এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১৮৫৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • cm | ১২ জুলাই ২০১৬ ২১:২১712949
  • বাম আমলে শিক্ষকদের জীবনের মানোন্নয়নের খবর কি ববাবুর অজানা?
  • B | ১২ জুলাই ২০১৬ ২১:২১712938
  • রেফঃ অনিন্দ্য চট্টো
    অসমর্থিত সূত্রই বলে বোধহয়, সেই সূত্র অনুযায়ী এক বয়স্কা মহিলার সম্পত্তি হস্তান্তরের সময় (সল্ট লেকে কিছু ওয়ার্ডে এখনও সম্পত্তি কেনা-বেচা অনুমোদিত হয় নি বলে), হস্তান্তরের দলিল সই করার (কাউন্সিলরের সই থাকা বাধ্যতামূলক) জন্য "উনি" চল্লিশ লক্ষ চেয়ে বসেন, তাতে মহিলা হাসিনার শরণাপন্ন হন, তারপর হাসিনা টু মমতা অ্যাণ্ড মমতা টু ইত্যাদি।

    ওই সূত্রেরই আরেকটি খবর -
    সম্প্রতি কলকাতায় এক স্বর্ণালঙ্কার প্রস্তুতকারক সংস্থার তিন তিনটি বিপণন কেন্দ্র একই দিনে উদ্বোধন হয়;(যার জন্য অমিতাভ জয়া আসেন)। তার সল্ট লেক সিটি সেণ্টারের কেন্দ্রটির জন্য স্বঘোষিত সিণ্ডিকেট নেতা পঞ্চাশ লক্ষ চেয়েছিলেন। এক্ষেত্রে ওই ব্যাকুল ব্যবসায়ীর ব্যক্তিগত অনুরোধে স্বয়ং নরেনবাবু মা-মা-মা-কে যোগাযোগ করেন। এবং আবার দিদিইই-ম্‌-ম্‌ ম্মার আদেশে 'সব্য'বাবু পিছু হটেন।

    একদিকে 'গুলশান' হাসিনা, অপরদিকে 'আম্‌দাবাদ' মোদী, ........ আন্তর্জাতিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারক বাহক আমাদের দিদি জয় হো!
  • pi | ১২ জুলাই ২০১৬ ২১:৪৮712960
  • বালিকাসমৃদ্ধি দেখলাম কেবল বিপিএল দের জন্য।
  • কৃতান্তকুমার মারণরত্ন | ১২ জুলাই ২০১৬ ২১:৫৭712971
  • পুরনো সাইটে যাও, অনেক স্কীমের কথা লেখা আছে যেগুলোর মধ্যে বেশ কিছু জানতামই না।
  • PM | ১২ জুলাই ২০১৬ ২২:২৬712982
  • অনিন্দ বাবু যা করেছেন তা নতুন কিছু নকি? এতো গেলো গেলো রব উঠছে কেনো। সিন্ডিকেট /তোলাবাজি তো ঢাকঢাক গুঢ়্গুঢ় করে হচ্ছে না, খোলাখুলি-ই হচ্ছে অনেককাল হলো। কিন্তু যেটা মনে রাখতে হবে সেটা হলো-- তা সত্ত্বেও লোকে ঢেলে ভোট দিয়েছে--মনে জনগনের এসবে মোটেই আপত্তি নেই বরং ভালইবাসে---- পিউপল ডিসার্ভ দা গভ্ট দে ইলেক্ট। সিম্পল ঃ)

    যতক্ষণ আগুনটা পাশের বাড়িতে জ্বলছে ততক্ষন আমার বা ব্রতীনের কারুর-ই সমস্যা নেই ঃ(। আমাকে প্রপারটি বেচতে গিয়ে যদি কাউকে ৪০ লাখ কাট দিতে হয় তখন অবশ্য সমস্যা। তখন ৩৪ বছর দেখিয়ে আমার কোনো সুরাহা হবে না---এটাই মুস্কিল ঃ(
  • kc | ১২ জুলাই ২০১৬ ২২:৫৭712993
  • 34 বছরে যারা বেচবার মত প্রপার্টি করে নিয়েছেন, তাদের এই ট্রীটমেন্টই প্রাপ্য,। আর যাদের প্রপার্টি তার আগের জমানার, তারাতো জোতদার শ্রেণী, আদি কংগ্রেস, তাদেরও এই ট্রীটমেন্টই প্রাপ্য। বেশ হয়েছে, ভালো হয়েছে, সব সময় ক্ষীর খাওয়ার ধান্দা। ভালো হয়েছে।
  • sm | ১২ জুলাই ২০১৬ ২৩:০৯713004
  • kc, কে অনেক গুলো ক।কমরেড রা এখন যা পাচ্ছে, প্রলাপ বকছে।আগে তো নিজের পার্টির লোকজন স্কুলে চাকরি,সল্ট লেক এ জায়গা,সরকারি টেন্ডার ফুলে ফলে ভরিয়ে রাখতো। পার্টি না করা লোকজন বোসে বোসে আঙ্গুল চুষতো।
    এখন নিজের ঘরে আগুন, বন্যা কত কিছু গপ্পো আসবে।
  • PT | ১২ জুলাই ২০১৬ ২৩:৪৭713015
  • এত বাকযুদ্ধের পরেও গত ৫ বছরে সরকার ঠিক কি কি করণীয় কাজ করেছে ("এই সরকার ঠিক কি কি লং টার্ম ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে বেসিক ডেভেলপমেন্ট হয়") তার একটা হিসেব কেউ এখনো দিতে পারল কি?
  • Bratin | ১৩ জুলাই ২০১৬ ০৮:০৫713026
  • তোমার চোখে সিপিএম ছাড়া লং শর্ট মিডল কোন টার্ম ই আর কোন কাজ দেখতে পারবে না।

    বা করলেও তোমর লাল রঙের চশমা জনিত কারণে তুমি দেখতে পাবে না।তোমাকে এ ব্যাপার কিছু বলা মানে

    " এ কেবল দিনে রাত্রে
    জল ঢেলে ফুটা পাত্রে
    বৃথা চেষ্টা তৃষ্ণ মিটিবারে"

    কাজেই তুমি লিঙ্ক দিয়ে যাও আর "বিপ্লব" অপেক্ষা তে থাকো ঃ))))))

    ( ইয়ে মানে আজকে কিছু পাও নি? ))
  • PT | ১৩ জুলাই ২০১৬ ০৮:২৯713038
  • সত্যিই কি কোন তালিকা নেই যে কারণে এই অহেতুক বাক্যব্যয়ের বাগাড়ম্বর?

    দুটি ব্যক্তিগত চিঠি পড়ে দেখতে পার ব্রতীন। একটি শিক্ষা ও আরেকটি শিল্প সংক্রান্ত। ৩৪ নয় ৩৪+৫ বছর পরের কথাঃ

    দায়িত্ব ও কর্তব্য

    সম্প্রতি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কলেজে উপস্থিতির বিষয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে তাঁকে অভিনন্দন জানাই। চিরকালই কিছু জনের পলায়নী মনোবৃত্তি বাকি অনেকের কর্মিষ্ঠ প্রাত্যহিকীকে আড়াল করে। এখনও বহু কলেজশিক্ষক নির্দিষ্ট ক্লাসের বাইরে ছাত্রছাত্রীর উন্নতির জন্য বেশি ক্লাস নেন। তাঁদের কাজটা সমাজের বা মন্ত্রীর চোখে পড়লে ভাল লাগত। ছাত্রছাত্রীদের ৭৫ শতাংশ হাজিরা যে শুধুমাত্র খাতায়কলমে, বাস্তবে ছাত্র ইউনিয়ন যে গুন্ডামি করে ঘেরাও ও অশ্লীল স্লোগান দিয়ে কর্তৃপক্ষকে বাধ্য করে একটিও ক্লাস না করা ছাত্রটিকেও টেস্টে বসতে দেওয়ার লিখিত অনুমতি দিতে, শিক্ষা দফতর সে দিকটা জানেন না কি? ছাত্র ইউনিয়ন কলেজগুলিতে ক্লাস না করা, ফেল করা ছাত্রছাত্রীর পাশে রক্ষাকর্তা হিসেবে দাঁড়িয়ে শস্তা জনপ্রিয়তা কিনে চলেছে, তাদের দাপাদাপিতে বহু ভাল শিক্ষক অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন, তার দায়িত্ব কি শিক্ষামন্ত্রী নেবেন?

    টাকা দেন বলে খবরদারি করবেন, এটা শিক্ষামন্ত্রী না বললেই রুচিসম্মত হত। শিক্ষকদের হাজিরা যে ভাবে চান দেখুন, কিন্তু ছাত্রছাত্রীদের যা খুশি করার ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য যে ছাত্র ইউনিয়নগুলি রয়েছে, তাদের রাশ না টানলে শুধু শিক্ষকদের উপর হুকুমনামা একপেশে হয়ে থাকবে, ধোপে টিকবে না। ছাত্রদের ৭৫ শতাংশ ন্যূনতম উপস্থিতি নিয়ে শিক্ষা দফতর একেবারেই সজাগ নয়, অথচ ঔদ্ধত্য, মিথ্যাচার ও ইউনিয়নের নামে ধরাকে সরা জ্ঞান করার বিষয়টি প্রকট হয়ে আছে বলেই শিক্ষাঙ্গনের দুর্বৃত্তায়ন এখন প্রতিদিনের সংবাদ-শিরোনাম। বিপথগামী ছাত্র-রাজনীতি এত ফুলে ফেঁপে উচ্চশিক্ষার সর্বনাশ করতে পারত না যদি তাদের উপর রাজনৈতিক নেতাদের স্নেহের হাত সারাক্ষণ না থাকত। তিন বছর আগে পাশ করা ছাত্র ইউনিয়নের নেতা ছাত্রভর্তির মরসুমে কলেজের সামনে কীসের লোভে দিবারাত্রি মাছির মতো ভনভন করে, বলতে পারেন পার্থবাবু? আর সেই সব কলেজে শৃঙ্খলানিষ্ঠ, কর্মিষ্ঠ শিক্ষকদের পাশে থাকার কোনও দিন কোনও চেষ্টা কি করেছেন আপনারা? দলের আনুগত্য নয়, আগে মন্ত্রীর পদকে নিরপেক্ষ ভাবতে শিখুন, তার পরেই সত্যিকারের কাজের কাজ হবে।

    এখনই ছাত্রদের রাশ টানুন, নইলে পরে আর সামলানো যাবে না। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রতি অসম্মানসূচক কথা না বলে সুস্থ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করে নিশ্চয়ই সতর্ক ভাবে খেয়াল করবেন, কোন শিক্ষক কত দিন আসছেন, কতক্ষণ থাকছেন, থেকেই বা কী করছেন— এর সবটুকু। শিক্ষাঙ্গনকে ছাত্র ইউনিয়নের ঔদ্ধত্যমুক্ত করে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার কাজে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে স্বাগত জানাব সব সময়।

    সুমেধা অধিকারী। কলকাতা-৯১

    দু’বছর হয়ে গেল

    গাড়িটা স্টেশনে দাঁড়ালে ছেলেটা মাকে বলছিল, কারখানা তো বন্ধ হয়ে গেছে, তা হলে এই স্টেশনের নাম হিন্দমোটর থাকবে কেন? প্রশ্নটা থেকেই যায়। দু’বছর হয়ে গেল বিরাট মাঠটার পাশে মৃত এক দানব আকাশে মাথা ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অজস্র শ্রমিকের নিঃশব্দ হাহাকার, কোনও মেহের আলির দেখা মেলে না কিন্তু গুপ্তঘাতকদের আনাগোনা শুরু হয়ে গেছে।

    এমনটা তো হওয়ার কথা ছিল না। ছেষট্টি বছরেই জীবনদীপ নিভে গেল। একেবারে গায়ে লেগে থাকা জলাভূমি ভরাটের আগ্রাসন থেকে বাঁচাতে পারল না কিছুতেই। স্টেশনটা পড়ে রইল সমাধির মতো। সান্ত্বনা একটাই, গোলাপ ছাড়াও তো গোলাপবাগ টিকে থাকে। বাসে যেতে যেতেও তো কানে আসে হাওড়া জুট মিল রেমিংটন শিবপুর ট্রামডিপো গেস্টকিন আরও কত দেহাতীত নাম। যশোরের সেই কবির মতো ওরাও বলতে চায়— দাঁড়াও পথিকবর। চিমনির ধোঁয়া নাই, ভোঁ বাজলে গেট দিয়ে আর পিলপিল করে কালিঝুলিমাখা মানুষটা বেরিয়ে আসে না, হপ্তা পেয়ে হাসিমুখে কেউ আর খোকার জন্য খেলনা খোকার মায়ের জন্য আলতা সিঁদুর কিনে গ্রামের দিকে যায় না।

    বেলঘরিয়া বিটি রোডের এক কারখানার গেটে দাঁড়িয়ে বৃদ্ধ এক নাগরিক এই বিসর্জন দৃশ্য দেখেছিলেন। প্রতীক্ষা করছিলেন শেষ দেখার।

    অরুণকান্তি দত্ত। বেলুড় মঠ, হাওড়া
    http://www.anandabazar.com/editorial/letters-to-the-editor-1.433295#
  • B | ১৩ জুলাই ২০১৬ ০৮:৫১713049
  • অনিন্দ্য চট্টো এমনি এমনি ধরা পড়েন নি -

    http://www.anandabazar.com/state/anindya-chatterjee-arrest-salt-lake-residents-get-temporary-relief-from-extortion-1.433486#

    অবশ্য এতে কারুর কারুর উৎফুল্ল হওয়ার কিছু নেই। এরকম ঘটনার ঘনঘটা বিগত জমানার আকাশকে ঘন তমসাচ্ছন্ন করে রাখবে। তবে প্রমান ও সেই সময়ের সমস্ত কাগজের নথি বা লিঙ্ক পাওয়া যায় না। লোকে পেতোও না তাই রাখতে পারতো'ও না। সবচেয়ে বড় কথা লোকে রাখার ও রেখে অন্য লোককে দেখানোর সাহস'ও করত' না - যতক্ষণ না একদল মানুষ তিতিবিরক্ত হয়ে রাস্তায় না নেমেছে, বা প্রতিবাদ করেছে। তবে অনেক কিছুই আছে, সেগুলো দেখে বা পড়ে মেনে নেওয়ার মানসিকতা একদল মানুষের নেই, যাঁরা অজুহাত, কুযুক্তি (যেগুলোকে হিন্দিতে 'পাৎলি গলি' বলে, তাই খুঁজে তা দিয়ে টুক করে গ'লে বেরিয়ে নিজেই নিজের পিঠ চাপড়ান; অনেকটা কিরকম দিলাম গোছের আত্মম্ভরী হাসি এবং সাধারণ মূক মুঢ়দের বিশেষ বিশেষণে ভূষিত করে)

    বর্তমান সরকার কেন তার তত্ত্ব-তল্লাশ করছে না, বা কেন চুপটি করে বসে আছে, কোথায় কোথায় কত অপপ্রচার হয়েছে, কত অতিরঞ্জন হয়েছে, তাই বলে বলে বা লিখে লিখে ছোট্ট পরিসরে বাহবা পাওয়া যায়।

    কিছু নিবেদিতপ্রাণ সমর্থকের পরোক্ষ সমর্থনের মোড়কে যুক্তি ও তথ্যবিস্তার পাওয়া যায়। তাতে সামাজিক চিত্রটা পাল্টায় না, পাল্টায়ও নি।

    নিবেদিতপ্রাণ হয়ে সমর্থনের বা নিবেদিতপ্রাণের অর্থ, আমার মতে, ABC, Arrogant Blind Camaraderie বা Arrogant Blind Comrade। অনেক নামের মধ্যে ABC নামটাও ভেবে নিতে পারে ছোট ভাইটি।
    ("নৈর্ব্যক্তিক আর থাকা গেল'না রে ...")
  • কৃতান্তকুমার মারণরত্ন | ১৩ জুলাই ২০১৬ ০৯:৪৫713060
  • আমপারা-পড়া হাম-বড়া মোরা এখনো বেড়াই ভাত মেরে!
    হিন্দুরা ভাবে, "পার্শী-শব্দে কবিতা লেখে, ও পা’ত-নেড়ে!"
    আনকোরা যত নন্‌ভায়োলেন্ট নন্‌-কো’র দলও নন্‌ খুশী।
    "ভায়োরেন্সের ভায়োলিন্‌’" নাকি আমি, বিপ্লবী-মন তুষি!
    ‘"এটা অহিংস’, বিপ্লবী ভাবে,
    "নয় চর্‌কার গান কেন গা’বে?"
    গোঁড়া-রাম ভাবে নাস্তিক আমি, পাতি-রাম ভাবে কন্‌ফুসি!
    স্বরাজীরা ভাবে নারাজী, নারাজীরা ভাবে তাহাদের আঙ্কুশি!
    নর ভাবে, আমি বড় নারী-ঘেঁষা! নারী ভাবে, নারী-বিদ্বেষী!
    "বিলেত ফেরনি?" প্রবাসী-বন্ধু ক’ন, "এই তব বিদ্যে, ছি!"
  • Bratin | ১৩ জুলাই ২০১৬ ১০:০৯713071
  • হমম পিটি দা

    অন্যের কথা জানি না। আমি তো সেই " বিপ্লব" র আশঙ্কায় আছি।

    কবি অবশ্য বলছেন " শেষের সেদিন ভয়ঙ্কর " ঃ)))
  • B | ১৩ জুলাই ২০১৬ ১০:৪৬713082
  • ৯.৪৫-এর পরিপ্রেক্ষিতে্‌
    Good One!
  • PT | ১০ আগস্ট ২০১৬ ০৮:৩৩713093
  • আজকের বড় খবরঃ
    "পড়ুয়াদের দাবি মেনে জয়েন্ট বোর্ড নম্বরের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকে ভর্তির মেধা তালিকা প্রকাশ করতেই বেরিয়ে পড়ল কদাকার চেহারা৷ প্রবেশিকায় শূন্য পেয়েও আজকাল ভর্তির সুযোগ মিলছে প্রেসিডেন্সির মতো ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ! "

    আজকের ছোট খবরঃ
    "নারদ নিউজের স্টিং অপারেশনে ববি হাকিম, মদন মিত্র ও শোভন চট্টোপাধ্যায়ের টাকা নেওয়ার ছবি নারদা নিউজ -সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দেখানো হলেও সেই একই ছবির ফাইল খুলতে পারেননি সিএফএসএলের বিশেষজ্ঞেরা৷ বাকিদের টাকা নেওয়ার ছবি দেখে ত ারা জানিয়ে দিয়েছেন, সেই ছবিতে কোনও বিকৃতি (ট্যাম্পারিং ) নেই৷ "

    নিরপেক্ষতার স্বার্থে দুটি খবরই আজকের "এই সময়" থেকে উদ্ধৃত!!
  • Abhyu | ১০ আগস্ট ২০১৬ ০৮:৫০713104
  • নারদের সত্যতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে বোধ হয় কোনো দিনই সন্দেহ ছিল না। অন্ততঃ আমার তো ছিল না। কিন্তু লোকে ওটাকে পাত্তা দেয় নি। মোটে পাঁচ লাখ বলে হেসেছে মাত্র।
  • PT | ১০ আগস্ট ২০১৬ ০৮:৫৯713115
  • ঐজন্যেই "ছোট" খবর!!
  • . | ১২ আগস্ট ২০১৬ ১০:৪৫713137
  • Name: dd

    IP Address : 132.167.16.120 (*) Date:27 Feb 2014 -- 09:32 PM

    আর দিদি যতো ফেসিস্ট হয় ততো আমি খুসী হই। আহ্লাদে আটখানা হই।

    এ সব কমুনিস নাম করা মেগাক্যালানেদের মুখোস আর লুংগী খুলে যাক। সেই এমারজেন্সীর সময় দেখেছিলাম ঢ্যামনাকাত্তিকদের, কেউ মিনিস্ট্রীতে যোগ দ্যায়,কেউ "বিরোধী" হয়েও ইন্দিরা গান্ধীর মধ্তে একটি প্রগতিশীল ঝোঁক খুঁজে পায়। প্রতিবাদের জন্য পরে থেকে সুনন্দ স্যান্নালেরা।

    এবারে মমোদি আরো বেআব্রু বদমাস হোক। ফেসবুক থেকে গুচ - সর্বত্রো দাপিয়ে বেড়াক। আমার এন্তেকাল হবার আগে একবার স্বচক্ষে দেখে নি কার কতোটা দৌড়।
  • j | ১২ আগস্ট ২০১৬ ১১:০০713149
  • যেকোন রাজ্যের বিরোধী দল এই নারদা স্টিং জেনুইন প্রমাণ হওয়া নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়্ত অথ্চ কোন উত্তেজনা নেই বিরোধীপক্ষে - এটা আর নতুন করে অবাক করে না, বিজেপিও সারদা নিয়ে রাস্তায় নেমেছিল কিন্তু এখন আবার মৌন কোন যাদুবলে

    জোটের সঙ্গে ডিফারেন্স তো ৩০ লক্ষ ভোটের, কি আর এমন এটা দশ কোটি পপুলেশনের রাজ্যে
  • sm | ১২ আগস্ট ২০১৬ ১৩:১৫713160
  • কিন্তু সারদা কেস এর অগ্রগতি টা কি? কয়েক হাজার কোটি টাকা কেলেঙ্কারির ;ক হাজার/ ক শো কোটি সরকারি তোষাগারে জমা পড়েছে? টাকা তো উবে যায় নি?
  • | ১২ আগস্ট ২০১৬ ১৫:২৮713171
  • যদি ও রাজনীতি তে সততা আজকাল অনেক টা সেই "সোনার পাথরবাটি" টাইপস হয়ে গেছে।

    তবু ব্যক্তিগত ভবে আমি এই ঘুষ কান্ডে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির শাস্তি র দাবি করি এবং সেটা বাস্তবায়িত হলে বেশ শান্তি পাবো মনে।

    আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। তার রাজনৈতিক,সামাজিক বা অন্য যে কোন রকম অবস্থান ই থাকুক না কেন..
  • M | ১২ আগস্ট ২০১৬ ১৬:৩৭713182
  • একটা আপডেট দিয়ে রাখি----

    সিথি এলাকায় একটি পরিবারের ওপোর বেশ কিছুদিন যাবৎ চাপ দেওয়া হছিলো বাড়ি প্রোপোটারকে বেচে দিতে। মা আর মেয়ে থাকে, বাবা নেই। Kঅদিন আগে মা আর মেয়ে বাড়ি ফির্ছিলো, পাড়ার দু এক্টি ছেলে মেয়েটিকে ডাকে বাড়ির পেছনে নিয়ে যায়, মেয়েটি আসে জামা কাপড় ছেড়া অবস্থায় কাঁদতে কাঁদতে। ছেলেগুলো ( যারা ছোটোবেলা থেকে চেনা) হুমকি দেয় বাড়ি না ছাড়লে মেয়েটির শেষ ক্ষতিটা করে দেবে।

    মেয়ের বাড়ি পুলিশে FIR করে পাড়ার অন্য একদল ছেলের সাহায্যে ----- পুলিশ বোধ হয় খোজ খবর নেয়---- ছেলেরা থানায় গিয়ে ওসি কে ঘেরাও করে (মারধোর ও করে বলে শোনা যায়)। মা মেয়ের ওপোর তো অকথ্য গালাগালি চলছে।

    শেষ খবর এখনো জানা নেই ঃ( --

    এবার মজার খবর হলো---

    ১। মেয়েটা বাড়ি তিনো সমর্থক
    ২। যে ছেলেরা অত্যাচার করছে তারাও তিনো
    ৩। যাদের সাহায্যে মা থানায় গেছিলেন তারাও তিনো (অন্য গ্রুপ)
    ৪। থানার ওসি, যে হেনস্থা হলো সেও তিনো সমর্থক বলে পাড়ায় পরিচিত।
  • PT | ১২ আগস্ট ২০১৬ ১৬:৫৭713193
  • সবার জন্যে মোমবাতি জ্বলেঃ একথা ভাবাটা ভুল
    বিশিষ্টজন মিছিলে যায়্না যদি মরে নজরুল
    বাকি গল্প তো সকলের চেনা
    আসল দোষী ধরা পড়বে না
    প্রতিবাদী শুধু একা মার খাবে। স্ট্যাচুতে জমবে ঝুল।
    (অসীম চৌধুরী)
  • sm | ১২ আগস্ট ২০১৬ ২১:৪৯713204
  • এম এর পোস্ট টা পড়ে মনে হলো সি পি এম সত্য সত্যই সাইন বোর্ড হয়ে গেছে পব তে।এতো বড় বড় ঘটনা ঘটছে; কিন্তু সংঘবদ্ধ প্রতিবাদ কোথায়?আর তিনো রা এতো বিপুল ভোট জিতছেই বা কেন? যে, প্রোমোটার রা পার্টি অফিস আলো করে থাকতো; তারা গেলো কোথায়? সবাই কি জামা বদল করেছে?
  • Mmu | ১৫ আগস্ট ২০১৬ ০৪:৫৪713215
  • এই রকম প্রকল্প আগে কেউ ভাবতে পেরেছে ? আর ওঁনাদের আর কিই বা আছে করার ! শুধু সকাল বিকাল মমতা। ওঁরা এখনো বুঝলেন না যত মমতা /মমতা
    করবে 'মমতা' ততই এগিয়ে যাবে। পরের পাঁচ বছরও ধরে রাখতে পারেন অগ্রিম। তৃণমূলের পত্রিকা নয় আপনাদের জোটেরই পত্রিকা -- :)) :))

    প্রকল্প -------কাঠচোরদের রক্ষী করে বন রক্ষার স্বপ্ন ( আ:বা: পত্রিকা )
    সুরবেক বিশ্বাস
    কলকাতা ১৩ অগস্ট, ২০১৬, ০৩:১৮:১৫

    wood smuggling
    লোকপ্রবাদ বলে, চোর কখনও ধর্মের কাহিনি শোনে না।
    এটাকে ভুল প্রমাণ করার এক উচ্চাশী প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাজ্যের বন দফতর। ওই দফতরের বিশ্বাস, পেটের টানে যারা কাঠ চুরি করে পাচারকারীদের হাতে তুলে দেয়, সৎ পথে রুজিরোজগারের বন্দোবস্ত করে দিতে পারলে তাদের একটা বড় অংশ আইন ভাঙার রাস্তা ছেড়ে দেবে। অর্থাৎ পেট চালানোর এবং সংসার প্রতিপালনের সুস্থ ও বিকল্প উপায় বাতলে দিলে তারা আর অপরাধের দিকে যাবে না। বাঁচবে অরণ্যসম্পদও।
    রুজির সেই সুস্থ, সৎ ও বিকল্প রাস্তাটা কী হতে পারে?
    সেটাতেও রীতিমতো চ্যালেঞ্জ আছে। কারণ, বন দফতর যে-পথের কথা ভেবেছে, আপাত ভাবে মনে হতেই পারে, সেটা চোরকে ঘর পাহারা দিতে বলার মতো ব্যাপার! কাঠচোরদের দিয়ে বন পাহারার কাজ করানোর কথা ভাবা হয়েছে। অরণ্য রক্ষার দায়িত্ব পেলে ওই তস্করেরা বাল্মীকি না-হোক, সৎ নাগরিক হয়ে উঠবে— এমনই আশা বন দফতরের।
    এতে অন্য একটি লক্ষ্যও পূরণ করতে চাইছে বন দফতর। বন পাহারা দেওয়ার লোকের বড় অভাব। বনের গাছ কেটে যারা কাঠ চুরি করছে, তাদের দিয়ে অরণ্যরক্ষীর কাজ করিয়ে নিতে পারলে সেই কর্মী-ঘাটতির মোকাবিলা করা সহজ হবে। প্রয়োজনে বনসৃজনের কাজে দিনমজুর হিসেবেও যুক্ত করা হবে তাদের। আপাতত মহানন্দা অভয়ারণ্য থেকে কাটা গাছ পাচার ঠেকাতে বন দফতর ও রাজ্য পুলিশের সমন্বয়-বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
    বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মনের বক্তব্য, অরণ্য রক্ষা করার জন্য নিছক প্রচারই যথেষ্ট নয়। বেকার, গরিব মানুষের রুজিরোজগারের কথাও ভাবতে হবে। ‘‘কাঠের চোরাকারবারের পান্ডারা টাকার লোভ দেখিয়ে যাদের দিয়ে মহানন্দার জঙ্গল লুটে নিচ্ছে, তাদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করতে হবে,’’ পথ বাতলে দিচ্ছেন বিনয়বাবু।
    আগের চেয়ে চুরি কিছুটা কমেছে। তবে শালকাঠের জন্য বিখ্যাত উত্তরবঙ্গের ১৫৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের মহানন্দা অভয়ারণ্য থেকে এখনও যে প্রতি মাসে গড়ে অন্তত এক কোটি টাকার কাঠ পাচার হয়ে যাচ্ছে, সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন বনমন্ত্রী।
    অথচ বন পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব মূলত যাঁদের, বন দফতরের সেই ফরেস্ট গার্ড বা বনরক্ষীই নেই পর্যাপ্ত সংখ্যায়। বনরক্ষীর ৫০ শতাংশেরও বেশি পদ শূন্য। যাঁরা আছেন, তাঁদের গড় বয়স ৫২ থেকে ৫৫ বছর। শারীরিক ভাবে পুরোদস্তুর সক্ষম নন তাঁদের অনেকেই। ফলে নজরদারির অভাব থেকেই যাচ্ছে। নতুন নিয়োগ পর্ষদ তৈরি করে রক্ষীর শূন্য পদে লোক নেওয়ার কথা। এবং সেখানে বনবস্তিবাসীরা অগ্রাধিকার পাবেন বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই জানিয়ে দিয়েছেন। তবে সেই প্রক্রিয়ায় নিয়োগে কিছু দেরি আছে।
    মহানন্দা অভয়ারণ্যের ক্ষেত্রে বন দফতর ও রাজ্য পুলিশ যৌথ ভাবে কয়েকটি বনবস্তি ও গ্রাম চিহ্নিত করেছে, যেখানকার বাসিন্দারা কাঠ কেটে তুলে দিচ্ছে চোরাকারবারিদের হাতে। সেগুলো হল দশমাইল ও সাতমাইল রেঞ্জ লাগোয়া বনবস্তি ও গ্রাম, মিলন মোড় মৌজা, গুলমা চা-বাগান লাগোয়া বনবস্তি।
    বন দফতর ও পুলিশের সমন্বয় বৈঠকের কার্যবিবরণীর উল্লেখ করে রাজ্য পুলিশের জলপাইগুড়ি রেঞ্জের ডিআইজি রাজেশকুমার যাদব সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র দফতরকে জানিয়েছেন, ওই সব বনবস্তি এবং লাগোয়া তল্লাটের বাসিন্দাদেরই বেআইনি ভাবে গাছ কাটার কাজে নিয়োগ করা হচ্ছে টাকার টোপ দিয়ে। রোজগারের এই অবৈধ পথ থেকে ওই বাসিন্দাদের সরিয়ে আনতে হলে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে তাদের যুক্ত করতে হবে। যাতে পরিবারের ভরণপোষণ চালাতে তাদের রোজগার নিশ্চিত করা যায়। বন দফতর সূত্রের খবর, ওই সব তল্লাটে ১০০ দিনের প্রকল্পে তেমন কাজ মেলে না।
    বনমন্ত্রী বিনয়বাবু জানান, ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ তো দিতেই হবে। সেই সঙ্গে দৈনিক মজুরির বিনিময়ে ওই সব এলাকার বাসিন্দাদের বন দফতরের বিভিন্ন কাজে সামিল করা হচ্ছে। ‘‘চারাগাছ পোঁতা এবং বন থেকে বেরিয়ে লোকালয়ে ঢুকে পড়া হাতি ও বাইসন তাড়ানোর কাজে ওঁদের যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি মহানন্দা অভয়ারণ্যে আমরা এই উদ্যোগের ফল পাব,’’ আশা করছেন বনমন্ত্রী।
    পুলিশ ও বন দফতরের যৌথ অনুসন্ধানে কাঠের চোরাকারবারের পান্ডা হিসেবে দশমাইল রেঞ্জের বনবস্তির বাসিন্দা সূর্য রাইয়ের নাম উঠে এসেছে। তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে দার্জিলিঙের পুলিশ সুপারকে। বন দফতরের দাবি, মহানন্দার জঙ্গল থেকে বেআইনি ভাবে কাটা কাঠ চলে যাচ্ছে শিলিগুড়ি লাগোয়া মাটিগাড়ার শিবমন্দির এবং প্রধাননগর এলাকার দার্জিলিং মোড়ে কয়েকটি আসবাবের দোকানে। সেখানে যৌথ ভাবে হানা দেবে বন দফতর ও পুলিশ।
  • Robu | ১৫ আগস্ট ২০১৬ ০৮:৫৪713226
  • সারা বিশ্বেই চোরাচালানকারীদের রিহ্যাবের জন্য বনবিভাগেই নেওয়া হয়। ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও। আপনার খুব ভাল লেগেছে, সেটা আলাদা কথা।
  • PT | ১৫ আগস্ট ২০১৬ ০৯:১৫713237
  • ঘুষখোরেরা যেখানে রাজ্য চালাচ্ছে সেখানে চোরাচালানকারীরা জঙ্গলের দায়িত্বে থাকলে কি আর ইতর-বিশেষ হবে?
  • sm | ১৫ আগস্ট ২০১৬ ১০:০৬713248
  • এতো আফশোষ কি শরীল স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো? বায়ু প্রোকোপিত হবে যে!
  • PT | ১৫ আগস্ট ২০১৬ ১০:৪১713260
  • আপনার যদি মনে হয় যে ঘুষখোরদের হাতে আপনার, আপনার পরিবার এবং সমাজের দায়িত্ব দিয়ে আপনি আনন্দে ও নিশ্চিন্ত আছেন তাহলে সেটা আলাদা কথা।
    পসন্দ আপ্না আপ্না.......
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন