এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৪)

    s
    নাটক | ২৩ মে ২০১৬ | ১৩১১৩১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিকি | ০৫ জুলাই ২০১৭ ১৪:১১713372
  • কে কে আসছেন আজ বারাসাতের জমায়েতে? একটু হাত তুলবেন প্লিজ?
  • রোবু | ০৫ জুলাই ২০১৭ ১৪:৩০713373
  • আমি আছি।
  • রোবু | ০৫ জুলাই ২০১৭ ১৭:১৬713374
  • এস, পিটিদা, অমিতবাবু - আপনারা কোথায়? বারাসত স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের হলুদ গুলমোহর গাছটার নিচে অপেক্ষা করছি, পদযাত্রা শুরু হলো বলে।
  • PT | ০৫ জুলাই ২০১৭ ১৮:০৭713375
  • আওয়াজ দিচ্ছেন দিন। কিন্তু দিলীপ ঘোষকে এমএলএ বানিয়ে ক্ষমতাশালী করার নোংরা ও সস্তা রাজনীতির যেহেতু প্রতিবাদ করেন নি তাই খুবই ঘনঘন বারাসত যেতে হবে বেশকিছুদিন। বারাসতের মান্থলি কিনে রাখুন।
  • রোবু | ০৫ জুলাই ২০১৭ ১৯:৪৪713376
  • নাদির শাহ এর দিল্লি আক্রমণ এর সময় যাঁদের পূর্বপুরুষ পুকুর থেকে কলমীশাক তুলে আনছিলেন, তাঁরাও বারাসাতের মান্থলি করুন।
  • PT | ০৫ জুলাই ২০১৭ ১৯:৫১713377
  • গা বাঁচানোর হরেক রাস্তা পন্ডিতেরা জানে!! গোড়া কেটে আগায় জল ঢেলে কোন লাভ নেই।
  • pi | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২০:৪৮713378
  • পাথরকু্চির পাতা থেকেও গাছ হয়।
  • Ishan | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২০:৫৮713379
  • মিছিল কেমন হল?
  • রোবু | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২১:০০713380
  • হ্যাঁ। পন্ডিতেরা জানে সে তো দেখাই যাচ্ছে :-)
    আজ এলে ভাল লাগত।
  • PT | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২১:৪৯713381
  • হনুমানকে হনুমান দিয়ে কাউন্টার না করে, "দাঙ্গা করলে মাথা ভেঙ্গে দেব"-এটাকে বীজমন্ত্র করুন। তাহলে মিছিল করার দরকার হবেনা। সম্ভব্তঃ সারা ভারতে যখন শিখ নিধন চলছিল তখন কলকাতায় not in my name জাতীয় কিছু করতে হয়নি। কেননা প্রশাসন ভোটে জেতার জন্য ঐ ঘটনাকে নিয়ে কোন শয়তানির রাজনীতি করেনি।
  • s | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২১:৫২713383
  • রোবু, কলকাতায় থাকলে নিশ্চয়ই যেতাম। কিন্তু এই উদ্যোগকে প্রশংসা ও সমর্থন করছি। বারাসাত থেকে বসিরহাট সর্বত্র চলুক এই মিছিল।
    আর এ বিষয়ে কথা বাড়াবো না। আত্মকলহের সময় এটা নয়।
  • Ishan | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২১:৫৫713384
  • শিখ নিধন হাঃ। সেদিন আমি ইশকুল থেকে ফিরতে পারিনি। ট্রেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। রিষড়ায় এক ভদ্রলোকের বাড়িতে ছিলাম। আমার অনেক কিছুই হতে পারত সেদিন। হয়নি, কিন্তু অন্য অনেকের হয়েছিল। দিল্লি রোডের মোড়ে লাইন দিয়ে ট্রাক দাঁড় করিয়ে শিখদের দাড়ি ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছিল। সেটা আমার বাড়ি থেকে মেরেকেটে পাঁচ কিলোমিটার। পুলিশ মোটামুটি নন এক্সিস্ট্যান্ট ছিল। খুব দোষও নেই। কত জায়গায় গিয়ে একসঙ্গে 'জনরোষ' সামলাবে।
    তারপরেই লোকসভা ভোট হল। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস ১৬ টা সিট পেল। যেটা তখন অকল্পনীয় ছিল।

    অনেক কিছুই হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গে। দিল্লির কথা বাদই দিলাম। একটা নট ইন মাই নেম হলে ভালই হত।
  • AMIT SENGUPTA | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২২:২৩713385
  • সবাই জানে কিন্তু মমতা জানেননা এটা হতে পারেনা। ইউপিতে যখন মুলায়ম সিং যাদব মুসলিম ভোট ব্যাংককে লালন পালন করতেন ও একটা ধারণা তৈরী করতে সক্ষম হয়েছিলেন যে মুসলিম ভোট যার, ইউপি তাঁর। এই ২০-২৫% কন্সোলিডেশান টা মাল্টি পারটি কন্টেস্টে খুব কাজ দিয়েছিল যখন কেউ ৩০ থেকে ৩৩% ভোট টানতে পারলেই সিংহাসনে। তিনি যে বিরাট কিছু পাইয়ে দিয়েছিলেন মুসলিমদের তা নয়, কিন্তু বিজেপি জুজুটা ভালই ঢুকিয়ে ছিলেন মুসলিমদের মাথায়।
    বিজেপি কিন্তু এর সুযোগটা নিলো মুজাফফর নগর ও অন্যান্য জায়গায় দাঙ্গা লাগিয়ে, জাতি ভেদে বিভক্ত হিন্দু ভোটারদের কন্সোলিডেট করতে। তৈরী হোল মুসলিম জুজু। আইসিস ও দুনিয়া জুড়ে মুসলিম সন্ত্রাসবাদ কে টেনে এনে জুড়ে দিলো আমাদের মুসলিমদের সঙ্গে। পরেরটা তো সকলেরই জানা। আগেরটাও, কারণ আমি নতুন কিছুই বলছিনা।
    আমি বাংলার বাইরে থাকি। বেশ কিছুদিন ধরে দেখছি আমার বেশকিছু বন্ধু, আত্মীয় যাদের চিরকালই অসাম্প্রদায়িক সুস্থ চিন্তাধারার মানুষ বলে জানি, তাঁরাও আমায় বলার চেষ্টা করেন, "তুমি জাননা পশ্চিমবঙ্গে কি চলছে। আমাদের দেশছাড়া হতে হবে। আগে এঁরা তথাকথিত হার্মাদদের কথা বলতেন, পরে তিনো গুণ্ডা, সিন্ডিকেট ইত্যাদি, কিন্তু তাতে ধর্মের রং থাকতোনা। আরাবুল বা রেজ্জাক মোল্লা বা সব্যসাচী দত্ত ইত্যাদিদের নিয়ে আলোচনায় ধর্ম থাকতোনা। আজকাল সাম্প্রদায়িক প্যাটার্ন টাই মুখ্য।
    এবার ঠিক ইউপি স্টাইলে পব তেও শুরু হচ্ছে দাঙ্গা। সরকারের নির্বুদ্ধিতা (মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ক নামক বস্তু বাঁচাতে গিয়ে, যদিও আমি মনে করি মুসলিমরা অতো রাজনীতি অচেতন নন) তাতে যোগাচ্ছে ইন্ধন। গোষ্ঠীবদ্ধ হচ্ছে হিন্দু ভোট, অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাচ্ছে অসাম্প্রদায়িক দলগুলো, বাম বা কং। দিকচিহ্ন নির্দেশ করছে এক চেনা দিকে (ইউপি), আর সে বড় সুখের সময় হবেনা। হতে পারেনা। তবু আশা রাখি বাঙ্গালীর শুভ বুদ্ধির উদয় হবে, হয়তো এই মেঘ কেটে যাবে। জীবদ্দশায় সাম্প্রদায়িক দলকে মহাকরণ বা নবান্নতে দেখে যেতে হবেনা।
  • aranya | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২২:২৯713387
  • মুখ্যমন্ত্রী তো পরিস্কার বলেছেন - যারা ভাঙচুর করছে, ঘরে, দোকানে আগুন লাগাচ্ছে, তাদের উনি এদ্দিন প্রোটেকশন দিতেন। এর আগেও বলেছেন, অনেক গুন্ডা কন্ট্রোল করেন। শুধু এই মন্তব্যগুলোর জন্যই ওর বিরুদ্ধে মামলা হওয়া দরকার। ভারতে একমাত্র কোর্টে গেলে তাও কিছু কাজ হয়
  • PT | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২২:২৯713386
  • শিখ রায়ট নিয়ে মিথ্যে গুজব ছ্ড়াবেন না। তিনোদের সমর্থন করার আরো অনেক সৎ রাস্তা খোলা আছে।
    http://dailysikhupdates.com/west-bengal-sikhs-1984/
  • PT | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২৩:৪৬713389
  • বরাসতে গিয়ে মিছিলের দিন শেষ হয়ে আসছে। ৬০ হাজার বুথে তিনোমুলের "শন্তিবাহিনী" গড়ার নির্দেশ!! তারা "নজর" রাখবে পাড়ায় পাড়ায়!!
  • amit | ০৫ জুলাই ২০১৭ ২৩:৫৪713390
  • ক্লাব দের টাকা বিলিয়ে শান্তি বাহিনীর কাজটা তো আগে সেরে রাখা হয়েছে, এবার পুরোপুরি SS-মডেল অরে কি। কোথাও বিরোধী দেখলেই একদম ISIS model।

    আর যারা বিজেপিতে এতো সাম্প্রদায়িকতার জূজূ দেখেন, তারা তিনোদের তোষণকারী সাম্প্রদায়িকতা একটুও চোখে দেখতে পান না। তাই এতো মিছিলের আড়ালে মুখ লুকোনো
  • b | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০০:৩৭713391
  • অমিত, তা কেন? ফেসবুকে রেজাউল করিম লিখেছেন (স্বপ্নময় চক্রবর্তী শেয়ার করেছেন) ঃ

    "শুনলাম,আজ মাননীয়া বলেছেনঃ এদের জন্য এত কিছু করলাম তারপর ও এত অসম্মান সহ্য করতে হল! আমি তাঁর বক্তব্য শুনি নি, কারন আমার টিভি বন্ধ। তবে অনেকে ফেসবুকে লিখছেন, তাহলে সত্য হলেও হতে পারে!

    এ প্রসঙ্গে শুধু একটি কথায় বলতে চাইঃ এত কষ্ট করে বিষের গাছ লাগালেন, জল-হাওয়া দিলেন। তার ফল এখন পেকে টসটস করছে। একটু চেখে দেখবেন না? অথচ, তাঁর সামনে সুযোগ ছিল- বাঙালীত্ব আমাদের ঐক্যের জায়গা। তার অসীম জনমোহীনি ক্ষমতা, মানুষের সাথে সংযোগ স্খাপনে তাঁর অতুলনীয় দক্ষতা ও বিধানসভায় তাঁর নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা- সবকিছুই তার পক্ষে ছিল। তিনি যদি ভোট-ব্যাঙ্কের রাজনীতি না করতেন, তাহলে বাঙালী জাতি এগিয়ে যেত অনেকখানিই। ইমাম-মোয়াজ্জেন ভাতা দিয়ে সামাজিক বিভাজন বেড়েছে। সংখ্যালঘুদের জন্য বাজার মায় হাসপাতাল ও করতে চেয়েছেন। ১০,০০০ খারেজী মাদ্রাসা কে নথিভুক্ত করতে চেয়ে, ব্যক্তিগতভাবে হিজাবে সজ্জিত হয়ে, নামাজের মত ভঙ্গি করে ছবি তুলে তা মুসলিম এলাকায় টাঙিয়ে তিনি এই রাজ্যের পথে প্রান্তরে অয়াহাবী চিন্তাচেতনাকে জাতে তুলে দিয়েছেন। তাঁকে ঘিরে যে পার্শ্বচরদের ভিড তাতে বাঙালী মুসলিম কোথায়? বাঙালী চাষী মুসলিমের মনে ধর্মের বিষ কে ঢালল? ইমাম ভাতা দিয়ে সমাজ কখনো এগোতে পারে? সমাজ এগোতে পারে যদি বৈজ্ঞানিক চেতনার উন্মেষ ঘটিয়ে সাদাকে সাদা আর কালোকে কাল বলতে পারি। সারা পৃথিবী জুড়ে ধর্মের নামে যেখানে খুনোখুনি চলছে সেখানে যারা সমাজের শীর্ষে অবস্থান করছেন তাদের সামাজিক আচরন বিজ্ঞান মনস্ক হবে এটাই বান্ছনীয়। "
    ---------
    অতোদূর ভাবিনা যদিও। যারা ল অফ দি ল্যান্ড ভেঙেছে, তাদের যথোপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক। নইলে, প্রেক্ষিত দেখতে দেখতে শেষের সেদিন ভয়ংকর নেমে আসবে।
  • amit | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০১:০৪713392
  • 2009 বা 2011 তে যারা বুদ্দদেব এর সরকারের বিরুদ্ধে আদা জল খেয়ে উঠে পড়ে লেগেছিলেন, "যে আসে আসুক, সিপিএম যাক" স্লোগানে চারদিক মুখরিত করেছিলেন, এই মমতার মতো নোংরা সাম্প্রদায়িক সরকার কে আমন্ত্রণ করে গদিতে বসিয়েছেন, আজকে তাদের এই লোক দেখানো মিটিং মিছিল চরম ন্যাকামি মনে হয়।

    প্রশাসন বলে যে একটা জিনিস আছে, যেটা জাতপাত না দেখে আইনের শাসন রাখতে পারে, সেটা গত ৬ বছর এ কর্পূর এর মতো উড়ে গেছে, এখন শুধু মহা নায়িকার একক কুনাট্য। এই সব মিছিল করে শুধু এনার যদি বাঁচানোর চেষ্টা হয়, তথাকথিত সম্প্রীতির নাম করে। এসব ন্যাকামি না করে নকু মাকুরা বা অপর্ণা সেন রা সরাসরি তিনোদের দলে নাম লেখালেই তো পারে।
  • রামরাহা | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০৬:২৯713394
  • একজনের কাজের জন্য গোটা সম্প্রদায়কে যারা দোষী মনে করে তারা সাম্প্রদায়িক। কাবার বিকৃত ও কুরুচিকর ছবি যে দিয়েছে তার গ্রেফতারের দাবিতে থানায় বিক্ষোভ দেখালেই কাজ হয়ে যেত, তার জন্য সারা দিন রাস্তা অবরোধ, অন্য সম্প্রদায়ের দোকান জোর করে বন্ধ করা, রথ আটকানো এসব করতে লাগে না। কিন্তু করা হয়েছে কারণ সাম্প্রদায়িক মানসিকতা। বসিরহাট দেগঙ্গাতে সেই ২০১০-এও দাঙ্গা হয়েছিল, তৃণমূলের প্রত্যক্ষ মদতে। হাজী নুরুল ইসলামের মতো সাম্প্রদায়িক ক্রিমিনালকে এলাকায় প্রতিপত্তি গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল সেই দাঙ্গা। ওই দাঙ্গার রেশ ধরে উত্তর চব্বিশ ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার সীমান্ত অঞ্চলে ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে আরএসএস আর হিন্দু সংহতি। তারাও প্ররোচনা, উস্কানি দিয়ে চলেছে। এবার ফের যে পরিস্থিতি তৈরি হলো তাতে আরো সুবিধে হবে আরএসএস-এর।

    তৃণমূল বেড়ে চলা সাম্প্রদায়িকতা রুখতে পারবে না এ কথা পরিষ্কার ভাবে বুঝুন। যারা সাম্প্রদায়িকতা উসকেছে ক্ষমতায় আসতে, তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নেই মানুষের কাছে।

    -- লিখেছেন উরন্দর হত

    এগুলোও বলাই হচ্ছে।

    তা রোবু কি বুদ্ধিজীবী হলে?
  • রামরাহা | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০৬:৩০713395
  • পুরন্দর ভাট হবে নামটা।
  • রামরাহা | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০৬:৩২713396
  • চৌত্রিশ বছরে দশমী আর মহরম একবারও একই দিনে পরেনি? উত্তর হ্যাঁ! বহুবার পরেছে! ঠাকুর বিসর্জনও হয়েছে আবার তাজিয়াও বেরিয়েছে! জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্যকে কখনও বলতে শুনেছেন ঠাকুর বিসর্জন বন্ধ(?) নাহ! ধর্ম ধর্মের পথে চলেছে! অরিন্দম শীল নয় বেণীমাধব শীলের ফুল পঞ্জিকা বলছে ২০০২এ গুজরাট দাঙ্গার বছর যেদিন দশমী সেদিনই ইসলাম মতানুযায়ী মহরম ছিলো! কেশপুরে শেষপুর দেখার পরের বছরও CPI(M) এর নেতৃত্বে চলা বামফ্রন্ট সরকারকে খাবি খেতে হয়নি!আমাদের রাজ্যে কি এমন হলো যে বিসর্জন বন্ধ করে দিতে হবে! আসলে কিছুই হয়নি! বিসর্জনটা বন্ধ করে হিন্দু সাইকোলজিতে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো "শালা মুসলমানের মহরমের জন্য বিসর্জন বন্ধ করে দিলো মমতা!" রামকে জমি দিতে ইসলাম দরকার! ময়দানে এলেন অবতার দিলীপ এবং তপন ঘোষ! এই প্রথম কোন মুখ্যমন্ত্রী উৎসবে পাঁচিল তুললো!

    এর আগে পশ্চিমবঙ্গের কোন মুখ্যমন্ত্রীকে মঞ্চে উঠে কোরানও কোট করতে হয়নি আবার ইয়া দেবী সর্ব্বভূতেশুও আওড়াতে হয়নি! তাতে শ্রীভূমি কিংবা সুরুচি সংঘে এসেছে শরৎ থিমের পরশ লাগেনি এমনটাও হয়নি আবার কাজী পাড়ায় চাঁদের নানী ঈদে বিরিয়ানিতে ক্যাওড়া জল বেশি ঢেলে ফেলেছে এমনটাও হয়নি!

    রামনবমীর অস্ত্র আস্ফালন আপনার জন্য! ধূলাগড়ে অশান্তির মূলে আপনি! কারন বিভেদের তাস খেলেছেন আপনি! নোটের রাজনীতি,ভোটের রাজনীতি মিলিয়ে দিয়েছেন আপনি! ঢঙের সঙ্গে রং মিশিয়ে দিয়েছেন আর মিলে মিশে থাকা মানুষকে আলাদা করে দিয়েছেন! মানুষকে মানুষের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছেন আপনি! ইসকনের রথ টেনেছেন আর প্রশাসনকে ঠুঁটো জগন্নাথ করেছেন!
    তবু ......

    যেহেতু রাজ্যটার নাম পশ্চিমবাংলা এখনও তাই অল্প হলেও ভরসা আছে! প্যারালাল ভাবে রাজনৈতিক আর প্রশাসনিক কাজ শুরু করুন! আপনার জন্য নয়! মানুষের হাত থেকে মানুষের রক্ত মুছতে! পশ্চিমবাংলার গা থেকে দাঙ্গার গন্ধ মুছতে বামপন্থীরা রাস্তায় থাকবে! কারন এখনও বিশ্বাস করি -

    আমার মাটি আমার মা
    পাকিস্তান হবে না!
    গুজরাটও হবে না!

    -- Shovan Chakraborty
  • aranya | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০৭:০৯713397
  • ফেবু পোস্টগুলো, যা রামরাহা বা অন্যরা এখানে দিয়েছে, পড়লাম। ভাল লাগছে, এই অন্ধকার সময়ে, সুস্থ বুদ্ধির পোস্টগুলো।

    একটা ছোট্ট কথা, পুরন্দর ভাট লিখেছেন - 'কাবার বিকৃত ও কুরুচিকর ছবি যে দিয়েছে তার গ্রেফতারের দাবিতে থানায় বিক্ষোভ দেখালেই কাজ হয়ে যেত'।

    কারও ভাবাবেগ অবমাননার দায়ে এই গ্রেপ্তারের দাবি কি সমর্থনযোগ্য? ব্ল্যাসফেমি ল একটা ভারতে আছে বটে, কিন্তু সেই আর্কেইক আইনের অবসান-ই কি কাম্য নয়? নাহলে তো শাক্যকে গ্রেপ্তারের দাবি-ও তুলতে হয়।

    এক্ষেত্রে ফেবু পোস্ট-টা আমি পড়ি নি, কিন্তু কোন লেখা বা ছবি আদৌ কুরুচি-র পরিচায়ক কিনা, সেটাও সাবজেক্টিভ। রামকৃষ্ণ, সারদা - মা, বিবেকানন্দ-র থ্রি সাম-এর কথা কারও কাছে খুবই কুরুচিকর লাগতে পারে, তার ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে, আবার কারও মনে হবে এটা জাস্ট তিন জন মানুষের মধ্যে একটা যৌন সম্পর্কের সম্ভাবনার কথা বলা হচ্ছে, নো বিগ ডিল।

    কোথায় লাইন টানা হবে?
  • রামরাহা | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০৭:৩২713398
  • ঠিকই। ব্লাসফেমির আইন আর্কায়িক। মুশকিল হল কেউ বিক্ষোভ দেখাতে চাইলেই বা আটকাবেন কীভাবে? কিন্তু এটুকু এনসিওর করাই যায় যে বিক্ষোভের বাউন্ডারি কোথায়।
  • cb | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০৭:৪৯713399
  • "এবার ঠিক ইউপি স্টাইলে পব তেও শুরু হচ্ছে দাঙ্গা। সরকারের নির্বুদ্ধিতা (মুসলিম ভোট ব্যাঙ্ক নামক বস্তু বাঁচাতে গিয়ে, যদিও আমি মনে করি মুসলিমরা অতো রাজনীতি অচেতন নন) তাতে যোগাচ্ছে ইন্ধন। গোষ্ঠীবদ্ধ হচ্ছে হিন্দু ভোট, অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যাচ্ছে অসাম্প্রদায়িক দলগুলো, বাম বা কং। দিকচিহ্ন নির্দেশ করছে এক চেনা দিকে (ইউপি)"

    -- এই হচ্ছে ব্যাপার। মানুষ সাম্প্রদায়িকতা চাইছে। কোনভাবেই তাদের অসাম্প্রদায়িক করে তোলা যাবে না
  • PT | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০৮:১২713401
  • "নাগপুর আর কালিঘাটের যৌথ ফরমুলায় ল্যাবরেটরিতে তৈরি হলো এই বিষ।"
    (ফব-র লেখাটি থেকে)
    "নাগপুরের ইচ্ছাফুল, পচ্চিমবঙ্গে তিনোমুল"-সে কব্বে থেকে বলে যাচ্ছি!!
    যারা দিলীপ ঘোষের উত্থানের সাহায্যকারী তিনোমুলের শয়তানির রাজনীতির প্রতিবাদ না করে বারাসতে মিছিল করতে যায় তাদের বালখিল্যতা মনে হয় "যে আসে আসুক......" তত্বের প্রব্ক্তাদের কেও লজ্জায় ফেলবে।
  • dd | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০৮:২১713402
  • অ্যাতোক্ষন ধরে ভাবছিলাম, সে কি কথা। অ্যাতো অ্যাতো ভালো পোস্ট পড়ছে কিন্তু একটা জমাটি এবং খুব জটিল কনস্পি থিউরী আসলো না?

    এসে গেছে।
  • PT | ০৬ জুলাই ২০১৭ ০৮:৩৪713403
  • রসিকতা ভাল। কিন্তু সব সময়ে ভাল নয়। এই পরিস্থিতিতে তো নয়ই।
    বামেরা ঐ "কনস্পি থিউরি" জানত বলে লোকের বাড়িতে ঘুরে ঘুরে হাতজোড় করে চাচাকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিল খর্গপুরে। পব-তে বিজেপির উত্থানের একটি বড় কারণ রাহুলের জায়গায় দিলীপের উঠে আসা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন