এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ... | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ২১:১২371520
  • "সইফ আলি আর করিনা ছেলের নাম "তৈমুর আলি খান" রাখায় গোবৎসরা চেঁচাচ্ছে।" - সবেতেই বিজেপির ভুত দেখেন কেনো? তইমুর লঙ্গ এর দিল্লী বিজয় ভারতবর্ষের ইতিহাসের একটি অন্যতম কালো অধ্যায়।
  • Arpan | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৮:০৬371518
  • তবে ৪-০ হারের মজা অন্যখানে। বিবিসির ক্রিকেট পেজে কমেন্টগুলো ফলো করলে বোঝা যায়।

    সেখান থেকে যা বুঝলাম ইংল্যান্ড টিমে স্পিনার সিলেক্ট করা হয় এই অর্ডারে - ১) ব্যাট করতে পারে, ২) রান আটকাতে পারে, ৩) বল ঘোরাতে পারে।
  • Arpan | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৮:০৩371517
  • অস্ট্রেলিয়ার কারেন্ট টিম এমন কিছু ভালো না। তবে কুড়িটা উইকেট নেবার মত বোলার নেই আমাদের।
  • b | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৭:৩৯371516
  • অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ব্যাটাদের হারাবো। মরার আগে কি এটুকু দেখে যেতে পারবো না?
  • Arpan | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৭:৩০371515
  • না না, গ্রেট ফ্রেট কিছু হয়নি। সর্বকালের সেরা টিম তো (তর্কাতীতভাবে) ঐ তিনটে।
  • umesh | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৭:১১371514
  • এই মুহুর্তে পাকিস্থান ছাড়া কারো হাতে পাতে দেবার যোগ্য স্পিনার নেই, তাই যেই আসুক, তাদের হারাতে কোনো সমস্যা হবে না।

    তবে এই টিমের বিদেশে জেতার ম্তো দম এখনো হয়নি। ঠিক্ঠাক ফাস্ট পিচে খেলার ব্যাট্সম্যান কোথায়?
  • b | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৬:৫১371513
  • যেটা ভালো লাগলো, সেটা হল এই ৪-০। আমার মনে হয় ধোনি হলে ১-০ বা ২-০ তে আটকে থেকে ডিফেন্সিভ খেলতো, লাস্ট ম্যাচে হয়ত নিজে খেলতও না।

    তবে এটাও বলি, ভালো টিম সব সময় নিজের মাঠে জেতে। এই টিমটাকে তখনই গ্রেট বলব যখন এরা বাইরে গিয়ে (পড়ুন ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, সাউথ আফ্রিকা) সিরিজ জিতে ফিরবে।
  • b | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৬:৩২371512
  • এটা ফেসবুকে ঘোরাঘুরি করছে

    I
    wrote
    a poem
    On a page
    But then each line grew
    To the word sum of the previous two
    Until I started to worry about all these words coming with such frequency
    Because, as you can see, it can be easy to run out of a space when a poem gets all Fibonacci sequency"
  • Arpan | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৬:০০371511
  • এদিকে সাহেবরা ৪-০ হেরে ফিরছে।

    মাইক বলেছিল ৫-০ না হারলে বিয়ার খাওয়াবে। ;-)
  • টুংকাটাকিলা | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১৫:২৬371510
  • সইফ আলি আর করিনা ছেলের নাম "তৈমুর আলি খান" রাখায় গোবৎসরা চেঁচাচ্ছে।
  • সাদা গোরু কালো গোরু | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১১:০৮371509
  • সাদা গোরু কালো গোরু
    December 8, 2016, 3:46 pm IST শুভাশিস মৈত্র in ঝাঁপতাল | রাজনীতি, দেশ-বিদেশ

    এসব বহু বছর আগের কথা। হরি ঘোষের গোয়ালের কথা সবাই শুনেছে। এই গল্প সেই হরি ঘোষের গোয়াল নিয়েই। জানা গেছে হরি ঘোষের গোয়াল মানে গোয়াল নয়। সে গোয়াল বাড়তে বাড়তে একটা দেশ হয়ে উঠেছিল এক সময়ে। সেই দেশেরই প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন হরিবাবু মানে হরি ঘোষ। সেই হরিবাবুর সঙ্গে ক’দিন আগে দেখা কলকাতার প্রিন্সেপ ঘাটে। তখন সন্ধ্যা নেমেছে। ঝির ঝির করে বৃষ্টি পড়ছে। চার দিকে জন-মানুষ নেই। শীত কাল। দেখলাম একটা পাগড়ি পরা বয়স্ক লোক একা গঙ্গার ধারে দাঁড়িয়ে ‘হরি দিন তো গেল সন্ধ্যা হল পার কর আমারে’ গাইছেন। আমি গিয়ে আলাপ করতে যে গল্প তিনি শোনালেন তা এখানে হুবহু তুলে দিলাম।

    হরিবাবু বলে চললেন- ‘সে অনেক কাল আগের কথা। তখন আমার দেশে কোটি কোটি গোরু ছিল। সব গোরুই সাদা রঙের। আজকাল আপনারা যে সব লাল, কালো, ছোপ ছোপ নানা ধরনের গোরু দেখেন, আমার রাজ্যে সেসব ছিল না। সব সাদা। গোরু পিছু কর দিতে হত নাগরিকদের। যার যত গোরু, তার তত কর। গোরু থেকেই রাজকোষের যাবতীয় আয়। গোরু ছিল আমাদের কাছে মায়ের মতো। আপনাদের যেমন ‘বাংলা অ্যাকাডেমি’, আমাদের ছিল ‘হাম্বা অ্যাকাডেমি’। সেখানে গোরুর ভাষা নিয়ে চর্চা হত। ভালো ভালো গোরুরা তখন সঙ্গে দোভাষী নিয়ে ঘুরত। গোরু ওদের হাম্বা ভাষায় যা বলত, দোভাষী তার অনুবাদ করে দিত। যারা গোরুর ভাষা বুঝত, সমাজে তাদের খুব সম্মান ছিল। অনেকেই গোরুকে বাড়িতে শাড়ি পরিয়ে মায়ের আদরে পুষতো। আমি তখন ‘স্বচ্ছ দেশ’ কর্মসূচি চালু করেছিলাম। গোরুদের জন্য আলাদা টয়লেট বানানোর জন্য আমার রাজকোষ থেকে ঋণ দেওয়া হয়েছিল কোটি কোটি টাকা। গোরুদের জন্য স্পেশাল কমোড বানিয়ে আমার এক মোবাইল ব্যবসায়ী বন্ধু প্রচুর টাকা কামিয়েছিল। আমি অবশ্য দেশে কমই থাকতাম। বিদেশেই বেশি থাকতাম। সে যাই হোক দিব্যি চলছিল। এমন সময় খবর পাওয়া গেল, কর কমাতে আমার দেশের বড় বড় গোরুওয়ালারা বহু সাদা গোরুকে কালো রং করে লুকিয়ে রাখছে। তার পর সেই সব কালো গোরু বিদেশে পাচার করে দিচ্ছে।

    demonetization

    আগে জানতাম ব্যাঙ্কে শুধু টাকা রাখা যায়। পাচার হওয়া কালো গোরুর খোঁজ করতে গিয়ে জানলাম, সুইস ব্যাঙ্কে, মানে তখনকার সুইস ব্যাঙ্কে কালো গোরুও রাখা হয়। তার পর সেই কালো গোরু সাদা করে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। তখন আমি আমার প্রজাদের খুশি করতে মুখ ফসকে বলে ফেললাম, বিদেশি ব্যাঙ্কে রাখা সব কালো গোরু ফিরিয়ে এনে সাদা করে প্রজাদের মধ্যে বিলিয়ে দেব। সবাই কম করেও ১০০টা করে গোরু পাবে। প্রজারা বেজায় খুশি। কিন্তু কি বলব, প্রতিশ্রুতি তো দিয়ে দিলাম, পরে বুঝলাম, ওসব করা যাবে না। তখন আমি বললাম, দেশে যত সাদা গোরু আছে সব বাতিল। ওই সব সাদা গোরু গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে যারা তাদের সাদা গোরু আমাদের কাছে নিয়ে আসবে আমরা তাদের পুরোনো সাদা বদলে নতুন সাদা গোরু দেব। তার গায়ে লেখা থাকবে আমার ‘স্বচ্ছ দেশ’ কর্মসূচির কথা। লোকে তাদের পুরোনো সাদা বদলে আমাদের ব্যাঙ্ক থেকে নতুন সাদা নিতে শুরু করল। আমরাও যখন যেমন পুরোনো সাদা পেতে থাকলাম, সব নিয়ে গিয়ে গভীর অরণ্যে ছেড়ে দিতে শুরু করলাম।

    এমন চলতে থাকল। মাস গেল, বছর গেল। গোরু বদল চলতেই থাকল। ব্যাঙ্কগুলো এই করতে করতে এক দিন উঠেই গেল। আমরা তখন রাস্তার মোড়ে মোড়ে এজিএম (অটোমেটিক গোরু মেশিন) বসালাম। ওখানে গর্ত দিয়ে পুরোনো সাদা গোরু ঢোকালে কড় কড়ে নতুন ‘স্বচ্ছ দেশ’ স্লোগান লেখা নতুন সাদা বেরিয়ে আসছে। এজিএম থেকে গোরু বদল চলতে থাকল। আমরাও কোটি কোটি পুরোনো সাদা জঙ্গলে ছাড়তে থাকলাম। এদিকে হল কি, জঙ্গলে তো কোটি কোটি গোরুর থাকার জায়গা নেই। অত খাবারও নেই। গোরুগুলো সংখ্যায় এত বেশি হল যে গোরুরা দল বেঁধে বাঘ, সিংহ, হাতি, গণ্ডার, জলের কুমীর, হিপো সব খেয়ে ফেলল। এই ভাবে সব গোরু আচিরেই ননভেজিটেরিয়ান হয়ে গেল। হিংস্র হয়ে গেল। ওরা আর মিষ্ট হাম্বা স্বরে ডাকে না। বাঘের ডাক নকল করে ডাকতে শুরু করল। তার পর ওরা অরণ্যের সব গাছ খেয়ে ফেলল। তার পর বাঘের ডাক ডাকতে শহরে ঢুকে পড়ল। তখন কারা যেন দুষ্টুমি করে জঙ্গল থেকে শহরে আসা ওই কোটি কোটি গোরুর গায়েও আমার ‘স্বচ্ছ দেশ’ স্লোগান লিখে দিল। ফলে পুরোনো সাদা, নতুন সাদা, সব গোরু এক রকম দেখতে হয়ে গেল। গেল সব গুলিয়ে। তার মধ্যে নতুন সাদারা পুরোনোর সাথে মিশে তারাও ননভেজ হয়ে গেল। আর কী বলব মশাই, দেশে প্যান্ডেমোনিয়াম শুরু হয়ে গেল। আর হুড়মুড় করে আমার অর্থনীতি ভেঙে পড়ল। এই বলে হরিবাবু পাশে রাখা চটের বস্তাটায় হাত বোলাতে লাগলেন। আমি বললাম, কী আছে এই বস্তায়? হরিবাবু বললেন, ভেঙে যাওয়া অর্থনীতির যে ক’টা টুকরো পেরেছি, কুড়িয়ে এনেছি। দেখি যদি জোড়া দিতে পারি! এই বলে হরিবাবু চোখ মুছলেন’।
    ডিসক্লেমার : সব ভাবনা লেখকের নিজের
  • pi | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১০:৩৬371508
  • হ্যাঁ, একদম এটাই ভাবছিলাম। ওকে বললামও। দেখি।
  • d | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১০:৩০371507
  • না ত্গুলে থাকলেও তোলাই যায়। আরেকদিন ধর শনিবার নাগাদ ওখানে গিয়ে একই কাজ করলেই একই রিয়্যাকশান হবে বলে আশা করা যায়।
  • pi | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১০:১৬371506
  • এরা ছবি তুলেছে কিনা কে জানে।
  • d | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ১০:০৪371505
  • হ্যাঁ সে তো করতেই হবে। তারপর ঐ যে আজকাল কোন কোন কাগজে ফোন থেকে ছবি তুলে সঙ্গে লিখে রিপোর্ট পাঠানো যায়। সেভাবেও দেওয়া দরকার। একবার কোনও কাগজে বেরোলেই ব্যাস!
  • pi | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৯:৫৭371504
  • কিন্তু ভাইরাল করতে হবে।
  • d | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৯:৫৪371503
  • নেমিং এন্ড শেমিং।
  • Atoz | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৯:০৭371502
  • আরে এই বসন্ত বেদান্তম নামটা এমনি শুনিনি, একটা বিরাট কাজ করেছেন ভদ্রলোক। সম্ভবত হৃদরোগের চিকিৎসার ব্যাপারে। কোথায় যে দেখ্লাম!
  • pi | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৮:২৪371501
  • প্রফেশনালি প্রুফ দেখার জন্য কেউ আছেন বা চেনাজানা কেউ ? এক হপ্তার মধ্যে ৪৫০-৫০০ পাতা বাংলা লেখার প্রুফ দেখতে হবে। কম্পিউটারে, মানে সফট ফাইলে। ইউনিকোডে লেখা। অবশ্যই উপযুক্ত পারিশ্রমিকের বিনিময়ে। এরকম কেউ চেনাজানা থাকলে একটু মেইল করে দিতে পারেন। আগান ধন্যবাদ।
  • pi | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৮:১২371500
  • এটা রুণা লিখেছে। কিছু করা যায়না, মোকাম্বোর মত ?

    'একটা নিতান্ত সাদামাটা (?!) অভিজ্ঞতা হোল দিন তিনেক আগে। লিখছি আজকে; কারণ মেয়ে খুব সুস্থ নেই। তার এই অসুস্থ হওয়া টাও যেমন মা বলে বেশ বুকে লাগে, সেদিন অই ঘটনাটাও তার চেয়ে কম বুকে লাগেনি একথা হলফ করে বলতে পারি। ঘটনা টার যথাসম্ভব সাদামাটা বিবরণ দিচ্ছি। তারপর আপনারাই বিচার করুন আদতে ঘটনাটা সাদামাটাই নাকি আমি ওভাররেট করছি !!!
    ***************************************

    শোভাবাজার মেট্রোর থেকে বেরিয়ে একটা কেক-পেস্ট্রি-প্যাটি র দোকান থেকে আমি খাবার কিনছিলাম। এম্ন সময় একজন মহিলা একটি পথের বাচ্চা কে নিয়ে দোকানে ঢোকেন খাবার কিনে দেবেন বলে; এবং বাচ্চাটাকে উনি জিজ্ঞাসা করেন যে ও কি খাবে। বললে বিশ্বাস করবেন না, এই ব্যাপারটা হওয়ামাত্র ই দোকানের মালিক লোকটি রীতিমত তেরিয়া ভাবে বলে যে কেন অই মহিলা বাচ্চা টাকে নিয়ে ঢুকেছেন; এবং খাবার দেওয়া তো দূরস্ত, লোক্টা অদের কে বেরিয়ে যেতে বলে। আমি আর থাকতে না পেরে বলি যে কেন ওরা বেরোবে। লোকটা তখন গাঁকগাঁক করে বলে ওঠে, " আপনি জানেন ওর গায়ে কত অসুখবিসুখ "। আমি অপাঙ্গে বাচ্চাটার নোংরা চেহারার দিকে তাকাই; কিন্তু বিশ্বাস করুন ওর চোখে খিদে আর নানা খাবারের হাতছানির জন্যে আমার আপনার বাচ্চার চোখেও যে ঔজ্জ্বল্য থাকে, তার চেয়ে বেশী কিছু চোখে পড়ে না। ওর মলিন পোষাক, নোংরা চামড়া আমার কাছে ব্লারড হয়ে যায়। দোকানের মালিক নামের গাম্বাট টা তখনও মহিলা কে ধুনে যাচ্ছে। উনিও বেরিয়ে যাচ্ছিলেন বাচ্চা টা কে নিয়ে। ততক্ষণে আমার অই লোক্টার মাথায় বেশ মুগুরের বাড়ি দিতে ইচ্ছে করছিল। বললাম, " আপনার এত গায়ে লাগছে কেন, খুব উঁচুমানের দোকান আপনার, ও ঢোকাতে আপনার মানহানি হোল নাকি?" ব্যাস....আর দেখতে হোল না। লোকটা চিড়বিড় করে বলল অই মহিলা এবং আমি নাকি খুবই জাতখোয়ানো মানে ডিক্লাসড ধরনের ইত্যাদি ইত্যাদি। এরপর আমরা বেরিয়ে আসি দোকান থেকে। বাইরে কিছু লোক এবারে আমাদের বাণী দিতে শুরু করে যে এই বাচ্চা গুলো অতি বদমাশ, লোকের হাত থেকে খাবারের প্যাকেট নাকি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। আমি আবারও দেখি খিদে, খিদে আর খিদে। বাকীদের কেউ কেন দেখে না আমার জানা নেই। ওই মহিলা আর বাচ্চা টাকে ভীড়ের মধ্যে নজর করতে পারিনা। অটো ধরব বলে এগিয়ে যাই। ঠিক তখন ই নজরে পড়ে বাচ্চাটা সেদ্ধডিম খাচ্ছে। আমি ওর কাছে দাঁড়াতে হেসে বলল, অই মাসিটা কিনে দিল। তাঁকে আর দেখলাম না, নামটাও জানা হয়নি এই গজল্লার মধ্যে। আর হ্যাঁ জানেন, অই বাচ্চাটার মুখে যে আনন্দ ছিল ডিমটা খাওয়ার সময়, আমি নিশ্চিত তার সাথে আমার বাচ্চার মুখের আনন্দভাবের কোন তফাৎ নেই।

    ★ আচ্ছা অই আকাট লোক্টাকে উচিৎ শিক্ষা দেওয়া যায় না ?'
  • pi | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০৭:৩৯371499
  • ঘুমচোখে পাতা খুলেই বসন্তবেদানা পড়লাম।
  • Atoz | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:২২371498
  • কী সুন্দর একটা নাম পেলাম! বসন্ত বেদান্তম্‌। আহা। একেই বলে ছন্দ, তাল মেলানো নাম। ঃ-)
  • Bhagidaar | ২০ ডিসেম্বর ২০১৬ ০০:১৪371497
  • কাল টেস্ট ম্যাচে কি ধুন্ধুমার কান্ড হয়েছে রে ভাই!
  • Atoz | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:২১371496
  • চাষীর একটা টেকনিকাল প্রশ্নও জেগেছিল মনে। দশটা পুত্র কি একটি রাণীর দ্বারাই? নাকি দশটি রাণী ছিল?
    গল্পে সেইকথা এড়িয়ে যান কথক ভদ্রলোক। সন্নিসী মানুষ কিনা! ঃ-)
  • Abhyu | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২৩:০২371495
  • ওহে টুংকা, সেই কথামৃতে একটা গল্প ছিল না, যেখানে চাষী ঘুম ভেঙে দেখে তার ছেলে মারা গেছে? ওদিকে সে স্বপ্ন দেখছিল যে সে রাজা হয়েছে, দশ জন রাজপুত্র আছে। এখন সে কি দশ পুত্রের জন্যে শোক করবেনা এক পুত্রের জন্যে?
  • Abhyu | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:৫৯371494
  • ওদিকে বলছে বাড়িতে নাকি মোটে পনের লাখের বেশি ক্যাশ টাকা রাখা যাবে না।
  • টুংকাটাকিলা | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:৪২371493
  • মাঝে মাঝে মনে হয় ২০০৬ অনওয়ার্ডস পুরোটাই একটা দুঃস্বপ্ন। এইবার ঘুম ভেঙে যাবে, দেখবো এখনো স্যান্ডিফোর্ডের বাড়িতেই আছি, সিঙ্গুরও হয়নি, তিনোমূলও জেতেনি, মোদীও জেতেনি।
  • টুংকাটাকিলা | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:৩৬371492
  • গোটা ডিমনিটাইজেশনটাই একটা নোংরা ইয়ার্কি। এদিকে আজকে আবার ইপিএফওএর সুদ কমে ৮.৬৫% হল।
  • pi | ১৯ ডিসেম্বর ২০১৬ ২২:৩২371491
  • হ্যাঁ, এটাই। কিন্তু এগুলো কি ইয়ার্কি হচ্ছে !
    অনেকেই তো ভিড় কমবে বলে পরে জমা দেবে বলে ঠিক করে রেখেছে। আর আগে বারবার এও বলেছে, ৩১ অব্দি দেওয়া যাবে। তাড়া নেই।
    আমাদের ঝামেলা নাই কিন্তু বহুলোকের তো হবে ! এ কি নাইট্যশালা পেয়েছে !
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত