এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Robu | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৮:৩৮365610
  • সিকি ঃ-)
  • সিকি | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৮:৩১365609
  • "মধ্যদা" এবং "অল দ্যাট ম্যান ইজ" - এই যৌথ কম্বিনেশনে কি আরও হিনীর সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে না, টি?
  • T | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৮:১৮365608
  • রোবু প্রাচ্যদা বলেও সম্বোধন করতে পারত, কিন্তু করল না। মধ্যদা বেছে নিল। এরফলে কিছু হিনীর সম্ভাবনা সূত্র তৈরী হচ্ছে। ;)
  • robu | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৮:১৫365607
  • মধ্যদা - 'অল দ্যাট ম্যান ইজ' এর ইবুক পাঠাবেন?
  • T | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:৪৩365606
  • :)
    আমি ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করি তারপর আর সময় করে উঠতে পারি না। আর তারপর ভুলে যাই। এবার থেকে কিছু ইন্টারেস্টিং জিনিস্পত্তর পেলেই পাঠাবো। :)
  • Bratin | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:৩৯365605
  • মানে আমার একদন টা কেসির পোস্ট র ওঅরে হবে
  • Ekak | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:৩৪365604
  • থ্যাঙ্কু টি। অবসসই পড়বো। ওদিকে তোমার আগের দেওয়া লিংক টা ঘেঁটে ব্যাপক সব জিনিসপত্র বেরুচ্ছে !! :)
  • T | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:২৪365603
  • একককে স্পিকেবল এন্ড আনস্পিকেবল ইন কোয়ান্তাম মেকানিক্স রেকো করে যাচ্ছি। জন স্টুয়ার্ট বেল।

    দমদি, হ্যাঁ, ডিসেম্বরে যাবো।
  • Ekak | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:১৬365602
  • নতুন কিছু পাইনি, কিন্তু লেখন খন্ডে খন্ডে লিখছেন, আশা করি মুড়োটা ধরবেন কোথাও গিয়ে। আমি আসলে যেটা আশা করছিলুম যে, যন্ত্রের উদ্ভবের সঙ্গে সঙ্গে "চেতনা " শব্দের ই একটা পরিবর্তন ঘটেছে যেখানে একদম প্রথম যুগের চিন্তকরা মুগ্ধতার মধ্যে দিয়ে গিয়ে আমি যন্ত্র-তুমি যন্ত্রী তে আটকে জাচ্ছেন, এটার প্রভাব রাজনৈতিক চিন্তাতেও পড়ছে, এবার যন্ত্রের আরও ইভোলিউশন হচ্ছে, এবং, স্পেশালি পোস্ট কোয়ান্টাম তো বিজ্ঞান যেদিকে গ্যাছে, সাবেক দর্শন তার কোনো হদিশ না পেয়ে ফালতু পোমোচেতনার গাড্ডায় মুখ লুকিয়েছে, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বিজ্ঞান একইসঙ্গে শক্তিশালী ও বটে আবার খুব আনলিশড একটা পাওয়ার। তো এই জায়গা থেকে বিজ্ঞানচিন্তক রা কে ভাবেন এবং তাঁদের সঙ্গে রাজনীতি চিন্তক দের কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট এই মজাটা দেখতে পাবো আশা করেছিলুম। সেই জায়গাটা দেবব্রতবাবু এসে কিছু ইন্ট পাটকেল ছোঁড়ার পরে তৈরীও হচ্ছিলো ....মূল লেখায় অতটা রসদ না থাকলেও ...তো হঠাৎ দেখি রামকৃষ্ণগণ সদলবলে সেখানে সেই বাবা আদম কে জমানে কা চিন্তাভাবনা নিয়ে হাজির হয়েছেন ....কী আর বলবো।
  • Brarin | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:১৪365601
  • একদম
  • sch | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:০৯365600
  • আমি গান্ডু পাবলিক বেশী জানিও না, বুঝিও না - কিন্তু একক এপনি তো প্রচুর পড়াশোনা করেছেন - সত্যি করে বলুন তো ওই তিনখন্ডের বিজ্ঞান চেতনা লেখার মধ্যে কোনো মাল মশলা পেলেন?
  • Ekak | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:০৬365599
  • শ্চ

    বিজ্ঞানচেতনা নিয়ে লিখতে গিয়ে কেও রামকৃষ্ণ টানতে পারেন কারন প্রচুর বাঙালি পাঠক ওই আধো আধো ভূতভূতুম জিনিষগুলোকেই বিচার -জ্ঞান এইসব ভাবে। কিন্তু হ্যা। একবার নাম নিয়ে ফেললে লেখকের দায় বর্তায় পরিষ্কার করে বলে দেওয়ার কেন মডেল টা ভূতভূতুম এবং বৈজ্ঞানিক দৃষ্টির সঙ্গে যায়না। সেটা উনি করেন নি এবং বাকিরাও সেই সুযোগে এক ঘ্যানঘেনে হ্যাজ জুড়েছেন। পুরোটার ওপরেই বিরক্ত হয়ে লিখেছি।
  • kc | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৭:০৫365598
  • সেই চিকেনের ঠ্যাঙ দিয়ে রুটি খাওয়ার ফাঁকে অভ্যুকে না চিনলেও অভ্যুর গুরুজনকে মেসো ঠিকই চিনেছিলেন। জানুন এগুলো।
  • Abhyu | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:৫৮365597
  • মধ্যপ্রাচ্য না হোক, হানুমেসোকে কিন্তু আমি চিকেন খাওয়া দেখে চিনেছিলাম।
  • Bratin | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:৫০365596
  • মধ্যপ্রাচ্য হনুত্রাস টইতে তোমার ভান্ডা ফুঁড়ে দিতেছে

    আর দেবে নাই বা কেন?
  • de | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:৪৯365595
  • আমি সেই ২২ টা ফ্ল্যাট বুর্জ খলিফাতে আর মোটা গোঁপ দেখে ধরেই নিয়েছিলাম এ মধ্যপ্রাচ্যই হবেন - পরে কেরালাইট দেখে স্লাইটলি হতাশ হলাম ঃ)
  • robu | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:৪৮365594
  • ত্রাসে।
  • h | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:৪৭365593
  • মধ্যপ্রাচ্য কই?
  • de | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:৪৩365592
  • বাঃ, বেশ - রাজ সিনহা -
  • sch | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:৩৯365591
  • একক সমস্যা তো লেখকের - বিজ্ঞান চেতনা নিয়ে লিখতে গিয়ে হঠাৎ রামকষ্ণ টানার দরকার পড়ল কেন? একজন সাধু সন্ত ভক্ত টাইপের মানুষ হঠাত ভক্তিযোগ ছেড়ে বিচার করতে ইন্সিস্ত করবে কেন? তিনি তো দার্শণিক ছিলেন না। আজগুবি এক্সাম্পল আর ভুলভাল ডেটা দিয়ে লেখা লিখবে আর ক্লেম করবে বিজ্ঞান চিন্তা। কাজেই লোকেও গুঁজেদা হবে
  • একক | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:২৮365590
  • মাইরি এত বছর মিশনে কাটিয়েছি, সর্বর্ত্র রামকৃষ্ণ গোঁজার এরকম প্রবণতা মিশনেও দেখিনি। বিরক্তিকর লাগে একই জিনিস বারবার।
  • b | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:০৭365589
  • ফে বু তে পেলাম রাজা সিনহা (Raja Sinha) বলে একজন লিখেছেন
    পাঁচ। রাজা সিংহ

    ১। চক্ষু

    মেয়েদুটো কুঁকড়ে গেল একটু। তারপর হনহন করে পেরিয়ে গেল জায়গাটা। দুটো রাস্তার মাঝখানে এই গলিটা পেরলেই মেয়েদের কলেজ। বেশিরভাগ মেয়েই এই রাস্তায় শর্টকাট নেয়। তাড়াতাড়ি হয়। নইলে ঘুরে আসতে হয় অনেকটা। সামান্য একশ গজের গলিটা যেন দুঃস্বপ্ন গলি।

    তিনপাত্তি খেলতে খেলতে চোখ চমকায় বিশুর। চোখ তো রাস্তার দিকেই। কেলো আর লোটনকে দেখায় ইশারায়। দ্যাখ দ্যাখ মাল দ্যাখ রে। আহা আহা কি ঠাঁসা বুক মাইরি। ময়দার তালের মত ঠাসতে হয় এমন বুক, আহা রে। লোটন জিন্সের উপর থেকেই পুরুষাঙ্গে হাত ঘষে নেয় বার কয়েক। আজ তপু নেই, তাহলে জমে যেত আরো। মহেন মজুমদারের ছেলে ওরা। বেশ শক্ত গাছে ডিঙি বেঁধেছে বলেই ভয় নেই মোটে। বিকেল চারটে থেকে শুরু আড্ডাটা। কলেজ থেকে ফেরে মেয়ে গুলো। আহা কী সব ফিগার। বড়লোকেদের কলেজ, মেয়েগুলোর গায়ে যেন মাখন মাখানো। লোটনের চোখ মেয়েটার স্কার্ট পরা পা বেয়ে উঠতে উঠতে ভেতরে সেঁধোয়। ঠনঠনিয়ে ঘটি গরম যাচ্ছে। কেলো হাত মারে অন্যমনস্ক ভাবে। মাথায় কিলবিল করে মাখন বুক, কাধ, কোমর, পাছা।
    ‘সুরমা লাগাবেন চোখে।' তিনজনেই চমকে তাকায় লোকটার দিকে। দীর্ঘদেহ মুসলমান, সাদা লম্বা কুর্তা হাঁটু ছাড়িয়ে। একমুখ সাদা দাড়ি হাওয়ায় উড়ছে। চোখে গাঢ় সুরমা। 'সুরমা লাগাবেন? চোখ ভাল থাকবে সারাজীবন।' আবার শুধোয় লোকটা।

    বিশুই এগিয়ে এলো প্রথমে। ‘তা দাও দেখি লাগিয়ে তোমার সুরমা।‘ তার সাথে সাথে লোটন আর কেলো।

    লোকটা যত্নে তুলো দিয়ে চোখ মুছিয়ে দিয়ে, লোহার শলাকা দিয়ে বড় যত্নে সুরমা এঁকে দিল এক এক করে। তারপর সেই ছোট্ট কাঠের বাক্সটা খুলে তার ভেতর থেকে বার করে আনল ছোট্ট টিনের আয়না একটা। দিব্যি মানিয়েছে। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখল তিনজনেই। লোকটা চলেই যাচ্ছিল। চায়নি কিছুই। তবু বিশু জোর করে হাতে দশটা টাকা গুঁজে দিল। লোকটা হেসে আদাব জানিয়ে চলে গেল। এই প্রথম। ওদের কখনো কেউ আদাব জানায়নি কোন দিন।

    পরদিন তিনপাত্তি আড্ডা জমল জোর। কোনদিকে তাকাল না বিশু, লোটন, কেলো। পাশ দিয়ে হেঁটে গেল মাখন পেলব পরীর মত মেয়েরা। তারা ফিরেও দেখল না। মাথাই তুলল না কেউ। দ্রুত ছড়িয়ে গেল খবর। সারা দিন বার বার বহুবার গলি পেরোল মেয়েরা। ঝর্ণার মত সাবলিল হেসে। কলকাকলিতে গলিপথ ভরিয়ে। চকিত মুগ্ধ চাহনি ফিরল বুঝি বিশু, লোটন, কেলোর চোখে। সে দৃষ্টিতে কলুষ নেই আর। কখন যেন তাদের দৃষ্টি শুভ করে গেছে সবার অজান্তে।

    বৃদ্ধ বলেছিল, এ সুরমায় চোখ ভাল থাকবে সারাজীবন।

    ২। কর্ণ

    আজ বড় আমোদ। মুখিয়াজীর বাড়িতে নেতাজী লল্লন যাদব এসেছেন শহর থেকে। বড় ভারী নেতা। সাথে কত লোক জন। ভটভটিয়াই তো এল প্রায় গোটা বিশেক। দুধ সাদা গাড়ি থেকে, নেমে এলেন নেতাজী। পড়নে দুধ সাদা কুর্তা পাজামা। ধবধবে গায়ের রঙ। গাড়ি থেকে নেমে এগিয়ে গিয়ে খাটিয়াতে বসতে না বসতেই গায়ের রং গোলাপী পারা হয়ে গেল। কপালে বিনবিনিয়ে উঠল ঘাম। মুখিয়াজী ছুটে গিয়ে গামছা নিয়ে এলেন। কি অমায়িক মানুষ এই নেতাজী। সে গামছা দিয়েই মুছে ফেললেন কপালের ঘাম। ঘামেও কি সুন্দর গন্ধ। আশেপাশের চারটে গ্রাম থেকে লোক জুটেছে ভোর থেকে। তা হাজার খানেক তো হবেই সব মিলিয়ে। সব দলিত। দলিতদের গ্রাম এপাশে সব কটা। নেতাজী কথা বলতে লাগলেন ঘুরে ঘুরে। নাকে সিকনি, কোমরে ঘুনসি পেট ফোলা একটা বাচ্চাকে তুলে নিলেন কোলে। ফোটো উঠল খিচিক খিচিক। লালমনির মা কোঁচড় ভরে কুল এনেছিল। কোঁচর থেকে তুলে নেতাজী মুখে ফেললেন টপাটপ। পকেটে হাত ঢুকিয়ে বের করে আনলেন একগাদা টফি। বিলিয়ে দিলেন হৈ হুল্লোড় বাচ্চা গুলোর মধ্যে। মোড়ক খুলে পুরে দিলেন লালমনির মায়ের তোবড়ানো গালে। ফোকলা দাঁতে লালমনির মা আলহাদে গলে জল। আবার ঝলকানি খিচিক খিচিক। সভা হল সারাদিন। চারটি গাঁয়ের সব কটি ভোটের মুখ জবানী নিয়ে তবে গিয়ে মুখে জল দিলেন নেতাজী।

    এতক্ষন পর ডাক পড়ল ছেদিলালের। খানাপিনার শেষে সামান্য আমোদ। বড় আশ্চর্য কান ছেদিলালের। সেই ছোট্টবেলা থেকে। মাটির বুকে কান পেতে বুঝে যায় ঠিক কোথায় আছে মেঠো ইঁদুরের বাসা। না হলে সারা পাহাড় তলি চষে বেড়াতে হত আগে। কুকুরের মত কান উঁচিয়ে হাওয়ার আওয়াজ শুনে বলে দিতে পারে কত দূরে আছে আঁধী-তুফান। মাঝে মাঝে আমোদ করতে খেলা দেখায় ছেদিলাল। চোখ বেঁধে একশ গজ দূরে দাঁড়াবে ছেদিলাল। তারপর কোন কুটিয়ার ভেতর ছেঁড় একটা কাগজ কিংবা ফস করে জ্বালাও একটা শলাই কাঠি। ছেদিলাল খুঁজে এনে দেবে ঠিক কাগজ কিংবা কাঠির টুকরো। একটি বার মাত্র আওয়াজ শুনে।

    গুছিয়ে বসলে সবাই। নেতাজী আর তার সাঙ্গপাঙ্গ। একজন ছোকড়া চলে গেল একটা দূর কুটিয়ার মধ্যে। ছেদিলাল চোখ বেঁধে তৈরী এক্কেবারে। মুখিয়াজী দাঁড়িয়ে হাসি মুখে। হাসি মুখ ছেদিলালেরও। আজ রাতের খাওয়া মুখিয়াজীর বাড়িতে। চীনার দানা, বাথুয়া শাক আর ধুঁধুল ভাজা আর মহুয়া দহি, সঙ্গে বোঁদেও থাকবে নিশ্চই।

    শলাই কাঠি জ্বালিয়ে কুটিয়া থেকে তুরন্ত বেরিয়ে এল ছোকড়া। এক পা এক পা করে সবার ঠিকরানো চোখের সামনে বিল্কুল ঠিক কুটিয়ার সামনে এসে দাঁড়াল ছেদিলাল। দাঁড়াল কিন্তু ঢুকল না ভেতরে। তারপর সবাইকে অবাক করে ফিরে এল ভীড়ের মাঝে। সামনের সারিতে বসা আদুল গায়ে কচি কাঁচা কটি। তাদেরই কটার হাত ধরে দাঁড়াল নেতাজীর ঠিক সামনে। তারপর চোখের বাঁধন খুলে মাথা ঝুঁকিয়ে মৃদু ভীতু স্বরে বলল, “বড় খিদের শব্দ হুজুর এদের পেটে, অনেক চেষ্টাতেও অন্য কোন আওয়াজ কানে এল না।“

    ৩। নাসিকা
    অনাথবাবু গন্ধটা প্রথম পেয়েছিলেন একটা বিয়ে বাড়িতে। বউভাতের সন্ধ্যে। চারদিকে বেনারসীর খসখস। মেয়েলি সেন্টের গন্ধ। খাট জুড়ে রজনীগন্ধার ঝালর। সে খাটেই লাল বেনারসীতে বসে আছে কনে। হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়ের একটা বই উপহারে এনেছেন অনাথবাবু। গভীর মায়াময় গাঢ় কাজল চোখে নমস্কার জানল মেয়েটি। অনাথবাবু, ছেলের বাবার পার্কে হাঁটার বন্ধু। ভিয়েন থেকে ভেসে আসছে পোলাও আর ফিস ফ্রাইয়ের প্রাণ আকুল গন্ধ। আহা নাকের বড় কাজ এখানে। থেকে থেকেই গন্ধ বদল। গরদের পাঞ্জাবী আর কোঁচানো উড়ুনি গলায় অনাথ বাবুর বন্ধু, বরের বাবা আপ্যায়ণ করছেন অতিথিদের। তার পাশে দাঁড়িয়ে প্রথম গন্ধটা পেয়েছিলেন অনাথবাবু। বই পোড়া গন্ধ। কাগজ পোড়া নয় কিন্তু। বই বাঁধাইয়ের আঠা, রেক্সিনের বাঁধাই, সেলাই সুতো আর পুরোনো কাগজ একসাথে পুড়লে যেমন হয়।

    এ গন্ধ অনাথবাবুর চেনা। সিমলে স্ট্রীটের পুরানো এক লাইব্রেরীর প্রায় শ’পাঁচেক উই পোকাকাটা কাটা বই পুড়িয়ে ফেলতে হয়েছিল ছাত্র বয়সে। সেটা অনাথবাবুর গন্ধ স্মৃতিতে ঢুকে গেছে বরাবরের মত। বরের বাবার গা থেকে পেয়েছিলেন সেই বই পোড়ার গন্ধ। মাথায় আসেনি তখন। এমনকি দিন তিনেক বাদে যখন সেই তরতাজা লোকটা মুখ থুবড়ে পড়ল পার্কে। বোঝেন নি তখনো। করোনারী থ্রম্বসিস।

    তারপর গন্ধটা ফিরে এসেছে বারে বারে। চেতলার সেজ পিসীমার গা থেকে। রামকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভান্ডারের বলাইদার গা থেকে। মাদার ডেয়ারির প্যাকেট দিতে আসা ছেলেটির গা থেকে। আর প্রতিবার সময়সীমা দিন তিনেকের। একদম সময় ধরে দিন তিনেকের মধ্যে সব শেষ।

    পশুপতি উকিল কথামত এসে পড়েছিল সক্কাল সক্কাল। তবু বসতে হল কিছুক্ষণ। অনাথবাবু স্নান সেরে বেরোলেন প্রায় আধঘণ্টা পরে। ধোয়া পাঞ্জাবী পায়জামা পরে ঘাড়ে বগলে কিউটিকিউরা পাউডার লাগালেন। সেন্টের শিশির অর্ধেকটা উপুর করে দিলেন গায়ে, জামায়। তারপর ভ্রূ কুঁচকে পশুপতি উকিলের পাশে বসে উইলের বয়াননামা নিরিখ করতে লাগলেন। শরীর থেকে গন্ধটা যাচ্ছে না কিছুতেই। গতকাল থেকে লেপ্টে আছে যেন। সেই বই বাঁধাইয়ের আঠা, রেক্সিনের বাঁধাই, সেলাই সুতো আর পুরোনো কাগজ একসাথে পুড়লে যেমন হয়। বই পোড়া গন্ধ।

    ৪। জিহ্বা
    আর পি এফ গুমটি পেরিয়ে বাঁদিকে ঘুরলে পরপর টিনের ঘর গোটা কয়েক। তার আগে অবিশ্যি পেরোতে হয় লোহার রেলিঙের বেড়াটা। বেড়ার একটা পাত খুলে নিয়ে ঠিক একটা মানুষ ঢোকা বেরোনোর রাস্তা। বেড়ার ওপাশে শুধু এই কটা টিনের ঘর। তারপর কিছুটা হাঁটলে কারসেড। আজ সন্ধ্যেটা ভালো কাটছে রুকসানার। এই নিয়ে তিনটে হল আজ। সবে রাত ন’টা। আরো একটা হলেও হয়ে যেতে পারে। টিনের দরজায় দুম দুম কিল মারে। ভিতর থেকে হেমা আওয়াজ দেয় “দশ মিনিট”। ওহ এখুনি শুরু হয়েছে তবে। লোকটার দিকে তাকায় রুকসানা। মোচরানো প্যান্টের উপর বেগুনি দাগ কাটা জামা। ঝাঁকড়া চুল, এক মনে বিড়ি টানছে লোকটা। উত্তেজনায় সব গাহক গুলোই বিড়ি টানে। চটাস করে মশা মারে। হেমা একটু বেশি সময় নিচ্ছে যেন। মানে ভেতরের লোকটা টেটিয়া হবে। আর পি এফের একটা জওয়ান টর্চ ফেলে দেখে গেল দূর থেকে। বেগুনি জামা মুহুর্তে মুখ লুকিয়ে গুটিসুটি।

    দরজা খুলে বেরিয়ে এল হেমা, হুড়মুড়িয়ে ঘরে ঢুকলো রুকসানা। তাড়া দিল লোকটাকে। একজনের মতই খাট কোন রকমে আর একজন দাঁড়াতে পারে শুধু। একটানে শাড়ি ব্লাউজ খুলে শুয়ে পড়ল খাটে। “ও লবাবজাদা, কন্ডোম টা কি তোমার বাবা পড়বে?” ধমকে উঠল রুকসানা। নাঃ লোকটাও আর কথা বাড়াল না। তাড়া আছে তার মানে। টিনের ছাদের দিকে চেয়ে হিসেব করে রুকসানা, 'আর পি এফ ষাঠ টাকা, খাটের ভাড়া পঞ্চাশ, হোলো গিয়ে একশ দশ। তার কাছে থাকছে চল্লিশ। আর কুড়ি টাকা মাত্র। খুশি হয়ে ওঠে রুকসানা। নরম মশলা মাখা মাংস। দুটো বড় বড় পিস। ‘এই হারামি একটু ধীরে ঢোকাতে পারিস না শালা’ খেঁকিয়ে ওঠে রুকসানা।

    মশলায় এপাশ ওপাশ করা লম্বা চালের বিরিয়ানী। লম্বা লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ ভাজা ছড়ানো ওপর থেকে। বুকটা ছিবড়ে করছে লোকটা। ভ্রূক্ষেপ করলো না রুকসানা ছবিটা চক চক করছে মাথায়। কি চমৎকার ছবি। মাংসের গায়ে লেগে থাকা বুদবুদ তেল ঝাল গুলো অব্ধি স্পষ্ট। মুখ ভরতি লালা রুকসানার। জল খসেছে লোকটার। নেতিয়ে পড়েছে গায়ের উপর। আর একটা। আরও একটা মাত্র পেলেই, নরম মশলা মাখানো বড় বড় মাংস খন্ড বিরিয়ানী। জিভে বড় সুখ, ভাবতে ভাবতে আবার একমুখ লালায় ভেসে গেল রুকসানা।

    ৫। ত্বক
    ‘কি রে কষ্ট হচ্ছে খুব?’ এহা ঈশানের দিকে ফিরল।

    ঈশান পাথরটার উপর বসে হাঁপাচ্ছে তখন। বড় বড় চোখ যেন বেরিয়ে আসতে চাইছে ফেটে। একটু সময় নিল সে। তারপর মাথা নাড়ল দুপাশে। এহা জলের বোতল খুলে ধীরে ধীরে ঢেলে দিতে লাগল ঈশানের মুখে। জল খেয়ে একটু ধাতস্থ হল ঈশান। এহা মাথা ভর্তি চুলে বিলি কাটল এহা পরম স্নেহে।

    কতদূর আর? ঈশান মুখ তুলল একবার। খুব দুর্বল হয়ে পড়েছে। হাসপাতাল থেকে বণ্ড দিয়ে তুলে এনেছে এহা। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে প্রতিদিন তিল তিল করে শেষ হয়ে যাওয়া বড় যন্ত্রণার। এ মায়া উপত্যকার খোঁজ এনে দিয়েছিল এজাজ। সারা পৃথিবীর অদ্ভুত অস্তিত্ব খুঁজে বেরানোই কাজ। খোলা আকাশের নিচে উপত্যকার চাদরে শুইয়ে দিতে হবে ঈশানকে। সারাদিন, কখনো সারারাত। তার ত্বক বেয়ে উঠে আসবে প্রাকৃতিক ভেষজ। ত্বকই তো সংবেদন স্থল। অজস্র রোমকূপ বেয়ে ত্বক বেয়ে পৌঁছে যাবে নতুন প্রাণের বীজ। রোমাঞ্চিত হল এহা। তাকে পৌঁছুতেই হবে সেই মায়া উপত্যকায়।

    এহা জানে ঈশানের কষ্ট হচ্ছে খুব। ফোর্থ স্টেজ। শুধু সময়ের অপেক্ষা। এভাবে যেতে দিতে চায় না এহা। 'এভাবে বোল না চললাম, এভাবে বোলো না আসি। এভাবে বোল না চলে যাব। যেন চলতে আমিও ভালবাসি।' কোথায় যে পড়েছিল, মনে পড়ে না।

    কিন্নর কৈলাস পেরিয়ে নাম না জানা উপত্যকার দিকে এগিয়ে চলেছে তারা। জনহীন পায়ে পায়ে গড়ে ওঠা এই রাস্তায় শুধু জংলী ফুল আর নাম না জানা পাখির ছড়াছড়ি। ঋজু এহা। যুদ্ধ বিমান চালকের পেশা। কি ভাবে যেন ভেসে এসেছে ঈশানের সাথে। আকাশে উড়তে বড় ভালোবাসে এহা। স্বাধীনতার এমন স্বাদ হয় না আর। ভারী হ্যভারস্যাক্টা বুকের দিকে ঝুলিয়ে নিল সে। তারপর ঈশানের দুহাত ধরে সামান্য ওপরে তুলে অপার দক্ষতায় কাঁধে তুলে নিল ঈশানকে। ঈশান মৃদু আপত্তি করে এহার কাঁধে মাথা এলিয়ে দিল। গরম লাগছে। পরণে ঢোলা কমব্যাট প্যান্ট আর স্পোর্টস ব্রা।' নিয়ে যাব তোকে উড়ানে, মেঘ গুলোর পাশ কাটিয়ে উড়বো দেখবি কেমন। গোঁত্তা খেয়ে। কখনো নাক নিচে করে সোঁওওওও করে নেমে যাবো ভার শূন্যতায়। ভয় পাস না। দু হাজার ঘন্টা ওড়ার অভিজ্ঞতা আমার। তোর গায়ে আঁচরটি লাগতে দেব না।' স্বর গাঢ় হয়ে আসে এহার। ঈশান কথা বলল না দু হাতে গলাটা জড়িয়ে রাখল শুধু।

    চোখ জুড়িয়ে গেল উপত্যকায় দাঁড়িয়ে। সবুজের ঢেউ শুধু। নানা সবুজের ছায়াছন্নতা। মাঝে মাঝে হলুদ, বেগুনী, সাদা আর গোলাপির চাদর যেন। অপরূপ ছোট ছোট ফুলে ভরে আছে অনামা নিষ্কলুষ উপত্যকা। উপত্যকা ঘিরে তিরতিরে নদী একটা।

    বুঝতে পারে নি এহা। এতটাই বিভোর ছিল স্বপ্নকল্পনায়। প্রত্যাশিত ছিল তবু আঘাত পেল সহসা। হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল সে। স্থাণু। নিঃশব্দে চলে গেছে ঈশান। এহা টের পায়নি মোটে।

    লোকটা পাশে এসে বসল কিছুক্ষণ। এক দৃষ্টে তাকিয়ে রইল ঈশানের নিঃস্পন্দ ক্ষণস্থায়ী শরীরটার দিকে।

    'অমরত্ব চাও বুঝি?' মায়াবী স্বর ভেসে এল এহার কানে।

    আলো বদলে গেল ধীরে ধীরে। সোনালী থেকে নরম গোলাপি। আর সেই কনে দেখা আলোয় লোকটা উন্মুক্ত করল ঈশানের পার্থিব বেশবাস। বিন্যস্ত করে দিল কেশরাশি। অজানা ভেষজ তেলে সূর্যালোক গুলে মাখিয়ে দিল ঈশানের সারা শরীরে। অপূর্ব ধূনো গন্ধের মত গন্ধ উঠল। সাঁঝ নামছে। হালকা কুয়াশার চাদর নেমে আসছে উপত্যকায়। সেই নিম আলোয় এহা দেখল ঈশানের প্রতিটি রোমকূপ যেন শিকড় হয়ে প্রবেশ করছে মৃত্তিকা গভীরে। সর সর করে টেনে নিচ্ছে ভেষজ রস। উজ্জীবিত হচ্ছে ত্বক।

    বর্হিজগতের সাথে মিলছে অর্ন্তজগত। এহা উঠে দাঁড়াল। এখন ঈশানকে ছেড়ে দিতে হবে একা। সারারাত। উন্মুক্ত, নিরুপদ্রব। কাল সকালে নতুন জন্ম হবে ঈশানের।

    নশ্বর শরীর বদলে যাবে গাঢ় বেগুনি কিংবা নরম গোলাপি ফুলে। তেমনি বলে গেল লোকটা। উঠে দাঁড়াল এহা। কাল ভোরের প্রথম আলোয় ফিরে আসবে এহা। নির্নিমেষ দেখে নেবে পৃথিবীর ত্বকের সাথে একাত্ব হয়ে অমরত্ব পেয়েছে ঈশান।
  • Bratin | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৬:০০365588
  • স্যান, ইয়ে মানে অভ্যু নয় সেই কেষ্ট র
    জীব গুলো ☺
  • Bratin | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৫১365587
  • আহা আমার কী আর এত মনে আছে ?

    একে বয়েস হচ্ছে তার পরে অ্যাকাডেমিক্স এ নেই।

    কবে যে পড়াতে ঢুকবো। আর ভালো লাগে না
  • Bratin | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৪৫365586
  • গাইড বদলাতে হবে। না হলে আশা নেই।আমার তিন টি বন্ধুএ মধ্যে যাকে ক বি অ্যাকসেপ্ট করবে তার কাছেই ঢুকে যাবো ক বি তে একজন কে (এক্স হেড ) রেখে।

    ক বি র এম বি এ র এক্স হেড এখন ইউ এস অ তে।তিনি ১৭ তে ফিরবেন তারপরে ধো`য়াশা কাটবে
  • Abhyu | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:৩১365585
  • প্রতুল বাবু হাত নেড়ে নেড়ে বাংলায় গান গাইছেন
  • Abhyu | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:১৪365583
  • হ্যাঁ উনি তো মায়া থেকে উদ্ধার করার পথ বাতলান, তবে বোতিন্দার পক্ষে সবই সম্ভব।
  • সিকি | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:১২365582
  • না, বাড়ি ফিরে ডাউনলোডাবো।
  • san | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৫:১১365581
  • কিন্তু বুদ্ধদেব বোধ হয় ব্রতীনদাকে মায়ায় ফেলে দেন না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত