এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৪:২৪365970
  • তাহলে আটটি সন্তানের মধ্যে মোট চারজন ছেলে আর একজন মেয়ে বাঁচে।
    তখনকার দিনে শিশুমৃত্যু মনে হয় এতটাই কমন ছিল, যে লোকে হিসেবেই রাখতো সম্ভাবনাটা। এক বাড়িতে এরকম, তার পাশের বাড়ি তার পাশের বাড়ি, সবেতেই হয়তো ওরকম। এখনকার দিনে শুনে লোকে শিউরে ওঠে।
  • কুমড়ো | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:৪৪365969
  • দুজনের তো নামকরণের আগেই মৃত্যু হয়। আরেকজন আটবছর বয়সে ডিফথেরিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
  • Atoz | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:৪২365968
  • সাত ছেলে আর এক মেয়ে? এ যে একেবারে সেই সাত ভাই চম্পা আর এক বোন পারুল রূপকথা টাইপ!
    ঃ-)
  • কুমড়ো | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:৩১365967
  • জীবন অনেক কিছু শিখিয়েছিল ঠাকুর্দাকে। এরকমই মনে হয়। ঠাকুর্দা ছিল সেল্ফ মেড ম্যান। ১২ বছর বয়সে বাপ মাকে হারিয়ে অনাথ। দিদিদের বিয়ে হয়ে গেছল। কিন্তু ঠাকুর্দার ঘাড়ে দায়িত্ব এসে পড়ে ছোট ভায়ের। সেই বয়সে অলমোস্ট কপর্দকহীন অবস্থা থেকে খেটে সংসার চালায়, পুত্রস্নেহে ছোটো ভাইকে যত্নে বড়ো করে এবং তার পড়াশুনোর সমস্ত ব্যবস্থা করে। ছোটো ভাইকে নতুন জুতো কিনে দিত, নিজে পরত ভায়ের ব্যবহৃত পুরোনো জুতো। নিজেও পরে পড়াশুনো করে কিছুদূর এবং নিজের স্মার্টনেস ও যোগ্যতায় সেই ব্রিটিশযুগে সরকারী চাকরিতে উঁচু পদে পৌঁছতে বেশি সময় লাগে নি। যথাসময়ে বিয়ে থা করে। একটি কন্যা ও গোটা সাতেক পুত্র জন্মায়। তার মধ্যে দুজন পুত্র আতুরেই মারা যায়, আরেকজন শৈশবে মারা যায়। সর্বকনিষ্ঠ আমার বাবা। এদিকে মেয়ে এবং দুই পুত্র বিপ্লবীদের গ্রুপ জয়েন করে। এদের মধ্যে একজন সক্রিয় ছিল খুব বেশি। ঠাকুর্দা তার নিজের ছোটোভায়ের বিয়ে দেয় দেখেশুনে। ভাই অধ্যাপনা করতে থাকে কোলকাতার একটা নামকরা কলেজে এবং পরে সেখানেই ফিজিক্সের বিভাগীয় প্রধান হয়। কিন্তু সে তো অনেক পরের কথা। ঠাকুর্দার মেঝ ছেলের সক্রিয়ভাবে সশস্ত্র রাজনীতি করা এবং খুনের মামলার দরুণ ব্রিটিশ সরকারের দেয়া চাকরিটি খোয়া যায়। ফলত, এরপরে সমস্ত রাজ্যপাট এলাহি ব্যাপার স্যাপার রাতারাতি বন্ধ। চাকর বাকরও তখন রাখার মতন সিচুয়েশন নেই। সে ঘরদোর ছেড়ে সন্যাসী হবে ঠিক করে। প্রথমে মাদ্রাজে চলে যায়, অ্যানি বেসান্তের থিওসফিক্যাল সোসাইটিতে। তার রেসিজম, কালো মানুষকে ঘৃণা করার স্বভাব ইত্যাদি কতদিন পরে কীভাবে বদলে গেছল সে আমরা জানিনা। বা আদৌ বদলেছিল কিনা তা ও না। তবে, সে মাঝেমধ্যে ছোটো ছেলের সঙ্গে দেখা করতে আসত বলে জানা যায়। শেষ জীবনে বেলুড়ে লালবাবা কলেজে কীসব করত। হোমিওপ্যাথি করত বলেও শুনেছি। তারপর তার মৃত্যু হলে সেই খবর বাড়ীতে আসে। চারভাই তাদের বাবাকে দাহ করতে নিমতলায় নিয়ে যায়।
  • Atoz | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:০১365965
  • যাক, শেষ জীবনে হয়তো বুঝেছিলেন কালো লোকেরাও ফর্সা লোকেদের মতই, খায় দায় শ্বাস নেয় ক্লান্ত হলে ঘুমায় রাগ হলে ঝগড়া করে খুশি হলে ভালোবাসে। তফাৎ তেমন নেই।
    ঃ-)
  • কুমড়ো | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:০১365966
  • তাহলে বলেই দিই। ডিভোর্সী মহিলাটির পুনর্বিবাহে যেতে যে অস্বীকার করে সে আমার মা। বাবা নাকি একাই গেছল সেই বিয়েতে। যাদের বিয়ে হয়েছিল তারা দুজনেই বাবার বন্ধু। মা কেন এলো না বিয়েতে সবাই জানতে চেয়েছিল। তখন বাবা মিথ্যে করে বলেছিল, নতুন বৌ (বাবারো সবে বিয়ে হয়েছে) একটু লাজুক (এটাও ডাহা মিথ্যে) তাই বাড়িতেই রয়েছে।
  • paps | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:৫২365963
  • ছরছর নয়, চর্চার।
  • কুমড়ো | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:৫২365964
  • আমার নিজের ঠাকুর্দা (তাকে আমি কোনোদিনো দেখিনি, আমার জন্মের এক যুগেরো বেশি আগে গত হয়ে গেছলেন) নাকি প্রচণ্ড রেসিস্ট ছিলেন। জাতপাত জানি না কতটা মানতেন, কিন্তু গায়ের রং যাদের কালো তাদের খুব ঘেন্না করতেন বলে শুনেছি। নিজের গায়ের রং ফর্সা ছিল এবং বৌ ছেলে মেয়ে সবাই ফর্সা ফর্সা। তা হয়েছে কি, বাড়িতে কাজ করবার জন্য একজন চাকর রাখা হয়েছিল যার গায়ের রং কালো। ঠাকুর্দা নাকি সেই চাকরের হাতের জল খেতেন না। এই সব গল্প ছোটোবেলায় শুনেছি। তখন জিনিসটার তাৎপর্য বুঝতাম না। ভাবতাম খুব রাগি দেমাকি লোক ইত্যাদি, কিন্তু এটাযে কতটা নিকৃষ্ট স্বভাব এবং জঘন্য রকমের বদগুণ তা আমাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয় নি। যারা এসব বলত তারা নিজেরাও বুঝত না। সায়েবের মত ফর্সা টকটকে রং হওয়া তখনো বেশ হাই কোয়ালিটি বলে গন্য হতো। আমি তখন একদুবার ভেবেছি যে আমার তো গায়ের রং কালো, ঠাকুর্দা নির্ঘাৎ বেঁচে থাকলে আমার হাতের ছোঁয়া খেত না। যাইহোক, এই ঠাকুর্দার শেষ জীবন কাটে প্রচুর লোকের মধ্যে যারা অনেকেই কালো রঙের। তখন কার হাতের জল খাবে সেসব বাছবিচারের স্কোপ ছিল না। মৃত্যুও হয়েছিল কালো লোকজনদের মধ্যেই। নিজের বৌ সন্তানদের থেকে দূরে।
  • Atoz | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:৫১365962
  • পরের বিয়ের মানে পরবর্তী বিয়ের
  • paps | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:৫০365961
  • অসম্ভব স্মৃতিশক্তি আপনার। বাংলা টার্মটা একেবারেই মনে ছিলোনা দীর্ঘদিন বাংলায় বিগ্ঞান ছরছর অভ্যাস না থাকা কারণে। মনে করিয়ে দেওয়া জন্য ধন্যবাদ।
  • Atiz | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:৪৭365960
  • বৌ মরা মাত্র চিতার আগুন থেকেই কাঠ ধরিয়ে নিয়ে যে পুরুষরা নিজের পরের বিয়ের যজ্ঞের আগুন জ্বালাতো, তাদের আগের পক্ষের সন্তানগুলোর কথা ঐ ডিভোর্সী মহিলার বিয়ের বিরোধী লোকটাকে মনে করিয়ে দিলে কেমন হতো?
  • কুমড়ো | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:২৬365959
  • তাহলে মেমারি ফেল করেনি। ১৯৭৯/৮০ সালে পড়েছিলাম। অন্তর্ধৃতি!
  • কুমড়ো | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:২৪365958
  • এরকম গোঁড়ামি চল্লিশ পঞ্চাশ বছর আগে অনেকেরই ছিল। একজন (নাম নেব না)কে জানি, যে ডিভোর্সী মহিলার বিয়েতে যায় নি ১৯৬৪ সালে। এদের আবার যুক্তিও থাকে। কী যুক্তি? না ডিভোর্সী মহিলাটির আগের পক্ষের সন্তানটির কী হবে। এ পক্ষেও তো সন্তান জন্মাবে, তখন কি আগের পক্ষের সন্তান সমান আদর পাবে? আহারে!
    আরেকজনের কথা ইদানীং জানলাম। খুব ভক্তিভরে পুজাপাঠ করত সে। অব্রাহ্মণের হাতে জলস্পর্শ করত না। তো সেই লোকটির বউ মারা গেছে। তিনটি মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। মেয়েরা বাবাকে খাতির করে না, তবে তারাও খুব গোঁড়া। সেই লোকটির বৃদ্ধ বয়সে খুবই শোচনীয় অবস্থা। ভায়েরবৌয়ের বাড়ী গেছে সে একদিন। ভায়েরবৌয়েরো বয়স অনেক, তাদের বাড়ীতে যে রান্না করে সে অব্রাহ্মণ। তাই লোকটিকে কিছু খেতে দেওয়া হচ্ছে না। সে নিজেই খেতে চেইলে বলা হলো যে রান্নার মেয়েটি কিন্তু ব্রাহ্মণ নয়। তখন সে বলল, ঠিকাছে, খাব।
  • paps | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:১৬365957
  • কুমড়ো ঠিকই বলেছেন। ওটাকে অন্তর্ধৃতিই বলে, অবশ্য আপনি না বললে মনে পড়তো না। গোদা বাংলায় বলে occlusion। আর Buckminsterfullerene ছাড়াও Metal-Organic Frameworks বা MOF নামে এক ধরণের চন্ডাল বস্তু আছে যারা হাইড্রজেন শোষণ করতে পারে। UC Berkley এর প্রফেসর ওমর ইয়াঘি MOF রসায়নএর পথপ্রদর্শক। ভদ্রলোকের পাবলিকেশন রেকর্ড ঈর্ষণীয়, একগাদা জার্নাল অফ দি আমেরিকান কেমিকাল সোসাইটি বা Angewandte Chemie ছাড়াও প্রায় নিয়ম করে প্রতি বছর 2 - 3 টি নেচার বা সায়েন্স পাবলিশ করেন। 2005 বা 2006 এ ওনার একটা লেকচার শুনেছিলাম। এছাড়া ইদানিং Graphin oxide framework কে হাইড্রোজেন স্টোরেজ এ কাজে লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে।
  • Bratinl | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:০৮365956
  • হ্যাঁ আটোজ লেখার ভঙ্গী টা ভারী চমৎকার
  • Atoz | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:০৭365955
  • মুড়ির ঠোঙা আলাদা করে আনা, "ছোঁয়া লাগে নি ছোঁয়া লাগে নি" বলতে বলতে দিয়ে যাওয়া, সেসবও পড়েছি। ঃ-)
  • Bratin | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:০৬365954
  • শুভ রাত্রি পাই ও অভ্যু।
  • Atoz | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:০৫365953
  • হুঁ, হুঁ, "পিওন থেকে প্রকাশক" আম্মো কিছু কিছু পড়েছি যখন ধারাবাহিক বেরোচ্ছিল। ঃ-)
  • Bratin | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০২:০৩365952
  • তবে " পিওন থেকে প্রকাশ্স্ক" বইটা পড়তে খুব ভালো লাগছে।দেশে ধারাবাহিক ভাবে বেড়িয়েছে দেখলাম

    প্রতি অধ্যায় এক জন লেখক কে নিয়ে।তাদের চিঠি চাপাটি ও আছে।

    এখন অবধি পড়লাম

    শিবরাম
    গৌরকিশোর ঘোষ
    সুনীল
    শীর্ষেন্দু
    রমাপদ চৌধুরী
    বুদ্ধদেব বসু
  • Bratin | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৫৮365951
  • আমি তো কাউকে তার লেখা দিয়েই জানবো।

    সেই আলোচনা গুলোর সময় জানলাম
  • Abhyu | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৫৬365950
  • জানতে না? আমি তো বোধ হয় বহুবার লিখেছি যে এই জন্যে লোকটাকে দেখতে পারি না। অনেকেই তো লিখেছেন সম্ভবতঃ
  • Bratin | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৫৫365949
  • এত টা গোঁড়া আমি জানতাম না।

    আরেক জায়গায় লিখেছেন " অনুকূল ঠাকুরের শিষ্য বলে উনি লুকিয়ে নস্যি নিতেন"

    কী চাপ মাইরি।☺☺
  • Bratin | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৫৩365947
  • সেইরকম ই পাই
  • Abhyu | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৫৩365948
  • সে আর নতুন কথা কি?
  • π | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৫১365946
  • মানে সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের ছেলে হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করেছেন বলে শীর্ষেন্দু যাননি ?
  • Bratin | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৪৮365945
  • বাদল বসু শীর্ষেন্দু কে নিয়ে লিখছেন।সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ আর শীর্ষেন্দু প্রাণের বন্ধু ছিলেন। অথচ তার চেলে অন্য ধর্মের মেয়ে কে বিয়ে করছে বলে সেই বিয়ে তেই তিনি গেলেন বা। অন্য ধর্মের তো দূরের কথা অসবর্ণ বিয়ে ও তিনি সমর্থন করতেন না।
  • Robu | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:০৭365944
  • ফুটবলের টই বার করতে পারছিনা।
    কাল ৮০ মিনিট অব্ধি ম্যাকাবি তেল আভিভ ৩-০ জিতছিল, হোম ম্যাচে। জেনিথ লাস্ট দশ মিনিটে স্কোর ওভারটার্ন করে, ৩-৪ এ জেতে।
  • কুমড়ো | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০০:০৪365943
  • সবাইকে আবার করে থেংকু।
    এই ট্রিপটা হবে পাইলট প্রোজেক্ট। জাস্ট চেখে দ্যাখা। :-))
    একবার জিভে স্বাদ লেগে গেলে আর দেখতে হচ্ছে না।
  • Arpan | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২৩:৪৪365941
  • "এত" না, "এ তো" হবে।
  • Arpan | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ২৩:৪৪365942
  • কালো ভ্রমরের প্রথম খন্ডটা পড়ে উঠলাম। এত স্বর্ণখনি, মানে মাঝে মাঝেই হাসি চাপা মুশকিল হচ্ছিল, কিন্তু এ জিনিস দিবাকর ব্যানার্জির হাতে পড়লে দিব্যি দাঁড়িয়ে যেত - নিও নয়ের আর মব ফিল্মের ককটেল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত