এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১০৯৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • j | ১৭ জুন ২০১৭ ১৬:৪১713162
  • তিনোক্যাম্পে

    বেশির্ভাগ অবিশ্যি পাল্টি খেয়ে বং জাতীয়তাবাদের ধুন তুলেছে, গোর্খা ভাই আমার - -আর নেই
  • sm | ১৮ জুন ২০১৭ ০৯:৩৯713163
  • আচ্ছা যারা ২০১১-র আগে দার্জিলিং আলাদা রাজ্য হোক বলে বাইটের পর বাইট খরচা করত তারা সব এখন কোথায় সেঁধিয়েছে?
    --
    অঞ্জন দত্ত আলাদা রাজ্য হোক এমন একটা দাবি নিয়ে লিখেছিলো বটে! তাঁর মতে আমরা মানে সমতলের বাঙালিরা নাকি তাঁদের বাঙালি মনেই করি না।
    তা, ওঁর মতো অজবুদ্ধি লোক এমন লিখবে তাতে আশ্চর্য্যের কি আছে?
    প্রশ্ন হলো, গোর্খারাও কি দার্জিলিং এর আদি বাসিন্দা? তাহলে লেপচারা ও এমন দাবি জানাতে পারে।
    দাবি জানালেই সেটাকে কার্যকরী করতে হবে এমন তো নয়।
    আমার মতে, শুনতে আজব ঠেকলেও; পুরো ভারত কে ভাষা ও জাতিভিত্তিক হিসাবে না ভাগ করে, আমেরিকার মতন চৌকো বাক্সের আকারে খান ৩০-৪০ রাজ্যে ভাগ করে দেওয়া উচিত।
    এ নিয়ে অন্তত দেশ জুড়ে মতামত নেওয়াও উচিত। বিতর্ক সভার আয়োজন করা উচিত।
    একবার সফল হলে প্রচুর উটকো সমস্যার সমাধান সম্ভব।
  • কল্লোল | ১৮ জুন ২০১৭ ১২:২২713164
  • মুস্কিলটা অন্য জায়গায়।ইউরপীয় ভাবধারায় উজ্জিবীত হয়ে আমাদের পূর্বমানুষেরা নেশন স্টেটের ধারনায় মশগুল হয়ে ভুলে গেছিলেন যে ভারত কোন জাতি রাষ্ট্র নয়, বরং বহুজাতির সমন্বয়ে এক উপমহাদেশ, যাকে ইংরাজেরা তাদের শাসনের সুবিধার জন্য একটা রাষ্ট্র বানিয়েছিলো আফগানিস্তান থেকে বার্মা পর্যন্ত শ্রীলঙ্ককে নিয়ে (বৃটিশ আমলে জাতীয়তাবাদীদের ভারতমাতার অবয়ব দ্রষ্টব্য)।
    যথাকালে সেই ধারনা হতে অসমিয়া, বাঙ্গালী, ওড়িয়া, তেলেগু, তামিল, মালায়া৯, গুজরাতি, মাড়ওয়াড়ি, মেওয়ারী ইত্যাকার জাতি ও জাতীয়তাবাদের উদ্ভব।
    এখন ঠেলা সামলাও।
  • PT | ১৮ জুন ২০১৭ ১২:৫৫713165
  • ২০১১-র পরিবর্তনের আগে পর্যন্ত অনেক পন্ডিতেরা গোর্খাল্যান্ডের সমর্থনে বক্তব্য রেখেছে। তিনো আমলেও কি সেই দাবী জারি আছে?
    বর্তমানে গোর্খাল্যান্ড হলে কি ঠ্যালা সামলানো যাবে? সেই পন্ডিতেরা এখন মুখ খুললে ব্যাপারটা খোলসা হয়।
  • SC | ১৯ জুন ২০১৭ ০৬:৩৮713166
  • গোর্খাল্যান্ড এর দাবি তো ন্যায্য দাবি। বাঙালিদের এতো অসুবিধে হচ্ছে কেন গোর্খাল্যান্ড কে আলাদা রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিতে। আলাদা ভাষা, আলাদা সংস্কৃতি গোর্খা দের, বহু যুগ ধরে বাঙালি রা চা বাগানের শ্রমিক আর আর্দালি করে রেখে দিয়েছে এদেরকে। এখন আবার মমতা সরকারের দাবি বাংলা বাধ্যতামূলক! ইয়ার্কি হচ্ছে?
    আজকাল তো দেখি বাঙালি জাতীয়তাবাদের ঢল নেমেছে। সেই ফেবু তে কি একটা ভাইরাল লেখা দেখছিলাম, বাঙালি আজকে নবমীর বদলে নবরাত্রি পালন করছে, হিন্দি আগ্রাসন প্রভৃতি নিয়ে কান্নাকাটি। তিনুদের সেই একটা ভীষণ আমরা বাঙালি টাইপের লোক আছে, বাংলা বাধ্যতামূলক হয়েছে বলে আবেগঘন ভাষণ দেন। তো বাঙালি রা নিজেদের ভাষা আর সংস্কৃতির উপরে আগ্রাসন নিয়ে তো খুব সেয়ানা, কিন্তু গোর্খাদের ব্যাপারে কথা হলে তখন একেবারে অন্য মূর্তি ধরে "অখণ্ড বাংলা" ইত্যাদি আলবাল বকতে আরম্ভ করেন।

    গোর্খারা আলাদা রাজ্য পেলে বাঙালিদের এতো সমস্যা হচ্ছে কেন? অনেক ছোট রাজ্যই হয়েছে। তেলেঙ্গানা হয়েছে, ঝাড়খন্ড হয়েছে, উত্তরাঞ্চল হয়েছে। গোর্খাদের রাজ্য দিলে কোনো মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে না।
    আমার মনে হয় সমস্যা দুটো। মধ্যবিত্ত বাঙালিদের রাজনৈতিক দল, আগে সিপিএম, এখন তৃণমূল এটা জানে, গোর্খাল্যান্ড রাজ্য হলে সেখানে রাজনৈতিক জমি হারাবে। ওই হিল কাউন্সিল জাতীয় একটা সেকেন্ড ক্লাস বডি তৈরী করে গোর্খা দের সিপিএম এবং তৃণমূল যেভাবে প্রতিটি পাই পয়সার জন্য ডিপেন্ডেন্ট করে রেখেছে, সেটা আর হবে না। ওখানে নির্বাচনে জেতার ক্ষমতা এদের নেই।
    দ্বিতীয়ত, মধ্যবিত্তের দার্জিলিং এ গিয়ে ছড়ি ঘোরানোর ব্যাপার গুলো একটু কমে যাবে। সরকারি গেস্ট হাউস বুক করা, delo তে মিটিং করা, চা বাগানের রাজনীতি এবং পয়সার কর্তৃত্ব এগুলো খর্ব হবে। মধ্যবিত্ত বাঙালি কলকাতায় বসে যতই সাম্যবাদের চর্চা করুক, গোর্খাদের কোনোদিন সমমর্যাদা দেয়নি.। ওরা আর্দালি হয়েই থাকবে, বললে চা দিয়ে যাবে, "সার, সার" করবে, এর বাইরে মর্যাদা দিতে অসুবিধে আছে। যে কোনো বাঙালি দের পার্টি, সিপিএম হোক আর তৃণমূল গোর্খাদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য ব্যাবহার করবে, কিন্তু কোনোদিন এক চেয়ারে বসতে দেবে না।

    আরো হারামি হচ্ছে বিজেপি। প্রত্যেকবার এরা দার্জিলিং থেকে যেতে, গোর্খাল্যান্ড এর পক্ষে কথা বলে। এখন আবার কেমন, "আমরা কোনোদিন এরকম কমিটমেন্ট দিইনি" বলছে। আরে, আহলুওয়ালিয়া তো টেপে, অন রেকর্ড, গোর্খাল্যান্ড কে সমর্থন করছে, ভোটের আগে স্পিচে। ফাজলামো হচ্ছে! এতখানি নির্লজ্জ রাজনৈতিক দল দেখিনি। পুরো রাস্তার কুকুরের মতো ব্যবহার করে এরা সবাই গোর্খাদের সাথে। একটা হাড় ছুঁড়ে দেয়, জিতলে আমরা গোর্খাল্যান্ড দেব বলে, তারপরে বলে "যা! আমরা তো ইয়ার্কি করছিলাম"।

    আমার মনেহয় গোর্খাদের যেটা করা উচিত, আরো ফার্ম স্ট্যান্ড নেওয়া উচিত। এই বিজেপিকে পরিষ্কার বলার সময় এসেছে, যে আজকে যদি সমর্থন না দাও, পরের নির্বাচনে পাহাড়ে যাতে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়, তার ব্যবস্থা করছি। আর এই বিমল গুরুং এর কিরকম জনভিত্তি জানি না। সেরকম জনভিত্তি থাকলে লং টার্ম বন্ধ ইত্যাদি ডেকে দার্জিলিং এ মধ্যবিত্ত বাঙালি টুরিস্ট কদিন ঢুকতে দেওয়া উচিত নয়। গোর্খাদেরকে সেকেন্ড ক্লাস সিটিজেন হিসেবে treat করে বাঙালি রা যদি ভাবে দার্জিলিং এ গিয়ে ছড়ি ঘোরাবে, গোর্খাদের বুঝিয়ে দেওয়া উচিত সে দিন আর নেই।

    হয়তো এসব কিছুই হবে না। এদের সব লিডার ই করাপ্ট, তৃণমূল টাইপের দলগুলো সেটিং করে নেবে, কিছু নেতা কিনে নেবে, অডিট ইত্যাদির ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেবে। কিংবা বিজেপি আবার খুড়োর কল দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেবে। তবু, শুভেচ্ছে রইলো। নেপালি ছেলেটা গিটার হাতে, যেন তার ভাষাতেই গাইতে আসে, কোলকাতাতে।
  • কল্লোল | ১৯ জুন ২০১৭ ০৮:৪০713167
  • এসসিকে দুহাত তুলে সমর্থন।
    প্রশ্ন উঠতে পারে দার্জিলিংএর অন্য জনজাতিদের কি হবে? ওখানকার ভুমিপুত্র লেপচা, শেরপা, ভোট, তিব্বতী এরকম আরও নানা জাতি আছে এখানে। তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা চালিয়ে বা আন্দোলন করে ঠিক করে নেবে।
    পাহাড় কোনদিনই সংস্কৃতি বা জাতিগতভাবে বাংলার অংশ নয়। দার্জিলিং অঞ্চলটি, ভূটনের রাজার থেকে কিনে নেয় ইংরেজরা।
    হ্যাঁ, দার্জিলিং আলাদা হলে, ডুয়ার্স আর শিলিগুড়ি সমতল অংশ বাংলাতেই থাকা উচিত।
    প্রত্যকটি জাতির আত্মনিঅয়ন্ত্রনের অধিকার আছে। উঃপূঃ, কাশ্মীর, যেখানেই মানুষ যেভাবে আলাদা হতে চাইছে, সেটা মেনে নেওয়াই উচিত।
  • PT | ১৯ জুন ২০১৭ ০৯:১৩713168
  • কামতাপুরিও বোধহয় বাংলার অংশ নয়। সম্ভবতঃ জঙ্গলমহলের একটা বিস্তীর্ণ অঞ্চলও "সংস্কৃতি বা জাতিগতভাবে" বাংলার অংশ নয়। আর প্রাচীনকালে নাকি গোটা বাংলাই ভারত ভূখন্ডের অংশ ছিল না। সেখানকার আদিবাসী মানুষগুলো পাখীর ভাষায় কথা বলত আর কিসব উৎপটাং তান্ত্রিকতায় বিশ্বাস করত।

    সব কেটে টুকরো করে দিলে শান্তি হয়?? হবে তো? "`"সংস্কৃতি বা জাতিগতভাবে" একই রকমের মানুষেরা যদি নিজেদের মধ্যে সব ঠিকঠাক করে নিত.......
    তাহলে পাকিস্থান কেটে বাংলাদেশের সৃষ্টি হত না......
    তাহলে পাকিস্থানের মুসলিম মৌলবাদীরা মসজিদে বোমা ফাটিয়ে মুসলমান মারত না......
    তাহলে বাংলাদেশে মুজিবরের গোটা পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হত না বা এখন মুক্তচিন্তার ব্লগারদের মরতে হত না.....
    তাহলে ইরাক-ইরান যুদ্ধ হত না....
    তাহলে কাতারকে সৌদিরা অবরুদ্ধ করে রাখত না.....
    তাহলে ইওরোপে দু দুটো বিধ্বংসী বিশ্বযুদ্ধ হত না......

    তাহলে এটাও হত নাঃ
    Gorkha Janamukti Morcha (GJM) activists put up roadblocks on the road leading to Darjeeling on Saturday, forcing the vehicle carrying Dhankumari Ghising’s body to return to Siliguri..
    একই সংস্কৃতির ও একই জাতির মানুষেরা মৃতদেহকেও তো দেখছি ঘৃণা করতে দ্বিধা করেনা।
  • সর্বহারা | ১৯ জুন ২০১৭ ০৯:১৫713169
  • এসব জাতিফাতি ছাগল বানাবার কৌশল, যারা ছাগল বানাতে চায় তারা সমর্থন করবে সন্দেহ নাই। দুনিয়ার মজদুর এক হও।
  • কল্লোল | ১৯ জুন ২০১৭ ০৯:২৪713170
  • সমস্ত সমস্যার সমাধান নিশ্চই জতিসমস্যার সমাধানের মধ্যে নেই। কিন্তু অনেক সমস্যার মধ্যে জাতিসমস্যাও একটা, সেটার সমাধান প্রত্যকটি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রনের মধ্যেই আছে।
    পিটি। কি লেখেন তা নিজেই বোঝেন না। উনি লিখছেন - "সব কেটে টুকরো করে দিলে শান্তি হয়?? হবে তো? "`"সংস্কৃতি বা জাতিগতভাবে" একই রকমের মানুষেরা যদি নিজেদের মধ্যে সব ঠিকঠাক করে নিত.......
    তাহলে পাকিস্থান কেটে বাংলাদেশের সৃষ্টি হত না......"
    হাসিও পায়। আসলে মাথায় ঢুকে আছে "মুসলমানেরা একটি জাতি"।
    একটু পড়াশোনা করলেও তো পারেন। জাতি সমস্যা নিয়ে স্তালিনের একটা চমৎকার লেখা আছে। পড়ে নিন।
    যাই হোক এই নিয়ে আপনার সাথে আর কোন বিনিময় নয়।
  • sm | ১৯ জুন ২০১৭ ০৯:৫০713173
  • কিন্তু কল্লোল বাবু, পিটির কথা বাদ দিন। পাহাড় কোনোদিন বাংলার অংশ ছিলোনা বা ভুটানের রাজার কাছে কিনে নেওয়া - এসব গল্প গাঁথার মানে কি? তার মানে দার্জিলিং কি ভুটিয়া দের? যেহেতু ভুটানের রাজার কাছ থেকে কিনে নেওয়া হয়ে ছিল। তাহলে গোর্খারা কি করে গোর্খা ল্যান্ডের দাবি করে? ওঁরা কি ভুটানি?
    কামতাপুরি রা কি দোষ করলো? ওরাও তো বলতে পারে কুচবিহার রাজার অধীনে যে টুকু অংশ ছিল- সেটা আমাদের।আমরা বাঙালিদের সঙ্গে একাত্ম বোধ করিনা।
    পুরুলিয়া পশ্চিম বঙ্গের অংশ ছিল না। ওটা এক্সচেঞ্জ হয়েছে বিহারের সঙ্গে।তাহলে পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল কি ঝাড়খন্ড বা নিউ ঝাড়খন্ড নামক কোনো কল্পিত রাজ্যের অংশ হবে?
    তেলেঙ্গানা নিশ্চয় দার্জিলিং এর চেয়ে অনেক বড়ো।তো তেলেঙ্গানা হয়েছে বলে দার্জিলিং ও আলাদা রাজ্য হবে?
    মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও ওপার বাংলার খুলনা- সাতক্ষীরে এক্সচেঞ্জ হয়েছিল। তো ওগুলো কি, রি এক্সচেঞ্জ হবে, না মালদা মুর্শিদাবাদ আলাদা রাজ্য করে দিতে হবে?
    উত্তর পূর্ব রাজ্য গুলি কি ভারত থেকে আলাদা করে দেওয়া হবে? কারণ ওটিকে মূল ভারত বাসী অবজ্ঞার চোখে দেখে। অন্তত, বাঙালিরা গোর্খা দের যে অবজ্ঞার চোখে দেখে তারচেয়ে বহু গুন্ বেশি।
    আবার এটাও মনে রাখতে হবে গোর্খা লোকজন ও কিন্তু বাঙালি লোকজন কে বেশ কিছু খাতির করা দৃষ্টি তে থাকে না।
    পৃথিবী তে বহু ছোট দেশ রয়েছে। যেমন ভ্যাটিকান। এই উদাহরণ সামনে রেখে উত্তর পূর্বে ৯ টা রাজ্য কে অন্তত ৯০ তা দেশে পরিণত করা যায়। কারণ ওখানে শতাধিক ভিন্ন ভিন্ন আদিবাসী গোষ্ঠী বাস করে যাদের জাতি ধর্ম আলাদা ও স্বতন্ত্র।
    তাঁরা যে আলাপ আলোচনা মাধ্যমে সব কিছু মেনে চলবে; এটা আপনাকে কে বললো? কারণ এঁদের মধ্যে মারা মারি কাটা কাটি লেগেই থাকে।
  • PT | ১৯ জুন ২০১৭ ০৯:৫০713172
  • সেই বিকৃতির চক্করের কারণেই হাসি পাচ্ছেঃ
    "তাহলে পাকিস্থান কেটে বাংলাদেশের সৃষ্টি হত না......
    তাহলে পাকিস্থানের মুসলিম মৌলবাদীরা মসজিদে বোমা ফাটিয়ে মুসলমান মারত না......
    তাহলে বাংলাদেশে মুজিবরের গোটা পরিবারকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হত না বা এখন মুক্তচিন্তার ব্লগারদের মরতে হত না....."
    এই তিনটে লাইন একসঙ্গে পড়ে তক্ক করতে হবে কল্লোলদা। তথ্য বিকৃতি করলে বিনিময়ের কোন জায়গাই নেই। "মর্কসবাদ ছাড়ি ছাড়ি তবু না ছাড়িতে পারি"-দের ব্যাপক সমস্যা.....

    এখনোতো ইওরোপ নিয়ে আলোচনা শুরুই হয়নি......টুকরো করা কোথায় থামাবে?
  • সর্বহারা | ১৯ জুন ২০১৭ ১০:৩৬713174
  • এই রইলেন স্ট্যালিন, https://www.marxists.org/reference/archive/stalin/works/1913/03a.htm তবে কিনা একদিকে মার্কসবাদ বিজ্ঞান বলে ঠাট্টা করব আবার আরেকদিকে সুবিধেমত স্ট্যালিন ভগবানকে কোট করব!
  • রামরাহা | ১৯ জুন ২০১৭ ১০:৪৩713175
  • ওপরের পোস্টের লিংকটার জন্যে ধন্যযোগ।
  • সিকি | ১৯ জুন ২০১৭ ১০:৫৬713177
  • বাঃ। এটা বেশ ভালো লিংক।
  • :( | ১৯ জুন ২০১৭ ১১:১৬713178
  • মার্ক্সিস্ট.অর্গ ওদের লেখাগুলো লেটেকে নিয়ে গেলেও তো পারে।
  • রামরাহা | ১৯ জুন ২০১৭ ১১:২০713179
  • রেফারেন্স ঘেঁটে গেছে নাকি? ফরম্যাটিং তো ঠিকই আছে মনে হল।
  • sm | ১৯ জুন ২০১৭ ১৩:২৯713180
  • Even though, it is the 5th largest in terms of its size, but due to the high debt burden of over Rs. 2.5 lakh Crores, West Bengal is practically bankrupt and is highly dependent on the Central Government and the revenues generated from the proposed Gorkhaland region for its sustenance and economic survival. A conservative estimate indicated that if the proposed Gorkhaland state is formed, West Bengal is expected to lose over 40% of its revenue stream.

    Read more at: http://www.merinews.com/article/why-gorkhaland-a-guide-for-starters/15889002.shtml&cp
    এই ঢপের লিংক টা হলো কাজের লিংক? এই উপেন্দ্র মনি কি রকম বিশেষজ্ঞ? এর কথা বিশ্বাস করে ধ্যান ধারণা পাল্টাতে হবে?
    বিশেষত লাস্ট বাক্য টা। পব নাকি ৪০ শতাংশ রাজস্ব হারাবে? টা এর পেছনে রেফারেন্স টা কি জানা যাবে; না উপেন্দ্র নিজে বানিয়ে বানিয়ে লিখেছে ধরতে হবে ?
    পুরো আর্টিকেল টাই আদ্যন্ত রাবিশ! গোর্খারা নিজেদের স্বাতন্ত্র সংস্কৃতি হারানোর ভয় পাচ্ছে কেন?
    তাহলে তো কলকাতায় কোনো অবাঙালি থাকলেই বাঙালি লোকেরা প্যানিকে ভুগবে। ভারতীয় যুক্ত রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্যই হলো ইন্টারমিনগলিং বা বিভিন্ন জনজাতির মধ্যে বেশি মেলামেশা।
    প্রচুর পাহাড়ি লোক তো কলকাতায় থাকে। তাতে কারোর আপত্তি আছে কি?
    আর দার্জিলিং যদি ব্রিটিশ রাই পবর অন্তর্ভুক্ত করে থাকে;তো তারা পার্লামেন্টে নিজেদের দাবি দাওয়া পেশ করে আলাদা রাজ্য তৈরী করে নিক না, কেন।
  • কল্লোল | ১৯ জুন ২০১৭ ১৩:৩১713181
  • আমি মার্ক্সবাদী নই। তা বলে মার্ক্স বা অন্য কোন মার্কসবাদীর ভালো লেখা/চিন্তা সমর্থন করতে পারবো না - এমন ফতোয়া কে দিলে? স্তালিনের অনেক কিছুই আপত্তিজনক, কিন্তু ওনার জাতিসমস্যা নিয়ে লেখাটি খুব ভালো। লেনিনের সব কিছু নাই মানতে পারি, তাবলে লেনিনের সাম্রাজ্যবাদ নিয়ে লেখা আমার তো অসাধারণ লাগে। মার্কসের সমাজতন্ত্র নিয়ে ধারনার সাথে আমি একমত নই। আমি মনে করি ওটিও পুঁজিবাদেরই রকমফের। তাবলে মার্কসের পুজিবাদের সমালোচনা আমি নেবো না কেন?

    এসএম। দার্জিলিং ভূটানের রাজার থেকে ইংরেজরা কিনে নিয়েছিলো। আমর স্মৃতি একটু বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। ওটি কেনা হয়েছিলো বা লিজ নেওয়া হয়েছিলো সিকিমের রাজার থেকে - In February 1829 dispute between Nepal and Sikkim arose regarding their borders (especially Ontoo Dara) and the then British Governor-General of India, Lord William Bentinck, sent two officers, Captain George Alymer Lloyd and J. W. Grant, to help resolve the situation. On the journey to Ontoo Dara the two officers stayed at Darjeeling for six days at "the old Goorka station called Dorjeling", which Lloyd noted was populated by "100 souls" of Lepchas, and were "much impressed with the possibility of the station as a sanatorium." On 18 June 1829, Lloyd communicated to the government regarding the possibility of Darjeeling serving as a sanatorium, while about the same time Grant also urged the government to acquire the tract.

    "From a report dated the 18th June 1829, in which he claims to have been the only European who ever visited the place, we learn that Lloyd visited the old Goorka station called Dorjeling’ for six days in February 1829 ... Darjeeling itself, though formerly occupied by a large village and the residence of one of the principal Kazis, was deserted, and the country round it was sparsely inhabited ... The hill territory of Darjeeling having thus been ceded, General Lloyd and Dr. Chapman were sent in 1836 to explore the country ... The country was still practically uninhabited ... About 10 years previously 1,200 able-bodied Lepchas, forming, according to Captain Herbert, two-thirds of the population of Sikkim, had been forced by the oppression of the Raja to fly from Darjeeling and its neighbourhood, and to take refuge in Nepal. What little cultivation there was, had been abandoned. [1]

    View of the Kangchenjunga peaks from Darjeeling
    Bentinck agreed to acquire the hill tract as a military outpost and sanatorium, acknowledging that it also offered strategic advantages as a military outpost and trading hub.[2] Captain Herbert, the Deputy Surveyor General, was then sent to Darjeeling to examine the area. The court of Directors of the British East India Company approved the project. General Lloyd was given the responsibility to negotiate a lease of the area from the Chogyal of Sikkim. The lease as per the Deed of Grant was granted on 1 February 1835 and runs as follows:

    "The Governor-General having expressed his desire for the possession of the hills of Darjeeling on account of its cool climate, for the purpose of enabling the servants of his Government, suffering from sickness, to avail themselves of its advantages, I the Sikkimputtee Rajah out of friendship for the said Governor-General, hereby present Darjeeling to the East India, that is, all the land south of the Great Runjeet river, east of the Balasur, Kahail and Little Runjeet rivers, and west of the Rungpo and Mahanadi rivers."[3]

    This was an unconditional cession of what was then a worthless uninhabited mountain, but in 1841 the British government granted the Chogyal of Sikkim an allowance of Rs. 100,000 per annum as compensation, and raised the grant to Rs. 6,000 per annum in 1846.
    https://en.wikipedia.org/wiki/History_of_Darjeeling
    আমি মনে করি সমস্ত জাতির আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার আছে এবং তা পাওয়াও উচিত।
  • রামরাহা | ১৯ জুন ২০১৭ ১৩:৩৮713183
  • জানার কোনো শেষ নাই
    জানার চেষ্টা বৃথা তাই।

    হীরকরাণীর শাসনে এবং টইয়ে এটাই স্বাভাবিক।
  • sm | ১৯ জুন ২০১৭ ১৪:৪২713184
  • কাল থেকে এস পান্ডের বই পড়ে ডাক্তারি শিখে নিও, কেমন।
    এক তো মার্ক্স্ এসে মগজ ধোলাই করে গেছে তার পর সাদা ধুতি পরে ফিল্টার উইলস খাওয়া পক্ক কেশ নেতারা
    একটা উপেন মনি র লেখা পড়েই উল্টে যাওয়ার দশা!
    আহা কি লিখেছে!কি জানে!
    তা,সিপুএম ক্ষমতায় থাকার সময় কি বলতো?গোর্খা দের ল্যান্ড দিয়ে নতুন রাজ্য বানিয়ে দাও?
  • রামরাহা | ১৯ জুন ২০১৭ ১৪:৫৫713185
  • লেখাপড়া করে যে
    অনাহারে মরে সে।
  • sm | ১৯ জুন ২০১৭ ১৫:০২713186
  • আমি মনে করি সমস্ত জাতির আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার আছে এবং তা পাওয়াও উচিত।
    ---
    প্রথম অংশ নিয়ে তো আপত্তি নাই। কিন্তু দ্বিতীয় অংশটা তো হজম হবার নয়। পাওয়ায় উচিত মানে কি? রাষ্ট্র দাবি না মানতেও পারে। সেটা রাষ্ট্রের অধিকার।
    আপনি যদি গোর্খা ল্যান্ড সাপোর্ট করেন তাহলে কামতা পুর রাজ্য, নব ঝাড়খন্ড, আলীবর্দীর বংশধর দের জন্য আলাদা মালদা মুর্শিদাবাদ- এগুলোতে আপত্তি আছে কি, কল্লোল বাবু? সিরিয়াসলি জানতে চাইছি।
    উত্তর পূর্ব ভারত কে ভেঙে ১০০ টা নতুন দেশ তৈরিতেই বা আপত্তি কোথায়?
    অরুণাচল এর লোকজন যদি চিনে চলে যেতে চায়; যেতে দেবেন?
    একটু গুছিয়ে উত্তর দিন। জাস্ট বিতর্কের জন্য জানতে চাইছি।
    ব্রিটিশ দের আসার আগে তো ভারত বলে কিছু ছিলই না। কতক গুলো রাজ্যের সমষ্টি ছিল। তো ভারত নামক রাষ্ট্র তো টিকেই আছে ব্রিটিশ রুলের মান্যতা দেওয়ার পর।
    তার পরে, আবার ভাঙা চোরা করা কি সমীচীন দাবি?
    দার্জিলিং সিকিম রাজার কাছ থেকে নিলেও ব্যাপার টা একই থাকে।গোর্খাদের নিজস্ব ল্যান্ড হয়ে যায় না।আবার দার্জিলিং কে সিকিমে ঢুকিয়ে দেওয়া যাবে? তারপর সিকিম যদি আলাদা দেশ হতে চায় ? আফটার অল সিকিম ও ভারতের প্রতিবেশী দেশই ছিল; কোনো এক কালে।
  • sm | ১৯ জুন ২০১৭ ১৫:০৬713187
  • এই নাম বদলানো ভাঁড় টি, এখনো টুথ পেস্টের বিজ্ঞাপন দিয়ে চলেছে! অনেকটা চারমূর্তির ঝন্টুরামের মতন।
  • রামরাহা | ১৯ জুন ২০১৭ ১৫:২৪713188
  • যায় যদি যাক প্রাণ
    হীরকের রাজা (থুড়ি, রাণী) ভগবান
  • সিকি | ১৯ জুন ২০১৭ ১৫:৫০713189
  • আদিগন্ত শ্বশুরবাড়ি :))
  • সর্বহারা | ১৯ জুন ২০১৭ ১৬:০৮713190
  • স্ট্যালিনের লেখা একটু খুঁটিয়ে দেখা হবে নাকি?
  • রামরাহা | ১৯ জুন ২০১৭ ১৬:৩২713191
  • হোক। শুধু এক্সটার্নাল নয়েজগুলো ইগনোর করবেন।

    (তবে এখনো পুরোটা পড়া হয়নি)
  • কল্লোল | ১৯ জুন ২০১৭ ১৬:৪১713192
  • মালদা বা মুর্শিদাবাদের মানুষেরা আলাদা জাতি কি না সেটা আগে ঠিক হোক। যদি নৃতত্ত্ববিদেরা তেমন দাবী করেন তবে নিশ্চই তাদের আত্মনিয়ন্ত্রনের অধিকার আছে। যেমন অরুণাচল। অরুণাচলের বাসিন্দারা মূলতঃ তিব্বতী-বর্মী জাতির। যদিও এদের মধ্যে আক্কাই, হুরসো, মিজি এরকম অজস্র উপজাতি আছে, যাদের ভাষাও আলাদা। একে অন্যের ভাষা ভালো বোঝেও না। এটা তো আগে তিব্বতের অংশ ছিলো। ১৯১৪সালের বৃটেন, চিন ও তিব্বতের মধ্যেকার সিমলা চুক্তি অনুযায়ী, এই অঞ্চলটি ম্যাকমোহন লাইনের দক্ষিণে পড়ে ও ভারতে ঢুকে যায়। অরুণাচলের সব উপজাতিরাই মিলেমিশে থাকে, খুব একটা উপজাতি মারামারি শোনা যায় না। এরা হয়তো উপায় থাকলে তিব্বতে যেতে চাইতো। কিন্তু এরা কোনভাবেই চীন অধিকৃত তিব্বতের অংশ হতে চায় না। তাই ভারতে থাকাই পছন্দ করে।
    সিকিম তো আলাদা রাষ্ট্রই ছিলো। ভারত গায়ের জোরেই তাকে ভারতের অংশ করে নিয়েছে। সেই অসন্তোষের প্রতিফলন সত্যজিতের সিকিম তথ্যচিত্রেও আছে, তাই অনেকদিন (সত্যজিতের জীবদ্দশায়) এই তথ্যচিত্রটি ভারত সরকার বেআইনী করে রেখেছিলো।
  • কল্লোল | ১৯ জুন ২০১৭ ১৬:৪৪713194
  • রাষ্ট্রের কাছে দাবী করলেই রাষ্ট্র সেটা মেনে নেবে, এমনটা হলে তো কথাই ছিলো না। তাই এতো আন্দোলন এবং রাষ্ট্রীয় দমন পীড়ণ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন