এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিকি | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:৪১364620
  • পাই একটু ফেবুর মেসেজ ইনবক্স দেখো।
  • aranya | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:৩৮364619
  • বিবিধ আউট অব ফোকাস, ডালপালা ছড়ানো,অর্থহীন পোস্ট নিয়ে কিছু আর বলার নেই, তবে এলিটিজম আর ব্যক্তি আক্রমণ চোখে পড়লে এবং হাতে সময় থাকলে তার প্রতিবাদ করব, এবং না রেগেই (এইসব ভাট নিয়ে রেগে যাওয়া খুবি মুশকিল) করব, এ আমার দৃড় অঙ্গীকার।

    কেউ আবাপ এবং শীর্ষেন্দু-র উল্লেখ দেখলেই রে রে করে তেরে আসবেন, কেউ এলিটিজম-এর প্রতিবাদ করবেন - যার যা চয়েস আর কী

    শীর্ষেন্দু ও মতি নন্দী-র জনরার সাথে তুলনীয় কোন বাংলা কিশোর উপন্যাসের নাম এখনো পেলাম না, পাব বলেও মনে হয় না। তার বদলে রূপকথা, ক্লাসিক, বিশ্বসাহিত্য ইঃ আসতে থাকবে - এই তো জীবন, কালি-দা
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:৩৫364618
  • ডিসি জানো, ওয়ান লাস্ট টাইম, আমার স্চ বলে যিনি লেখেন, তার রাগী আর আর্বান সিস্টেম নিয়ে নানা তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট একটু সাজালে আর রাগ কমালে ভালো ডিসটোপিয়া হবে বলে মনে হয়, অনেক কেই সম্ভাব্য ঔপন্যাসিক বলে মনে হয়, এটা একটা একা একা খেলা ঃ-))) ;-)
  • 4z | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:২৩364617
  • সে স্টলম্যানই আসুক বা এলিয়ট বা আচেবে এক ক্রেটের বশি গিনেস অফার করা সম্ভব নয় :D
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:২১364616
  • ;-) গুড উইকেন্ড ঃ-)))
  • চাপ কিসের | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:২০364615
  • আনন্দমেলা বা ক্যাপ ফাটানোহীন ছোটবেলা বা এসেফাইহীন কলেজজীবন থাকতেই পারে তো।
  • dc | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:১৮364613
  • *হনুদার জন্য
  • dc | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:১৮364614
  • এনিওয়ে, হনুদার একটা ছোট্ট গল্প (আগে পড়ে থাকলে সরি)

    A master was explaining the nature of Tao of to one of his novices. “The Tao is embodied in all software - regardless of how insignificant,” said the master.

    “Is the Tao in a hand-held calculator?” asked the novice.

    “It is,” came the reply.

    “Is the Tao in a video game?” continued the novice.

    “It is even in a video game,” said the master.

    “And is the Tao in the DOS for a personal computer?”

    The master coughed and shifted his position slightly. “The lesson is over for today,” he said.

    তো ক্যাপিটালিজম অনেক কিছুতেই আছে, কিন্তু শীর্ষেন্দুতে কি আছে? :p
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:১৭364612
  • না পড়ার সার্মন কেউ দেয় নি। যে লেখা গুলো বললে, সে গুলো কে বরং মেটানাইমি খানিকটা বলা যায়, কারণ সেগুলো স্টেট এর সমালোচনা ছিল না, অর্গানাইজ্ড ডিসেন্টিং পলিটিক্স এর সমালোচনা ছিল এবং ছিল ব্যক্তিগত অনাচারের আর স্বাধীনতা অর নারীর বাসাবাঁধার স্বপ্ন কে সমর্থন করে, এতটাই এলেবেলে, যে তাকে স্টোলমানের আনার্কির সম্মান দেওয়া যায় না যেটা বাই ডেফিনিশন মিলিটারি ইনডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স এর ক্রিটিক। এটা যে কি করে স্টলমান দ্বারা জাস্টিফায়েড হয়, সেটা বুঝতে এক ক্রেট গিনেসেও হওয়া মুশকিল। যাক ছাড়ো। কে যে বেশি জগাই এটা একমাত্র দমু ই বলতে পারবে। তার মতে, দুজনেই মাথামোটা সিপিএম হওয়ায় দমু নিরপেক্ষ হবে আশা করা যায়, কচুবনে দু ভাই যেতে পারবো ;-)
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:০৭364610
  • দ্যাট মে বি আ বিট হার্শ, (মানে আমার এত বাজে কথা বলার পরে মেটানাইমি/ইন্স্ট্রুমেন্ট/অবভিয়াস মেটাফর কে হার্শ বলাটা হাস্যকর হলেও) সিম্বল অব্দি ঠিকাছে ;-)
  • 4z | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:০৭364611
  • মাত্তর এক পাত্র গিনেসে হনুদার কি হবে? এক ক্রেট হলে না হয় কথা ছিল।

    ডিঃ মঃ
  • dc | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:০৫364609
  • হনুদা মাইরি বলছি এই আলোচনাটা শীর্ষেন্দুর সাপেক্ষে করে একেবারে মাঠে মারা যাচ্ছে। হি ইস টু ইনসিগনিফিক্যান্ট আইদার ওয়ে ঃ) ওনার কিছু কিছু লেখা খুবই ভালো, একটা অদ্ভুত সারিয়ালিজম আছে যেটা অন্য কারুর লেখায় সেভাবে নজরে আসেনি, অথচ সেটা হাই ফ্যান্টাসিও না। এটুকু ছাড়া ওনাকে নিয়ে ডিসকাস করার আর কিছুই নেই।

    বরং ডিসটোপিয়ান সোসাইটি, সাইবারপাংক বা অল্টারনেটিভ হিস্টোরি জেনারকে ক্রিটিসাইজ করলে কিন্তু তর্ক করার প্রচুর মশলা পাবে ঃ) শুধুমাত্র নিউরোম্যান্সার আর তার পুরো সিম্বলিজম নিয়ে সারা রাত তর্ক করা যায়। বা ধরো ব্রুস স্টার্লিং। এদের কাছে শীর্ষেন্দু কে?

    টলকিয়েন পোস্ট ইনডাস্ট্রিয়ালাইজেশানের খুব বড়ো প্রোপোনেন্ট ছিলেন, কিন্তু সেটার ওভারল কনটেক্সট বামপন্থার বাইরেই (বিপরীতে যদি নাও হয়)।
  • Alcyoneus | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:০২364608
  • পুরোটাই আনন্দ/আনন্দবাজার এবং বিগ মিডিয়া নিয়ে। আনন্দ বাংলা লেখালেখির স্পেসে মনোপলি ঢুকিয়ে শ্রী শ্রী ১০৮ করেছে, বাংলা বানানের মাগঙ্গা বইয়েছে, এবং ইনটেনশনালি বামপন্থার ওপর কাঠি করেছে - এসব সত্ত্বেও না পড়ার সার্মন আর আয়রন কার্টেনের মধ্যে বিশেষ তফাত আমার কাছে নেই। মনোপলি যেমন "নলেজ শুড বি ফ্রী"-এর পরিপন্থী, সার্মনও তাই। আইডিয়ালি তর্কটা হওয়া উচিত নলেজ যদি ফ্রী হবে তো পয়সা দিয়ে কিনবো কেন, যদিও তার উত্তর স্টলম্যানই দিয়েছেন - ইট ইজ নট ফ্রী বীয়ার।

    আর এত কুকীর্তি সত্ত্বেও উত্তরাধিকার, কালবেলা, পূর্বপশ্চিম, দেখি নাই ফিরে, সাগিনা মাহাতো গোছের লেখা সেই 'দেশ' এই পড়া। এখন এগুলো পাতে দেওয়ার যোগ্য কিনা সে আলাদা প্রশ্ন।

    আরেকবার বলি - আনন্দমেলা ছাড়া বইয়ের তাকের অস্তিত্ব এবং ভালত্ব কেউ অস্বীকার করেছে বলে মনে হয় না।

    আমি ইদানিং তর্ক করি না, ইউজলেস এক্সারসাইজ। কিন্তু হনুকে বহুবছর চিনি। চাট্টি এলোমেলো তর্ক করে নিজের আর সকলের শুধুমুধু ঝাঁট জ্বালাচ্ছে বলে এই নিয়ে আমার লাস্ট পোস্টটা করলাম।
  • Arpan | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:০১364607
  • নো চাপ। ফ্রাইডের বাজারে আর চাপ নিও না। দেখা হলে কথা হবে।

    এই নাও, এক পাত্তর গিনেস খাও। আমিও আর একটু পরেই কাটব। ঃ)
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২০:০০364606
  • অর্পন, আর ভালো লাগছে না রে, ডিটেলে যাছি না। সত্যি ই করেছিল। সমস্যা দুটো, কিশোর কনজিউমর ক্যাটিগোরির প্রয়োজন আছে না নেই, আর দ্বিতীয় হল, যদি থেকে থাকে, তাহলে কি কাজ হয়েছিল। আমি কিছুটা দমু কে লেখা পোস্টে বলেছি। দেখা হলে কথা হবে। আমাদের মধ্যে ইন্দ্রানীদির খিদিরপুরের বাসা সংক্রান্ত লেখায় সম্ভবত কিছু ডিরেক্ট রেফারেন্স পাবি। নইলে দেখা হলে হবে। একটা প্রচেষ্টা হয়েছিল,
  • sinfaut | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:৫৯364605
  • মানে শীর্ষেন্দু বিকেম আ মেটোনাইমি অফ আনন্দ্বাজারীয় কালচারাল এগ্রেসন।
  • dc | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:৫৩364604
  • এবার আমার লিস্ট ঃ)

    ১। লুডলামঃ
    দ্য বোর্ন আইডেনটিটি
    দ্য রাইনম্যান এক্সচেঞ্জ

    ২। ফরসাইথঃ
    দ্য ডে অফ দ্য জ্যাক্যাল
    ওডেসা ফাইলস
    দ্য ফোর্থ প্রোটোকল
    দ্য ডেভিলস অলটার্নেটিভ
    দ্য নেগোশিয়েটর
    দ্য শেফার্ড
    দ্য ভেটারান (কালেকশান)

    ৩ লে কারঃ
    স্মাইলি সিরিজ (বিশেষ করে টিংকার টেলার আর অ্যান অনারেবল স্কুলবয়)

    ৪। গ্রাহাম গ্রিনঃ
    দ্য হার্ট অফ দ্য ম্যাটার
    আওয়ার ম্যান ইন হাভানা
    দ্য কনফিডেনশিয়াল এজেন্ট
    দ্য টেনথ ম্যান

    ৫ মার্টিন ক্রুজ স্মিথঃ
    গোর্কি পার্ক
    হাভানা বে
    (এই দুটো আর্কেডি রেংকো সিরিজের পার্ট, এগুলো অবশ্য স্পাই এর থেকে বেশী ডিটেকটিভ গল্প। আর্কেডি রেংকো সিরিজের অন্য গল্পগুলোও ভালো)
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:৫০364602
  • ডিসি, বামপন্থী কালচারের বিরুদ্ধে লিখে ভাল করেছেন টায় মজা পেলাম। অন্তত একটা রেকগনিশন হল, যে শীর্ষেন্দুর লেখা শুধু অপাপবিদ্ধ পুজো ও ছোটোবেলা ছিল না, ইনোসেন্স ডায়েড বিট বিফোর ১৯৭৫ ইন বেঙ্গল।

    দ্যাখো আমি লেখার মত, পাঠেও নিরীক্ষার পক্ষে সওয়াল করছি। আমি ধরো গোর্কি/শলোকোভ/আইতামোভ পড়া লোক, এরা সোভিয়েট স্টেটের পক্ষে, তো আমাকে সোভিয়েত স্টেট সম্পর্কে গ্রোসমানের হাহাকার, বুল্গাকভ এর স্কফিং, মান্ডেলস্টামের অথরিটি সম্পর্কে ছিছিক্কার, জিভাগোর প্রি বলশেভিক মানবতার স্মৃতিচারণ, আখতামোভার স্পিরিচুয়ালিটি, সোলঝেতেনেত্সিনের গ্রাফিক গুলাগ বর্ণনা, ইলিয় এরেন্বুর্গের ডিসেকশন, বহুমিল হ্রাবাল এর তীব্র শ্লেষ, ইশমাইল কাদারের প্রায় ব্রাত্য বসু মার্কা বাম বিরোধী পোস্টার আবার অদ্ভুত ইউরোপীয় একাকীত্ত্ব পড়ার কষ্ট টা করতে হয়েছে, স্বপ্নের মৃত্যু র সাক্ষী থাকার বিনিময়ে। তো দক্ষিন পন্থীরা নিজেদের প্রশ্ন করছেন, পুজো বা ইনোসেন্সের স্মৃতি নিরপেক্ষে, এ খবর পেলেই, আমার পোস্টের দৈর্ঘ্য এমনি ই কমে যাবে ;-) এই যে কেশি দা, সোরোকিন পসন্দ করে না, কারণ রেগে আছে, রাশিয়ার ক্ষেত্রে ওভার ফোর্টিফায়েট ভবিষ্যত শুধু ডিস্টোপিক না, অতীত ও ডিসটোপিক, তাতে হয়তো নিশ্বাস নিতে পারেনা, কষ্ট পায়।

    তবে টোলকিয়েনের মোটিভেশন ঠিক রাইট লেফট বলে আমার মনে হয় নি, একটা পোস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজ্ড সোসাইটি তে একটা অ্যামনেসিয়া আক্রান্ত সমাজে একটা মিথোলোজির ফাউন্ডেশনাল মিথ তৈরীর প্রচেষ্টা মনে হয়েছে।
  • Arpan | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:৫০364603
  • "তো যাই তোক শুধু ব্যক্তিগত ট্যালেন্ট এর গল্প না, টীন এজ কে একটা কনজিউমার ক্যাটিগোরি হিসেবে দেখা এবং একটা বৈচিত্র হীন, ইনসুলার রিডিং এক্সপেরিয়েন্স তৈরী করা, তাতে বুক অফ নলেজ এর মত করে মাঝে মাঝে তথ্য ঢোকানোর ক্লান্তিকর প্রচেষ্টা টা থাকলেও হত, তাও নেই, যেটা আছে, সেটা হল চিন্তাহীনতার প্রমোশোন।"

    বুঝলাম না। আবাপ গ্রুপের অ্যাম্বুশ মার্কেটিঙে যেসব পত্রিকা উঠে গেছিল (হনু নিজেই কিছু নাম কিছু মেনশন করেছিল) সেগুলো কি সত্যি বিষয় বৈচিত্রে ভরপুর ছিল বা চিন্তাশীলতার প্রমোশনে কাল্ট কিছু কাজ করেছিল?

    উদাহরণ দিলে ভালো হয়।
  • b | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:৪৫364601
  • খাইচে। আমার কি হবে? ইস্পাত আর পটাশগড়ের জঙ্গলে দুটৈ ভালো লাগে। মাস্টার অ্যান্ড মার্গেরিটা আর হ্যারি পটার-ও ভালো লাগে, যদিও প্রথমটি পড়ি নাই (তাতে কি?)। আমার রাজনীতি কোথায়? জীবনদর্শন কোথায়? অ হনুদা। অ ডিসিদা। অ মেজপিসিমা।

    বিটি ডব্লু, ডিসি মনে হচ্চে ডিপ ওয়াটার ফিশ, যতই উনি শফরী হিসেবে নিজেকে প্রতিপন্ন করার চ্যাষ্টা করুন না কেন।
  • dc | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:৪১364600
  • তবে এই পুরো আলোচনাটায় শীর্ষেন্দুর বোধায় সেরকম কোন ইম্পর্ট্যান্সই নেই। বা সেরকম কোন সিগনিফ্ফিক্যান্ট কনট্রিবিউশানই নেই। শীর্ষেন্দুকে বাদ দিয়েও অনায়াসে করা যায়।
  • Alcyoneus | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:৪০364599
  • এবার পুরোপুরিই সেই নবযুবকদ্বয় আর বয়স্ক নেতার গপ্পোটা ফুটে উঠেছে।
  • dc | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:৩১364598
  • হনুদার পোস্টটা পড়তে খুব ভাল্লাগলো, কারন গতকাল থেকে ঝোপের চারপাশে লাঠি চালিয়ে অবশেষে এই পোস্টটায় পেরেকের ওপর লাঠিটা পড়লো ঃ)

    সাহিত্য আর রাজনীতির গভীর সম্পর্ক আছে, একেবারে ভয়ানক সত্যি কথা। সাহিত্য, রাজনীতি আর জীবনদর্শন তো একেবারে হাত ধরাধরি করে চলে। আর এর মধ্যে তো প্রোপাগান্ডা আছেই। আর ঠিক সেই কারনেই তো আমাদের মতো পাঠকদের জন্যও শীর্ষেন্দুর যে কয়েকটা গল্প পড়তে ভাল্লাগে সেগুলো দরকারই (যদিও ঐ কয়েকটা লেখার মধ্যে পুরো তর্কটা টেনে আনলে ভয়াবহ ওভারসিম্প্লিফিকেশান হয়ে যায় কারন ঐ কয়েকটা গল্প জাস্ট একটা সিম্বলিক ব্যাপার)। আমার যেমন প্রথম থেকেই (যবে থেকে বুঝতে শিখেছি) বামপন্থা ফালতু লাগত, যার ফলে তখনকার বামপন্থী লেখক বলে যাঁরা পরিচিত ছিলেন, যেমন মহাশ্বেতা ইত্যাদি, তাঁদের একটা লেখাও পড়েও দেখিনি। আর ঠিক এই কারনেই আমার লুডলাম ইত্যাদি পড়তে ভাল্লাগতো, ইপক্রেস ফাইল বা থ্রি ডেজ ওফ কন্ডর টাইপের সিনেমা দেখতে ভাল্লাগতো। এটা জেনেই যে এগুলো কিছুটা কোল্ড ওয়ারের সময়কার ওয়েস্ট এর প্রোপাগান্ডার অংশ। এখন এরকম এক্সপেক্ট করা তো ঠিক না যে বাংআলি হলেই তাকে লেফট ফিলজফিতে সাবস্ক্রাইব করতে হবে, আমার মতো ফ্রি মার্কেটিয়ার আর বাজারপন্থী লোকেরা তাহলে যাবে কোথায়? আমাদের মতো পাঠকদের তো ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিভিলাইজেশান ভালোই লাগে, সেইজন্য টোলকিয়েনের সারিয়ালিজম বা ঘোস্ট ইন দ্য শেল বা মেট্রিক্স টাইপের সারিয়ালিজম তো খুবই প্রিয়। তো সেসব দিক দিয়েও তো শীর্ষেন্দু সেইসময়ের পবর বামপন্থী কালচারের বিরুদ্ধে লিখে আমাদের উপকারই করেছেন (যদিও এতো বেশী ক্রেডিটও ওনার একেবারেই প্রাপ্য না)।
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:২০364597
  • শুধু আমি নই, আরো এক দুজন মত প্রকাশ করেছেন, কিশোর সাহিত্যের আগেই মানুষের ক্লাসিক্সে গমন হলে ভালো হয়, তবে তা এলিটিস্ট হয় কিনা, জঘন্য হয় কিনা, পাঞ্চিং অ্যাবভ ওয়েট হয় কিনা, বেশি তাড়া তাড়ি অ্যাডাল্ট হওয়া হয় কিনা সেটা আবার ভালো কিনা এসব তো জাজমেন্ট।

    বাই দ্য ওয়ে, ইশান, আয়রনিকালি, মনে পড়ে গেল, বার্নির র যুগের বাচ্চাদের প্রসঙ্গে, আমার মেয়ে এইচ ইস ফর হক, খুব এনজয় করেছে তোরা দেখতে পারিশ।
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:০৮364596
  • একটা লাইন মিস হয়েছে, ইশান বেশি কথা আজকাল বলে না, যে কোনো কারণেই হোক, হয়তো আমরা অনেকেই তার ক্লান্তির কারণ। তবে সে এই প্রসঙ্গে অথবা পূর্বাপর বক্তব্যে সাহিত্যমান গঠনে আগ্রহী বড় মিডিয়া প্রতিষ্ঠান কে খুব অ্যাপ্রুভ করে এসেছে বিশেষত তাদের কোয়ালিটিতে মুগ্ধ হয়ে, সেটা আমার জানা নেই। হতে পারে, তবে এখনো লিখিত সেরকম কোন এভিডেন্স নাই। থাকলে এই স্পেস তৈরী হত না। অতএব এটা ব্যক্তিগত ট্যালেন্ট দৈর্ঘ্য ইত্যাদির ইসু না।
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৯:০০364595
  • name: aranya mail: country:

    IP Address : 154.160.5.102 (*) Date:09 Sep 2016 -- 09:14 AM

    "রাড়বঙ্গের ভাদুগান শোনা কিশোরের লিস্টিটা, যা প্রায় সবই শিশুকালে পড়া, দেখে বেশ মজা পেলাম ঃ-)। শীর্ষেন্দু বা মতি নন্দীর কিশোর উপন্যাসের যা জনরা, তার সাথে আরব্য রজনী, বিবিধ রুপকথা, দক্ষিনারঞ্জন-এর ঠাকুরমার ঝুলি ইঃ মূলত শিশুপাঠ্য রচনার তুলনা খুবই সুইট এন্ড টাফ হবে, সন্দেহ নেই।

    আনন্দমেলা আশির দশকেরও আগে, পাক্ষিক আমেলা প্রথম বেরোতে শুরু করে বোধায় ১৯৭৫-এ। আবাপ গোষ্ঠী একটি আদ্যন্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান - বাজার ধরার জন্য অনেক পাপ কাজ নিশ্চয়ই করেছে, কিন্তু তাদের পত্রিকায় যারা লিখতেন, তারা সবাই নিজেদের মস্তিস্ক বাঁধা রেখেছিলেন এবং শুধুই ফরমায়েশী লেখা লিখতেন - এমনটা ভাবার কারণ নেই। সাগরময় ঘোষ (দেশ), নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী (আমেলা) সম্পাদক হিসাবে বেশ ভাল কাজ করেছেন এককালে, জহুরীর দৃষ্টি কিছুটা তাদের ছিল। শীর্ষেন্দু, মতি নন্দী, সুনীল, সমরেশ বসু, বিমল কর ইঃ যারা আমেলা-য় লিখেছেন - তারা, ঈশানের ভাষায় বেশ দীর্ঘকায় মানুষ, - শুধু বাজারী পত্রিকায় লেখার অপরাধে তাদের ট্র্যাশ করা কোন কাজের কথা না।

    আবাপ একটি বাজারী পত্রিকা - তাতে লেখা মহাপাপ, আর এইসময় - যা আর একটি বিজনেস গ্রুপ টাইমস-এর পত্রিকা, তাতে লেখা কেন জায়েজ - সে কঠিন প্রশ্নেরও উত্তর নেই

    যাই হোক, এ সবই ঠিক আছে। যা ঠিক নেই, তা হল টি সম্পর্কে স্মাইলি সহ মুক্তার মত এই কমেন্ট-টি -
    'কারণ যা এভিডেন্স পাওয়া গেল তাতে তো এ বিষয়ে মিনিমাম যোগ্যতা আছে বলে ভরসা হয় না'

    - দেখ বাপু, রিডিং লিস্ট দাও, টি না পড়ে থাকলে পড়ে নেবে, কিন্তু এই জঘন্য, ন্যক্কারজনক এলিটিজম - এ জাস্ট নেওয়া যায় না। অন্য মানুষ সম্বন্ধে জাজমেন্ট দেওয়া বন্ধ করে বিষয়ে ফোকাস করলে ভাল হয়"

    অরন্যর সঙ্গে এনগেজ করেই ফেলি। সত্যি সত্যি তো আর কোন শত্রুতা নেই।
    প্রথমতঃ আমি জঘন্য ন্যক্কারজনক এলিটিস্ট তো বুঝলাম, কিন্তু আমি যা পড়তে কৈশোর পর্যন্ত পড়তে সময় নিয়েছি, সেটা অরন্য সিশুকালেই পড়ে ফেলেছে, এই মানবদরদী বক্তব্যে ঋদ্ধ হলাম। অসুবিধে নেই, এগুলো অ্যাকচুয়ালি ক্যাজুয়াল রাগবি বয় ব্যান্টার, আসে এবং ফেরৎ যায় অসুবিধে নেই, দেওয়া নেওয়া ঠিকাছে। কান্নাকাটি না করলেই হল।

    আনন্দবাজার গোষ্ঠীর কাছে ধরে নেওয়া যাক কেউ ই মস্তিষ্ক বাঁধা রাখেন নি। কেনই বা রাখবেন। ধরে নেওয়া যাক একটা ভলান্টারি এগ্রিমেন্ট। কিন্তু দুটো তিনটে জিনিস অরণ্য এড়িয়ে যাচ্ছে। এক আনন্দ বাজার গোষ্ঠী তীব্র ছাত্র যুব আন্দোলনের তীব্র বিরোধিতার পরে, রাজনীইতিহীন বই পত্তর কিশোর বা ধরে নেওয়া যাক উজ্জ্বল শিশু দের মনে প্রভাব ফেলার জন্য কেন একটা আলাদা প্রকাশনা শুরু করছে। সে রাজনীতি নিয়ে হা হুতাশ থাকুক বা না থাকুক, এই প্রকশানা প্রস্তাব টা যে সাহিত্য ও রাজনীতির গভীর সম্পর্কটা র দিকে ইংগিত করে সেটা সকলের ই শিশুকালেই বোঝা উচিত। কৈশোর অব্দি অপেক্ষা নইব নইব চ।

    এবার শুধু বাজারী পত্রিকায় লেখার অভিযোগে কাউকেই ট্র্যাশ করা হয় নি, এটা ভেবে নিতে অসুবিধে নেই, আর্থিক নিরাপত্ত দিয়ে পেশাদারী ভাবে আনন্দবাজার তাঁদের প্রতিষ্ঠান চালিয়েছেন, কিন্তু কোন দিকে চালিয়েছেন তার রাজনইতিক অভিমুখ আর পাঁচটি শুধুই সংবাদসংস্থার মত কিনা সেটা নিয়ে বিশেষ দ্বিমত এর জায়গা নেই।
    আমার সমস্যাটা শুধু সেই রাজনীতির অভিমুখ নিয়ে না, অন্য পাঁচটা স`বাদপত্র র থেকে তার পার্থক্য ছিল, সাংস্কৃতিক প্রোডাকশন কে মোনোপোলাইজ করে নিরীক্ষামূল সাহিত্যকে অ্যাম্বুশ মার্কেটিং করে সরানো, এটা তারা করেছে। তো তাতে আজকের ইকোনোমি তে দড় লোকের অসুবিধে নেই, আমার ও নেই, তবে তাকে সাহিত্য না বোলে মার্কেটিং বললেই ভালো হয় এই আর কি।

    এবার প্রতিষ্ঠান বনাম ছোটো পত্রিকা, বা অযত্নে অপঠিত ট্যালেন্টেড সাহিত্যিক ইত্যাদির ইসু নেই, নেকু হাইপোকন্ড্রিয়াক বা লাজুক লোকের সংখ্যাও কম নেই রোগা কবি দের জগতে তবে অনেক লেখক ই আছেন, হাইপোকন্ড্রিয়াক, লাজুক, রাজনইতিক ভাবে উচ্চকিত না হয়েও সব সময়ে নিজেদের একমাত্র ভেহিকল হিসেবে আবাপ কে বেছে নেন নি, যে খানে জীবন যাত্রার সুবিধে অসুবিধে নিরপেক্ষে। বড় থেকে ছোটো। কেন নেন নি অনেকেই, সেটা কি সে প্রতিষ্ঠানে টিকতে গেলে সাইকোফান্সির প্রয়োজনীয়তার দিকে ইংগিত করে? কানাঘুষো শুধু না, অনেক লিখিত স্মৃতি চারণ ও তাই, বিরক্ত রা শুধু বামপন্থী নন।

    তো সংস্কৃতি কে একটা ইনডাস্ট্রিয়াল প্রোডাক্ট হিসেবে দেখা, এটা বিংশ শতকীয় একটি পদ্ধতি, প্রোপাগান্ডা মেশিনারি হিসেবে শুরু, কিন্তু তার পরে ব্যাব্সায়িক ও রাজনইতিক প্রোপাগান্ডার মেশিনারি হিসেবে ব্যবহৃত। ব্যাকগ্রাউন্ড রিডিং করতে বললে লোকে রেগে যায়, কিন্তু এটা জানার তো আর কোন পদ্ধতি নেই, অথবা বয়স শ দেড়ে হতে হয়। তো তাতেও আপত্তি থাকতে পারে, জানা নেই।

    তো কিসে বোঝা গেল নীরেন্দ্রনাথ সম্পাদক হিসেবে বেশ ভালো কাজ করেছেন, বাই হোয়াট এভিডেন্স, তো এই ডেফিনিটিভ স্টেটমেন্ট এর ভিত্তি কি, এটা খুব সম্মান দেওয়ার মুডে থাকলে আমরা চয়েস বলতে পারি। যে সাহিত্যে ছোটো দের লেখক হিসেবে অন্নদাশংকর আছেন, শংখ্ক ঘোষ আছেন, লীলা মজুমদার আছেন, মহাশ্বেতা আছেন, যাঁরা বৈচিত্র কিছু কম দেন নি, তাতে আনন্দমেলায় অ্যাসেম্বল্ড লোকের গুরুত্ত্ব আপেক্ষিক। তো যাই তোক শুধু ব্যক্তিগত ট্যালেন্ট এর গল্প না, টীন এজ কে একটা কনজিউমার ক্যাটিগোরি হিসেবে দেখা এবং একটা বৈচিত্র হীন, ইনসুলার রিডিং এক্সপেরিয়েন্স তৈরী করা, তাতে বুক অফ নলেজ এর মত করে মাঝে মাঝে তথ্য ঢোকানোর ক্লান্তিকর প্রচেষ্টা টা থাকলেও হত, তাও নেই, যেটা আছে, সেটা হল চিন্তাহীনতার প্রমোশোন।

    বললাম ট কে, লাগলো অরন্যর, সাহিত্য সমালোচনা পাঠের রিডিং লিস্ট চাইলাম, আমার কাছে রিডিং লিস্ট চাইতেই চাইতেই তাতে রেগে গেল অরন্য। বেশ মজার ব্যাপার। আনন্দমেলা হীন ছোটো বেলা যে থাকতে পারে, সেই স্মৃতি কথনের পরে। বিশয়ে ফোকাস আগে পরে করা হয়েছে। কিশোর সাহিত্য জিনিসটা যে একটা ইনডাস্ট্রিআল কালচারাল প্রোডাকশন, সেটা একা আমি না একাধিক লোক বলেছেন, কেন কনজাম্পশন কালচারের সঙ্গে এর বিশেষ পার্থক্য নেই, সেটাও বলা হয়েছে। ডিটেলে অরিজিত ও দমুর সঙ্গে কিছুট ট আর স্যন এর সঙ্গে রোবুর কিছু টা বলেছি।

    'ইশানের ভাষায়' ইত্যাদি বলে এভিডেন্স আলাদা দরকার ছিল না, এরা দীর্ঘকায় মানুষ, কিন্তু সেই দৈর্ঘ্যে ছেলে মেয়ে দের বিশেষ উপকার হয় নি, সবচেয়ে প্রতিভাবান সমরেশ বসু, আকাশের মত উচ্চতা বললেই কম বলা হয়, আদাব ইত্যাদি ভোলা সম্ভব না, কালকূট ও ভোলা সম্ভব না, কিন্তু সেই একই তালিকায় শীর্ষেন্দু আসেন কিনা, সমরেশ এর নিজেরি একাংশ আসেন কিনা জানা নেই। সবচেয়ে বড় মজাটা হল রাজনইতিক কারণেই এঁদের

    তো আগ্রহ থাকলে অরণ্য পড়ে দেখতে পারে। না পড়ে চেচামেচি করতে পারে, কেউ কেউ এগ্রিও করেছে পারশিয়ালি, অরন্যর অবশ্য এই পোস্টের পরে মন খারাপ ও করতে পারে, এমনিতে হয়তো সেন্সিটিভ মানুষ, আমি একটু ব্লান্ট বাস্টার্ড টাইপের লোক, এনগেজ করতে ইছে করে নি এই জন্যেই অরিজিনালি। তবে মানুষ এনগেজ করলেও খচে যায়, না করলেও অপমানিত হয় বুঝি না মাঝে মাঝে।

    অন্যান্য মন্তব্য ও করা হয়েছে, আমেলা রবাহুত ফ্যানএর সঙ্গেও এনগেজ করা হয়েছে। অসহ্য জঘন্য এলিটিজম ইত্যাদি বা ব্যক্তিগত ক্ষার ইত্যাদি তাতে ছিল কিনা অরন্যর বিচার করার ক্ষমতা নেই, মানে এভিডেন্স কিসু নাই, অন্য কেউ না করলেও চলবে, এলিটিজম এ ফিরে গিয়ে বলতে পারি, কান্ট গিভ বা ফিগ।

    অবশেষে আমার এই সময়ে লেখা সম্পর্কে একটা ডিগ। তো অনেক বড় মিডিয়া সংস্থায় বিশ্বাস বিশেষ আস্থা না রাখা লোকজন এই গরহিত কাজ টি করেছেন। তো করেছেন। বেশি মানুষের কাছে পৌছনোর জন্য তারা যা খুশি করতে পারেন, তাঁদের ব্যাপার। কিন্তু আমি একটা বিষয়ে ক্লিয়ার ফিকশন আমি বাণিজ্যিক জায়্গায় এখনো দি নি। সাংঘাতিক আগ্রহ নেই। রাজনইতিক লেখার উদ্দেশ্য রাজনইতিক প্রচার, সেটা প্রয়োজনে সি এন এন এও দেওয়া হবে। তবে একটা কথা মেনে নিতে অসুবিধে নেই, ট্যালেন্ট বেশি নেই, তাই সুযোগ অপেক্ষাকৃত ভাবে কম এসেছে। বাংলায় অন্তত টাইম্স অফ ইন্ডিয়া কে এখনো বাঙালি সাহিত্য পাঠের টেস্ট গঠন করার উদ্যোগ নিতে দেখা যায় নি, আর সেল্ফ পাবলিকেশনের আগ্রহ আমার এখনো নেই, ভবিশ্যতে প্রয়োজন হতে পারে তখন দেখা যাবে, যদিও অরন্যর কাছে অ্যাকাউন্টেবিলিটির কোন প্রশ্ন নেই।
  • cb | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৮:৫৭364594
  • এক কমেন্টে ম সবাইকে ছবি করে দিয়েছেন। সব চুপ :)
  • | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:৫২364593
  • একটা কথা ছোটবেলায় খুব শুনতাম, নানা কারণে লেখাপড়া সকলের নাও হতে পারে, কিন্তু ভদ্রতা,শিষ্টাচার ইত্যাদি শিখতে খুব একটা কষ্ট করতে হয় না।
    এপাতায় চোখ রাখলে আজকাল কথাটার অসারতা টের পাইঃ)
  • সিকি | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:৪৯364592
  • তিরিশ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন মদন মিত্র।
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:৪৫364591
  • অরন্য র বক্তব্য গুলো প্রত্যেকটাই পড়েছি, নোট ও করেছি। রেকগনাইজ করলাম। প্রশ্ন গুলো খুব ই সোজা। তবে উত্তর দিচ্ছি না, এনগেজ করার কোন ইচ্ছে নেই বলে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত