় নিয়ে গেছিলাম। আমার শত্তুরেরও অমন কোনদিন না হোক,আর আপনি তো বন্ধুলোক।
  • | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৫৪33552
  • সোসেন, আমিও লিখি। ঠিক ঐ রোগটাই আমার হয়েছিলো। বাঁ হাত্টা তুলতে পারতাম না। ডাক্তার বিশ্রামের সঙ্গে ওষুধও দিয়েছিলেন আর পরে ফিজিওথেরাপি কত্তে বলেছিলেন। আমার কাঁধের মাসলগুলো ফুলে গিয়েছিলো- তো সে থেরাপির পর কিছুদিন ভালো ছিলাম তারপর আবার যে কে সেই।
    খালি মেঝেতে বালিশ ছাড়া দিনের পর দিন শুলে সর্বাঙ্গে বেশ ব্যাদনা হয়, তাই পাত্লা তোশক আর পাতলা বালিশ ঠিক আছে।
    সাঁতার খুব ভালো কাজ দেয় আর যোগব্যায়াম- ঐ দুটো করে মাসখানেকের মধ্যেই খুব ভালো ফল পেয়েছিলাম- ওষুধ আর খেতে হয় নি।

    যখন হয়েছিলো,তখন আমার ওজন ছিলো ৪৩ কেজি, আর আমি সারাদিন প্রচুর দৌড়োদৌড়ি করতাম। তবে একটা জিনিস উনি বলেছিলেন, যাদের ঘাড়টা ছোট, তাদের এই রোগটা হবার সম্ভাবনা বেশিঃ)
  • sinfaut | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৫০33551
  • আমার বিএমআই দেখলাম একদম পার্ফেক্ট।
  • san | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৪৮33549
  • জগা নামের পাগলের/সাধুর/ভিক্ষুকের রাঁধা খিচুড়ি। সাপোজেডলি সে সারাদিন যা যা ভিক্ষে পেত সব একসঙ্গে ফুটিয়ে রান্না করত রাতে।
  • j | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৪৮33550
  • কারেন গেলে তাহলে মোমবাতি সুশীল !
  • kumu | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৪৬33548
  • কোনটাই না,জ।আপাতত চাদরচাপা দিয়ে রেকিচি।নতুন খপোর কিছু নাই।
  • pi | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৪৫33547
  • জগাখিচুড়ির ব্যুৎপত্তি কী ?
  • j | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৪২33546
  • কুমু দি কি খপর?
    ব্যাটারি ঠিক হল ? না নতুন নিলেন
  • san | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৩৯33544
  • আকুপ্রেসার আর রেইকির তফাৎ ক্ষি? কেউ সহজ করে বুঝিয়ে দিতে পারেন? লিং দেবেন্না।
  • kumu | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৩৯33545
  • সদা তাইলে ছ ফুট,একিঞ্চি লম্বা,বাঃ বেশ।

    আচ্ছা,১২৭-৯৯-৪৬-১৫৬ এই আইপি টি কার?
  • sch | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৩৮33543
  • হ্যাঁ - পাই আকুপ্রেসারে খুব ভালো উপকার হয়। একটু কষ্ট করে নিজে ব্যাপারটা বুঝে নিলে আর কারো ওপর নির্ভর করতে হয় না। একটু বইইপত্র ঘেঁটে শেখা অসম্ভব কিছু না
  • j | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৩৬33542
  • ব্ল্যান্কবাবু - কলিকাতায় পৌঁছে দুরভাষে যোগাযোগ হইবে
  • pi | ০৮ আগস্ট ২০১২ ১৮:৩৫33541
  • সদা, তোর ঐ হাইটে, সমানুপাতে প্রস্থও বাড়লে দেখে ভয় কত্তো ঃ)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত