এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • - | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:০১70698
  • নিজেরই বা নিজেদেরই প্ল্যাটফর্ম
  • a x | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:০৫70699
  • হ্যাঁ এই সব কেন্নো হয়ে যাওয়া মানুষের ভীড়ে গীতশ্রীরাই ভরসা যোগায়।
  • S | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:১২70700
  • ইউনির পয়সা মানে কি? ভিসি আর রাজ্যপালের সই হলেই সেটা ভিসি বা রাজ্যপালের ব্যাক্তিগত পয়সা? যাদবপুর তো সরকারি ইউনিভার্সিটি - সেখানে ভিসির মাসমাইনেটাও সব ছাত্রছাত্রীদের নিজের বা তাদের অভিভাকদের স্বোপার্জিত পয়সায় দেওয়া হয়, মানে যাকে বলে ট্যাক্সপেয়ার মানি।
  • - | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:১৮70701
  • সেই তো, সরকারি ইউনিতে সরকারের প্রতিনিধি রাজ্যপাল আর সরকারকে ট্যাক্স দেওয়া গীতশ্রী -- সব সমান, কাটাকুটি ঃ-) খেল খতম, পয়সা হজম; তা বাহবা বা ধিক্কার যেন কিসের জন্য কে কাকে কোথায় দিচ্ছিল!?
  • S | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:৩১70702
  • বাহবা, ধিক্কার ইত্যাদি নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই - অ্যাট লিস্ট এই স্টেজে ওঠা বা না ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে।আমি শুধু বলতে চেয়েছি কনভোকেশনের স্টেজ ভিসি বা রাজ্যপালের ব্যাক্তিগত পয়সায় তৈরি নয় এবং একজন ট্যাক্সপেয়ারকে নিজে মঞ্চ তৈরি করে তবে প্রতিবাদ করুন বলাটা নিতান্ত অনধিকার চর্চা - কারণ মঞ্চ বানানোতে তারো কন্ট্রিবিউশন আছে।
  • - | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৯:২৫70703
  • বলাটা অবশ্যই অনধিকার চর্চা না; কারণ প্রত্যেক মঞ্চের পার্পাস আছে। সমাবর্তনের মঞ্চ প্রতিবাদ মঞ্চ না! ট্যাক্স দিই বলেই যেখানে যা ইচ্ছে করার অধিকার জন্মায় না। ট্যাক্সপেয়ার মানিতে বাস স্ট্যান্ড আর সুলভ দুইই তৈরী হয়। বাসস্ট্যান্ডে কেউ সুলভের কাজ করলে তাকে ক্রিটিসাইজ করা অনধিকার চর্চার মধ্যে পড়ে না।
  • কল্লোল | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:০২70706
  • গীতশ্রীর প্রতিবাদ, ছাত্রদের প্রতিবাদ নিয়ে রাহুল সিনহা, পার্থ চ্যাটার্জি আর বিমান বোস একই সুরে গান গেয়েছেন। কথা আচার্য্য, সুর উপাচার্য্য। হ্যাঁ, গায়কীর পার্থক্য আছে।
    অসাধারণ।

    ড্যাশ।
    রাস্তায় মিছিল হয় প্রতিবাদ করতে। ফুটপাথে/পার্কে অবস্থান হয় প্রতিবাদ করতে। রাস্তা, পার্ক আর ফুটপাথ কি প্রাতিবাদের জন্য বানানো হয়? অথচ সারা পৃথিবী জুড়েই লোকে প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় মিছিল করে। পার্কে/ফুটপাথে অবস্থান করে। কি অন্যায়!!! কষ্ট লাগে।
  • Ishan | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:১৭70707
  • গুজ্জব গীতশ্রী।
  • - | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:৪৯70708
  • "রাস্তা, পার্ক আর ফুটপাথ কি প্রাতিবাদের জন্য বানানো হয়?"
    রাস্তা, পার্ক আর ফুটপাথ যখন একজন সদ্য স্নাতকের ("স্নাতক" শব্দের পবিত্রতা আর সংস্কৃতিগত গুরুত্বতে আন্ডারলাইন) কাছে "সমাবর্তন" মঞ্চের সঙ্গে একই স্তরের মনে হয়, তখন তার কাছে কোনও আশা নেই। অন্তত আমার। ওবিশ্যি সকল মতই যে ব্যক্তিগত তা ঈশেন পাতার তলায় লিখেই রেখেছেন সব সময়েরই জন্য।
    আর হ্যাঁ, পথ অবরোধের ফলে অ্যাম্বুলেন্সে মরে যাওয়া, আই এগ্রি, সত্যিই "কি অন্যায়!!! কষ্ট লাগে।"
  • কল্লোল | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০২:১৮70709
  • ড্যাশ। আহা। তাইতো সমাবর্তন মঞ্চ আর রাস্তাঘাট কি এক? নঃ কক্ষোনো না। কিন্তু রাস্তাঘাটও তো প্রতিবাদের জন্য নয়। খাজনাদাতার পয়সাতেই তৈরী হয় যাতায়াত করার জন্য। তা সেখানে অ্যাম্বুলেন্স না আটকেও মিছিল হয়। সেটা কি উচিৎ?
    এই প্রতিবাদ্গুলো দেখুন। কি খারাপ, ক্ষীই ক্ষারাপ।
    ১) অলিম্পিকের মঞ্চ। কি পবিত্র!! অথচ ক্ষী কান্ডো।

    ২) ফুটবল খেলা। কি পবিত্র। অথচ ক্ষীই কান্ডো!!
    http://www.bbc.com/sport/0/football/20545435
    ৩) শাবানা আজমী। সফদার হাসমীর হত্যার প্রতিবাদে 12 January 1989 Protest statement against Safdar's murder read out by
    Shabana Azmi at the awards event of the 12th Film Festival of India,
    Vigyan Bhavan, New Delhi
    http://www.sahmat.org/111989.html
    এমনি যে আরও কতো কতো কতো আছে।
    সত্যিই কষ্ট লাগে।
  • - | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০২:২৪70710
  • ঘটনাচক্রে তিনটের একটিও প্রথম বিশ্বে ঘটে নাই ঃ-))
  • .. | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০২:৪২70711
  • তাহলে তৃতীয় বিশ্ব নিয়ে এত ভাবনাচিন্তা নাহয় নাই করলেন। আপনার পোস্টগুলোও অনেকেরই ঢং টং মনে হতে পারে।
  • - | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৩:৩৪70712
  • বেশ, বলছেন যখন "ভাবনাচিন্তা নাহয় নাই" করলাম। ঢং-এ টং-এ কাটাকুটি হয়ে পড়ে রইলো তৃতীয় বিশ্ব। এটুকুই। হায় কলকাকলি! ঃ-(
  • S | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৩:৪০70713
  • -,
    ২।৫৫ র পোষ্টে উপমাটি মোটেই যুৎসই হল না। বাসস্ট্যান্ডে সুলভ কাজকর্ম করার বিরুদ্ধে স্পষ্ট আইন রয়েছে - কেউ এই কাজ করলে তার জরিমানা ইত্যাদি হতে পারে। অন্যদিকে, যদিও ভারতে ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্টের রক্ষাকবচ নেই, কিন্তু সমাবর্তন এর মঞ্চকে প্রতিবাদ হিসাবে ব্যবহার করা বেআইনী নয়। এমনকি আনএথিক্যালও নয়। আপনার যুক্তির প্রেমিসটা এতবার বদলাচ্ছে যে আপনার আপত্তির আসল কারণটাই বোঝা যাচ্ছে না। প্রথমে বললেন প্রতিবাদ করতে হলে নিজে মঞ্চ বানিয়ে করা উচিৎ। যখন বলা হল যে সরকারি ইউনিভার্সিটির মঞ্চ বানানোয় প্রতিবাদকারীর কন্ট্রিবিউশন আছে, তখন বললেন কন্ট্রিবিউশন থাকলেও সেটা করা ঠিক না। তারপর বললেন সেটা আপনার ব্যক্তিগত মত আর তার সাথে আবার কোথা দিয়ে প্রথম বিশ্ব এসে গেল। আমার যা মনে হচ্ছে, শেষে দেখা যাবে আপনার সমালোচনা করার অধিকার আছে, তাই আপনি সমালোচনা করছেন - ব্যাপারটা এইদিকে যাচ্ছে। অর্থাৎ আবার সেই ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট। আল্টিমেটলি, যাদবপুরের প্রতিবাদকারী আর আপনি একই প্রেমিসে দাঁড়িয়ে। সেটা হলে অসুবিধা নেই, কিন্তু প্রথমে বলে দিলেই তো সুবিধে হয়।
  • কল্লোল | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৪:১০70714
  • অ, আমেরিকা ইউরোপে না হলে কোন কিছু মান্যতা পায় না ড্যাশের কাছে।
    তা এই তৃতীয় বিশ্বের গুরুচন্ড৯তেই এসব লেখা যাচ্ছে। কেউ বলছে না - চোপ, গুরুচন্ড৯ চালানোর জন্য পহা ফেলুন তপ্পর আপনার প্রতিবাদ লিখুন। কি করা যাবে তৃতীয় বিশ্বের গুরু তো! লিখুন লিখুন, আরও কি কি যুক্তি আছে লিখুন। আমরা পড়ে ঋদ্ধ হই। না না গুরু চালানোর পহা দিতে হবে না, এমনিই লিখুন।
  • - | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৪:৫০70715
  • আহা কল্লোল অত রাগ করে না। ঐ যে অ্যাগটা পোস্টে বল্লুম না "আশা নেই", তা সেইটেই আপ্নের উদাহরনে সাপোট পেল দেখে বিনে পয়সায় দুটি কথা লিখে দিলুম আর্কি।
    তা, গুরু তো বিশ্বজনীন জান্তুম; ভুল জান্তুম না কি ঈশেন?
    ৯টা১০-এর S হক্কথা লিখেছেন, "যাদবপুরের প্রতিবাদকারী আর আপনি একই প্রেমিসে দাঁড়িয়ে।" যাক, বুঝেছেন তাহলে। শ্রম সার্থক ঃ-) ঐ প্রতিবাদটাদ নিয়ে অতো মাতামাতির কিছু নাই; ওটি এই সামান্য পোস্ট-তুল্য-মাত্র!
    ব্যাস, বোঝাবার কাজ সেশ। এখন এলুম গিয়ে!
  • ranjan roy | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৫:০৬70716
  • আমি কি ভুল দেখচি?
    একটাও তৃতীয় বিশ্বে ঘটেনি? শাবানা আজমির প্রতিবাদ তাহলে কোন বিশ্বে? দিল্লি কোন বিশ্বে?
  • কল্লোল | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৫:৫১70717
  • নাহঃ রাগ করিনি। আমোদিত হলুম। রাগ করারও তো ঠিক্ঠাক পাত্র চাই।
  • jenegan | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৫:৫২70718
  • বিশ্বজনীন পথে এগিয়ে চলুন। শুভেচ্ছা। এবার কি নতুন নিক নিয়ে আসবেন? কী না কিন্তু, কি?
  • pi | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৬:৩৮70720
  • শমীকদার পোস্টটা এখানে দিতে ইচ্ছে হল।

    'কলরব আবার ঢেউ জাগিয়ে দিলো যাদবপুরের কনভোকেশনে— মিছিলে আর স্লোগানে, ব্যারিকেডে লেখা তুলির টানে, দৃপ্ত সরব প্রত্যাখানে— আবার আশা জাগালো লড়াইয়ের চিরসবুজ বার্তা। শহরে ছিলাম না, থাকলে নিশ্চয়ই যেতাম একবার উত্তরাধিকারীদের লাল সেলাম জানাতে...।
    কয়েকদিন আগে রাজ্যপালের দেওয়া ‘বয়কট তকমা’র হুমকির পর ফেসবুকে এক প্রাক্তন ছাত্র এবং এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের লড়াকু ছাত্র প্রতিনিধির সরস মন্তব্য— “মাননীয় রাজ্যপাল, এক্স-স্টুডেন্টদের সার্টিফিকেটে 'বয়কট' স্ট্যাম্প লাগানোর কোনো উপায় থাকলে একটু জানাবেন”... পড়ে বেশ মজা পেয়েছিলাম... মনে মনে নিজের গলাটাকেও মিলিয়ে দিয়েছিলাম সেই প্রশ্নের সাথে। আর আজকের এই দৃপ্ত বয়কট মনে করিয়ে দিলো একরাশ পুরনো কথা...
    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ সবসময়ই অগণতান্ত্রিক। আর সব জায়গার মতই। ঔপনিবেশিক শিক্ষাব্যবস্থার বিরোধিতা করে যে ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশন, বেঙ্গল’ তৈরী হয়েছিল, যার ধারাবাহিকতাতে তৈরী এই বিশ্ববিদ্যালয়— বৃটিশ-বিরোধী সেই লড়াইয়ের ব্যাটনটা কবেই তো কর্তৃপক্ষের হাতের ছড়িতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু ছাত্রছাত্রীরা হাল ছাড়েনি। দশকের পর দশক প্রতিনিয়ত জন্ম নেওয়া হাজারো লড়াই তার সাক্ষ্য বহন করেছে। সরকার বদলেছে... এসেছে রঙবেরঙের শাসন... কিন্তু সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে। সমাবর্তনের ইতিহাসেও তার ছাপ কিছু কম পড়েনি।
    আগের খবর বলতে পারবো না, আমাদের ছাত্রাবস্থাতেই সায়েন্স কংগ্রেস উপলক্ষ্যে ইউনিভার্সিটির হালচাল-খোলনলচে বদলে দেওয়া যখন চলছিল, সেটা সম্ভবত ১৯৯৬ সাল... সেই সময়ে কনভোকেশনের সভাস্থল ওপেন এয়ার থিয়েটারে রাজ্যপালকে কালো পতাকা দেখায় কিছু ছাত্রছাত্রী, একটি সংগঠনের ব্যানারে। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে অনশন আন্দোলনের ওপর লাঠিচার্জ ও তত্পরবর্তী আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সেবছরের কনভোকেশনে লিফলেট বিলি করা হলে কর্তৃপক্ষ তার গায়ের জোরে সেসব লিফলেট কেড়ে ছিঁড়ে ফেলে দেয়। সেদিন সন্ধ্যায় ঐ মঞ্চেই অনুষ্ঠান করতে এসে অবশ্য গায়ক কবীর সুমন সরব হন প্রতিবাদে। সন্ধ্যের সেই প্রোগ্রামের উপলক্ষ্য ছিল সুবর্ণজয়ন্তী। সে বছর ধুমধাম করে পালন করা হচ্ছিল ইউনিভার্সিটির সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান। আর ওদিনের ছাত্রছাত্রীদের লিফলেট ঘোষণা করছিলো যে — কর্তৃপক্ষের সুবর্ণজয়ন্তী হল দমনপীড়নের সুবর্ণজয়ন্তী, আর ছাত্রছাত্রীদেরটা আপোষহীন লড়াইয়ের। এই লড়াইয়ের যাদবপুরটাই আমাদের যাদবপুর। আজকে এমন অনেকে লড়াইয়ে আছে, যারা গতকাল চোখরাঙানোর দলে ছিলেন! আবার আজ অনেকে আঙ্গুল উঁচিয়ে দাদাগিরি করছে, যারা গতকাল হাত উঁচিয়ে প্রতিবাদের স্লোগান দিচ্ছিল!! এইসব গিরগিটির মত রঙবদল চলতে থাকুক। এতে বিভ্রান্ত করা যাবে না আপোষহীন লড়াইয়ের সূর্য অভিযানকে... স্বাধীন কিন্তু পলিটিকাল এই জার্নি চলবেই অবিরাম... দশকের পর দশক সেই সাক্ষ্যই বহন করেছে।
    এমনিতেই বয়কটের এই ট্র্যাডিশনটা, অল্পমাত্রায় হলেও, লক্ষ্যনীয়ভাবে যাদবপুরে ছিল। আমি জানি না ইদানিং ব্যাপারটা ঠিক কিরকম। কিন্তু আমরা যখন জুড়ে থেকেছি ইউনিভার্সিটির সাথে তখন প্রত্যেক বছরই লড়াকু ছাত্রছাত্রীদের একটা অংশ প্রত্যাখ্যান করেছে ভিসি বা রাজ্যপালের থেকে সার্টিফিকেট নেওয়াটাকে। আমরা নিইনি অনেএএএকে... এবং নেয়নি আমাদের আগে এবং পরেরও বহু ছাত্রছাত্রী। সোজা যুক্তি, যে রাজ্যপাল বা ভিসি-র চেয়ার বেয়ে নেমে আসছে এই এডুকেশন পলিসি, এই দমনপীড়নগুলো, তার হাত থেকে সার্টিফিকেট নিই কী করে? এই প্রত্যাখানের মধ্যে দিয়ে অন্ততঃ একটা প্রতিকী প্রতিবাদ লিপিবদ্ধ হোক— এই থাকতো আমাদের আশা। আমাদের সেই দমবন্ধ গুটির মধ্যে থাকা প্রতিবাদের শুঁয়োপোকাটা যে শয়ে শয়ে প্রজাপতি হয়ে আকাশে ডানা মেললো... সেই অনাবিল আনন্দটাকে ভাগ করে নিলাম। হোক কলরব।'
  • sch | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৮:১৫70719
  • একটাই জিনিস খুব কষ্ট দিচ্ছে যে অল্প কয়েকজন হলেও কিছু লোক এই ভিসি আর রাজ্যপালের থেকে সার্টিফিকেট নিয়েছে। প্রত্যাখানের ১০০% সাফল্য এলো না কেন? জানার ইচ্ছে হচ্ছে খুব। যে অমেরুদন্ডীরা নিল - তাদের যুক্তিগুলো শুনতে পারলে ভালো লাগতো

    তবে অভিজিৎকে নিয়ে অনেক দিন ধরে টানা হচ্ছে - এবার একটা গণক্যাল দিয়ে ব্যাপারটা মিটিয়ে ফেললেই হয়
  • cb | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ১২:৪৭70704
  • "প্রথমে কলা শাখার শ্রেষ্ঠ স্নাতক গীতশ্রী সরকারের নাম ঘোষণা করা হয়।"

    "গীতশ্রী যাদবপুরের কলা শাখার ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদকও বটে।"

    রাজনীতি আর পড়াশুনা ব্যাস্তানুপাতিক নয় তাহলে!!!
  • cb | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ১২:৫৩70705
  • যাদবপুরের ছাত্র-আন্দোলনের গোড়ায় বিজেপি প্রতিবাদীদের পাশে দাঁড়ালেও রাজ্যপালের অস্বস্তির কারণে এ দিনের কাণ্ডকে সমর্থন করছে না। দলের রাজ্য সভাপতি রাহুল সিংহ বলেন, “পড়াশোনা করে না, এমন কিছু বিপথগামী পড়ুয়া এ সব করছে। কিছু শিক্ষকও যুক্ত। এমন আন্দোলন বরদাস্ত করি না।”
  • rejection-account | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:১১70721
  • Abhyu | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:৪০70722
  • এই হিসেবটা কি সত্যি? মানে সব খবরের কাগজে ঝাঁসীর রাণীর ছবি আর এতো বড় বড় রিপোর্ট বেরিয়েছে যে মনে হল যাদবপুরের প্রায় সবাইই এসে আচার্যদেবের গণ্ডে কংগ্রেসের প্রতীক রেখে গেছে এক এক করে।
  • - | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:৪৯70723
  • "ঝাঁসীর রাণী" :-D
    কোনও কথা হব্বে না! ঃ-))
  • a x | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ০২:৪২70724
  • মানে অনেক হলে ঝাঁসির রাণী হত, কিন্তু একাকী নির্ভিক হওয়া আদতে আরো'ই খিল্লির। নিজেদের অক্ষমতার জ্বালা অনেক দূর যায় দেখছি।
  • a x | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ০২:৪৬70725
  • অনেকেই রিফিউজ করেছে। রেফারেন্ডামের রেসাল্টও বোধহয় এখানে কেউ কেউ দিয়েছিল, তার ফল দেখে তখন যদিও লোকেদের এমন অনাবিল আনন্দ দেখা যায়নি।

    ওদিকে মেয়েটি সিপিএমের বলে এসএফআইর কেউ কেউ এমন ভাব করছে যেন এরকম ঘটনা বেনজির উল্টো দিকে এও দেখলাম অ্যাস ইফ মেয়েটিকে এসএফআই নিজেদের ধান্দায় এই করতে পাঠিয়েছে, তার আসলে কোনো অ্যাক্টিভ সিদ্ধান্ত নেই।

    আর অন্যদিকে এই জ্বলুনি। মজার পৃথিবী সত্যি।
  • pi | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ০২:৪৯70727
  • এই পোস্টটাও থাক।

    Hindol Mazumdar
    So, The Telegraph says that 2285 students were there to take the convocation yesterday, while 100 students refused to take it after going to the stage. Now I won't say they are lying, I won't even say that many of our seniors have claimed that they counted more people refused than what they are saying. I will just do a simple math.

    This year's convocation lasted for 6 hours. which means 21600 seconds.
    Now, geetosri di's refusal took atleast 5 mins to get completed. We all saw that on tv, so it is 21300 secs
    Therefore, according to The Telegraph Metro, if really 2295 students were on stage that day, the time taken per person would be 9.3 seconds. Which would mean a maddening sprint from the start to the finish line! Now is that really what happened Mr. Registrar??

    P.s. The REAL data of this year's convocation coming soon
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন