এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হানি সিং, অশ্লীল র‌্যাপ ও বর্তমান প্রজন্মের সঙ্গে বিমর্শ

    ranjan roy
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১৩ | ৭৬১১৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • riddhi | ১২ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৫৭577969
  • ব্যান নিয়ে পিনাকী বাবুর বক্তব্যের সাথে হুবহু মিল পাচ্ছি। যারা ব্যন না করে শুধু সরব হবেন, তাদের লক্ষ্য কি? জনচেতনায় এই ভাবনা মুছে ফেলা? অন্তত একটা জুতসই ফাইট দেওয়া? প্রাক্তিকালি বা এফিসিএন্টলি সেটা সবসময় কদ্দুর সম্ভব? এখানে মিডিয়াম, সময়, শিল্পীর আবেদন, ইত্যাদি আসবে। হতেই পারে একটা জনপ্রিয় লেখকের গান গুরুতে লেখা পাঁচ টা প্রবন্ধের সামিল। সেরকম হলে সব কাজ ফেলে হানি সিং এর পেছনে প্রতিটা ফাংশানেহ ছুটতে হবে। লস্সি-বিরতির সময় মন্চে উঠে বলতে হবে "এতক্ষন আপনারা শুনলেন চু* ধামাকা'। এই প্রসঙ্গে আমি গুরুচন্দালির পক্ষ থেকে যৌন হিংসা দিয়ে দু কলি বলব। … এরপর শুনবেন গাঁ* পকোড়া। শোনার পরেই বুঝবেন, ওটা ইকুআলি খারাপ। আচ্ছা আসি, নমশ্কর।' এটা চলবে?
    অন্য কোনো মধ্যমে প্রচার? বিকল্প হলেও হোতে পারে। ওদিকে ব্যান একটা 'কুইক এন্ড ডার্টি' দাওয়াই। একটি ব্যক্তির অধিকরে কামড় দেবে, কিন্তু এভারেজ উটিলিটি কিচু ক্ষেত্রে হয়তো বেশী।
  • riddhi | ১২ জানুয়ারি ২০১৩ ২২:৫৮577970
  • এটা এস সি কেঃ
    (সাধারন ভাবে ব্যান নিয়ে লিখছি, খালি হানি সাহেব না)
    প্ররোচনার ভয়ে ব্যান করা দরকার হতেই পারে। আমি সরকারে, আমার কিছু লক্ষ্য আছে। এবারে কোন ক্ষমতাশালী গ্রুপ ব্যান না করা নিয়ে এক্দল লোক ক্ষেপতে চাই। দাঙ্গা না, কিন্তু ভোটের একটা বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়াল। তখন করব না? যদি না করি, হোলোকস্ত ডিনায়াল, স্বস্তিকা ব্যান এর উদাহারন টানবে। এই ফালতু ঝামেলাই গিয়ে লাভ কি? আপনি তো আর গিয়ে অন্য দেশ গুলো বদলাবেন না।। ওদিকে ক্ষমতায় থাকা জরুরী, (ঘুষ খাবার জন্য না) ভোট পাওয়া জরুরী। … কখনো ব্যান একটা স্টেটমেন্ট হতে পারে। হয়তো স্রেফ প্রতীকী। কিন্তু আন্তর্জাতিক সমাজকে জানান দেয়া। তারো কিছু সুবিধে আছে…

    কখনো দু এক প্রভাবশালী লোকের মন-মর্জি মত ব্যান চালাতে হবে। ধরুন একটা চাইনিজ গ্রুপ এখানে চাউমিন কারখানা আর আনুষঙ্গিক পরিকাঠামো বানাতে এলো। তার চেয়ারম্যন ঝ্যাং এক সুন্দরি দেশপ্রেমী তরুণী। আর ঠিক তখনি ভূঃ ভঃ দ্বারা অনুপ্রানিত হয়ে মীর 'চীনের চাউমিন' বলে একটা বিষাক্ত খিল্লির নাটক নামবে স্থির করল। আপনি বিশুদ্ধ, আপনি একটু ভেবে ঠিক করলেন নো পরোয়া, আম্মো একটা জোরালো প্রবন্ধ ভেজেছি, মালটাকে চাইনিজে অনুবাদ করতে দু দিন লাগবে। তদ্দিন মীরকে ওয়েট করাই। তার্পার মীরের বিষ ছাড়ার আগেই আমার টোটাকা টা চার্জ করব, এন্ড ডেন ওল উইল বি শান্তিকল্যান' আপনার টোটকার বাংলাই এত কঠিন, তার চাইনিজ করতে তিন দিন গেল। চতুর্থ দিন আপনি ঘেমে নেয়ে একাডেমি ছুটছেন। হাতে এক দিস্তে কাগজ, মনে দুস্চিন্তা। যেমন বলিউডি নায়ক তার ক্রিমিনাল অতীত, (যেটা নায়িকা এখনো জানে না, কিন্তু এই ফেললো বলে ) ক্ল্যারিফাই করতে দৌরৈ। কিন্তু আফসোস। পৌঁছে দেখলেন, প্রাঙ্গন জুড়ে একটা বিশাল পোস্তার। তার বেশীরভাগ দখল করছে একটা কুবলাই খান টাইপ মুখ। থুতনির নিচের চুলগুলো চাউমিনের মত বড় করা, সেগুলোর প্রান্ত কাধে নিয়ে কিছু লেংটি পরা বাঙ্গালী শ্রমিক চলেছে। বোচা নাকের ওপর দিয়ে রেল লাইন পাতা। আর ব্যাকগ্রাউন্ডে সেই মুখের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে রজতাভ দেবলীনা হো হো করে হাসছে। এটা একটা ছবি(যার অনুবাদ নিশ্প্রয়োজন)। আর তার কাউন্টার করতে আপনি একগাদা কিসব অঙ্গ বঙ্গ চঙ্গ লিখে এনেছেন। ম্যাডাম ঝ্যাং এর চিন্কি চোখ বারি-ছলছল। আপনি হাসবেন না কাঁদবেন(কারাণ দুটৈ প্রবল পাচ্ছে) ঠিক করতে করতে আপনার চাউমিন শিল্প ডকে উঠে গেল।

    আবার, ব্যান করতেই হবে বলছি না। আপনি এই কাল্পনিক ঘটনাক্রম নিজের মনে ভিডিও গেমের মত রিরান করান, কিছু অন্য পরিস্থিতি দিয়ে। আপনার এমঃ (চাউমিন কারখানায় জব জেনারেশান + মীরের বাকস্বাধীনতা - আপনার চাইনিস্জ অনুবাদের খরচাপাতি) কে ম্যাক্সিমাইজ করা। তবেই আপনি জিতবেন।
    আর মন চাইলে, সরকারী ফর্মুলায় সামান্য জালি করে (মিস ঝ্যং এর চোখের জল)/ ১০০ বিয়োগ করতেই পারেন।
  • aka | ১৩ জানুয়ারি ২০১৩ ০০:৩৩577971
  • সিল্প বা হানি সিংয়ের গান ব্যান নিয়ে লোকজনের রিঅ্যাকশন দেখে আমার এক অ্যালাবামিয়ান কলিগের কথা মনে পড়ছে। তার বাড়িতে বিভিন্ন ক্যালিবারের অনেক রাইফেল ও রিভালবার। বন্দুক ব্যান নিয়েও সেও একই রকম রিঅ্যাকশন দেয়। তার বক্তব্য বন্দুক থাকলেই কি আর কেউ মাস কিলিং করে? প্রবলেম ইজ উইথ দা পারসন। যেমন হানি সিংয়ের গান শুনে কি আর কেউ ধর্ষণ করে? তারপরে শিল্পির স্বাধীনতা বেসিক রাইট, তার লঙ্ঘন হলে জীবন দিয়ে আটকাবো। আমার কলিগ বলে ব্যক্তি স্বাধীনতা বেসিক রাইট তা রক্ষা করতে জী্বন লড়িয়ে দেব। ইত্যাদি, ইত্যাদি।

    আমার অ্যালাবামিয়ান কলিগ আবার সিনেমায় এক্সপ্লিসিট সেক্স সিন ইত্যাদির খুব বিপক্ষে, আবার এখানে যাঁরা শিল্পির স্বাধীনতা ইত্যাদি নিয়ে বলছেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই আবার বন্দুক ব্যান করার পক্ষে। এই তো জীবন।
  • Ishan | ১৩ জানুয়ারি ২০১৩ ০৯:৫৭577972
  • আকার কোশ্চেনটার সরাসরিই উত্তর দেওয়া যাক। প্রশ্নটা যদি এটা হয়, যে, ব্যক্তিস্বাধীনতার মতো বাকস্বাধীনতার পক্ষে বলাও একটি নৈতিক অবস্থান কিনা, তার উত্তর হল হ্যাঁ। এটি অতি অবশ্যই একটি নৈতিক অবস্থান।

    তবে বন্দুকের সঙ্গে তুলনাটা অতীব বাড়াবাড়ি। কেন বাড়াবাড়ি তার পিছনে অতি সিম্পল লজিক অছে। বন্দুক হাতে একজন উন্মাদ (উন্মাদ কথাটা উন্মাদনার মাত্রা বোঝাতে ব্যবহার করলাম, অন্য কোনো কারণে না) আর বাক-স্বাধীনতা হাতে একজন উন্মাদ উভয়েই তার স্বাধীনতাকে ব্যবহার করে নিজের উন্মাদনার আউটলেট হিসেবে। তার ফল হিসেবে একজন গুলি চালায়, অন্যজন হয়তো খুব সেক্সিস্ট খিস্তি দেয়। দুটোতেই তার ক্ষোভের রিলিজ হয়। এই অবধি দুটোই এক। কিন্তু মেজর তফাতটা তারপরে। বন্দুক চালিয়ে ক্ষোভ বার করে দিলে সঙ্গে দু-দশটা আরবিট লোক মরে যায়। আর খিস্তি করে ক্ষোভ নির্গমন করলে (ধরুন কেউ আমি রেপ করব রেপ করব বলে চিল্লালো), তাতে সত্যিই রেপ করার চান্স কমতেও পারে -- মনস্তত্ত্বিক কারণে। অন্ততঃ চিল্লিয়ে সরাসরি সে কাউকে রেপ করে ফেলছে না।

    আর আরও একটা মাইনর পয়েন আছে। সেটাও লিখে দিই। "বন্দুক ব্যান" করতে হবে, এরকম দাবী কোত্থাও কেউ করেছে বলে আমি দেখিনি। আকা হয়তো দেখে থাকবে। দাবীটা ওঠে "গান কন্ট্রোল"এর। এখানে তার সমতূল্য কথাটা হল ডিসট্রিবিউশনের কন্ট্রোল। এ মার্কা লাগানো বা অন্য কোনো ফর্মে কন্ট্রোল। সে নিয়ে আমি অন্ততঃ কোনো আপত্তি করিনি। ফলে, বন্দুকের সঙ্গে তুলনাটা শেষ বিচারে, যাকে বলে, মাঠেই মারা গেল। :)
  • প্পন | ১৩ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:০৫577973
  • গানের সাথে gun-এর তুলনা হয়েছে। অতি অ্যাপ্ট। খামোখা মাঠে মারা গেল এইভাবে?
  • aka | ১৩ জানুয়ারি ২০১৩ ২১:৪৭577974
  • ঃ) বন্দুক আর কথার তুলনা, সত্যি এই না হলে কোহেরেন্ট কথাবার্তা।

    যাক গান/শিল্প প্রেমীর সাথে gun প্রেমীর তুলনা হয়েছিল। দুজনেই একই রকম ইর‌্যাশনাল। gun প্রেমীরা বলে gun ব্যান করে কি হবে, স্কুলে স্কুলে টীচারদের হাতে gun তুলে দাও, যাতে দুষ্টু লোকের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। হ্যাঁ ব্যানই, কন্ট্রোল নয়। স্কুলে স্কুলে, হসপিটালে, ইউনিভার্সিটি প্রেমিসে গান ব্যান নিয়েও gun প্রেমীরা সরব।

    আর হানি সিংয়ের গান-প্রেমীরা হেট স্পিচ অবধি ঠিক আছে, কিন্তু ব্যান নৈব নৈব চ। বড়জোড় ক্লাসিফায়েড চলতে পারে। "মোল্লা মেরে লটকে দেব নিম গাছের ডালে" এ হেটস্পিচ এবং ক্লাসিফায়েড অনলি ফর হিন্দুজ, বাবা রামদের গাইডেন্স রিকোয়ার্ড, এরকম কিছু? ব্যপারটা বুঝি নাই।

    একদিকে বলব, সমাজে পুরুষতান্ত্রিকতা ঘোচাব, নারীদের প্রতি অবমাননা - শুধু ধর্ষণ নয় - কম করার জন্য দিকে দিকে আওয়াজ তুলব, আবার অন্যদিকে হানিসিংয়ের এই এক্সপ্লিসিট লিরিককে লেজিটিমেট শিল্প হিসেবে মান্যতা দিতে হবে বলে দাবী তুলব। বোঝা দুষ্কর।
  • Ishan | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০১:৪০577976
  • ব্যান এবং কন্ট্রোলের তফাতটা আকা জানেনা। তাই একটু বুঝিয়ে দিই। ধরুন কোনো দেশে রাস্তার ধারে হিসি করা নিষিদ্ধ। তার মানে সে দেশে হিসি করা ব্যান নয়। আপনি বাথরুমে ঢুকে দিব্বি হিসি করতেই পারেন। একই ভাবে ইশকুলে বন্দুক নিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ মানে দেশে বন্দুক ব্যান নয়।
    বোঝাতে পারলাম কি? আমার লেখা নাই পড়লেন, যদি একটু টিভি-খবরের কাগজ পড়ার টাইম পান, দেখবেন, বন্দুক নিয়ে মূল দাবীটা ওঠে গান কন্ট্রোলের। সেটা যদি নজরে না পড়ে থাকে, তাইলে তক্কো করা চাপ।

    আর হ্যাঁ, স্কুলে, হসপিটালে হানি সিং মার্কা গান ব্যানের পক্ষে তো আমি। তাতে করে লিচ্চই ইরর‌্যাশনাল হবার পাপ থেকে মুক্ত হলাম। :)
  • aka | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০২:০১577977
  • ঈশান কি খবরের কাগজ পড়া, নিউজ দেখা একেবারেই ছেড়ে দিয়েছে? পুরোটাই হাওয়া? তারসাথে কনফিডেন্টলি লোকজনকে বলে চলেছে? হা ঈশ্বর। না আর তক্কো নয়, একটা লিংই দিই।

    http://www.reuters.com/article/2013/01/13/us-usa-guns-congress-idUSBRE90C0DK20130113

    প্রসঙ্গত অ্যাসল্ট ওয়েপন যার মধ্যে একটা বড় রেঞ্জের বন্দুক টন্দুক পরে তা আমেরিকাতেও ছিল বিল ক্লিন্টন ১৯৯৪ সনে ফেডারাল অ্যাক্ট হিসেবে সাইন করেছিল। ২০০৪ সনে সেই আইন এক্সপায়ার করে। সেটাকে আবার এন্যাক্ট করার চেষ্টা চলছে। হ্যাঁ ব্যক্তি স্বাধীনতা কামীরা অবশ্য মনে করে তাতে করে একটা মোজাও ছেঁড়া যাবে না।
  • Ishan | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০২:০৫577979
  • যাই হোক, আমার পুরোনো পয়েন্টে ফিরে আসি। কথা হচ্ছিল একটা নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে টার্গেট করে হেট স্পিচ লেখা নিয়ে। সেরকম একটা স্যাম্পল লেখা যাক।

    "বালাসায়েব ঠাকরে একদম ঠিক বলেছেন। ব্যাটারা গোরু-ছগলের মতো ট্রেনে গাদাগাদি করে মুম্বাই আসবে। সব জায়গায় ছক করবে। ঝুপড়ি ওদের কাছে কোনো ব্যাপার নয়, একটা গামছা পরেই জীবন কাটিয়ে দিতে পারে, জুতো কি জিনিস ব্যাটারা জানেইনা। খাবার বলতে একথালা ভাত পেলেই হল। তারপর টেনে মাল খাবে। নিজেদের থাকা-খাওয়ার এই ছিরি। মাইনে ওদের লাগেইনা। এই করে মুম্বাইয়ের লোকেদের মাইনে কমছে, জিনা হারাম করে দিচ্ছে।"

    এইটা একটা হেট স্পিচ। আশা করা যায় তাতে কারো কোনো সন্দেহ নেই।
  • Ishan | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০২:১০577980
  • আকাকে পরে লিখছি। আগে এটা শেষ করি। :)

    এবার একটা ইংরিজি টেক্সট পেস্ট করব। যেটা থেকে আগের টেক্সটটা চোথা করলাম। সেটা নিচে দিলামঃ

    "Carlyle is perfectly right. These Irishmen who migrate for fourpence to England, on the deck of a steamship on which they are often packed like cattle, insinuate themselves everywhere. The worst dwellings are good enough for them; their clothing causes them little trouble, so long as it holds together by a single thread; shoes they know not; their food consists of potatoes and potatoes only; whatever they earn beyond these needs they spend upon drink. What does such a race want with high wages? The worst quarters of all the large towns are inhabited by Irishmen. Whenever a district is distinguished for especial filth and especial ruinousness, the explorer may safely count upon meeting chiefly those Celtic faces which one recognises at the first glance as different from the Saxon physiognomy of the native, and the singing, aspirate brogue which the true Irishman never loses. I have occasionally heard the Irish-Celtic language spoken in the most thickly populated parts of Manchester. The majority of the families who live in cellars are almost everywhere of Irish origin. In short, the Irish have, as Dr. Kay says, discovered the minimum of the necessities of life, and are now making the English workers acquainted with it. Filth and drunkenness, too, they have brought with them. The lack of cleanliness, which is not so injurious in the country, where population is scattered, and which is the Irishman's second nature, becomes terrifying and gravely dangerous through its concentration here in the great cities. The Milesian deposits all garbage and filth before his house door here, as he was accustomed to do at home, and so accumulates the pools and dirt-heaps which disfigure the working- people's quarters and poison the air. He builds a pig-sty against the house wall as he did at home, and if he is prevented from doing this, he lets the pig sleep in the room with himself. This new and unnatural method of cattle-raising in cities is wholly of Irish origin. The Irishman loves his pig as the Arab his horse, with the difference that he sells it when it is fat enough to kill. Otherwise, he eats and sleeps with it, his children play with it, ride upon it, roll in the dirt with it, as any one may see a thousand times repeated in all the great towns of England. The filth and comfortlessness that prevail in the houses themselves it is impossible to describe. The Irishman is unaccustomed to the presence of furniture; a heap of straw, a few rags, utterly beyond use as clothing, suffice for his nightly couch. A piece of wood, a broken chair, an old chest for a table, more he needs not; a tea-kettle, a few pots and dishes, equip his kitchen, which is also his sleeping and living room. When he is in want of fuel, everything combustible within his reach, chairs, door-posts, mouldings, flooring, finds its way up the chimney. Moreover, why should he need much room? At home in his mud-cabin there was only one room for all domestic purposes; more than one room his family does not need in England. So the custom of crowding many persons into a single room, now so universal, has been chiefly implanted by the Irish immigration. And since the poor devil must have one enjoyment, and society has shut him out of all others, he betakes himself to the drinking of spirits. Drink is the only thing which makes the Irishman's life worth having, drink and his cheery care-free temperament; so he revels in drink to the point of the most bestial drunkenness. The southern facile character of the Irishman, his crudity, which places him but little above the savage, his contempt for all humane enjoyments, in which his very crudeness makes him incapable of sharing, his filth and poverty, all favour drunkenness. The temptation is great, he cannot resist it, and so when he has money he gets rid of it down his throat. What else should he do? How can society blame him when it places him in a position in which he almost of necessity becomes a drunkard; when it leaves him to himself, to his savagery?"

    বাংলা এবং ইংরিজির বক্তব্যে বিশেষ তফাত নাই। শুধু দেশ আর জাতিটি ভিন্ন। আমার প্রশ্ন হল, এটাও কি হেট স্পিচ?
  • Ishan | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০২:১৬577981
  • এই দুটো পড়ে জানাবেন। ততক্ষণে আকার কোশ্চেনের উত্তর দিই।

    হ্যাঁ, পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশে মেশিনগান, অ্যাসল্ট রাইফেল, নিউক্লিয়ার ওয়েপন ইত্যাদি ব্যান। কিন্তু স্পেসিফিক বন্দুক ব্যান আর আমব্রেলা বন্দুক ব্যান এদের মধ্যে তফাত আছে। মেশিনগান ব্যান মানে বন্দুক ব্যান নয়। যেমন ধরুন, চিনি খাওয়া বারন মানে খাওয়া-দাওয়া নিষিদ্ধ নয়। বা রাস্তায় হিসি করা ব্যান মানে হিসি করা ব্যান নয়।

    স্পেসিফিক ও জেনেরিক -- ইহাদের মধ্যে কিছু তফাত আছে। এইটা একটু বুঝতে হবে আর কি।
  • Ishan | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০২:২৪577982
  • উফ হুড়োতাড়াতে ঠিক করে লেখা হয়নি। মেশিনগান ব্যান মানে আমি গৃহকর্মে মেশিনগানের ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার কথা লিখেছি। সেটা সব দেশে ব্যান কিনা তাও ঠিক জানিনা। আন্দাজে লিখেছি।

    ফলে দ্বিতীয় যে পয়েন্ট আছে সেটাও তাই লিখে দিই। অ্যাসল্ট ওয়েপন এবং মেশিনগান পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেই যে ব্যান লিখলাম, সেটা ঠিক লিখলাম কি? লিখলাম না। তাহলে ব্যানটা ম্যানুফ্যাকচারিং এর উপরে হত। তা নয়। আসলে এইসব অস্ত্রের ব্যবহার আজও বিপুল। ধরুন, মিলিটারি, পুলিশ, এরা তো করেই। আরও কে কে করবে সেটা বিভিন্ন দেশের আইনের উপর নির্ভর করে। কাজেই ওটাও আদতে কন্ট্রোল। এমনকি নিউক্লিয়ার ওয়েপনও। অ্যাবসলিউট সেন্সে।
  • aka | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০২:৪২577983
  • উফফ ঈশান এবারে গোটাচ্ছে। ঃ)

    ফেডারাল অ্যাসল্ট ওয়েপন ব্যন অ্যাক্ট ইন ইউএসএ দিয়ে সার্চে নিয়ে লিখলে হয়ত কোন গলতা খুঁজে পাবে। ঃ)

    যাইহোক, গান কন্ট্রোলে যেমন সমস্ত গান নয় কিছু কিছু গান যাদের ক্ষমতা বা মাস কিলিংয়ের ক্ষমতা খুব বেশি তাদের ব্যন করার কথা বলা হচ্ছে তেমনই গান নয় বা এমনকি হানি সিংকেও নয়, হানি সিংয়ের বিশেষ গান যার লিরিক অমন ভয়ংকর তাকেই ব্যান করার কথা বলা হচ্ছে।
  • Ishan | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০২:৫২577984
  • না আমি কোনো কথা চালাচালির খেলা খেলছিনা। আমার মতামত খুব পরিষ্কার। দুটো পয়েন্ট আছে।

    ১। বন্দুক হাতে একজন উন্মাদ (উন্মাদ কথাটা উন্মাদনার মাত্রা বোঝাতে ব্যবহার করলাম, অন্য কোনো কারণে না) আর বাক-স্বাধীনতা হাতে একজন উন্মাদ উভয়েই তার স্বাধীনতাকে ব্যবহার করে নিজের উন্মাদনার আউটলেট হিসেবে। তার ফল হিসেবে একজন গুলি চালায়, অন্যজন হয়তো খুব সেক্সিস্ট খিস্তি দেয়। দুটোতেই তার ক্ষোভের রিলিজ হয়। এই অবধি দুটোই এক। কিন্তু মেজর তফাতটা তারপরে। বন্দুক চালিয়ে ক্ষোভ বার করে দিলে সঙ্গে দু-দশটা আরবিট লোক মরে যায়। আর খিস্তি করে ক্ষোভ নির্গমন করলে (ধরুন কেউ আমি রেপ করব রেপ করব বলে চিল্লালো), তাতে সত্যিই রেপ করার চান্স কমতেও পারে -- মনস্তত্ত্বিক কারণে। অন্ততঃ চিল্লিয়ে সরাসরি সে কাউকে রেপ করে ফেলছে না।

    ২। "অটোমেটিক রাইফেল" কিংবা "চকলেট বোম" এদের ক্ষতিকারক ক্ষমতার একদম সিধে ন্যাচারাল সায়েম্সের মাপকাঠিতে মাপ হয়। যেমন মিনিটে দুশোটার বেশি গুলি বেরোয়, অথবা নব্বই ডেসিবেল এর বেশি শব্দ, বা অন্য কিছু। কিন্তু শিল্পের তথাকথিত ক্ষতি বা লাভ এভাবে মাপা সম্ভব নয়। তার জন্য কর্তৃপক্ষ বা কারো একটা মরালিটির উপর নির্ভর করতে হবে। সেটা অতীত অতীব বিপজ্জনক। হানি সিং এর দুটো গানের চেয়ে অনেক বেশি।

    পুঃ দুটো টেক্সট পেস্ট করেছিলাম। সে নিয়ে কি মতামত?
  • T | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০৫:০৫577985
  • ১)""অটোমেটিক রাইফেল" কিংবা "চকলেট বোম" এদের ক্ষতিকারক ক্ষমতার একদম সিধে ন্যাচারাল সায়েম্সের মাপকাঠিতে মাপ হয়। যেমন মিনিটে দুশোটার বেশি গুলি বেরোয়, অথবা নব্বই ডেসিবেল এর বেশি শব্দ, বা অন্য কিছু। কিন্তু শিল্পের তথাকথিত ক্ষতি বা লাভ এভাবে মাপা সম্ভব নয়। তার জন্য কর্তৃপক্ষ বা কারো একটা মরালিটির উপর নির্ভর করতে হবে। সেটা অতীত অতীব বিপজ্জনক। হানি সিং এর দুটো গানের চেয়ে অনেক বেশি।"
    ----তো, গোটা গণতন্ত্রেই তো কিছুজনকে নির্বাচিত করা হচ্ছে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। রাজনৈতিক/অরাজনৈতিক যেকোন কিছুর সাথেই তো মরালিটি ইত্যাদি গ্রে এরিয়া কিছু একটা ভাবে লিঙ্কড থাকে। ফলে সেন্সর বোর্ড থাকলে ইনকন্সিস্টেন্সি আর কি হবে?

    ২) ঈশেনবাবু উদাহরণ হিসেবে লিখেছেন, "আজকাল লোক দেখলেই গা-পিত্তি জ্বলে যায়। ছেলে দেখলেই মনে হয় ঘেমো। দুই থাপ্পড় মারি। মেয়ে দেখলেই মনে হয় ছিঁচকাঁদুনে। পাছা ফাটিয়ে দিই। মেড়ো দেখলেই জ্বলজ্যান্ত শাইলক মনে হয়। ব্যাটাদের মুন্ডু কেটে নিতে হয়। কালো লোক দেখলেই মনে চোর। সাদা দেখলেই ঢ্যামনা। সব ব্যাটাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিতে হয়।" এতে পাছা ফাছা ইত্যাদি রয়েছে। রেসিস্ট কমেন্ট রয়েছে। সব্বাইকে ফাঁসিতে ঝোলাতে চাইছে। 'সাধারণ' গদ্য পড়তে অভ্যস্ত পাঠক একটু সংকোচে পড়বে, (এই সংকোচের ব্যাপারটাও মনে হয় প্যাট্রিয়ার্কিয়াল সমাজের দান।) একটু সাবধানে গ্রহণ করবে। শব্দগুলো ধাক্কা মারবে মাথায়। লেখক ও পাঠকের মধ্যে এই টানাপোড়েন হবে খুব ইন্টিমেট। এই ইন্টিমেসির গ্রহণযোগ্যতা আছে কারণ এখানে ইন্টার একশন ওয়ান টু ওয়ান। ঠিক এই জিনিস আবার কার্জন পার্কে দুপুরবেলা ভ্রুক্ষেপহীন বিহ্বলচিত্তে চেঁচিয়ে পড়তে থাকলে লোকে পাগল বলবে। কারণ উটি জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ নয়। ঠিক যেকারণে পুরন্দর ভাটের কবিতা লোকে পাবলিক ফাংশানে কিছুতেই আবৃত্তি করবে না। কারণ এক তো, এই আপাত শালীনতার ডেফিনেশন বা গ্রহণযোগ্যতার স্থান কাল পাত্র ভেদ, যা যুগ যুগ ধরে সমাজে তৈরী হয়ে রয়েছে। তাছাড়া কিছু ব্যাপার ব্যক্তিগত, কিছু সমষ্টির জন্য।

    এখন আফটার অল শিল্পীর তো দরকার পাঠক বা শ্রোতা বা দর্শকের সাথে ওয়ান টু ওয়ান মোলাকাত। প্রত্যেক ইন্ডিভিজ্যুয়ালের কাছে সে তার সৃষ্টি নিয়ে উপস্থিত হতে চায়। এক্ষেত্রে ক্লাসিফিকেশন আদপেই সেই কাজে কোন বাধা হতে পারে কি? সুতরাং হানি সিং এর গান যথাক্রমে ক্লাসিফায়েড ও পাবলিক প্লেসে বাজানো নিষিদ্ধ হলে গান বা বাক স্বাধীনতার ক্ষতি কি হচ্ছে? কেউ যদি অফেন্ডেড হয় সেটাও আটকানো গেল, আবার গানের উদ্দেশ্যও সাধিত হল (আদপেই যদি কিছু থেকে থাকে)। সিগারেট খাওয়ার মতন আর কি! পাবলিক প্লেসে খাওয়া নিষেধ, বাথরুমে খেতে চাইলে খাও। আইন থাকলে প্রতিবাদের ভিত্তিটা স্ট্রং হয়।

    আমার মনে হয়, যে সৃষ্টি যত বেশী তথাকথিত অশ্লীল ও বৈপ্লবিক, সেটি তত বেশী ব্যক্তিগত অনুভূতির প্লেগ্রাউন্ডে খেলাধুলো করে বা করতে চায়। 'আয় মাগী, তোর মুখে মুতে দি' এই জিনিস পাবলিক অনুষ্ঠানে শুনে তামাম ছেলে বুড়ো আহা উহু করে গম্ভীর মুখে তার পোস্টমর্ডান এনালিসিস করতে বসে গেল, এরকম দেখেছেন কখনো? বরং এর কমপ্লিমেন্টারি ইভেন্ট, অর্থাত মাচোদ ব্যাহেনচোদ ইত্যাদিতে অভ্যস্ত শ্যালো জনতার ডিকশনারিতে আরেকটি ইলাবোরেট খিস্তির আডিশনের সম্ভাবনাই তো প্রবল দেখছি।

    তো যদ্দিন না সেই প্রবল মুক্ত সমাজ টপাত করে আকাশ থেকে খসে না পড়ছে তদ্দিন এই ক্লাসিফিকেশন চলুক, নির্দিষ্ট ক্লাসিফিকেশনের জিনিসপত্র পাবলিক প্লেসে বাজানো বন্ধ হোক।

    ইত্যাদি এই সব বলে প্রবল ঘেঁটে গিয়ে আমি ঘুমুতে গেলুম।
  • aka | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০৮:২০577986
  • পরের কথা পরে। আগে ঈশান বলুক আমেরিকায় গান কন্ট্রোলের মধ্যে একটা বড় সংখ্যক গান ব্যান করার জন্যও কিছু লোকে উঠে পড়ে লেগেছে, এই ফ্যাক্টটা বোঝা গেছে কিনা। অবশ্যই বন্দুক ব্যান মানে খেলনা বন্দুক ব্যান করার কথা কেউ বলছে না। আর সেটা খবরের কাগজ, টিভি ইত্যাদিতেই দেখা যাচ্ছে। এইটা কি ঈশানের কিলিয়ার হল? ও হ্যাঁ শুধু মেশিনগান না বেশ কিছু রাইফেলও ব্যান করার কথা হচ্ছে ঐ অ্যাক্টে যাকিনা এই মুহুর্তে ব্যান নয় আমেরিকায়। মানে সাধারণ সিভিলিয়ান ঐসব মারাত্মক বন্দুক রাখতে পারে। অবশ্য একটু কাগজ উল্টোলেই এটা জানা যায়, নতুন কিছু না। ঃ)

    দুই, হানি সিংয়ের মতন উজবুকদের মরালিটির ওপর ভরসা রাখার থেকে একটা নির্বাচিত বডির মরালিটির ওপর আস্থা রাখা ভালো কারণ এই বডির অ্যাকাউন্টেবিলিটি আছে। যে কারণে আর কি এইসব নির্বাচিত ইনস্টিউশন ইত্যাদি।
  • aka | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০৮:২৩577987
  • আর বাই দা ওয়ে হিসির মতনই হানি সিংয়ের গান রাস্তায় ব্যান করার ক্থা হচ্ছে, হানি সিং বাথরুমে গুনগুন করে গাইলে কারই বা কি বলার থাকতে পারে।
  • Ishan | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০৯:০৮577988
  • না একেবারেই বোঝা যায়নি।

    ১। "বন্দুক ব্যান" মানে "বন্দুক ব্যান"। এর দাবী আমি দেখিনি। আশা করা যায়, আমাকে সামগ্রিকভাবে "বন্দুক ব্যান" এর দাবী কোথায় করা হয়েছে দেখানো হবে। এই মডেলের রাইফেল বা ওই মডেলের মেশিনগান -- এসব একেবারেই গ্রাহ্য হবে না। আশা করি এই সহজ কথাটা বোঝাতে পারলাম। :)

    ২। এ কথা আমি অনেক আগেই ক্লিয়ার করে দিয়েছি যে হানি সিং এর গান রাস্তায় বন্ধ করায় আমার মত আছে। "সামগ্রিক নিষিদ্ধকরণ"এ মত নেই। এটা একটু পড়লেই বোঝা যেত। সেক্ষেত্রে অযথা তর্কের প্রয়োজন হতনা।

    ৩। হানি সিং বেশি উজবুক না সেন্সর বোর্ড বেশি, এ নিয়ে তক্কে ঢোকার কোনো মানে নেই। এ পোড়া দেশে সিনেমায় লেনিনের পাছা কেন দেখানো হচ্ছে, সে নিয়েও একটি শাসক দলের প্রতিনিধিগণ হইচই করেছিলেন। আরেকটি শাসক দল ফেসবুক কান্ডে কি ঘটালেন সেও আমরা দেখেছি। ইত্যাদি। :)
  • Ishan | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ০৯:০৯577990
  • তবে হানি সিং এর গান জাস্ট কন্ট্রোল করার কথা বলা হচ্ছে, ব্যান নয় -- আকার এই মত জেনে ভালো লাগল। আশা করা যায় এই নিয়ে আর তক্কের প্রয়োজন নেই। :)
  • ranjan roy | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১০:০৭577991
  • বর্তমান প্রজন্মের মহিলাটির সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বিমর্শঃ
    --------------------------------------------------
    আমিঃ দেখ তো, কি সব কান্ড বাঁধিয়েছ! হানি সিং -এমেনেম-র‌্যাপ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লে্ষণ, দুজনের অ্যালবাম ও পুরস্কারের তালিকা ও আমি পড়ে ফেলেছি। মাইরি! এসব কিস্যু জানতাম না। ফোকটে অশেষ জ্ঞানার্জন হল। কিন্তু তোমরা মাইরি বড্ড একলষেঁড়ে!
    মহিলাঃ মানে?
    আমিঃ মানে? মানে আমি জানিনা। বলতে ভাল লাগছে, ব্যস!। বলতে চাইছি তোমরা যে স্বাধীনতার নামে আম্রিগার একস্ট্রিম ব্যক্তি-স্বাধীনতার কথা ছাড়া কিছু বোঝ না, ১৯৪৭ এর ভারতকে বোঝ না, সেটা স্পষ্ট। কি দেশ মাইরি! কবে থেকে চকোলেট কেনার মত বন্দুক কেনা কে ব্যান করার কথা বলা হচ্ছে, কেউ শোনেই না। মাইকেল মুরের ডকু ফিলিম দেখেছ আশা করি। ওই স্কুলের কান্ডটা হবার পরেও চোখ খোলে না।
    মহিলাঃ ও, দিল্লি কান্ডের পর আশা করি ভারতে রেপের ঘটনা অনেক কমে গেছে,-- দিল্লিতে? ইউপিতে? উত্তর-পূর্বে? গুজরাতে? কোলকাতায়?
    শুনুন কাকু, সেদিন আমরা দিল্লির একটি রেস্তোরাঁর ছাদে মিট করেছিলাম। সব কলেজ জীবনের বন্ধুরা। কেউ আজ বিবাহিত, কেউ আমার মত। ভর বিকেলে মাল-টাল খেয়ে টই-টম্বুর। একজন আর একজনকে গলা জড়িয়ে 'ইয়ার, আই রিয়েলি লাভ য়ু ইয়ার' করে যাচ্ছি। তারপর হানি সিংয়ের গান বাজিয়ে ধেই-ধেই নেচে খোঁয়ারি কাটালাম।
    আমি স্ক্যান্ডালাইজড্‌, ঃ কি বলছ কী?
    মহিলাটি মোবাইলের বোতাম টিপে আমার কানের পাশে ধরেন।
    ঃ গানটা শুনুন কাকু! অ্যাগ্রেসিভ, বিটার, কিন্তু কোথায় অশ্লীল?
    আমিঃ কিচ্ছু বুঝতে পারছি না। কোথায় গান? এ তো দ্রুতলয়ে চিৎকার!
    মহিলাঃ র‌্যাপ আপনার ওরম লাগতেই পারে। যেমন কীর্তন আর রবীন্দ্রসংগীত আমার অদীক্ষিত কানে ঘ্যানঘেনে লাগে। কিন্তু লিরিক লিখে দিচ্ছি-- একেবারে অশ্লীল নয়। হ্যাঁ, কিছু গান অবশ্যই চরম বিরক্তিকর ও জঘন্য, ওই 'তোর মাথা থেকে ইয়ের ভূত নামাই, আয় তোকে জুতোপেটাই' ইত্যাদি।
    আমিঃ তো এগুলো ব্যান করা উচিত নয়?
    মহিলাঃ কেন? আপনাদের না কাকু ওই মাইওয়ে অর হাইওয়ে অ্যাটিচুড। আগেই বলেছি আপনাদের প্রজন্মের বাঙালীরা দুটো একস্ট্রিম পোলের বাইরে কোন কিছুর অস্তিত্ব স্বীকার করেন না।
    ক্যাপিটালিজম-কমিউনিজম, প্রেম-ধর্ষণ, পুরুষ-মহিলা, সিপিএম-ঘাসফুল। তাই হয় হই-হই করে মাইকে বাজাও নয় ব্যান কর।
    আমিঃ দাঁড়াও, দাঁড়াও! তোমরা কি চাও? তোমাদের উপর সমাজ বা রাষ্ট্র, কারও কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না? একেবারে বাঁধ-ভেঙে-দাও? নাকি তোমরাই নতুন ভগবান ?
    মহিলাঃ ওই যে আগে বললাম, নিয়ন্ত্রণ মানে কি খালি ব্যান করা?
    আমিঃ শোন, ধর আমার মদ খাওয়া অপছন্দ, জানই তো, তোমার কাকিমা কি বলেন! এখন আমার ছেলে যদি সন্ধ্যের পর বন্ধুবান্ধব নিয়ে বাড়িতে মদের মোচ্ছব বসায়, তারস্বরে ঝিনচ্যাক মিউজিক বা হানি সিং বাজায় তো আমি বলতে পারব না যে এসব চলবেনা?
    মহিলাঃ পারবেন।
    আমিঃ তারপরও যদি না শোনে তাহলে বলতে পারবো না যে বাপ আমার! আর তো পারিনে, এবার আলাদা বাসা করে থাক। তোমার যেমন স্বাধীনতা আছে ইচ্ছেমত শোনার, নাচা-কোঁদার, তেমনি আমারো স্বাধীনতা আছে না শোনার। আমার কানটাকে শান্তি দেবার। বলতে পারি কি না?
    মহিলাঃ একশ'বার পারেন, যদি বাড়িটি আপনার হয়। আর ওটা ছেলের হলে ওই বলবে-- বাবা, তোমাকে আলাদা বাসা করে দিচ্ছি।
    আমি ঃ আর আমার যদি অন্য কোথাও যাবার সংস্থান বা সামর্থ্য না থাকে?
    মহিলাঃ তা'লে ছেলের বাড়িতে মুখ বুজে থাকবেন, ঝিনচ্যাক বাজনার সময় নিজের কামরায় দোর বন্ধ করে বসে থাকবেন।
    আমিঃ ব্যাপারটা সেই শক্তিমানের বা মেজরিটির ডিসিশনের ওপর ছেড়ে দিচ্ছ?
    মহিলাঃ আইন কে বানায়, মাইনরিটি? আপনাকে যা বল্লুম মাইনরিটি সেভাবেই কোন সমাজে টিঁকে থাকে, সহাবস্থান করে, কখনই ইক্যুয়াল টার্মসে নয়। মাইনরিটি কমিশন গুলোর হাল দেখুন না!, মেজরিটির দয়ায় তৈরি হয়েছে।
  • T | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৪৬577992
  • "আপনাদের প্রজন্মের বাঙালীরা দুটো একস্ট্রিম পোলের বাইরে কোন কিছুর অস্তিত্ব স্বীকার করেন না।
    ক্যাপিটালিজম-কমিউনিজম, প্রেম-ধর্ষণ, পুরুষ-মহিলা, সিপিএম-ঘাসফুল। তাই হয় হই-হই করে মাইকে বাজাও নয় ব্যান কর।"---- যা সবের কথা বলা হচ্ছে, তা তো বাস্তবিকই একে অপরের বিপরীত। সে কেউ মানুক আর নাই মানুক। কিন্তু বুড়ো লোকেরা সমাজকে স্রেফ এইভাবে বাইনারি ক্লাসিফিকেশন করে এটা বড্ড সরলীকরণ হয়ে গেল। নাকি নিজেদের একটু বেশী প্রোগ্রেসিভ দেখানোর প্রচেষ্টা।

    "মহিলাঃ তা'লে ছেলের বাড়িতে মুখ বুজে থাকবেন, ঝিনচ্যাক বাজনার সময় নিজের কামরায় দোর বন্ধ করে বসে থাকবেন।
    আমিঃ ব্যাপারটা সেই শক্তিমানের বা মেজরিটির ডিসিশনের ওপর ছেড়ে দিচ্ছ?
    মহিলাঃ আইন কে বানায়, মাইনরিটি? আপনাকে যা বল্লুম মাইনরিটি সেভাবেই কোন সমাজে টিঁকে থাকে, সহাবস্থান করে, কখনই ইক্যুয়াল টার্মসে নয়। মাইনরিটি কমিশন গুলোর হাল দেখুন না!, মেজরিটির দয়ায় তৈরি হয়েছে।" -------তাহলে এঁনারা যা এতদিন ধরে চলে আসছে, অর্থাত মাইনরিটির করুণ অবস্থার বিপক্ষে নন, বরং সেইটাকেই বহন করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিচ্ছেন। তাহলে আর কিসের প্রোগ্রেসিভ? তাহলে আর বুড়োদের হ্যাটা মারাই বা কেন?

    টোটাল ধাপ্পা।
  • pinaki | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১২:৫৫577993
  • http://timesofindia.indiatimes.com/india/Activists-up-in-arms-about-Mumbai-cops-poem-on-Azad-Maidan-riot/articleshow/18014257.cms

    ব্যান সংক্রান্ত আলোচনায় এইটা প্রাসঙ্গিক মনে হল।

    আমার প্রশ্ন হল, ধরা যাক কেউ লাগাতার হেট স্পীচ দিয়ে যাচ্ছেন - এমন একটা এলাকায় যেখানে মেজরিটি মাইনরিটি সম্পর্ক সুস্থ নয়, মাইনরিটি কর্নার্ড এবং যিনি এটা করছেন তিনি মেজরিটির হয়ে মাইনরিটির বিরুদ্ধে লোক ক্ষ্যাপাচ্ছেন। পাব্লিককে দাঙ্গায় উসকানি দিচ্ছেন নানারকম পত্র-পত্রিকায় লেখা, পাব্লিক মীটিং, গান-বাজনার মাধ্যমে। কিন্তু নিজে অস্ত্র ধরেন নি। অথচ সেই হেট স্পীচের কারণে সত্যই দাঙ্গার মত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সেক্ষেত্রে ধরা যাক আমরা সাধারণ মানুষ হিসেবে তার বিরোধিতা করছি। মানে 'হেট স্পীচকে হেট স্পীচ হিসেবে রেকগনাইজ করছি এবং তার প্রতিবাদ করছি'। কিন্তু সরকারের কাছে আমাদের স্পেসিফিক দাবী কী হবে? আমরা কি কেবল এটুকুই বলব যে সরকার, আপনি দেখুন যাতে দাঙ্গা না হয়? নাকি সেই দাবীর পাশাপাশি ঐ যিনি হেট স্পীচ দিচ্ছেন, তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করতে বলব? সাধারণভাবে একটা ম্যাচিওরড এবং র‌্যাশনাল সমাজে এটাই এক্সপেক্টেড যে কেবলমাত্র কারুর হেট স্পীচের উপর ভিত্তি করে দাঙ্গা শুরু হবে না। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি সবজায়গায় সেরকম নয়। সেক্ষেত্রে কি সেই বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দিয়ে কোনো কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে হেট স্পীচ যিনি দিচ্ছেন তাঁর বাক-স্বাধীনতাকে হরণ করার প্রয়োজন হতে পারে না? অনেক ক্ষেত্রে তো পরিষ্কার এরকম একটা সিচুয়েশন সরকার ফেস করতে পারে, যেখানে একজনের বাকস্বাধীনতাকে মেনে নেওয়ার অর্থ অনেক লোকের বেঁচে থাকার স্বাধীনতাকে স্যাক্রিফাইস করা। সেক্ষেত্রে সরকার কি করবে? আমাদেরই বা দাবী কী হবে? ব্যাপারটা কি সবসময় অত সহজ যে আমরা তাত্ত্বিকভাবে একটা নৈতিক অবস্থান নিলাম আর ল্যাঠা চুকে গেল?
  • de | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:০০577994
  • পিনাকীকে ক্ক!
  • প্পন | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:১২577995
  • এইটা গুরুতর প্রশ্ন। আরো স্পেসিফিক ভাবে তিনটে একজ্যাম্পল নেওয়া যাক। সলমন রুশদি, তসলিমা নাসরিন আর আকবরাউদ্দিন ওয়েইসি। এই তিনজনের জন্যই একই ট্রিটমেন্ট প্রযোজ্য?

    যাঁরা তৃতীয়জনের সাথে সম্যক পরিচিত নন, তাঁদের জন্য উইকিপিডিয়ার লিং রইল।

    http://en.wikipedia.org/wiki/Akbaruddin_Owaisi
  • j | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:১৯577996
  • T কে ক্ক

    অর্পণ ওনার ভাষণের ইউটিউবের লিং গুলো দিয়ে দাও .....
  • de | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১৩:৫৫577998
  • ভাইটাল কোশ্চেন! তবে দেশ, কাল আর পরিস্থিতির বিচারে ওয়াইসি বা বাল ঠাকরে যতটা বিপজ্জনক, বাকি দুজন ঠিক ততটা নয় মনে হয়! এছাড়াও বইপত্রে কিছু লেখা বা তাত্ত্বিক আলোচনার সাথে মাঠে ময়দানে বক্তৃতার আলাদা ইমপ্যাক্ট থাকবে। তসলিমা বা রুশদির লেখা এদেশে ক' পার্সেন্ট মানুষ ঠিকঠাক পড়েছেন?
  • Blank | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১৫:১৩577999
  • পিনাকি দা কে 'ক'।
  • aka | ১৪ জানুয়ারি ২০১৩ ১৮:৫৮578001
  • রঞ্জনদার এই সিরিজের লেখাগুলো একেবারেই ভালো লাগছে না। পুরো ঘটনা, ইমপ্লিকেশনকে এত ট্রিভিয়ালাইজ করা হচ্ছে সেটা আদতে ক্ষতিকারক। সমাজ মানে রুফ টপ রেঁস্তোরায় প্রোগ্রেসিভ জনতার মিলিজুলি নয়। এই সমাজেই ১৬ বছরের ছেলে রেপ করে এমন অত্যাচার করে যে মেয়েটির ইন্টেন্স্টাইনের ৯৫ শতাংশ দেহের বাইরে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পরে থাকে। একটু মনে রাখবেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন