এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • a x | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:২৪36388
  • হ্যাঁ হ্যাঁ পেলাস্টিকের ঝাঁটা আমিও দেখলাম একজনের বাড়িতে।

    পুঁটিদ্বয় কেমন আছে? বাড়িতো কলকল শব্দে ভরে থাকে নিশ্চয়ই!
  • VB | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:২৪36389
  • বা বন্দুকে গুলি ছিলো না, শুধু শো পীস হিসাবে বন্দুকটা ছিলো। ঃ-)
  • aka | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:২৪36390
  • সবাই আমাকে মারতে পারে কিন্তু সইত্যের খাতিরে কয়ে যাই। নচিকেতার এই গানটা আমার দিব্য লাগে।

  • a x | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:২৩36387
  • আইব্বাস! কদ্দিন বাদে। ছাতাটা দুজনের মাঝে বেঁকে যায়। একদিক বাবার হাতে, অন্যদিক চোরের হাতে দুজনেই ঠেলছে বীর বিক্রমে।

    লোকটার বন্দুকটা নিশ্চয়ই খেলনা বন্দুক ছিল।
  • P | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:১৫36385
  • হ !
  • P | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:১৫36386
  • একটা বাদ পড়েচে -

    প্লাস্টিকুড়ু - পেলাস্টিকের সরু সরু তার দিয়ে তৈরী পোমো ঝাড়ু। হামি দেশ থেকে নিয়ে আসি।
    গেলবার সোনামুইতে আবার দেখ্লুম নিউ এডিশান, ব্যাটাকে টুক করে দুটুকরো করে সুট্কেসে সুট করে ভরে নেওয়া যায়। লাগাবার সময় শুধু দু-আড়াইটে প্যাঁচ।

    পুঁটিদ্বয় বিস্কুট ইত্যাদির হরিল্লুট দিলে গাব্দা ভ্যাক্কামের কান ধরে টেনে বের করার ঝক্কি বেঁচে যায়।
  • a x | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:১১36384
  • পাল্লিন নাকি?
  • P | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:১০36383
  • আরে কেয় না, কেউ কেউ।
  • P | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:০৯36382
  • ইসে, ছাতাটা বেঁকে ক্যানো গেল ? এট্টূস ক্ষমা-ঘেন্নাপিত্তি কাটিয়ে কেয় যদি বুঝিয়ে দিত !
  • | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:০৭36381
  • ভেবেছিলাম, একটা কচি ছেলে, ছাতাপেটা খেয়ে তর্ক কত্তে কত্তে চলে গেলো....
    হায় হায়
  • a x | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:০৪36380
  • খ্যাখ্যা।
  • | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:০২36378
  • হায় হায়! মুত্তিমান রসোভঙ্গোঃ((
  • a x | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০২:০২36379
  • তো এইটে দেখার পর মা খেয়াল করল মার সামনে যে লোকটা তার হাতে কিছু নেই, বাবার সামনে লোকটার হাতে একটা বন্দুক। আর একটা গাড়ি কর্নারে অপেক্ষা করছে। মা ভাবছে এইবার একটা গুলির আওয়াজ শুনবে আর বাবার বডি ধপ করে পড়বে। ভাবতে ভাবতে মা সামনের লোকটাকে একবার মেপে নিল। দেখল প্যাংলা সিড়িঙ্গে টাইপ একটা লোক, মার যোগব্যায়াম করা হাতের একটা চড় খেলে পরে যেতে পারে। এইটে দেখার পর মা লোকটাকে এক ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে উল্টো দিকে অর্থাৎ দাদুদের বাড়ির দিকে চিল চিৎকার করতে করতে দৌড় লাগাল। আশে পাশে বাড়ির কয়েকটা জানলা খুলল। কিছু আলো জ্বলল। দাদুদের মাল্টিস্টোরি বাড়ির দারোয়ান হাতে আলো নিয়ে বেরোল। কয়েক সেকেন্ড। জানলা বন্ধ হয়ে গেল, আলো নিভে গেল, দারোয়ান ভেতরে ঢুকে গেল। কিন্তু ঐ চিৎকার শুনে ভয় পেয়ে চোর দুটো একদৌড়ে গিয়ে গাড়িতে উঠে পরে পালিয়ে গেল। এর কয়েক মিনিট পর আস্তে আস্তে লোকজন বেরোল। দেখা গেল চোরেরা একপাটি জুতো ফেলে গেছে আর বাবার ছাতাটা - ঐ পুরোনো লোহার শিকের কালো ছাতা বেঁকে গেছে।

    এই হল গল্প।
  • সম্মার্জনী শিক্ষা : | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৫৮36377
  • ঝাঁটা : নারকেল পাতার শিরা থেকে হয়। শক্ত ও লম্বা। প্রধানত ঘর পরিস্কার করার কাজে লাগে

    বারন : বারুণী থেকে এসেছে। নারকেল গাছের শির বাদ দিয়ে নরম পাতা থেকে হয়। ঘরের কোন ঝাঁট দিতে কাজে লাগে।

    ঝাড়ু : ঝাঁটার সরু সংস্করণ। কাঠি কম। দাঁত খুঁচতে কাজে লাগে। বিছানা ঝাড়তেও।

    ফুল ঝারু : ঝারু গাছ এর ফুল ওয়ালা দন্ড থেকে হয়। ঝারু গাছ নেপালে এবং ভুটানের তরাই অঞ্চলে হয়।

    ,,,,, কিছু বাদ পড়ল ?
  • a x | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৫৬36376
  • কেসটা অতি সহজ। আমার বাবার একটা গাড়ি ছিল। কিন্তু বাড়ি ছিলনা। আর বড়মামা/দাদুর একটা বাড়ি ছিল কিন্তু গাড়ি ছিলনা। তাই রোজ রাতে দাদুর বাড়ি (ফ্ল্যাট)র সাথে যে পার্কিং স্পেস অ্যালটেড তাতে বাবা গিয়ে গাড়ি রাখত। আমাদের বাড়ি থেকে হেঁটে ১০ মিনিট। রুগি টুগি দেখে সব শেষ করে অনেকদিন রাতই হয়ে যেত। মাঝে মাঝে মাও যেত, দাদু দিদার সাথে গল্প করে ফিরত। এরকমই একদিন পুজোর ঠিক আগে আগে, একটু রাত হয়ে গেছে। টিপ টিপ করে বৃষ্টি পড়ছে। যারা ওদিক পানে মানে বিবেকানন্দ পার্কের আশে পাশে গেছেন রাতের দিকে, তারা জানবেন ওদিকে কোনো আলো জ্বলে না। রাস্তার আলো না। লোকেদের বাড়ির বারান্দার আলো ন। আলো জ্বালালে বাল্ব ভেঙ্গে দেওয়া হয় বা সরাসরি বলা হয় আলো না জ্বালতে। মানে যারা ঐ বিছানার বদলে পার্কের ঘাস ঝাড়েন নিনাবর্ণিত কারণে, তাদের কিঞ্চিৎ অসুবিধে হয়। তো তার কদিন বাদেই আমরা অবার কোন পাহাড় পর্বতে বেড়াতে যাব, তাই নিয়ে গল্প করতে করতে ছাতা মাথায় বাবা-মা একটু অন্যমনষ্ক হয়ে হাঁটছে। পার্কের প্রায় কোনার কাছে, হঠাৎ ভুঁইফোঁড়ের মত দুটো লোক হিসহিস করে "যা আছে দিয়ে দিন, একটা শব্দও করবেন না, তাড়াতাড়ি বের করুন"। মা প্রথমে ভাবল পুজোর চাঁদা চাইছে (!), তাই বেশ ধমকে বলে "কি দিয়ে দিন। কিচ্ছু হবেনা, যাও"। তো এই পুরো ঘটনাটা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই হয়েছে। তারমধ্যেই মা খেয়াল করে দুটো লোকের একটা লোক আর বাবা ফুটপাথ থেকে মাঝ রাস্তায় চলে গেছে আর বাবার কাছে যে ছাতাটা ছিল, সেটা ভার্টিকাল থেকে হরাইজন্টাল হয়ে গেছে।
  • pipi | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৪৯36375
  • বিছানা ঝাড়ার ঝাড়ু আমার নাই। সকালে উঠে বিছানার চাদর তুলে এক পাট করে ঝেড়ে নেই কয়েকবার। তারপর টানটান করে পেতে, বালিশ ঠিকঠাক করে হাত দিয়ে একটু থাবড়ে দেই। আর সপ্তাহান্তে কেচে ফেলি সব। ব্যস।
  • VB | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৪৭36374
  • বেশ সংকীর্ণ ও অপ্রশস্ত।
  • | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৪৫36373
  • ইয়ুপ। ও আমি কখনো ভুলি না।
  • বাথটাব | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৪৪36370
  • ভালো না। জল উপচে পড়ে মুশকিল হয়। অনেক জায়গাতেই বাথরুমে জল ফেলা বারন।
  • a x | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৪৪36371
  • কিন্তু নিনা যা বলতে চাইছে, তার নিরাময় হিসেবে চাট্টি ঝেড়ে, ঢাকা দিয়ে দিলেই কি করে সমাধান হবে তা যদিও বুঝি নাই।

    আচ্ছা তোমরা কি দেশ থেকে বিছানা ঝাড়ার ঝাড়ু নিয়ে এসেছ?
  • | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৪৪36372
  • নাগ করে কেন!
    না না বলেই ফেলো। ছাতাপেটা খে সে প্রেম কি ছিলো না উবে গেল?
  • a x | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৪২36368
  • মাতু মা বললে কোনো গল্পই বলবনা! কুমড়ো ফুলের বড়া খাব যখন তখন বিষম খাবে শুধু।
  • | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৪২36369
  • একা একা মানে সো কলড ভার্জিন বিছানাতেও কেউ কেউ খাটালবতার-আবার দুজন শুয়েও কারো কারো বিছানা পরিপাটি,সারা খাটে হাডুডু খেল্লে আলাদা কথা;)
    মোদ্দা কথা,চটকানো বিছানা শোবার ভঙ্গীর উপর নির্ভর করে- একাই শোয়া বা দোকা।।
  • VB | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৪১36366
  • দেয়ালে ঠেসে ধরা ঠিক না, এতে কাইন্ডনেসের অভাব ও ভায়োলেন্সের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। ঃ-)
    এতো ক্রাইম সিরিজে থাকে, দেয়ালে চেপে ধরে গলায় ছুরি ধরে ভয় দেখাচ্ছে। ঃ-)
  • nina | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৪১36367
  • সেতো বাথটব সবচেয়ে ভাল--ঃ-))
    কিন্তু বিছানা ও লাগে --এবং যদি লাগে
    টা টা টা টা
  • nina | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৩৯36365
  • একক
    তোমার তো আবার মাথায় কত কি লাফায় সেদিন বলছিলে---তো তোমার দেয়াল কি টেবিলই ভাল--
  • pipi | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৩৮36362
  • ভাবতে ভাল লাগে ক্লান্ত ধ্বস্ত হয়ে বাড়ি ফিরছি। ঘরের দরজা খুললেই নাকে এসে লাগবে একটা মিষ্টি গন্ধ, চারদিক ঝকঝকে তকতকে, যেখানকার জিনিসটি সেখানে। উইণ্ডো সিলে লতিয়ে উঠা আইভি, বারান্দা আলো করা একঝাঁক ফুলকলিরা আর একতা রকিং চেয়ার, বেডরুমে গেলে টানটান করে পাতা নিভাঁজ চাদর, দেখলেই মনে হবে শরীরটা ছেড়ে দেই - বড্ড লোভ হয় এমন একটা চিত্রকল্প কথা ভেবে। চেষ্টা করি খুব এমনটি রাখতে কিন্তু পেরে উঠি না। হয় সময় না হয় ক্লান্ত শরীর মন নয়তো ল্যাদ বিট্রে করে। অথচ ভারী লোভ হয় এমনটি পেতে।
  • nina | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৩৮36363
  • দেখেছ--যাই যাই করছি আর সেঁটে আছি---
    অক্ষ
    কেন গেয়ে দাও না---আড়াল করে
    নয়ন সরসি কেন ভরেছে জলে
    কত কি রয়েছে লেখা কাজলে কাজলে --

    মিঠু
    বিছানা দুই প্রকার---
    ভার্জিন এবং নন-ভার্জিন
    প্রথম প্রকার না তুলেও হয়ত চলে
    কিন্তু দ্বিতীয়টি?
    দ্বিতীয়টি--সেটি হল ইন্টু মিন্টু

    এরপর বাকিটা মামুরে জিগাও--এবার আমি না গেল এ চলবেই না
  • | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৩৮36364
  • মাতু মা, বলে ফেলো, কান পেতে রয়েচি।
    বয়ফ্রেন্ড উর্ফ চোর কে রাতে ছাতাপেটার গপ্পোটাও তো বল্লে নি!
  • a x | ১৬ আগস্ট ২০১২ ০১:৩৭36360
  • বাহ! বেশ মানে তো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত