এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শাক্য | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২১:২৫668467
  • খুন ধর্ষণ খুব বাজে জিনিস। ওসব চাই না। বরং ওগুলো কমাতে চাই। সেইজন্য দর্শন হিসেবে মব লিঞ্চিং লিগালাইজ করা হোক চাই। আপাতভাবে এই স্ট্যান্ড স্ববিরোধী মনে হলেও সেটা আসলে নয়।

    আনন্দ ইয়াং-এর প্রিজন নিয়ে একটা খুব ইন্টারেস্টিং পেপার আছে যেখানে পুরো প্রিজন এন্ড পানিশমেন্টের আইডিয়া ঔপনিবেশিক ইন্ডিয়াতে কেমনভাবে ডেভেলপ করেছিল সেটা দেখানো হয়েছে। ফুকোকে ফলো করে দেখিয়েছেন, একটা কলোনিয়াল মাইন্ডসেট থেকে প্রিজনের আইডিয়াটা নেওয়া হয়ঞ্ছে যেখানে শাস্তির উদ্দেশ্য হল অপরাধীকে ডিহিউম্যানাইজ করে দেওয়া। যেই কারণে শুওরের পাল গোণার মতন করে অপরাধীদের গুনতি করা হত ঢোকানোর এবং বের করার সময়, তাদের নাম ধাম মুছে পিঠে দাগিয়ে হত এক একটা সংখ্যা। এবং এই সবই করা হত নেটিভদের ডিসিপ্লিন করার নামে। পেপারটা দেখতে পারেন কেউ। নাম হল, "ডিসিপ্লিনিং নেটিভসঃ প্রিজন এন্ড প্রিজনারস ইন আরলি নানটিন্থ সেঞ্চুরি ইন্ডিয়া।" গুগল সার্চ মারলে পেয়ে যাবেন।

    তো, কথাটা হল যে, এই যে ডিহিউম্যানাইজ করার অধিকার, এটা একটা স্টেটকে ধীরে ধীরে ফ্যাসিস্ট করে তোলে। ডিসিপ্লিনের ধারনাটাই যেহেতু প্রচন্ড রাইটিস্ট কনজারভেটিভ, সেই রাইট কনজারভেটিভ অ্যাপ্রোচের থেকে ফ্যাসিস্ট সেট-আপের দুরত্ব খুব বেশি নয় বলেই মনে করি। এটাও খুব কমন নলেজ যে যে স্তেতের প্রিজন মডেল যত বেশি শক্তিশালী হয় সেই স্টেট পরমত, বিরোধী রাজনৈতিক আন্দোলন, পার্লামেন্টারি ডেমোক্রাসি এরকম নানা ধারণার প্রতি তত বেশি অসহিষ্ণু স্ট্যান্ড নেয়। সেই আইডিয়াটাকে আঘাত করা হোক এবার। পাব্লিকের হাতে চলে আসুক শাস্তিদানের অধিকার। স্টেটের সুচিন্তিত এই ক্রাইম অফ লজিককে সাবভার্ট করুক ক্রাইম অফ প্যাশন (কামু টুকলাম একটু)। খুন করার অধিকার স্টেটের হাত থেকে চলে আসুক সাধারণ মানুষের হাতে, ডেমোক্রাসি বিস্তৃত হোক নিচ পর্যন্ত।

    অনেকে বলবেন যে স্টেট-ই যদি লিগালাইজ করে তাহলে তো এই মব লিঞ্চিং আসলে স্টেট-পাওয়ারকে আন্ডারমাইন করল না, বরং সেই পাওয়ারের স্যাংশন বৈধতা পেল। এখানেই সাবভার্শনের গুরূত্ব। স্টেটের সমস্ত সুযোগ সুবিধে নিয়ে তার নাকের ডগাতে বসে জনমত স্টেটের খুন করার অধিকারকে ধীরে ধীরে অন্তর্ঘাত ঘটাবে, খুব ধীরে ধীরে আন্দারমাইনড হবে স্টেটের পাওয়ার, চলে আসবে সাধারণ মানুষের হাতে, যাতে ভিকি বুঝতেও না পারে যে সে আসলে মাখনের বদলে মার্জারিন খাচ্ছে।

    আপাতত এটুকুই।
  • pi | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২৩:৪০668468
  • শাক্যর দাবিমত এই ভয়েসগুলোও থাকুক।



    কিন্তু শাক্য, প্রশ্ন হল, এই ভয়েসগুলো তো আসছেই, এই ভয়েসগুলোই দিব্বি বেঁচেবত্তে আছে, চারিদিকে গাঁকগাঁকও করছে, রাষ্ট্র, বিশেষ করে বাংলাদেশ রাষ্ট্র তো এই ভয়েসগুলোর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নেয় না বা নেবেনা, একরকম করে লেজিটিমাইজডই বলা যায়না ? তো, তাতে কিছু কমছে, না বাড়ছে ?
  • Bhagidaar | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২৩:৪৮668469
  • বাংলাদেশে তেল পাওয়া গেছে? কেউ একটু জানাবে?
  • শাক্য | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০০:২৫668470
  • এই ভয়েসগুলোকে মেইন্সট্রীমের মধ্যে আনা হোক এবার। অ্যাকাডেমিক বৈধতা দেওয়া হোক, কারণ এই কলোনীর পোড়া দেশে অ্যাকাডেমিক বৈধতা না পেলে কোনো স্বর-ই লেজিটিমাইজেশন পায় না।

    এই ভয়েসগুলোকে, এই ইনস্যানিটিগুলোকে, যদি সত্যি-ই ইনস্যানিটি হয়, এগুলোকে চিরাচরিত ক্ষমতার ভাষা দিয়ে দাবিয়ে রাখায় বিশেষ কোনো লাভ হয়না। বাংলাদেশ রাষ্ট্র হয়ত এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় না, কিন্তু এদের মান্যতাও দেয়না। একসেন্ট্রিক এক্সট্রিমিস্ট আইডিয়া হিসেবে দূরে সরিয়ে রাখে, আর এরা তাতে আরো বেশি করে এক্সট্রীম হয়ে ওঠে।
  • SC | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০০:৪৬668471
  • আছে যখন তাহলে মানছ, যে শুধু এদের অন্ধকার আর brainwashed অশিক্ষিত এসব বলে এদের ইগনোর করে দিতে পারনি।
    তাহলে এবারে এই ভয়েস গুলো আছে যখন, তখন এদের সাথে engage করতে হবে, এদেরকে সিরিয়াসলি নিতে হবে।
    আর তো একটা এক্সট্রিম। কিন্তু অনেকগুলো শেড আছে conservative মুভমেন্ট এর। সকলকে এক সাথে বাল বলে ইগনোর করলে নিজেরাই ignored হয়ে যাবে।
    আর আবারও আমার প্রশ্ন। এইগুলো দেখে খারাপ লাগলে, "দিনে পাঁচটা সিপিএম মারুন" জাতীয় মাওবাদী প্রোপাগান্ডা দেখলেও লাগা উচিত। কিশেন্জিরা যখন সিপিএম কর্মী মেরেছিল, কিম্বা চত্তিস্গরে কনভয় উড়িয়ে দেয় বোমা মেরে, তখন ওই মৌলবাদ এদের থেকে কিরকম ভাবে আলাদা।
    ওরা ঠিক সফিস্তিকাতেদ নয় তো, তাই ওদের কথাগুলো ওরকম লাগছে। সংহতি টাইপের যে সব ওয়েবসাইট আছে, যেখানে অনেক কঠিন কঠিন থিওরির আড়ালে মাওবাদ কে বৈধতা দেওয়া হয়, তাদের কথাগুলো শুনলেও কি ওরকম লাগে? লাগা কিন্তু উচিত। এরা নাস্তিক দের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধকে সমর্থন করছে, আর সংহতি রা স্টেট এর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধকে সমর্থন করছে।
    তোমাদের সমস্যা তা যদি "সশস্ত্র" যুদ্ধ নিয়ে হয়, তাহলে এই দুটো position ই equally problematic। আর সমস্যাটা যদি এইটা নিয়ে হয়, যে না আমাদের যুদ্ধ তা "just war ", ওদেরটা নয়, তাহলে ওই আর কি, "to each his own ".।আমি যেখানে দাঁড়িয়ে, সেখান থেকে এরা দু দলই মৌলবাদী। একজন রা উচ্চশিক্ষিত থিওরি মাড়াতে পারে, তাই কম মৌলবাদী হয় না।
  • pi | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০২:০৭668472
  • 'অ্যাকাডেমিক বৈধতা দেওয়া হোক, কারণ এই কলোনীর পোড়া দেশে অ্যাকাডেমিক বৈধতা না পেলে কোনো স্বর-ই লেজিটিমাইজেশন পায় না।
    ...বাংলাদেশ রাষ্ট্র হয়ত এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয় না, কিন্তু এদের মান্যতাও দেয়না'

    শাক্য কি ফরহাদ মজহার আর তাঁর অনুগামীদের লেখাপত্তর, কাজকর্ম দেখেনি !!

    তুই যা যা করতে বলছিস, বাংলাদেশে তাই তাই ই হয়েছে, এবং হয়ে এই মৌলবাদ আরো রি-ইনফোর্সড হয়েছে।

    আর SC, ডায়লগ চালাতে আমি প্রেফারই করি, তার চেষ্টা করিনা, এমনও নয়। সব শেডকে অস্বীকার করে এক্সট্রীমে মৌলবাদী বলে ক্যাটেগরাইজ করারও বিরুদ্ধে, কিন্তু ঐ, ডায়লগ চালানোটা বোধহয় একদম এক্সট্রীমের সাথে প্রায় ফুটো পাত্রে জল ঢালা কেসই হয়। অনেকবার চালতে গিয়ে সেটাই মনে হয়েছে।
    বিটিডব্লু, অভিজিত রায় কিন্তু ফারাবির সাথে ডায়লগ চালিয়েছিলেন, অনেকদিন। আর উনি এই সবাইকে অশিক্ষিত, বাল, মুসলিম মানেই ঘৃণ্য বলে ট্যাগিয়ে দেওয়া, এরকম কিছু বা এমনকি বাংলাদেশে যা খুব কমন, বিরুদ্ধমতকে প্রবল খিস্তাখিস্তি, তার কিছুই করতেন না।
  • একক | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০২:৪১668473
  • শাহবাগ কেন "মব লীন্চিং" নয় একটু বুঝিয়ে বলুক কেও। যুদ্ধাপরাধী দের সনাক্ত ও বিচারের দাবি থাকলে শুধু কখনই এই প্রশ্ন তুলতুম না। কিন্তু শহবাগ সরাসরি এর সঙ্গে ফাঁসির দাবি তুলেছিল। বহু সোশাল মিডিয়া পোস্ট দেখেছি ওই সময় "যুদ্ধাপরাধী দের ফাঁসি চাই "। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনতা যখন শাস্তির দিকনির্দেশ করে দেয় / বিচারব্যবস্থা কে প্রভাবিত করে /চেষ্টা করে সেটাই তো মব লিন্চিং। আর যদি তা না হয় তবে মব লিন্চিং বলতে এই toi তে কী বোঝানো হচ্ছে একটু স্পষ্ট করে বলা হোক। বা কারা করলে মব লিন্চিং হয় কারা করলে হয়না।
  • রুদ্র | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৩:০৮668474
  • SC | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৩:৩০668477
  • ওই স্ক্রীনশট ভালো করে পড়তে পারলাম না। একজন দেখলাম লিখেছে, "আল্লারসুলের বিরুদ্ধে কথা বলে যারা, তাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই"।
    এদের জন্য রইলো অনেক প্রতিবাদ।
    এবারে, কোট করছি:
    "Socialists have always condemned war between nations as barbarous and brutal. But our attitude towards war is fundamentally different from that of the bourgeois pacifists (supporters and advocates of peace) and of the Anarchists. We differ froth the former in that we understand the inevitable connection between wars and the class struggle within the country; we understand that war cannot be abolished unless classes are abolished and Socialism is created; and we also differ in that we fully regard civil wars, i.e., wars waged by the oppressed class against the oppressing class, slaves against slave-owners, serfs against land-owners, and wage-workers against the bourgeoisie, as legitimate, progressive and necessary."
    -V I Lenin

    এদের মূর্তিতে ফুলের মালা দেওয়ার আগেও কি এই প্রশ্ন গুলো করা হবে, যেটা স্ক্রীনশট ওয়ালাদের করা হয়েছে?
    কারণ আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে বুঝলাম কিছু যুদ্ধ নাকি দরকারী, যেগুলো opressed ক্লাসরা লড়ে। তা ভালো তো, তাহলে আল্লাহ্রসুলের ভক্তরা এইরকম মনে করলে তাদের জন্য অন্য বিধান কেন?
  • শাক্য | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৯:৩৭668478
  • ইপ্সিতাদি, অভিজিত আরেক ধরণের ফান্ডামেন্টালিস্ট ছিলেন। সে বিষয়ে এখন কিছু বলব না, ভদ্রলোক সবে মার্ডার হয়েছেন। কিছুদিন যাক আরো।

    আমার বেসিকালি এই ইসলামকে খেস্তানোর পর "আমি আসলে মোটেও ইস্লামোফোবিক না আমার অনেক বন্ধু মুসলিম" টাইপের লাইনগুলোই চরম অ্যাপলজিস্ট বাল এবং প্যাট্রনাইজিং লাগে। এই প্রসংগে কোথায় যেন একবার জেন্টলম্যানস এগ্রীমেন্ট সিনেমাটার কথা বলেছিলাম। আবার অতটা লিখতে ল্যাদ লাগছে। খুঁজে পেলে দিয়ে দিচ্ছি
  • dc | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১০:১১668479
  • "আমার বেসিকালি এই ইসলামকে খেস্তানোর পর "আমি আসলে মোটেও ইস্লামোফোবিক না আমার অনেক বন্ধু মুসলিম" টাইপের লাইনগুলোই চরম অ্যাপলজিস্ট বাল এবং প্যাট্রনাইজিং লাগে। "

    এটা যদি মৌলবাদী অবস্থান না হয় তাহলে মৌলবাদী অবস্থান কাকে বলে? ইসলামকে খিস্তালেই আমাকে ইসলামোফোবিক বলে দাগিয়ে দেওয়া হলো - এটা মৌলবাদী অবস্থান নয়?
  • pi | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১০:৩৩668480
  • তোর মডেলে তাহলে নাস্তিকদের স্থান নেই, তাদের ভয়েস শোনা যাবেনা ?
    আর মৌলবাদীদের যদি তোর মডেলে জায়গাই দিস, তাহলে অভিজিত ( যিনি, তোর কথা অনুযায়ী যদি ধরেও নিই নাস্তিক মৌলবাদী), সেখানে এলিমিনেটেড হয়ে গেলেন কেন ?
    তুই কি তোর মডেলের ফ্যালাসিটা বুঝছিস না, যেখানে তুই এমন কাউকে লেজিটিমেসি দিতে চাইছিস, যারা তারা বাদে অন্যের এলিমিনেশন ( এবং সেটা ফিজিক্যা এলিমিনশনও ) চায় ! তাহলে এরা থাকলে অন্যেরা কীকরে থাকে?

    আর আমি বাংলাদেশ নিয়ে তোকে যে প্রশ্ন করেছিলাম, তার সদুত্তর পেলাম না, কারণ রাষ্ট্র নিজে এবং বৌদ্ধিকভাবে, মৌলবাদকে অবশ্যই স্পেস দিয়েছে। তারপরে এই ঘটনাগুলো কেন ? অবশ্য ফ্যালসি অনুযায়ী এই ঘটনাগুলোও হওয়া উচিত, এবং সেটা আবার ফ্যালাসিটাকে দেখাচ্ছে।
  • pi | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১০:৪২668481
  • শাহবাগের ফাঁসি চাই এর দাবি আমি সমর্থন করিনা, কিন্তু শাহবাগ মানেই ফাঁসি চাই নয়।
  • dc | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১০:৫১668482
  • শাক্যবাবুর মডেলে কিন্তু ফ্যালাসি নেই। উনি নিজেই একটি মৌলবাদী অবস্থান থেকে বলছেন, যেখানে ইসলামের বিরুদ্ধে কিছু বলা মানেই ইসলামোফোবিক হয়ে যাওয়া। এই অবস্থান থেকে বলাই যায় যে নাস্তিকদেরও ভয়েস শোনা যাবেনা, কারন নাস্তিকদেরও ইসলামোফোবিক আর অ্যাপোলজিস্ট হিসেবে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    শাক্যবাবুর বেসিক মডেলটা হলো, তুমি আমার বিরুদ্ধে কথা বলো? তাহলে তুমি আমার বিরোধীপক্ষ আর তোমার ভয়েস আমি শুনব না। "ইসলামিক মৌলবাদ" এখানে প্লেসহোল্ডার। জর্জ বুশ (ইউ আর উইথ মি অর এগেনস্ট মি) এরকম আরেকটা প্লেসহোল্ডার। এই মডেলে ফ্যালাসি নেই বলেই মনে হচ্ছে।
  • Ekak | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৩:০৫668483
  • এইখানে লিখতে গেলেই এই toi এর মডেল ইত্যাদি আসবে। সেইজন্যেই লিখিনি। কিন্তু এসব বাদ দিয়েও, ব্যাপারটা হচ্ছে মাস-ট্রায়াল এর লেজিটিমেসি। শাহবাগ "মানেই" ফাঁসির দাবি নয় জানি কিন্তু তাতে শাহবাগের সময় চতুর্দিক যেভাবে ফাঁসির জন্যে মুখিয়ে উঠেছিল সেটা ঢাকা পরেনা।

    ইনফ্যাক্ট ঢাকা পরার দরকার ও নেই। স্টেট সিস্টেম যখন নাম কা ওয়াস্তে হয়ে যায় তখন মাস ট্রায়াল তার লেজিটিমেসি খুঁজে নেয়। সেখানে দাঁড়িয়ে শুধু এটুকু ঠিক করে নেওয়া দরকার আমি আবার স্টেট সিস্টেমকে রিবিল্ড করায় মন দেব না আমাদের ট্রায়াল ভার্সাস ওদের ট্রায়াল টাকেই এগিয়ে নিয়ে যাবো। কোনটাতেই আপত্তি নেই। আপত্তি শুধু একটা রাস্তায় অর্ধেক হেঁটে আবার রাস্তা গুলিয়ে ঘুরপাক খাওয়ায়। মাস ট্রায়াল বৈধ না অবৈধ এসব কুটকচালিতে যাবই না। বাংলাদেশ যদি আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ লড়তে চায় লড়ুক। কিন্তু একবার করে ঘর থেকে বেড়িয়ে শাহবাগ করে আবার ঘরে বসে গেলে কিন্তু একটাও জাস্ট একটাও নাস্তিক বাঁচবে না। কারণ প্রচুর লোক আছে /ছিল (সব দেশেই) যারা শাহবাগের মিছিলে যায় টুপি খুলে আর জামাতিদের মিছিল দেখলে টুপি টা পরে নেয়। একটা ওপেন সংঘাত না বাঁধলে এই টুপি লুকোনোর খেলাই চলবে আর নাস্তিক রা কচুকাটা হবে। আলটিমেটলি এর পর নন -মুসলিম রা আক্রমন -ধর্ষণের শিকার হবে। খেললে পুরো খেলুক। এই পশ্চিমবঙ্গের সুশীল দের মত খেললে ওরা জাস্ট বাঁচবে না। ওখানে বিপদের আকার প্রকৃতি ও পরিমানে অনেক বেশি ভয়াবহ।

    যাইহোক, মডেল খিল্লি চলুক। কাট্লুম।
  • :) | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৩:১৩668484
  • কী করে তাই হলো? ফারাবী অভিজিতের, বাবুর বিরুদ্ধে কথা বলে, কিন্তু ওর ভয়েস তো শুনতে চওয়াই হচ্ছে। মডেলটা চরম কনফ্যুজিং হয়েছে। কিন্তু খেয়াল করবেন "ভাট" বলছি না। মডেলের ভয়েস শুনতেই চাইছি।
    মডেলটা বরং এক্স্ট্রিম লিবেরেলিজম গোছের কিছুর দিকে যা্চ্ছে। অবশ্য সেক্ষেত্রে খুন ধর্ষণ কমাতে চাইলে অতটা লিবেরাল আর বলা যাবে না। এখানে একককে লাগবে। খুন খারাপ কিসে - এই রেঞ্জে বলে দেবে।
  • dc | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৫:০২668485
  • খুন খারাপ কিসে সেটাতো আমিও জানতে চেয়েছি! শুধুশুধু মৌলবাদিদেরই ভয়েস শুনতে চাওয়া হচ্ছে কেন আর তাদেরই লেজিটিমাইস করতে চাওয়া হচ্ছে কেন সেটাও তো বুঝছি না! খুন ধর্ষন রেপ চুরি ডাকাতি অস্ত্র ব্যবসা খাপ সতীদাহ নরবলি চাইল্ড পর্ন এই সমস্ত কিছু বাদ রাখা হচ্ছে কেন? দুনিয়ায় যাকিছু অপরাধ বলে মানা হয় সেই সমস্তই কেন লেজিটিমাইজ করা হবে না? মৌলবাদকে কেন প্রেফেরেন্সিয়াল ট্রিটমেন্ট দেওয়া হবে? এই ব্যাপারে শাক্যবাবু কিছু বললে ভালো হয়।
  • .... | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৫:০৪668486
  • প্রিয় অভিজিৎ
    ========

    ঠিক কী কারণ জানা নেই, কোনো ভয়ংকর খবর পড়লে নিজের অজান্তেই আমি নিজেকে সে অবস্থানে কল্পনা করতে শুরু করি। পদ্মা নদীতে লঞ্চডুবির খবর পড়লে আমি কল্পনায় দেখতে পাই একটা লঞ্চ ডুবে যাচ্ছে, আমি তার ভেতরে আটকা পড়েছি, পানি ঢুকছে, মানুষ আতংকে চিৎকার করছে আর পানির নিচে নিঃশ্বাস নিতে না পেরে আমি ছটফট করছি। যখন একটা বাসে পেট্রোল বোমা দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার খবর পড়ি, তখন কল্পনায় দেখতে পাই আমি বাসের ভেতর আটকা পড়েছি, দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে আর আমি তার ভেতর দিয়ে ছুটে বের হওয়ার চেষ্টা করছি; আমার সারা শরীরে আগুন জ্বলছে। পরশু দিন আমি যখন খবর পেয়েছি অভিজিৎকে বইমেলার সামনে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তখন পুরো দৃশ্যটি আমি আবার দেখতে পেয়েছি– এই দৃশ্যটি আমার জন্যে অনেক বেশি জীবন্ত; কারণ অভিজিৎ যে রকম বই মেলা ঘুরে তার স্ত্রীকে নিয়ে হেঁটে হেঁটে বের হয়ে এসেছে, আমি আর আমার স্ত্রী গত সপ্তাহে ঠিক একইভাবে মেলা থেকে হেঁটে হেঁটে বের হয়ে এসেছি। আমি জানি, অভিজিতের মতো আমার নামও জঙ্গিদের তালিকায় আছে। কল্পনায় দেখেছি, আমার মাথায় আঘাতের পর আঘাত পড়ছে, আমার স্ত্রী আমাকে বাঁচাতে গিয়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাচ্ছে। কাছে, খুব কাছেই পুলিশ নিস্পৃহভাবে দাঁড়িয়ে আছে, তাকিয়ে তাকিয়ে ঘটনাটা দেখছে, কিন্তু কিছু করছে না।

    সিলেটে বসে আমি প্রায় সাথে সাথেই ঘটনাটা জানতে পেরেছিলাম। অভিজিৎকে হাসপাতালে নিয়েছে জেনে দোয়া করছিলাম যেন বেঁচে যায়, কিন্তু অভিজিৎ বাঁচল না। অভিজিৎ রায় আমার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর অজয় রায়ের ছেলে। যারা হাসপাতালে ছিল তাদের কাছে আমাদের স্যারের খবর নিয়েছি। একজন বাবার কাছে তাঁর সন্তানের মৃত্যুসংবাদ থেকে কঠিন সংবাদ আর কী হতে পারে? আমাদের পদার্থ বিজ্ঞানের স্যার প্রফেসর অজয় রায় এই ভয়ংকর দুঃসময়ে তাঁর বুকের ভেতরের ওথাল পাথাল হাহাকার ঢেকে রেখে যে অসাধারণ মানসিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে সন্তানের মৃত্যুসংবাদ গ্রহণ করেছেন, প্রিয়জনের সাথে কথা বলেছেন, গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন, তার কোনো তুলনা নেই। আমরা তাঁর ছাত্রছাত্রীরা যদি তাঁর ভেতরকার শক্তির একটা ক্ষুদ্র অংশও আমাদের জীবনের কোথাও ব্যবহার করতে পারি তাহলে ধন্য মনে করব।

    আমি আসলে ফেসবুক, নেট, ব্লগের সাথে পরিচিত নই। আমি জানি সারা পৃথিবীতেই এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারপরও আমি শুধুমাত্র বইপত্র, ছাপা খবরের কাগজ দিয়েই দুনিয়ার খবর রাখি। সে কারণে আমি অভিজিত রায়ের ব্লগ জগতের সাথে পরিচিত ছিলাম না, আমি শুধুমাত্র তার বইয়ের সাথে পরিচিত ছিলাম। আমি আমার নিজের লেখায় তার বই থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছি। আমার খুব আনন্দ হত যখন আমি দেখতাম একজন তরুণ ইঞ্জিনিয়ার কী সুন্দর ঝরঝরে বাংলায় লিখে, কী সুন্দর বিশ্লেষণ করে, কত খাটাখাটুনি করে একটা বিষয় যুক্তি-তর্ক দিয়ে বুঝিয়ে দিতে পারে। আমি জানতাম না ধর্মান্ধ গোষ্ঠী তাকে এভাবে টার্গেট করেছে। ধর্মান্ধ জঙ্গি গোষ্ঠীর তালিকায় আমাদের অনেকেরই নাম আছে, আমরা ধরেই নিয়েছি এই দেশে এভাবেই বেঁচে থাকতে হয়। কিন্তু সত্যি সত্যি যে তারা অভিজিৎকে এভাবে হত্যা করার একটা সুযোগ পেয়ে যাবে আমি কল্পনাও করতে পারিনি। স্বজন-হারানোর এই দুঃখ আমি কোথায় রাখি?

    শনিবার দুপুরে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা অভিজিৎ হত্যার প্রতিবাদে একটি মানববন্ধন ও মৌনমিছিল শেষে আমাদের লাইব্রেরির সামনে জমায়েত হয়েছিল। ছাত্র-শিক্ষকরা নিজেদের ক্ষোভের কথা বলেছেন, দুঃখের কথা বলেছেন, হতাশার কথা বলেছেন, অভিজিতের জন্যে গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার কথা বলেছেন। সমাবেশের শেষে তারা আমার হাতেও মাইক্রোফোন দিয়ে তাদের জন্যে কিছু বলতে বলেছে। মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে আমি কী বলব বুঝতে পারছিলাম না। তরুণ শিক্ষার্থীদের দিকে তাকিয়ে আমি শেষ পর্যন্ত সবসময় যে কথাগুলো বলি তাই বলেছি। এই দেশের দায়িত্বটি এখন এই তরুণদেরকেই নিতে হবে। বলেছি, তাদের দুঃখ পাবার কারণ আছে, তাদের ক্রুদ্ধ হবার কারণ আছে; কিন্তু যত কারণই থাকুক, তাদের হতাশাগ্রস্ত হলে চলবে না। অন্ধকার জগতের যে মানুষগুলো পিছন থেকে এসে একজনকে হত্যা করে আনন্দে উল্লসিত হয়ে যায়, তারা কোন বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি ভয় পায় আমরা এখন সেটা জানি। তারা ভয় পায় বিজ্ঞানমনস্ক যুক্তিবাদী চিন্তা; তারা ভয় পায় উদার মনের মানুষ; তারা সবচেয়ে বেশি ভয় পায় মুক্তচিন্তা। আমি আমার ছাত্রছাত্রীদেরকে অনুরোধ করেছি, তারা যেন অভিজিতের সম্মানে আর ভালোবাসায় আধুনিক পৃথিবীর উপযোগী মুক্তচিন্তার মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।

    সরকার অভিজিতের হত্যাকারীদের ধরতে পারবে কিনা জানি না। যদি ধরতে পারে, এই দেশের আইনে শাস্তি দিলেই কি যে বিষবৃক্ষ এই দেশে জন্ম নিয়েছে তার শিকড় উৎপাটিত হবে? সারা পৃথিবীতে ধর্মান্ধ মানুষের যে নৃশংসতা শুরু হয়েছে, আমাদের দেশেও কি তার ছোঁয়া লাগতে শুরু করেনি? অভিজিতের বাবা, আমার শিক্ষক প্রফেসর অজয় রায় তাঁর সন্তানের মৃত্যুর পর যে কথাটি বলেছেন, আমাদের সবারই এখন কি সেই একই কথার প্রতিধ্বনি করার সময় আসেনি? ত্রিশ লক্ষ মানুষ প্রাণ দিয়ে যে বাংলাদেশ তৈরি করেছিল; আমরা সেই বাংলাদেশকে ফিরে পেতে চাই। এই বাংলাদেশ আমাদের সেই ত্রিশ লক্ষ মানুষের, তাদের আপনজনের। এই দেশ অভিজিতের, এই দেশ অভিজিতের আপনজনের। এই দেশ জঙ্গিদের নয়; এই দেশ ধর্মান্ধ কাপুরুষের নয়।

    খুব দুঃখের সময় আপনজনেরা একে অন্যের হাত ধরে নিজেদের ভেতর সান্তনা খুঁজে পায়, সাহস খুঁজে পায়। অভিজিতের আহত স্ত্রী, তার কন্যা, তার বাবা-মা, ভাইবোনকে বলতে চাই, আপনাদের পাশে আমরা আছি। একজন দুইজন নয়, লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশের মানুষ।

    আপনারা হয়তো আমাদের দেখছেন না, কিন্তু আমরা আছি। আপনাদের পাশে আছি। পাশে থাকব।

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    ০২-০৩-২০১৫
  • Biplob Rahman | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৫:৪৯668488
  • "৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগের কথা। পশ্চিমা দেশের একটা বিখ্যাত সংগঠন আমার কাছে জানতে চাইলো চটি পিয়াল সম্পর্কে। আমার কাছে জানতে চাইলো কারণ সেই সংগঠনগুলা বাঙলাদেশের মুক্তমনা লেখকদের মধ্যে চেনে শুধু তসলিমা নাসরিন, অভিজিৎ রায় আর অল্প বিস্তর আমাকে। জিজ্ঞেস করলো, ইনি ব্লগে কি লেখালেখি করেন? উনার বিরুদ্ধে ইসলামিস্টরা কোন ফতোয়া জাড়ি করেছে কিনা।

    "আমি জানতে চাইলাম কেন? সেখান থেকে জানানো হলো, উনি পশ্চিমের সেই দেশে পরিবারশুদ্ধ এসাইলামের জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনপত্রে লেখা ছিল, আওয়ামী লীগ যদি নির্বাচনে কোন ঝামেলায় পরে, তাহলে নাস্তিক উপাধি দিয়ে তাকে হত্যা করা হবে। রেফারেন্স হিসেবে যেই পত্রিকার কাটিং সে জমা দিয়েছিল, সেখানে আমার নামও ছিল বিধায় তারা আমার কাছে ভ্যারিফিকেশনের জন্য ফাইলটি পাঠায়।

    "আমি তাদের জানাই, হ্যা, সেই ব্যক্তির ওপর আক্রমণ হওয়া সম্ভব। সম্ভব হলে তাকে যেন পরিবার শুদ্ধ এসাইলাম দেয়া হয়। উনি একজন পুরনো ব্লগার এবং আওয়ামী লীগ কোন ঝামেলায় পরে গেলে উনাকে হত্যা করা হয়ে পারে।

    "পরবর্তীতে কোন কারণে তার আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যায়। সেটা মূল কথা না।

    "মূল কথা হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিমের কয়েকটি সংবাদপত্রে দেয়া সাক্ষাৎকারে সেই একই চটি পিয়াল বলেছে, হুমায়ুন আজাদ, তসলিমা নাসরিন, অভিজিৎ রায়, রাজীব, বাবু, এরা নাকি বিদেশে এসাইলাম পাওয়ার জন্য নাস্তিক হয়েছে। তার এই বক্তব্য পড়ে বাধ্য হলাম কনফিডেনশিয়াল সেই চিঠিটির ব্যাপারটা লিখে ফেলতে।

    "বিঃদ্রঃ হুমায়ুন আজাদ, তসলিমা নাসরিন, অভিজিৎ রায়রা এতটাই গুণী মানুষ যে, তাদের এসাইলাম পাওয়ার জন্য নাস্তিক হবার দরকার হয় না। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রখ্যাত লোকজন মাথা নিচু করে তাদের সম্মান জানায়। সে সব দেশের মন্ত্রী, সংসদ সদস্যরা উনাদের সাথে হ্যান্ডশেক করার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে। বাঙলাদেশে ছাগু সেমিছাগুদের মধ্যে বসবাস করে এই তথ্যগুলো জানা খুবই কঠিন।"
    --Asif Mohiuddin
    https://www.facebook.com/atheist.asif/posts/828618633852233
  • Biplob Rahman | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৫:৫২668489
  • বললেন শাহ আহমদ শফী:: নাস্তিকদের কতল করা ওয়াজিব হয়ে গেছে
    চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি | আপডেট: ১৩:২৭, এপ্রিল ১৯, ২০১৪ | প্রিন্ট সংস্করণ

    হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছেন, ‘আমরা তোমাদের প্রধানমন্ত্রীকে গালি দিই নাই, শুধু শুধু আমাদের দিকে চোখ বড় করে তাকাও কেন? নাস্তিকরা তোমরা মুরতাদ হয়ে গেছ, তোমাদের কতল (হত্যা) করা আমাদের ওপর ওয়াজিব হয়ে গেছে।’
    আল্লামা শফী আরও বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম কাউকে গদিতে বসাতে-নামাতে আন্দোলনে নামে নাই। আমরা আন্দোলন করছি ১৩ দফা মানার জন্য। সরকার, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নাই। তারা মুসলমান হলে আমাদের ১৩ দফা মেনে নেবে। ১৩ দফা মানলে ভালো, না মানলে নাই।’
    গতকাল শুক্রবার বেলা সাড়ে তিনটায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র আলহাজ কবির আহমদ চৌধুরী বাজারের হকার-ব্যবসায়ী আয়োজিত ইসলামি মহাসম্মেলনে আল্লামা শফী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
    আল্লামা শফী বলেন, ‘তারা কোথায় কী স্বপ্ন দেখেছে, কওমি মাদ্রাসার মধ্যে জঙ্গি আছে। স্কুল-কলেজে তো দুই দল মারামারি-গোলাগুলি করে, জঙ্গি বললে তাদেরই বলতে হবে। বাংলাদেশের কোনো মাদ্রাসার মধ্যে দুই দল মারামারি-গোলাগুলি করেছে, এ রকম প্রমাণ দিতে পারলে আমি তাদের পুরস্কৃত করব।’ তিনি বলেন, ‘নাস্তিকদের গালি দিলে কারও গায়ে লাগলে আমার করার কিছু নাই। আল্লাহর দেশে থাকতে হলে আল্লাহকে না দেখে আল্লাহর অস্তিত্ব মানতে হবে, না হলে তুমি আল্লাহর দেশে থাকতে পারবে না।’
    ইসলামি মহাসম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন পেকুয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা জালাল আহমদ।
    http://www.prothom-alo.com/bangladesh/article/196120/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%AC-%E0%A6%B9%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87
  • Biplob Rahman | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৯:৩৬668490
  • "হিজড়াদের ধর্ম কি? কিংবা হিজড়াদের ব্যাপারে ধর্মগ্রন্থে কি বলা হয়েছে? মৃত্যুর পরে তাদের কি হবে? তারা বেহেস্তে নাকি দোযখে যাবে? তাদের মুসলমানি করানো যায় না, আবার ধর্মমতে বিবাহেরও ব্যবস্থা নেই। কারণ তারা মা-বাবা কিছুই হতে পারে না। এরা তাহলে কি উনমানুষ? নাকি মানুষের তৃতীয় ধরণ? আমি যতদূর জানি, হিজড়াদের ব্যাপারে ধর্মে তেমন কিছু বলা হয় নি। মৃত্যুর পরে তাদের জন্য কি ধরনের শাস্তি কিংবা পুরস্কারের ব্যবস্থা? কেউ জানলে, প্লিজ দয়া করে জানাবেন।

    "আমাদের সমাজ নানা রকম বৈষম্যে পরিপুর্ণ। আমরা ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ, হিন্দু-মুসলিম, হিজড়া-অহিজড়া ভেদাভেদ করে থাকি। আমরা হিজড়াদেরকে পারিবারিক, সামাজিক এবং রাস্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছি। সেই রকম দুইজন হিজড়া, মানবতার সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছেন। যে দেশে আজকাল কেউ অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না, সেদেশে ভয়ঙ্কর দুইজন খুনীকে তারা হাতে-নাতে ধরে ফেলেছেন।

    "নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন, আমাদের দেশে ইতিমধ্যেই এক দল লোক চাপাতি বন্দনা শুরু করে দিয়েছে। আরেক দল রক্ত নিয়ে মাতম। তৃতীয় লিংগের মানুষেরা এতো দিন এসবের বাইরে ছিলেন। তারা মুখে রঙ মেখে নাচ-গান করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। সেই তৃতীয় লিংগেরই দুইজন মানুষ হঠাৎ করে প্রমাণ করে দিয়েছেন। আমরা যারা এতো দিন নিজেদেরকে পুরুষ বলে দাবি করছি, তারা আসলে পুরুষ নই। আমরা যারা নিজেদেরকে মানুষ বলে দাবি করছি, আমরা আসলে মানুষ নই। আমরা যারা নিজেদেরকে এতোদিন মানবতাবাদী, সভ্য, শিক্ষিত, সুশীল, ক্ষমতাবান মনে করছি, আমরা আসলে তার কিছুই নই।

    "আমরা, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী, রাস্ট্র সবাই নপুংশুক। আমাদের মতো শত শত নপুংশুকদের সামনেই অভিজিৎ রায় খুন হয়েছেন। আমরা নিরবে দেখেছি। কেউ প্রতিবাদ করিনি। আজও খুনীদের ধরতে পারিনি। সেদিন যদি এতোগুলো নপুংশুক না থেকে একজন হিজড়াও থাকতো, তাহলে একজন খুনী হলেও তখন ধরা পড়ত। হে বংগজননী, তুমি আর কোনো নপুংশুকের জন্ম দিও না, সম্ভব হলে কিছু বীর, নয়ত হিজড়াই জন্ম দিও।"

    http://sylhettoday24.com/news/details/Column/2910
  • Biplob Rahman | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১৯:৫৫668491
  • "যে দেশে সুশীল "বিদ্যাসাগর"গণ কওমি মাদ্রাসার প্রেমে বুঁদ হয়ে থাকেন, আর শফি হুজুর বয়ান দেন - "নাস্তিকদের কে কতল করা ওয়াজিব হয়ে গেছে" ...... সে দেশে নাস্তিকের ঘাড় তো একরকম পাতানোই থাকে, চাপাতি নিন, চালিয়ে দিন।

    বেহেশত আপনার জন্যে তৈরী হয়ে যাবে সাথে সাথে।

    ইসলাম সারা জাহানের শান্তির ধর্ম। চাপাতি হাতে আসুন এর ছায়াতলে জড়ো হই সকলে।

    আমিন।"
    -- Muhammad Golam Sarowar
    https://www.facebook.com/muhammad.sarowar/posts/10152639039561736
  • শাক্য | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:০০668492
  • মব লিঞ্চিং লিগালাইজ করা উচিত কারণ ম্যান ক্যারিস হিস লেগাসি। আমরা আমাদের রক্তের মধ্যে আদিম প্রবৃত্তি বহন করে চলেছি। সভ্যতার শুরুর আগে বন্য পশুকে দল বেঁধে ঘিরে ধরে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা আর তাকে আগুনে ঝলসে খাওয়ার মধ্যে দিয়ে পালিত হত বন্যতার মহোতসব। সভ্যতা সেই আদিম বন্যতার ভয়েসকে নতুন রূপ দিল ডাইনি পোড়ানো, ন্যাড়ানেড়ি পোড়ানো, ইনকুইজিশন এরকম হাজার হাজার মাধ্যমের সাহায্যে। আদিম জগত থেকে সভ্যতার জগতে উত্তরণ যদি সেই স্পন্টেনাস ইনোসেন্সের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা হয়, যেমতি অগাস্ট হায়েক বলেছিলেন, তাহলে মানবিক প্রবৃত্তি্কে যুক্তিবাদের পাথর দিয়ে চেপে ধরা, যে যুক্তি ইউরোপ আমেরিকা অস্ট্রেলিয়াতে লাখ লাখ রেড ইন্ডিয়ান অ্যাবরিজিনালসদের হত্যা করেছে, সাম্রাজ্যের নামে দাসপ্রথা ফিরিয়ে এনেছে, ক্রিশ্চিয়ানিটি প্রচারের নামে রক্তের বন্যায় ধুইয়ে দিয়েছে পৃথিবী এবং ডিসিপ্লিন ও পানিশের নামে জেলখানা পাগলা-গারদ এসবের প্রতিষ্ঠা করেছে, সেই যুক্তিবাদের প্রসার ও প্রচার-ও তাহলে সেই বিশ্বাসঘাতকতার সম্প্রসারণ হিসেবেই ভাবতে হবে। সেই বিশ্বাসঘাতকতা আমাদের লেগাসির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা। ক্ষমতা তার প্যানপ্টিসের হাজার চোখ দিয়ে আমাদের ঘিরে রেখেছে, আমাদের ইনোসেন্সকে জাজ করেছে। সেই হাজার চোখের প্রত্যেকটাকে এবার সাবভার্ট করার সময়। অপরাধের অধিকার নিজের হাতে তুলে নিক সাধারণ মানুষ। সাম্যের ধারণা বিস্তৃত হোক নিচ পর্যন্ত।
  • Ishan | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:০৩668493
  • কোন 'সাধারণ মানুষ'? কোন 'সাম্যের ধারণা?' এগুলো সবই তো ক্ষমতার বর্গ। থিয়োরিটা তাহলে দাঁড়াচ্ছে কিকরে?
  • শাক্য | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:০৫668494
  • লিখতে লিখতে মনে হল, কন্যা-ভ্রুণ হত্যাও কি লিগালাইজ করা উচিত নয়? কারণ একটা পরিবার যদি সত্যি-ই কন্যাসন্তান না চায়, তাহলে জোর করে কেন সেই সন্তানের জন্ম দেওয়া হবে? সেই সন্তানকে তো তাহলে সাব-হিউম্যানের মতন ট্রীট করা হবে, যেরকম হয় হরিয়ানা বা মধ্যপ্রদেশের গ্রামে গ্রামে। একটা প্রাণের জন্ম দিয়ে যদি তার ওপর অসহনীয় অত্যাচার চালানো হয়, তাকে ডিফারেন্টলি ট্রীত করা হয়, প্রতি পদে তাকে জানিয়ে দেওয়া হয় ইউ আরে ইনফিরিয়র টু ইওর মেল কাউন্টারপার্ট, তাহলে তার থেকে তো ভ্রূণ অবস্থাতেই তাকে হত্যা করা ভাল। জীবন মানে তো শুধু নিঃস্বাস নেবার অধিকার নয়! জীবন মানে তাকে জীবনের মতন ট্রীট করাও বটে।

    আর নাহলে স্টেট দায়ীত্ব নিক, যে পরিবার না চাইলেও যদি সন্তানের জন্ম দিতেই হয়, সেই মেয়ের সব দায়ীত্ব স্টেট নেবে। তাকে মানুষের মতন বাঁচার অধিকার দেবে। নাহলে স্টেট আইন পাশ করেই খালাস থাকল, আর সেই মেয়ে জন্ম নিয়ে পশুর জীবন কাটাল, তা হয় না। মাঝামাঝি কোনো রাস্তা নেই। হয় স্টেট সব দায়ীত্ব নিক সেই মেয়ের, নাহলে ভ্রূণ হত্যা লিগালাইজ করে রেভিনিউ বাড়াক।
  • শাক্য | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:০৮668495
  • সাধারণ মানুষ মানে যাদের প্রতিদিন প্যানপ্টিসের হাজার চোখের সার্চলাইটের দপদপে আলোর নিচে মাথা কুঁকরে বাঁচতে হয়। পাড়ার চোরটাকে পিটিয়ে মেরে ফেলার জন্য হাত নিশপিশ করলেও শুধু আইনের ভয়ে চেপে যেতে হয়, মনোভাবের একটুকুও পরিবর্তন না ঘটলেও। বা রাস্তায় ট্রামলাইনের ধারে দাঁড়িয়ে হিসি করতে প্রবল ইচ্ছে হলেও সকলে দেখছে কে কি ভাববে এই বলে প্রায় ফাটতে থাকা মুত্রথলি চাপতে চাপতে বাড়ি ফিরতে হয়।
  • pi | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:১১668496
  • খুন ধর্ষণ খুব বাজে জিনিস। ওসব চাই না। বরং ওগুলো কমাতে চাই।

    মব লিঞ্চিং লিগালাইজ করা উচিত কারণ ম্যান ক্যারিস হিস লেগাসি। আমরা আমাদের রক্তের মধ্যে আদিম প্রবৃত্তি বহন করে চলেছি। সভ্যতার শুরুর আগে বন্য পশুকে দল বেঁধে ঘিরে ধরে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা আর তাকে আগুনে ঝলসে খাওয়ার মধ্যে দিয়ে পালিত হত বন্যতার মহোতসব।

    ---
    সবকটাই শাক্যর লেখা।
    তো, খুন, ধর্ষণ কমে গেলে আদিম প্রবৃত্তির 'স্পন্টেনাস ইনোসেন্সের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা' হয়ে যাবেনা ?

    আর, Date:31 Mar 2015 -- 10:33 AM এখানে অনেকগুলো প্রশ্ন ছিল, উত্তর পাইনি।
  • Ishan | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:১৫668497
  • হচ্ছে না হচ্ছে না। 'সাধারণ মানুষ' বলে আদিম পৃথিবীতে কিচ্ছু ছিলনা। জোর যার মুলুক তার। 'সাম্য'এর তো গপ্পোই নেই। এইসব ধারণাগুলোই পরে বানিয়েছে। আদিম, মুক্ত দুনিয়ায় সাম্য, স্বাধীনতা, সাধারণ মানুষ এসবের কোনো গপ্পোই নেই। ছিলও না।

    ওগুলো পেতে গেলে ক্ষমতাকে দরকার। ক্ষমতাহীন পৃথিবী আর যাইহোক 'সাধারণ মানুষ'কে 'সাম্য' এনে দেবেনা। জঙ্গলের রাজত্ব ডেফিনিটলি আনবে, যেখানে 'স্টেট' নেই, খুব হাল্কা করে 'সমাজ' আছে। সেখানে অপরিচিত মানুষ মাত্রেই শত্রু, হয় খাদ্য নয় খাদক। আর পরিচিত মানুষ মাত্রেই হয় প্রভু নয় দাস বা শাসিত।
  • শাক্য | ০১ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:১৬668499
  • কোথায়? সব উত্তর দেবার পরেও বলো উত্তর পাইনি :( কি চাপ !

    আর আদিম লেগাসিতে খুন ধর্ষণ ছিল কে বলল? সেজন্যেই তো বললাম সভ্যতার বিশ্বাসঘাতকতা। আগে বন্য পশুকে মেরে গায়ের জ্বালা মিটত, সভ্যতা এসে প্রথমে সেটাকে নিয়ে গেল কলোসিয়ামে দাসের সাথে সিংহের লড়াই তে যা হাজার হাজার মানুষ দেখছে, সেটাতেও রক্তপিপাসা না মেটায় শুরু করল ইনকুইজিশন, বা আমাদের বৌদ্ধদের হত্যা ইত্যাদি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন