এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • (শুধুই) মেয়েদের জীবনের যন্ত্রণা ও আনন্দের অভিজ্ঞতা

    rimi
    অন্যান্য | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ১৮০১৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • quark | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৩:৩০484844
  • ;-) উত্তর তো পেয়েই গেলাম!
  • PT | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৩:৪৫484845
  • একটি মেয়ে মাধ্যমিকে প্রথম দশজনের মধ্যে একজন, কালে কালে উচ্চশিক্ষায় একই ভাবে দারুণ ভাল, অন্যজন বিএসসিতে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত। দুজনারই নিজ নিজ ক্লাসের ও বিষয়ের পড়াশুনোতে যথেষ্ট খারাপ বন্ধুদের সঙ্গে ভালবাসা ও (পরে) বিয়ে। দুটি মেয়েই বাবা-মা, হবু শশুর-শাশুড়ি, শুভানুধ্যায়ী সকলের অনুরোধ উপেক্ষা করে উচ্চশিক্ষা থেকে সরে আসে। প্রথমজন কলেজে পড়াচ্ছে আর অন্যজন স্কুলে। ইচ্ছে করলেই দুজন উচ্চশিক্ষা, গবেষণার উচ্চশিখরে পৌঁছতে পারত।

    দুটিই গত এক দশকের মধ্যের ঘটনা। যখন বিয়ে হয় তখন দুজনের স্বামীরাই অত্যন্ত সাধারণ চাকরী করত। সেই সময়কালে দুজনেই স্বামীদের থেকে নিজেদের কেরিয়ার উঙ্কÄলতর হওয়ার চাপটি নিতে পারেনি।
  • pi | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৬:৩৯484846
  • কাজের মেয়ের উপরে অপ্রেশনের ব্যাপারে আমি ১০০% একমত।

    তাতিন, এরা আবার কারা ?
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৭:১৪484847
  • আমি একদম একমত নই ইন্দোর সঙ্গে। এটাও ভীষণরকম জেনারালাইজেশন।
    আমি যেখানে থাকি বা বলা ভালো যে আর্থসামাজিক বৃত্তে থাকি, সেখানে এই ছবিটা আমার চোখে পড়ে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখি, বাড়ির কাজে সাহায্য করে যে মেয়েটি, তার সুবিধে-অসুবিধের ব্যাপারে যথেষ্ট সহানুভূতিশীল, সে যে বাড়িতে কাজ করে সেই বাড়ির লোকজনরা। অসংখ্য উদাহরণ দিতে পারি যেখানে কাজের মেয়েটির ছেলেমেয়ের পড়াশুনার সারা বছরের খরচ দেয় সে যে বাড়িতে কাজ করে সেই বাড়ির লোকরা। বড়রকম অসুখে পড়লে চিকিৎসার খরচও স্বেচ্ছায় নেন অসংখ্য মধ্যবিত্ত মেয়েরা।
    এখন লুরুর বিভিন্ন হাউজিং কমপ্লেক্সে আরেকটা জিনিস চোখে পড়ে এবং যেটা আমার ভীষণ ভালো লাগে, সেটা হল এইসব কাজের মেয়েরা যখন কাজে আসে, তাদের ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের রাখার জন্য ছোট্ট ক্রেশ হাউজিংগুলোর ক্লাবহাউস/কমিউনিটি হলে। আর এটা আমার খুব গব্বো যে লুরুর হাউজিংগুলোর মধ্যে প্রথম এই ব্যবস্থা শুরু হয়েছিল আমাদের হাউজিংয়ে।
    আর রইল বাকি মাইনে বাড়ানোর কথা, সেক্ষেত্রেও আমার অভিজ্ঞতা উল্টো। "সেকী! একবারে এতটা বাড়াতে হবে!'' এইসব মুখে বললেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মাইনে বাড়িয়ে দেওয়া হয় নিজের স্বার্থেই নয়তো সেই বাড়ির কাজ ছেড়ে নতুন কাজ দেখে নেয় মেয়েটি। আর ঠিক কোন প্রফেশনে, "আমার মাইনে বাড়িয়ে দাও'' বললেই এমপ্লয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটাও কথা না বলে মাইনে বাড়িয়ে দেন আমি জানি না।
    এখন বলা যেতেই পারে, আমি যাদের উদাহরণ দিলাম, তার বাইরেও অসংখ্য মেয়ে রয়েছে যারা এক্সপ্লয়েট করছে, মারধোর করছে। তা ঠিক, আমি অস্বীকার করছি না। তবু আস্তে আস্তে ছবিটা বদলাচ্ছে, এটুকুই আমারও বলার।
  • tatin | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৭:২১484848
  • সবাইকে নামে চিনবে নাকি? কর্মে চেনো তো-
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৭:৩০484849
  • মামুর ১০:৩৭এর উত্তর দিই।
    আমার বিয়ের আগে, ও সরি ভুলে গেছিলাম, নিজের কথা তো বলা যাবে না।
    ঠিক আছে তাহলে ধরা যাক - রেখার ৪-৫বছর চাকরি এবং ৪-৫বছর ধরে রণধীর কাপুরের সঙ্গে প্রেম করা হয়ে গেছে। রণধীর কাপুরের কেরিয়ারটি অতি টলমলে। তিনি চাকরি পান না, পেলেও করে উঠতে পারেন না, চাকরি করতে ওনার সবচেয়ে খারাপ লাগে। রেখার তাতে কুছপরোয়া নেহি, রেখা বিয়ে করতে আগ্রহী। কিন্তু রণধীর কাপুরেরও দাঁতভাঙা পণ, উনি অতি ভালো একটা চাক্রি জোটাবেনই জোটাবেন, না জোটাতে পারলে ৩৫বছরে রিটায়ার করার স্বপ্নটি উনি সফল করবেন কী করে! তাই উনি একটির পর একটি ইনস্টিটিউটে ঢোকেন, পাশ করে বেরোলে আরো ভালো চাকরির আশায়। রেখা নিজের খরচে সংসার চালাতে রাজি, কিন্তু রণধীর কাপুরকা কমপ্লেক্স কওন ভাগায়েগা?? তো এই যে রণধীর কাপুর রেখাকে বিয়ে করতে রাজি হলেন না, এটাও কী রেখার দোষ??
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৭:৩৬484850
  • এবার আকার ১০:২৬।
    আপনার চিন্তা অতি মহৎ। কিন্তু এই আমাদের ক্লাসে বিলং করা মেয়েরা যে এব্যাপারে কেউইই কিছুই করছে না, সে ব্যাপারে আপনি নিশ্চিৎ? এই ব্যাপারে যথেষ্ট ক্রেডেনশিয়াল না থাকলে নিজেদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলা যাবে না, বুঝি? নাকি কিছু না করলে, নিজেদের ক্লাসে বিলং করা মেয়েদের অভিযোগ নিয়ে মুখ খোলা মানা?
  • rimi | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:২০484851
  • পাইএর ১২.১১র সঙ্গে মোটামুটি অনেকটা একমত।

    শুধু এটুকুই বলার যে কথায় কথায় শোষিত নিপীড়িত স্লোগান এখানে কেউ তোলে নি।

    কিন্তু এখনও বেশ কিছু বৈষম্যমূলক নিয়ম আছে যা প্রিভিলেজড মেয়েরা এখনো এড়াতে পারে না। এই বৈষম্যগুলো ঠিক তত ভয়ংকর নয় যে তার জন্যে আন্দোলন করা যেতে পারে। এমনকি পারিবারিক সার্কেলে, এই সব বৈষম্য নিয়ে প্রতিবাদ করাও অনেক ক্ষেত্রে শুধুমাত্র নেগেটিভ এনার্জি খরচ। অনেক ছেলে, যারা বড় ইস্যু যেমন বৌএর চাকরি করার অধিকার নিয়ে লড়েছে বাবা মার সঙ্গে, তারাও এইসব ছোটো ইস্যু নিয়ে বাবা মার সঙ্গে ঝামেলায় যেতে চায় না। কিন্তু তার মানে তো এই নয় যে নিয়মগুলোর যারা ভিক্টিম তাদের এ নিয়ে কোনো কষ্ট নেই? যেমন, এখানে বোঝাই গেল যে যে সব "প্রিভিলেজড" মেয়েদের ছুটিতে বাবার বাড়িতে ইচ্ছামতন থাকা সম্ভব হয় নি নানা কারণে, তাদের এই নিয়ে দু:খ আছে। বৈষম্যের বোধ আছে। সেই দু:খগুলৈ এখানে শেয়ার করা হয়েছে মাত্র। এগুলোকে যদি কেউ "শোষিত নিপীড়িত হয়ে স্লোগান তোলা" বলে তবে সে তিলকে তাল করেছে, আর বেসিক ব্যপারটা বোঝে নি।

    এবারে, প্রিভিলেজড মেয়েদের বরদেরও এরকম কোনো দু:খ থাকতেই পারে। সেটা তারা শেয়ার করুক না, কেউ তো আপত্তি করে নি। কিন্তু সেটা না করে, ব্যাং বা আমি বা কেকে বা কিকির এই নিয়ে কথা বলা নিয়েই এত বেশি জাজমেন্টাল এবং ডিফেন্সিভ হওয়া দেখে মনে হয় যে ছেলেদের মনে এই নিয়ে ভালো মতন গিল্টি ফিলিংস আছেই। ওয়েল, সেটাও ভালো, আর সেটাও এই ঝগড়ার পজিটিভ দিক। :-)))

    এবারে সত্যিকারের শোষিত মেয়েদের জন্যে কিছু করার প্রসঙ্গে - সবাই সমাজ সংস্কারক নয়। সবাইকে একই ভাবে একই কাজ, একই সময় করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আর সেগুলো না করলে এইসব ইস্যু নিয়ে, বা নিজেদের দু:খ নিয়ে কথা বলা যাবে না, এটাও এক ধরণের অপ্রেশন নয়?

    আমার মা প্রথম জীবনে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্ট্রাগল করেছেন, মধ্য জীবন পর্যন্ত নিজের মেয়েদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর দিকে মনোনিবেশ করেছেন, যাতে তার মেয়েরা প্রিভিলেজড ক্লাসে বিলং করতে পারে। এখন মার সেইসব কাজ শেষ। এখন তাই মা মন দিতে পেরেছেন অন্যান্য সত্যিকারের শোষিত নিপীড়িত মেয়েদের জন্যে কিছু করার কাজে। এই উদাহরণ দিলাম এই জন্যেই যে জীবনের আমাদের এখনো অনেক বাকি। এখন চাকরি সংসার ছোটো সন্তান সামলিয়ে আরো মানুষের জন্যে কিছু করার সম্ভব নাই হতে পারে। কিন্তু মনের মধ্যে এই বোধটা যদি থাকে যে এখনো মেয়েরা বৈষম্যের শিকার, তবে হয়ত অনেকেই, আমার মার মতন দায়িত্বমুক্ত হবার পরে এই ধরণের কাজ করতেই পারে। যেমন, আমারি নিজস্ব কিছু চিন্তা আছে এ ব্যপারে।

    অতএব "এখানে এত কথা না বলে সত্যিকারের শোষিতদের জন্যে কিছু করে দেখাও" ইত্যাদি নিতান্ত ছেলেমানুষি কথা। সেই যুক্তিতে কারুর সিঙ্গুর নন্দিগ্রাম নিয়েও কথা বলা উচিত নয়!!! ওদিকে সিঙ্গুর নন্দিগ্রাম কিম্বা মমতার সময়ে আবার এরকম যুক্তি শুনেছিলাম যে পাবলিক ফোরামে নিজের বক্তব্য লিখলে সেটা অনেক লোক পড়ে, অতএব সামান্য হলেও জনচেতনা জাগাতে সাহায্য করে এইসব তর্ক। যদি তাই হবে, তাহলে সেকথা এখানেও প্রযোজ্য।
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:২৬484852
  • যা: আমি প্রায় পোস্ট করেই ফেলেছিলাম একটা লম্বা লেখা। রিফ্রেশ করে রিমির লেখাটা দেখে আর পোস্ট করলাম না, কারণ এই একই কথা আমিও লিখেছিলাম।
    নিজের থেকে লেস প্রিভিলেজডদের সমস্যা আরো বেশি অ্যাকিউট, তাই নিজের সমস্যার কথা বলতে গেলে আগে ঐ অ্যাকিউট সমস্যা যাদের, সেটা নিয়ে ডীল করতে হবে, এটা অত্যন্ত অক্ষম যুক্তি।
    মনে পড়ে গেল, নিজের চোখে দেখা একটি ঘটনা। একটি মেয়ে অ্যামেক্সে কাজ করত গুরগাঁওয়ে। সে তার ইমেডিয়েত অসের বিরুদ্ধে হ্যারাসমেন্টের অভিযোগ তুললে, মেয়েটিকে বলা হয় - এটুকুতেই তোমার হ্যারাসমেন্ট মনে হচ্ছে? তাহলে ইঁটভাঁটায় বা কনস্ট্রাক্‌শন সাইটে কাজ করে যেসব মেয়ে। তাদের সমস্যা শুনলে কী করতে?''
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:২৮484854
  • রিমির স্মাইলি দেওয়া প্যারাগ্রাফটা আমারও মনে হয়েছে।
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:২৯484857
  • আমার ৬:২৬, ইমেডিয়েট বস
  • aka | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:২৯484856
  • @ ব্যাঙ করা যাবে না কেন। যাস্ট ঘ্যানঘ্যানানি মনে হয়। মেয়ে বলে লোকে গালি দেবে যে। :)

    বলবে আধুনিক বঙ্গললনারা জীবনে এতই প্যাম্পার্ড যে সাধারণ চাপগুলো সইতে পারে না। ;)
  • rimi | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:২৯484855
  • এইবার ইন্দোদাদাকে। ও ইন্দোদাদা, খুব একপেশে অভিযোগ কল্লে যে। কাজের লোককে মানুষ না মনে করা - সে আমাদের সংস্কৃতি তো। এর আবার ছেলে মেয়ে কি?

    যেসব প্রিভিলেজড মেয়ে শ্রেণীবৈষম্য সম্পর্কে সচেতন, তারা মোটেও কাজের লোকের মাইনে নিয়ে এমন করে না (যেমন আমি কিম্বা আমার মা), উল্টে সম্ভব হলেই বেশি টাকা দেয়।

    হয়ত অনেক প্রিভিলেজড মেয়ে শ্রেণিবৈষম্য সম্পর্কে ঠিক ততটা ভেবে উঠতে পারে না। ট্র্যাডিশনাল সংস্কৃতির বাইরে বেরোতে পারে না। ঠিক যেমন, অনেক শিক্ষিত ছেলেপুলে, দেনাপাওনা নামক গল্পটি টেক্সট হিসেবে পড়েও, বরযাত্রীর খরচ থেকে শুরু করে "কিছু তো চাইছি না, কিন্তু মেয়ের বাবা যা দেবার দেবেন" বলে বিবেকের দায়মুক্ত হয়।
    অর্থাৎ কি না, ঠিকমতন চিন্তা করে উঠতে পারে না।

    এসবকিছুরই সমাধান হল, প্রাথমিক পাঠ থেকেই এই ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করা, নিজেরা ভাবা, আর ছোটোদের ছোটো থেকেই ভাবতে শেখানো।
  • aka | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:৩৪484858
  • আর অন্যদিকে পুরুষদের দ্যাখ। ঘরদোর, আপিস কাচারি, এবং প্যাম্পার্ড বউ, অবুঝ বাপ মা সবই কেমন অবলীলায় সামলে চলেছে, বুক চিতিয়ে, টই খোলার কোন প্রয়োজনই নেই। :)
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:৪১484859
  • আকা, আবার ডজ করলি।
  • pi | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৮:৫৫484860
  • রিমিদি, ৬:২০ - করে দেখাও মানে আকাদা মনে হয় অলোচনা করে দেখাও বলতে চেয়েছে :)
    (তবে তাই বা মন্দ কি, সত্যি করে দেখালে সত্যিই আরো ভালো, তা সঙ্কেÄও। )
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৯:০২484861
  • পাই, আমি তো একটা উদাহরণ দিলাম। উচ্চ-মধ্যবিত্ত শিক্ষিত মেয়েরা অন্য বৃত্তের মেয়েদের একটা জেনুইন সমস্যা নিয়ে ভেবেছে (হয়তো বা নিজেদেরই স্বার্থে), তাই নিয়ে কিছু করেছে সেই উদাহরণ তো দিলাম। সেটাই বা কম কীসে! আর এখানে যা বলা হছে্‌হ, সেইভাবে দারিদ্র্যদূরীকরণ প্রোজেক্টে হাত লাগানো কী সম্ভব সব্বার পক্ষে? তাহলে তো কাজের মেয়ে বলেই আর কেউ এক্সিস্ট করে না।
  • pi | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৯:১৩484862
  • আরে আমি কি বল্লাম নাকি হাত লাগাতেই হবে, নইলে কথা বলা যাবেনা !!
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৯:১৭484863
  • না, আলোচনার কথা বললি, তাই জন্য। আমি অলোচনা করতে রাজি, আশপাশে বেশ কিছু মেয়েকে দেখি নিজের সমস্যা ছেড়ে অন্যদের সমস্যা নিয়ে মাথা ঘামাতে আপ্রাণ চেষ্টা করতে। তাদের কাজের খতিয়ানও দেব।
  • aka | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৯:১৭484865
  • ব্যাং এই নারীবাদী সংগঠনগুলো বেশির ভাগই জালি টাইপ। অনেকটা পরিবেশ বাদীদের মতন। ওদের এক্সিস্টেন্সটাই ডিপেন্ড করে আমাদের কনফ্লিক্টের ওপর।

    এনিওয়ে ডজ করি নি তো। এই দ্যাখ আজ আমি অসুস্থ ছেলের বেবিসিট করার জন্য বাড়িতে। এদিকে ছেলে এডওয়ার্ড লিয়র থেকে কুইজ করে বলছে এটা যদি না পারিস তাহলে রাতে ব্রকোলি স্যালাড। ওদিকে কাকিমা ফোন করে বলছে বাড়ি যখন আছিস স্কাইপে আয়। এদিকে ব্রেকফাস্ট করতে হবে। আমার নিজের ইচ্ছে গুরুতে পোস্ট। ওদিকে বস মনে করে বাড়ি থাকলেও ইমেলের উত্তর দিতে হবে।

    এসবের পরে বউ যখন পোস্ট করে উফ কি বৈষম্য তখন মনে হয় - মানে গালি পাচ্ছে।
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৯:২২484866
  • আকা, প্লিজ, এখানে কোনো নারীবাদী সংগঠনের কথা আমি বলি নি, অধিকাংশই ইন্ডিভিজুয়াল প্রয়াস।

    আর তোর বউ বা কারুর বউই এখানে ""উফ কি বৈষম্য'' বলে এখানে পোস্ট করে নি। ওটা তোদের ইম্পোজ করা একটা মিথ্যে, যেটা বারবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর পরেও তোরা দেখতে পাচ্ছিস না, কারণ দেখতে পেলে তোদের আরো অসুবিধে হবে, বড় বড় কথা বলে অন্যদের নস্যাৎ করতে। কথাগুলো তোকে বললেও, আরো অনেককেই যে বললাম, সেটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছিস? :-))
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৯:২৩484867
  • ইসে, সাম্পানের পাখা নাহয়ে পারলুম না। :-)))
  • aka | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৯:৩৭484868
  • মাইরি বুঝতে পারছি না। তোরা বিগ প্রবলেম নিয়ে কথা বলছিস না, নিজেদের নিয়েও কথা বলছিস না, তাহলে উদ্দেশ্যটা কি?
  • pi | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৯:৪০484869
  • তাতিন, হ্যাঁ। একই ধারাপাত।
  • byaang | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ১৯:৫৬484870
  • আকা, আমি একটা খুব সাধারণ পোস্ট করেছিলাম ঝিকির একটা পোস্টের প্রেক্ষিতে, আমার জীবনের কিছু তেতো অভিজ্ঞতা নিয়ে। ঠিক যেভাবে এখানে অডিটর, এইচ আর, বস এদের সঙ্গে হওয়া অভিজ্ঞতার বেসিসে কিছু পোস্ট পড়ে। এক্ষেত্রেও কিন্তু এইসব হতভাগ্য অডিটর, এইচ আর, বস এদের আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ না দিয়েই এদের সম্পর্কে নানারকম কমেন্ট পড়ে এখানে। তখন কিন্তু কেউ উঠেপড়ে লাগে না কেন সর্পতে রজ্জুভ্রম করে চেঁচানো হচ্ছে, অথবা এই হতভাগ্য লোকগুলোকে কেন এইভাবে ভিলেন বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে। আমার পোস্টটা পড়ে ২-৩টি মেয়ে যারা এখানে লেখে, তাদেরও নিজেদের জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পেরেছিল। ব্যাস এইটুকুই। আর কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।
  • aka | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ ২০:০০484871
  • আজ্ঞে আরও কিছু পোস্ট এবং লেখায় যে অন্য কিছু ছিল।

    যেমন আমার এক বন্ধু বলেছে ভালো হবার চেষ্টা করবি না, নিজের ইচ্ছেমতন চলবি, সেটাও যে দুই তিনজন এসে লাইকে গেলেন। শুধু তাই নয় কেরিয়ার সংক্রান্ত ক্ষেত্রেও ওনারা লাইকে গেলেন। শুধু তাই নয় সেই নিয়ে বৈষম্য বোঝাতে আলাদা টইও খুললেন।

    তা বাপু অমন ব্যক্তিগত ভালো লাগা খারাপ লাগার সাথে ইন জেনারাল শ্বশুড়বাড়ি, মেয়ে বৈষম্য ইত্যাদি না জড়ালে আমিও দু একটা শেয়ার করতাম।
  • pi | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ২০:১৬484872
  • অন্য একটা টইয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে তুললাম।
  • | ১৩ আগস্ট ২০১৪ ২০:৪১484873
  • আরে এই টইটা দেখি নি তো।
    ইন্ডোর কথা ভীষণরকম জেনেরালাইজেশন দোষে দুষ্ট। তোর স্যাম্পল সেট খুবই কম মনে হচ্ছে। আমার বৃত্তে আমি তো অন্যরকমটাই বেশী দেখি। বিশেষ করে চাকরি বা ব্যবসা করা মহিলাদের বেশীরভ্জাগই ইন্ডোর বলা রকমের একেবারে উল্টো রকম।

    দাঁড়াও পুরোটা পড়ি আগে৪।
  • ♀ ♂ | ১৪ আগস্ট ২০১৪ ১৩:১৮484874
  • টই'এর নাম পড়ে মেয়েলী আড্ডার হালচাল জানতে গিয়ে পুরো ঘেঁটে ঘ হয়ে গেলাম যে। এক এলিট সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত নিজের এঁটো থালার তোলার কাহিনীর মতন অতিইই সামান্য অন্যায়ের কথা বলাতে ভারি ভারি বিশ্লেষণের মুখে পড়ে যে ভাবে টই'য়ের গঙ্গা প্রাপ্তি ঘটল তাতে এলিট তো এলিট, ডিলিট সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত মামনিগন একটু হলেও স্বস্তি পাবে। উল্টে পাল্টে সবই এক।
    উচ্চশিক্ষিতাদের কথা যে উচ্চশিক্ষিত ভাব ধারায় দমিয়ে দেওয়া হল, অশিক্ষিতাদের কথা কি ভাবে দমানো হয়, তা নাই স্থান পেল।
  • de | ১৪ আগস্ট ২০১৪ ১৭:৩৮484876
  • এই টইটা চলুক -- প্রথমদিকে একটু পড়লেও পরে পড়ে ওঠা হয়নি!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন